১৩২ হাদিস
০১
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮০৫
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، - وَاللَّفْظُ لِقُتَيْبَةَ - قَالاَ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يَقُولُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ أَنَا عِنْدَ ظَنِّ عَبْدِي بِي وَأَنَا مَعَهُ حِينَ يَذْكُرُنِي إِنْ ذَكَرَنِي فِي نَفْسِهِ ذَكَرْتُهُ فِي نَفْسِي وَإِنْ ذَكَرَنِي فِي مَلإٍ ذَكَرْتُهُ فِي مَلإٍ هُمْ خَيْرٌ مِنْهُمْ وَإِنْ تَقَرَّبَ مِنِّي شِبْرًا تَقَرَّبْتُ إِلَيْهِ ذِرَاعًا وَإِنْ تَقَرَّبَ إِلَىَّ ذِرَاعًا تَقَرَّبْتُ مِنْهُ بَاعًا وَإِنْ أَتَانِي يَمْشِي أَتَيْتُهُ هَرْوَلَةً ‏"‏ ‏.‏
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহ জাল্লা শানুহু বলেন, আমি বান্দার ধারণা অনুযায়ী নিকটে আছি। যখন সে আমার যিকর (স্মরণ) করে সে সময় আমি তার সাথে থাকি। বান্দা আমাকে একাকী স্মরণ করলে আমিও তাকে একাকী স্মরণ করি। আর যদি সে আমাকে কোন সভায় আমার কথা স্মরণ করে তাহলে আমি তাকে তার চেয়ে উত্তম সভায় স্মরণ করি। যদি সে আমার দিকে এক বিঘত অগ্রসর হয় তাহলে আমি তার দিকে এক হাত এগিয়ে আসি। যদি সে আমার দিকে হেঁটে আসে আমি তার দিকে দৌড়িয়ে আসি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৬১, ইসলামিক সেন্টার)
০২
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮০৬
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَلَمْ يَذْكُرْ ‏ "‏ وَإِنْ تَقَرَّبَ إِلَىَّ ذِرَاعًا تَقَرَّبْتُ مِنْهُ بَاعًا ‏"‏ ‏.‏
(…/...) আবু বাকর ইবনু আবু শাইবাহ ও আবু কুরায়ব (রহঃ) ..... আ'মাশ (রহঃ) হতে এ সূত্রে অবিকল বর্ণনা করেছেন। 'যদি সে আমার দিকে এক হাত এগিয়ে আসে তাহলে আমি তার দিকে এক গজ অগ্রসর হই' তিনি এ কথাটি বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৬২, ইসলামিক সেন্টার)
০৩
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮০৭
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، قَالَ هَذَا مَا حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ أَحَادِيثَ مِنْهَا وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّ اللَّهَ قَالَ إِذَا تَلَقَّانِي عَبْدِي بِشِبْرٍ تَلَقَّيْتُهُ بِذِرَاعٍ وَإِذَا تَلَقَّانِي بِذِرَاعٍ تَلَقَّيْتُهُ بِبَاعٍ وَإِذَا تَلَقَّانِي بِبَاعٍ أَتَيْتُهُ بِأَسْرَعَ ‏"‏ ‏.‏
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) ..... হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এগুলো আমাদের নিকট রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) হাদীস বর্ণনা করেছেন। তারপর তিনি কিছু হাদীস উল্লেখ করেন। তন্মধ্যে একটি হাদীস এই, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা বলেন, যখন কোন বান্দা আমার দিকে এক বিঘত অগ্রসর হয় তখন আমি তার পানে এক হাত অগ্রসর হই। আর যখন সে একহাত অগ্রসর হয় আমি তখন একগজ অগ্রসর হই। যখন সে দু’হাত অগ্রসর হয় তখন আমি তার কাছে অতি তাড়াতাড়ি আসি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৬৩, ইসলামিক সেন্টার)
০৪
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮০৮
حَدَّثَنَا أُمَيَّةُ بْنُ بِسْطَامَ الْعَيْشِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ، - يَعْنِي ابْنَ زُرَيْعٍ - حَدَّثَنَا رَوْحُ، بْنُ الْقَاسِمِ عَنِ الْعَلاَءِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَسِيرُ فِي طَرِيقِ مَكَّةَ فَمَرَّ عَلَى جَبَلٍ يُقَالُ لَهُ جُمْدَانُ فَقَالَ ‏"‏ سِيرُوا هَذَا جُمْدَانُ سَبَقَ الْمُفَرِّدُونَ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا وَمَا الْمُفَرِّدُونَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ ‏"‏ الذَّاكِرُونَ اللَّهَ كَثِيرًا وَالذَّاكِرَاتُ ‏"‏ ‏.‏
উমাইয়্যাহ ইবনু বিসতাম আল আইশী (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাক্কার পথে চলতে থাকেন। অতঃপর ‘জুমদান’ নামে একটি পর্বতের কাছে গেলেন। এরপর তিনি বললেন, তোমরা এ জুমদান পর্বতে সফর করো। মুফার্‌রিদগণ অগ্রগামী হয়েছে। মানুষেরা প্রশ্ন করল, মুফার্‌রিদ কারা! হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম? তিনি বললেন, বেশি বেশি আল্লাহর যিকরে নিয়োজিত পুরুষ ও নারী। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৬৪, ইসলামিক সেন্টার)
০৫
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮০৯
حَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، جَمِيعًا عَنْ سُفْيَانَ، - وَاللَّفْظُ لِعَمْرٍو - حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ لِلَّهِ تِسْعَةٌ وَتِسْعُونَ اسْمًا مَنْ حَفِظَهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ وَإِنَّ اللَّهَ وِتْرٌ يُحِبُّ الْوِتْرَ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي رِوَايَةِ ابْنِ أَبِي عُمَرَ ‏"‏ مَنْ أَحْصَاهَا ‏"‏ ‏.‏
আমর আন নাকিদ, যুহায়র ইবনু হারব ও ইবনু আবু উমর (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ তা’আলার নিরানব্বইটি নাম রয়েছে। যে লোক এ নামগুলো সংরক্ষণ করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা বেজোড়। তিনি বেজোড় ভালবাসেন। ইবনু আবু উমর (রহঃ) এর বর্ণনায়مَنْ حَفِظَهَا (সংরক্ষণ করে) এর স্থলে مَنْ أَحْصَاهَا (যে তা আয়ত্ত করে) বর্ণিত আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৬৫, ইসলামিক সেন্টার)
০৬
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮১০
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، وَعَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ إِنَّ لِلَّهِ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ اسْمًا مِائَةً إِلاَّ وَاحِدًا مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ ‏"‏ ‏.‏ وَزَادَ هَمَّامٌ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِنَّهُ وِتْرٌ يُحِبُّ الْوِتْرَ ‏"‏ ‏.‏
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, অবশ্যই আল্লাহ তা’আলার নিরানব্বইটি নাম অর্থাৎ- এক কমে একশটি নাম রয়েছে। যে লোক তা আয়ত্ত করবে সে জান্নাতে গমন করবে। হাম্মাম (রহঃ) আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এটুকু বাড়িয়ে বলেছেন যে, তিনি বেজোড় এবং তিনি বেজোড় পছন্দ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৬৬, ইসলামিক সেন্টার)
০৭
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮১১
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، جَمِيعًا عَنِ ابْنِ عُلَيَّةَ، قَالَ أَبُو بَكْرٍ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِذَا دَعَا أَحَدُكُمْ فَلْيَعْزِمْ فِي الدُّعَاءِ وَلاَ يَقُلِ اللَّهُمَّ إِنْ شِئْتَ فَأَعْطِنِي فَإِنَّ اللَّهَ لاَ مُسْتَكْرِهَ لَهُ ‏"‏ ‏.‏
আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) …. আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন দুআ করে সে যেন দৃঢ়তা প্রকাশের সাথে দুআ করে। আর সে যেন না বলে, “হে আল্লাহ! যদি তুমি ইচ্ছা কর তবে আমাকে দান কর”। কেননা মহান ও সর্বশক্তিমান আল্লাহর জন্য কোন বাধ্যকারী নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৬৭, ইসলামিক সেন্টার)
০৮
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮১২
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، وَقُتَيْبَةُ، وَابْنُ، حُجْرٍ قَالُوا حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - يَعْنُونَ ابْنَ جَعْفَرٍ - عَنِ الْعَلاَءِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِذَا دَعَا أَحَدُكُمْ فَلاَ يَقُلِ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنْ شِئْتَ وَلَكِنْ لِيَعْزِمِ الْمَسْأَلَةَ وَلْيُعَظِّمِ الرَّغْبَةَ فَإِنَّ اللَّهَ لاَ يَتَعَاظَمُهُ شَىْءٌ أَعْطَاهُ ‏"‏ ‏.‏
