সহীহ মুসলিম — হাদিস #৯৪৭১
হাদিস #৯৪৭১
حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، حَدَّثَنَا ثَابِتٌ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ،
قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
" مَنْ طَلَبَ الشَّهَادَةَ صَادِقًا أُعْطِيَهَا وَلَوْ لَمْ
تُصِبْهُ " .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাহীক ইবনু সিনান নামে কথিত জনৈক ব্যক্তি আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) এর নিকট এসে বলেন, হে আবদুর রহমানের পিতা। নিম্নোক্ত শব্দটি আপনি কীভাবে পড়েন, ‘আলিফ সহযোগে না ইয়া' সহযোগে অর্থাৎمِنْ مَاءٍ غَيْرِ آسِنٍ অথবাمِنْ مَاءٍ غَيْرِ يَاسِنٍ বর্ণনাকারী আবু ওয়াইল (রহ) বলেন, 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বললেন, এ শব্দটি ছাড়া তুমি কি কুরআনের সবটুকু আয়ত্ত করে ফেলেছ? সে বলল, আমি তো মুফাস্সাল (সূরাহসমূহ) এক রাকাআতেই পড়ি। ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বলেন, দ্রুত গতিতে অর্থাৎ কবিতা পড়ার ন্যায় দ্রুত গতিতে? কোন কোন লোক কুরআন পড়ে কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করে না। বরং (সুষ্ঠুভাবে পড়লে) তা যখন অন্তরে প্রবেশ করে তখন তা হৃদয়ে বদ্ধমূল হয় এবং উপকারে আসে। সালাতের মধ্যে রুকু’-সিজদা হ’ল সর্বাধিক ফযীলাতপূর্ণ। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন তা আমি অবশ্যই জানি। তিনি প্রতি রাকাআতে দু'টি সূরাহ মিলিয়ে পড়তেন। অতঃপর আবদুল্লাহ (রাযিঃ) উঠে দাঁড়ান, আলকামাহ্ (রহঃ)ও তার পিছনে পিছনে প্রবেশ করেন। অতঃপর তিনি বের হয়ে এসে বলেন, 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) এ সম্পর্কে আমাকে অবহিত করেছেন। ইবনু নুমায়র-এর রিওয়ায়াতে আছেঃ বাজীলাহ গোত্রের জনৈক ব্যক্তি আবদুল্লাহ (রাযিঃ)-এর নিকট এলো। তার এ বর্ণনায় "নাহীক ইবনু সিনান" নাম উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭৭৮, ইসলামীক সেন্টার)
উৎস
সহীহ মুসলিম # ৬/১৯০৮
গ্রেড
Sahih
বিভাগ
অধ্যায় ৬: মুসাফিরদের সালাত ও তার কসর