Forgiveness সম্পর্কে হাদিস

৪৯০ টি প্রামাণিক হাদিস পাওয়া গেছে

সুনানে আন-নাসায়ী : ১৮১
আবু উমাইয়া আল-মাখজুমি (রাঃ)
Daif
أَخْبَرَنَا ​سُوَيْدُ ​بْنُ ‌نَصْرٍ، ​قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ أَبِي الْمُنْذِرِ، مَوْلَى أَبِي ذَرٍّ عَنْ أَبِي أُمَيَّةَ الْمَخْزُومِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أُتِيَ بِلِصٍّ اعْتَرَفَ اعْتِرَافًا وَلَمْ يُوجَدْ مَعَهُ مَتَاعٌ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَا إِخَالُكَ سَرَقْتَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ بَلَى ‏.‏ قَالَ ‏"‏ اذْهَبُوا بِهِ فَاقْطَعُوهُ ثُمَّ جِيئُوا بِهِ ‏"‏ ‏.‏ فَقَطَعُوهُ ثُمَّ جَاءُوا بِهِ فَقَالَ لَهُ ‏"‏ قُلْ أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ اللَّهُمَّ تُبْ عَلَيْهِ ‏"‏ ‏.‏
সুওয়ায়দ ​ইবন ​নাসর ‌(রহঃ) ​... আবূ উমায়য়া মাখযূমী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এমন এক চোরকে উপস্থিত করা হয় যে তার অপরাধ স্বীকার করে, কিন্তু তার নিকট কোন মাল পাওয়া যায়নি। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি তো মনে করি না যে, তুমি চুরি করেছে। সে বললোঃ নিশ্চয়ই (করেছি)। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এই ব্যক্তিকে নিয়ে যাও এবং তার হাত কেটে দাও, পরে আমার নিকট নিয়ে এসো। লোকেরা তাকে নিয়ে গিয়ে হাত কেটে দিল এবং আবার নিয়ে আসলো। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি বল, আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাচ্ছি এবং তওবা করছি। সে ব্যক্তি বললোঃ আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাচ্ছি এবং তওবা করছি। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আল্লাহ্! তাকে ক্ষমা করুন।
আবু উমাইয়া আল-মাখজুমি (রাঃ) সুনানে আন-নাসায়ী #৪৮৭৭ Daif
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৮২
It Was
Sahih Isnaad
أَخْبَرَنَا ‌عِمْرَانُ ‌بْنُ ​بَكَّارٍ، ‌قَالَ حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ شُعَيْبٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبِي، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتِ اسْتَعَارَتِ امْرَأَةٌ عَلَى أَلْسِنَةِ أُنَاسٍ يُعْرَفُونَ - وَهِيَ لاَ تُعْرَفُ - حُلِيًّا فَبَاعَتْهُ وَأَخَذَتْ ثَمَنَهُ فَأُتِيَ بِهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَسَعَى أَهْلُهَا إِلَى أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ فَكَلَّمَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِيهَا فَتَلَوَّنَ وَجْهُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يُكَلِّمُهُ ثُمَّ قَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أَتَشْفَعُ إِلَىَّ فِي حَدٍّ مِنْ حُدُودِ اللَّهِ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ أُسَامَةُ اسْتَغْفِرْ لِي يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ ثُمَّ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَشِيَّتَئِذٍ فَأَثْنَى عَلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ بِمَا هُوَ أَهْلُهُ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ أَمَّا بَعْدُ فَإِنَّمَا هَلَكَ النَّاسُ قَبْلَكُمْ أَنَّهُمْ كَانُوا إِذَا سَرَقَ الشَّرِيفُ فِيهِمْ تَرَكُوهُ وَإِذَا سَرَقَ الضَّعِيفُ فِيهِمْ أَقَامُوا عَلَيْهِ الْحَدَّ وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لَوْ أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ مُحَمَّدٍ سَرَقَتْ لَقَطَعْتُ يَدَهَا ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ قَطَعَ تِلْكَ الْمَرْأَةَ ‏.‏
ইমরান ‌ইবন ‌বাক্কার ​(রহঃ) ‌... শু'আয়ব যুহরী হতে, তিনি উরওয়া হতে এবং তিনি আয়েশা (রাঃ) থেকে। তিনি বলেন, এক নারী এমন লোকের মারফত অলংকার ধার করতো, যাদেরকে তারা চিনতো, কিন্তু ঐ নারীকে তারা চিনতো না। এরপর সে তা বিক্রি করে মূল্য রেখে দিত। পরে ঐ নারীকে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আনা হলো। তার আত্মীয়গণ উসামা ইবন যায়দকে সুপারিশ করতে বললেন। উসামা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আরয করলে তাঁর চেহারার রং পরিবর্তিত হয়ে গেল, অথচ উসামা (রাঃ) আরয করতেই থাকলেন। এরপর তিনি বললেনঃ তুমি কি আল্লাহ্ তা'আলার নির্ধারিত শাস্তির বিরুদ্ধে সুপারিশ করছো? উসামা বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন। সেই সন্ধ্যায়ই রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর হামদ আদায় করলেন, যেরূপ তাঁর হক আছে। এরপর তিনি বললেনঃ তোমাদের পূর্বেকার লোক এজন্যই ধ্বংস হয়েছে যে, যখন তাদের মধ্যে কোন ধনী লোক চুরি করতো, তখন তারা তাকে ছেড়ে দিত; আর যখন গরীব লোক চুরি করতো, তখন তারা তাকে শাস্তি দিত। ঐ সত্তার কসম! যার হাতে আমার জীবন। যদি ফাতিমা বিনতে মুহাম্মদও চুরি করতো তবে আমি তার হাত কাটার আদেশ দিতাম। পরে ঐ মহিলার হাত কাটা হয়।
It Was সুনানে আন-নাসায়ী #৪৮৯৮ Sahih Isnaad
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৮৩
It Was
Sahih