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব, কুতাইবাহ ও ইবনু হুজর (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ যখন দুআ করে তখন সে যেন না বলে اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنْ شِئْتَ (হে আল্লাহ! আপনি যদি চান আমাকে মাফ করুন)। কিন্তু সে যেন দৃঢ়তার সাথে দুআ করে। সে যেন আগ্রহ নিয়ে দুআ করে। কেননা আল্লাহ তা’আলা তাকে যা দান করেন তা আল্লাহ তা’আলার নিকট তেমন কোন বিশাল জিনিস নয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৬৮, ইসলামিক সেন্টার)
০৯
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮১৩
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ عِيَاضٍ، حَدَّثَنَا الْحَارِثُ، - وَهُوَ ابْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي ذُبَابٍ - عَنْ عَطَاءِ بْنِ مِينَاءَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ يَقُولَنَّ أَحَدُكُمُ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنْ شِئْتَ اللَّهُمَّ ارْحَمْنِي إِنْ شِئْتَ ‏.‏ لِيَعْزِمْ فِي الدُّعَاءِ فَإِنَّ اللَّهَ صَانِعٌ مَا شَاءَ لاَ مُكْرِهَ لَهُ ‏"‏ ‏.‏
ইসহাক ইবনু মূসা আল আনসারী (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ যেন কখনো এ কথা না বলে যে, "হে আল্লাহ! আপনি যদি চান আমাকে মাফ করুন, হে আল্লাহ! আপনি যদি চান আমার প্রতি রহমত করুন।" সে যেন অবশ্যই দৃঢ়তার সাথে দুআ প্রার্থনা করে। কেননা, আল্লাহ তা’আলা মহান কারিগর, তিনি যা চান তাই করেন। তার উপর বাধ্যবাধকতা করার কেউ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৬৯, ইসলামিক সেন্টার)
১০
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮১৪
حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - يَعْنِي ابْنَ عُلَيَّةَ - عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ يَتَمَنَّيَنَّ أَحَدُكُمُ الْمَوْتَ لِضُرٍّ نَزَلَ بِهِ فَإِنْ كَانَ لاَ بُدَّ مُتَمَنِّيًا فَلْيَقُلِ اللَّهُمَّ أَحْيِنِي مَا كَانَتِ الْحَيَاةُ خَيْرًا لِي وَتَوَفَّنِي إِذَا كَانَتِ الْوَفَاةُ خَيْرًا لِي ‏"‏ ‏.‏
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ যেন বিপদে পড়ার কারণে মৃত্যু আকাঙ্খা না করে। তবে মৃত্যু তার কামনা হয় তাহলে সে যেন বলে- "হে আল্লাহ! আপনি আমাকে জীবিত রাখুন যতক্ষণ পর্যন্ত আমার হায়াত আমার জন্য কল্যাণকর হয়। আর যদি আমার জন্য মৃত্যু কল্যাণকর হয়, তবে আমাকে মৃত্যু দিয়ে দিন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৭০, ইসলামিক সেন্টার)
১১
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮১৫
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي خَلَفٍ، حَدَّثَنَا رَوْحٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، ح وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، - يَعْنِي ابْنَ سَلَمَةَ - كِلاَهُمَا عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِهِ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ ‏ "‏ مِنْ ضُرٍّ أَصَابَهُ ‏"‏ ‏.‏
ইবনু আবু খালাফ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাছাড়া তিনি لِضُرٍّ نَزَلَ بِهِ (তার উপর আপতিত বিপদের কারণে) এর স্থলে مِنْ ضُرٍّ أَصَابَهُ (যে বিপদ তার উপর পতিত হয়েছে) বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৭১, ইসলামিক সেন্টার)
১২
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮১৬
حَدَّثَنِي حَامِدُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، حَدَّثَنَا عَاصِمٌ، عَنِ النَّضْرِ بْنِ أَنَسٍ، وَأَنَسٌ، يَوْمَئِذٍ حَىٌّ قَالَ أَنَسٌ لَوْلاَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ يَتَمَنَّيَنَّ أَحَدُكُمُ الْمَوْتَ ‏"‏ ‏.‏ لَتَمَنَّيْتُهُ ‏.‏
হামিদ ইবনু উমর (রহঃ) ..... নাযর ইবনু আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। আনাস তখন জীবিত ছিলেন। তিনি (নাযর) বলেন, আনাস (রাযিঃ) বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদি না বলতেন, "তোমাদের মধ্যে কেউ কখনো মৃত্যুর আশা করবে না"। তাহলে অবশ্যই আমি মৃত্যু কামনা করতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৭২,ইসলামিক সেন্টার)
১৩
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮১৭
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي، خَالِدٍ عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، قَالَ دَخَلْنَا عَلَى خَبَّابٍ وَقَدِ اكْتَوَى سَبْعَ كَيَّاتٍ فِي بَطْنِهِ فَقَالَ لَوْمَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَانَا أَنْ نَدْعُوَ بِالْمَوْتِ لَدَعَوْتُ بِهِ ‏.‏
আবু বকর ইবনু আবু শাইবাহ্ (রহঃ) ..... কায়স ইবনু আবূ হযিম (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা খাব্বাব (রাযিঃ) এর নিকটে প্রবেশ করলাম। তিনি তার উদরে সাতবার লোহা গরম করে সেক দিয়েছিলেন। সে সময় তিনি বললেন, যদি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মৃত্যু কামনা করে দু’আ করতে বারণ না করতেন তাহলে অবশ্যই আমি মৃত্যুর জন্য দু’আ করতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৭৩, ইসলামিক সেন্টার)
১৪
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮১৮
حَدَّثَنَاهُ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، وَجَرِيرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، وَوَكِيعٌ ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي ح، وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، وَيَحْيَى بْنُ حَبِيبٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، كُلُّهُمْ عَنْ إِسْمَاعِيلَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... অপর সানাদে ইবনু নুমায়র, উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয ও ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ইসমাঈল (রহঃ) থেকে এ সূত্রে অবিকল হাদীস আলোচনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৭৪, ইসলামিক সেন্টার)
১৫
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮১৯
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، قَالَ هَذَا مَا حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ أَحَادِيثَ مِنْهَا وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ يَتَمَنَّى أَحَدُكُمُ الْمَوْتَ وَلاَ يَدْعُ بِهِ مِنْ قَبْلِ أَنْ يَأْتِيَهُ إِنَّهُ إِذَا مَاتَ أَحَدُكُمُ انْقَطَعَ عَمَلُهُ وَإِنَّهُ لاَ يَزِيدُ الْمُؤْمِنَ عُمْرُهُ إِلاَّ خَيْرًا ‏"‏ ‏.‏
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) ..... হাম্মাম ইবনু মুনব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে আমাদের নিকট যা বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তিনি কয়েকটি হাদীস বর্ণনা করলেন। তার অন্যতম একটি এই যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন মৃত্যু কামনা না করে এবং মৃত্যু আসার আগে যেন মৃত্যুর জন্য দুআ না করে। কেননা তোমাদের মধ্যে কেউ মারা গেলে তার আমল বন্ধ হয়ে যায়। আর মুমিন লোকের বয়স তার কল্যাণই বাড়িয়ে থাকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৭৫, ইসলামিক সেন্টার)
১৬
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮২০
حَدَّثَنَا هَدَّابُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ عُبَادَةَ، بْنِ الصَّامِتِ أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ أَحَبَّ لِقَاءَ اللَّهِ أَحَبَّ اللَّهُ لِقَاءَهُ وَمَنْ كَرِهَ لِقَاءَ اللَّهِ كَرِهَ اللَّهُ لِقَاءَهُ ‏"‏ ‏.‏
