সা‘ঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর কাছে তাঁর ঘরে ছিলাম। তখন তিনি বললেন, ইচ্ছা হলে আমার কাছে প্রশ্ন কর। আমি বললাম, হে আবূ ‘আব্বাস! আল্লাহ্ আমাকে আপনার উপর উৎসর্গ করুন। কূফায় নওফ নামক একজন কিচ্ছাকার আছে। সে বলছে যে, খাযির (‘আ.)-এর সঙ্গে যে মূসার সাক্ষাৎ হয়েছিল, তিনি বানী ইসরাঈলের (প্রতি প্রেরিত) মূসা নন। তবে, ‘আম্র ইব্নু দীনার আমাকে বলেছেন যে, ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) এ কথা শুনে বললেন, আল্লাহ্র দুশমন মিথ্যা কথা বলেছে। কিন্তু ইয়ালা (একজন বর্ণনাকারী) আমাকে বলেছেন যে, ইব্
সা‘ঈদ ইব্নু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি ইব্নু ‘আব্বাসকে বললাম, নওফ আল-বাক্কালীর ধারণা, খাযিরের সাথী মূসা, তিনি বানী ইসরাঈলের নাবী মূসা (‘আ.) ছিলেন না। ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্র দুশমন মিথ্যা কথা বলেছে। [ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন] উবাই ইব্নু কা‘আব (রাঃ) আমাকে বলেছেন, তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, মূসা (‘আ.) একবার বানী ইসরাঈলের সম্মুখে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তাঁকে প্রশ্ন করা হল, কোন্ ব্যক্তি সবচেয়ে জ্ঞানী? তিনি বললেন, আমি। এতে আল্লাহ্ ত
মাহমুদ ইবনু গাইলান আমাদেরকে বলেছেন, আবূ উসামা আমাদেরকে বলেছেন, হিশাম ইবনু উরওয়া থেকে, আমার পিতা আমাকে বলেছেন, আয়েশা (রাঃ) থেকে তিনি বলেন, আমার সম্পর্কে যা উল্লেখ করা হয়েছে এবং আমি যা জানতাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তাবলিগ দেওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ালেন এবং তিনি তাকে প্রেরিত করলেন। প্রাপ্য, তারপর তিনি বলেন "কিন্তু তারা আমাকে এমন লোকদের সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়ার পরে যারা আমার পরিবারকে দোষারোপ করেছিল, ঈশ্বরের কসম, আমি কখনই জানি না যে আমার পরিবারের সাথে কোন মন্দ করা হবে,
وَرَوَى أَحْمَدُ : عَنْ عَمْرِوِ بْنِ شُعَيْبٍ , عَنْ أَبِيهِ , عَنْ جَدِّهِ نَحْوَهُ . 11 - صحيح . رواه أحمد ( 2 / 208 ) ولفظه : " إن الله زادكم صلاة إلى صلاتكم ، وهي الوتر" . والحديث وإن كان عند أحمد بسند ضعيف ، إلا أنه صحيح بما له من طرق أخرى ، وشواهد كالحديث السابق ، وتفصيل ذلك " بالأصل " .
হযরত আহমাদ আমর ইবনু শুয়াইব (রাঃ) থেকে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ কিছু রিপোর্ট করেছেন।
তিনি বলেন, আমি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ঈদের সলাতে উপস্থিত ছিলাম। তিনি খুতবার আগেই আযান ও ইক্বামাত ছাড়া সলাত শুরু করে দিলেন। সলাত শেষ করার পর তিনি বিলালের গায়ে ভর করে দাঁড়ালেন। অতঃপর আল্লাহ তা’আলার মহত্ত্ব ও গুণ গরীমা বর্ণনা করলেন। লোকদের উপদেশ বাণী শুনালেন। তাদেরকে আখিরাতের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন। আল্লাহর আদেশ নিষেধ অনুসরণ করার প্রতি অনুপ্রেরণা যোগালেন। তারপর তিনি মহিলাদের দিকে এগিয়ে গেলেন। তাঁর সাথে ছিলেন বেলাল। তাদেরকে তিনি আল্লাহর ভয়-ভীতির কথা বললেন, ওয়াজ করলেন। পরকালের
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ سَلاَمٍ، أَخْبَرَنَا وَكِيعٌ، عَنِ ابْنِ عُيَيْنَةَ، قَالَ قَالَ لِي مَعْمَرٌ قَالَ لِي الثَّوْرِيُّ هَلْ سَمِعْتَ فِي الرَّجُلِ يَجْمَعُ لأَهْلِهِ قُوتَ سَنَتِهِمْ أَوْ بَعْضِ السَّنَةِ قَالَ مَعْمَرٌ فَلَمْ يَحْضُرْنِي، ثُمَّ ذَكَرْتُ حَدِيثًا حَدَّثَنَاهُ ابْنُ شِهَابٍ الزُّهْرِيُّ عَنْ مَالِكِ بْنِ أَوْسٍ عَنْ عُمَرَ ـ رضى الله عنه ـ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَبِيعُ نَخْلَ بَنِي النَّضِيرِ، وَيَحْبِسُ لأَهْلِهِ قُوتَ سَنَتِهِمْ.
মা‘মার (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, সাওরী (রহঃ) আমাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ কেউ তার পরিবারের জন্য বছরের বা বছরের কিছু অংশের খাদ্য জোগাড় করে রাখলে এ সম্পর্কে আপনি কোন হাদীস শুনেছেন কি? মা‘মার (রহঃ) বলেনঃ তখন আমার কোন হাদীস স্মরণ হলো না। পরে একটি হাদীসের কথা আমার মনে হল, যা ইবনু শিহাব যুহ্রী (রহঃ) মালিক ইবনু আওসের সূত্রে ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বনূ নাযীরের খেজুর বিক্রি করতেন এবং পরিবারের জন্য এক বছরের খাদ্য জোগাড় করে রাখতেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৫৬, ইসলামি