ধৈর্য — 7 hadith.
1. Sahih Al-Bukhari #4726
সা‘ঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর কাছে তাঁর ঘরে ছিলাম। তখন তিনি বললেন, ইচ্ছা হলে আমার কাছে প্রশ্ন কর। আমি বললাম, হে আবূ ‘আব্বাস! আল্লাহ্ আমাকে আপনার উপর উৎসর্গ করুন। কূফায় নওফ নামক একজন কিচ্ছাকার আছে। সে বলছে যে, খাযির (‘আ.)-এর সঙ্গে যে মূসার সাক্ষাৎ হয়েছিল, তিনি বানী ইসরাঈলের (প্রতি প্রেরিত) মূসা নন। তবে, ‘আম্র ইব্নু দীনার আমাকে বলেছেন যে, ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) এ কথা শুনে বললেন, আল্লাহ্র দুশমন মিথ্যা কথা বলেছে। কিন্তু ইয়ালা (একজন বর্ণনাকারী) আমাকে বলেছেন যে, ইব্
Ibn Juraij — Sahih Al-Bukhari #4726 (Sahih)
2. Sahih Al-Bukhari #4725
সা‘ঈদ ইব্নু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি ইব্নু ‘আব্বাসকে বললাম, নওফ আল-বাক্কালীর ধারণা, খাযিরের সাথী মূসা, তিনি বানী ইসরাঈলের নাবী মূসা (‘আ.) ছিলেন না। ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্র দুশমন মিথ্যা কথা বলেছে। [ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন] উবাই ইব্নু কা‘আব (রাঃ) আমাকে বলেছেন, তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, মূসা (‘আ.) একবার বানী ইসরাঈলের সম্মুখে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তাঁকে প্রশ্ন করা হল, কোন্ ব্যক্তি সবচেয়ে জ্ঞানী? তিনি বললেন, আমি। এতে আল্লাহ্ ত
Sa'id bin Jubair — Sahih Al-Bukhari #4725 (Sahih)
3. Jami' at-Tirmidhi #3180
মাহমুদ ইবনু গাইলান আমাদেরকে বলেছেন, আবূ উসামা আমাদেরকে বলেছেন, হিশাম ইবনু উরওয়া থেকে, আমার পিতা আমাকে বলেছেন, আয়েশা (রাঃ) থেকে তিনি বলেন, আমার সম্পর্কে যা উল্লেখ করা হয়েছে এবং আমি যা জানতাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তাবলিগ দেওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ালেন এবং তিনি তাকে প্রেরিত করলেন। প্রাপ্য, তারপর তিনি বলেন "কিন্তু তারা আমাকে এমন লোকদের সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়ার পরে যারা আমার পরিবারকে দোষারোপ করেছিল, ঈশ্বরের কসম, আমি কখনই জানি না যে আমার পরিবারের সাথে কোন মন্দ করা হবে,
'Aishah — Jami' at-Tirmidhi #3180 (Sahih)
4. Sahih Al-Bukhari #6059
ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একবার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (গণীমত) ভাগ করলেন। তখন আনসারদের মধ্য থেকে এক (মুনাফিক) লোক বললঃ আল্লাহর কসম! এ কাজে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্র সন্তুষ্টি চাননি। তখন আমি এসে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে এ কথা জানালাম। এতে তাঁর চেহারার রং পাল্টে গেল। তিনি বললেনঃ আল্লাহ মূসা (‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উপর দয়া করুন। তাঁকে এর থেকেও অনেক অধিক কষ্ট দেয়া হয়েছে; তবুও তিনি ধৈর্য অবলম্বন করেছেন।(আধুন
Ibn Mas'ud — Sahih Al-Bukhari #6059 (Sahih)
5. Sahih Muslim #6919
(….) আহমাদ ইবনু সাঈদ আদ দারিমী (রহঃ) ..... সুহায়ল (রহঃ) থেকে এ সানাদে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬৭০, ইসলামিক সেন্টার)
— Sahih Muslim #6919 (Sahih)
6. Sahih Al-Bukhari #3389
‘উরওয়াহ ইবনু যুবাইর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়েশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ ----------------------------- আয়াতাংশের মধ্যে ----- হবে, না ----- হবে? (যাল হরফে তাশদীদ সহ পড়তে হবে না তাশদীদ ব্যতীত)? ‘আয়েশা (রাঃ) বলেন, (এখানে ----- নয়, ------ হবে) কেননা, তাঁদের কাওম তাঁদেরকে মিথ্যাচারী বলেছিল। [‘উরওয়াহ (রহঃ) বলেন] আমি বললাম, মহান আল্লাহর কসম, রসূলগণের দৃঢ় প্রত্যয় ছিল যে, তাঁদের কাওম তাদেরকে মিথ্যাচারী বলেছে, আর তাতো সন্দেহের বি
'Urwa — Sahih Al-Bukhari #3389 (Sahih)
7. Sahih Al-Bukhari #2965
অতঃপর তিনি তাঁর সাহাবীদের সামনে দাঁড়িয়ে ঘোষণা দিলেনঃ হে লোক সকল! শত্রুর সঙ্গে মোকাবেলায় অবতীর্ণ হবার কামনা করবে না এবং আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট নিরাপত্তার দু‘আ করবে। অতঃপর যখন তোমরা শত্রুর সম্মুখীন হবে তখন তোমরা ধৈর্যধারণ করবে। জেনে রাখবে, জান্নাত তরবারীর ছায়ার নীচে অবস্থিত। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু‘আ করলেন, হে আল্লাহ্! কুরআন নাযিলকারী, মেঘমালা পরিচালনাকারী, সেনাদল পরাভূতকারী, আপনি কাফির সম্প্রদায়কে পরাজিত করুন এবং আমাদেরকে তাদের উপর বিজয় দান করুন। (২৮১৮) (আধুনিক প্রকাশন
Salim Abu An-Nadr — Sahih Al-Bukhari #2965 (Sahih)
শিক্ষণীয় বিষয়
আরও জানতে চান? হাদিস সংকলন | হাদিস খুঁজুন