حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ عُمَرَ بْنِ كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي مُحَمَّدٍ، مَوْلَى أَبِي قَتَادَةَ أَنَّ أَبَا قَتَادَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ حُنَيْنٍ " مَنْ لَهُ بَيِّنَةٌ عَلَى قَتِيلٍ قَتَلَهُ، فَلَهُ سَلَبُهُ ". فَقُمْتُ لأَلْتَمِسَ بَيِّنَةً عَلَى قَتِيلٍ، فَلَمْ أَرَ أَحَدًا يَشْهَدُ لِي، فَجَلَسْتُ، ثُمَّ بَدَا لِي فَذَكَرْتُ أَمْرَهُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ رَجُلٌ مِنْ جُلَسَائِهِ سِلاَحُ هَذ
আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, হুনায়নের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, শত্রুপক্ষের কোন নিহত লোককে হত্যা করা সম্পর্কে যার সাক্ষী আছে, সেই তার ছেড়ে যাওয়া সম্পদ পাবে। (রাবী বলেন) আমি আমার দ্বারা নিহত ব্যক্তির সাক্ষী খুঁজতে দাঁড়ালাম। কিন্তু আমার সম্পর্কে সাক্ষ্য দিবে এমন কেউ দেখতে পেলাম না, কাজেই আমি বসে গেলাম। তারপর আমার খেয়াল হল। আমি তাই হত্যার ব্যাপারটি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট জানালাম। তখন তাঁর নিকট বসা লোকদের মধ্যে একজন বলল, যে নিহ
ইবনু আবূ লায়লাহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, সালাতের অবস্থা পর্যায়ক্রমে তিনবার পরিবর্তন হয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন, আমাদের সাথীরা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেন যে, রসূলু্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমাদের মুসলিমগণ অথবা মু’মিনগণের একত্রে জামা‘আতে সালাত আদায় করাটা আমার কাছে আনন্দদায়ক। এমনকি প্রাথমিক অবস্থায় আমি চিন্তা করলাম, সালাতের সময় হলে মানুষদের ডেকে আনার জন্য ঘরে ঘরে লোক পাঠিয়ে দিব। এমনকি আমি এ ইচ্ছাও করলাম যে, সালাতের সময় উপস্থিত হলে কিছু লোককে দুর্গের উপর দাঁড় করিয়ে দিব যারা
حَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ يُونُسَ الْحَنَفِيُّ، حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ بْنُ عَمَّارٍ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو كَثِيرٍ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو هُرَيْرَةَ، قَالَ كُنَّا قُعُودًا حَوْلَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَعَنَا أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ فِي نَفَرٍ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ بَيْنِ أَظْهُرِنَا فَأَبْطَأَ عَلَيْنَا وَخَشِينَا أَنْ يُقْتَطَعَ دُونَنَا وَفَزِعْنَا فَقُمْنَا فَكُنْتُ أَوَّلَ مَنْ فَزِعَ فَخَرَجْتُ أَبْتَغِي رَسُولَ اللَّهِ ص
যুহাইর ইবনে হারব আমাকে বলেছেন, উমর ইবনে ইউনুস আল-হানাফি আমাদের বলেছেন, ইকরিমা ইবনে আম্মার আমাদের বলেছেন, আবু কাসির আমাকে বলেছেন, আবু হুরায়রা আমাকে বলেছেন, আমরা আল্লাহর রাসূল (সাঃ)-এর চারপাশে বসেছিলাম, আবু বকর ও উমর আমাদের সাথে ছিলেন এবং সাথে একদল লোকও ছিল। আল্লাহর রাসূল (সাঃ) আমাদের মধ্য থেকে উঠে দাঁড়ালেন এবং কিছুক্ষণের জন্য অদৃশ্য হয়ে গেলেন, এবং আমরা ভয় পেলাম যে আমাদের কথা শেষ হওয়ার আগেই তাঁকে হত্যা করা হবে। আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়লাম, তাই আমরা উঠে দাঁড়ালাম। আমিই প্রথম আতঙ্কিত হলাম, তাই আমি
হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে রিওয়ায়াত করেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি শুয়ে ছিলাম। স্বপ্নে আমাকে আমি জান্নাতে দেখতে পাই। ওখানে একটি অট্টালিকার কিনারে একজন নারী ওযু করছিল। আমি জানতে চাইলাম। এটি কার? তারা বলল, “উমর ইবনুল খাত্তাবের। তখন উমারের আত্মসম্মানবোধের কথা আমার স্মরণ হলে, আমি সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করলাম। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেন, এ কথা শুনে উমর (রাযিঃ) কেঁদে দিলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে আমরা স
وَعَنْ عَبْدِ اَلرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ - رضى الله عنه - قَالَ : { سَجَدَ اَلنَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم -فَأَطَالَ اَلسُّجُودَ , ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ وَقَالَ :
" إِنَّ جِبْرِيلَ آتَانِي , فَبَشَّرَنِي , فَسَجَدْت لِلَّهِ شُكْرًا" } رَوَاهُ أَحْمَدُ , وَصَحَّحَهُ اَلْحَاكِمُ . 11 - صحيح . انظر ما قبله . رواه أحمد ( 1 / 191 ) ، والحاكم ( 1 / 550 ) .
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিজদা করলেন এবং সাজদা দীর্ঘায়িত করলেন, অতঃপর মাথা উঁচু করে বললেন, জিবরাঈল (জিবরাঈল) এসেছিলেন এবং আমাকে সুসংবাদ দিয়েছিলেন, অতঃপর আমি আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলাম।
.
জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “মহামারী থেকে পলায়নকারী যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়নকারীর মতো এবং এতে ধৈর্যধারণকারীর জন্য শহীদের সওয়াব রয়েছে।” আহমাদ থেকে বর্ণিত
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْحَنْظَلِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ،
عَنْ شَقِيقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّهُ قَالَ { وَمَنْ يَغْلُلْ يَأْتِ بِمَا غَلَّ يَوْمَ الْقِيَامَةِ} ثُمَّ قَالَ عَلَى قِرَاءَةِ
مَنْ تَأْمُرُونِي أَنْ أَقْرَأَ فَلَقَدْ قَرَأْتُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِضْعًا وَسَبْعِينَ
سُورَةً وَلَقَدْ عَلِمَ أَصْحَابُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنِّي أَعْلَمُهُمْ بِكِتَابِ اللَّهِ وَلَوْ أَعْلَمُ
أَنَّ
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও আবদুল্লাহ ইবনু সাঈদ আল আশাজ্জ (রহঃ) ... সুওয়াইদ ইবনু গাফালাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আলী (রাযিঃ) বলেছেনঃ আমি কোন কথা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পক্ষ থেকে বানিয়ে বলার চেয়ে- আমার আকাশ থেকে পড়ে যাওয়াকে শ্রেয় মনে করি। আর যখন আমি আমার ও তোমাদের মধ্যকার ব্যাপার নিয়ে কথা বলি তখন মনে রাখবে যে, যুদ্ধে কৌশল ও চাতুরতার আশ্রয় নেয়া বৈধ। আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনিঃ সে যুগে (অর্থাৎ কিয়ামতের পূর্বে) এমন