Anger সম্পর্কে হাদিস
৩৪২ টি প্রামাণিক হাদিস পাওয়া গেছে
সহীহ মুসলিম : ৬১
হুযাইফা বিনুল ইয়ামান (রাঃ)
Sahih
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ مِسْعَرٍ، عَنْ وَاصِلٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَقِيَهُ وَهُوَ جُنُبٌ فَحَادَ عَنْهُ فَاغْتَسَلَ ثُمَّ جَاءَ فَقَالَ كُنْتُ جُنُبًا . قَالَ
" إِنَّ الْمُسْلِمَ لاَ يَنْجُسُ " .
মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ ও ইবনু আবূ উমর (রাযিঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ ইসলাম শুরুতে অপরিচিত ছিল, অচিরেই তা আবার শুরুর মতো অপরিচিত হয়ে যাবে*। সুতরাং এরূপ অপরিচিত অবস্থায়ও যারা ইসলামের উপর টিকে থাকবে তাদের জন্য মুবারাকবাদ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
সহীহ মুসলিম : ৬২
Sahih
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ، الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ أَبِي حَثْمَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى بِأَصْحَابِهِ فِي الْخَوْفِ فَصَفَّهُمْ خَلْفَهُ صَفَّيْنِ فَصَلَّى بِالَّذِينَ يَلُونَهُ رَكْعَةً ثُمَّ قَامَ فَلَمْ يَزَلْ قَائِمًا حَتَّى صَلَّى الَّذِينَ خَلْفَهُمْ رَكْعَةً ثُمَّ تَقَدَّمُوا وَتَأَخَّرَ الَّذِينَ كَانُوا قُدَّامَهُمْ فَصَلَّى بِهِمْ رَكْعَةً ثُمَّ قَعَدَ حَتَّى صَلَّى الَّذِينَ تَخَلَّفُوا رَكْعَةً ثُمَّ سَلَّمَ .
উবাইদুল্লাহ ইবনু উমার (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলাল (রাযিঃ) কে আযান জোড় সংখ্যায় এবং ইকামাত বেজোড় সংখ্যায় বলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭২৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
সহীহ মুসলিম : ৬৩
Sahih
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ يَزِيدَ بْنِ رُومَانَ، عَنْ صَالِحِ، بْنِ خَوَّاتٍ عَمَّنْ صَلَّى مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ ذَاتِ الرِّقَاعِ صَلاَةَ الْخَوْفِ أَنَّ طَائِفَةً صَفَّتْ مَعَهُ وَطَائِفَةٌ وِجَاهَ الْعَدُوِّ . فَصَلَّى بِالَّذِينَ مَعَهُ رَكْعَةً ثُمَّ ثَبَتَ قَائِمًا وَأَتَمُّوا لأَنْفُسِهِمْ . ثُمَّ انْصَرَفُوا فَصَفُّوا وِجَاهَ الْعَدُوِّ وَجَاءَتِ الطَّائِفَةُ الأُخْرَى فَصَلَّى بِهِمُ الرَّكْعَةَ الَّتِي بَقِيَتْ ثُمَّ ثَبَتَ جَالِسًا وَأَتَمُّوا لأَنْفُسِهِمْ ثُمَّ سَلَّمَ بِهِمْ .
আবূ গাসসান আল মিসমাঈ, মালিক ইবনু আবদুল ওয়াহিদ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবূ মাহযুরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে এ আযান শিক্ষা দিয়েছেনঃ "আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার" (আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান)। পাঠে (চারবার)। "আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ" (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই), "আশহাদু আল লা-ইলাহা ইল্লাল্ল-হ" (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই)। "আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রসূলুল্ল-হ" (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল), "আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ" (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল)। আবার তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ", "আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রসূলুল্ল-হ-" দু'বার। "হাইয়্যা আলাস সলা-হ" (সালাতের জন্যে এসো) দু'বার। "হাইয়্যা 'আলাল ফালা-হ" (কল্যাণের জন্যে এসো) দু'বার। ইসহাক তার বর্ণনায় আরো দুটি বাক্য উল্লেখ করেছেন, "আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার" এবং “লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭২৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
সহীহ মুসলিম : ৬৪
আদী বিন হাতিম (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ، - رضى الله عنه - قَالَ لَمَّا نَزَلَتْ { حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَكُمُ الْخَيْطُ الأَبْيَضُ مِنَ الْخَيْطِ الأَسْوَدِ مِنَ الْفَجْرِ} قَالَ لَهُ عَدِيُّ بْنُ حَاتِمٍ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي أَجْعَلُ تَحْتَ وِسَادَتِي عِقَالَيْنِ عِقَالاً أَبْيَضَ وَعِقَالاً أَسْوَدَ أَعْرِفُ اللَّيْلَ مِنَ النَّهَارِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ وِسَادَتَكَ لَعَرِيضٌ إِنَّمَا هُوَ سَوَادُ اللَّيْلِ وَبَيَاضُ النَّهَارِ " .
