দয়া — 7 hadith.
1. Sahih Al-Bukhari #4726
সা‘ঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর কাছে তাঁর ঘরে ছিলাম। তখন তিনি বললেন, ইচ্ছা হলে আমার কাছে প্রশ্ন কর। আমি বললাম, হে আবূ ‘আব্বাস! আল্লাহ্ আমাকে আপনার উপর উৎসর্গ করুন। কূফায় নওফ নামক একজন কিচ্ছাকার আছে। সে বলছে যে, খাযির (‘আ.)-এর সঙ্গে যে মূসার সাক্ষাৎ হয়েছিল, তিনি বানী ইসরাঈলের (প্রতি প্রেরিত) মূসা নন। তবে, ‘আম্র ইব্নু দীনার আমাকে বলেছেন যে, ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) এ কথা শুনে বললেন, আল্লাহ্র দুশমন মিথ্যা কথা বলেছে। কিন্তু ইয়ালা (একজন বর্ণনাকারী) আমাকে বলেছেন যে, ইব্
Ibn Juraij — Sahih Al-Bukhari #4726 (Sahih)
2. Sahih Muslim #1429
মুসলিম বলেন: আশজাইও এই হাদিসটি সুফিয়ান আল-থাওরি থেকে বর্ণনা করেছেন, যিনি এটি আসওয়াদ ইবনে কায়স থেকে বর্ণনা করেছেন, যিনি এটি শাকিক ইবনে উকবা থেকে বর্ণনা করেছেন, যিনি এটি বারা' ইবনে আযিব থেকে বর্ণনা করেছেন। বারা' বলেন, "আমরা নবী (সাঃ)-এর সাথে এক সময়ে সেই আয়াতটি পাঠ করেছিলাম," এভাবে তিনি এটি ফুদায়েল ইবনে মারযুকের হাদিসের মতো করে বর্ণনা করেন। এই বর্ণনাগুলোর প্রত্যেকটিই ইঙ্গিত দেয় যে, মধ্যবর্তী সালাত হলো আসরের সালাত। শুধুমাত্র আয়েশার হাদিসেই আসরের সালাতকে মধ্যবর্তী সালাত হিসেবে উল্লেখ করা হয়ে
— Sahih Muslim #1429 (Sahih)
3. Hadis Sambhar #1493
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমার ও তোমাদের উদাহরণ ঐ ব্যক্তির মত যে আগুন প্রজ্বলিত করল। অতঃপর তাতে উচ্চুঙ্গ ও পতঙ্গ পড়তে আরম্ভ করল, আর সে ব্যক্তি তা হতে তাদেরকে বাধা দিতে লাগল। আমিও তোমাদের কোমর ধরে তোমাদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাচ্ছি, আর তোমরা আমার হাত থেকে ছুটে গিয়ে (জাহান্নামের আগুনে) পতিত হচ্ছ।” (মুসলিম ৬০৯৮, বুখারী ৬৪৮৩)
Jaber (RA) — Hadis Sambhar #1493 (Sahih)
4. Jami' at-Tirmidhi #3180
মাহমুদ ইবনু গাইলান আমাদেরকে বলেছেন, আবূ উসামা আমাদেরকে বলেছেন, হিশাম ইবনু উরওয়া থেকে, আমার পিতা আমাকে বলেছেন, আয়েশা (রাঃ) থেকে তিনি বলেন, আমার সম্পর্কে যা উল্লেখ করা হয়েছে এবং আমি যা জানতাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তাবলিগ দেওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ালেন এবং তিনি তাকে প্রেরিত করলেন। প্রাপ্য, তারপর তিনি বলেন "কিন্তু তারা আমাকে এমন লোকদের সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়ার পরে যারা আমার পরিবারকে দোষারোপ করেছিল, ঈশ্বরের কসম, আমি কখনই জানি না যে আমার পরিবারের সাথে কোন মন্দ করা হবে,
'Aishah — Jami' at-Tirmidhi #3180 (Sahih)
5. Sunan an-Nasa'i #5652
মুহাম্মদ ইবন আদম ইবন সুলায়মান (রহঃ) ... বুরায়দা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি তোমাদেরকে কবর যিয়ারত করতে নিষেধ করেছিলাম; কিন্তু এখন তোমরা কবর যিয়ারত করতে পার। আর আমি তোমাদেরকে তিন দিনের অধিক কুরবানীর গোশত রাখতে নিষেধ করেছিলাম; এখন তোমাদের যতদিন ইচ্ছা গােশত রাখতে পার। আমি তোমাদেরকে মশক ব্যতীত অন্য পাত্রে নবীয তৈরি করতে নিষেধ করেছিলাম, এখন তোমরা সকল পাত্রেই নবীয তৈরি করে পান করতে পার, কিন্তু মাদকদ্রব্য পান করবে না।
It was narrated from 'Abdullah bin Buraidah that his father said — Sunan an-Nasa'i #5652 (Sahih)
6. Sunan Abi Dawud #563
সা‘ঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক আনসারী সাহাবীর মৃত্যু আসন্ন হলে তিনি বলেন, আমি তোমাদের নিকট কেবল সাওয়াব লাভের প্রত্যাশায় একটি হাদীস বর্ণনা করব। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের কেউ যখন উত্তমরূপে অযু করে সালাতের উদ্দেশে বের হয়, তখন সে তার ডান পা উঠাতেই মহান আল্লাহ তার জন্য একটি সাওয়াব লিখে দেন। এরপর বাম পা ফেলার সাথে সাথেই মহা সম্মানিত আল্লাহ তার একটি গুনাহ ক্ষমা করে দেন। এখন তোমাদের ইচ্ছা হলে মসজিদের নিকটে থাকবে অথবা দুরে। অতঃপর স
A person from the Ansar — Sunan Abi Dawud #563 (Sahih)
7. Sahih Al-Bukhari #7387
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন একটি দু‘আ শিখিয়ে দিন যা দিয়ে আমি আমার সালাতে দু‘আ করতে পারি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি বল, اللهُمَّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي.... হে আল্লাহ্! আমি আমার নফসের ওপর খুব বেশি যুলম করেছি। আপনি ব্যতীত আমার গুনাহ ক্ষমা করার কেউই নেই। কাজেই আপনার পক্ষ থেকে আমাকে ক্ষমা করে দিন। আপনিই অতি ক্ষমাপরায়ণ ও দয়াবান। [৮৩৪; মুসলিম ৪৮/১৩, হাঃ ২৭০৫, আহমাদ ৮] (আধুনিক
'Abdullah bin 'Amr — Sahih Al-Bukhari #7387 (Sahih)
শিক্ষণীয় বিষয়
আরও জানতে চান? হাদিস সংকলন | হাদিস খুঁজুন