Knowledge সম্পর্কে হাদিস

১২৫৪ টি প্রামাণিক হাদিস পাওয়া গেছে

সহীহ বুখারী : ৮১
শাদ্দাদ বিন আউস (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌أَبُو ‌مَعْمَرٍ، ​حَدَّثَنَا ‌عَبْدُ الْوَارِثِ، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ بُشَيْرِ بْنِ كَعْبٍ الْعَدَوِيِّ، قَالَ حَدَّثَنِي شَدَّادُ بْنُ أَوْسٍ ـ رضى الله عنه ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ سَيِّدُ الاِسْتِغْفَارِ أَنْ تَقُولَ اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي، لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ، خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَىَّ وَأَبُوءُ لَكَ بِذَنْبِي، فَاغْفِرْ لِي، فَإِنَّهُ لاَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ أَنْتَ ‏"‏‏.‏ قَالَ ‏"‏ وَمَنْ قَالَهَا مِنَ النَّهَارِ مُوقِنًا بِهَا، فَمَاتَ مِنْ يَوْمِهِ قَبْلَ أَنْ يُمْسِيَ، فَهُوَ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ، وَمَنْ قَالَهَا مِنَ اللَّيْلِ وَهْوَ مُوقِنٌ بِهَا، فَمَاتَ قَبْلَ أَنْ يُصْبِحَ، فَهْوَ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ ‏"‏‏.‏
শাদ্দাদ ‌ইবনু ‌আউস ​(রাঃ) ‌থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার হলো বান্দার এ দু’আ পড়া- “হে আল্লাহ! তুমি আমার প্রতিপালক। তুমিই আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমারই গোলাম। আমি যথাসাধ্য তোমার সঙ্গে কৃত প্রতিজ্ঞা ও অঙ্গীকারের উপর আছি। আমি আমার সব কৃতকর্মের কুফল থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। তুমি আমার প্রতি তোমার যে নি’য়ামত দিয়েছ তা স্বীকার করছি। আর আমার কৃত গুনাহের কথাও স্বীকার করছি। তুমি আমাকে ক্ষমা কর।” যে ব্যক্তি দিনে (সকালে) দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে এ ইসতিগফার পড়বে আর সন্ধ্যা হবার আগেই সে মারা যাবে, সে জান্নাতী হবে। আর যে ব্যক্তি রাতে (প্রথম ভাগে) দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে এ দু’আ পড়ে নেবে আর সে ভোর হবার আগেই মারা যাবে সে জান্নাতী হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৫৪)
শাদ্দাদ বিন আউস (রাঃ) সহীহ বুখারী #৬৩০৬ Sahih
সহীহ বুখারী : ৮২
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Sahih
وَقَالَ ​أَحْمَدُ ‌بْنُ ‌شَبِيبِ ​بْنِ سَعِيدٍ الْحَبَطِيُّ حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ يُونُسَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ كَانَ يُحَدِّثُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ يَرِدُ عَلَىَّ يَوْمَ الْقِيَامَةِ رَهْطٌ مِنْ أَصْحَابِي فَيُحَلَّئُونَ عَنِ الْحَوْضِ فَأَقُولُ يَا رَبِّ أَصْحَابِي‏.‏ فَيَقُولُ إِنَّكَ لاَ عِلْمَ لَكَ بِمَا أَحْدَثُوا بَعْدَكَ، إِنَّهُمُ ارْتَدُّوا عَلَى أَدْبَارِهِمُ الْقَهْقَرَى ‏"‏‏.‏
আবূ ​হুরাইরাহ ‌(রাঃ) ‌থেকে ​বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মাত হতে একদল লোক ক্বিয়ামাতের দিন আমার সামনে (হাউযে কাউসারে) হাজির হবে। এরপর তাদেরকে হাউয থেকে আলাদা করে দেয়া হবে। তখন আমি বলব, হে প্রভু! এরা আমার উম্মাত। তখন আল্লাহ্ বলবেন, তোমার পরে এরা দ্বীনের মধ্যে কী সব নতুন বিষয় সৃষ্টি করেছে এ ব্যাপারে নিশ্চয়ই তোমার জানা নেই। নিশ্চয় এরা দ্বীন থেকে পিছনের দিকে ফিরে গিয়েছিল। শু‘আইব (রহ.) যুহরী সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে فَيُحَلَّئُونَ বর্ণিত উকায়ল فَيُحَلَّئُونَ বলেছেন। যুবায়দী আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এরকমই বর্ণনা করেছেন। [৬৫৮৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ,নাই ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৩৪)
আবু হুরায়রা (রাঃ) সহীহ বুখারী #৬৫৮৫ Sahih
সহীহ বুখারী : ৮৩