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এক রাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বিছানায় পেলাম না। আমি তাকে খোঁজ করতে লাগলাম। হঠাৎ আমার হাত তার উভয় পায়ের তালুতে গিয়ে ঠেকল। তিনি সাজদায় ছিলেন এবং তার পা দু’টো দাঁড় করানো ছিল। এ অবস্থায় তিনি বলেছেনঃ "আল্লাহুম্মা আউযু বিরিযা-কা মিন সাখাতিকা ওয়াবি মু'আ-ফা-তিক মিন উকবাতিকা ওয়া আউয়ুবিকা মিনকা লা- উহসি সানা-আন আলাইকা আনত কামা- আসনাইত আলা- নাফসিকা।” অর্থাৎ "হে আল্লাহ! আমি তোমার অসন্তুষ্টি থেকে তোমার সন্তুষ্টির আশ্রয় চাই। তোমার শাস্তি থেকে তোমার শান্তি ও স্বস্তির আশ্রয় চায়। আমি তোমার নিকট তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করি। তোমার প্রশংসার হিসাব করা আমার সম্ভব না। তুমি নিজে তোমার যেরূপ প্রশংসা বর্ণনা করেছ, তুমি ঠিক তদ্রুপ।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৭২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
সহীহ মুসলিম : ৬৫
Sahih
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَسَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، وَأَبُو الرَّبِيعِ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ يَحْيَى أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرُونَ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ الأَخْنَسِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ فَرَضَ اللَّهُ الصَّلاَةَ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّكُمْ صلى الله عليه وسلم فِي الْحَضَرِ أَرْبَعًا وَفِي السَّفَرِ رَكْعَتَيْنِ وَفِي الْخَوْفِ رَكْعَةً .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, সাঈদ ইবনু মানসূর, আবুর রাবি ও কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমাদের নবীর জবানীতে আল্লাহ তা'আলা বাড়ীতে অবস্থানকালীন সালাত চার রাকাআত, সফরের সালাত দু' রাকাআত এবং ভীতিকর অবস্থানকালীন সালাত এক রাকাআত ফারয (ফরয) করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৪৫, ইসলামীক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ৬৬
Sahih
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَمْرٌو النَّاقِدُ، جَمِيعًا عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مَالِكٍ، - قَالَ عَمْرٌو حَدَّثَنَا قَاسِمُ بْنُ مَالِكٍ الْمُزَنِيُّ، - حَدَّثَنَا أَيُّوبُ بْنُ عَائِذٍ الطَّائِيُّ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ الأَخْنَسِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ إِنَّ اللَّهَ فَرَضَ الصَّلاَةَ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّكُمْ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْمُسَافِرِ رَكْعَتَيْنِ وَعَلَى الْمُقِيمِ أَرْبَعًا وَفِي الْخَوْفِ رَكْعَةً .
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জবানীতে মুসাফিরের সালাত দু' রাকাআত, মুকীম বা বাড়ীতে অবস্থানকালীন সালাত চার রাকাআত এবং ভীতিকর অবস্থার সালাত এক রাকাআত ফারয (ফরয) করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৪৬, ইসলামীক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ৬৭
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)
Sahih
وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الْحَفَرِيُّ، عُمَرُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ سُفْيَانَ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنْ عُمَرَ، قَالَ أَصَبْتُ أَرْضًا مِنْ أَرْضِ خَيْبَرَ فَأَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ أَصَبْتُ أَرْضًا لَمْ أُصِبْ مَالاً أَحَبَّ إِلَىَّ وَلاَ أَنْفَسَ عِنْدِي مِنْهَا . وَسَاقَ الْحَدِيثَ بِمِثْلِ حَدِيثِهِمْ وَلَمْ يَذْكُرْ فَحَدَّثْتُ مُحَمَّدًا وَمَا بَعْدَهُ .
