Jihad সম্পর্কে হাদিস

৩২৭ টি প্রামাণিক হাদিস পাওয়া গেছে

সুনান আবু দাউদ : ১২১
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
Daif
حَدَّثَنَا ​سَعِيدُ ‌بْنُ ​مَنْصُورٍ، ‌حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ بُرْقَانَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي نُشْبَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ "‏ ثَلاَثَةٌ مِنْ أَصْلِ الإِيمَانِ ‏:‏ الْكَفُّ عَمَّنْ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَلاَ تُكَفِّرْهُ بِذَنْبٍ وَلاَ تُخْرِجْهُ مِنَ الإِسْلاَمِ بِعَمَلٍ، وَالْجِهَادُ مَاضٍ مُنْذُ بَعَثَنِيَ اللَّهُ إِلَى أَنْ يُقَاتِلَ آخِرُ أُمَّتِي الدَّجَّالَ لاَ يُبْطِلُهُ جَوْرُ جَائِرٍ وَلاَ عَدْلُ عَادِلٍ، وَالإِيمَانُ بِالأَقْدَارِ ‏"‏ ‏.‏
আনাস ​ইবনু ‌মালিক ​(রাঃ) ‌সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তিনটি বিষয় ঈমানের মূলের অন্তর্ভুক্ত। (এক) যে ব্যক্তি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ পড়বে তার ক্ষতি করা থেকে বিরত থাকা, কোনো গুনাহের কারণে তাকে কুফরীর দিকে ঠেলে না দেয়া এবং (শারী‘আত বিরোধী) কোনো কাজের কারণে তাকে ইসলাম থেকে বহিষ্কার না করা। (দুই) আমাকে (রাসূল করে) প্রেরণের সময় থেকে জিহাদ চালু রয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে। অবশেষে উম্মাতের জিহাদকারী সর্বশেষ দল দাজ্জালের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হবে। কোনো অত্যাচারি শাসকের অত্যাচার অথবা কোনো ন্যায়পরায়ণ শাসকের ইনসাফ এটাকে রহিত করতে পারবে না। (তিন) তাকদীরের প্রতি বিশ্বাস রাখা।
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সুনান আবু দাউদ #২৫৩২ Daif
সুনান আবু দাউদ : ১২২
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Daif
حَدَّثَنَا ​أَحْمَدُ ‌بْنُ ​صَالِحٍ، ​حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، حَدَّثَنِي مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ، عَنِ الْعَلاَءِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ "‏ الْجِهَادُ وَاجِبٌ عَلَيْكُمْ مَعَ كُلِّ أَمِيرٍ بَرًّا كَانَ أَوْ فَاجِرًا، وَالصَّلاَةُ وَاجِبَةٌ عَلَيْكُمْ خَلْفَ كُلِّ مُسْلِمٍ بَرًّا كَانَ أَوْ فَاجِرًا وَإِنْ عَمِلَ الْكَبَائِرَ، وَالصَّلاَةُ وَاجِبَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ بَرًّا كَانَ أَوْ فَاجِرًا وَإِنْ عَمِلَ الْكَبَائِرَ ‏"‏ ‏.‏
আবূ ​হুরাইরাহ ‌(রাঃ) ​সূত্রে ​বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ প্রত্যেক শাসকের নেতৃত্বে জিহাদ করা তোমাদের ওপর ওয়াজিব- চাই সে সৎ হোক বা অসৎ। প্রত্যেক মুসলিমের পিছনে সালাত আদায় তোমাদের ওপর ওয়াজিব, চাই সে সৎ হোক বা অসৎ, এমন কি সে কবীরাহ গুনাহ করলেও। প্রত্যেক (মৃত) মুসলিমের জানাযা পড়া ওয়াজিব, চাই সে নেককার হোক অথবা পাপী, এমন কি সে কবীরাহ গুনাহ করলেও।
আবু হুরায়রা (রাঃ) সুনান আবু দাউদ #২৫৩৩ Daif
সুনান আবু দাউদ : ১২৩
মুআয বিন আনাস আল-জুহানী (রা.)
