Wealth সম্পর্কে হাদিস
৯৩৫ টি প্রামাণিক হাদিস পাওয়া গেছে
সহীহ মুসলিম : ১৮১
Sahih
حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " قَلْبُ الشَّيْخِ شَابٌّ عَلَى حُبِّ اثْنَتَيْنِ حُبِّ الْعَيْشِ وَالْمَالِ " .
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, জীবন ও সম্পদ- এ দুটির ভালবাসার ক্ষেত্রে বৃদ্ধের অন্তর চির যৌবনের অধিকারী। অর্থাৎ বেঁচে থাকার মায়া ও অর্থের মায়া। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২২৭৮, ইসলামীক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ১৮২
Sahih
وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَحَرْمَلَةُ، قَالاَ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " قَلْبُ الشَّيْخِ شَابٌّ عَلَى حُبِّ اثْنَتَيْنِ طُولُ الْحَيَاةِ وَحُبُّ الْمَالِ " .
আবূ ত্বাহির ও হারমালাহ্ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ দু'টি জিনিসের ভালবাসায় বৃদ্ধের অন্তর চির যৌবনের অধিকারী- দীর্ঘ জীবন এবং ধন-সম্পদের মোহ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২২৭৯, ইসলামীক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ১৮৩
Sahih
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَسَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، كُلُّهُمْ عَنْ أَبِي عَوَانَةَ، - قَالَ يَحْيَى أَخْبَرَنَا أَبُو عَوَانَةَ، - عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " يَهْرَمُ ابْنُ آدَمَ وَتَشِبُّ مِنْهُ اثْنَتَانِ الْحِرْصُ عَلَى الْمَالِ وَالْحِرْصُ عَلَى الْعُمُرِ " .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, সাঈদ ইবনু মানসূর ও কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ...... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আদম সন্তান বার্ধক্যে পৌছে যায়, কিন্তু দুটি ব্যাপারে তার আকাঙ্ক্ষা যৌবনে বিরাজ করে- সম্পদের লালসা এবং বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২২৮০, ইসলামীক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ১৮৪
Sahih
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، ح وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، - وَتَقَارَبَا فِي اللَّفْظِ - قَالَ حَدَّثَنَا لَيْثٌ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ عِيَاضِ بْنِ، عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعْدٍ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ، يَقُولُ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَخَطَبَ النَّاسَ فَقَالَ " لاَ وَاللَّهِ مَا أَخْشَى عَلَيْكُمْ أَيُّهَا النَّاسُ إِلاَّ مَا يُخْرِجُ اللَّهُ لَكُمْ مِنْ زَهْرَةِ الدُّنْيَا " . فَقَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيَأْتِي الْخَيْرُ بِالشَّرِّ فَصَمَتَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سَاعَةً ثُمَّ قَالَ " كَيْفَ قُلْتَ " . قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيَأْتِي الْخَيْرُ بِالشَّرِّ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ الْخَيْرَ لاَ يَأْتِي إِلاَّ بِخَيْرٍ أَوَ خَيْرٌ هُوَ إِنَّ كُلَّ مَا يُنْبِتُ الرَّبِيعُ يَقْتُلُ حَبَطًا أَوْ يُلِمُّ إِلاَّ آكِلَةَ الْخَضِرِ أَكَلَتْ حَتَّى إِذَا امْتَلأَتْ خَاصِرَتَاهَا اسْتَقْبَلَتِ الشَّمْسَ ثَلَطَتْ أَوْ بَالَتْ ثُمَّ اجْتَرَّتْ فَعَادَتْ فَأَكَلَتْ فَمَنْ يَأْخُذْ مَالاً بِحَقِّهِ يُبَارَكْ لَهُ فِيهِ وَمَنْ يَأْخُذْ مَالاً بِغَيْرِ حَقِّهِ فَمَثَلُهُ كَمَثَلِ الَّذِي يَأْكُلُ وَلاَ يَشْبَعُ " .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ালেন, অতঃপর লোকদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন। তিনি বললেনঃ হে লোক সকল! না, আল্লাহর শপথ! তোমাদের ব্যাপারে আমার কোন কিছুর আশঙ্কা নেই। তবে আল্লাহ তোমাদের জন্য যে পার্থিব সৌন্দর্য ও চাকচিক্যের ব্যবস্থা করে রেখেছেন, এ সম্পর্কে তোমাদের ব্যাপারে আমার আশঙ্কা রয়েছে। এক ব্যক্তি বললেন, 'হে আল্লাহর রসূল! কল্যাণের পরিণামে কি অকল্যাণও হয়ে থাকে? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কী বলেছিলে? সে বলল, আমি বলেছিলাম, "হে আল্লাহর রসূল! কল্যাণের সাথে কি অকল্যাণ আসবে?