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আবূ কুরায়ব, আবূ সাঈদ আল আশাজ্জ [শব্দগুলো আবূ কুরায়ব এর] (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মদীনায় অবস্থানরত কোন ভীতিকর পরিস্থিতি কিংবা বৃষ্টি-বাদল ছাড়াই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহর, আসর, মাগরিব এবং ইশার সালাত আদায় করেছেন। (ওয়াকী বর্ণিত হাদীসে) এ কথার উল্লেখ রয়েছে যে, সাঈদ ইবনু যুবায়র বলেছেন- আমি আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) কে বললাম, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ করেছেন এজন্যে যাতে তার উম্মাতের কোন কষ্ট না হয়। তবে আবূ মু'আবিয়াহ বর্ণিত হাদীসে আছে যে, আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) কে বলা হ'ল- রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কী উদ্দেশে এরূপ করেছেন? জবাবে আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস বললেনঃ তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) চেয়েছেন তার উম্মাতের যেন কোন কষ্ট না হয়। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৫০৩, ইসলামীক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ৬৮
It Has Been
Sahih
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ شُعَيْبِ بْنِ اللَّيْثِ، حَدَّثَنِي أَبِي شُعَيْبُ بْنُ اللَّيْثِ، حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، بْنُ سَعْدٍ حَدَّثَنِي يَزِيدُ بْنُ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ بَكْرِ بْنِ عَمْرٍو، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ يَزِيدَ الْحَضْرَمِيِّ، عَنِ ابْنِ حُجَيْرَةَ الأَكْبَرِ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلاَ تَسْتَعْمِلُنِي قَالَ فَضَرَبَ بِيَدِهِ عَلَى مَنْكِبِي ثُمَّ قَالَ
" يَا أَبَا ذَرٍّ إِنَّكَ ضَعِيفٌ وَإِنَّهَا أَمَانَةٌ وَإِنَّهَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ خِزْىٌ وَنَدَامَةٌ إِلاَّ مَنْ أَخَذَهَا بِحَقِّهَا وَأَدَّى الَّذِي عَلَيْهِ فِيهَا " .
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... যায়দ ইবনু সাবিত (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, খেজুর পাতা অথবা চাটাই দিয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি ছোট কামরা তৈরি করে তাতে সালাত আদায় করতে গেলেন। এ দেখে কিছু সংখ্যক লোক এসে তার সাথে সালাত আদায় করলেন। যায়দ ইবনু সাবিত বলেনঃ অন্য এক রাতেও লোকজন এসে জমা হ'ল। কিন্তু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সে রাতে) দেরী করলেন এবং এমনকি তিনি সে রাতে আসলেন না। তাই লোকজন উচ্চস্বরে তাকে ডাকাডাকি করল এবং বাড়ীর দরজায় কঙ্কর ছুড়তে শুরু করল। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাগাম্বিত হয়ে তাদের মাঝে এসে বললেনঃ তোমরা যখন ক্রমাগত এরূপ করছিলে তখন আমার ধারণা হ’ল যে, এ সালাত হয়ত তোমাদের জন্য ফারয (ফরয) করে দেয়া হবে। অতএব তোমরা বাড়িতেই (নাফল) আদায় করবে। কেননা ফারয (ফরয) সালাত ছাড়া অন্যসব সালাত বাড়ীতে আদায় করা মানুষের জন্য সর্বোত্তম। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৯৫, ইসলামীক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ৬৯
ইবনু আব্বাস (রাঃ)
Sahih
وَحَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ الأَزْدِيُّ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ، حَدَّثَنَا أَبِي،
عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ عَامِرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ لاَ أَدْرِي إِنَّمَا نَهَى عَنْهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله
عليه وسلم مِنْ أَجْلِ أَنَّهُ كَانَ حَمُولَةَ النَّاسِ فَكَرِهَ أَنْ تَذْهَبَ حَمُولَتُهُمْ أَوْ حَرَّمَهُ فِي يَوْمِ
خَيْبَرَ لُحُومَ الْحُمُرِ الأَهْلِيَّةِ .
শায়বান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা মাদীনায় ছিলাম। মুয়াযযিন মাগরিবের সালাতের আযান দিলে তারা তাড়াহুড়া করে স্তম্ভের নিকট গিয়ে দু' রাকাআত সালাত আদায় করতেন। এমনকি কোন আগন্তুক মসজিদে প্রবেশ করলে অধিক সংখ্যক সালাত আদায়কারীর কারণে তার মনে হত যে, (ফরয) সালাত শেষ হয়ে গেছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮০৯, ইসলামীক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ৭০
Sahih
حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلاَةَ الْخَوْفِ بِإِحْدَى الطَّائِفَتَيْنِ رَكْعَةً وَالطَّائِفَةُ الأُخْرَى مُوَاجِهَةُ الْعَدُوِّ ثُمَّ انْصَرَفُوا وَقَامُوا فِي مَقَامِ أَصْحَابِهِمْ مُقْبِلِينَ عَلَى الْعَدُوِّ وَجَاءَ أُولَئِكَ ثُمَّ صَلَّى بِهِمُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم رَكْعَةً ثُمَّ سَلَّمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ قَضَى هَؤُلاَءِ رَكْعَةً وَهَؤُلاَءِ رَكْعَةً .
