মুয়াত্তা মালিক — হাদিস #৩৬০২২
হাদিস #৩৬০২২
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّهُ سَمِعَ سُلَيْمَانَ بْنَ يَسَارٍ، يَذْكُرُ أَنَّ الْمُوضِحَةَ، فِي الْوَجْهِ مِثْلُ الْمُوضِحَةِ فِي الرَّأْسِ إِلاَّ أَنْ تَعِيبَ الْوَجْهَ فَيُزَادُ فِي عَقْلِهَا مَا بَيْنَهَا وَبَيْنَ عَقْلِ نِصْفِ الْمُوضِحَةِ فِي الرَّأْسِ فَيَكُونُ فِيهَا خَمْسَةٌ وَسَبْعُونَ دِينَارًا . قَالَ مَالِكٌ وَالأَمْرُ عِنْدَنَا أَنَّ فِي الْمُنَقَّلَةِ خَمْسَ عَشْرَةَ فَرِيضَةً . قَالَ وَالْمُنَقَّلَةُ الَّتِي يَطِيرُ فِرَاشُهَا مِنَ الْعَظْمِ وَلاَ تَخْرِقُ إِلَى الدِّمَاغِ وَهِيَ تَكُونُ فِي الرَّأْسِ وَفِي الْوَجْهِ . قَالَ مَالِكٌ الأَمْرُ الْمُجْتَمَعُ عَلَيْهِ عِنْدَنَا أَنَّ الْمَأْمُومَةَ وَالْجَائِفَةَ لَيْسَ فِيهِمَا قَوَدٌ . وَقَدْ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ لَيْسَ فِي الْمَأْمُومَةِ قَوَدٌ . قَالَ مَالِكٌ وَالْمَأْمُومَةُ مَا خَرَقَ الْعَظْمَ إِلَى الدِّمَاغِ وَلاَ تَكُونُ الْمَأْمُومَةُ إِلاَّ فِي الرَّأْسِ وَمَا يَصِلُ إِلَى الدِّمَاغِ إِذَا خَرَقَ الْعَظْمَ . قَالَ مَالِكٌ الأَمْرُ عِنْدَنَا أَنَّهُ لَيْسَ فِيمَا دُونَ الْمُوضِحَةِ مِنَ الشِّجَاجِ عَقْلٌ حَتَّى تَبْلُغَ الْمُوضِحَةَ وَإِنَّمَا الْعَقْلُ فِي الْمُوضِحَةِ فَمَا فَوْقَهَا وَذَلِكَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم انْتَهَى إِلَى الْمُوضِحَةِ فِي كِتَابِهِ لِعَمْرِو بْنِ حَزْمٍ فَجَعَلَ فِيهَا خَمْسًا مِنَ الإِبِلِ وَلَمْ تَقْضِ الأَئِمَّةُ فِي الْقَدِيمِ وَلاَ فِي الْحَدِيثِ فِيمَا دُونَ الْمُوضِحَةِ بِعَقْلٍ .
ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি সুলায়মান ইবন ইয়াসার হইতে শ্রবণ করিয়াছেন, তিনি বলিতেন, চেহারার ক্ষত যাহাতে হাড় দেখা যায়, মাথার হাড় দেখা যাওয়া অবস্থায় যখমের মতো, কিন্তু তাহার জন্য যদি চেহারা দেখিতে বিকৃত হইয়া যায়, তবে দিয়াত বাড়াইয়া দেওয়া হইবে। মাথার অর্ধেক পর্যন্ত যে ক্ষত হইবে উহার জন্য ৭৫ দীনার দেওয়া জরুরী হয়। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের মতে ইহা একটি সর্বসম্মত বিধান যে, মুনকালা হইলে ১৫ উট দিতে হইবে। মালিক (রহঃ) বলেন, মুনকালা ঐ ক্ষতকে বলে যাহাতে হাড় স্থানচ্যুত হইয়া যায়, আর এই আঘাত মাথার মগজ পর্যন্ত না পৌছে। এই আঘাত মাথা ও চেহারায় সীমিত থাকে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট এই বিধান সর্বসম্মত যে, মাসুমা ও জায়িকায় কিসাস নাই, যুহরীও এইরূপ বলিয়াছেন। মালিক (রহঃ) বলেন, মাসুমা ঐ ক্ষতকে বলা হয় যাহাতে হাড় ভাঙ্গিয়া মাথার মগজ পর্যন্ত পৌছে আর এই ক্ষম মাথায়ই হইয়া থাকে। অবশ্য এই আঘাতে হাড় ভাঙ্গিলেও উহা মগজের ক্ষতি করে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট ইহা সর্বসম্মত বিধান যে, মুযিহা হইতে অল্প ক্ষতে দিয়াত নাই যতক্ষণ উহা মুযিহা পর্যন্ত না পৌছে। মুযিহা বা তদূর্ধ্ব ক্ষতে দিয়াত দিতে হইবে। কেননা আমর ইবন হাযমের হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ মুযেহায় পাঁচ উট; ইহার নিমের পরিমাণ বর্ণনা করেন নাই। আর কোন ইমামও বর্তমানে বা অতীতে মুযিহার নিম্ন পরিমাণ দিয়াতের আদেশ করেন নাই। মালিক (রহঃ) বলেন, ইবন শিহাব যুহরীরও মত ইহাই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমার নিকটও একটি ক্ষতের কোন পরিমাণ নির্দিষ্ট নাই, বরং ইহা বিচারকের বিচারের উপর নির্ভর করবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট ইহা সর্বসম্মত বিধান যে, মাসুমা, মুনকালা ও মুযিহা শুধু মাথা ও চেহারায় হইয়া থাকে। যদি অন্য কোন স্থানে হয় তবে বিচারকের রায়ের উপর আমল করা হইবে। ইবন যুবাইর মুনাকালার কিসাস লইয়াছেন। মালিক (রহঃ) বলেন, নিচের চোয়াল ও নাক মাথায় ধরা হইবে না, বরং এই দুইটি পৃথক অঙ্গ। ইহাদের অতিরিক্ত মাথা আর একটি পৃথক হাড়।
উৎস
মুয়াত্তা মালিক # ৪৩/১৫৬৭
গ্রেড
Maqtu Sahih
বিভাগ
অধ্যায় ৪৩: দিয়াত
বিষয়:
#Mother