সহীহ বুখারী — হাদিস #১৬৪২

হাদিস #১৬৪২
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ نَوْفَلٍ الْقُرَشِيِّ، أَنَّهُ سَأَلَ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ فَقَالَ قَدْ حَجَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرَتْنِي عَائِشَةُ ـ رضى الله عنها ـ أَنَّهُ أَوَّلُ شَىْءٍ بَدَأَ بِهِ حِينَ قَدِمَ أَنَّهُ تَوَضَّأَ ثُمَّ طَافَ بِالْبَيْتِ ثُمَّ لَمْ تَكُنْ عُمْرَةً، ثُمَّ حَجَّ أَبُو بَكْرٍ ـ رضى الله عنه ـ فَكَانَ أَوَّلَ شَىْءٍ بَدَأَ بِهِ الطَّوَافُ بِالْبَيْتِ ثُمَّ لَمْ تَكُنْ عُمْرَةً‏.‏ ثُمَّ عُمَرُ ـ رضى الله عنه ـ مِثْلُ ذَلِكَ‏.‏ ثُمَّ حَجَّ عُثْمَانُ ـ رضى الله عنه ـ فَرَأَيْتُهُ أَوَّلُ شَىْءٍ بَدَأَ بِهِ الطَّوَافُ بِالْبَيْتِ ثُمَّ لَمْ تَكُنْ عُمْرَةٌ، ثُمَّ مُعَاوِيَةُ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، ثُمَّ حَجَجْتُ مَعَ أَبِي الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ، فَكَانَ أَوَّلَ شَىْءٍ بَدَأَ بِهِ الطَّوَافُ بِالْبَيْتِ، ثُمَّ لَمْ تَكُنْ عُمْرَةٌ، ثُمَّ رَأَيْتُ الْمُهَاجِرِينَ وَالأَنْصَارَ يَفْعَلُونَ ذَلِكَ، ثُمَّ لَمْ تَكُنْ عُمْرَةٌ، ثُمَّ آخِرُ مَنْ رَأَيْتُ فَعَلَ ذَلِكَ ابْنُ عُمَرَ ثُمَّ لَمْ يَنْقُضْهَا عُمْرَةً، وَهَذَا ابْنُ عُمَرَ عِنْدَهُمْ فَلاَ يَسْأَلُونَهُ، وَلاَ أَحَدٌ مِمَّنْ مَضَى، مَا كَانُوا يَبْدَءُونَ بِشَىْءٍ حَتَّى يَضَعُوا أَقْدَامَهُمْ مِنَ الطَّوَافِ بِالْبَيْتِ، ثُمَّ لاَ يَحِلُّونَ، وَقَدْ رَأَيْتُ أُمِّي وَخَالَتِي، حِينَ تَقْدَمَانِ لاَ تَبْتَدِئَانِ بِشَىْءٍ أَوَّلَ مِنَ الْبَيْتِ، تَطُوفَانِ بِهِ، ثُمَّ لاَ تَحِلاَّنِ‏.‏ وَقَدْ أَخْبَرَتْنِي أُمِّي، أَنَّهَا أَهَلَّتْ هِيَ وَأُخْتُهَا وَالزُّبَيْرُ وَفُلاَنٌ وَفُلاَنٌ بِعُمْرَةٍ، فَلَمَّا مَسَحُوا الرُّكْنَ حَلُّوا‏.‏
মুহাম্মদ ইব্‌নু ‘আবদুর রাহমান ইব্‌নু নাওফাল কুরাশী (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি ‘উরওয়া ইব্‌নু যুবাইর (রহঃ)-কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হজ্জ বিষয়ে জিজ্জেস করলেন। তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হজ্জ-এর বিষয়টি ‘আয়েশা (রাঃ) আমাকে এরূপে বর্ণনা দিয়েছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় উপনীত হয়ে সর্বপ্রথম অযূ করে বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করেন। তা ‘উমরাহ’র তাওয়াফ ছিল না। পরে আবূ বকর (রাঃ) হজ্জ করেছেন, তিনিও হজ্জের প্রথম কাজ বাইতুল্লাহ তাওয়াফ দ্বারাই শুরু করতেন, তা ‘উমরাহ’র তাওয়াফ ছিল না। তাঁরপর ‘উমর (রাঃ)-ও অনুরূপ করতেন। এরপর ‘উসমান (রাঃ) হজ্জ করেন। আমি তাঁকেও ( হজ্জের কাজ) বাইতুল্লাহ তাওয়াফ দ্বারাই শুরু করতে দেখেছি, তাঁর এই তাওয়াফও ‘উমরাহ’র তাওয়াফ ছিল না। মু’আবিয়া এবং ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) (অনুরূপ করেন)। এরপর আমি আমার পিতা যুবাইর ইব্‌নু ‘আওয়াম (রাঃ)-এর সঙ্গে হজ্জ করলাম। তিনি বাইতুল্লাহর তাওয়াফ হতেই শুরু করেন, আর তাঁর এ তাওয়াফ ‘উমরাহ’র তাওয়াফ ছিল না। মুহাজির ও আনসার সাহাবীগণ (রাঃ)-কে আমি এরূপ করতে দেখেছি। তাদের সে তাওয়াফও ‘উমরাহ’র তাওয়াফ ছিল না। সবশেষে আমি ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ)-কেও অনুরূপ করতে দেখেছি। তিনিও সে তাওয়াফ ‘উমরাহ’র তাওয়াফ হিসেবে করেননি। ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) তো তাঁদের নিকটেই আছেন তাঁর কাছে জেনে নিন না কেন? সাহাবীগণের মধ্যে যাঁরা অতীত হয়ে গেছেন তাঁদের কেউই মাসজিদে হারামে প্রবেশ করে বাইতুল্লাহর তাওয়াফ সমাধান করার পূর্বে অন্য কোন কাজ করতেন না এবং তাওয়াফ করে ইহ্‌রাম ভঙ্গ করতেন না। আমার মা (আসমা) ও খালা (‘আয়েশা) (রাঃ)-কে দেখেছি, তাঁরা উভয়ে মাসজিদুল হারামে প্রবেশ করে সর্বপ্রথম তাওয়াফ সমাধা করেন, কিন্তু তাওয়াফ করে ইহ্‌রাম ভঙ্গ করেননি। (১৬১৪) (আঃপ্রঃ , ইঃফাঃ ১৫৩৭)

বর্ণনাকারী থেকে বর্ণিতঃ তিনি তাঁর বোন [‘আয়েশা (রাঃ) ও (আমার পিতা) যুবাইর (রাঃ) এবং অমুক অমুক ‘উমরাহ’র নিয়্যাতে ইহ্‌রাম বাঁধেন। এরপর তাওয়াফ (ও সা’য়ী) শেষে হালাল হয়ে যান। (১৬১৫, মুসলিম ১৫/২৯, হাঃ ১২৩৫) (আঃপ্রঃ ১৫৩১, ইঃফাঃ ১৫৩৭ শেষাংশ)
বর্ণনাকারী
মুহাম্মদ বিন আবদ আল-রহমান বিন নওফাল আল-কুরাশি (রহ.)
উৎস
সহীহ বুখারী # ২৫/১৬৪২
গ্রেড
Sahih
বিভাগ
অধ্যায় ২৫: হজ্জ
পূর্ববর্তী হাদিস সকল হাদিস দেখুন পরবর্তী হাদিস
বিষয়: #Mother #Hajj

সম্পর্কিত হাদিস

এই কিতাবের আরো হাদিস