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু'টি দলের এক দলের সাথে এক রাকাআত সালাতুল খওফ আদায় করেন, তখন অপর দলটি শক্রবাহিনীর মুকাবিলায় রত ছিলেন। অতঃপর প্রথম দলটি দ্বিতীয় দলের স্থানে গিয়ে শক্রর মুখোমুখি অবস্থান গ্রহণ করে এবং শেষোক্ত দলটি আসলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের সাথে এক রাকাআত সালাত আদায় করে সালাম ফিরান। অতঃপর উভয় দল পৃথক পৃথকভাবে এক রাকাআত করে সালাত আদায় করে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮১২, ইসলামীক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ৭১
Sahih
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مُوسَى بْنِ، عُقْبَةَ عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلاَةَ الْخَوْفِ فِي بَعْضِ أَيَّامِهِ فَقَامَتْ طَائِفَةٌ مَعَهُ وَطَائِفَةٌ بِإِزَاءِ الْعَدُوِّ فَصَلَّى بِالَّذِينَ مَعَهُ رَكْعَةً ثُمَّ ذَهَبُوا وَجَاءَ الآخَرُونَ فَصَلَّى بِهِمْ رَكْعَةً ثُمَّ قَضَتِ الطَّائِفَتَانِ رَكْعَةً رَكْعَةً - قَالَ - وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ فَإِذَا كَانَ خَوْفٌ أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ فَصَلِّ رَاكِبًا أَوْ قَائِمًا تُومِئُ إِيمَاءً .
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন এক যুদ্ধে সালাতুল খওফ (শঙ্কাকালীন সালাত) আদায় করলেন। সামরিক বাহিনীর একাংশ তার সাথে সালাতে দাঁড়াল এবং অপরাংশ শক্রবাহিনীর বিরুদ্ধে অবস্থান ছিল। তিনি তার সঙ্গের দলটিকে নিয়ে এক রাক’আত সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তারা চলে গেল এবং অপর দলটি আসার পর তিনি তাদের নিয়ে আর এক রাক’আত সালাত আদায় করলেন। অতঃপর উভয় দল স্বতন্ত্রভাবে এক রাক’আত করে সালাত আদায় করে নিল। ইবনু উমর (রাযিঃ) বলেন, ভয়-ভীতি বা বিপদাশঙ্কা অধিক বৃদ্ধি পেলে আরোহী অবস্থায় বা দাঁড়ানো অবস্থায় ইশারায় সালাত আদায় করবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮১৪, ইসলামীক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ৭২
Sahih
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ أَبِي سُلَيْمَانَ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ شَهِدْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلاَةَ الْخَوْفِ فَصَفَّنَا صَفَّيْنِ صَفٌّ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَالْعَدُوُّ بَيْنَنَا وَبَيْنَ الْقِبْلَةِ فَكَبَّرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَكَبَّرْنَا جَمِيعًا ثُمَّ رَكَعَ وَرَكَعْنَا جَمِيعًا ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ وَرَفَعْنَا جَمِيعًا ثُمَّ انْحَدَرَ بِالسُّجُودِ وَالصَّفُّ الَّذِي يَلِيهِ وَقَامَ الصَّفُّ الْمُؤَخَّرُ فِي نَحْرِ الْعَدُوِّ فَلَمَّا قَضَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم السُّجُودَ وَقَامَ الصَّفُّ الَّذِي يَلِيهِ انْحَدَرَ الصَّفُّ الْمُؤَخَّرُ بِالسُّجُودِ وَقَامُوا ثُمَّ تَقَدَّمَ الصَّفُّ الْمُؤَخَّرُ وَتَأَخَّرَ الصَّفُّ الْمُقَدَّمُ ثُمَّ رَكَعَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَرَكَعْنَا جَمِيعًا ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ وَرَفَعْنَا جَمِيعًا ثُمَّ انْحَدَرَ بِالسُّجُودِ وَالصَّفُّ الَّذِي يَلِيهِ الَّذِي كَانَ مُؤَخَّرًا فِي الرَّكْعَةِ الأُولَى وَقَامَ الصَّفُّ الْمُؤَخَّرُ فِي نُحُورِ الْعَدُوِّ فَلَمَّا قَضَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم السُّجُودَ وَالصَّفُّ الَّذِي يَلِيهِ انْحَدَرَ الصَّفُّ الْمُؤَخَّرُ بِالسُّجُودِ فَسَجَدُوا ثُمَّ سَلَّمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَسَلَّمْنَا جَمِيعًا . قَالَ جَابِرٌ كَمَا يَصْنَعُ حَرَسُكُمْ هَؤُلاَءِ بِأُمَرَائِهِمْ .