أَخْبَرَنَا ‌سُوَيْدٌ، ​قَالَ ​أَنْبَأَنَا ​عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، أَنَّ امْرَأَةً، سَرَقَتْ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي غَزْوَةِ الْفَتْحِ - مُرْسَلٌ - فَفَزِعَ قَوْمُهَا إِلَى أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ يَسْتَشْفِعُونَهُ - قَالَ عُرْوَةُ - فَلَمَّا كَلَّمَهُ أُسَامَةُ فِيهَا تَلَوَّنَ وَجْهُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏"‏ أَتُكَلِّمُنِي فِي حَدٍّ مِنْ حُدُودِ اللَّهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أُسَامَةُ اسْتَغْفِرْ لِي يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ فَلَمَّا كَانَ الْعَشِيُّ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَطِيبًا فَأَثْنَى عَلَى اللَّهِ بِمَا هُوَ أَهْلُهُ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ أَمَّا بَعْدُ فَإِنَّمَا هَلَكَ النَّاسُ قَبْلَكُمْ أَنَّهُمْ كَانُوا إِذَا سَرَقَ فِيهِمُ الشَّرِيفُ تَرَكُوهُ وَإِذَا سَرَقَ فِيهِمُ الضَّعِيفُ أَقَامُوا عَلَيْهِ الْحَدَّ وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لَوْ أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ مُحَمَّدٍ سَرَقَتْ لَقَطَعْتُ يَدَهَا ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِيَدِ تِلْكَ الْمَرْأَةِ فَقُطِعَتْ فَحَسُنَتْ تَوْبَتُهَا بَعْدَ ذَلِكَ ‏.‏ قَالَتْ عَائِشَةُ رضى الله عنها وَكَانَتْ تَأْتِينِي بَعْدَ ذَلِكَ فَأَرْفَعُ حَاجَتَهَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏
সুওয়ায়দ ‌(রহঃ) ​... ​ইউনুস ​(রহঃ) যুহরী থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, উরওয়া ইবন যুবায়র (রহঃ) আমাকে জানিয়েছেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে মক্কা বিজয়ের সময় এক নারী চুরি করলো। তার গোত্রের লোকেরা ভীত হয়ে উসামা ইবন যায়দ-এর নিকট সুপারিশপ্রার্থী হলো। উরওয়া বলেন, উসামা (রাঃ) এ ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে কথা বললে, তাঁর চেহারা বিবর্ণ হলো। তিনি বললেনঃ তুমি কি আল্লাহর বিধানের ব্যাপারে আমার নিকট সুপারিশ করতে চাও? উসামা বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন। সন্ধ্যা হলে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভাষণ দিতে দাঁড়ালেন। তিনি আল্লাহর যথাযথ প্রশংসা জ্ঞাপনের পর বললেনঃ তোমাদের পূর্ববর্তী লোক এজন্যই ধ্বংস হয়েছে যে, যখন তাদের কোন অভিজাত লোক চুরি করতো তখন তারা তাকে ছেড়ে দিত। আর যখন কোন দুর্বল লোক চুরি করতো, তখন তারা তাকে শাস্তি দিত। আল্লাহর কসম! যদি ফাতিমা বিনতে মুহাম্মদও চুরি করতো, আমি তার হাত কেটে দিতাম। এরপর তাঁর আদেশে ঐ নারীর হাত কাটা হলো। পরে ঐ নারী উত্তমরূপে তাওবা করলো। আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ ঐ নারী পরে আমার নিকট আসতো এবং আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট তার প্রয়োজন তুলে ধরতাম।
It Was সুনানে আন-নাসায়ী #৪৯০৩ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৮৪
শাদ্দাদ বিন আওস (রাঃ)
Sahih
أَخْبَرَنَا ‌عَمْرُو ‌بْنُ ​عَلِيٍّ، ‌قَالَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ، - وَهُوَ ابْنُ زُرَيْعٍ - قَالَ حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ الْمُعَلِّمُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ بُشَيْرِ بْنِ كَعْبٍ، عَنْ شَدَّادِ بْنِ أَوْسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِنَّ سَيِّدَ الاِسْتِغْفَارِ أَنْ يَقُولَ الْعَبْدُ اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ أَبُوءُ لَكَ بِذَنْبِي وَأَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَىَّ فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لاَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ أَنْتَ فَإِنْ قَالَهَا حِينَ يُصْبِحُ مُوقِنًا بِهَا فَمَاتَ دَخَلَ الْجَنَّةَ وَإِنْ قَالَهَا حِينَ يُمْسِي مُوقِنًا بِهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ ‏"‏ ‏.‏ خَالَفَهُ الْوَلِيدُ بْنُ ثَعْلَبَةَ ‏.‏
আমর ‌ইবন ‌আলী ​(রহঃ) ‌... শাদ্দাদ ইবন আউস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার (শ্রেষ্ঠ ক্ষমা প্রার্থনা) এই যে, বান্দা বলবেঃ হে আল্লাহ! আপনি আমার রব! আপনি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, আমি আপনার বান্দা, আমি আপনার সাথে কৃত ওয়াদা ও অঙ্গীকারের উপর প্রতিষ্ঠিত রয়েছি। যতটুকু আমার দ্বারা সম্ভব। আমি যা করেছি তার অনিষ্ট হতে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি, আপনার কাছে আমি আমার গুনাহের কথা স্বীকার করছি। আর আপনার নিয়ামতের কথা স্বীকার করছি। আমাকে ক্ষমা করুন। আপনি ব্যতীত আর কেউ গুনাহ মাফ করতে পারে না। যদি কেউ এই দু'আ ভােরবেলা দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে পড়ে। তারপর মৃত্যুবরণ করে, তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যদি কেউ দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে সন্ধ্যায় পড়ে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
শাদ্দাদ বিন আওস (রাঃ) সুনানে আন-নাসায়ী #৫৫২২ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৮৫
It Was
Sahih
أَخْبَرَنَا ​إِبْرَاهِيمُ ​بْنُ ​يَعْقُوبَ، ‌قَالَ حَدَّثَنِي الْعَلاَءُ بْنُ هِلاَلٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ زَيْدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ مَسْرُوقِ بْنِ الأَجْدَعِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ طَلَبْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ذَاتَ لَيْلَةٍ فِي فِرَاشِي فَلَمْ أُصِبْهُ فَضَرَبْتُ بِيَدِي عَلَى رَأْسِ الْفِرَاشِ فَوَقَعَتْ يَدِي عَلَى أَخْمَصِ قَدَمَيْهِ فَإِذَا هُوَ سَاجِدٌ يَقُولُ ‏ "‏ أَعُوذُ بِعَفْوِكَ مِنْ عِقَابِكَ وَأَعُوذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْكَ ‏"‏ ‏.‏
ইবরাহীম ​ইবন ​ইয়াকূব ​(রহঃ) ‌... আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একরাতে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমার বিছানায় তালাশ করলাম। না পেয়ে আমি বিছানার মাথার দিকে হাত দিলাম। আমার হাত তাঁর পায়ের তলদেশে লাগলো। এ সময় তিনি সিজদায় থেকে বলছিলেনঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার আযাব হতে আপনার ক্ষমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আর আপনার অসন্তুষ্টি হতে আপনার সন্তুষ্টির আশ্রয় চাচ্ছি। আর আমি আপনার থেকে আপনার আশ্রয় কামনা করছি।
It Was সুনানে আন-নাসায়ী #৫৫৩৪ Sahih