ইবন আল মুসাইয়াব (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ​أَحْمَدُ ‌بْنُ ​صَالِحٍ، ‌حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ ابْنِ الْمُسَيَّبِ، أَنَّهُ كَانَ يُحَدِّثُ عَنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ، صلى الله عليه وسلم أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ يَرِدُ عَلَى الْحَوْضِ رِجَالٌ مِنْ أَصْحَابِي فَيُحَلَّئُونَ عَنْهُ فَأَقُولُ يَا رَبِّ أَصْحَابِي‏.‏ فَيَقُولُ إِنَّكَ لاَ عِلْمَ لَكَ بِمَا أَحْدَثُوا بَعْدَكَ، إِنَّهُمُ ارْتَدُّوا عَلَى أَدْبَارِهِمُ الْقَهْقَرَى ‏"‏‏.‏ وَقَالَ شُعَيْبٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ كَانَ أَبُو هُرَيْرَةَ يُحَدِّثُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَيُجْلَوْنَ‏.‏ وَقَالَ عُقَيْلٌ فَيُحَلَّئُونَ‏.‏ وَقَالَ الزُّبَيْدِيُّ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَافِعٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم‏.‏
সা‘ঈদ ​ইব্‌নুল ‌মুসাইয়্যাব ​(রহঃ) ‌থেকে বর্ণিতঃ সা‘ঈদ ইব্‌নুল মুসাইয়্যাব (রহঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহাবীদের থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের কিছু লোক আমার সামনে হাউযে কাউসারে হাজির হবে। তারপর তাদেরকে সেখান থেকে আলাদা করে নেয়া হবে। তখন আমি বলব, হে রব! এরা আমার উম্মাত। তিনি বলবেন, তোমার পরে এরা দ্বীনের মধ্যে কী বিষয় সৃষ্টি করেছে সে সম্পর্কে নিশ্চয়ই তোমার জানা নেই। নিঃসন্দেহে এরা দ্বীন থেকে পিছনের দিকে ফিরে গিয়েছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৩৫)
ইবন আল মুসাইয়াব (রাঃ) সহীহ বুখারী #৬৫৮৬ Sahih
সহীহ বুখারী : ৮৪
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
Sahih
أَخْبَرَنَا ​دَاوُدُ ‌بْنُ ‌شَبِيبٍ، ‌حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، أَخْبَرَنَا أَنَسٌ، قَالَ لأُحَدِّثَنَّكُمْ حَدِيثًا لاَ يُحَدِّثُكُمُوهُ أَحَدٌ بَعْدِي، سَمِعْتُهُ مِنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ لاَ تَقُومُ السَّاعَةُ ـ وَإِمَّا قَالَ مِنْ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ ـ أَنْ يُرْفَعَ الْعِلْمُ وَيَظْهَرَ الْجَهْلُ، وَيُشْرَبَ الْخَمْرُ، وَيَظْهَرَ الزِّنَا، وَيَقِلَّ الرِّجَالُ، وَيَكْثُرَ النِّسَاءُ، حَتَّى يَكُونَ لِلْخَمْسِينَ امْرَأَةً الْقَيِّمُ الْوَاحِدُ ‏"‏‏.‏
ক্বাতাদাহ ​(রহঃ) ‌থেকে ‌বর্ণিতঃ ‌তিনি বলেন, আমাদেরকে আনাস (রাঃ) বলেছেন যে, আমি তোমাদেরকে এমন এক হাদীস বর্ণনা করব যা আমার পরে তোমাদেরকে কেউ বর্ণনা করবে না। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – কে বলতে শুনেছি যে, ক্বিয়ামাত সংঘটিত হবে না অথবা তিনি বলেছেন, ক্বিয়ামাতের আগের নিদর্শনগুলোর মধ্যে হল এই যে, ইল্‌ম উঠিয়ে নেয়া হবে, মূর্খতার বিস্তার ঘটবে, মদ পান করা হবে, ব্যাপকভাবে যিনা হবে, পুরুষের সংখ্যা কমবে, নারীর সংখ্যা এমনভাবে বৃদ্ধি পাবে যে, পঞ্চাশ জন নারীর কর্তৃত্বে থাকবে একজন পুরুষ।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩৫২)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সহীহ বুখারী #৬৮০৮ Sahih
সহীহ বুখারী : ৮৫
আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ​عَبْدَانُ، ​أَخْبَرَنَا ​عَبْدُ ‌اللَّهِ، أَخْبَرَنَا يُونُسُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، أَخْبَرَنِي حَمْزَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏"‏ بَيْنَا أَنَا نَائِمٌ أُتِيتُ بِقَدَحِ لَبَنٍ، فَشَرِبْتُ مِنْهُ، حَتَّى إِنِّي لأَرَى الرِّيَّ يَخْرُجُ مِنْ أَظْفَارِي، ثُمَّ أَعْطَيْتُ فَضْلِي ‏"‏‏.‏ يَعْنِي عُمَرَ‏.‏ قَالُوا فَمَا أَوَّلْتَهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ ‏"‏ الْعِلْمَ ‏"‏‏.‏