হাদ্দাব ইবনু খালিদ (রহঃ) .... উবাদাহ্ ইবনু সামিত (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক আল্লাহর সাক্ষাৎ ভালোবাসেন আল্লাহ তার সাক্ষাৎ ভালোবাসেন। আর যে লোক আল্লাহর সাক্ষাৎ ভালোবাসেন না আল্লাহও তার সাক্ষাৎ ভালোবাসেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৭৬, ইসলামিক সেন্টার)
১৭
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮২১
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، يُحَدِّثُ عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ ‏.‏
(…) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... উবাদাহ ইবনু সামিত (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৭৭, ইসলামিক সেন্টার)
১৮
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮২২
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الرُّزِّيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ الْهُجَيْمِيُّ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ زُرَارَةَ، عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَنْ أَحَبَّ لِقَاءَ اللَّهِ أَحَبَّ اللَّهُ لِقَاءَهُ وَمَنْ كَرِهَ لِقَاءَ اللَّهِ كَرِهَ اللَّهُ لِقَاءَهُ ‏"‏ ‏.‏ فَقُلْتُ يَا نَبِيَّ اللَّهِ أَكَرَاهِيَةُ الْمَوْتِ فَكُلُّنَا نَكْرَهُ الْمَوْتَ فَقَالَ ‏"‏ لَيْسَ كَذَلِكِ وَلَكِنَّ الْمُؤْمِنَ إِذَا بُشِّرَ بِرَحْمَةِ اللَّهِ وَرِضْوَانِهِ وَجَنَّتِهِ أَحَبَّ لِقَاءَ اللَّهِ فَأَحَبَّ اللَّهُ لِقَاءَهُ وَإِنَّ الْكَافِرَ إِذَا بُشِّرَ بِعَذَابِ اللَّهِ وَسَخَطِهِ كَرِهَ لِقَاءَ اللَّهِ وَكَرِهَ اللَّهُ لِقَاءَهُ ‏"‏ ‏.‏
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ আর রুযয়ী (রহঃ) ..... আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাৎ ভালোবাসেন আল্লাহও তার সাক্ষাৎ ভালোবাসেন। আর যে লোক আল্লাহর সাক্ষাৎ অপছন্দ করেন তো আল্লাহও তার সাক্ষাৎ অপছন্দ করেন। তখন আমি বললাম, হে আল্লহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! এটা কি মরণকে অপছন্দ করা আমরা সবাই তো তা অপছন্দ করি? তিনি বলেন, বিষয়টি এরূপ নয়। তবে যখন একজন মুমিনকে আল্লাহর রহমত, তার রিযামন্দির ও জান্নাতের সুসংবাদ দেয়া হয় তখন সে আল্লাহর সাক্ষাৎ ভালোবাসেন এবং আল্লাহও তার সাক্ষাৎ ভালোবাসেন। আর যখন কাফিরকে আল্লাহর আযাব ও তার অসন্তুষ্টির সংবাদ দেয়া হয় তখন সে আল্লাহর সাক্ষাৎ ভালোবাসেন না এবং আল্লাহও তার সাক্ষাৎ ভালোবাসেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৭৮, ইসলামিক সেন্টার)
১৯
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮২৩
حَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏
মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... কাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৭৯, ইসলামিক সেন্টার)
২০
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮২৪
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ زَكَرِيَّاءَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ شُرَيْحِ بْنِ هَانِئٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ أَحَبَّ لِقَاءَ اللَّهِ أَحَبَّ اللَّهُ لِقَاءَهُ وَمَنْ كَرِهَ لِقَاءَ اللَّهِ كَرِهَ اللَّهُ لِقَاءَهُ وَالْمَوْتُ قَبْلَ لِقَاءِ اللَّهِ ‏"‏ ‏.‏
আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... ‘আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক আল্লাহর সাক্ষাৎ ভালোবাসেন আল্লাহও তার সাক্ষাৎ ভালোবাসেন। তার যে লোক আল্লাহর সাক্ষাৎ ভালোবাসেন না আল্লাহও তার সাক্ষাৎ ভালোবাসেন না। আর মৃত্যু আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের পূর্বে (সংঘটিত হয়)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৮০, ইসলামিক সেন্টার)
২১
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮২৫
حَدَّثَنَاهُ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّاءُ، عَنْ عَامِرٍ، حَدَّثَنِي شُرَيْحُ بْنُ هَانِئٍ، أَنَّ عَائِشَةَ، أَخْبَرَتْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ بِمِثْلِهِ ‏.‏
(…/…) ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... শুরায়হ ইবনু হানী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। ‘আয়েশা (রাঃ) তাকে অবহিত করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাদীসের হুবহু বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৮১, ইসলামিক সেন্টার)
২২
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮২৬
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَمْرٍو الأَشْعَثِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْثَرٌ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ عَامِرٍ، عَنْ شُرَيْحِ، بْنِ هَانِئٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَنْ أَحَبَّ لِقَاءَ اللَّهِ أَحَبَّ اللَّهُ لِقَاءَهُ وَمَنْ كَرِهَ لِقَاءَ اللَّهِ كَرِهَ اللَّهُ لِقَاءَهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَأَتَيْتُ عَائِشَةَ فَقُلْتُ يَا أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَذْكُرُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَدِيثًا إِنْ كَانَ كَذَلِكَ فَقَدْ هَلَكْنَا ‏.‏ فَقَالَتْ إِنَّ الْهَالِكَ مَنْ هَلَكَ بِقَوْلِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَمَا ذَاكَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَنْ أَحَبَّ لِقَاءَ اللَّهِ أَحَبَّ اللَّهُ لِقَاءَهُ وَمَنْ كَرِهَ لِقَاءَ اللَّهِ كَرِهَ اللَّهُ لِقَاءَهُ ‏"‏ ‏.‏ وَلَيْسَ مِنَّا أَحَدٌ إِلاَّ وَهُوَ يَكْرَهُ الْمَوْتَ ‏.‏ فَقَالَتْ قَدْ قَالَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلَيْسَ بِالَّذِي تَذْهَبُ إِلَيْهِ وَلَكِنْ إِذَا شَخَصَ الْبَصَرُ وَحَشْرَجَ الصَّدْرُ وَاقْشَعَرَّ الْجِلْدُ وَتَشَنَّجَتِ الأَصَابِعُ فَعِنْدَ ذَلِكَ مَنْ أَحَبَّ لِقَاءَ اللَّهِ أَحَبَّ اللَّهُ لِقَاءَهُ وَمَنْ كَرِهَ لِقَاءَ اللَّهِ كَرِهَ اللَّهُ لِقَاءَهُ ‏.‏
সাঈদ ইবনু আমর আল আশ’আসী (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ ভালোবাসেন আল্লাহ তার সাক্ষাৎ ভালোবাসেন। আর যে লোক আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ ভালোবাসেন না আল্লাহও তার সাক্ষাৎ ভালোবাসেন না। তিনি (শুরায়হ) বলেন, অতঃপর আমি আয়েশা (রাঃ) এর নিকট আসলাম এবং বললাম, হে মু’মিনদের জননী! আমি আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে একটি হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। যদি বিষয়টি এমন হয় তাহলে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। তখন তিনি [‘আয়েশা (রাঃ)] বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কথা অনুযায়ী যে লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সে প্রকৃতভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিষয়টি কী? তিনি (রাবী) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক আল্লাহর সাক্ষাৎ পছন্দ করে আল্লাহ তার সাক্ষাৎ পছন্দ করেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাৎ ভালোবাসে না আল্লাহও তার সাক্ষাৎ ভালোবাসেন না আর আমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই, যে মৃত্যুকে অপছন্দ করে না। তখন তিনি (আয়েশা (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কথাই বলেছেন। তবে তুমি যা বুঝেছ বিষয়টি ঠিক তা নয়। মূলতঃ যখন অপলক দৃষ্টিতে তাকাবে, শ্বাস বুকে থমকে যাবে, শরীরের পশম খাড়া হয়ে যাবে এবং আঙ্গুলগুলো খিচে যাবে ঐ সময় যে লোক আল্লাহর সাক্ষাৎ ভালোবাসে আল্লাহও তার সাক্ষাৎ ভালোবাসেন এবং সে সময় যে আল্লাহর সাক্ষাৎ পছন্দ করবে না আল্লাহও তার সাক্ষাৎ পছন্দ করবেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৮২, ইসলামিক সেন্টার)