Hasan
حَدَّثَنَا ​سَعِيدُ ‌بْنُ ​مَنْصُورٍ، ​حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ أَسِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْخَثْعَمِيِّ، عَنْ فَرْوَةَ بْنِ مُجَاهِدٍ اللَّخْمِيِّ، عَنْ سَهْلِ بْنِ مُعَاذِ بْنِ أَنَسٍ الْجُهَنِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ غَزَوْتُ مَعَ نَبِيِّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم غَزْوَةَ كَذَا وَكَذَا فَضَيَّقَ النَّاسُ الْمَنَازِلَ وَقَطَعُوا الطَّرِيقَ فَبَعَثَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مُنَادِيًا يُنَادِي فِي النَّاسِ أَنَّ مَنْ ضَيَّقَ مَنْزِلاً أَوْ قَطَعَ طَرِيقًا فَلاَ جِهَادَ لَهُ ‏.‏
সাহল ​ইবনু ‌মু‘আয ​ইবনু ​আনাস আল-জুহানীর থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি (মু‘আয) বলেন, আমি আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে অমুক অমুক যুদ্ধে যোগদান করেছি। একদা সৈনিকেরা (বিক্ষিপ্তভাবে তাঁবু ফেলে) স্থান সংকীর্ণ ও পথ বন্ধ করে দিয়েছিলো। আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সাহাবীকে লোকদের মাঝে ঘোষণা দেয়ার জন্য প্রেরণ করলেনঃ যে লোক স্থান সংকীর্ণ করেছে এবং যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে, তার জিহাদ নেই।
মুআয বিন আনাস আল-জুহানী (রা.) সুনান আবু দাউদ #২৬২৯ Hasan
সুনান আবু দাউদ : ১২৪
জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌الْحَسَنُ ​بْنُ ​الصَّبَّاحِ، ​حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - يَعْنِي ابْنَ عَبْدِ الْكَرِيمِ - حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، - يَعْنِي ابْنَ عَقِيلِ بْنِ مُنَبِّهٍ - عَنْ أَبِيهِ، عَنْ وَهْبٍ، قَالَ سَأَلْتُ جَابِرًا عَنْ شَأْنِ، ثَقِيفٍ إِذْ بَايَعَتْ قَالَ اشْتَرَطَتْ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنْ لاَ صَدَقَةَ عَلَيْهَا وَلاَ جِهَادَ وَأَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم بَعْدَ ذَلِكَ يَقُولُ ‏ "‏ سَيَتَصَدَّقُونَ وَيُجَاهِدُونَ إِذَا أَسْلَمُوا ‏"‏ ‏.‏
ওয়াহব ‌(রহঃ) ​সূত্রে ​বর্ণিত। ​তিনি বলেন, আমি জাবির (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করি, বনূ সাক্বীফ যখন বাই‘আত গ্রহণ করলো, তখন তারা কি কি শর্ত আরোপ করেছিলো? তিনি বললেন, তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এ শর্তের উপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে বাই‘আত নিলো যে, তারা যাকাত দিবে না এবং জিহাদে যোগদান করবে না। এরপর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনছেনঃ তারা যখন ইসলাম গ্রহণ করবে তখন যাকাত দিবে, জিহাদও যোগদান করবে।
জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সুনান আবু দাউদ #৩০২৫ Sahih
সুনান আবু দাউদ : ১২৫
Uthman Ibn Abulas
Daif
حَدَّثَنَا ​أَحْمَدُ ‌بْنُ ‌عَلِيِّ ‌بْنِ سُوَيْدٍ، - يَعْنِي ابْنَ مَنْجُوفٍ - حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي الْعَاصِ، أَنَّ وَفْدَ، ثَقِيفٍ لَمَّا قَدِمُوا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْزَلَهُمُ الْمَسْجِدَ لِيَكُونَ أَرَقَّ لِقُلُوبِهِمْ فَاشْتَرَطُوا عَلَيْهِ أَنْ لاَ يُحْشَرُوا وَلاَ يُعْشَرُوا وَلاَ يُجَبُّوا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لَكُمْ أَنْ لاَ تُحْشَرُوا وَلاَ تُعْشَرُوا وَلاَ خَيْرَ فِي دِينٍ لَيْسَ فِيهِ رُكُوعٌ ‏"‏ ‏.‏