জামি আত-তিরমিযী : ১৮৬
আয়েশা (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌مُحَمَّدُ ​بْنُ ‌إِسْمَاعِيلَ، ​حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ إِسْرَائِيلَ بْنِ يُونُسَ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها قَالَتْ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا خَرَجَ مِنَ الْخَلاَءِ قَالَ ‏ "‏ غُفْرَانَكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ إِسْرَائِيلَ عَنْ يُوسُفَ بْنِ أَبِي بُرْدَةَ ‏.‏ وَأَبُو بُرْدَةَ بْنُ أَبِي مُوسَى اسْمُهُ عَامِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قَيْسٍ الأَشْعَرِيُّ ‏.‏ وَلاَ نَعْرِفُ فِي هَذَا الْبَابِ إِلاَّ حَدِيثَ عَائِشَةَ رضى الله عنها عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏
মুহাম্মাদ ‌বিন ​ইসমাইল ‌আমাদেরকে ​বলেছেন, মালিক বিন ইসমাইল আমাদেরকে বলেছেন, ইসরাঈল বিন ইউনুসের সূত্রে, ইউসুফ বিন আবি বুরদাহ থেকে, তার পিতার সূত্রে, আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে, আল্লাহ তার উপর সন্তুষ্ট হতেন, তিনি বলেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন টয়লেট থেকে বের হতেন, তখন তিনি বলতেন, “তোমরা ক্ষমা কর।” আবু ঈসা বলেন, এটি একটি উত্তম হাদীস। তিনি একজন অপরিচিত এবং আমরা তাকে ইউসুফ ইবনে আবী বুরদাহ (র) থেকে ইসরাঈলের হাদীস ছাড়া চিনি না। আর আবু বুরদাহ ইবনে আবি মুসার নাম আমের ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে কায়েস আল-আশআরী। আমরা আয়েশার হাদিস ব্যতীত এই বিষয় সম্পর্কে জানি না, আল্লাহ তার উপর সন্তুষ্ট হতে পারেন, নবীর কর্তৃত্বে, আল্লাহ তাকে বরকত দান করুন এবং তাকে শান্তি দান করুন।
আয়েশা (রাঃ) জামি আত-তিরমিযী #৭ Sahih
জামি আত-তিরমিযী : ১৮৭
আবু আইয়ুব আল-আনসারী (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌سَعِيدُ ​بْنُ ​عَبْدِ ‌الرَّحْمَنِ الْمَخْزُومِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ اللَّيْثِيِّ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الأَنْصَارِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِذَا أَتَيْتُمُ الْغَائِطَ فَلاَ تَسْتَقْبِلُوا الْقِبْلَةَ بِغَائِطٍ وَلاَ بَوْلٍ وَلاَ تَسْتَدْبِرُوهَا وَلَكِنْ شَرِّقُوا أَوْ غَرِّبُوا ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ أَبُو أَيُّوبَ فَقَدِمْنَا الشَّأْمَ فَوَجَدْنَا مَرَاحِيضَ قَدْ بُنِيَتْ مُسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةِ فَنَنْحَرِفُ عَنْهَا وَنَسْتَغْفِرُ اللَّهَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ جَزْءٍ الزُّبَيْدِيِّ وَمَعْقِلِ بْنِ أَبِي الْهَيْثَمِ وَيُقَالُ مَعْقِلُ بْنُ أَبِي مَعْقِلٍ وَأَبِي أُمَامَةَ وَأَبِي هُرَيْرَةَ وَسَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي أَيُّوبَ أَحْسَنُ شَيْءٍ فِي هَذَا الْبَابِ وَأَصَحُّ ‏.‏ وَأَبُو أَيُّوبَ اسْمُهُ خَالِدُ بْنُ زَيْدٍ ‏.‏ وَالزُّهْرِيُّ اسْمُهُ مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ شِهَابٍ الزُّهْرِيُّ وَكُنْيَتُهُ أَبُو بَكْرٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو الْوَلِيدِ الْمَكِّيُّ قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ الشَّافِعِيُّ إِنَّمَا مَعْنَى قَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لاَ تَسْتَقْبِلُوا الْقِبْلَةَ بِغَائِطٍ وَلاَ بِبَوْلٍ وَلاَ تَسْتَدْبِرُوهَا ‏"‏ ‏.‏ إِنَّمَا هَذَا فِي الْفَيَافِي وَأَمَّا فِي الْكُنُفِ الْمَبْنِيَّةِ لَهُ رُخْصَةٌ فِي أَنْ يَسْتَقْبِلَهَا ‏.‏ وَهَكَذَا قَالَ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ ‏.‏ وَقَالَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ رَحِمَهُ اللَّهُ إِنَّمَا الرُّخْصَةُ مِنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي اسْتِدْبَارِ الْقِبْلَةِ بِغَائِطٍ أَوْ بَوْلٍ وَأَمَّا اسْتِقْبَالُ الْقِبْلَةِ فَلاَ يَسْتَقْبِلُهَا ‏.‏ كَأَنَّهُ لَمْ يَرَ فِي الصَّحْرَاءِ وَلاَ فِي الْكُنُفِ أَنْ يَسْتَقْبِلَ الْقِبْلَةَ ‏.‏
সাঈদ ‌বিন ​আব্দুল-রহমান ​আল-মাখজুমি ‌আমাদেরকে বলেছেন, সুফিয়ান বিন উয়ায়না আমাদেরকে বলেছেন, আল-যুহরীর সূত্রে, আতা বিন ইয়াযীদ আল-লায়থির সূত্রে, আবু আইয়ুব আল-আনসারীর সূত্রে বলেছেন: আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা ক্বিলাহের মুখোমুখি না হয়ে যাও। মলত্যাগ বা প্রস্রাব করা।" আর এর দিকে ফিরেও তাকাও না, বরং পূর্ব বা পশ্চিম দিকে এগিয়ে যাও।" আবু আইয়ুব বলেন, "অতএব আমরা শামের কাছে গিয়ে দেখি যে কিবলামুখী ল্যাট্রিন তৈরি করা হয়েছে।" তাই আসুন আমরা এর থেকে বিচ্যুত হই এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি। আবূ ঈসা বলেন, এবং আবদুল্লাহ বিন আল-হারিস বিন জুযা আল-জুবাইদী ও মাকিলের বরাতে ইবনে আবি আল-হাইথাম, এবং একে মাকিল ইবনে আবি মাকিল, আবু উমামা, আবু হুরায়রা এবং সাহল ইবনে হুনাইফ বলা হয়। আবু ঈসা বলেন, আবু আইয়ুবের হাদিসটি এ ব্যাপারে সর্বোত্তম ও সঠিক কথা হলো: আবু আইয়ুবের নাম খালিদ বিন যায়েদ। আল-জুহরীর নাম মুহাম্মদ বিন মুসলিম বিন উবাইদ আল্লাহ। ইবনে শিহাব আল-জুহরি, যার ডাক নাম আবু বকর। আবু আল ওয়ালিদ আল-মাক্কি ড. আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে ইদ্রিস আল-শাফিয়ী বলেন, "অর্থ হল, শুধুমাত্র নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "মলত্যাগ বা প্রস্রাব করার সময় কিবলামুখী হবেন না এবং তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবেন না।" এটি শুধুমাত্র আল-ফায়াফিতে রয়েছে। তার জন্য নির্মিত কভারের জন্য, সেগুলি গ্রহণ করার অনুমতি রয়েছে। ইসহাক ইবনে ইব্রাহীম এ কথা বলেছেন। আর আহমদ ইবনে হাম্বল রা. ঈশ্বর তার প্রতি রহম করুন। মলত্যাগ বা প্রস্রাব করার সময় কেবলার দিকে ফিরে যাওয়া নবীর অনুমতি। কেবলামুখী হওয়ার ক্ষেত্রে কেউ তা করে না সে এমনভাবে মুখোমুখি হয় যেন সে নিজেকে কখনো মরুভূমিতে বা মরুভূমিতে কেবলামুখী হতে দেখেনি।