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে লক্ষ্য করে বললেন, কল্যাণ তো অকল্যাণ বয়ে আনে না। তবে কথা হলো, বসন্তকালে যেসব তৃণলতা ও সবুজ ঘাস উৎপন্ন হয় এটা কোন পশুকে ডায়রিয়ার প্রকোপে ফেলে মারে না বা মৃত্যুর কাছাকাছিও নিয়ে যায় না। কিন্তু চারণভূমিতে বিচরণকারী পশুর এগুলো খেয়ে পেট ফুলিয়ে ফেলে। অতঃপর সূর্যের দিকে তাকিয়ে পেশাব-পায়খানা করতে থাকে, অতঃপর জাবর কাটতে থাকে। এগুলো পুনরায় চারণভূমিতে যায় এবং এভাবে অত্যধিক খেতে খেতে একদিন মৃত্যুর শিকার হয়। অনুরূপভাবে যে ব্যক্তি সৎ পন্থায় সম্পদ উপার্জন করে তাকে এর মধ্যে বারাকাত দেয়া হয়। আর যে ব্যক্তি অসৎ পন্থায় সম্পদ উপার্জন করে তার দৃষ্টান্ত হচ্ছে- সে অনেক খাচ্ছে কিন্তু পরিতৃপ্ত হতে পারছে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ২২৮৯, ইসলামীক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ১৮৫
Sahih
حَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " أَخْوَفُ مَا أَخَافُ عَلَيْكُمْ مَا يُخْرِجُ اللَّهُ لَكُمْ مِنْ زَهْرَةِ الدُّنْيَا " . قَالُوا وَمَا زَهْرَةُ الدُّنْيَا يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ " بَرَكَاتُ الأَرْضِ " . قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَهَلْ يَأْتِي الْخَيْرُ بِالشَّرِّ قَالَ " لاَ يَأْتِي الْخَيْرُ إِلاَّ بِالْخَيْرِ لاَ يَأْتِي الْخَيْرُ إِلاَّ بِالْخَيْرِ لاَ يَأْتِي الْخَيْرُ إِلاَّ بِالْخَيْرِ إِنَّ كُلَّ مَا أَنْبَتَ الرَّبِيعُ يَقْتُلُ أَوْ يُلِمُّ إِلاَّ آكِلَةَ الْخَضِرِ فَإِنَّهَا تَأْكُلُ حَتَّى إِذَا امْتَدَّتْ خَاصِرَتَاهَا اسْتَقْبَلَتِ الشَّمْسَ ثُمَّ اجْتَرَّتْ وَبَالَتْ وَثَلَطَتْ ثُمَّ عَادَتْ فَأَكَلَتْ إِنَّ هَذَا الْمَالَ خَضِرَةٌ حُلْوَةٌ فَمَنْ أَخَذَهُ بِحَقِّهِ وَوَضَعَهُ فِي حَقِّهِ فَنِعْمَ الْمَعُونَةُ هُوَ وَمَنْ أَخَذَهُ بِغَيْرِ حَقِّهِ كَانَ كَالَّذِي يَأْكُلُ وَلاَ يَشْبَعُ " .
আবূ তহির (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি তোমাদের ব্যাপারে যে সব জিনিসের আশঙ্কা করছি এর মধ্যে অনন্য হলো পার্থিব চাকচিক্য ও শোভা সৌন্দর্য যা আল্লাহ তা'আলা তোমাদের জন্য উন্মুক্ত করবেন। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! পার্থিব চাকচিক্য ও শোভা বলতে কী বুঝায়? তিনি বললেন, পার্থিব চাকচিক্য ও শোভা হলো দুনিয়ায় সম্পদের প্রাচুর্য। তারা পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! “কল্যাণ কি অকল্যাণ বয়ে আনবে। তিনি বললেন, কল্যাণ তো অকল্যাণ বয়ে আনে না, কল্যাণ তো কল্যাণই বয়ে আনে, তবে কথা হলো বসন্তকালে যে সব গাছপালা, তরুলতা ও সবুজ ঘাস জন্মায় কোন পশু সেগুলো অতিরিক্ত খেলে কলেরা হয়ে মারা যায় বা মরার নিকটবর্তী হয়। এসব তৃণভোজী পশু অতিরিক্ত খেয়ে পেট ফুলিয়ে ফেলে। অতঃপর রোদে দাঁড়িয়ে জাবর কাটে ও পেশাব করে মলমূত্র ত্যাগ করে। এরপর আবার চারণভূমিতে গিয়ে অতিরিক্ত খেতে থাকে। (এ অতি ভোজের কারণে কোন সময় পেট খারাপ হয়ে মারা যায়) এ দুনিয়ার ধন-সম্পদ তিক্ত ও সুমিষ্ট। যে ব্যক্তি তা সৎ পস্থায় উপার্জন করল, সে সে পথেই থাকল। সে কতই না সাহায্য সহযোগিতার সুযোগ লাভ করে। আর যে ব্যক্তি তা অসৎ পস্থায় উপার্জন করল তার দৃষ্টান্ত হচ্ছে- এক ব্যক্তি খাচ্ছে অথচ পরিতৃপ্ত হতে পারছে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২২৯০, ইসলামীক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ১৮৬
ইয়াস (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الرُّومِيِّ الْيَمَامِيُّ، وَعَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْعَظِيمِ الْعَنْبَرِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا
النَّضْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ، - وَهُوَ ابْنُ عَمَّارٍ - حَدَّثَنَا إِيَاسٌ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ لَقَدْ قُدْتُ
بِنَبِيِّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَالْحَسَنِ وَالْحُسَيْنِ بَغْلَتَهُ الشَّهْبَاءَ حَتَّى أَدْخَلْتُهُمْ حُجْرَةَ
النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم هَذَا قُدَّامَهُ وَهَذَا خَلْفَهُ .
আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) বর্ণনা করেছেন: আল্লাহর রাসূল (ﷺ) মিম্বরে বসেছিলেন এবং আমরা তাঁর চারপাশে বসেছিলাম। তিনি বললেন: আমার মৃত্যুর পর তোমাদের ব্যাপারে আমি এই ভয় করি যে, তোমাদের জন্য দুনিয়ার অলঙ্কার ও সৌন্দর্যসমূহ উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। এক ব্যক্তি বলল: হে আল্লাহর রাসূল, সৎকর্ম কি অসৎকর্মের জন্ম দেয়? আল্লাহর রাসূল (ﷺ) নীরব থাকলেন। এরপর তাকে (সেই ব্যক্তিকে, যে নবীকে প্রশ্নটি করেছিল) বলা হলো: তোমার ব্যাপার কী যে, তুমি আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-এর সাথে কথা বলো, অথচ তিনি তোমার সাথে কথা বলেন না? আমাদের মনে হলো যেন তাঁর উপর ওহী অবতীর্ণ হচ্ছে। তিনি নিজেকে সামলে নিলেন এবং নিজের শরীর থেকে ঘাম মুছে বললেন: সে-ই ছিল সেই প্রশ্নকারী (এবং তাঁর বাচনভঙ্গিতে এমন ভাব প্রকাশ পেল যেন তিনি তার প্রশংসা করছেন এবং তারপর যোগ করলেন): নিশ্চয়ই সৎকর্ম অসৎকর্মের জন্ম দেয় না। বসন্তের বৃষ্টিতে যা কিছু জন্মায়, তা হয় হত্যা করে অথবা হত্যা করতে উদ্যত হয়, কিন্তু সেই (প্রাণী) নয় যা উদ্ভিদ খেয়ে জীবনধারণ করে। এটি পেট ভরে খাওয়া পর্যন্ত খায়; সূর্যের দিকে মুখ করে মলত্যাগ ও মূত্রত্যাগ করে এবং তারপর আবার খেতে ফিরে আসে। আর এই সম্পদ এক সুমিষ্ট শাকসবজির মতো এবং এটি সেই মুসলিমের জন্য এক উত্তম সঙ্গী, যে তা থেকে অভাবী, এতিম, মুসাফির বা এই জাতীয় কাউকে দান করে। যেমন আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে তা গ্রহণ করে, সে এমন ব্যক্তির মতো যে খায় কিন্তু তৃপ্ত হয় না, এবং বিচার দিবসে তা তার বিরুদ্ধে সাক্ষী হিসেবে থাকবে।
সহীহ মুসলিম : ১৮৭
Sahih
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، وَحَامِدُ بْنُ عُمَرَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، قَالَ ابْنُ مُعَاذٍ حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ حَدَّثَنِي السُّمَيْطُ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ افْتَتَحْنَا مَكَّةَ ثُمَّ إِنَّا غَزَوْنَا حُنَيْنًا فَجَاءَ الْمُشْرِكُونَ بِأَحْسَنِ صُفُوفٍ رَأَيْتُ - قَالَ - فَصُفَّتِ الْخَيْلُ ثُمَّ صُفَّتِ الْمُقَاتِلَةُ ثُمَّ صُفَّتِ النِّسَاءُ مِنْ وَرَاءِ ذَلِكَ ثُمَّ صُفَّتِ الْغَنَمُ ثُمَّ صُفَّتِ النَّعَمُ - قَالَ - وَنَحْنُ بَشَرٌ كَثِيرٌ قَدْ بَلَغْنَا سِتَّةَ آلاَفٍ وَعَلَى مُجَنِّبَةِ خَيْلِنَا خَالِدُ بْنُ الْوَلِيدِ - قَالَ - فَجَعَلَتْ خَيْلُنَا تَلْوِي خَلْفَ ظُهُورِنَا فَلَمْ نَلْبَثْ أَنِ انْكَشَفَتْ خَيْلُنَا وَفَرَّتِ الأَعْرَابُ وَمَنْ نَعْلَمُ مِنَ النَّاسِ - قَالَ - فَنَادَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " يَا لَلْمُهَاجِرِينَ يَا لَلْمُهَاجِرِينَ " . ثُمَّ قَالَ " يَا لَلأَنْصَارِ يَا لَلأَنْصَارِ " . قَالَ قَالَ أَنَسٌ هَذَا حَدِيثُ عِمِّيَّةٍ . قَالَ قُلْنَا لَبَّيْكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ - قَالَ - فَتَقَدَّمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم - قَالَ - فَايْمُ اللَّهِ مَا أَتَيْنَاهُمْ حَتَّى هَزَمَهُمُ اللَّهُ - قَالَ - فَقَبَضْنَا ذَلِكَ الْمَالَ ثُمَّ انْطَلَقْنَا إِلَى الطَّائِفِ فَحَاصَرْنَاهُمْ أَرْبَعِينَ لَيْلَةً ثُمَّ رَجَعْنَا إِلَى مَكَّةَ فَنَزَلْنَا - قَالَ - فَجَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُعْطِي الرَّجُلَ الْمِائَةَ مِنَ الإِبِلِ . ثُمَّ ذَكَرَ بَاقِيَ الْحَدِيثِ كَنَحْوِ حَدِيثِ قَتَادَةَ وَأَبِي التَّيَّاحِ وَهِشَامِ بْنِ زَيْدٍ .