উসমান ​ইবনু ‌আবুল ‌আস ‌(রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বনূ সাক্বীফের প্রতিনিধি দল এলে তিনি তাদেরকে মসজিদে অবস্থান করালেন, যেন তাদের মন নরম হয়। তারা তাঁর প্রতি শর্ত আরোপ করলো যে, তাদেরকে যুদ্ধে যেতে বাধ্য করা যাবে না, তাদের কাছ থেকে উশর আদায় করা যাবে না এবং তাদেরকে সালাত আদায়ে বাধ্য করা যাবে না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ মুহূর্তে তোমাদের জন্য যুদ্ধে যোগদান ও উশর দেয়া বাধ্যতামূলক নয়। তবে যে দীনের মধ্যে রুকূ (সালাত) নেই তাতে কল্যাণ নেই।
Uthman Ibn Abulas সুনান আবু দাউদ #৩০২৬ Daif
সুনান আবু দাউদ : ১২৬
জাবির ইবনে আতিক (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ​الْقَعْنَبِيُّ، ​عَنْ ‌مَالِكٍ، ​عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَابِرِ بْنِ عَتِيكٍ، عَنْ عَتِيكِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ عَتِيكٍ، - وَهُوَ جَدُّ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَبُو أُمِّهِ - أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّ عَمَّهُ جَابِرَ بْنَ عَتِيكٍ أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم جَاءَ يَعُودُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ ثَابِتٍ فَوَجَدَهُ قَدْ غُلِبَ فَصَاحَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَلَمْ يُجِبْهُ فَاسْتَرْجَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ ‏"‏ غُلِبْنَا عَلَيْكَ يَا أَبَا الرَّبِيعِ ‏"‏ ‏.‏ فَصَاحَ النِّسْوَةُ وَبَكَيْنَ فَجَعَلَ ابْنُ عَتِيكٍ يُسْكِتُهُنَّ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ دَعْهُنَّ فَإِذَا وَجَبَ فَلاَ تَبْكِيَنَّ بَاكِيَةٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا وَمَا الْوُجُوبُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ ‏"‏ الْمَوْتُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتِ ابْنَتُهُ وَاللَّهِ إِنْ كُنْتُ لأَرْجُو أَنْ تَكُونَ شَهِيدًا فَإِنَّكَ كُنْتَ قَدْ قَضَيْتَ جِهَازَكَ ‏.‏ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ قَدْ أَوْقَعَ أَجْرَهُ عَلَى قَدْرِ نِيَّتِهِ وَمَا تَعُدُّونَ الشَّهَادَةَ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا الْقَتْلَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ‏.‏ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ الشَّهَادَةُ سَبْعٌ سِوَى الْقَتْلِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ الْمَطْعُونُ شَهِيدٌ وَالْغَرِقُ شَهِيدٌ وَصَاحِبُ ذَاتِ الْجَنْبِ شَهِيدٌ وَالْمَبْطُونُ شَهِيدٌ وَصَاحِبُ الْحَرِيقِ شَهِيدٌ وَالَّذِي يَمُوتُ تَحْتَ الْهَدْمِ شَهِيدٌ وَالْمَرْأَةُ تَمُوتُ بِجُمْعٍ شَهِيدٌ ‏"‏ ‏.‏