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সালাতুল খাওফ আদায় করেছি। তিনি আমাদেরকে দু' দলে বিভক্ত করলেন। একদল ছিল রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পিছনে আর শক্রবাহিনী ছিল আমাদের ও কিবলার মাঝখানে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকবীরে তাহরীমা বললে আমরাও সকলে তাকবীরে তাহরীমা বললাম। তিনি রুকূ’ করলে আমরা সকলেই রুকূ করলাম অতঃপর তিনি রুকূ’ থেকে মাথা উঠালে আমরা সকলেই মাথা উঠালাম। অতঃপর তিনি সাজদায় গেলেন এবং তার নিকটস্থ কাতারের লোকজনও, আর খানিক দূরের কাতারটি শক্রবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সিজদা সমাপ্ত করলেন এবং তার নিকটস্থ কাতারও দাঁড়িয়ে গেল, তখন খানিক দূরের কাতারটি সাজাদায় গেল। আর এরা দাঁড়িয়ে থাকল। অতঃপর পিছনের দলটি সামনে আসল এবং সামনের দলটি পিছনে সরে গেল। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুকূ করলে আমরাও সকলে রুকূ করলাম। অতঃপর তিনি রুকূ’ থেকে মাথা উঠালে আমরাও সকলে মাথা উঠালাম। অতঃপর তিনি সাজদায় গেলেন এবং তার নিকটবর্তী দলটি যারা প্রথম রাকাআতে পিছনে ছিল, তারাও। আর খানিক দূরের দলটি শত্রুবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নিকটবর্তী দলটিসহ সিজদা সমাপ্ত করার পর খানিক দূরের দলটি সাজদায় গেল এবং এভাবে সালাত আদায় করল। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাম ফিরালে আমরাও সালাম ফিরালাম। জাবির (রাযিঃ) বলেন, যেমন তোমাদের প্রহরীগণ তাদের আমীরগণকে পাহারা দেয়। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮১৫, ইসলামীক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ৭৩
সা'ঈদ বিন জুবাইর (রাঃ)
Sahih
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ نَافِعٍ قَالَ ابْنُ نَافِعٍ أَخْبَرَنَا غُنْدَرٌ، حَدَّثَنَا
شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ، يَقُولُ أَهْدَتْ خَالَتِي أُمُّ
حُفَيْدٍ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سَمْنًا وَأَقِطًا وَأَضُبًّا فَأَكَلَ مِنَ السَّمْنِ وَالأَقِطِ
وَتَرَكَ الضَّبَّ تَقَذُّرًا وَأُكِلَ عَلَى مَائِدَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلَوْ كَانَ حَرَامًا مَا
أُكِلَ عَلَى مَائِدَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয আল আম্বারী (রহঃ) ... সাহল ইবনু আবূ হাসমাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সহচরদের নিয়ে সালাতুল খাওফ আদায়ের উদ্দেশে তাদেরকে তার পিছনে দু' কাতারে কাতারবন্দী করেন। তার নিকটবর্তী কাতারের সাথে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক রাকাআত সালাত আদায় করলেন, অতঃপর দাঁড়ালেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দাঁড়িয়ে থাকলেন যাবৎ না তার পিছনের কাতার এক রাকাআত সালাত আদায় করল, অতঃপর সামনে এগিয়ে আসল এবং তার নিকটবর্তী দল পেছনে সরে গেল। অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এদের নিয়ে আরেক রাকাআত সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বসে থাকলেন যাবৎ না পিছনে সরে যাওয়া কাতার এক রাকাআত সালাত আদায় করল। অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সালাম ফিরান। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮১৭, ইসলামীক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ৭৪
ইয়াজিদ ইবনুল আসম (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنِ الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ،
الأَصَمِّ قَالَ دَعَانَا عَرُوسٌ بِالْمَدِينَةِ فَقَرَّبَ إِلَيْنَا ثَلاَثَةَ عَشَرَ ضَبًّا فَآكِلٌ وَتَارِكٌ فَلَقِيتُ
ابْنَ عَبَّاسٍ مِنَ الْغَدِ فَأَخْبَرْتُهُ فَأَكْثَرَ الْقَوْمُ حَوْلَهُ حَتَّى قَالَ بَعْضُهُمْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى
الله عليه وسلم " لاَ آكُلُهُ وَلاَ أَنْهَى عَنْهُ وَلاَ أُحَرِّمُهُ " . فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ بِئْسَ مَا قُلْتُمْ