২৩
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮২৭
وَحَدَّثَنَاهُ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْحَنْظَلِيُّ، أَخْبَرَنِي جَرِيرٌ، عَنْ مُطَرِّفٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَ حَدِيثِ عَبْثَرٍ ‏.‏
(…/...) ইসহাক ইবনু ইবরাহীম আল হানযালী (রহঃ) ..... মুতাররিফ (রহঃ) এর সূত্রে আবসার (রহঃ) এর বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৮৩, ইসলামিক সেন্টার)
২৪
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮২৮
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو عَامِرٍ الأَشْعَرِيُّ وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالُوا حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ عَنْ بُرَيْدٍ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ أَحَبَّ لِقَاءَ اللَّهِ أَحَبَّ اللَّهُ لِقَاءَهُ وَمَنْ كَرِهَ لِقَاءَ اللَّهِ كَرِهَ اللَّهُ لِقَاءَهُ ‏"‏ ‏.‏
আবু বকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আবু আমির আল আশ’আরী ও আবু কুরায়ব (রহঃ) ...... আবু মূসা (রাযিঃ) সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, যে লোক আল্লাহর সাক্ষাৎ পছন্দ করে আল্লাহ তার সাক্ষাৎ পছন্দ করেন। আর যে লোক আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ পছন্দ করে না আল্লাহও তার সাথে সাক্ষাৎ পছন্দ করেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৮৪, ইসলামিক সেন্টার)
২৫
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮২৯
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ بُرْقَانَ، عَنْ يَزِيدَ، بْنِ الأَصَمِّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّ اللَّهَ يَقُولُ أَنَا عِنْدَ ظَنِّ عَبْدِي بِي وَأَنَا مَعَهُ إِذَا دَعَانِي ‏"‏ ‏.‏
আবূ কুরায়ব, মুহাম্মাদ ইবনুল আলা (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা বলেছেন, আমার বান্দার ধারণা অনুযায়ী আমি আছি। আর যখন সে আমাকে ডাকে আমি তার ডাকে সাড়া দেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৮৫, ইসলামিক সেন্টার)
২৬
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮৩০
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارِ بْنِ عُثْمَانَ الْعَبْدِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، - يَعْنِي ابْنَ سَعِيدٍ - وَابْنُ أَبِي عَدِيٍّ عَنْ سُلَيْمَانَ، - وَهُوَ التَّيْمِيُّ - عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ قَالَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ إِذَا تَقَرَّبَ عَبْدِي مِنِّي شِبْرًا تَقَرَّبْتُ مِنْهُ ذِرَاعًا وَإِذَا تَقَرَّبَ مِنِّي ذِرَاعًا تَقَرَّبْتُ مِنْهُ بَاعًا - أَوْ بُوعًا - وَإِذَا أَتَانِي يَمْشِي أَتَيْتُهُ هَرْوَلَةً ‏"‏ ‏.‏
মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার ইবনু উসমান আল আবদী (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ জাল্লা শানুহু বলেন, যখন আমার বান্দা আমার প্রতি এক বিঘত এগিয়ে আসে তখন আমি তার প্রতি এক হাত এগিয়ে আসি। আর যখন সে আমার প্রতি এক হাত অগ্রসর হয় তখন আমি তার প্রতি এক গজ অগ্রসর হই। আর যখন সে আমার প্রতি হেঁটে আসে তখন আমি তার প্রতি দৌড়ে আসি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৮৬, ইসলামিক সেন্টার)
২৭
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮৩১
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى الْقَيْسِيُّ، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ، عَنْ أَبِيهِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَلَمْ يَذْكُرْ ‏ "‏ إِذَا أَتَانِي يَمْشِي أَتَيْتُهُ هَرْوَلَةً ‏"‏ ‏.‏
(…/...) মুহাম্মদ ইবনু আবদুল আ’লা আল কায়সী (রহঃ) ..... মু’তামির (রহঃ) তার পিতার সানাদে এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেন। তবে তিনি তার বর্ণনায় إِذَا أَتَانِي يَمْشِي أَتَيْتُهُ هَرْوَلَةً (যখন সে পায়ে হেঁটে আসে তখন আমি তার দিকে দৌড়ে আসি) উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৮৭, ইসলামিক সেন্টার)
২৮
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮৩২
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ - وَاللَّفْظُ لأَبِي كُرَيْبٍ - قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يَقُولُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ أَنَا عِنْدَ ظَنِّ عَبْدِي وَأَنَا مَعَهُ حِينَ يَذْكُرُنِي فَإِنْ ذَكَرَنِي فِي نَفْسِهِ ذَكَرْتُهُ فِي نَفْسِي وَإِنْ ذَكَرَنِي فِي مَلإٍ ذَكَرْتُهُ فِي مَلإٍ خَيْرٍ مِنْهُ وَإِنِ اقْتَرَبَ إِلَىَّ شِبْرًا تَقَرَّبْتُ إِلَيْهِ ذِرَاعًا وَإِنِ اقْتَرَبَ إِلَىَّ ذِرَاعًا اقْتَرَبْتُ إِلَيْهِ بَاعًا وَإِنْ أَتَانِي يَمْشِي أَتَيْتُهُ هَرْوَلَةً ‏"‏ ‏.‏
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আবু কুরায়ব (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ জাল্লা শানুহ ইরশাদ করেনঃ আমি আমার বান্দার নিকট তার ধারণা অনুযায়ী থাকি। যখন সে আমার স্মরণ করে তখন আমি তার সাথী হয়ে যাই। যখন সে একাকী আমার স্মরণ করে তখন আমি একাকী তাকে স্মরণ করি। যখন সে কোন সভায় আমার স্মরণ করে তখন আমি তাকে তার চেয়েও উত্তম সভায় স্মরণ করি। যদি সে আমার প্রতি এক বিঘত অগ্রসর হয় আমি তার দিকে এক হাত এগিয়ে আসি। যদি সে আমার দিকে এক হাত অগ্রসর হয় তাহলে আমি তার দিকে এক গজ (দু’হাত) অগ্রসর হই। যদি সে আমার প্রতি পায়ে হেঁটে আসে আমি তার প্রতি দৌড়ে আসি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৮৮, ইসলামিক সেন্টার)
২৯
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮৩৩
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنِ الْمَعْرُورِ بْنِ سُوَيْدٍ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يَقُولُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ مَنْ جَاءَ بِالْحَسَنَةِ فَلَهُ عَشْرُ أَمْثَالِهَا وَأَزِيدُ وَمَنْ جَاءَ بِالسَّيِّئَةِ فَجَزَاؤُهُ سَيِّئَةٌ مِثْلُهَا أَوْ أَغْفِرُ وَمَنْ تَقَرَّبَ مِنِّي شِبْرًا تَقَرَّبْتُ مِنْهُ ذِرَاعًا وَمَنْ تَقَرَّبَ مِنِّي ذِرَاعًا تَقَرَّبْتُ مِنْهُ بَاعًا وَمَنْ أَتَانِي يَمْشِي أَتَيْتُهُ هَرْوَلَةً وَمَنْ لَقِيَنِي بِقُرَابِ الأَرْضِ خَطِيئَةً لاَ يُشْرِكُ بِي شَيْئًا لَقِيتُهُ بِمِثْلِهَا مَغْفِرَةً ‏"‏ ‏.‏ قَالَ إِبْرَاهِيمُ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ بِشْرٍ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ بِهَذَا الْحَدِيثِ ‏.‏
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবূ যার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ জাল্লা শানুহু ইরশাদ করেন, যে লোক একটি নেক কাজ করবে তার জন্যে রয়েছে দশগুণ প্রতিদান; আর আমি তাকে আরও বৃদ্ধি করে দিব। আর যে লোক একটি খারাপ কর্ম করবে তার প্রতিদান সে কর্মের সমান অথবা আমি তাকে মাফ করে দিব। যে লোক আমার প্রতি এক বিঘত এগিয়ে আসে আমি তার প্রতি এক হাত অগ্রসর হই। আর যে লোক আমার প্রতি এক হাত এগিয়ে আসে আমি তার দিকে দু' হাত (এক গজ) অগ্রসর হই। যে লোক আমার নিকট পায়ে হেঁটে আসে আমি তার প্রতি দৌড়িয়ে আসি। যে লোক আমার সাথে কাউকে কোন বিষয়ে অংশীদার স্থাপন ব্যতীত পৃথিবী তুল্য গুনাহ নিয়েও আমার সাথে সাক্ষাৎ করে তাহলে আমি তার সাথে অনুরূপ পৃথিবী তুল্য মার্জনা নিয়ে সাক্ষাৎ করি। ইবরাহীম বলেন, হাসান ইবনু বিশর হাদীসটি ওয়াকী সানাদে অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৮৯, ইসলামিক সেন্টার)