ইবনু ​‘উমর ​(রাঃ) ​থেকে ‌বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, আমি একবার ঘুমিয়ে ছিলাম। আমার কাছে একটি দুধের পেয়ালা পেশ করা হল, আমি তা থেকে পরিতৃপ্ত হয়ে পান করলাম। তৃপ্তির চিহ্ন আমার নখ দিয়ে প্রকাশ পেতে লাগল। অতঃপর বাকী অংশ অবশিষ্টাংশ ‘উমারকে দিলাম। সাহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি এর কী ব্যাখ্যা দিলেন। তিনি বললেনঃ ইল্ম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৩৪)
আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সহীহ বুখারী #৭০০৬ Sahih
সহীহ বুখারী : ৮৬
আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ​عَلِيُّ ​بْنُ ​عَبْدِ ​اللَّهِ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، حَدَّثَنِي حَمْزَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ بَيْنَا أَنَا نَائِمٌ أُتِيتُ بِقَدَحِ لَبَنٍ، فَشَرِبْتُ مِنْهُ، حَتَّى إِنِّي لأَرَى الرِّيَّ يَخْرُجُ مِنْ أَطْرَافِي، فَأَعْطَيْتُ فَضْلِي عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ ‏"‏‏.‏ فَقَالَ مَنْ حَوْلَهُ فَمَا أَوَّلْتَ ذَلِكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ ‏"‏ الْعِلْمَ ‏"‏‏.‏
আবদুল্লাহ্ ​ইব্‌নু ​'উমার ​(রাঃ) ​থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একবার আমি ঘুমিয়েছিলাম। আমার কাছে দুধের একটি পেয়ালা হাজির করা হল। আমি পরিতৃপ্ত হয়ে তা থেকে পান করলাম। এমনকি তৃপ্তির চিহ্ন আমার চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছিল। অতঃপর বাকী অংশ ‘উমার ইবনু খাত্তাবকে দিলাম। তাঁর পাশের লোকজন জিজ্ঞেস করলেন, আপনি এর কী ব্যাখ্যা দিচ্ছেন হে আল্লাহ্‌র রসূল? তিনি বললেনঃ ইল্ম। [১৪৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৩৫)
আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সহীহ বুখারী #৭০০৭ Sahih
সহীহ বুখারী : ৮৭
কাইস বিন উবাদা (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌عَبْدُ ‌اللَّهِ ​بْنُ ‌مُحَمَّدٍ الْجُعْفِيُّ، حَدَّثَنَا حَرَمِيُّ بْنُ عُمَارَةَ، حَدَّثَنَا قُرَّةُ بْنُ خَالِدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، قَالَ قَالَ قَيْسُ بْنُ عُبَادٍ كُنْتُ فِي حَلْقَةٍ فِيهَا سَعْدُ بْنُ مَالِكٍ وَابْنُ عُمَرَ فَمَرَّ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلاَمٍ فَقَالُوا هَذَا رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ‏.‏ فَقُلْتُ لَهُ إِنَّهُمْ قَالُوا كَذَا وَكَذَا‏.‏ قَالَ سُبْحَانَ اللَّهِ مَا كَانَ يَنْبَغِي لَهُمْ أَنْ يَقُولُوا مَا لَيْسَ لَهُمْ بِهِ عِلْمٌ، إِنَّمَا رَأَيْتُ كَأَنَّمَا عَمُودٌ وُضِعَ فِي رَوْضَةٍ خَضْرَاءَ، فَنُصِبَ فِيهَا وَفِي رَأْسِهَا عُرْوَةٌ وَفِي أَسْفَلِهَا مِنْصَفٌ ـ وَالْمِنْصَفُ الْوَصِيفُ ـ فَقِيلَ ارْقَهْ‏.‏ فَرَقِيتُ حَتَّى أَخَذْتُ بِالْعُرْوَةِ‏.‏ فَقَصَصْتُهَا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يَمُوتُ عَبْدُ اللَّهِ وَهْوَ آخِذٌ بِالْعُرْوَةِ الْوُثْقَى ‏"‏‏.‏
কায়স ‌ইব্‌নু ‌‘উবায়দ ​(রহঃ) ‌থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি এক মজলিসে ছিলাম। যেখানে সা‘দ ইব্‌নু মালিক (রাঃ) এবং ইব্‌নু 'উমার (রাঃ)-ও ছিলেন। এ সময় ‘আবদুল্লাহ্‌ ইবনু সালাম (রাঃ) ঐ পথ দিয়ে যাচ্ছিলেন। লোকেরা বলল, ঐ লোকটি জান্নাতবাসীদের একজন। আমি তাঁকে বললাম,লোকেরা এমন এমন বলছে। তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ্‌! তাদের জন্য উচিত নয় মতামত ব্যক্ত করা, যে বিষয় সম্পর্কে তাদের কোন জ্ঞান নেই। আমি স্বপ্নে দেখেছিলাম, যেন একটা স্তম্ভ একটি সবুজ বাগানে রাখা হয়েছে এবং সেটা যেখানে রাখা হয়েছে তার উপর ভাগে একটি রশি ছিল। আর নিচের দিকে ছিল একজন খাদিম। ‘মিনসাফ’ অর্থ খাদিম। বলা হল, এ স্তম্ভ বেয়ে উপরে উঠ। আমি উপরের দিকে উঠে রশিটি ধরে ফেললাম। এরপর এ স্বপ্ন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বর্ণনা করেছিলাম। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেনঃ ‘আবদুল্লাহ্‌ মযবূত রশি ধরা অবস্থায় মারা যাবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৩৮)