مَا بُعِثَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلاَّ مُحِلاًّ وَمُحَرِّمًا إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه
وسلم بَيْنَمَا هُوَ عِنْدَ مَيْمُونَةَ وَعِنْدَهُ الْفَضْلُ بْنُ عَبَّاسٍ وَخَالِدُ بْنُ الْوَلِيدِ وَامْرَأَةٌ أُخْرَى إِذْ
قُرِّبَ إِلَيْهِمْ خِوَانٌ عَلَيْهِ لَحْمٌ فَلَمَّا أَرَادَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَأْكُلَ قَالَتْ لَهُ مَيْمُونَةُ
إِنَّهُ لَحْمُ ضَبٍّ . فَكَفَّ يَدَهُ وَقَالَ " هَذَا لَحْمٌ لَمْ آكُلْهُ قَطُّ " . وَقَالَ لَهُمْ " كُلُوا " . فَأَكَلَ
مِنْهُ الْفَضْلُ وَخَالِدُ بْنُ الْوَلِيدِ وَالْمَرْأَةُ . وَقَالَتْ مَيْمُونَةُ لاَ آكُلُ مِنْ شَىْءٍ إِلاَّ شَىْءٌ يَأْكُلُ مِنْهُ
رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... সালিহ ইবনু খাওওয়াত (রহঃ) যাতুর রিকা' যুদ্ধে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সালাতুল খওফ আদায়কারী এক সাহাবীর সূত্রে বর্ণিত। একটি দল কাতারবন্দী হয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সালাত আদায় করল এবং অপর দল শক্রবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষায় নিয়োজিত থাকল। তার সাথের দলটিকে নিয়ে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক রাকাআত সালাত আদায় করলেন, অতঃপর দাঁড়িয়ে থাকলেন এবং তারা নিজস্বভাবে আরেক রাক'আত আদায় করলো। অতঃপর তারা সরে গিয়ে শত্রুবাহিনীর বিরুদ্ধে কাতারবান্দী হয়ে দাঁড়াল। অতঃপর পরবর্তী দলটি এগিয়ে আসলে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদেরকে নিয়ে অবশিষ্ট এক রাকাআত সালাত আদায় করলেন, অতঃপর বসে থাকলেন এবং তারা নিজস্বভাবে আরো এক রাক’আত আদায় করল। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮১৮, ইসলামীক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ৭৫
আবু আল-জুবায়ের (রাঃ)
Sahih
وَحَدَّثَنِي سَلَمَةُ بْنُ شَبِيبٍ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَعْيَنَ، حَدَّثَنَا مَعْقِلٌ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ،
قَالَ سَأَلْتُ جَابِرًا عَنِ الضَّبِّ، فَقَالَ لاَ تَطْعَمُوهُ . وَقَذِرَهُ وَقَالَ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ إِنَّ
النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم لَمْ يُحَرِّمْهُ . إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ يَنْفَعُ بِهِ غَيْرَ وَاحِدٍ فَإِنَّمَا طَعَامُ
عَامَّةِ الرِّعَاءِ مِنْهُ وَلَوْ كَانَ عِنْدِي طَعِمْتُهُ .
আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান আদ দারিমী (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সালাতুল খাওফ আদায় করেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু' দলের একটির সাথে দু' রাকাআত সালাত আদায় করলেন, অতঃপর অপর দলের সাথে দু' রাকাআত আদায় করলেন। অতএব, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আদায় করলেন চার রাকাআত এবং অন্য সকলে আদায় করলেন দু' রাকাআত। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮২০, ইসলামীক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ৭৬
Sahih
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا خَطَبَ احْمَرَّتْ عَيْنَاهُ وَعَلاَ صَوْتُهُ وَاشْتَدَّ غَضَبُهُ حَتَّى كَأَنَّهُ مُنْذِرُ جَيْشٍ يَقُولُ " صَبَّحَكُمْ وَمَسَّاكُمْ " . وَيَقُولُ " بُعِثْتُ أَنَا وَالسَّاعَةَ كَهَاتَيْنِ " . وَيَقْرُنُ بَيْنَ إِصْبَعَيْهِ السَّبَّابَةِ وَالْوُسْطَى وَيَقُولُ " أَمَّا بَعْدُ فَإِنَّ خَيْرَ الْحَدِيثِ كِتَابُ اللَّهِ وَخَيْرُ الْهُدَى هُدَى مُحَمَّدٍ وَشَرُّ الأُمُورِ مُحْدَثَاتُهَا وَكُلُّ بِدْعَةٍ ضَلاَلَةٌ " . ثُمَّ يَقُولُ " أَنَا أَوْلَى بِكُلِّ مُؤْمِنٍ مِنْ نَفْسِهِ مَنْ تَرَكَ مَالاً فَلأَهْلِهِ وَمَنْ تَرَكَ دَيْنًا أَوْ ضَيَاعًا فَإِلَىَّ وَعَلَىَّ " .