জাবির ​ইবনু ​আতীক ‌(রাঃ) ​সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আব্দুল্লাহ ইবনু সাবিত (রাঃ)-এর মুমূর্ষ অবস্থায় তাকে দেখতে যান। তিনি দেখলেন, সে বেহুঁশ অবস্থায় রয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে সশব্দে ডাকলেন। কিন্তু তিনি তাঁর ডাকে সাড়া দিতে পারলেন না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’’ পাঠ করলেন। তিনি বললেনঃ হে আবুর রাবী’! ‘আমরা তোমার ব্যাপারে পরাজিত। এতে মহিলারা চিৎকার করলো এবং কাঁদতে লাগলো। ইবনু আতীক (রহঃ) তাদেরকে থামাতে চেষ্টা করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলরেন তাদের ছেড়ে দাও। ওয়াজিব হয়ে গেলে কোনো ক্রন্দনকারিণীই কাঁদবে না। সাহাবীরা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! ওয়াজিবের তাৎপর্য কি? তিনি বললেনঃ মৃত্যু। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু সাবিতের কন্যা বললো, আল্লাহর শপথ! আমি মনে করেছিলাম, (হে আমার পিতা) তুমি শহীদ হবে। কারণ তুমি জিহাদের সরঞ্জাম সংগ্রহ করেছিলে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ মহামহিম আল্লাহ নিশ্চয়ই তার নিয়্যাত অনুযায়ী প্রতিদানের ব্যবস্থা করে রেখেছেন। তোমরা কাকে শহীদ বলে গণ্য করো? তারা বললেন, আল্লাহর পথে (যুদ্ধে) নিহত ব্যক্তিকে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহর পথে যুদ্ধকারী শহীদ, পানিতে ডুবে নিহত ব্যক্তি শহীদ, চাপা পড়ে নিহত ব্যক্তি শহীদ এবং প্রসবকালীন কষ্টে নিহত নারী শহীদ। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘আল-জুমউ’ অর্থ গর্ভবর্তী মহিলা।
জাবির ইবনে আতিক (রাঃ) সুনান আবু দাউদ #৩১১১ Sahih
সুনান আবু দাউদ : ১২৭
আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ​سُلَيْمَانُ ​بْنُ ‌دَاوُدَ ‌الْمَهْرِيُّ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي حَيْوَةُ بْنُ شُرَيْحٍ، ح وَحَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُسَافِرٍ التِّنِّيسِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَحْيَى الْبُرُلُّسِيُّ، حَدَّثَنَا حَيْوَةُ بْنُ شُرَيْحٍ، عَنْ إِسْحَاقَ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، - قَالَ سُلَيْمَانُ عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْخُرَاسَانِيِّ، - أَنَّ عَطَاءً الْخُرَاسَانِيَّ، حَدَّثَهُ أَنَّ نَافِعًا حَدَّثَهُ عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ إِذَا تَبَايَعْتُمْ بِالْعِينَةِ وَأَخَذْتُمْ أَذْنَابَ الْبَقَرِ وَرَضِيتُمْ بِالزَّرْعِ وَتَرَكْتُمُ الْجِهَادَ سَلَّطَ اللَّهُ عَلَيْكُمْ ذُلاًّ لاَ يَنْزِعُهُ حَتَّى تَرْجِعُوا إِلَى دِينِكُمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ الإِخْبَارُ لِجَعْفَرٍ وَهَذَا لَفْظُهُ ‏.‏
ইবনু ​‘উমার ​(রাঃ) ‌সূত্রে ‌বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, যখন তোমরা ঈনা[1] পদ্ধতিতে ব্যবসা করবে, গরুর লেজ আঁকড়ে ধরবে, কৃষিকাজেই সন্তুষ্ট থাকবে এবং জিহাদ ছেড়ে দিবে তখন আল্লাহ তোমাদের উপর লাঞ্ছনা ও অপমান চাপিয়ে দিবেন। তোমরা তোমাদের দ্বীনে ফিরে না আসা পর্যন্ত আল্লাহ তোমাদেরকে এই অপমান থেকে মুক্তি দিবেন না।
আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সুনান আবু দাউদ #৩৪৬২ Sahih
সুনান আবু দাউদ : ১২৮
কায়েস ইবনে বিশর আল-তাগলিবি (রহ.)
