حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ عُمَرَ بْنِ كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي مُحَمَّدٍ، مَوْلَى أَبِي قَتَادَةَ أَنَّ أَبَا قَتَادَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ حُنَيْنٍ " مَنْ لَهُ بَيِّنَةٌ عَلَى قَتِيلٍ قَتَلَهُ، فَلَهُ سَلَبُهُ ". فَقُمْتُ لأَلْتَمِسَ بَيِّنَةً عَلَى قَتِيلٍ، فَلَمْ أَرَ أَحَدًا يَشْهَدُ لِي، فَجَلَسْتُ، ثُمَّ بَدَا لِي فَذَكَرْتُ أَمْرَهُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ رَجُلٌ مِنْ جُلَسَائِهِ سِلاَحُ هَذ
আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, হুনায়নের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, শত্রুপক্ষের কোন নিহত লোককে হত্যা করা সম্পর্কে যার সাক্ষী আছে, সেই তার ছেড়ে যাওয়া সম্পদ পাবে। (রাবী বলেন) আমি আমার দ্বারা নিহত ব্যক্তির সাক্ষী খুঁজতে দাঁড়ালাম। কিন্তু আমার সম্পর্কে সাক্ষ্য দিবে এমন কেউ দেখতে পেলাম না, কাজেই আমি বসে গেলাম। তারপর আমার খেয়াল হল। আমি তাই হত্যার ব্যাপারটি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট জানালাম। তখন তাঁর নিকট বসা লোকদের মধ্যে একজন বলল, যে নিহ
আমাদেরকে ইবনু আবী উমর বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনু যায়েদ ইবনু জাদআন থেকে, আবূ নাদরা থেকে, আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেনঃ আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি আদম সন্তানের প্রভু, কেয়ামতের দিন আমার হাতে কোন নিষেধাজ্ঞা থাকবে না। প্রশংসা, এবং কোন অহংকার থাকবে না এবং সেদিন কোন নবী থাকবে না।" আদম, তাহলে আর কে? আমার ব্যানারের নীচে ছাড়া, এবং আমিই প্রথম হব যার জন্য পৃথিবী খুলবে, এবং কোন অহংকার থাকবে না। তিনি বললেনঃ অতঃপর লোকেরা তিনবার আ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، حَدَّثَنَا ثَابِتُ بْنُ عَجْلاَنَ، عَنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ:
" يَقُولُ اللَّهُ سُبْحَانَهُ: ابْنَ آدَمَ إِنْ صَبَرْتَ وَاحْتَسَبْتَ عِنْدَ الصَّدْمَةِ الأُولَى لَمْ أَرْضَ لَكَ ثَوَابًا دُونَ الْجَنَّةِ " .
আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ মহান আল্লাহ্ বলেছেনঃ হে বনী আদম! যদি তুমি সওয়াবের আশায় প্রথম আঘাতেই ধৈর্য ধারণ করো তাহলে আমি তোমাকে সওয়াবের বিনিময় হিসাবে জান্নাত দান না করে সন্তুষ্ট হবো না।
قَالَ اللَّيْثُ حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ أَنَّهُ قَالَ انْطَلَقَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَمَعَهُ أُبَىُّ بْنُ كَعْبٍ قِبَلَ ابْنِ صَيَّادٍ، فَحُدِّثَ بِهِ فِي نَخْلٍ، فَلَمَّا دَخَلَ عَلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم النَّخْلَ، طَفِقَ يَتَّقِي بِجُذُوعِ النَّخْلِ، وَابْنُ صَيَّادٍ فِي قَطِيفَةٍ لَهُ فِيهَا رَمْرَمَةٌ، فَرَأَتْ أُمُّ ابْنِ صَيَّادٍ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عل
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘উবাই ইব্নু কা’ব (রাঃ)-কে সঙ্গে নিয়ে ইব্নু সাইয়াদের নিকট গমন করেন। তখন লোকেরা বলল, সে খেজুর বাগানে আছে। যখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নিকট খেজুর বাগানে পৌঁছলেন, তখন তিনি নিজেকে খেজুর গাছের শাখার আড়াল করতে লাগলেন। ইব্নু সাইয়াদ তখন তার চাদর জড়িয়ে গুণগুণ করছিল। তখন ইব্নু সাইয়াদের মা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখে বলে উঠল, হে সাফ! (ইব্নু সাইয়
উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর এক কন্যার শিশু পুত্রের মৃত্যু আসন্ন হলে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে তার নিকট আসার জন্য লোক মারফত বলে পাঠান। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কন্যাকে বলে পাঠান যে, সবই আল্লাহর যা তিনি নেন তাও তাঁর এবং যা তিনি দান করেন তাও তাঁর। প্রতিটি বস্তুর জন্য তাঁর নিকট একটি নির্ধারিত কাল রয়েছে। অতএব তোমার ধৈর্যধারণ ও সওয়াবের আশা করা উচিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কন্যা কসম খেয়ে পু
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: “যে আমার আনুগত্য করল সে আল্লাহর আনুগত্য করল, আর যে আমাকে অমান্য করল সে আল্লাহর নাফরমানী করল এবং যে ব্যক্তি রাজপুত্রের আনুগত্য করল সে আমার আনুগত্য করল এবং যে রাজপুত্রকে অমান্য করল সে আমার আনুগত্য করল। ইমাম তার থেকে রক্ষা করল এবং সে যদি একজন ইমামের পিছনে যুদ্ধ করে। আল্লাহকে ভয় করে এবং ন্যায়পরায়ণ হওয়ার আদেশ দেয়, সে এর জন্য একটি পুরষ্কার পাবে এবং যদি সে অন্যথা বলে তবে তার জন্য তার জন্য একটি পুরস্
ইয়াহইয়া বিন মূসা এবং একাধিক ব্যক্তি আমাদেরকে বলেছেন। তারা বলেন, ওমর ইবনে ইউনুস আমাদেরকে বলেছেন, আমাদেরকে ইকরিমা ইবনে আম্মার বলেছেন, আমাদেরকে ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাথির বলেছেন, আমাদেরকে আবূ সালামাহ বলেছেন, তিনি বলেছেন: আমি আয়েশা (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিসের উপর রহমত বর্ষণ করেন, তিনি রাতে উঠলে সালাত শুরু করতেন। তিনি বলেন, যখন তিনি রাতে উঠতেন, তখন তিনি তার প্রার্থনা খুলতেন এবং বলতেন, "হে আল্লাহ, জিব্রাইল, মাইকেল এবং ইসরাফিল