আবু আইয়ুব আল-আনসারী (রাঃ) জামি আত-তিরমিযী #৮ Sahih
জামি আত-তিরমিযী : ১৮৮
ইবনু আব্বাস (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌الْحُسَيْنُ ​بْنُ ​حُرَيْثٍ، ​أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، عَنْ أَبِي حَمْزَةَ السُّكَّرِيِّ، عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ، عَنْ مِقْسَمٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِذَا كَانَ دَمًا أَحْمَرَ فَدِينَارٌ وَإِذَا كَانَ دَمًا أَصْفَرَ فَنِصْفُ دِينَارٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ الْكَفَّارَةِ فِي إِتْيَانِ الْحَائِضِ قَدْ رُوِيَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ مَوْقُوفًا وَمَرْفُوعًا ‏.‏ وَهُوَ قَوْلُ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ أَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏ وَقَالَ ابْنُ الْمُبَارَكِ يَسْتَغْفِرُ رَبَّهُ وَلاَ كَفَّارَةَ عَلَيْهِ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ نَحْوُ قَوْلِ ابْنِ الْمُبَارَكِ عَنْ بَعْضِ التَّابِعِينَ مِنْهُمْ سَعِيدُ بْنُ جُبَيْرٍ وَإِبْرَاهِيمُ النَّخَعِيُّ وَهُوَ قَوْلُ عَامَّةِ عُلَمَاءِ الأَمْصَارِ ‏.‏
আল-হুসাইন ‌বিন ​হারিস ​আমাদেরকে ​বলেছেন, আল-ফাদল বিন মূসা আমাদেরকে বলেছেন, আবু হামজা আল-সুক্কারি থেকে, আবদুল করিম থেকে, মুকাসসাম থেকে, ইবনে আব্বাস থেকে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সূত্রে, তিনি বলেছেন: “আর রক্ত যদি অর্ধেক হয়, তাহলে রক্ত যদি লাল হয় একটি দিনার।" একটি হাদীসে আবু ঈসা রা. ঋতুমতী মহিলার সাথে সহবাসের কাফফারা ইবনে আব্বাসের কর্তৃত্বে স্থগিত বা নামমাত্র মামলা সহ বর্ণিত হয়েছে। এটা কিছু জ্ঞানী মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি। এবং তিনি এটি সম্পর্কে বলেন. আহমদ ও ইসহাক। এবং ইবনুল মুবারক বলেন, "সে তার রবের কাছে ক্ষমা চায় এবং তার জন্য কোন কাফফারা নেই।" ইবনুল মুবারকের উক্তির অনুরূপ কিছু কিছু অনুসারীদের দ্বারা বর্ণিত হয়েছে। তাদের মধ্যে সাঈদ বিন জুবায়ের এবং ইব্রাহিম আল-নাখাই রয়েছেন এবং এটি মিশরীয় পণ্ডিতদের সাধারণ মতামত।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) জামি আত-তিরমিযী #১৩৭ Sahih
জামি আত-তিরমিযী : ১৮৯
আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)
Mawdu
حَدَّثَنَا ​أَحْمَدُ ‌بْنُ ​مَنِيعٍ، ‌حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ الْوَلِيدِ الْمَدَنِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الْوَقْتُ الأَوَّلُ مِنَ الصَّلاَةِ رِضْوَانُ اللَّهِ وَالْوَقْتُ الآخِرُ عَفْوُ اللَّهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ ‏.‏ وَقَدْ رَوَى ابْنُ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَلِيٍّ وَابْنِ عُمَرَ وَعَائِشَةَ وَابْنِ مَسْعُودٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أُمِّ فَرْوَةَ لاَ يُرْوَى إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ الْعُمَرِيِّ وَلَيْسَ هُوَ بِالْقَوِيِّ عِنْدَ أَهْلِ الْحَدِيثِ وَاضْطَرَبُوا عَنْهُ فِي هَذَا الْحَدِيثِ وَهُوَ صَدُوقٌ وَقَدْ تَكَلَّمَ فِيهِ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ مِنْ قِبَلِ حِفْظِهِ ‏.‏
আহমাদ ​ইবন ‌মানি’ ​আমাদেরকে ‌বলেছেন, ইয়াকুব ইবনুল ওয়ালিদ আল-মাদানী আমাদেরকে বলেছেন, আবদুল্লাহ ইবন উমর থেকে, নাফি’র সূত্রে, ইবনু উমর (রা.) থেকে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘নামাযের প্রথম ওয়াক্ত হলো আল্লাহর ক্ষমা এবং শেষ ওয়াক্ত হলো আল্লাহর অনুগ্রহ। এ হাদীসটি আবূ ঈসা রা. অদ্ভুত। ইবনে আব্বাস রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ কিছু বর্ণনা করেছেন, আল্লাহ তাঁর উপর বরকত বর্ষণ করুন এবং তাঁকে শান্তি দান করুন। তিনি বলেন, এবং আলী, ইবনে ওমর, আয়েশা, এবং ইবনে মাসউদ এর কর্তৃত্বের অধ্যায়ে। তিনি ড. আবু ঈসা উম্মে ফারওয়ার হাদিসটি শুধুমাত্র আবদুল্লাহ ইবনে ওমর আল-আমরির হাদিস থেকে বর্ণিত হয়েছে এবং হাদিসবিদদের মতে তিনি শক্তিশালী নন। তারা এই হাদিসটি নিয়ে বিভ্রান্ত হয়েছিল, যা সহীহ, এবং ইয়াহিয়া বিন সাঈদ এটি মুখস্ত করার আগে এটি সম্পর্কে কথা বলেছিলেন।
আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) জামি আত-তিরমিযী #১৭২ Mawdu
জামি আত-তিরমিযী : ১৯০
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ​قُتَيْبَةُ، ​حَدَّثَنَا ​عَبْدُ ‌الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ خَيْرُ صُفُوفِ الرِّجَالِ أَوَّلُهَا وَشَرُّهَا آخِرُهَا وَخَيْرُ صُفُوفِ النِّسَاءِ آخِرُهَا وَشَرُّهَا أَوَّلُهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ جَابِرٍ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَابْنِ عُمَرَ وَأَبِي سَعِيدٍ وَأُبَىٍّ وَعَائِشَةَ وَالْعِرْبَاضِ بْنِ سَارِيَةَ وَأَنَسٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَانَ يَسْتَغْفِرُ لِلصَّفِّ الأَوَّلِ ثَلاَثًا وَلِلثَّانِي مَرَّةً ‏.‏
কুতাইবা ​আমাদেরকে ​বলেছেন, ​আব্দুল ‌আযীয ইবনু মুহাম্মাদ আমাদেরকে বলেছেন, সুহাইল ইবনু আবি সালিহ থেকে, তার পিতার সূত্রে, আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “পুরুষদের জন্য সর্বোত্তম সারি হল প্রথমটি এবং সবচেয়ে নিকৃষ্ট সারিটি শেষ এবং মহিলাদের জন্য সবচেয়ে উত্তম সারি। সবচেয়ে খারাপ হল প্রথমগুলো।" তিনি বলেন, "এবং মধ্যে জাবির, ইবনে আব্বাস, ইবনে উমর, আবু সাঈদ, উবাই, আয়েশা, আল-ইরবাদ ইবনে সারিয়া এবং আনাসের কর্তৃত্বের অধ্যায়। আবু ঈসা বলেন, আবু হুরায়রার একটি ভালো ও সহীহ হাদীস রয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি প্রথম শ্রেণীর জন্য তিনবার এবং দ্বিতীয়বার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতেন। .
