জমি ভাড়া
অধ্যায়ে ফিরুন
০১
মুয়াত্তা মালিক # ৩৪/১৩৯০
حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ حَنْظَلَةَ بْنِ قَيْسٍ الزُّرَقِيِّ، عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ كِرَاءِ الْمَزَارِعِ قَالَ حَنْظَلَةُ فَسَأَلْتُ رَافِعَ بْنَ خَدِيجٍ بِالذَّهَبِ وَالْوَرِقِ فَقَالَ أَمَّا بِالذَّهَبِ وَالْوَرِقِ فَلاَ بَأْسَ بِهِ .
রেওয়ায়ত ১. রাফি ইবন খাদীজ (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শস্যক্ষেত্র কেরায়া দিতে নিষেধ করিয়াছেন। হানযালা বলেন, আমি রাফি'র নিকট জিজ্ঞাসা করিলাম যদি স্বর্ণ বা চাঁদির পরিবর্তে লওয়া হয়? তিনি বলিলেন, কোন ক্ষতি নাই।
০২
মুয়াত্তা মালিক # ৩৪/১৩৯১
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّهُ قَالَ سَأَلْتُ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ عَنْ كِرَاءِ الأَرْضِ، بِالذَّهَبِ وَالْوَرِقِ فَقَالَ لاَ بَأْسَ بِهِ .
রেওয়ায়ত ২. যুহরী (রহঃ) সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করিলেন, স্বর্ণ ও চাঁদির পরিবর্তে জমি কেরায়া লওয়া বৈধ কি? তিনি বলিলেন, “হ্যাঁ, বৈধ, ইহাতে কোন ক্ষতি নাই।”
০৩
মুয়াত্তা মালিক # ৩৪/১৩৯২
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّهُ سَأَلَ سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ كِرَاءِ الْمَزَارِعِ، فَقَالَ لاَ بَأْسَ بِهَا بِالذَّهَبِ وَالْوَرِقِ . قَالَ ابْنُ شِهَابٍ فَقُلْتُ لَهُ أَرَأَيْتَ الْحَدِيثَ الَّذِي يُذْكَرُ عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ فَقَالَ أَكْثَرَ رَافِعٌ وَلَوْ كَانَ لِي مَزْرَعَةٌ أَكْرَيْتُهَا .
রেওয়ায়ত ৩. যুহরী (রহঃ) সালিম ইবন আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ)-কে শস্যক্ষেত্র কেরায়া দেওয়ার ব্যাপারে প্রশ্ন করিলে তিনি বলিলেন, স্বর্ণ ও চাঁদির পরিবর্তে হইলে কোন ক্ষতি নাই। যুহরী (রহঃ) বললেন, রাফি ইবন খাদীজ (রাঃ) হইতে বর্ণিত হাদীস কি আপনার জানা আছে? উত্তরে সালিম (রহঃ) বলিলেন, তিনি অর্থাৎ রাফি' অনেক অস্পষ্ট কথা বলিয়াছেন, যদি আমার নিকট শস্যক্ষেত্র হইত তবে আমি কেরায়া দিতাম।
০৪
মুয়াত্তা মালিক # ৩৪/১৩৯৩
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَوْفٍ، تَكَارَى أَرْضًا فَلَمْ تَزَلْ فِي يَدَيْهِ بِكِرَاءٍ حَتَّى مَاتَ قَالَ ابْنُهُ فَمَا كُنْتُ أُرَاهَا إِلاَّ لَنَا مِنْ طُولِ مَا مَكَثَتْ فِي يَدَيْهِ حَتَّى ذَكَرَهَا لَنَا عِنْدَ مَوْتِهِ فَأَمَرَنَا بِقَضَاءِ شَىْءٍ كَانَ عَلَيْهِ مِنْ كِرَائِهَا ذَهَبٍ أَوْ وَرِقٍ .
রেওয়ায়ত ৪. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, আবদুর রহমান ইবন আউফ (রাঃ) কেরায়ায় একটি জমি লইয়াছিলেন, যাহা আমৃত্যু তাহার নিকট ছিল। তাহার পুত্র বললেন, আমরা এই জমি আমাদের নিজস্ব মনে করিতাম, কেননা উহা অনেক দিন আমাদের নিকট ছিল। যখন আবদুর রহমান ইবন আউফ (রাঃ)-এর অস্তিমকাল উপস্থিত হইল, তিনি বলিলেন, ইহা কেরায়ার জমি, কেরায়া যাহা বাকী ছিল তাহা সোনা চাঁদিতে আদায় করিতে বলিলেন।
০৫
মুয়াত্তা মালিক # ৩৪/১৩৯৪
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ كَانَ يُكْرِي أَرْضَهُ بِالذَّهَبِ وَالْوَرِقِ . وَسُئِلَ مَالِكٌ عَنْ رَجُلٍ أَكْرَى مَزْرَعَتَهُ بِمِائَةِ صَاعٍ مِنْ تَمْرٍ أَوْ مِمَّا يَخْرُجُ مِنْهَا مِنَ الْحِنْطَةِ أَوْ مِنْ غَيْرِ مَا يَخْرُجُ مِنْهَا فَكَرِهَ ذَلِكَ .
রেওয়ায়ত ৫. হিশাম ইবন উরওয়া (রহঃ) তাহার পিতা হইতে রেওয়ায়ত করিয়াছেন যে, তাহার পিতা যুবায়র নিজের জমি সোনা-চাঁদির পরিবর্তে কেরায়া দিতেন। মালিক (রহঃ)-এর নিকট প্রশ্ন করা হইয়াছিল, যদি কোন ব্যক্তি স্বীয় জমি এই শর্তে কেরায়া দেয় যে, উৎপাদিত ফসলের এই পরিমাণ (যেমন একশত সা’) লইব এমতাবস্থায় মাসআলা কি? তিনি বলিলেন, ইহা মাকরূহ।