সুনানে আন-নাসায়ী — হাদিস #২৩৮৫১
হাদিস #২৩৮৫১
أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ أَنْبَأَنَا جَرِيرٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَاتَبَتْ بَرِيرَةُ عَلَى نَفْسِهَا بِتِسْعِ أَوَاقٍ فِي كُلِّ سَنَةٍ بِأُوقِيَّةٍ فَأَتَتْ عَائِشَةَ تَسْتَعِينُهَا فَقَالَتْ لاَ إِلاَّ أَنْ يَشَاءُوا أَنْ أَعُدَّهَا لَهُمْ عَدَّةً وَاحِدَةً وَيَكُونُ الْوَلاَءُ لِي . فَذَهَبَتْ بَرِيرَةُ فَكَلَّمَتْ فِي ذَلِكَ أَهْلَهَا فَأَبَوْا عَلَيْهَا إِلاَّ أَنْ يَكُونَ الْوَلاَءُ لَهُمْ فَجَاءَتْ إِلَى عَائِشَةَ وَجَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عِنْدَ ذَلِكَ فَقَالَتْ لَهَا مَا قَالَ أَهْلُهَا فَقَالَتْ لاَهَا اللَّهِ إِذًا إِلاَّ أَنْ يَكُونَ الْوَلاَءُ لِي . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَا هَذَا " . فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ بَرِيرَةَ أَتَتْنِي تَسْتَعِينُ بِي عَلَى كِتَابَتِهَا فَقُلْتُ لاَ إِلاَّ أَنْ يَشَاءُوا أَنْ أَعُدَّهَا لَهُمْ عَدَّةً وَاحِدَةً وَيَكُونُ الْوَلاَءُ لِي فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لأَهْلِهَا فَأَبَوْا عَلَيْهَا إِلاَّ أَنْ يَكُونَ الْوَلاَءُ لَهُمْ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " ابْتَاعِيهَا وَاشْتَرِطِي لَهُمُ الْوَلاَءَ فَإِنَّ الْوَلاَءَ لِمَنْ أَعْتَقَ " . ثُمَّ قَامَ فَخَطَبَ النَّاسَ فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ ثُمَّ قَالَ " مَا بَالُ أَقْوَامٍ يَشْتَرِطُونَ شُرُوطًا لَيْسَتْ فِي كِتَابِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ يَقُولُونَ أَعْتِقْ فُلاَنًا وَالْوَلاَءُ لِي كِتَابُ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ أَحَقُّ وَشَرْطُ اللَّهِ أَوْثَقُ وَكُلُّ شَرْطٍ لَيْسَ فِي كِتَابِ اللَّهِ فَهُوَ بَاطِلٌ وَإِنْ كَانَ مِائَةَ شَرْطٍ " . فَخَيَّرَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ زَوْجِهَا وَكَانَ عَبْدًا فَاخْتَارَتْ نَفْسَهَا . قَالَ عُرْوَةُ فَلَوْ كَانَ حُرًّا مَا خَيَّرَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
ইসহাক ইবন ইবরাহীম (রহঃ) ... আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বারীরা নিজের ব্যাপারে তার মালিকের কাছ থেকে দাসত্বের মুক্তি চুক্তি লিখিয়ে নেয় যে, সে নয় বছরে তার মালিককে নয় আউকিয়া প্রতি বছর এক উকিয়া করে আদায় করলে, সে তাকে মুক্ত করে দেবে। এরপর সে আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট সাহায্য প্রার্থ হয়ে আগমন করলে তিনি বলেন, না, তবে যদি তারা চায়, তাহলে আমি তাদেরকে একত্রে সব পাওনা আদায় করে দেব। আর মীরাছ হবে আমার জন্য। বাবীরা এরপর তার মালিকদের নিকট গিয়ে এ ব্যাপারে তাদের সাথে আলোচনা করলে তারা তা মানলো না। তারা বললো, মীরাছ আমাদের থাকবে। তখন বারীরা (রাঃ) আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট এসে তার মালিক যা বলেছে, তা তাঁকে বললেন। ইত্যাবসরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আগমন করেন। আয়েশা (রাঃ) বললেনঃ তা হয় না, মীরাছ আমারই থাকবে। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কি ব্যাপার? তিনি বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! বারীরা তার মালিকের দাসত্ব মুক্তির অর্থ আদায়ের ব্যাপারে আমার নিকট সাহায্য চাইলে, আমি বললামঃ না, তা হবে না, যদি তারা ইচ্ছা করে, তবে আমি একসঙ্গে তাদের পাওনা আদায় করে দেব, কিন্তু মীরাছ আমার থাকবে। সে তার মালিকের নিকট একথা বললে তারা তা মানতে অস্বীকার করে এবং বলে, মীরাছ আমাদের থাকবে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি তাকে ক্রয় করে নাও তাদের জন্য মীরাছের শর্তে। কেননা, মীরাছ যে মুক্ত করবে তারই থাকবে। এরপর তিনি দাঁড়িয়ে লোকদের সামনে ভাষণ দিতে গিয়ে আল্লাহর হামদ ও প্রশংসা বর্ণনার পর বললেনঃ মানুষের কী হলো, তারা এমন এমন শর্ত করে যা আল্লাহর কিতাবে নেই। তারা বলেঃ অমুককে মুক্ত করে তার মীরাছ আমি পাব। আল্লাহর কিতাব অধিক সত্য। আল্লাহ্ তা'আলা যে শর্ত ঠিক করেছেন, তা খুবই মজবুত। আর যে শর্ত আল্লাহর কিতাবে নেই, তা বাতিল, অসত্য। যদিও তা একশত শর্তও হয়। এরপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারীরা (রাঃ)-কে তার স্বামীর ব্যাপারে ইখতিয়ার প্রদান করেন, আর সে ছিল দাস। তখন সে নিজের স্বামীকে ছেড়ে দেয়। উরওয়া (রহঃ) বলেনঃ যদি তার স্বামী স্বাধীন হতো তাহলে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ইখতিয়ার দিতেন না।
বর্ণনাকারী
It Was
উৎস
সুনানে আন-নাসায়ী # ২৭/৩৪৫১
গ্রেড
Sahih
বিভাগ
অধ্যায় ২৭: তালাক