উবায়দুল্লাহ ইবনু মু'আয, হামিদ ইবনু উমার ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল আ'লা (রহঃ) ...... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা মাক্কাহ (মক্কা) বিজয় করার পর হুনায়নের যুদ্ধ করলাম। আমি দেখেছি এ যুদ্ধে মুশরিকরা অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও সুবিন্যস্তভাবে কাতারবন্দী হয়েছিল। এদের প্রথম সারিতে অশ্বারোহীগণ, তারপর পদাতিকগণ, এদের পিছনে স্ত্রী লোকেরা যথাক্রমে বকরী অন্যান্য গবাদি পশুগুলো সারিবদ্ধ হয়েছিল। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা সংখ্যায় অনেক লোক ছিলাম। আমাদের সংখ্যা প্রায় ছয় হাজার পৌছে ছিল। আমাদের একদিকে খালিদ ইবনু ওয়ালীদ (রাযিঃ) আমাদের অশ্বারোহী বাহিনীর অধিনায়ক ছিলেন। যুদ্ধের এক পর্যায়ে আমাদের ঘোড়া পিছু হটতে লাগল। এমনকি আমরা টিকে থাকতে পারছিলাম না। বেদুঈনরা পালাতে শুরু করল। আমার জানা মতে আরো কিছু লোক পালিয়ে গেল। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথম মুহাজিরদের ধমক দিয়ে ডাকলেন, হে মুহাজিরগণ! হে মুহাজিরগণ! অতঃপর আনসারদের ধমক দিয়ে বললেন, হে আনসারগণ! হে আনসারগণ! আনসার (রাযিঃ) বলেন, এ হাদীস আমার নিকট লোক বর্ণনা করেছেন অথবা তিনি বলেছেন, আমার চাচা বর্ণনা করেছেন। রাবী বলেন, আমরা তার ডাকে সাড়া দিয়ে বললাম, "হে আল্লাহর রসূল! আমরা আপনার সাথেই আছি। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সামনে অগ্রসর হলেন। আনসার (রাযিঃ) আরো বলেন, আল্লাহর শপথ আমাদের পৌছার পূর্বেই আল্লাহ তা'আলা তাদের পরাজিত করবেন এবং আমরা তাদের সকল প্রকার মাল হস্তগত করলাম। তারপর আমরা ত্বায়িফে গেলাম। ত্বায়িফের অধিবাসীদের চল্লিশ দিন যাবৎ অবরোধ করে রাখলাম, অতঃপর আমরা মাক্কায় (মক্কা) ফিরে আসলাম এবং অভিযান সমাপ্ত করলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক ব্যক্তিকে একশটি করে উট দিলেন ও অতঃপর হাদীসের বাকী অংশ কাতাদাহ্, আবূ তাইয়াহ ও হিমাম ইবনু যায়দ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩১০, ইসলামীক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ১৮৮
আয়েশা (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ أَبُو أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى السِّيْنَانِيُّ، أَخْبَرَنَا
طَلْحَةُ بْنُ يَحْيَى بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ عَائِشَةَ بِنْتِ طَلْحَةَ، عَنْ عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ
اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
" أَسْرَعُكُنَّ لَحَاقًا بِي أَطْوَلُكُنَّ يَدًا " . قَالَتْ فَكُنَّ يَتَطَاوَلْنَ أَيَّتُهُنَّ
أَطْوَلُ يَدًا . قَالَتْ فَكَانَتْ أَطْوَلَنَا يَدًا زَيْنَبُ لأَنَّهَا كَانَتْ تَعْمَلُ بِيَدِهَا وَتَصَدَّقُ .
