حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ عُمَرَ بْنِ كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي مُحَمَّدٍ، مَوْلَى أَبِي قَتَادَةَ أَنَّ أَبَا قَتَادَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ حُنَيْنٍ " مَنْ لَهُ بَيِّنَةٌ عَلَى قَتِيلٍ قَتَلَهُ، فَلَهُ سَلَبُهُ ". فَقُمْتُ لأَلْتَمِسَ بَيِّنَةً عَلَى قَتِيلٍ، فَلَمْ أَرَ أَحَدًا يَشْهَدُ لِي، فَجَلَسْتُ، ثُمَّ بَدَا لِي فَذَكَرْتُ أَمْرَهُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ رَجُلٌ مِنْ جُلَسَائِهِ سِلاَحُ هَذ
আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, হুনায়নের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, শত্রুপক্ষের কোন নিহত লোককে হত্যা করা সম্পর্কে যার সাক্ষী আছে, সেই তার ছেড়ে যাওয়া সম্পদ পাবে। (রাবী বলেন) আমি আমার দ্বারা নিহত ব্যক্তির সাক্ষী খুঁজতে দাঁড়ালাম। কিন্তু আমার সম্পর্কে সাক্ষ্য দিবে এমন কেউ দেখতে পেলাম না, কাজেই আমি বসে গেলাম। তারপর আমার খেয়াল হল। আমি তাই হত্যার ব্যাপারটি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট জানালাম। তখন তাঁর নিকট বসা লোকদের মধ্যে একজন বলল, যে নিহ
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, ইবনু আবূ উমার, মুহাম্মাদ রাফি এবং আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি হাফসাহ্ (রাযিঃ) এর ঘরে প্রবেশ করলাম। তখন তিনি বললেন, তুমি কি জান যে, তোমার পিতা কাউকে খলীফা মনোনীত করছেন না? আমি বললাম, তিনি এমনটি করবেন না। তিনি বললেন, তিনি তা-ই করবেন। ইবনু উমার (রাযিঃ) বললেন, তখন আমি এ মর্মে শপথ করলাম যে, আমি অবশ্যই এ ব্যাপারে তার সঙ্গে আলাপ করবো। এরপর আমি নীরব থাকলাম। পরের দিন ভোর পর্যন্ত আমি তার সঙ্গে এ ব্যাপারে আলাপ করিনি। রাবী বলেন, আমার মনে হলো
ইসহাক ইবনু ঈসা আল-তাব্বা আমাদেরকে বলেছেন, মালিক ইবনু আনাস আমাদেরকে বলেছেন, ইবনু শিহাব আমাকে বলেছেন, উবায়দ আল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উতবা ইবনু মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, ইবনু আব্বাস তাঁকে বলেছেন যে আবদ আল-রহমান ইবনু আউফ তাঁর সফরে ফিরে এসেছেন। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, আর আমি আবদ আল-রহমানকে তিলাওয়াত করছিলাম। বেন আউফ আমাকে মিনায় তার জন্য অপেক্ষা করতে দেখেছেন, ওমর ইবনুল খাত্তাব (আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট) শেষ হজের সময়। আব্দুর রহমান ইবন আউফঃ এক ব্যক্তি ওমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে এসে
হাকাম ইবনু মূসা, আলী ইবনু খশরাম (রহঃ) ..... আওযাঈ (রহঃ) থেকে এভাবে বর্ণনা করেছেন যে, "তোমাদের কেউ যখন তাশাহহুদ পাঠ করবে"। তারা 'আ-খির বা শেষ তাশাহহুদ’ শব্দটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২০৩, ইসলামীক সেন্টার)
قال: قال رسول الله (صلى الله عليه وسلم): بادروا إلى الإنفاق في سبيل الله (أي قبل الموت أو المرض). لأن الصدقة لا تزيد بالمصيبات (أي: بالمصيبات في الصدقة المحذوفة). (المطر) [1]
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহর পথে খরচ করার ব্যাপারে তাড়াতাড়ি করবে (অর্থাৎ মৃত্যু অথবা রোগ-শোক হবার আগে)। কারন দান সদাক্বাহ্ করলে বালা-মুসীবাত বৃদ্ধি পায় না (অর্থাৎ দান সদাক্বায় বালা-মুসীবাদ দূর হয়)। (রযীন) [১]
حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ قَيْسٍ، قَالَ سَمِعْتُ خَبَّابًا، وَقَدِ اكْتَوَى يَوْمَئِذٍ سَبْعًا فِي بَطْنِهِ وَقَالَ لَوْلاَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَانَا أَنْ نَدْعُوَ بِالْمَوْتِ لَدَعَوْتُ بِالْمَوْتِ، إِنَّ أَصْحَابَ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم مَضَوْا وَلَمْ تَنْقُصْهُمُ الدُّنْيَا بِشَىْءٍ، وَإِنَّا أَصَبْنَا مِنَ الدُّنْيَا مَا لاَ نَجِدُ لَهُ مَوْضِعًا إِلاَّ التُّرَابَ.
কায়স (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, খাব্বাব (রাঃ) তার পেটে সাতটি উত্তপ্ত লোহার দাগ নেয়ার পর আমি তাঁকে বলতে শুনেছি যে, যদি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মৃত্যু কামনা করা নিষিদ্ধ না করতেন, তাহলে আমি মৃত্যু কামনা করতাম। নিশ্চয়ই মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহাবার অনেকেই (দুনিয়া থেকে কিছু না নিয়েই) চলে গেছেন। অথচ দুনিয়া তাঁদের (আখিরাতের) কোনই ক্ষতি করতে পারেনি। আর আমরা দুনিয়ার ধনসম্পদ সংগ্রহ করেছি, তাই মাটি ব্যতীত আর কোন জায়গা পাচ্ছি না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৮১, ইসল
قال النبي صلى الله عليه وسلم: (لا تجعل بيتك قبرا (أي لا تجعل بيتك قبرا بغير صلاة ولا قراءة، بل حافظ على الصلاة والقراءة فيه).
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের ঘরকে কবর বানিয়ে নিয়ো না (অর্থাৎ কবরে যেমন নামায বা তেলাঅত হয় না তেমনি বিনা নামায ও তেলাঅতে ঘরকেও তার মত করো না; বরং তাতে নামায ও তেলাঅত করতে থাক।) অবশ্যই শয়তান সেই ঘর হতে পলায়ন করে যে ঘরে সূরা বাক্বারাহ পাঠ করা হয়। (মুসলিম ১৮৬০)