কাইস বিন উবাদা (রাঃ) সহীহ বুখারী #৭০১০ Sahih
সহীহ বুখারী : ৮৮
আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌يَحْيَى ‌بْنُ ​بُكَيْرٍ، ​حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَخْبَرَنِي حَمْزَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏"‏ بَيْنَا أَنَا نَائِمٌ أُتِيتُ بِقَدَحِ لَبَنٍ فَشَرِبْتُ مِنْهُ، حَتَّى إِنِّي لأَرَى الرِّيَّ يَجْرِي، ثُمَّ أَعْطَيْتُ فَضْلَهُ عُمَرَ ‏"‏‏.‏ قَالُوا فَمَا أَوَّلْتَهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ ‏"‏ الْعِلْمُ ‏"‏‏.‏
আবদুল্লাহ্‌ ‌ইব্‌নু ‌‘উমার ​থেকে ​বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি যে, আমি একবার ঘুমিয়ে ছিলাম। আমি দেখলাম দুধের একটা পেয়ালা আমাকে দেয়া হল। তা থেকে আমি (এত অধিক) পান করলাম যে, আমা হতে তৃপ্তির চিহ্ন প্রকাশিত হচ্ছিল। অতঃপর (অবশিষ্টাংশ) উমরকে দিলাম। সহাবাগণ বললেন, এ স্বপ্নের ব্যাখ্যা কী দিলেন হে আল্লাহ্‌র রসূল? তিনি বললেনঃ ইল্‌ম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৫৪)
আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সহীহ বুখারী #৭০২৭ Sahih
সহীহ বুখারী : ৮৯
আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ​قُتَيْبَةُ ‌بْنُ ‌سَعِيدٍ، ‌حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ حَمْزَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏"‏ بَيْنَا أَنَا نَائِمٌ أُتِيتُ بِقَدَحِ لَبَنٍ فَشَرِبْتُ مِنْهُ، ثُمَّ أَعْطَيْتُ فَضْلِي عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ ‏"‏‏.‏ قَالُوا فَمَا أَوَّلْتَهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ ‏"‏ الْعِلْمَ ‏"‏‏.‏
আবদুল্লাহ্‌ ​ইব্‌নু ‌‘উমার ‌(রাঃ) ‌থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, আমি একবার ঘুমিয়ে ছিলাম। দেখলাম, আমার কাছে দুধের একটি পিয়ালা আনা হল। আমি তা থেকে পান করলাম। এরপর আমার বাকী অংশ ‘উমার ইব্‌নু খাত্তাবকে দিলাম। সহাবাগণ বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি এর ব্যাখ্যা কী দিলেন। তিনি বললেনঃ .....ইল্‌ম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৫৭)
আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সহীহ বুখারী #৭০৩২ Sahih
সহীহ বুখারী : ৯০
আব্দুল্লাহ (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌عُبَيْدُ ​اللَّهِ ​بْنُ ‌مُوسَى، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ شَقِيقٍ، قَالَ كُنْتُ مَعَ عَبْدِ اللَّهِ وَأَبِي مُوسَى فَقَالاَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّ بَيْنَ يَدَىِ السَّاعَةِ لأَيَّامًا يَنْزِلُ فِيهَا الْجَهْلُ، وَيُرْفَعُ فِيهَا الْعِلْمُ، وَيَكْثُرُ فِيهَا الْهَرْجُ، وَالْهَرْجُ الْقَتْلُ ‏"‏‏.‏
শাকিক ‌(রহঃ) ​হতে ​বর্ণিত। ‌তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ্ ও আবূ মূসা (রাঃ)-এর সঙ্গে ছিলাম। তাঁরা বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অবশ্যই কিয়ামতের আগে এমন একটি সময় আসবে যখন সব জায়গায় মূর্খতা ছড়িয়ে পড়বে এবং ইলম উঠিয়ে নেয়া হবে। সে সময় ‘হারজ্’ বর্দ্ধিত হবে। আর ‘হারজ্’ হল (মানুষ) হত্যা। [৭০৬৪, ৭০৬৫, ৭০৬৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
আব্দুল্লাহ (রাঃ) সহীহ বুখারী #৭০৬২ Sahih
সহীহ বুখারী : ৯১
আব্দুল্লাহ (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌عُبَيْدُ ​اللَّهِ ​بْنُ ​مُوسَى، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ شَقِيقٍ، قَالَ كُنْتُ مَعَ عَبْدِ اللَّهِ وَأَبِي مُوسَى فَقَالاَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّ بَيْنَ يَدَىِ السَّاعَةِ لأَيَّامًا يَنْزِلُ فِيهَا الْجَهْلُ، وَيُرْفَعُ فِيهَا الْعِلْمُ، وَيَكْثُرُ فِيهَا الْهَرْجُ، وَالْهَرْجُ الْقَتْلُ ‏"‏‏.‏