৩০
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮৩৪
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏ نَحْوَهُ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ ‏ "‏ فَلَهُ عَشْرُ أَمْثَالِهَا أَوْ أَزِيدُ ‏"‏ ‏.‏
আবু কুরায়ব (রহঃ) ..... আমাশ (রহঃ) এর সানাদে এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে পার্থক্য এই যে, তিনি বলেছেন, তার জন্যে রয়েছে দশগুণ প্রতিদান কিংবা আমি আরও বৃদ্ধি করে দিব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৯০, ইসলামিক সেন্টার)
৩১
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮৩৫
حَدَّثَنَا أَبُو الْخَطَّابِ، زِيَادُ بْنُ يَحْيَى الْحَسَّانِيُّ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَادَ رَجُلاً مِنَ الْمُسْلِمِينَ قَدْ خَفَتَ فَصَارَ مِثْلَ الْفَرْخِ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هَلْ كُنْتَ تَدْعُو بِشَىْءٍ أَوْ تَسْأَلُهُ إِيَّاهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ نَعَمْ كُنْتُ أَقُولُ اللَّهُمَّ مَا كُنْتَ مُعَاقِبِي بِهِ فِي الآخِرَةِ فَعَجِّلْهُ لِي فِي الدُّنْيَا ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ سُبْحَانَ اللَّهِ لاَ تُطِيقُهُ - أَوْ لاَ تَسْتَطِيعُهُ - أَفَلاَ قُلْتَ اللَّهُمَّ آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَدَعَا اللَّهَ لَهُ فَشَفَاهُ ‏.‏
আবুল খাত্তাব, যিয়াদ ইবনু ইয়াহইয়া আল হাস্‌সানী (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন মুসলিম রোগীকে সেবা করতে গেলেন। সে (অসুখে কাতর হয়ে) অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিল, এমনকি সে পাখির ছানার মতো হয়ে গেল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, তুমি কি কোন বিষয় প্রার্থনা করছিলে অথবা আল্লাহর নিকট বিশেষভাবে কিছু চেয়েছিল? সে বলল, হ্যাঁ। আমি বলেছিলাম, হে আল্লাহ! আপনি পরকালে আমাকে যে সাজা দিবেন তা এ ইহকালেই দিয়ে দিন। সে সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সুবহানাল্লাহ! তোমার এমন সামর্থ্য নেই যে, তা বহন করবে, অথবা তুমি তা সহ্য করতে পারবে না। তুমি এমনটি বললে না কেন? হে আল্লাহ! আমাদের কল্যাণ দাও পৃথিবীতে এবং কল্যাণ দান করো পরকালেও। আর জাহান্নাম হতে আমাদেরকে রক্ষা করো। তিনি (রাবী) বলেন, তখন তিনি তার জন্য আল্লাহর নিকট দুআ করেন। আর আল্লাহ তাকে সুস্থ করে দেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৯১, ইসলামিক সেন্টার)
৩২
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮৩৬
حَدَّثَنَاهُ عَاصِمُ بْنُ النَّضْرِ التَّيْمِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، بِهَذَا الإِسْنَادِ إِلَى قَوْلِهِ ‏ "‏ وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ ‏"‏ ‏.‏ وَلَمْ يَذْكُرِ الزِّيَادَةَ ‏.‏
আসিম ইবনু আন্‌ নায্‌র আত তাইমী (রহঃ) ..... হুমায়দ (রহঃ) এর সূত্রে 'জাহান্নাম থেকে আমাদেরকে রক্ষা কর’ পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। এর অতিরিক্ত অংশ তিনি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৯২, ইসলামিক সেন্টার)
৩৩
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮৩৭
وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، أَخْبَرَنَا ثَابِتٌ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّعليه وسلم دَخَلَ عَلَى رَجُلٍ مِنْ أَصْحَابِهِ يَعُودُهُ وَقَدْ صَارَ كَالْفَرْخِ ‏.‏ بِمَعْنَى حَدِيثِ حُمَيْدٍ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ ‏ "‏ لاَ طَاقَةَ لَكَ بِعَذَابِ اللَّهِ ‏"‏ ‏.‏ وَلَمْ يَذْكُرْ فَدَعَا اللَّهَ لَهُ فَشَفَاهُ ‏.‏
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সহাবাদের মধ্য থেকে এক রোগীকে সেবা করতে যান। সে ভীষণ কাতর হয়ে পাখির ন্যায় হয়ে গিয়েছিল। হুমায়দ এর হাদীসের অর্থানুযায়ী বর্ণনা করেন। কিন্তু তার হাদীসে আছে যে, "আল্লাহর সাজা সহ্য করার মতো সামর্থ্য তোমার নেই" আর এরপর “তিনি আল্লাহর নিকট দু’আ করলেন এবং আল্লাহ তাকে সুস্থ করলেন” কথাটি তিনি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৯৩, ইসলামিক সেন্টার)
৩৪
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮৩৮
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا سَالِمُ بْنُ نُوحٍ الْعَطَّارُ، عَنْ سَعِيدِ، بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِهَذَا الْحَدِيثِ ‏.‏
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৯৪, ইসলামিক সেন্টার)
৩৫
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮৩৯
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمِ بْنِ مَيْمُونٍ، حَدَّثَنَا بَهْزٌ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، حَدَّثَنَا سُهَيْلٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِنَّ لِلَّهِ تَبَارَكَ وَتَعَالَى مَلاَئِكَةً سَيَّارَةً فُضْلاً يَتَبَّعُونَ مَجَالِسَ الذِّكْرِ فَإِذَا وَجَدُوا مَجْلِسًا فِيهِ ذِكْرٌ قَعَدُوا مَعَهُمْ وَحَفَّ بَعْضُهُمْ بَعْضًا بِأَجْنِحَتِهِمْ حَتَّى يَمْلَئُوا مَا بَيْنَهُمْ وَبَيْنَ السَّمَاءِ الدُّنْيَا فَإِذَا تَفَرَّقُوا عَرَجُوا وَصَعِدُوا إِلَى السَّمَاءِ - قَالَ - فَيَسْأَلُهُمُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ وَهُوَ أَعْلَمُ بِهِمْ مِنْ أَيْنَ جِئْتُمْ فَيَقُولُونَ جِئْنَا مِنْ عِنْدِ عِبَادٍ لَكَ فِي الأَرْضِ يُسَبِّحُونَكَ وَيُكَبِّرُونَكَ وَيُهَلِّلُونَكَ وَيَحْمَدُونَكَ وَيَسْأَلُونَكَ ‏.‏ قَالَ وَمَاذَا يَسْأَلُونِي قَالُوا يَسْأَلُونَكَ جَنَّتَكَ ‏.‏ قَالَ وَهَلْ رَأَوْا جَنَّتِي قَالُوا لاَ أَىْ رَبِّ ‏.‏ قَالَ فَكَيْفَ لَوْ رَأَوْا جَنَّتِي قَالُوا وَيَسْتَجِيرُونَكَ ‏.‏ قَالَ وَمِمَّ يَسْتَجِيرُونَنِي قَالُوا مِنْ نَارِكَ يَا رَبِّ ‏.‏ قَالَ وَهَلْ رَأَوْا نَارِي قَالُوا لاَ ‏.‏ قَالَ فَكَيْفَ لَوْ رَأَوْا نَارِي قَالُوا وَيَسْتَغْفِرُونَكَ - قَالَ - فَيَقُولُ قَدْ غَفَرْتُ لَهُمْ فَأَعْطَيْتُهُمْ مَا سَأَلُوا وَأَجَرْتُهُمْ مِمَّا اسْتَجَارُوا - قَالَ - فَيَقُولُونَ رَبِّ فِيهِمْ فُلاَنٌ عَبْدٌ خَطَّاءٌ إِنَّمَا مَرَّ فَجَلَسَ مَعَهُمْ قَالَ فَيَقُولُ وَلَهُ غَفَرْتُ هُمُ الْقَوْمُ لاَ يَشْقَى بِهِمْ جَلِيسُهُمْ ‏"‏ ‏.‏