আবু হুরায়রা (রাঃ) জামি আত-তিরমিযী #২২৪ Sahih
জামি আত-তিরমিযী : ১৯১
থাওবান (RA)
Sahih
حَدَّثَنَا ​أَحْمَدُ ‌بْنُ ​مُحَمَّدِ ‌بْنِ مُوسَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَخْبَرَنَا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي شَدَّادٌ أَبُو عَمَّارٍ، حَدَّثَنِي أَبُو أَسْمَاءَ الرَّحَبِيُّ، قَالَ حَدَّثَنِي ثَوْبَانُ، مَوْلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَرَادَ أَنْ يَنْصَرِفَ مِنْ صَلاَتِهِ اسْتَغْفَرَ اللَّهَ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ ثُمَّ قَالَ ‏ "‏ اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ وَمِنْكَ السَّلاَمُ تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَأَبُو عَمَّارٍ اسْمُهُ شَدَّادُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ‏.‏
আমাদেরকে ​আহমাদ ‌বিন ​মুহাম্মাদ ‌বিন মূসা বলেছেন, আমাদেরকে আবদুল্লাহ বিন আল-মুবারক বলেছেন, আমাদেরকে আল-আওযায়ী বলেছেন, আমাকে শাদ্দাদ আবূ আম্মার বলেছেন, আবূ আসমা আল-রাহবী বলেছেন, তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মক্কেল সাওবান আমাকে বলেছেন। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখনই ইচ্ছা করতেন তিনি তার প্রার্থনা শেষ করলেন, ঈশ্বরের কাছে তিনবার ক্ষমা প্রার্থনা করলেন, তারপর বললেন, "হে ঈশ্বর, আপনিই শান্তি এবং আপনার কাছ থেকে শান্তি। হে মহিমা ও সম্মানের অধিকারী, আপনি ধন্য।" আবূ ঈসা (রাঃ) বলেন, এটি একটি উত্তম ও সহীহ হাদীস এবং আবু আম্মারের নাম শাদ্দাদ বিন আব্দুল্লাহ।
থাওবান (RA) জামি আত-তিরমিযী #৩০০ Sahih
জামি আত-তিরমিযী : ১৯২
আয়েশা (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌هَارُونُ ‌بْنُ ‌إِسْحَاقَ ​الْهَمْدَانِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْكِلاَبِيُّ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِذَا نَعَسَ أَحَدُكُمْ وَهُوَ يُصَلِّي فَلْيَرْقُدْ حَتَّى يَذْهَبَ عَنْهُ النَّوْمُ فَإِنَّ أَحَدَكُمْ إِذَا صَلَّى وَهُوَ يَنْعَسُ لَعَلَّهُ يَذْهَبُ يَسْتَغْفِرُ فَيَسُبَّ نَفْسَهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَنَسٍ وَأَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَائِشَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏
হারুন ‌বিন ‌ইসহাক ‌আল-হামদানী ​আমাদেরকে বলেছেন, আবদাহ বিন সুলায়মান আল-কালাবী আমাদেরকে বলেছেন, হিশাম বিন উরওয়া থেকে, তার পিতার সূত্রে, আয়েশা (রাঃ) থেকে বলেছেন: আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের কেউ নামায পড়ার সময় ঘুমিয়ে পড়লে সে যেন তার থেকে দূরে শুয়ে থাকে, যতক্ষণ না সে ঘুমিয়ে পড়ে। এবং সে ঘুমিয়ে ছিল, সম্ভবত সে গিয়ে ক্ষমা চাইবে এবং নিজেকে অভিশাপ দেবে।" তিনি বলেন, আনাস ও আবূ হুরায়রা রা. আবু ঈসা বলেন, একটি হাদিস আয়েশা, একটি ভাল এবং সহীহ হাদীস।
আয়েশা (রাঃ) জামি আত-তিরমিযী #৩৫৫ Sahih
জামি আত-তিরমিযী : ১৯৩
আসমা বিন আল-হাকাম আল-ফাজারি
Hasan
حَدَّثَنَا ‌قُتَيْبَةُ، ​حَدَّثَنَا ‌أَبُو ‌عَوَانَةَ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الْمُغِيرَةِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ رَبِيعَةَ، عَنْ أَسْمَاءَ بْنِ الْحَكَمِ الْفَزَارِيِّ، قَالَ سَمِعْتُ عَلِيًّا، يَقُولُ إِنِّي كُنْتُ رَجُلاً إِذَا سَمِعْتُ مِنْ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَدِيثًا نَفَعَنِي اللَّهُ مِنْهُ بِمَا شَاءَ أَنْ يَنْفَعَنِي بِهِ وَإِذَا حَدَّثَنِي رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِهِ اسْتَحْلَفْتُهُ فَإِذَا حَلَفَ لِي صَدَّقْتُهُ وَإِنَّهُ حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرٍ وَصَدَقَ أَبُو بَكْرٍ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏"‏ مَا مِنْ رَجُلٍ يُذْنِبُ ذَنْبًا ثُمَّ يَقُومُ فَيَتَطَهَّرُ ثُمَّ يُصَلِّي ثُمَّ يَسْتَغْفِرُ اللَّهَ إِلاَّ غَفَرَ اللَّهُ لَهُ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ قَرَأَ هَذِهِ الآيَةَ ‏:‏ ‏(‏وَالَّذِينَ إِذَا فَعَلُوا فَاحِشَةً أَوْ ظَلَمُوا أَنْفُسَهُمْ ذَكَرُوا اللَّهَ فَاسْتَغْفَرُوا لِذُنُوبِهِمْ وَمَنْ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ اللَّهُ وَلَمْ يُصِرُّوا عَلَى مَا فَعَلُوا وَهُمْ يَعْلَمُونَ ‏)‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ وَأَبِي الدَّرْدَاءِ وَأَنَسٍ وَأَبِي أُمَامَةَ وَمُعَاذٍ وَوَاثِلَةَ وَأَبِي الْيَسَرِ وَاسْمُهُ كَعْبُ بْنُ عَمْرٍو ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَلِيٍّ حَدِيثٌ حَسَنٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ مِنْ حَدِيثِ عُثْمَانَ بْنِ الْمُغِيرَةِ ‏.‏ وَرَوَى عَنْهُ شُعْبَةُ وَغَيْرُ وَاحِدٍ فَرَفَعُوهُ مِثْلَ حَدِيثِ أَبِي عَوَانَةَ ‏.‏ وَرَوَاهُ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ وَمِسْعَرٌ فَأَوْقَفَاهُ وَلَمْ يَرْفَعَاهُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَقَدْ رُوِيَ عَنْ مِسْعَرٍ هَذَا الْحَدِيثُ مَرْفُوعًا أَيْضًا ‏.‏ وَلاَ نَعْرِفُ لأَسْمَاءَ بْنِ الْحَكَمِ حَدِيثًا مَرْفُوعًا إِلاَّ هَذَا ‏.‏
কুতাইবা ‌আমাদেরকে ​বলেছেন, ‌আবু ‌আওয়ানা আমাদেরকে বলেছেন, উসমান বিন আল-মুগীরাহ থেকে, আলী বিন রাবিয়াহ থেকে, আসমা বিন আল-হাকাম আল-ফাজারীর সূত্রে, তিনি বলেন, আমি আলীকে বলতে শুনেছি, আমি এমন একজন ব্যক্তি ছিলাম যে, যখন আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছ থেকে একটি হাদিস শুনতাম, তখন আল্লাহ তায়ালা আমাকে উপকৃত করতেন এবং তিনি যেন আমাকে উপকৃত করতেন। এর দ্বারা, তার সাহাবীদের মধ্য থেকে একজন ব্যক্তি যদি আমার কাছে বর্ণনা করে, আমি তাকে তার কাছে বাইয়াত করিয়েছিলাম, এবং যদি সে আমার কাছে শপথ করে, আমি তাকে বিশ্বাস করি এবং আবু বকর আমার কাছে বর্ণনা করেন এবং আবু বকর সত্য বলেছিলেন, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শুনেছি, তিনি বলেন, “এমন কোন লোক নেই যে গুনাহ করে, তারপর প্রার্থনা করে, অতঃপর আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে। ক্ষমা, কিন্তু তিনি ক্ষমা করবেন।" ঈশ্বর তাঁর. অতঃপর তিনি এই আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন: (এবং যারা, যখন তারা কোন অশ্লীল কাজ করে বা নিজেদের উপর