শাকিক ‌থেকে ​বর্ণিতঃ ​তিনি ​বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ্ ও আবূ মূসা (রাঃ) -এর সঙ্গে ছিলাম। তাঁরা বলেন, নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অবশ্যই ক্বিয়ামাতের আগে এমন একটি সময় আসবে যখন সব জায়গায় মূর্খতা ছড়িয়ে পড়বে এবং ইল্‌ম উঠিয়ে নেয়া হবে। সে সময় ‘হারজ্‌’ বর্ধিত হবে। আর ‘হারজ্‌’ হল (মানুষ) হত্যা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৮৪)
আব্দুল্লাহ (রাঃ) সহীহ বুখারী #৭০৬৩ Sahih
সহীহ বুখারী : ৯২
আবু মূসা আশআরী (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ​عُمَرُ ‌بْنُ ‌حَفْصٍ، ‌حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، حَدَّثَنَا شَقِيقٌ، قَالَ جَلَسَ عَبْدُ اللَّهِ وَأَبُو مُوسَى فَتَحَدَّثَا فَقَالَ أَبُو مُوسَى قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّ بَيْنَ يَدَىِ السَّاعَةِ أَيَّامًا يُرْفَعُ فِيهَا الْعِلْمُ، وَيَنْزِلُ فِيهَا الْجَهْلُ، وَيَكْثُرُ فِيهَا الْهَرْجُ، وَالْهَرْجُ الْقَتْلُ ‏"‏‏.‏
আবূ ​মূসা ‌(রাঃ) ‌থেকে ‌বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্বিয়ামাতের আগে এমন একটি সময় আসবে যখন ইল্‌ম উঠিয়ে নেয়া হবে এবং সর্বত্র মূর্খতা ছড়িয়ে পড়বে, আর তখন হারজ বেড়ে যাবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৮৫)
আবু মূসা আশআরী (রাঃ) সহীহ বুখারী #৭০৬৪ Sahih
সহীহ বুখারী : ৯৩
আব্দুল্লাহ (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ​مُحَمَّدٌ، ‌حَدَّثَنَا ​غُنْدَرٌ، ‌حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ وَاصِلٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، وَأَحْسِبُهُ، رَفَعَهُ قَالَ ‏ "‏ بَيْنَ يَدَىِ السَّاعَةِ أَيَّامُ الْهَرْجِ، يَزُولُ الْعِلْمُ، وَيَظْهَرُ فِيهَا الْجَهْلُ ‏"‏‏.‏ قَالَ أَبُو مُوسَى وَالْهَرْجُ الْقَتْلُ بِلِسَانِ الْحَبَشَةِ‏.‏
আবদুল্লাহ্ ​(রাঃ) ‌থেকে ​বর্ণিতঃ ‌তার সম্পর্কে আমার ধারণা, তিনি হাদীসটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে মারফু হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ক্বিয়ামাতের আগে হারজ অর্থাৎ হত্যার যুগ শুরু হবে। তখন ইল্‌ম বিলুপ্ত হয়ে যাবে এবং মূর্খতা প্রকাশিত হয়ে পড়বে। আবূ মূসা (রাঃ) বলেন, হাবশী ভাষায় ‘হারজ’ অর্থ (মানুষ) হত্যা।(আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৮৬)
আব্দুল্লাহ (রাঃ) সহীহ বুখারী #৭০৬৬ Sahih
সহীহ বুখারী : ৯৪
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌أَبُو ‌الْيَمَانِ، ‌أَخْبَرَنَا ​شُعَيْبٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنَادِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى تَقْتَتِلَ فِئَتَانِ عَظِيمَتَانِ، يَكُونُ بَيْنَهُمَا مَقْتَلَةٌ عَظِيمَةٌ، دَعْوَتُهُمَا وَاحِدَةٌ، وَحَتَّى يُبْعَثَ دَجَّالُونَ كَذَّابُونَ، قَرِيبٌ مِنْ ثَلاَثِينَ، كُلُّهُمْ يَزْعُمُ أَنَّهُ رَسُولُ اللَّهِ، وَحَتَّى يُقْبَضَ الْعِلْمُ، وَتَكْثُرَ الزَّلاَزِلُ، وَيَتَقَارَبَ الزَّمَانُ، وَتَظْهَرَ الْفِتَنُ، وَيَكْثُرَ الْهَرْجُ وَهْوَ الْقَتْلُ، وَحَتَّى يَكْثُرَ فِيكُمُ الْمَالُ فَيَفِيضَ، حَتَّى يُهِمَّ رَبَّ الْمَالِ مَنْ يَقْبَلُ صَدَقَتَهُ، وَحَتَّى يَعْرِضَهُ فَيَقُولَ الَّذِي يَعْرِضُهُ عَلَيْهِ لاَ أَرَبَ لِي بِهِ‏.‏ وَحَتَّى يَتَطَاوَلَ النَّاسُ فِي الْبُنْيَانِ، وَحَتَّى يَمُرَّ الرَّجُلُ بِقَبْرِ الرَّجُلِ فَيَقُولُ يَا لَيْتَنِي مَكَانَهُ‏.‏ وَحَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ مِنْ مَغْرِبِهَا، فَإِذَا طَلَعَتْ وَرَآهَا النَّاسُ ـ يَعْنِي ـ آمَنُوا أَجْمَعُونَ، فَذَلِكَ حِينَ لاَ يَنْفَعُ نَفْسًا إِيمَانُهَا لَمْ تَكُنْ آمَنَتْ مِنْ قَبْلُ، أَوْ كَسَبَتْ فِي إِيمَانِهَا خَيْرًا، وَلَتَقُومَنَّ السَّاعَةُ وَقَدْ نَشَرَ الرَّجُلاَنِ ثَوْبَهُمَا بَيْنَهُمَا، فَلاَ يَتَبَايَعَانِهِ وَلاَ يَطْوِيَانِهِ، وَلَتَقُومَنَّ السَّاعَةُ وَقَدِ انْصَرَفَ الرَّجُلُ بِلَبَنِ لِقْحَتِهِ فَلاَ يَطْعَمُهُ، وَلَتَقُومَنَّ السَّاعَةُ وَهْوَ يُلِيطُ حَوْضَهُ فَلاَ يَسْقِي فِيهِ، وَلَتَقُومَنَّ السَّاعَةُ وَقَدْ رَفَعَ أُكْلَتَهُ إِلَى فِيهِ فَلاَ يَطْعَمُهَا ‏"‏‏.‏