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন খুতবাহ (ভাষণ) দিতেন যখন তার চক্ষুদ্বয় রক্তিম বর্ণ ধারণ করত, কণ্ঠস্বর জোরালো হ'ত এবং তার রাগ বেড়ে যেত, এমনকি মনে হ’ত, তিনি যেন শত্রুবাহিনী সম্পর্কে সতর্ক করছেন আর বলছেনঃ তোমরা ভোরেই আক্রান্ত হবে, তোমরা সন্ধ্যায়ই আক্রান্ত হবে। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরো বলতেনঃ আমি ও কিয়ামত এ দুটির ন্যায় (স্বল্প ব্যবধান) প্রেরিত হয়েছি, তিনি মধ্যম ও তর্জনী আঙ্গুল মিলিয়ে দেখাতেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরো বলতেনঃ অতঃপর উত্তম বাণী হ'ল- আল্লাহর কিতাব এবং উত্তম পথ হ’ল মুহাম্মাদ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রদর্শিত পথ। অতীব নিকৃষ্ট বিষয় হ’ল (ধর্মের মধ্যে) নতুন উদ্ভাবন (বিদ'আত)। প্রতিটি বিদ'আদ ভ্রষ্ট। তিনি আরো বলতেনঃ আমি প্রত্যেক মু'মিন ব্যক্তির জন্য তার নিজের থেকে অধিক উত্তম (কল্যাণকামী)। কোন ব্যক্তি সম্পদ রেখে গেলে তা তার পরিবার-পরিজনের প্রাপ্য। আর কোন ব্যক্তি ঋণ অথবা অসহায় সন্তান রেখে গেলে সেগুলোর দায়িত্ব আমার। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৭৫, ইসলামীক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ৭৭
Sahih
وَحَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ هِلاَلٍ، قَالَ قَالَ أَبُو رِفَاعَةَ انْتَهَيْتُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يَخْطُبُ قَالَ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ رَجُلٌ غَرِيبٌ جَاءَ يَسْأَلُ عَنْ دِينِهِ لاَ يَدْرِي مَا دِينُهُ - قَالَ - فَأَقْبَلَ عَلَىَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَتَرَكَ خُطْبَتَهُ حَتَّى انْتَهَى إِلَىَّ فَأُتِيَ بِكُرْسِيٍّ حَسِبْتُ قَوَائِمَهُ حَدِيدًا - قَالَ - فَقَعَدَ عَلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَجَعَلَ يُعَلِّمُنِي مِمَّا عَلَّمَهُ اللَّهُ ثُمَّ أَتَى خُطْبَتَهُ فَأَتَمَّ آخِرَهَا .
শায়বান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ..... আবূ রিফা'আহ (রাযিঃ) বলেন, আমি যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট পৌঁছলাম, তখন তিনি খুতবাহ দিচ্ছিলেন। বর্ণনাকার বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! এক আগন্তুক তার দীন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে এসেছে। সে জানে না তার দীন কি? বর্ণনাকারী বলেন, একটি চেয়ার আনা হ’ল, মনে হয় এর পায়াগুলো ছিল লোহার। বর্ণনাকারী বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাতে বসে আল্লাহ তাকে যা শিখিয়েছেন তা আমাকে শিক্ষা দিতে লাগলেন, অতঃপর এসে তার অবশিষ্ট খুতবাহ শেষ করেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৯৫, ইসলামীক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ৭৮
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Sahih
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَمْرٌو النَّاقِدُ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ قَالُوا
حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ قَالَ
أَبُو الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم
" تَسَمَّوْا بِاسْمِي وَلاَ تَكَنَّوْا بِكُنْيَتِي " . قَالَ عَمْرٌو عَنْ
أَبِي هُرَيْرَةَ وَلَمَ يَقُلْ سَمِعْتُ .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, ইবনু নুমায়র ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... উম্মু সালামাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন আবূ সালামাহ (রাযিঃ) ইনতিকাল করলেন আমি (আক্ষেপ করলাম) বললাম, আহ! নির্বাসিত ব্যক্তি! আহ! বিদেশ ভূমিতে মারা গেল! আমি তার জন্য এমনভাবে (বুক ফাটিয়ে) কান্নাকাটি করব যা মানুষের মাঝে চর্চা হতে থাকবে। আমি কান্নার জন্যে প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, এমন সময় একজন মহিলা আমাকে সঙ্গ দেয়ার মনোভাব নিয়ে মাদীনায় উঁচু এলাকা থেকে আসলেন এমন সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সামনে এগিয়ে এসে বললেনঃ আরে! তুমি কি শাইতানকে ঐ ঘরে ঢুকাতে চাচ্ছ যেখান থেকে মহান আল্লাহ তাকে দু’বার তাড়িয়ে দিয়েছেন? (উম্মু সালামাহ বলেন) এ কথা শুনামাত্র আমি কান্না বন্ধ করলাম এবং আর কাঁদলাম না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০০৩, ইসলামীক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ৭৯
Al-Bara' Bin 'azib
Sahih