অন্যায় করে, তখন আল্লাহকে স্মরণ করে এবং তাদের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে, এবং আল্লাহ ছাড়া আর কে পাপ ক্ষমা করতে পারে? এবং তারা জানত তখন তারা যা করেছে তাতে অবিচল থাকেনি।) তিনি বলেন, এবং ইবনে মাসউদ ও আবির কর্তৃত্বের অধ্যায়ে। আল-দারদা', আনাস, আবু উমামা, মুআয, ওয়াথিলাহ এবং আবু আল-ইয়ুসর, যার নাম কাব ইবনে আমর। আবু ঈসা বলেন, আলীর হাদীসটি একটি উত্তম হাদীস, না। আমরা তাকে শুধু এই দৃষ্টিকোণ থেকে চিনি, উসমান ইবনুল মুগীরার হাদীস থেকে। শুবাহ এবং একাধিক ব্যক্তি তার থেকে বর্ণনা করেছেন, তাই তারা এটিকে উবাইয়ের হাদীসের মতো একই হাদীসের সাথে যুক্ত করেছেন। আওয়ানাহ। এটি সুফিয়ান আল-সাওরী এবং মাসআর দ্বারা বর্ণিত হয়েছে, কিন্তু তারা এটি প্রত্যাখ্যান করেছে এবং এটি নবীর কাছে উল্লেখ করেনি, আল্লাহ তাঁর উপর বরকত দান করুন। এই হাদিসটি মাস’আরের কাছে ট্রান্সমিশনের চেইন সহ বর্ণনা করা হয়েছে। এছাড়াও, আমরা এটি ছাড়া আসমা ইবনুল হাকামের একটি মারফূ হাদিস জানি না।
আসমা বিন আল-হাকাম আল-ফাজারি জামি আত-তিরমিযী #৪০৬ Hasan
জামি আত-তিরমিযী : ১৯৪
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ​قُتَيْبَةُ، ​حَدَّثَنَا ‌يَعْقُوبُ ‌بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الإِسْكَنْدَرَانِيُّ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ يَنْزِلُ اللَّهُ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا كُلَّ لَيْلَةٍ حِينَ يَمْضِي ثُلُثُ اللَّيْلِ الأَوَّلُ فَيَقُولُ أَنَا الْمَلِكُ مَنْ ذَا الَّذِي يَدْعُونِي فَأَسْتَجِيبَ لَهُ مَنْ ذَا الَّذِي يَسْأَلُنِي فَأُعْطِيَهُ مَنْ ذَا الَّذِي يَسْتَغْفِرُنِي فَأَغْفِرَ لَهُ فَلاَ يَزَالُ كَذَلِكَ حَتَّى يُضِيءَ الْفَجْرُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ وَأَبِي سَعِيدٍ وَرِفَاعَةَ الْجُهَنِيِّ وَجُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ وَابْنِ مَسْعُودٍ وَأَبِي الدَّرْدَاءِ وَعُثْمَانَ بْنِ أَبِي الْعَاصِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ مِنْ أَوْجُهٍ كَثِيرَةٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وَرُوِيَ عَنْهُ أَنَّهُ قَالَ ‏"‏ يَنْزِلُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ حِينَ يَبْقَى ثُلُثُ اللَّيْلِ الآخِرُ ‏"‏ ‏.‏ وَهُوَ أَصَحُّ الرِّوَايَاتِ ‏.‏
আমাদের ​কাছে ​কুতাইবা ‌বর্ণনা ‌করেছেন, ইয়াকূব ইবন আবদ আল-রহমান আল-ইস্কান্দারানী আমাদের কাছে সুহাইল ইবনে আবি সালিহ থেকে, তার পিতার সূত্রে, আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহ তায়ালা অবতরণ করেন, যখন তিনি প্রথম রাতের তৃতীয় স্থানে অবতরণ করেন, তখন তিনি বলেন, তিনি সর্বপ্রথম রাতের শেষভাগে অবতীর্ণ হন। 'আমি রাজাঃ কে আছে যে আমাকে ডাকে, আমি তার সাড়া দিই? যে আমার কাছে চায়, আমি তাকে দিই? কে সেই ব্যক্তি যে আমার কাছে ক্ষমা চায়, আমি তাকে ক্ষমা করি? এবং তিনি থামেন না। একইভাবে ভোর না হওয়া পর্যন্ত।” তিনি বলেন, এবং আলী ইবনে আবি তালিব, আবু সাঈদ, রিফাআহ আল-জুহানী, জুবায়ের ইবনে মুতইম এবং ইবনে ইবনু রা. মাসউদ, আবু দারদা এবং উসমান বিন আবি আল-আস। আবূ ঈসা (রাঃ) বলেনঃ আবু হুরায়রার হাদীসটি একটি উত্তম ও সহীহ হাদীস। এই হাদিসটি নানাভাবে বর্ণিত হয়েছে, আবু হুরায়রা (রা.) থেকে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বরাত দিয়ে। তাঁর কর্তৃত্বে বর্ণিত হয়েছে যে তিনি বলেছিলেন, “সর্বশক্তিমান ঈশ্বর অবতরণ করেন যখন তিনি থাকেন। "রাতের শেষ তৃতীয়াংশ।" এটি বর্ণনার মধ্যে সবচেয়ে সঠিক।
আবু হুরায়রা (রাঃ) জামি আত-তিরমিযী #৪৪৬ Sahih
জামি আত-তিরমিযী : ১৯৫
আব্দুল্লাহ ইবনে আবি আওফা (রাঃ)
Very Daif
حَدَّثَنَا ​عَلِيُّ ​بْنُ ‌عِيسَى ​بْنِ يَزِيدَ الْبَغْدَادِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَكْرٍ السَّهْمِيُّ، ‏.‏ وَحَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُنِيرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَكْرٍ، عَنْ فَائِدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ كَانَتْ لَهُ إِلَى اللَّهِ حَاجَةٌ أَوْ إِلَى أَحَدٍ مِنْ بَنِي آدَمَ فَلْيَتَوَضَّأْ وَلْيُحْسِنِ الْوُضُوءَ ثُمَّ لْيُصَلِّ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ لْيُثْنِ عَلَى اللَّهِ وَلْيُصَلِّ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ لْيَقُلْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ الْحَلِيمُ الْكَرِيمُ سُبْحَانَ اللَّهِ رَبِّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ أَسْأَلُكَ مُوجِبَاتِ رَحْمَتِكَ وَعَزَائِمَ مَغْفِرَتِكَ وَالْغَنِيمَةَ مِنْ كُلِّ بِرٍّ وَالسَّلاَمَةَ مِنْ كُلِّ إِثْمٍ لاَ تَدَعْ لِي ذَنْبًا إِلاَّ غَفَرْتَهُ وَلاَ هَمًّا إِلاَّ فَرَّجْتَهُ وَلاَ حَاجَةً هِيَ لَكَ رِضًا إِلاَّ قَضَيْتَهَا يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ وَفِي إِسْنَادِهِ مَقَالٌ ‏.‏ فَائِدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ يُضَعَّفُ فِي الْحَدِيثِ وَفَائِدٌ هُوَ أَبُو الْوَرْقَاءِ ‏.‏
আমাদের ​কাছে ​আলী ‌ইবনে ​ঈসা ইবনে ইয়াযীদ আল-বাগদাদী বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আবদুল্লাহ ইবনে বকর আল-সাহমি বর্ণনা করেছেন এবং আবদুল্লাহ ইবনে মুনির আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে বকর থেকে, ফায়েদ ইবনে আবদুল রহমানের সূত্রে, আবদুল্লাহ ইবনে আবি আওফা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যদি তার ঈশ্বরের জন্য বা আদম সন্তানদের একজনের জন্য প্রয়োজন হয়, তাহলে সে যেন অযু করে ভালো করে, তারপর দুই রাকাত নামায পড়ে, তারপর আল্লাহর প্রশংসা করে এবং নামায পড়ে। নবীর উপর, আল্লাহ্‌র দোয়া ও শান্তি বর্ষিত হোক, তারপর বলা: আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি সহনশীল, পরম উদার। মহিমান্বিত আরশের অধিপতি আল্লাহ্‌র জন্য পবিত্র। আল্লাহর প্রশংসা হোক। বিশ্বজগতের পালনকর্তা, আমি আপনার রহমতের কারণ এবং আপনার ক্ষমার নিশ্চিতকরণ এবং সমস্ত ধার্মিকতার লুণ্ঠন এবং সমস্ত পাপ থেকে নিরাপত্তা চাই। আমার জন্য কোন পাপ রেহাই দিবেন না যদি আপনি তাকে ক্ষমা করেন, এবং কোন চিন্তা নেই যে আপনি তাকে উপশম করেন, এবং এমন কোন প্রয়োজন নেই যার জন্য আপনি সন্তুষ্ট হন যদি না আপনি তা পূরণ করেন, হে পরম করুণাময়ের পরম করুণাময়।" এ হাদীসটি আবূ ঈসা রা. হাসান গরীব, এবং এর চেইন অফ ট্রান্সমিশনে একটি নিবন্ধ রয়েছে। ফায়েদ ইবনে আবদ আল-রহমান হাদীসে দুর্বল এবং ফায়েদ হলেন আবু আল-ওয়ারকা।