আবূ ‌হুরাইরাহ ‌(রাঃ) ‌থেকে ​বর্ণিতঃ যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্বিয়ামাত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ দু'টি বড় দল পরস্পরে মহাযুদ্ধে লিপ্ত না হবে। উভয় দলের দাবি হবে অভিন্ন। আর যতক্ষণ ত্রিশের কাছাকাছি মিথ্যাচারী দাজ্জাল-এর প্রকাশ না পাবে। তারা প্রত্যেকেই নিজেকে আল্লাহ্‌র প্রেরিত রাসূল বলে দাবি করবে এবং যতক্ষণ ইল্‌ম উঠিয়ে নেয়া না হবে। আর ভূমিকম্প আধিক হারে না হবে। আর যামানা (কাল) সংক্ষিপ্ত না হবে এবং (ব্যাপক হারে) ফিতনা প্রকাশ না পাবে। আর হারজ ব্যাপকতা লাভ করবে। হারজ হল হত্যা। আর যতক্ষণ তোমাদের মাঝে ধন-সম্পদ বৃদ্ধি না পাবে। তখন সম্পদের এমন সয়লাব শুরু হবে যে, সম্পদের মালিক তার সদাকাহ কে গ্রহণ করবে - এ নিয়ে চিন্তাযুক্ত হয়ে পড়বে। এমন কি যার নিকট সে সম্পদ আনা হবে সে বলবে আমার এ মালের কোনই প্রয়োজন নেই। আর যতক্ষণ মানুষ উঁচু উঁচু প্রাসাদ নির্মাণের জন্য পরস্পরে প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ না হবে। আর যতক্ষণ এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির কবরের পাশ অতিক্রম করার সময় বলবে হায়! আমি যদি এ কবরবাসীর স্থলে হতাম এবং যতক্ষণ সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদিত না হবে। যখন সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উঠবে এবং সকল লোক তা দেখবে এবং সেদিন সবাই ঈমান আনবে। কিন্তু সে দিন তার ঈমান কাজে আসবে না, যে এর আগে ঈমান আনেনি। কিংবা ইতোপূর্বে যারা ঈমান আনেনি কিংবা ঈমানের মাধ্যমে কল্যাণ অর্জন করেনি - (সূরাহ আন'আম ৬/১৫৮)। আর অবশ্যই ক্বিয়ামাত এমন অবস্থায় কায়িম হবে যে, দু'ব্যক্তি (পরস্পরে বেচাকেনার উদ্দেশ্যে) কাপড় খুলবে। কিন্তু তারা বেচাকেনা ও গুটিয়ে রাখা শেষ করতে পারবে না। অবশ্যই ক্বিয়ামাত এমন অবস্থায় কায়িম হবে যে, এক ব্যক্তি তার উটের দুধ দোহন করে নিয়ে ফিরেছে। কিন্তু সে তা পান করতে পারবে না। ক্বিয়ামাত এমন অবস্থায় কায়িম হবে যে, এক ব্যক্তি তার হাওয আস্তর করছে, কিন্তু সে পানি পান করাতে পারবে না। অবশ্যই ক্বিয়ামাত এমন (অতর্কিত) ভাবে কায়িম হবে যে, এক ব্যক্তি মুখের কাছে লোক্‌মা তুলবে কিন্তু সে তা আহার করতে পারবে না।[৮৫; মুসলিম ১/৭২, হাঃ ১৫৭, আহমাদ ৭১৬৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৩৬)
আবু হুরায়রা (রাঃ) সহীহ বুখারী #৭১২১ Sahih
সহীহ বুখারী : ৯৫
আব্দুল্লাহ (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌شِهَابُ ​بْنُ ‌عَبَّادٍ، ​حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ قَيْسٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ حَسَدَ إِلاَّ فِي اثْنَتَيْنِ، رَجُلٌ آتَاهُ اللَّهُ مَالاً فَسَلَّطَهُ عَلَى هَلَكَتِهِ فِي الْحَقِّ، وَآخَرُ آتَاهُ اللَّهُ حِكْمَةً فَهْوَ يَقْضِي بِهَا وَيُعَلِّمُهَا ‏"‏‏.‏
আবদুল্লাহ্ ‌(রাঃ) ​থেকে ‌বর্ণিতঃ ​তিনি বলেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, দু’রকমের লোক ব্যতীত অন্য কারো প্রতি ঈর্ষা করা যায় না। একজন হলো এমন লোক, যাকে আল্লাহ্ ধন-সম্পদ দান করেছেন এবং তাকে তা সৎপথে ব্যয় করার ক্ষমতা দিয়েছেন। অন্যজন হল, যাকে আল্লাহ্ হিকমাত (সঠিক জ্ঞান) দান করেছেন, সে তার দ্বারা বিচার ফয়সালা করে এবং তা অন্যকে শিক্ষা দেয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৫৬)