Daif
حَدَّثَنَا ​هَارُونُ ​بْنُ ​عَبْدِ ​اللَّهِ، حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ، - يَعْنِي عَبْدَ الْمَلِكِ بْنَ عَمْرٍو - حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ بِشْرٍ التَّغْلِبِيِّ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبِي، - وَكَانَ جَلِيسًا لأَبِي الدَّرْدَاءِ - قَالَ كَانَ بِدِمَشْقَ رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يُقَالُ لَهُ ابْنُ الْحَنْظَلِيَّةِ وَكَانَ رَجُلاً مُتَوَحِّدًا قَلَّمَا يُجَالِسُ النَّاسَ إِنَّمَا هُوَ صَلاَةٌ فَإِذَا فَرَغَ فَإِنَّمَا هُوَ تَسْبِيحٌ وَتَكْبِيرٌ حَتَّى يَأْتِيَ أَهْلَهُ فَمَرَّ بِنَا وَنَحْنُ عِنْدَ أَبِي الدَّرْدَاءِ فَقَالَ لَهُ أَبُو الدَّرْدَاءِ كَلِمَةً تَنْفَعُنَا وَلاَ تَضُرُّكَ قَالَ بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سَرِيَّةً فَقَدِمَتْ فَجَاءَ رَجُلٌ مِنْهُمْ فَجَلَسَ فِي الْمَجْلِسِ الَّذِي يَجْلِسُ فِيهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ لِرَجُلٍ إِلَى جَنْبِهِ لَوْ رَأَيْتَنَا حِينَ الْتَقَيْنَا نَحْنُ وَالْعَدُوُّ فَحَمَلَ فُلاَنٌ فَطَعَنَ فَقَالَ خُذْهَا مِنِّي وَأَنَا الْغُلاَمُ الْغِفَارِيُّ كَيْفَ تَرَى فِي قَوْلِهِ قَالَ مَا أُرَاهُ إِلاَّ قَدْ بَطَلَ أَجْرُهُ فَسَمِعَ بِذَلِكَ آخَرُ فَقَالَ مَا أَرَى بِذَلِكَ بَأْسًا فَتَنَازَعَا حَتَّى سَمِعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏"‏ سُبْحَانَ اللَّهِ لاَ بَأْسَ أَنْ يُؤْجَرَ وَيُحْمَدَ ‏"‏ ‏.‏ فَرَأَيْتُ أَبَا الدَّرْدَاءِ سُرَّ بِذَلِكَ وَجَعَلَ يَرْفَعُ رَأْسَهُ إِلَيْهِ وَيَقُولُ أَنْتَ سَمِعْتَ ذَلِكَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَيَقُولُ نَعَمْ ‏.‏ فَمَا زَالَ يُعِيدُ عَلَيْهِ حَتَّى إِنِّي لأَقُولُ لَيَبْرُكَنَّ عَلَى رُكْبَتَيْهِ ‏.‏ قَالَ فَمَرَّ بِنَا يَوْمًا آخَرَ فَقَالَ لَهُ أَبُو الدَّرْدَاءِ كَلِمَةً تَنْفَعُنَا وَلاَ تَضُرُّكَ قَالَ قَالَ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ الْمُنْفِقُ عَلَى الْخَيْلِ كَالْبَاسِطِ يَدَهُ بِالصَّدَقَةِ لاَ يَقْبِضُهَا ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ مَرَّ بِنَا يَوْمًا آخَرَ فَقَالَ لَهُ أَبُو الدَّرْدَاءِ كَلِمَةً تَنْفَعُنَا وَلاَ تَضُرُّكَ ‏.‏ قَالَ قَالَ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ نِعْمَ الرَّجُلُ خُرَيْمٌ الأَسَدِيُّ لَوْلاَ طُولُ جُمَّتِهِ وَإِسْبَالُ إِزَارِهِ ‏"‏ ‏.‏ فَبَلَغَ ذَلِكَ خُرَيْمًا فَعَجِلَ فَأَخَذَ شَفْرَةً فَقَطَعَ بِهَا جُمَّتَهُ إِلَى أُذُنَيْهِ وَرَفَعَ إِزَارَهُ إِلَى أَنْصَافِ سَاقَيْهِ ‏.‏ ثُمَّ مَرَّ بِنَا يَوْمًا آخَرَ فَقَالَ لَهُ أَبُو الدَّرْدَاءِ كَلِمَةً تَنْفَعُنَا وَلاَ تَضُرُّكَ فَقَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏"‏ إِنَّكُمْ قَادِمُونَ عَلَى إِخْوَانِكُمْ فَأَصْلِحُوا رِحَالَكُمْ وَأَصْلِحُوا لِبَاسَكُمْ حَتَّى تَكُونُوا كَأَنَّكُمْ شَامَةٌ فِي النَّاسِ فَإِنَّ اللَّهَ لاَ يُحِبُّ الْفُحْشَ وَلاَ التَّفَحُّشَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَكَذَلِكَ قَالَ أَبُو نُعَيْمٍ عَنْ هِشَامٍ قَالَ حَتَّى تَكُونُوا كَالشَّامَةِ فِي النَّاسِ ‏.‏