আব্দুল্লাহ ইবনে আবি আওফা (রাঃ) জামি আত-তিরমিযী #৪৭৯ Very Daif
জামি আত-তিরমিযী : ১৯৬
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌عَلِيُّ ‌بْنُ ​حُجْرٍ، ​أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنِ الْعَلاَءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ صَلَّى عَلَىَّ صَلاَةً صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ بِهَا عَشْرًا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ وَعَامِرِ بْنِ رَبِيعَةَ وَعَمَّارٍ وَأَبِي طَلْحَةَ وَأَنَسٍ وَأُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَرُوِيَ عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ وَغَيْرِ وَاحِدٍ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ قَالُوا صَلاَةُ الرَّبِّ الرَّحْمَةُ وَصَلاَةُ الْمَلاَئِكَةِ الاِسْتِغْفَارُ ‏.‏
আলী ‌ইবনে ‌হাজার ​আমাদেরকে ​বলেছেন, ইসমাইল ইবনে জাফর আমাদেরকে বলেছেন, আল-আলা ইবনে আবদুল রহমানের সূত্রে, তার পিতার সূত্রে, আবু হুরায়রার সূত্রে, তিনি বলেন, তিনি বলেন, তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার ওপর দরূদ পাঠাবে, তার ওপর দশবার রহমত বর্ষিত হোক। তিনি বলেন, এবং আবদ আল-রহমান ইবনে আউফের কর্তৃত্বের অধ্যায়ে। এবং আমির ইবনে রাবিয়াহ, আম্মার, আবু তালহা, আনাস এবং উবাই ইবনে কাব রা. আবু ঈসা বলেন, আবু হুরায়রার হাদীসটি একটি উত্তম ও সহীহ হাদীস। এটি সুফিয়ান আল-সাওরী এবং একাধিক জ্ঞানী ব্যক্তিদের থেকে বর্ণিত হয়েছে। তারা বলল: প্রভুর প্রার্থনা রহমতের জন্য এবং ফেরেশতাদের প্রার্থনা ক্ষমা চাওয়ার জন্য।
আবু হুরায়রা (রাঃ) জামি আত-তিরমিযী #৪৮৫ Sahih
জামি আত-তিরমিযী : ১৯৭
বর্ণনাকারী নন (RA)
Very Daif
سَمِعْتُ ‌أَحْمَدَ ​بْنَ ‌الْحَسَنِ، ‌يَقُولُ كُنَّا عِنْدَ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ فَذَكَرُوا عَلَى مَنْ تَجِبُ الْجُمُعَةُ فَلَمْ يَذْكُرْ أَحْمَدُ فِيهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم شَيْئًا ‏.‏ قَالَ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ فَقُلْتُ لأَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ فِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فَقَالَ أَحْمَدُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قُلْتُ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ نُصَيْرٍ حَدَّثَنَا مُعَارِكُ بْنُ عَبَّادٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ الْجُمُعَةُ عَلَى مَنْ آوَاهُ اللَّيْلُ إِلَى أَهْلِهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَغَضِبَ عَلَىَّ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ وَقَالَ لِي اسْتَغْفِرْ رَبَّكَ اسْتَغْفِرْ رَبَّكَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى إِنَّمَا فَعَلَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ هَذَا لأَنَّهُ لَمْ يَعُدَّ هَذَا الْحَدِيثَ شَيْئًا وَضَعَّفَهُ لِحَالِ إِسْنَادِهِ ‏.‏
আমি ‌আহমাদ ​ইবনুল ‌হাসানকে ‌বলতে শুনেছি, আমরা আহমাদ ইবন হাম্বলের সাথে ছিলাম এবং তারা উল্লেখ করেছে কার জন্য জুমা ফরয। আহমদ নবীর কর্তৃত্বে এটি উল্লেখ করেননি, ঈশ্বরের প্রার্থনা ও শান্তি তাঁর উপর বর্ষিত হোক। ও কিছু বলল। আহমাদ ইবনুল হাসান বলেন, “আমি আহমাদ ইবন হাম্বলকে এ সম্পর্কে বলেছিলাম, আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সূত্রে, তিনি বললেনঃ আহমাদ, নবীর কর্তৃত্বে, আল্লাহ তাঁর উপর বরকত বর্ষণ করুন এবং তাঁকে শান্তি দান করুন। আমি বললাম হ্যাঁ। আহমাদ ইবনুল হাসান বলেন, হাজ্জাজ ইবনে নুসায়র আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মারিক ইবনে আব্বাদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে সাঈদ আল-মাকবারী থেকে, তার পিতার সূত্রে, আবু হুরায়রা (রা.) থেকে, রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সূত্রে, আল্লাহ তায়ালা সালাত (নামায/নামাজ) বলেছেন, যিনি তার ওপর এক রাত পর্যন্ত... "তার পরিবার।" তিনি বলেন, “আহমদ ইবনে হাম্বল আমার উপর রাগান্বিত হয়ে আমাকে বললেন, ‘তোমার প্রভুর কাছে ক্ষমা চাও, তোমার প্রভুর কাছে ক্ষমা চাও।’ আবু ঈসা বললেন, ‘আহমাদই এটা করেছেন।’” ইবনে হাম্বল এটা বলেছেন কারণ তিনি এই হাদীসটিকে কিছু মনে করেননি এবং এর প্রসারের কারণে তিনি একে দুর্বল মনে করতেন।
বর্ণনাকারী নন (RA) জামি আত-তিরমিযী #৫০২ Very Daif
জামি আত-তিরমিযী : ১৯৮
উম্ম হানি' (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ​قُتَيْبَةُ، ‌حَدَّثَنَا ‌أَبُو ​الأَحْوَصِ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنِ ابْنِ أُمِّ هَانِئٍ، عَنْ أُمِّ هَانِئٍ، قَالَتْ كُنْتُ قَاعِدَةً عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَأُتِيَ بِشَرَابٍ فَشَرِبَ مِنْهُ ثُمَّ نَاوَلَنِي فَشَرِبْتُ مِنْهُ فَقُلْتُ إِنِّي أَذْنَبْتُ فَاسْتَغْفِرْ لِي ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ وَمَا ذَاكِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ كُنْتُ صَائِمَةً فَأَفْطَرْتُ ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ أَمِنْ قَضَاءٍ كُنْتِ تَقْضِينَهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ لاَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَلاَ يَضُرُّكِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ وَعَائِشَةَ ‏.‏
আমাদের ​কাছে ‌কুতাইবা ‌বর্ণনা ​করেছেন, আবূ আল-আহওয়াস আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সামাক বিন হারব থেকে, ইবন উম্মে হানির সূত্রে, উম্মে হানির সূত্রে, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে বসা ছিলাম, একটি পানীয় আনা হল এবং তিনি তা থেকে পান করলেন, তারপর আমি তা আমার কাছে হস্তান্তর করে দিলাম। আমি বললাম, আমি পাপ করেছি, তাই আমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন। তিনি বললেন, "এবং এটা কি?" তিনি বললেন, আমি রোজা রাখছিলাম, তাই রোজা ভেঙে ফেললাম। তিনি বললেন, "এটা কি কোন পূর্ণতার অংশ যা তুমি পূরণ করছো?" সে বলল, "না।" তিনি বললেন, এতে তোমার কোনো ক্ষতি হবে না। তিনি বলেন, এবং আবু সাঈদ ও আয়েশা রা.