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ইবনু মাইমূন (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ তা’আলার এক গ্রুপ ভ্রাম্যমান বর্ধিত ফেরেশতা রয়েছে। তারা যিকরের বৈঠকসমূহ সন্ধান করে বেড়ায়। তারা যখন কোন যিকরের বৈঠক পায় তখন সেখানে তাদের (যিকরকারীদের) সাথে বসে যায়। আর পরস্পর একে অপরকে বাহু দ্বারা ঘিরে ফেলেন। এমনকি তারা তাদের মাঝে ও নিকটতম আকাশের ফাঁকা জায়গা পূরণ করে ফেলে। আল্লাহর যিকরকারীগণ যখন পৃথক হয়ে যায় তখন তারা আকাশমণ্ডলীতে আরোহণ করে। তিনি বলেন, তখন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা’আলা তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, তোমরা কোথকে আসছে? অথচ তিনি তাদের ব্যাপারে সবচেয়ে বেশী অবহিত। তখন তারা বলতে থাকেন, আমরা ভূমণ্ডলে অবস্থানকারী আপনার বান্দাদের কাছ হতে আসছি, যারা আপনার তাসবীহ পড়ে, তাকবীর পড়ে, তাহলীল বলে (লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’-এর) যিকর করে, আপনার প্রশংসা করে এবং আপনার নিকট তাদের প্রত্যাশিত বিষয় প্রার্থনা করে। তখন আল্লাহ বলেন, আমার বান্দারা আমার নিকট কি প্রার্থনা করে? তারা বলেন, তারা আপনার নিকট আপনার জান্নাত প্রত্যাশা করে। তিনি বলেন, তারা কি আমার জান্নাত প্রত্যক্ষ করেছে? তারা বলেন, না; হে আমাদের প্রভু! তিনি বলেন, তারা যদি আমার জান্নাত প্রত্যক্ষ করত তাহলে তারা কী করত? তারা বলেন, তারা আপনার নিকট আশ্রয় চায়। তিনি বলেন, কি বিষয় হতে তারা আমার নিকট আশ্রয় চায়? তারা বলেন, হে আমাদের প্রভু! আপনার জাহান্নাম হতে (মুক্তির জন্য)। তিনি বলেন, তারা কি আমার জাহান্নাম প্রত্যক্ষ করেছে? তারা বলেন, না; তারা প্রত্যক্ষ করেনি। তিনি বলেন, তারা যদি আমার জাহান্নাম প্রত্যক্ষ করত তাহলে কী করত? তারা বলেন, তারা আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে। তিনি বলেন, তখন আল্লাহ বলবেন, আমি তাদের মার্জনা করে দিলাম এবং তারা যা প্রার্থনা করছিল আমি তা তাদের প্রদান করলাম। আর তারা যা হতে আশ্রয় চেয়েছিল আমি তা থেকে তাদের মুক্তি দিলাম। অতঃপর তারা বলবে, হে আমাদের রব! তাদের মাঝে তো অমুক পাপী বান্দা ছিল, যে তাদের সাথে বৈঠকের নিকট দিয়ে যাওয়ার প্রাক্কালে বসেছিল। তিনি বলেন, তখন আল্লাহ বলবেন, আমি তাকেও মাফ করে দিলাম। তারা তো এমন একটি কওম যাদের সঙ্গীরা দুর্ভাগা হয় না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৯৫, ইসলামিক সেন্টার)
৩৬
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮৪০
حَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - يَعْنِي ابْنَ عُلَيَّةَ - عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ، - وَهُوَ ابْنُ صُهَيْبٍ - قَالَ سَأَلَ قَتَادَةُ أَنَسًا أَىُّ دَعْوَةٍ كَانَ يَدْعُو بِهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَكْثَرَ قَالَ كَانَ أَكْثَرُ دَعْوَةٍ يَدْعُو بِهَا يَقُولُ ‏ "‏ اللَّهُمَّ آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَكَانَ أَنَسٌ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَدْعُوَ بِدَعْوَةٍ دَعَا بِهَا فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَدْعُوَ بِدُعَاءٍ دَعَا بِهَا فِيهِ ‏.‏
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবদুল আযীয ইবনু সুহায়ব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কাতাদাহ্ আনাস (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন দুআ সর্বাধিক পড়তেন? তিনি বললেন, তিনি যে দু’আ দ্বারা সর্বাধিক দু’আ করতেন তাতে বলতেনঃ “আল্ল-হুম্মা আ-তিনা- ফিদ্‌দুনইয়া হাসানাতাও ওয়াফিল আ-খিরতি হাসানাতাও ওয়াকিনা- ‘আযা-বান না-র”। অর্থাৎ- "হে আল্লাহ! আমাদেরকে দুনিয়ায় কল্যাণ দান কর এবং আখিরাতে কল্যাণ দান কর। আর আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি হতে বঁচিয়ে রাখো।" রাবী বলেন, আনাস (রাযিঃ) যখনই কোন দু’আ করার সংকল্প করতেন তখন তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ন্যায়) দুআ করতেন। তারপর যখন তিনি কোন ব্যাপারে দু’আ করার সংকল্প করতেন তখন তাতে এ দু’আ পড়তেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৯৬, ইসলামিক সেন্টার)
৩৭
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮৪১
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ ‏"‏ ‏.‏
উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দু’আ পাঠ করতেনঃ "রব্বনা- আ-তিনা- ফিদ্‌দুনইয়া- হাসানাতাও ওয়াফিল আ-খিরতি হাসানাতাও ওয়াকিনা- ‘আযা-বান্‌ না-র"। অর্থাৎ- হে আমাদের রব! আমাদের পার্থিব জীবনে কল্যাণ দান করো, আখিরাতে কল্যাণ দান করো। আর জাহান্নামের শাস্তি হতে আমাদের বাঁচাও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৯৭, ইসলামিক সেন্টার)
৩৮
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮৪২
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ سُمَىٍّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ ‏.‏ فِي يَوْمٍ مِائَةَ مَرَّةٍ ‏.‏ كَانَتْ لَهُ عَدْلَ عَشْرِ رِقَابٍ وَكُتِبَتْ لَهُ مِائَةُ حَسَنَةٍ وَمُحِيَتْ عَنْهُ مِائَةُ سَيِّئَةٍ وَكَانَتْ لَهُ حِرْزًا مِنَ الشَّيْطَانِ يَوْمَهُ ذَلِكَ حَتَّى يُمْسِيَ وَلَمْ يَأْتِ أَحَدٌ أَفْضَلَ مِمَّا جَاءَ بِهِ إِلاَّ أَحَدٌ عَمِلَ أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ ‏.‏ وَمَنْ قَالَ سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ فِي يَوْمٍ مِائَةَ مَرَّةٍ حُطَّتْ خَطَايَاهُ وَلَوْ كَانَتْ مِثْلَ زَبَدِ الْبَحْرِ ‏"‏ ‏.‏
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ "লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহদাহু লা- শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া আলাকুল্লি শাইয়্যিন কদীর।" অর্থাৎ- আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই; তিনি অদ্বিতীয়, তার কোন অংশীদার নেই, তারই রাজত্ব, তারই যাবতীয় প্রশংসা; তিনিই সব বিষয়ের উপর শক্তিধর- যে লোক এ দু’আ প্রতিদিনে একশ’ বার পাঠ করে সে দশজন গোলাম মুক্ত করার পুণ্য অর্জন হয়, তার (আমলনামায়) একশ’ নেকী লেখা হয় এবং তার হতে একশ’ পাপ মিটিয়ে দেয়া হয়। আর তা ঐ দিন বিকাল পর্যন্ত শাইতান (শয়তান) (তার কুমন্ত্রণা) হতে তার জন্যে রক্ষাকারী হয়ে যায়। সেদিন সে যা পুণ্য অর্জন করেছে তার চেয়ে বেশি পুণ্যবান কেউ হবে না। তবে কেউ তার চাইতে বেশি ‘আমল করলে তার কথা আলাদা। আর যে লোক দিনে একশ’ বার "সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াবিহামদিহী"। অর্থাৎ- ‘আমি আল্লাহর সপ্রশংসা সহ তার পবিত্রতা বর্ণনা করছি পাঠ করবে, তার সমস্ত পাপ মিটিয়ে দেয়া হবে, যদিও তা সমুদ্রের ফেনার সমপরিমাণ হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৯৮, ইসলামিক সেন্টার)
৩৯
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮৪৩
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الأُمَوِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ الْمُخْتَارِ، عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ سُمَىٍّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ قَالَ حِينَ يُصْبِحُ وَحِينَ يُمْسِي سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ مِائَةَ مَرَّةٍ ‏.‏ لَمْ يَأْتِ أَحَدٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِأَفْضَلَ مِمَّا جَاءَ بِهِ إِلاَّ أَحَدٌ قَالَ مِثْلَ مَا قَالَ أَوْ زَادَ عَلَيْهِ ‏"‏ ‏.‏
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল মালিক আল উমাবী (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক সকালে ও সন্ধ্যায় "সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াবি হামদিহী", অর্থাৎ- আল্লাহ পবিত্র ও সমস্ত প্রশংসা তারই একশ’ বার পড়ে আখিরাতের দিবসে তার তুলনায় উত্তম আমল নিয়ে কেউ আসবে না। তবে সে ব্যক্তি ব্যতীত, যে লোক তার সমান আমল করে অথবা তার তুলনায় বেশি আমল করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৯৯, ইসলামিক সেন্টার)
৪০
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮৪৪
حدثنا سليمان بن عبيد الله أبو أيوب الغيلاني: حدثنا أبو عامر (أي العقادي): حدثنا عمر (وهو ابن أبي زيدة) عن أبي إسحاق، عن عمرو بن ميمون: إذا قال أحد عشر مرات: لا إله إلا الله وحده لا شريك له، له الملك وله الحمد وهو على كل شيء قدير، فكأنما حرر أربعة من ذرية إسماعيل. قال سليمان: حدثنا أبو عامر. قال عمر: حدثنا. قال: حدثنا عبد الله بن أبي الصفر عن الشعبي، الذي حدث عن ربيع بن حسيم حديثاً مشابهاً. قال الراوي: سألت ربيع: من سمعت هذا؟ قال: من عمرو بن ميمون! فذهبت إلى عمرو بن ميمون فسألته: من سمعت هذا؟ قال: من ابن أبي ليلى! فذهبت إلى ابن أبي ليلى فسألته: من سمعت هذا؟ قال: من أبي أيوب الأنصاري. كان يرويه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم.