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَجَعْفَرُ بْنُ حُمَيْدٍ، قَالَ جَعْفَرٌ حَدَّثَنَا وَقَالَ، يَحْيَى أَخْبَرَنَا
عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ إِيَادِ بْنِ لَقِيطٍ، عَنْ إِيَادٍ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله
عليه وسلم " كَيْفَ تَقُولُونَ بِفَرَحِ رَجُلٍ انْفَلَتَتْ مِنْهُ رَاحِلَتُهُ تَجُرُّ زِمَامَهَا بِأَرْضٍ قَفْرٍ لَيْسَ
بِهَا طَعَامٌ وَلاَ شَرَابٌ وَعَلَيْهَا لَهُ طَعَامٌ وَشَرَابٌ فَطَلَبَهَا حَتَّى شَقَّ عَلَيْهِ ثُمَّ مَرَّتْ بِجِذْلِ شَجَرَةٍ
فَتَعَلَّقَ زِمَامُهَا فَوَجَدَهَا مُتَعَلِّقَةً بِهِ " . قُلْنَا شَدِيدًا يَا رَسُولَ اللَّهِ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى
الله عليه وسلم " أَمَا وَاللَّهِ لَلَّهُ أَشَدُّ فَرَحًا بِتَوْبَةِ عَبْدِهِ مِنَ الرَّجُلِ بِرَاحِلَتِهِ " . قَالَ جَعْفَرٌ
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ إِيَادٍ عَنْ أَبِيهِ .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া আত তামীমী ও কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহিমাহুমাল্লাহ) ...... আবূ কাতাদাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞেস করল, আপনি কিভাবে সওম পালন করেন? তার এ কথায় রসূলুল্লাহ অসন্তুষ্ট হলেন। উমর (রাযিঃ) তার অসন্তোষ লক্ষ্য করে বললেন, “আমরা আল্লাহর উপর (আমাদের) প্রতিপালক হিসেবে, ইসলামের উপর (আমাদের) দীন হিসেবে এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর আমাদের নবী হিসেবে আমরা সন্তুষ্ট। আমরা আল্লাহর কাছে তার ও তার রসূলের অসন্তোষ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি।” “উমর (রাযিঃ) কথাটি বার বার আওড়াতে থাকলেন, এমনকি শেষ পর্যন্ত রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অসন্তোষের ভাব দূরীভূত হল। তখন উমর (রাযিঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! যে ব্যক্তি সারা বছর সওম পালন করে তার অবস্থা কিরূপ? তিনি বললেন, সে সওম পালন করেনি এবং ছেড়েও দেয়নি। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, যে পর্যায়ক্রমে দু'দিন সওম পালন করে ও একদিন সওম ত্যাগ করে, তার অবস্থা কীরূপ? তিনি বললেন, এ সামর্থ্য কার আছে? (অর্থাৎ সামর্থ্য) থাকলে বেশ ভাল কথা। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, যে ব্যক্তি একদিন পর একদিন সওম পালন করে তার অবস্থা কিরূপ? তিনি বললেন, এটা দাউদ (আঃ) এর সওম। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, যে একদিন সওম পালন করে ও একদিন করে না, তার অবস্থা কিরূপ? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি আশা করি যে, আমার এতটা শক্তি হোক। তিনি পুনরায় বললেন, প্রতি মাসে তিনদিন সওম পালন করা এবং রমাযান মাসের সওম এক রমাযান থেকে পরবর্তী রমাযান পর্যন্ত সারা বছর সওম পালনের সমান। আর আরাফাহ দিবসের সওম সম্পর্কে আমি আল্লাহর কাছে আশাবাদী যে, তাতে পূর্ববর্তী বছর ও পরবর্তী বছরের গুনাহের ক্ষতিপূরণ হয়ে যাবে। আর আশুরার সওম সম্পর্কে আমি আল্লাহর কাছে আশাবাদী যে, তাতে পূর্ববর্তী বছরের গুনাহসমূহের কাফফারাহ হয়ে যাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬১৩, ইসলামীক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম : ৮০
Sahih
حَدَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ أَبِي الشَّعْثَاءِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مَسْرُوقٍ، قَالَ قَالَتْ عَائِشَةُ دَخَلَ عَلَىَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَعِنْدِي رَجُلٌ قَاعِدٌ فَاشْتَدَّ ذَلِكَ عَلَيْهِ وَرَأَيْتُ الْغَضَبَ فِي وَجْهِهِ قَالَتْ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهُ أَخِي مِنَ الرَّضَاعَةِ . قَالَتْ فَقَالَ " انْظُرْنَ إِخْوَتَكُنَّ مِنَ الرَّضَاعَةِ فَإِنَّمَا الرَّضَاعَةُ مِنَ الْمَجَاعَةِ
হান্নাদ ইবনু আস সারী (রহঃ) ..... আয়েশা (রাঃ) বলেন, একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট এলেন তখন আমার নিকট একজন পুরুষ উপবিষ্ট ছিলেন। তাতে তার মন অতি ভারাক্রান্ত হয় এবং আমি তার চেহারায় ক্রোধের আলামত দেখতে পেলাম। তিনি বলেন, আমি তখন বললামঃ হে আল্লাহর রসূল! এ ব্যক্তি আমার দুধভাই। তিনি বলেন, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কারা তোমাদের দুধ ভাই, তা তোমরা ভাল করে দেখে নিও। কেননা রযা'আহ সাবিত হয় যখন দুধপানের দ্বারা সন্তানের ক্ষুধা নিবারিত হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৭১, ইসলামীক সেন্টার)