উম্ম হানি' (রাঃ) জামি আত-তিরমিযী #৭৩১ Sahih
জামি আত-তিরমিযী : ১৯৯
Abdullah Bin Mas'ud
Sahih
حَدَّثَنَا ​قُتَيْبَةُ، ​حَدَّثَنَا ​عَبْثَرُ ​بْنُ الْقَاسِمِ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ عَلَّمَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم التَّشَهُّدَ فِي الصَّلاَةِ وَالتَّشَهُّدَ فِي الْحَاجَةِ قَالَ ‏"‏ التَّشَهُّدُ فِي الصَّلاَةِ التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ ‏"‏ ‏.‏ وَالتَّشَهُّدُ فِي الْحَاجَةِ ‏"‏ إِنَّ الْحَمْدَ لِلَّهِ نَسْتَعِينُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ وَنَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ شُرُورِ أَنْفُسِنَا وَسَيِّئَاتِ أَعْمَالِنَا فَمَنْ يَهْدِهِ اللَّهُ فَلاَ مُضِلَّ لَهُ وَمَنْ يُضْلِلْ فَلاَ هَادِيَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ ‏"‏ ‏.‏ وَيَقْرَأُ ثَلاَثَ آيَاتٍ ‏.‏ قَالَ عَبْثَرٌ فَفَسَّرَهُ لَنَا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ ‏:‏ ‏(‏اتَّقوا الله حقَّ تقاتهِ ولا تموتنَّ إلاَّ وأنتمْ مسلمونَ‏)‏‏.‏ ‏(‏اتّقوا الله الَّذي تساءلونَ بهِ والأرحامَ إنَّ اللهَ كانَ عليكُم رقيباً‏)‏‏.‏ ‏(‏اتَّقوا الله وقولوا قولاً سديداً‏)‏‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَبْدِ اللَّهِ حَدِيثٌ حَسَنٌ رَوَاهُ الأَعْمَشُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وَرَوَاهُ شُعْبَةُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وَكِلاَ الْحَدِيثَيْنِ صَحِيحٌ لأَنَّ إِسْرَائِيلَ جَمَعَهُمَا فَقَالَ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ وَأَبِي عُبَيْدَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وَقَدْ قَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ إِنَّ النِّكَاحَ جَائِزٌ بِغَيْرِ خُطْبَةٍ ‏.‏ وَهُوَ قَوْلُ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ وَغَيْرِهِ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ ‏.‏
আমাদেরকে ​কুতাইবা ​বর্ণনা ​করেছেন, ​আবতার বিন আল-কাসিম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আল-আমাশ থেকে, আবু ইসহাক থেকে, আবু আল-আহওয়াসের সূত্রে, আবদুল্লাহর সূত্রে, তিনি বলেছেন: আল্লাহর রসূল আমাদেরকে আল্লাহ তায়ালা শিখিয়েছেন, আল্লাহ তায়ালা তাঁর উপর বরকত বর্ষণ করুন, তাশাহুর নামাজে তাশাহুর প্রয়োজনে পাঠ করতেন। তিনি বললেন, নামাযে তাশাহহুদ পাঠ করা। আল্লাহর প্রতি সালাম ও দোয়া করা। এবং ভাল বেশী. হে নবী, আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক এবং আল্লাহর রহমত ও বরকত। আমাদের উপর এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই। "এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মদ তাঁর বান্দা এবং তাঁর রাসূল।" আর প্রয়োজনে তাশাহহুদ। "নিশ্চয়ই, আল্লাহর প্রশংসা, আমরা তাঁর সাহায্য চাই।" আমরা তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং নিজেদের অনিষ্ট এবং আমাদের কাজের মন্দ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই। কারণ আল্লাহ যাকে পথ দেখান তাকে কেউ পথভ্রষ্ট করতে পারে না এবং যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তাকে কেউ পথ দেখাতে পারে না। "এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও তাঁর রাসূল।" এবং তিনি তিনটি আয়াত তেলাওয়াত করেন। "আবাথার বলেছেন, তাই তিনি আমাদের ব্যাখ্যা করেছেন।" সুফিয়ান আল-সাওরী: (আল্লাহকে যেমন ভয় করা উচিত তেমনি ভয় কর এবং মুসলমান না হলে মৃত্যুবরণ করো না)। (আল্লাহকে ভয় কর, যার দ্বারা তোমরা চাও এবং আত্মীয়-স্বজন। নিঃসন্দেহে আল্লাহ তোমাদের উপর নজরদার।) (আল্লাহকে ভয় কর এবং সঠিক কথা বল)। তিনি ড. আদী বিন হাতেমের কর্তৃত্বে। আবূ ঈসা বলেন, আবদুল্লাহর হাদীসটি একটি উত্তম হাদীস যা তিনি বর্ণনা করেছেন। আল-আমাশ, আবু ইসহাকের কর্তৃত্বে, আবু আল-আহওয়াসের কর্তৃত্বে, আবদুল্লাহর কর্তৃত্বে, নবীর কর্তৃত্বে, আল্লাহ তাঁর উপর বরকত বর্ষণ করুন। শুবাহ এটি আবু ইসহাক থেকে, আবু উবাইদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। আবদুল্লাহর কর্তৃত্বে, নবীর কর্তৃত্বে, আল্লাহ তাঁর উপর বরকত বর্ষণ করুন এবং তাঁকে শান্তি দান করুন। এবং উভয় হাদিসই সহীহ কারণ ইসরাঈল এগুলিকে একত্রিত করে বলেছে, আবু ইসহাকের সূত্রে, আবুর কর্তৃত্বে। আল-আহওয়াস এবং আবূ উবাইদাহ আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদের সূত্রে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বরকত দান করেন। কিছু জ্ঞানী ব্যক্তি বলেছেন যে A খুতবা ছাড়া বিবাহ জায়েজ। এটি সুফিয়ান আল-সাওরী এবং অন্যান্য আলেমদের অভিমত।
Abdullah Bin Mas'ud জামি আত-তিরমিযী #১১০৫ Sahih
জামি আত-তিরমিযী : ২০০
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌أَبُو ​كُرَيْبٍ، ‌حَدَّثَنَا ​إِسْحَاقُ بْنُ سُلَيْمَانَ الرَّازِيُّ، عَنْ مُغِيرَةَ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ سَمْحَ الْبَيْعِ سَمْحَ الشِّرَاءِ سَمْحَ الْقَضَاءِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ جَابِرٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ ‏.‏ وَقَدْ رَوَى بَعْضُهُمْ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ يُونُسَ عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏
আবূ ‌কুরায়ব ​আমাদের ‌কাছে ​বর্ণনা করেছেন, ইসহাক বিন সুলাইমান আল-রাযী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুগিরাহ বিন মুসলিম থেকে, ইউনুস থেকে, আল-হাসান থেকে, আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “নিশ্চয়ই, একটি ক্রয় করা যায়, যা আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা ও ভালোবাসার জন্যে সম্ভব। অনুমোদনযোগ্য বিচার।" তিনি বলেন, এবং জাবিরের কর্তৃত্বের অধ্যায়ে ড. আবূ ঈসা (রাঃ) বলেনঃ এটি একটি অদ্ভুত হাদীস। তাদের কেউ কেউ ইউনুসের সূত্রে, সাঈদ আল-মাকবারীর সূত্রে, আবু হুরায়রার সূত্রে এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
আবু হুরায়রা (রাঃ) জামি আত-তিরমিযী #১৩১৯ Sahih