সুলাইমান ইবনু উবাইদুল্লাহ আবু আইয়্যুব আল গাইলানী (রহঃ) ..... আমর ইবনু মাইমূন (রহঃ) বলেন, যে ব্যক্তি দশবার "লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহদাহু লা- শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া আলা- কুল্লি শাইয়্যিন কদীর।" অর্থাৎ- আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন মা’বূদ নেই, তিনি অদ্বিতীয়, তার কোন অংশীদার নেই, রাজত্ব তারই, সমস্ত প্রশংসা তারই, তিনি-ই সব বিষয়ের উপর সম্পূর্ণ শক্তিধর’ পাঠ করবে সে যেন ইসমাঈল (আঃ) এর বংশের চারজন গোলামকে মুক্তি করে দিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬০০, ইসলামিক সেন্টার)
৪১
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮৪৫
حدثنا [سليمان بن عبيد الله أبو أيوب الغيلاني] حدثنا [أبو عامر العقدي] حدثنا [عمر بن أبي زائدة] عن [أبو إسحاق] عن [عمرو بن ميمون] قال؛ «من قال لا إله إلا الله وحده لا شريك له، هو وحده مالك الكون وله الحمد وهو على كل شيء قدير» (لا إله إلا الله، هو الإله القدير، لا شريك له، هو وحده مالك الكون وله الحمد، الله على كل شيء قدير) عشر مرات، كان أجره كإعتاق أربعة من ذرية إسماعيل. وقال: حدثنا سليمان، حدثنا عمر، حدثنا عبد الله بن أبي الصفر، عن الشابي، عن ربيع بن الختسيم بهذا الحديث، فقال: عمرو بن ميمون، واسأله: أين سمعت هذا الحديث؟ قال: عن ابن أبي ليلى. قال الراوي: فلقيت ابن أبي ليلى فسألته: أين سمعت هذا؟ حديث؟ فأجاب: عن أبي أيوب الأنصاري، أخبره عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
(…/...) সুলাইমান (রহঃ) রাবী’ ইবনু খুসায়ম (রহঃ) এর সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমি রাবী’কে প্রশ্ন করলাম, আপনি কার কাছ হতে তা শুনেছেন? তিনি বললেন, “আমর ইবনু মাইমূন (রহঃ) হতে। তিনি বলেন, তখন আমি আমর ইবনু মাইমূন (রহঃ) এর নিকট গেলাম এবং বললাম, আপনি কার কাছ হতে শুনেছেন? তিনি বলেন, (শাবী বলেন) অতঃপর আমি ইবনু লাইলার কাছে গিয়ে তাকে প্রশ্ন করলাম, আপনি কার থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন, আবু আইয়্যুব আল আনসারী (রাযিঃ) হতে, তিনি প্রত্যক্ষভাবে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬০০, ইসলামিক সেন্টার)
৪২
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮৪৬
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَأَبُو كُرَيْبٍ وَمُحَمَّدُ بْنُ طَرِيفٍ الْبَجَلِيُّ قَالُوا حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ الْقَعْقَاعِ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ كَلِمَتَانِ خَفِيفَتَانِ عَلَى اللِّسَانِ ثَقِيلَتَانِ فِي الْمِيزَانِ حَبِيبَتَانِ إِلَى الرَّحْمَنِ سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ ‏"‏ ‏.‏
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, যুহায়র ইবনু হারব, আবূ কুরায়ব ও মুহাম্মাদ ইবনু তারীফ আল বাজালী (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন দু’টি কালিমাহ জিহ্বার উপর (উচ্চারণে) খুবই হালকা, মীযানের পাল্লায় খুবই ভারী, রহমান (পরম দয়ালু আল্লাহ) এর নিকট অত্যন্ত প্রিয়। তা হলো "সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াবি হামদিহী সুবহা-নাল্ল-হিল আযীম", অর্থাৎ আমি আল্লাহ তা’আলার সমস্ত প্রশংসা, পবিত্রতা জ্ঞাপন করছি, আমি মহান আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি।’ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬০১, ইসলামিক সেন্টার)
৪৩
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮৪৭
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لأَنْ أَقُولَ سُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ أَحَبُّ إِلَىَّ مِمَّا طَلَعَتْ عَلَيْهِ الشَّمْسُ ‏"‏ ‏.‏
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আবু কুরায়ব (রহঃ) ...... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি বলি- "সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াল হামদু লিল্লা-হি ওয়ালাইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াল্ল-হু আকবার"। অর্থাৎ- "আল্লাহ পবিত্র, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর এবং আল্লাহ ভিন্ন কোন মা’বূদ নেই, আল্লাহ মহান" পড়া আমার নিকট বেশি প্রিয়- সে সব বিষয়ের চেয়ে, যার উপর সূর্য উদিত হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬০২, ইসলামিক সেন্টার)
৪৪
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮৪৮
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ عَنْ مُوسَى الْجُهَنِيِّ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا مُوسَى الْجُهَنِيُّ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ جَاءَ أَعْرَابِيٌّ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ عَلِّمْنِي كَلاَمًا أَقُولُهُ قَالَ ‏"‏ قُلْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ اللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا وَالْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا سُبْحَانَ اللَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ الْعَزِيزِ الْحَكِيمِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَهَؤُلاَءِ لِرَبِّي فَمَا لِي قَالَ ‏"‏ قُلِ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي وَاهْدِنِي وَارْزُقْنِي ‏"‏ ‏.‏ قَالَ مُوسَى أَمَّا عَافِنِي فَأَنَا أَتَوَهَّمُ وَمَا أَدْرِي ‏.‏ وَلَمْ يَذْكُرِ ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ فِي حَدِيثِهِ قَوْلَ مُوسَى ‏.‏
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... মুসআব ইবনু সা’দ (রাযিঃ) তার পিতা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট জনৈক গ্রাম্য লোক এসে বলল, আমাকে একটি কালাম শিক্ষা দিন, যা আমি নিয়মিত পাঠ করব। তিনি বললেন, তুমি বলো "লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহদাহু লা-শারীকা লাহু আল্ল-হু আকবার কাবীরা ওয়াল হামদু লিল্লা-হি কাসীরা সুবহানাল্লা-হি রব্বিল আ-লামীনা লা- হাওলা ওয়ালা- কুত্ত্বওয়াতা ইল্লা-বিল্লা-হিল আযীযিল হাকীম"। অর্থাৎ- "আল্লাহ ভিন্ন কোন মা’বূদ নেই, তিনি অদ্বিতীয়, তার কোন অংশীদার নেই, আল্লাহ মহান, সবচেয়ে মহান, আল্লাহর জন্য সমস্ত প্রশংসা এবং আমি আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের পবিত্রতা ঘোষণা করছি। পরাক্রমশালী বিজ্ঞানময় আল্লাহর সাহায্য ছাড়া ভাল কাজ করার এবং খারাপ কাজ হতে বিরত থাকার সাধ্য কারো নেই।" সে বলল, এসব তো আমার রবের জন্য। আমার জন্যে কি? তিনি বললেন, বলো, হে আল্লাহ! আপনি আমাকে মাফ করুন, আমার প্রতি দয়া করুন, আমাকে সঠিক পথ দেখিয়ে দিন এবং আমাকে জীবিকা দান করুন। মূসা (রহঃ) বলেন, (আমার মনে হয়) তিনি عَافِنِي (আ-ফিনী) "আমাকে মাফ করুন" কথাটি বলেছেন। তবে আমি তাতে সংশয় আছি এবং আমি জানি না। আর ইবনু আবু শাইবাহ (রহঃ) তার হাদীসে মূসার উক্তি বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬০৩, ইসলামিক সেন্টার)
৪৫
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮৪৯
حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، - يَعْنِي ابْنَ زِيَادٍ - حَدَّثَنَا أَبُو مَالِكٍ الأَشْجَعِيُّ عَنْ أَبِيهِ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُعَلِّمُ مَنْ أَسْلَمَ يَقُولُ ‏ "‏ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي وَاهْدِنِي وَارْزُقْنِي ‏"‏ ‏.‏
আবূ কামিল আল জাহদারী (রহঃ) ..... আবু মালিক আল আশজাঈ (রহঃ) তার পিতার সানাদে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন লোক ইসলাম কবুল করলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে এ দু’আ বলতে শিখিয়ে দিতেন, “আল্লা-হুম্মাগ ফিরলী ওয়ারহামনী ওয়াহ্‌দিনী ওয়ারযুকনী”। অর্থাৎ- হে আল্লাহ। আপনি আমাকে মাফ করুন, আমার প্রতি দয়া করুন, আমাকে সঠিক পথপ্রদর্শন করুন এবং আমাকে জীবিকা দান করুন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬০৪, ইসলামিক সেন্টার)
