কুরআন — 7 hadith.
1. Sahih Muslim #1429
মুসলিম বলেন: আশজাইও এই হাদিসটি সুফিয়ান আল-থাওরি থেকে বর্ণনা করেছেন, যিনি এটি আসওয়াদ ইবনে কায়স থেকে বর্ণনা করেছেন, যিনি এটি শাকিক ইবনে উকবা থেকে বর্ণনা করেছেন, যিনি এটি বারা' ইবনে আযিব থেকে বর্ণনা করেছেন। বারা' বলেন, "আমরা নবী (সাঃ)-এর সাথে এক সময়ে সেই আয়াতটি পাঠ করেছিলাম," এভাবে তিনি এটি ফুদায়েল ইবনে মারযুকের হাদিসের মতো করে বর্ণনা করেন। এই বর্ণনাগুলোর প্রত্যেকটিই ইঙ্গিত দেয় যে, মধ্যবর্তী সালাত হলো আসরের সালাত। শুধুমাত্র আয়েশার হাদিসেই আসরের সালাতকে মধ্যবর্তী সালাত হিসেবে উল্লেখ করা হয়ে
— Sahih Muslim #1429 (Sahih)
2. Sahih Al-Bukhari #4726
সা‘ঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর কাছে তাঁর ঘরে ছিলাম। তখন তিনি বললেন, ইচ্ছা হলে আমার কাছে প্রশ্ন কর। আমি বললাম, হে আবূ ‘আব্বাস! আল্লাহ্ আমাকে আপনার উপর উৎসর্গ করুন। কূফায় নওফ নামক একজন কিচ্ছাকার আছে। সে বলছে যে, খাযির (‘আ.)-এর সঙ্গে যে মূসার সাক্ষাৎ হয়েছিল, তিনি বানী ইসরাঈলের (প্রতি প্রেরিত) মূসা নন। তবে, ‘আম্র ইব্নু দীনার আমাকে বলেছেন যে, ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) এ কথা শুনে বললেন, আল্লাহ্র দুশমন মিথ্যা কথা বলেছে। কিন্তু ইয়ালা (একজন বর্ণনাকারী) আমাকে বলেছেন যে, ইব্
Ibn Juraij — Sahih Al-Bukhari #4726 (Sahih)
3. Bulugh al-Maram #742
জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত: {আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হজ পালন করলেন এবং আমরা তাঁর সাথে যুল-হুলাইফা পর্যন্ত গেলাম। আসমা বিনতে উমাইস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) একটি সন্তানের জন্ম দিলেন এবং তিনি বললেন: “গোসল করে কাপড়ে জড়িয়ে নাও এবং ইহরামের অবস্থায় প্রবেশ করো।” আল্লাহর রাসূল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) মসজিদে সালাত আদায় করলেন, তারপর তিনি আল-কাসওয়া নামক বাহনে আরোহণ করলেন, যতক্ষণ না মরুভূমিতে সেটি তাঁর সমান্তরালে এসে পৌঁছাল।} তিনি আল্লাহর একত্ব ঘোষণার মাধ্য
Jabir bin 'Abdullah (RAA) narrated, ‘The Messenger of Allah (ﷺ) performed Hajj (on the 10th year of Hijrah), and we set out with him (to perform Hajj). When we reached Dhul-Hulaifah, Asma' bint 'Umais gave birth to Muhammad Ibn Abi Bakr. She sent a messag — Bulugh al-Maram #742 (Sahih)
4. Jami' at-Tirmidhi #3180
মাহমুদ ইবনু গাইলান আমাদেরকে বলেছেন, আবূ উসামা আমাদেরকে বলেছেন, হিশাম ইবনু উরওয়া থেকে, আমার পিতা আমাকে বলেছেন, আয়েশা (রাঃ) থেকে তিনি বলেন, আমার সম্পর্কে যা উল্লেখ করা হয়েছে এবং আমি যা জানতাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তাবলিগ দেওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ালেন এবং তিনি তাকে প্রেরিত করলেন। প্রাপ্য, তারপর তিনি বলেন "কিন্তু তারা আমাকে এমন লোকদের সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়ার পরে যারা আমার পরিবারকে দোষারোপ করেছিল, ঈশ্বরের কসম, আমি কখনই জানি না যে আমার পরিবারের সাথে কোন মন্দ করা হবে,
'Aishah — Jami' at-Tirmidhi #3180 (Sahih)
5. Sahih Al-Bukhari #4725
সা‘ঈদ ইব্নু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি ইব্নু ‘আব্বাসকে বললাম, নওফ আল-বাক্কালীর ধারণা, খাযিরের সাথী মূসা, তিনি বানী ইসরাঈলের নাবী মূসা (‘আ.) ছিলেন না। ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্র দুশমন মিথ্যা কথা বলেছে। [ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন] উবাই ইব্নু কা‘আব (রাঃ) আমাকে বলেছেন, তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, মূসা (‘আ.) একবার বানী ইসরাঈলের সম্মুখে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তাঁকে প্রশ্ন করা হল, কোন্ ব্যক্তি সবচেয়ে জ্ঞানী? তিনি বললেন, আমি। এতে আল্লাহ্ ত
Sa'id bin Jubair — Sahih Al-Bukhari #4725 (Sahih)
6. Sunan Ibn Majah #214
আবূ মূসা আল-আশআরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কুরআন তিলাওয়াতকারী মুমিন ব্যাক্তি কমলালেবু তুল্য, যা খেতে সুস্বাদু এবং সুগন্ধিযুক্ত। যে মুমিন ব্যাক্তি কুরাআন তিলাওয়াত করে না সে খেজুরতুল্য, যা খেতে সুস্বাদু কিন্তু সুগন্ধিবিহীন। কুরআন তিলাওয়াতকারী মুনাফিক্ব ব্যাক্তি সুগন্ধি গুল্মের সাথে তুলনীয়; যা খুব সুগন্ধিযুক্ত কিন্তু খেতে তিক্ত। যে মুনাফিক্ব ব্যাক্তি কুরআন তিলাওয়াত করে না সে মাকাল ফলতুল্য, যা খেতেও বিস্বাদ এবং যার কোন সুগন্ধিও নেই।
— Sunan Ibn Majah #214 (Sahih)
7. Sunan Abi Dawud #1195
‘আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবদ্দশায় একটি জায়গাতে আমি তীর চালনা শিখছিলাম। এমন সময় সূর্যগ্রহণ হলে আমি তীরগুলো ফেলে দিয়ে বলি, আজ সূর্যগ্রহণের দরুন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য কি ঘটে, তা অবশ্যই স্বচক্ষে দেখবো। আমি তাঁর কাছে গিয়ে দেখলাম, তিনি দু’ হাত উঠিয়ে তাসবীহ, তাহমীদ, কালিমাহ ও দু‘আ পাঠেরত আছেন। অবশেষে সূর্য গ্রাসমুক্ত হয়ে গেল। তিনি দু‘টি সূরার দ্বারা দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করলেন।[1] সহীহ : মুসলিম
'Abd al-Rahman b. Samurah — Sunan Abi Dawud #1195 (Sahih)
শিক্ষণীয় বিষয়
আরও জানতে চান? হাদিস সংকলন | হাদিস খুঁজুন