কায়িস ​ইবনু ​বিশর ​আত-তাগলিবী ​(রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার পিতা আমার কাছে বর্ণনা করেন, তিনি আবূ দারদা (রাঃ) সঙ্গী ছিলেন। তিনি বলেন, সে সময় দামিশকে ইবনুল ‘হানযালিয়া’ (রাঃ) নামে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এক সাহাবী বাস করতেন, যিনি নিঃসঙ্গ থাকতেন, সালাত শেষ হলে তাসবীহ-তাহলীলে মশগুল হতেন, এরপর বাড়ি ফিরে যেতেন। তিনি বলেন, একদা আমরা আবূ দারদা (রাঃ)-এর নিকট বসা, তখন তিনি আমাদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। আবূ দারদা (রাঃ) তাকে বললেন. আপনি এমন একটি কথা শুনান যা আমাদের উপকারে আসবে, অথচ আপনার ক্ষতি হবে না। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো অভিযানে একটি বাহিনী পাঠালেন। বাহিনী যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ফেরার পর তাদের এক ব্যক্তি এসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্থানে বসে পড়লো এবং তার পাশের এক ব্যক্তিকে বললো, যদি তুমি দেখতে, আমরা যখন শত্রুবাহিনীর মুখোমুখী হই, তখন অমুক কোনো শত্রুর উপর বর্শা নিক্ষেপ করলো, আর শত্রুকে বললো, এবার সামাল দাও দেখি এই বর্শাটা, আমি তো গিফার বংশের ছেলে। সে বললো, আমার মতে তার নেকী বিনষ্ট হয়েছে। আরেকজন তার এ মন্তব্য শুনে বললো, আমার মতে তার কোনো দোষ হবে না। অতঃপর তারা এ নিয়ে কথা ঝগড়ায় লিপ্ত হলো। এমন কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একথা শুনতে পেয়ে বললেনঃ আল্লাহ পবিত্র, সওয়াব পাওয়াতে এবং প্রশংসিত হওয়াতে কোনো দোষ নেই। আমি আবূ দারদা (রাঃ)-কে খুশী হতে দেখলাম। তিনি তার দিকে তাকিয়ে বলতে লাগলেন, আপনি এটা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি বারবার একথা বলতে লাগলেন। অবশেষে আমি বললাম, তিনি হয় তো তার হাঁটুদ্বয়ে চেপে বসবেন। তিনি বলেন, আরেকদিন তিনি আমাদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন আবূ দারদা (রাঃ) তাকে অনুরোধ করলেন, আপনি এমন কিছু বলুন যা আমাদের উপকারে আসে; কিন্তু আপনার কোনো ক্ষতি হবে না। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বলেনঃ ঘোড়ার জন্য খরচকারী খোলা হাতে সাদাকাহকারীর মতো যে দান করা থেকে বিরত হয় না। অতঃপর আরেক দিন তিনি আমাদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। আবূ দারদা (রাঃ) তাকে বললেন, আপনি এমন একটি কথা বলুন যা আমাদের উপকারে আসে; কিন্তু আপনার ক্ষতি হবে না। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে বলেছেনঃ খুরাইম আল-আসাদী অত্যন্ত ভালো মানুষ, তবে তার চুলের গোছা যদি লম্বা না হতো এবং টাখনুর নীচে লুঙ্গি ঝুলিয়ে না পরতো। তাঁর এ মন্তব্য শুনে খুরাইম (রাঃ) সাথে সাতে একটি বড়ো ছুরি নিয়ে বাবরি চুল কেটে তা কানের লতি পর্যন্ত রাখেন, আর পায়ের টাখনুর অর্ধেক পর্যন্ত পরিধেয় বস্ত্র উঠিয়ে পরতে শুরু করেন। অতঃপর আরেকদিন তিনি আমাদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় আবূ দারদা (রাঃ) তাকে অনুরোধ জানালেন, আপনি আমাদের এমন একটি কথা বলুন, যা আমাদের উপকারে আসে; কিন্তু আপনার ক্ষতি হবে না। তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ (যেহেতু) তোমরা তোমাদের ভাইদের নিকট যাচ্ছো, কাজেই তোমাদের বাহনগুলো ঠিকঠাক করে নাও এবং পোশাক পরিপাটি করো, তোমরা যেন সমাজের কেন্দ্রবিন্দু। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ কদর্য ও অশ্লীলতা পছন্দ করেন না। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আবূ নু‘আইম হিশাম সূত্রে এরূপ বর্ণনাই করেছেনঃ ‘‘তোমরা এমন পরিপাটি হও, যেন তোমরা লোকসমাজে তিলক চিহ্ন।’’[1] দুর্বল।
