মা — 7 hadith.
1. Jami' at-Tirmidhi #3180
মাহমুদ ইবনু গাইলান আমাদেরকে বলেছেন, আবূ উসামা আমাদেরকে বলেছেন, হিশাম ইবনু উরওয়া থেকে, আমার পিতা আমাকে বলেছেন, আয়েশা (রাঃ) থেকে তিনি বলেন, আমার সম্পর্কে যা উল্লেখ করা হয়েছে এবং আমি যা জানতাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তাবলিগ দেওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ালেন এবং তিনি তাকে প্রেরিত করলেন। প্রাপ্য, তারপর তিনি বলেন "কিন্তু তারা আমাকে এমন লোকদের সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়ার পরে যারা আমার পরিবারকে দোষারোপ করেছিল, ঈশ্বরের কসম, আমি কখনই জানি না যে আমার পরিবারের সাথে কোন মন্দ করা হবে,
'Aishah — Jami' at-Tirmidhi #3180 (Sahih)
2. Sahih Al-Bukhari #4725
সা‘ঈদ ইব্নু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি ইব্নু ‘আব্বাসকে বললাম, নওফ আল-বাক্কালীর ধারণা, খাযিরের সাথী মূসা, তিনি বানী ইসরাঈলের নাবী মূসা (‘আ.) ছিলেন না। ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্র দুশমন মিথ্যা কথা বলেছে। [ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন] উবাই ইব্নু কা‘আব (রাঃ) আমাকে বলেছেন, তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, মূসা (‘আ.) একবার বানী ইসরাঈলের সম্মুখে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তাঁকে প্রশ্ন করা হল, কোন্ ব্যক্তি সবচেয়ে জ্ঞানী? তিনি বললেন, আমি। এতে আল্লাহ্ ত
Sa'id bin Jubair — Sahih Al-Bukhari #4725 (Sahih)
3. Sahih Al-Bukhari #4726
সা‘ঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর কাছে তাঁর ঘরে ছিলাম। তখন তিনি বললেন, ইচ্ছা হলে আমার কাছে প্রশ্ন কর। আমি বললাম, হে আবূ ‘আব্বাস! আল্লাহ্ আমাকে আপনার উপর উৎসর্গ করুন। কূফায় নওফ নামক একজন কিচ্ছাকার আছে। সে বলছে যে, খাযির (‘আ.)-এর সঙ্গে যে মূসার সাক্ষাৎ হয়েছিল, তিনি বানী ইসরাঈলের (প্রতি প্রেরিত) মূসা নন। তবে, ‘আম্র ইব্নু দীনার আমাকে বলেছেন যে, ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) এ কথা শুনে বললেন, আল্লাহ্র দুশমন মিথ্যা কথা বলেছে। কিন্তু ইয়ালা (একজন বর্ণনাকারী) আমাকে বলেছেন যে, ইব্
Ibn Juraij — Sahih Al-Bukhari #4726 (Sahih)
4. Sunan Ibn Majah #2986
হিশাম ইবনে ইরওয়া (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে অবহিত করে বলেছেন, আমি আয়েশা (রাঃ) -কে বললাম, আমি যদি সাফা ও মারওয়ার মাঝে সাঈ না করি তবে তা আমার জন্য দূষণীয় মনে করি না। তিনি বলেন, নিশ্চয় আল্লাহ বলেছেনঃ ‘‘সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত। অতএব যে কেউ কাবা ঘরের হজ্জ অথবা উমরা সম্পন্ন করে, এই দু’টির মধ্যে সাঈ করলে তার কোন পাপ নেই।’’ (সূরা বাকারাঃ ১৫৮)। আয়েশা (রাঃ) বলেন, তুমি যেরূপ বুঝেছ যদি তাই হতো তবে এভাবে বলা হতোঃ ‘‘তবে এ দু’টির মধ্যে সাঈ না করলে তার কোন গুনাহ নেই’’।
It was narrated that Hisham bin ‘Urwah said — Sunan Ibn Majah #2986 (Sahih)
5. Sahih Muslim #5886
যুহায়র ইবনু হারব ও আহমাদ ইবনু আব্দাহ্ (রহঃ) ..... শারীদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তার (বাহনে) পশ্চাতে সহ-আরোহী বানালেন। ..... তারপর তারা পূর্বোল্লিখিত হাদীসের হুবহু উল্লেখ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৮৯, ইসলামিক সেন্টার)
— Sahih Muslim #5886 (Sahih)
6. Sahih Al-Bukhari #1118
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে অধিক বয়সে পৌঁছার পূর্বে কখনো রাতের সালাত বসে আদায় করতে দেখেননি। (বার্ধক্যের) পরে তিনি বসে কির’আত পাঠ করতেন। যখন তিনি রুকূ’ করার ইচ্ছা করতেন, তখন দাঁড়িয়ে যেতেন এবং প্রায় ত্রিশ কিংবা চল্লিশ আয়াত তিলাওয়াত করে রুকূ’ করতেন।
Aisha — Sahih Al-Bukhari #1118 (Sahih)
7. Sahih Al-Bukhari #7095
সা’ঈদ ইব্নু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন একবার ‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘উমার (রাঃ) আমাদের নিকট আসলেন। আমরা আশা করেছিলাম যে, তিনি আমাদের একটি উওম হাদীস বর্ণনা করবেন। এক ব্যক্তি তাঁর দিকে আমাদের চেয়ে এগিয়ে বলল, হে আবূ ‘আবদুর রহমান! ফিত্নার সময় যুদ্ধ করা সম্পর্কে আমাদের কিছু বলুন। কেননা, আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেছেনঃ "তাদের সঙ্গে যুদ্ধ কর, যতক্ষণ না ফিত্নার অবসান ঘটে" - (সূরাহ আল-বাক্কারাহ ২/১৯৩)। তখন তিনি বললেন, তোমার মা তোমার জন্য বিলাপ করুক। ফিত্না কাকে বলে জান কি? মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘
Sa'id bin Jubair — Sahih Al-Bukhari #7095 (Sahih)
শিক্ষণীয় বিষয়
আরও জানতে চান? হাদিস সংকলন | হাদিস খুঁজুন