আব্দুল্লাহ (রাঃ) সহীহ বুখারী #৭১৪১ Sahih
সহীহ বুখারী : ৯৬
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌عُثْمَانُ ‌بْنُ ‌أَبِي ‌شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ تَحَاسُدَ إِلاَّ فِي اثْنَتَيْنِ رَجُلٌ آتَاهُ اللَّهُ الْقُرْآنَ، فَهْوَ يَتْلُوهُ آنَاءَ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ يَقُولُ لَوْ أُوتِيتُ مِثْلَ مَا أُوتِيَ هَذَا لَفَعَلْتُ كَمَا يَفْعَلُ، وَرَجُلٌ آتَاهُ اللَّهُ مَالاً يُنْفِقُهُ فِي حَقِّهِ فَيَقُولُ لَوْ أُوتِيتُ مِثْلَ مَا أُوتِيَ لَفَعَلْتُ كَمَا يَفْعَلُ ‏"‏‏.‏ حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، بِهَذَا‏.‏
আবূ ‌হুরায়রা ‌(রাঃ) ‌থেকে ‌বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’টি বিষয় ব্যতীত হিংসা করা যাবে না। এক ব্যক্তি, যাকে আল্লাহ্‌ কুরআন দান করেছেন সে দিন রাত তিলাওয়াত করে। কেউ বলল, একে যা দেয়া হয়েছে, যদি আমাকেও তা দেয়া হত, তবে সে যেমন করছে, আমিও তেমন করতাম। আর এক ব্যক্তি যাকে আল্লাহ মাল দিয়েছেন, সে তা যথোচিতভাবে খরচ করে। কেউ বলল, তাকে যা দেয়া হয়েছে তা যদি আমাকে দেয়া হত, তাহলে আমি অবশ্যই তাই করতাম, সে যা করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৩৮)
আবু হুরায়রা (রাঃ) সহীহ বুখারী #৭২৩২ Sahih
সহীহ বুখারী : ৯৭
ইবনু আব্বাস (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌مُوسَى ​بْنُ ​إِسْمَاعِيلَ، ‌حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ ضَمَّنِي إِلَيْهِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ ‏ "‏ اللَّهُمَّ عَلِّمْهُ الْكِتَابَ ‏"‏‏.‏
ইব্‌নু ‌‘আব্বাস ​(রাঃ) ​থেকে ‌বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (তাঁর শরীরের সঙ্গে) আমাকে জড়িয়ে ধরলেন এবং বললেনঃ হে আল্লাহ্‌! তাঁকে কিতাবের ইলম দাও। [১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৭৪)
ইবনু আব্বাস (রাঃ) সহীহ বুখারী #৭২৭০ Sahih
সহীহ বুখারী : ৯৮
Ibn Masud
Sahih
حَدَّثَنَا ‌مُحَمَّدُ ‌بْنُ ‌عُبَيْدِ ​بْنِ مَيْمُونٍ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ كُنْتُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي حَرْثٍ بِالْمَدِينَةِ، وَهْوَ يَتَوَكَّأُ عَلَى عَسِيبٍ، فَمَرَّ بِنَفَرٍ مِنَ الْيَهُودِ فَقَالَ بَعْضُهُمْ سَلُوهُ عَنِ الرُّوحِ‏.‏ وَقَالَ بَعْضُهُمْ لاَ تَسْأَلُوهُ لاَ يُسْمِعْكُمْ مَا تَكْرَهُونَ‏.‏ فَقَامُوا إِلَيْهِ فَقَالُوا يَا أَبَا الْقَاسِمِ حَدِّثْنَا عَنِ الرُّوحِ‏.‏ فَقَامَ سَاعَةً يَنْظُرُ فَعَرَفْتُ أَنَّهُ يُوحَى إِلَيْهِ، فَتَأَخَّرْتُ عَنْهُ حَتَّى صَعِدَ الْوَحْىُ، ثُمَّ قَالَ ‏{‏وَيَسْأَلُونَكَ عَنِ الرُّوحِ قُلِ الرُّوحُ مِنْ أَمْرِ رَبِّي‏}‏‏.‏
ইব্‌নু ‌মাস’উদ ‌(রাঃ) ‌থেকে ​বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সঙ্গে মদিনায় এক শস্য ক্ষেতে ছিলাম। তিনি একটি খেজুরের ডালে ভর দিয়ে ইয়াহূদীদের একটি দলের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাদের কেউ বলল, তাকে রূহ্‌ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা কর। আর কেউ বলল তাঁকে জিজ্ঞাসা করো না, এতে তোমাদেরকে এমন উত্তর শুনতে হতে পারে যা তোমরা অপছন্দ কর। অতঃপর তারা তাঁর কাছে উঠে গিয়ে বলল, হে আবুল কাসিম! আমাদেরকে রূহ্ সস্পর্কে জানান। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলেন। আমি বুঝলাম, তাঁর কাছে ওয়াহী অবতীর্ন হচ্ছে, আমি তার থেকে একটু পিছে সরে দাঁড়ালাম। ওয়াহী শেষ হল। তারপর তিনি বললেনঃ “তাঁরা তোমাকে রূহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বল, ‘রূহ আমার প্রতিপালকের আদেশ......’’(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৯৯)
Ibn Masud সহীহ বুখারী #৭২৯৭ Sahih
সহীহ বুখারী : ৯৯
আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু আমর (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ​سَعِيدُ ‌بْنُ ​تَلِيدٍ، ​حَدَّثَنِي ابْنُ وَهْبٍ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ شُرَيْحٍ، وَغَيْرُهُ، عَنْ أَبِي الأَسْوَدِ، عَنْ عُرْوَةَ، قَالَ حَجَّ عَلَيْنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو فَسَمِعْتُهُ يَقُولُ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ إِنَّ اللَّهَ لاَ يَنْزِعُ الْعِلْمَ بَعْدَ أَنْ أَعْطَاهُمُوهُ انْتِزَاعًا، وَلَكِنْ يَنْتَزِعُهُ مِنْهُمْ مَعَ قَبْضِ الْعُلَمَاءِ بِعِلْمِهِمْ، فَيَبْقَى نَاسٌ جُهَّالٌ يُسْتَفْتَوْنَ فَيُفْتُونَ بِرَأْيِهِمْ، فَيُضِلُّونَ وَيَضِلُّونَ ‏"‏‏.‏ فَحَدَّثْتُ عَائِشَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ إِنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو حَجَّ بَعْدُ فَقَالَتْ يَا ابْنَ أُخْتِي انْطَلِقْ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ فَاسْتَثْبِتْ لِي مِنْهُ الَّذِي حَدَّثْتَنِي عَنْهُ‏.‏ فَجِئْتُهُ فَسَأَلْتُهُ فَحَدَّثَنِي بِهِ كَنَحْوِ مَا حَدَّثَنِي، فَأَتَيْتُ عَائِشَةَ فَأَخْبَرْتُهَا فَعَجِبَتْ فَقَالَتْ وَاللَّهِ لَقَدْ حَفِظَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو‏.‏
উরওয়াহ ​(রহঃ) ‌থেকে ​বর্ণিতঃ ​তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘আম্‌র (রাঃ) আমাদের এ দিক দিয়ে হাজ্জে যাচ্ছিলেন। আমি শুনতে পেলাম, তিনি বলেছেন যে, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সালাম) - কে বলতে শুনেছি, আল্লাহ্‌ তোমাদেরকে যে ইল্‌ম দান করেছেন, তা হঠাৎ ছিনিয়ে নেবেন না বরং উলামাগণকে তাদের ইল্‌মসহ ক্রমশ তুলে নেয়ার মাধ্যমে তা ছিনিয়ে নেবেন। তখন কেবল মূর্খ লোকেরা অবশিষ্ট থাকবে। তাদের কাছে ফাত্‌ওয়া চাওয়া হবে। তারা মনগড়া ফাত্‌ওয়া দেবে। ফলে নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে, অন্যদেরকেও পথভ্রষ্ট করবে। ‘উরওয়াহ (রাঃ) বলেন,আমি এ হাদীসটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সালাম) - এর স্ত্রী ‘আয়েশা (রাঃ)-কে বললাম। তারপর ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু আম্‌র (রাঃ) আবার হজ্জ করতে এলেন। তখন ‘আয়েশা (রাঃ) আমাকে বললেন, হে ভাগ্নে! তুমি ‘আবদুল্লাহ্‌র কাছে যাও এবং তার থেকে যে হাদীসটি তুমি আমাকে বর্ণনা করেছিলেন, তাঁর নিকট থেকে যাচাই করে আস। আমি তাঁর নিকট গেলাম এবং জিজ্ঞেস করলাম। তিনি আমাকে ঠিক সে রকমই বর্ণনা করলেন, যেরকম আগে বর্ণনা করেছিলেন। আমি ‘আয়েশা (রাঃ) - ’র কাছে ফিরে এসে তাকে জানালাম। তিনি আশ্চর্য হয়ে গেলেন এবং বললেন, আল্লাহ্‌র কসম! ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু আম্‌র (রাঃ) মনে রেখেছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮০৯)
আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু আমর (রাঃ) সহীহ বুখারী #৭৩০৭ Sahih
সহীহ বুখারী : ১০০
আব্দুল্লাহ (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌شِهَابُ ​بْنُ ‌عَبَّادٍ، ‌حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ قَيْسٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ حَسَدَ إِلاَّ فِي اثْنَتَيْنِ رَجُلٌ آتَاهُ اللَّهُ مَالاً فَسُلِّطَ عَلَى هَلَكَتِهِ فِي الْحَقِّ، وَآخَرُ آتَاهُ اللَّهُ حِكْمَةً فَهْوَ يَقْضِي بِهَا وَيُعَلِّمُهَا ‏"‏‏.‏
আবদুল্লাহ্‌ ‌ইব্‌নু ​মাস’উদ ‌(রাঃ) ‌থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’রকম লোক ব্যতীত কারো উপর হিংসা করা যাবে না। (এক) যাকে আল্লাহ্‌ সম্পদ দিয়েছেন এবং হকপথে খরচ করার ক্ষমতা দান করেছেন। (দুই) যাকে আল্লাহ্‌ হিক্‌মাত (দ্বীনের বিষয়ে তীক্ষ্ন বুদ্ধি) দান করেছেন, আর সে এর আলোকে বিচার করে এবং তা অন্যকে শিখায়। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৮)
আব্দুল্লাহ (রাঃ) সহীহ বুখারী #৭৩১৬ Sahih