ধৈর্য — 7 hadith.
1. Sahih Al-Bukhari #4725
সা‘ঈদ ইব্নু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি ইব্নু ‘আব্বাসকে বললাম, নওফ আল-বাক্কালীর ধারণা, খাযিরের সাথী মূসা, তিনি বানী ইসরাঈলের নাবী মূসা (‘আ.) ছিলেন না। ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্র দুশমন মিথ্যা কথা বলেছে। [ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন] উবাই ইব্নু কা‘আব (রাঃ) আমাকে বলেছেন, তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, মূসা (‘আ.) একবার বানী ইসরাঈলের সম্মুখে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তাঁকে প্রশ্ন করা হল, কোন্ ব্যক্তি সবচেয়ে জ্ঞানী? তিনি বললেন, আমি। এতে আল্লাহ্ ত
Sa'id bin Jubair — Sahih Al-Bukhari #4725 (Sahih)
2. Jami' at-Tirmidhi #3180
মাহমুদ ইবনু গাইলান আমাদেরকে বলেছেন, আবূ উসামা আমাদেরকে বলেছেন, হিশাম ইবনু উরওয়া থেকে, আমার পিতা আমাকে বলেছেন, আয়েশা (রাঃ) থেকে তিনি বলেন, আমার সম্পর্কে যা উল্লেখ করা হয়েছে এবং আমি যা জানতাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তাবলিগ দেওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ালেন এবং তিনি তাকে প্রেরিত করলেন। প্রাপ্য, তারপর তিনি বলেন "কিন্তু তারা আমাকে এমন লোকদের সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়ার পরে যারা আমার পরিবারকে দোষারোপ করেছিল, ঈশ্বরের কসম, আমি কখনই জানি না যে আমার পরিবারের সাথে কোন মন্দ করা হবে,
'Aishah — Jami' at-Tirmidhi #3180 (Sahih)
3. Sahih Al-Bukhari #4726
সা‘ঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর কাছে তাঁর ঘরে ছিলাম। তখন তিনি বললেন, ইচ্ছা হলে আমার কাছে প্রশ্ন কর। আমি বললাম, হে আবূ ‘আব্বাস! আল্লাহ্ আমাকে আপনার উপর উৎসর্গ করুন। কূফায় নওফ নামক একজন কিচ্ছাকার আছে। সে বলছে যে, খাযির (‘আ.)-এর সঙ্গে যে মূসার সাক্ষাৎ হয়েছিল, তিনি বানী ইসরাঈলের (প্রতি প্রেরিত) মূসা নন। তবে, ‘আম্র ইব্নু দীনার আমাকে বলেছেন যে, ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) এ কথা শুনে বললেন, আল্লাহ্র দুশমন মিথ্যা কথা বলেছে। কিন্তু ইয়ালা (একজন বর্ণনাকারী) আমাকে বলেছেন যে, ইব্
Ibn Juraij — Sahih Al-Bukhari #4726 (Sahih)
4. Riyad as-Salihin #1867
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘‘জ্বর জাহান্নামের তীব্র উত্তাপের অংশ বিশেষ। অতএব তোমরা তা পানি দ্বারা ঠাণ্ডা কর।’’
Ayesha (RA) — Riyad as-Salihin #1867 (Sahih)
5. Sahih Muslim #1333
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে যেভাবে কুরআন মাজীদের সূরাহ শিখাতেন ঠিক তেমনিভাবে এ দু'আটিও শিখাতেন। দু'আটি হলোঃ “আল্ল-হুম্মা ইন্না- না'উযুবিকা মিন ‘আযা-বি জাহান্নাম ওয়া আউয়ুবিকা মিন আযাবিল কবরি ওয়া আউযুবিকা মিন ফিতনাতিল মাসীহিদ দাজ্জা-ল, ওয়া আউযুবিকা মিন ফিতনাতিল মাহইয়া ওয়াল মামা-ত” (অর্থাৎ- হে আল্লাহ আমরা তোমার কাছে জাহান্নামের আযাব থেকে আশ্রয় চাই। আমি তোমার কাছে মাসীহ দাজ্জালের ফিতনা
— Sahih Muslim #1333 (Sahih)
6. Jami' at-Tirmidhi #3102
আব্দুল ইবনু হুমাইদ আমাদেরকে বলেছেন, আব্দুর রাজ্জাক আমাদেরকে বলেছেন, মুয়াম্মার আমাদেরকে বলেছেন, আল-জুহরীর সূত্রে, আবদুর রহমান ইবন কাব ইবন মালিকের সূত্রে, তার পিতার সূত্রে, তিনি বলেন, “আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে পিছিয়ে ছিলাম না, আল্লাহ তাঁর উপর শান্তি বর্ষিত করুন, তিনি এমন একটি যুদ্ধে যেটি তিনি শুরু করেছিলেন, তাবুকের যুদ্ধ পর্যন্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি বরকত দেননি। তাকে এবং তাকে শান্তি দান করুন।" ঈশ্বর তাকে আশীর্বাদ করুন এবং তাকে শান্তি দান করুন। কেউ বদরে যোগ দিতে ব্যর্থ
'Abdur-Rahman bin Ka'b bin Malik — Jami' at-Tirmidhi #3102 (Sahih)
7. Sahih Al-Bukhari #2942
সাহ্ল ইব্নু সা’আদ (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি খায়বারের যুদ্ধের সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেন, আমি এমন এক ব্যক্তিকে পতাকা দিব যার হাতে বিজয় আসবে। অতঃপর কাকে পতাকা দেয়া হবে, সেজন্য সকলেই আশা করতে লাগলেন। পরদিন সকালে প্রত্যেকেই এ আশায় অপেক্ষা করতে লাগলেন যে, হয়ত তাকে পতাকা দেয়া হবে। কিন্তু নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘আলী কোথায়? তাঁকে জানানো হলো যে, তিনি চক্ষুরোগে আক্রান্ত। তখন তিনি ‘আলীকে ডেকে আনতে বললেন। তাকে ডেকে আনা হল। আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘
Sahl bin Sa'd — Sahih Al-Bukhari #2942 (Sahih)
শিক্ষণীয় বিষয়
আরও জানতে চান? হাদিস সংকলন | হাদিস খুঁজুন