কায়েস ইবনে বিশর আল-তাগলিবি (রহ.) সুনান আবু দাউদ #৪০৮৯ Daif
সুনান আবু দাউদ : ১২৯
আবুসাইদ আল-খুদরি (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ​مُحَمَّدُ ​بْنُ ​عَبَادَةَ ‌الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ، - يَعْنِي ابْنَ هَارُونَ - أَخْبَرَنَا إِسْرَائِيلُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جُحَادَةَ، عَنْ عَطِيَّةَ الْعَوْفِيِّ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أَفْضَلُ الْجِهَادِ كَلِمَةُ عَدْلٍ عِنْدَ سُلْطَانٍ جَائِرٍ ‏"‏ ‏.‏ أَوْ ‏"‏ أَمِيرٍ جَائِرٍ ‏"‏ ‏.‏
আবূ ​সাঈদ ​আল-খুদরী ​(রাঃ) ‌সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ স্বৈরাচারী বাদশা বা স্বৈরাচারী শাসকের সামনে ন্যায়সঙ্গত কথা বলা উত্তম জিহাদ।[1] সহীহ।
আবুসাইদ আল-খুদরি (রাঃ) সুনান আবু দাউদ #৪৩৪৪ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৩০
আল-ওয়ালিদ বিন আল'আয়জার (রাঃ)
Sahih
أَخْبَرَنَا ‌عَمْرُو ‌بْنُ ​عَلِيٍّ، ‌قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ أَخْبَرَنِي الْوَلِيدُ بْنُ الْعَيْزَارِ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا عَمْرٍو الشَّيْبَانِيَّ، يَقُولُ حَدَّثَنَا صَاحِبُ، هَذِهِ الدَّارِ وَأَشَارَ إِلَى دَارِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَىُّ الْعَمَلِ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ تَعَالَى قَالَ ‏ "‏ الصَّلاَةُ عَلَى وَقْتِهَا وَبِرُّ الْوَالِدَيْنِ وَالْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ ‏"‏ ‏.‏
আমর ‌ইবন ‌আলী ​(রহঃ) ‌... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) এর ঘরের দিকে নির্দেশ করে বলেন যে, এ ঘরের মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করলাম- কোন আমলটি আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়? তিনি বললেনঃ যথা সময়ে সালাত আদায় করা। মা-বাপের সাথে সদ্ব্যবহার করা এবং আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা।
আল-ওয়ালিদ বিন আল'আয়জার (রাঃ) সুনানে আন-নাসায়ী #৬১০ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৩১
It Was
Sahih
أَخْبَرَنَا ‌عَبْدُ ‌اللَّهِ ​بْنُ ​مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ النَّخَعِيُّ، سَمِعَهُ مِنْ أَبِي عَمْرٍو، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَىُّ الْعَمَلِ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ قَالَ ‏ "‏ إِقَامُ الصَّلاَةِ لِوَقْتِهَا وَبِرُّ الْوَالِدَيْنِ وَالْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ ‏"‏ ‏.‏
আবদুল্লাহ ‌ইবনু ‌মুহাম্মাদ ​(রহঃ) ​... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করলামঃ কোন আমলটি আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়? তিনি বললেনঃ যথাসময়ে সালাত আদায় করা- মা-বাপের সাথে সদ্যবহার করা এবং আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা।
It Was সুনানে আন-নাসায়ী #৬১১ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৩২
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Sahih