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আলী (রাযিঃ) ইয়ামান থেকে বাবুল গাছের ডাল দিয়ে রঙিন করা একটি চামড়ার থলিতে করে কিছু অপরিশোধিত স্বর্ণ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে পাঠালেন। তিনি তা চার ব্যক্তির মধ্যে বণ্টন করলেন। তারা হলোঃ উয়াইনাহ ইবনু বাদর, আকরা ইবনু হাবিস, যায়দ আল খায়ল এবং চতুর্থ ব্যক্তি হয় আলকামাহ ইবনু উলাসাহ অথবা আমির ইবনু তুফায়ল। তার সাহাবীগণের মধ্যে এক ব্যক্তি বলল, তাদের তুলনায় আমরা এর হকদার ছিলাম। বর্ণনাকারী বলেন, এ খবর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে পৌছলে তিনি বললেনঃ “আসমানের অধিবাসীদের কাছে আমি আমানাতদার বলে গণ্য অথচ তোমরা কি আমাকে আমানাতদার মনে করছ না? আমার কাছে সকাল-সন্ধ্যায় আসমানের খবর আসছে। অতঃপর গর্তে ঢোকা চোখ, ফোলা গাল বা স্ফীত গাল, উঁচু কপাল ঘন দাড়ি নেড়া মাথা বিশিষ্ট এক ব্যক্তি নিজের পরনের কাপড় সাপটে ধরে অপবাদের সুরে দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি কি তার ঘাড়ে আঘাত হানব না, হত্যা করব না? তিনি বললেনঃ না, কারণ হয়তো সে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায়কারী হতে পারে। খালিদ (রাযিঃ) বললেন, অনেক নামাযী আছে যে মুখে এমন কথা বলে যা তার অন্তরের বিপরীত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ মানুষের অন্তর বা পেট চিরে দেখার জন্য আমাকে নির্দেশ দেয়া হয়নি। রাবী বলেন, অতঃপর তিনি বললেন, এর মূল থেকে এমন সব লোকের আবির্ভাব হবে যারা সহজেই আল্লাহর কিতাব (কুরআন) পড়তে পারবে, কিন্তু এ পাঠ তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তারা দীন থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে যেমন তীর শিকার ভেদ করে বেরিয়ে যায়। রাবী বলেন, আমার মনে হয়, তিনি বলেছেনঃ যদি আমি তাদেরকে পাই, তাহলে সামূদ জাতির ন্যায় তাদেরকে হত্যা করব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩২০, ইসলামীক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ১৮৯
Sahih
وَحَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ، فُضَيْلُ بْنُ حُسَيْنٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، حَدَّثَنَا طَلْحَةُ، بْنُ يَحْيَى بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ حَدَّثَتْنِي عَائِشَةُ بِنْتُ طَلْحَةَ، عَنْ عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ذَاتَ يَوْمٍ " يَا عَائِشَةُ هَلْ عِنْدَكُمْ شَىْءٌ " . قَالَتْ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا عِنْدَنَا شَىْءٌ . قَالَ " فَإِنِّي صَائِمٌ " . قَالَتْ فَخَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأُهْدِيَتْ لَنَا هَدِيَّةٌ - أَوْ جَاءَنَا زَوْرٌ - قَالَتْ - فَلَمَّا رَجَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أُهْدِيَتْ لَنَا هَدِيَّةٌ - أَوْ جَاءَنَا زَوْرٌ - وَقَدْ خَبَأْتُ لَكَ شَيْئًا . قَالَ " مَا هُوَ " . قُلْتُ حَيْسٌ . قَالَ " هَاتِيهِ " . فَجِئْتُ بِهِ فَأَكَلَ ثُمَّ قَالَ " قَدْ كُنْتُ أَصْبَحْتُ صَائِمًا " . قَالَ طَلْحَةُ فَحَدَّثْتُ مُجَاهِدًا بِهَذَا الْحَدِيثِ فَقَالَ ذَاكَ بِمَنْزِلَةِ الرَّجُلِ يُخْرِجُ الصَّدَقَةَ مِنْ مَالِهِ فَإِنْ شَاءَ أَمْضَاهَا وَإِنْ شَاءَ أَمْسَكَهَا.
আবূ কামিল ফুযায়ল ইবনু হুসায়ন (রহঃ) ..... উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, “হে আয়েশাহ! তোমাদের কাছে কি খাওয়ার মতো কিছু আছে? আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমাদের কাছে খাওয়ার মতো কিছুই নেই। তিনি বললেন, আমি সিয়াম (রোজা/রোযা) পালনকারী। আয়েশা (রাঃ) বলেন, অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাইরে চলে গেলেন। পরে আমাদের জন্য হাদিয়াহ (হাদিয়া/উপহার) হিসেবে কিছু জিনিস আসলো এবং সাথে সাথে আমাদের কাছে কিছু সংখ্যক মেহমানও আসলো। তিনি আরো বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ফিরে আসলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমাদের কাছে উপঢৌকন হিসেবে কিছু জিনিস এসেছে এবং কয়েকজন মেহমানও এসেছে (তাই হাদিয়্যার বেশীর ভাগ তাদেরকে খাইয়ে দিয়েছি)। আমি তা থেকে কিছু অংশ আপনার জন্য লুকিয়ে রেখেছি। তিনি বললেন, তা কী? আমি বললাম, তা হলো হায়স (খেজুর, পনির ও আটার সমন্বয়ে তৈরি হালুয়া)। তিনি বললেন, তা নিয়ে এসো। অতঃপর আমি তা নিয়ে আসলাম। তিনি তা খেয়ে বললেন, আমি ভোরে সিয়াম পালন করেছিলাম। ত্বলহাহ বলেন, আমি এ হাদীসটি মুজাহিদের কাছে বর্ণনা করলাম। তিনি বলেন, এটা (এভাবে নাফল সিয়াম ভেঙে ফেলা) এমন ব্যক্তির সাথে তুল্য যে নিজের সম্পদ থেকে সদাকাহ্ বের করে। অতঃপর সে ইচ্ছা করলে তা দিতেও পারে আর রেখেও দিতে পারে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৮১, ইসলামীক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ১৯০
Sahih