৪৬
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮৫০
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَزْهَرَ الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو مَالِكٍ الأَشْجَعِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ كَانَ الرَّجُلُ إِذَا أَسْلَمَ عَلَّمَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الصَّلاَةَ ثُمَّ أَمَرَهُ أَنْ يَدْعُوَ بِهَؤُلاَءِ الْكَلِمَاتِ ‏ "‏ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي وَاهْدِنِي وَعَافِنِي وَارْزُقْنِي ‏"‏ ‏.‏
সাঈদ ইবনু আযহার আল ওয়াসিতী (রহঃ) ..... আবু মালিক আল আশজাঈ এর পিতার সানাদে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন কোন ব্যক্তি ইসলামে দীক্ষা গ্রহণ করত তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে প্রথমে সালাত আদায়ের শিক্ষা দিতেন। তারপর তিনি তাকে এ কালিমাসমূহ পাঠ করার নির্দেশ দিতেন, "আল্লা-হুম্মাগ ফিরলী ওয়ারহামনী ওয়াহ্‌দিনী ওয়া’আ-ফিনী ওয়ারযুকনী।" অর্থাৎ- "হে আল্লাহ! আমাকে মাফ করুন, আমার প্রতি দয়া করুন, আমাকে সঠিক পথপ্রদর্শন করুন, আমাকে সুস্থতা দান করুন এবং আমার জীবিকা উপকরণ দান করুন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬০৫, ইসলামিক সেন্টার)
৪৭
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮৫১
حَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا أَبُو مَالِكٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَأَتَاهُ رَجُلٌ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ أَقُولُ حِينَ أَسْأَلُ رَبِّي قَالَ ‏"‏ قُلِ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي وَعَافِنِي وَارْزُقْنِي ‏"‏ ‏.‏ وَيَجْمَعُ أَصَابِعَهُ إِلاَّ الإِبْهَامَ ‏"‏ فَإِنَّ هَؤُلاَءِ تَجْمَعُ لَكَ دُنْيَاكَ وَآخِرَتَكَ ‏"‏ ‏.‏
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ মালিক (রাযিঃ) এর পিতার সানাদে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছেন যে, তার নিকট এক লোক এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমি যখন আমার প্রতিপালকের নিকট দু’আ করব তখন কিভাবে তা প্রকাশ করব? তিনি বললেন, তুমি বলে, “আল্ল-হুম্মাগ ফিরলী ওয়ারহামনী ওয়াআ-ফিনী ওয়ারযুকনী।” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আপনি আমাকে মাফ করে দিন, আমার প্রতি দয়া করুন, আমাকে মাফ করে দিন এবং আমাকে জীবিকা দান করুন।” আর তিনি বৃদ্ধাঙ্গুলি ছাড়া সব আঙ্গুল একত্র করে বললেন, এ শব্দগুলো তোমাকে দুনিয়া ও আখিরাত উভয়টাকে একসাথে করে দিবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬০৬, ইসলামিক সেন্টার)
৪৮
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮৫২
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، وَعَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ مُوسَى الْجُهَنِيِّ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا مُوسَى الْجُهَنِيُّ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنِي أَبِي قَالَ، كُنَّا عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏"‏ أَيَعْجِزُ أَحَدُكُمْ أَنْ يَكْسِبَ كُلَّ يَوْمٍ أَلْفَ حَسَنَةٍ ‏"‏ ‏.‏ فَسَأَلَهُ سَائِلٌ مِنْ جُلَسَائِهِ كَيْفَ يَكْسِبُ أَحَدُنَا أَلْفَ حَسَنَةٍ قَالَ ‏"‏ يُسَبِّحُ مِائَةَ تَسْبِيحَةٍ فَيُكْتَبُ لَهُ أَلْفُ حَسَنَةٍ أَوْ يُحَطُّ عَنْهُ أَلْفُ خَطِيئَةٍ ‏"‏ ‏.‏
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... মুসআব ইবনু সা’দ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার পিতা (সা'দ) আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন যে, তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে (বসা) ছিলাম। তখন তিনি বললেন, তোমাদের মাঝে কেউ কি প্রতিদিন এক হাজার পুণ্য হাসিল করতে অপারগ হয়ে যাবে? তখন সেখানে বসে থাকাদের মধ্য থেকে এক প্রশ্নকারী প্রশ্ন করল, আমাদের কেউ কিভাবে এক হাজার পুণ্য হাসিল করবে? তিনি বললেন, সে একশ’ তাসবীহ (সুবহানাল্লা-হ) পাঠ করলে তার জন্যে এক হাজার পুণ্য লিখিত হবে এবং তার (আমলনামা) হতে এক হাজার পাপ মুছে দেয়া হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬০৭, ইসলামিক সেন্টার)
৪৯
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮৫৩
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَمُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ الْهَمْدَانِيُّ - وَاللَّفْظُ لِيَحْيَى - قَالَ يَحْيَى أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرَانِ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ نَفَّسَ عَنْ مُؤْمِنٍ كُرْبَةً مِنْ كُرَبِ الدُّنْيَا نَفَّسَ اللَّهُ عَنْهُ كُرْبَةً مِنْ كُرَبِ يَوْمِ الْقِيَامَةِ وَمَنْ يَسَّرَ عَلَى مُعْسِرٍ يَسَّرَ اللَّهُ عَلَيْهِ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ وَمَنْ سَتَرَ مُسْلِمًا سَتَرَهُ اللَّهُ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ وَاللَّهُ فِي عَوْنِ الْعَبْدِ مَا كَانَ الْعَبْدُ فِي عَوْنِ أَخِيهِ وَمَنْ سَلَكَ طَرِيقًا يَلْتَمِسُ فِيهِ عِلْمًا سَهَّلَ اللَّهُ لَهُ بِهِ طَرِيقًا إِلَى الْجَنَّةِ وَمَا اجْتَمَعَ قَوْمٌ فِي بَيْتٍ مِنْ بُيُوتِ اللَّهِ يَتْلُونَ كِتَابَ اللَّهِ وَيَتَدَارَسُونَهُ بَيْنَهُمْ إِلاَّ نَزَلَتْ عَلَيْهِمُ السَّكِينَةُ وَغَشِيَتْهُمُ الرَّحْمَةُ وَحَفَّتْهُمُ الْمَلاَئِكَةُ وَذَكَرَهُمُ اللَّهُ فِيمَنْ عِنْدَهُ وَمَنْ بَطَّأَ بِهِ عَمَلُهُ لَمْ يُسْرِعْ بِهِ نَسَبُهُ ‏"‏ ‏.‏
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া আত তামীমী, আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও মুহাম্মাদ ইবনুল আলা আল হামদানী (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক কোন ঈমানদারের দুনিয়া থেকে কোন মুসীবাত দূর করে দিবে, আল্লাহ তা’আলা বিচার দিবসে তার থেকে মুসীবাত সরিয়ে দিবেন। যে লোক কোন দুঃস্থ লোকের অভাব দূর করবে, আল্লাহ তাআলা দুনিয়া ও আখিরাতে তার দুরবস্থা দূর করবেন। যে লোক কোন মুসলিমের দোষ-ত্রুটি লুকিয়ে রাখবে আল্লাহ তা’আলা দুনিয়া ও আখিরাতে তার দোষ-ত্রুটি লুকিয়ে রাখবেন। বান্দা যতক্ষণ তার ভাই এর সহযোগিতায় আত্মনিয়োগ করে আল্লাহ ততক্ষণ তার সহযোগিতা করতে থাকেন। যে লোক জ্ঞানার্জনের জন্য রাস্তায় বের হয়, আল্লাহ এর বিনিময়ে তার জন্য জান্নাতের পথ সহজ করে দেন। যখন কোন সম্প্রদায় আল্লাহর গৃহসমূহের কোন একটি গৃহে একত্রিত হয়ে আল্লাহর কিতাব পাঠ করে এবং একে অপরের সাথে মিলে (কুরআন) অধ্যয়নে লিপ্ত থাকে তখন তাদের উপর শান্তিধারা অবতীর্ণ হয়। রহমত তাদেরকে আচ্ছন্ন করে ফেলে এবং ফেরেশতাগণ তাদেরকে পরিবেষ্টন করে রাখেন। আর আল্লাহ তা’আলা তার নিকটবর্তীদের (ফেরেশতাগণের) মধ্যে তাদের কথা আলোচনা করেন। আর যে লোককে আমলে পিছনে সরিয়ে দিবে তার বংশ (মর্যাদা) তাকে অগ্রসর করে দিবে না* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬০৮, ইসলামিক সেন্টার)
৫০
সহীহ মুসলিম # ৪৮/৬৮৫৪
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي ح، وَحَدَّثَنَاهُ نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، قَالاَ حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، وَفِي حَدِيثِ أَبِي أُسَامَةَ حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِ حَدِيثِ أَبِي مُعَاوِيَةَ غَيْرَ أَنَّ حَدِيثَ أَبِي أُسَامَةَ لَيْسَ فِيهِ ذِكْرُ التَّيْسِيرِ عَلَى الْمُعْسِرِ ‏.‏
(…/...) মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও নাসর ইবনু আলী আল জাহযামী (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ..... আবূ মু’আবিয়াহ্ (রহঃ) এর হাদীসের অবিকল। তবে আবু উসামার হাদীসে "দুঃস্থ লোকের অভাব লাঘব করার" বর্ণনা নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬০৯, ইসলামিক সেন্টার)