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ - وَاللَّفْظُ لِيَحْيَى - قَالَ يَحْيَى أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرَانِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ سَعِيدِ بْنِ، جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلْمُتَلاَعِنَيْنِ " حِسَابُكُمَا عَلَى اللَّهِ أَحَدُكُمَا كَاذِبٌ لاَ سَبِيلَ لَكَ عَلَيْهَا " . قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَالِي قَالَ " لاَ مَالَ لَكَ إِنْ كُنْتَ صَدَقْتَ عَلَيْهَا فَهْوَ بِمَا اسْتَحْلَلْتَ مِنْ فَرْجِهَا وَإِنْ كُنْتَ كَذَبْتَ عَلَيْهَا فَذَاكَ أَبْعَدُ لَكَ مِنْهَا " . قَالَ زُهَيْرٌ فِي رِوَايَتِهِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرٍو سَمِعَ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ يَقُولُ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আবূ বাকর ইবনু শাইবাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুজন লি'আনকারীর (লি'আন বাক্য পাঠের ব্যাপারে) তোমাদের দু'জনের হিসাব আল্লাহর দায়িত্বে। তোমাদের দু'জনের একজন অবশ্যই মিথ্যাবাদী। আর তোমার (স্ত্রীর) উপর তোমার কোন করণীয় নেই। লোকটি বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমার অর্থের (প্রদত্ত মাহর) কী হবে। তিনি বললেনঃ তুমি তোমার অর্থ পাবে না। যদি তুমি তার ব্যাপারে সত্যবাদী হও তাহলে তোমার দেয়া সম্পদ ঐ বস্তুর বদলা বলে গণ্য হবে যা দ্বারা তুমি তার লজ্জাস্থান হালাল করেছ। আর যদি তুমি তার উপর মিথ্যা অপবাদ দিয়ে থাক তাহলে তার থেকে মাল ফেরত পাওয়া দুরহ ব্যাপার। যুহায়র (রহঃ) তার বর্ণনায় বলেছেন যে, সুফইয়ান (রহঃ) সাঈদ ইবনু জুবায়র (রহঃ) এর সূত্রে ইবনু উমার (রাযিঃ) কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বলতে শুনেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬০৬, ইসলামিক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ১৯১
Sahih
وَحَدَّثَنَا ابْنُ رُمْحٍ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ، اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ دَفَعَ إِلَى يَهُودِ خَيْبَرَ نَخْلَ خَيْبَرَ وَأَرْضَهَا عَلَى أَنْ يَعْتَمِلُوهَا مِنْ أَمْوَالِهِمْ وَلِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم شَطْرُ ثَمَرِهَا .
ইবনু রুমহ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) সূত্রে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত যে, খাইবারের বাগান ও যমীন খাইবারের ইয়াহুদীদেরকে এ শর্তে প্রদান করেন যে, তারা নিজেদের মাল খরচ করে তাতে কাজ করবে, আর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ফলের অর্ধেক প্রাপ্ত হবেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৮২২, ইসলামিক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ১৯২
Sahih
حَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، أَنَّ أَبَا الزُّبَيْرِ، أَخْبَرَهُ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِنْ بِعْتَ مِنْ أَخِيكَ ثَمَرًا ". ح. وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادٍ، حَدَّثَنَا أَبُو ضَمْرَةَ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لَوْ بِعْتَ مِنْ أَخِيكَ ثَمَرًا فَأَصَابَتْهُ جَائِحَةٌ فَلاَ يَحِلُّ لَكَ أَنْ تَأْخُذَ مِنْهُ شَيْئًا بِمَ تَأْخُذُ مَالَ أَخِيكَ بِغَيْرِ حَقٍّ ".
আবূ তাহির ও মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তুমি যদি তোমার কোন এক ভাইয়ের নিকট ফল বিক্রি করো, তারপর প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে তা বিনষ্ট হয়ে যায়, তবে তার থেকে কিছু আদায় করা তোমার জন্যে হালাল নয়। তোমার ভাইয়ের অর্থ না-হকভাবে কিরূপে গ্রহণ করবে? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৮৩১, ইসলামিক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ১৯৩
Sahih
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، وَقُتَيْبَةُ، وَعَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، قَالُوا حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ بَيْعِ ثَمَرِ النَّخْلِ حَتَّى تَزْهُوَ . فَقُلْنَا لأَنَسٍ مَا زَهْوُهَا قَالَ تَحْمَرُّ وَتَصْفَرُّ . أَرَأَيْتَكَ إِنْ مَنَعَ اللَّهُ الثَّمَرَةَ بِمَ تَسْتَحِلُّ مَالَ أَخِيكَ
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব, কুতাইবাহ ও আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, খেজুরের রং পরিবর্তন হয়ে পরিপক্ক হওয়ার পূর্বে তা বিক্রি করতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। আমরা আনাস (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, রং পরিবর্তন হওয়া বলতে কী বুঝায়? তিনি বললেন, লাল রং বা হলদে রং ধারণ করা। বল তো দেখি, আল্লাহ যদি ফল নষ্ট করে দেন তবে কোন অধিকারে তোমার ভাইয়ের কাছ থেকে অর্থ কিরূপে হালাল করতে পার? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৮৩৩, ইসলামিক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ১৯৪
Sahih
حَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي مَالِكٌ، عَنْ حُمَيْدٍ الطَّوِيلِ، عَنْ أَنَسِ، بْنِ مَالِكٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ بَيْعِ الثَّمَرَةِ حَتَّى تُزْهِيَ قَالُوا وَمَا تُزْهِيَ قَالَ تَحْمَرُّ . فَقَالَ إِذَا مَنَعَ اللَّهُ الثَّمَرَةَ فَبِمَ تَسْتَحِلُّ مَالَ أَخِيكَ
আবূ তাহির (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন ফলের রং পরিবর্তন হওয়ার আগে বিক্রি করতে। তারা বলল, রং পরিবর্তন হওয়ার মানে কী? তিনি বললেন, লাল রং ধারণ করা। এরপর তিনি বললেন, আল্লাহ যদি ফল ক্ষতিগ্রস্ত করে দেন তাহলে কিসের বিনিময়ে তুমি তোমার ভাইয়ের অর্থ গ্রহণ করবে? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৮৩৪, ইসলামিক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ১৯৫
Sahih
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِنْ لَمْ يُثْمِرْهَا اللَّهُ فَبِمَ يَسْتَحِلُّ أَحَدُكُمْ مَالَ أَخِيهِ " .
মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নারী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রলেছেনঃ আল্লাহ যদি ফলের মধ্যে পূর্ণতা দান না করেন তাহলে কিভাবে তোমাদের একজন অপর ভাইয়ের অর্থ বৈধ করবে? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৮৩৫, ইসলামিক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ১৯৬
Sahih
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ عَادَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ مِنْ وَجَعٍ أَشْفَيْتُ مِنْهُ عَلَى الْمَوْتِ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ بَلَغَنِي مَا تَرَى مِنَ الْوَجَعِ وَأَنَا ذُو مَالٍ وَلاَ يَرِثُنِي إِلاَّ ابْنَةٌ لِي وَاحِدَةٌ أَفَأَتَصَدَّقُ بِثُلُثَىْ مَالِي قَالَ " لاَ " . قَالَ قُلْتُ أَفَأَتَصَدَّقُ بِشَطْرِهِ قَالَ " لاَ الثُّلُثُ وَالثُّلُثُ كَثِيرٌ إِنَّكَ أَنْ تَذَرَ وَرَثَتَكَ أَغْنِيَاءَ خَيْرٌ مِنْ أَنْ تَذَرَهُمْ عَالَةً يَتَكَفَّفُونَ النَّاسَ وَلَسْتَ تُنْفِقُ نَفَقَةً تَبْتَغِي بِهَا وَجْهَ اللَّهِ إِلاَّ أُجِرْتَ بِهَا حَتَّى اللُّقْمَةُ تَجْعَلُهَا فِي فِي امْرَأَتِكَ " . قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أُخَلَّفُ بَعْدَ أَصْحَابِي قَالَ " إِنَّكَ لَنْ تُخَلَّفَ فَتَعْمَلَ عَمَلاً تَبْتَغِي بِهِ وَجْهَ اللَّهِ إِلاَّ ازْدَدْتَ بِهِ دَرَجَةً وَرِفْعَةً وَلَعَلَّكَ تُخَلَّفُ حَتَّى يُنْفَعَ بِكَ أَقْوَامٌ وَيُضَرَّ بِكَ آخَرُونَ اللَّهُمَّ أَمْضِ لأَصْحَابِي هِجْرَتَهُمْ وَلاَ تَرُدَّهُمْ عَلَى أَعْقَابِهِمْ لَكِنِ الْبَائِسُ سَعْدُ ابْنُ خَوْلَةَ " . قَالَ رَثَى لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ أَنْ تُوُفِّيَ بِمَكَّةَ .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া তামীমী (রহঃ) ...... সা'দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিদায় হজ্জের সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখতে আসেন; এমন রোগের সময় যাতে আমি মৃত্যুর কাছাকাছি হয়ে পড়েছিলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! রোগের কারণে আমার কী অবস্থা হয়েছে, আপনি তো দেখতেই পাচ্ছেন? আমি একজন সম্পদশালী ব্যক্তি, অথচ একটি মাত্র কন্যা সন্তান ব্যতীত আমার আর কোন ওয়ারিস নেই। সুতরাং আমি আমার সম্পদের দু-তৃতীয়াংশ দান করতে পারব কি? তিনি বললেন, না। আমি বললাম, তবে কি অর্ধেক মাল সদাকাহ করতে পারব? তিনি বললেন, না। বরং এক তৃতীয়াংশ এবং এক তৃতীয়াংশও বেশি হয়ে যায়। তোমার ওয়ারিসদের অভাবমুক্ত অবস্থায় রেখে যাওয়া তোমার জন্যে উত্তম, এমন অভাবগ্রস্ত অবস্থায় ছেড়ে সাওয়ার চেয়ে যে, তারা মানুষের নিকট হাত পাতবে। আর আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্যে তুমি যা কিছুই খরচ কর তার উপর তোমাকে প্রতিদান দেয়া হবে। এমনকি, সে লোকমাটির বদৌলতেও যা তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে তুলে দিবে। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি তো আমার সাথীদের পর তাদের পিছনে রয়ে যাচ্ছি। তিনি বললেন, তুমি পেছনে রয়ে গেছো (জীবিত রয়ে গেছো), তাতে তুমি এমন আমল করে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করতে পার যাতে তোমার মর্যাদা বাড়বে ও উচু হবে। আর সম্ভবত তুমি পরবর্তীতেও থাকবে অর্থাৎ দীর্ঘায়ু লাভ করবে। এমনকি বহু সম্প্রদায় তোমার দ্বারা লাভবান হবে এবং বহু লোক তোমার দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। (নবীজী দুআ করলেন) ইয়া আল্লাহ! আমার সাথীদের হিজরাত অক্ষুণ্ণ রাখুন এবং তাদেরকে পশ্চাতে ফিরিয়ে দিবেন না। কিন্তু সা'দ ইবনু খাওলার জন্যে আফসোস! বর্ণনাকারী বলেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্যে দুঃখ প্রকাশ করেন। কারণ, তিনি মাক্কায় মৃত্যুবরণ করেছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০৬৩, ইসলামিক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ১৯৭
Sahih
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، وَأَبُو مُعَاوِيَةَ عَنِ الأَعْمَشِ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي وَأَبُو مُعَاوِيَةَ قَالاَ حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ مَا تَرَكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم دِينَارًا وَلاَ دِرْهَمًا وَلاَ شَاةً وَلاَ بَعِيرًا وَلاَ أَوْصَى بِشَىْءٍ .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) .... আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন দীনার, দিরহাম, বকরী বা উট রেখে যাননি এবং কোন কিছুর ওয়াসিয়্যাত করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০৮৩, ইসলামিক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ১৯৮
Sahih
وَحَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، كِلاَهُمَا عَنِ ابْنِ عُيَيْنَةَ، قَالَ ابْنُ أَبِي عُمَرَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ أَعْتَقَ عَبْدًا بَيْنَهُ وَبَيْنَ آخَرَ قُوِّمَ عَلَيْهِ فِي مَالِهِ قِيمَةَ عَدْلٍ لاَ وَكْسَ وَلاَ شَطَطَ ثُمَّ عَتَقَ عَلَيْهِ فِي مَالِهِ إِنْ كَانَ مُوسِرًا " .
আমর আন নাকিদ ও ইবনু উমার (রাযিঃ) ..... উভয়েই, ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এমন গোলামকে আযাদ করল যার মধ্যে তার এবং অপরের অংশীদারিত্ব আছে, তবে তার সম্পদ থেকে অন্যের অংশ ন্যায়সঙ্গতভাবে পরিশোধ করা কর্তব্য। যদি সে প্রাচুৰ্যশালী হয়, নিজ দায়িত্বে স্বীয় সম্পদ দ্বারা তাকে মুক্ত করে দেয়া উচিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৮২, ইসলামিক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ১৯৯
Sahih
وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَهَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، وَأَحْمَدُ بْنُ عِيسَى، - وَاللَّفْظُ لِهَارُونَ وَأَحْمَدَ - قَالَ أَبُو الطَّاهِرِ أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرَانِ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي مَخْرَمَةُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ عَمْرَةَ، أَنَّهَا سَمِعَتْ عَائِشَةَ، تُحَدِّثُ أَنَّهَا سَمِعَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " لاَ تُقْطَعُ الْيَدُ إِلاَّ فِي رُبْعِ دِينَارٍ فَمَا فَوْقَهُ " .
আবূ তাহির (রহঃ) ..... হারূন ইবনু সাঈদ আইলী ও আহমাদ ইবনু ঈসা (রহঃ) ..... আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন, এক দীনারের চার ভাগের একভাগ অথবা এর বেশি মূল্যের সম্পদ চুরি ব্যতীত চোরের হাত কাটা যাবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪২৫৪, ইসলামিক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ২০০
Sahih
حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ السَّعْدِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ دَخَلَتْ هِنْدٌ بِنْتُ عُتْبَةَ امْرَأَةُ أَبِي سُفْيَانَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أَبَا سُفْيَانَ رَجُلٌ شَحِيحٌ لاَ يُعْطِينِي مِنَ النَّفَقَةِ مَا يَكْفِينِي وَيَكْفِي بَنِيَّ إِلاَّ مَا أَخَذْتُ مِنْ مَالِهِ بِغَيْرِ عِلْمِهِ . فَهَلْ عَلَىَّ فِي ذَلِكَ مِنْ جُنَاحٍ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " خُذِي مِنْ مَالِهِ بِالْمَعْرُوفِ مَا يَكْفِيكِ وَيَكْفِي بَنِيكِ " .
আলী ইবনু হুজুর সাদী (রহঃ) ...... আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, হিন্দা বিনত উতবা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে উপস্থিত হয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আবূ সুফইয়ান একজন কৃপণ ব্যক্তি। তিনি আমার এবং আমার সন্তানদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় করেন না। তবে আমি তাকে না জানিয়েই তার সম্পদ থেকে প্রয়োজনীয় খরচাদি গ্রহণ করে থাকি। এতে কি আমার কোন পাপ হবে? তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি তার সম্পদ থেকে ততটুকু গ্রহণ করতে পার, যা তোমার ও তোমার সন্তানদের জন্য যথেষ্ট হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩২৮, ইসলামিক সেন্টার)