أَخْبَرَنِي ‌عَمْرُو ​بْنُ ​عُثْمَانَ ​بْنِ سَعِيدِ بْنِ كَثِيرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ شُعَيْبٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ أَخْبَرَنِي حُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏"‏ مَنْ أَنْفَقَ زَوْجَيْنِ مِنْ شَىْءٍ مِنَ الأَشْيَاءِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ دُعِيَ مِنْ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ يَا عَبْدَ اللَّهِ هَذَا خَيْرٌ لَكَ وَلِلْجَنَّةِ أَبْوَابٌ فَمَنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ الصَّلاَةِ دُعِيَ مِنْ بَابِ الصَّلاَةِ وَمَنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ الْجِهَادِ دُعِيَ مِنْ بَابِ الْجِهَادِ وَمَنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ الصَّدَقَةِ دُعِيَ مِنْ بَابِ الصَّدَقَةِ وَمَنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ الصِّيَامِ دُعِيَ مِنْ بَابِ الرَّيَّانِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو بَكْرٍ هَلْ عَلَى مَنْ يُدْعَى مِنْ تِلْكَ الأَبْوَابِ مِنْ ضَرُورَةٍ فَهَلْ يُدْعَى مِنْهَا كُلِّهَا أَحَدٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ ‏"‏ نَعَمْ وَإِنِّي أَرْجُو أَنْ تَكُونَ مِنْهُمْ ‏"‏ ‏.‏ يَعْنِي أَبَا بَكْرٍ ‏.‏
আমর ‌ইবন ​উসমান ​(রহঃ) ​... আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন যে, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় স্বীয় সম্পদ হতে এক জোড়া বস্তুও দান করে, তাকে জান্নাতের দরজাসমূহ হতে আহবান করা হবেঃ হে আল্লাহর বান্দা, এ তোমার জন্য উত্তম। জগন্নাতের অনেক দরজা আছে। যে সালাত আদায়কারী হবে তাকে সালাতের দরজা হতে ডাকা হবে, যে ব্যক্তি জিহাদকারী হবে তাকে জিহাদের দরজা হতে আহবান করা হবে। যে ব্যক্তি যাকাত প্ৰদানকারী হবে তাকে যাকাতের দরজা হতে আহবান করা হবে। যে ব্যক্তি সাওম পালনকারী হবে তাকে রাইয়্যান নামক দরজা হতে আহবান করা হবে। আবু বকর (রাঃ) জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! কারো কি এমন আমল থাকবে যাকে প্রত্যেক দরজা দিয়ে আহবান করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেবে? কাউকে কি প্রত্যেক দরজা দিয়েই আহবানকরা হবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ; এবং আমি আশা করি যে, তুমি তাদের মধ্য থেকেই হবে অর্থাৎ আবু বকর (রাঃ)।
আবু হুরায়রা (রাঃ) সুনানে আন-নাসায়ী #২৪৩৯ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৩৩
আবদুল্লাহ বিন হুবশী আল-খাত 'আমী (রা.)
Sahih
أَخْبَرَنَا ​عَبْدُ ​الْوَهَّابِ ​بْنُ ‌عَبْدِ الْحَكَمِ، عَنْ حَجَّاجٍ، قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي عُثْمَانُ بْنُ أَبِي سُلَيْمَانَ، عَنْ عَلِيٍّ الأَزْدِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُبْشِيٍّ الْخَثْعَمِيِّ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم سُئِلَ أَىُّ الأَعْمَالِ أَفْضَلُ قَالَ ‏"‏ إِيمَانٌ لاَ شَكَّ فِيهِ وَجِهَادٌ لاَ غُلُولَ فِيهِ وَحَجَّةٌ مَبْرُورَةٌ ‏"‏ ‏.‏ قِيلَ فَأَىُّ الصَّلاَةِ أَفْضَلُ قَالَ ‏"‏ طُولُ الْقُنُوتِ ‏"‏ ‏.‏ قِيلَ فَأَىُّ الصَّدَقَةِ أَفْضَلُ قَالَ ‏"‏ جَهْدُ الْمُقِلِّ ‏"‏ ‏.‏ قِيلَ فَأَىُّ الْهِجْرَةِ أَفْضَلُ قَالَ ‏"‏ مَنْ هَجَرَ مَا حَرَّمَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ ‏"‏ ‏.‏ قِيلَ فَأَىُّ الْجِهَادِ أَفْضَلُ قَالَ ‏"‏ مَنْ جَاهَدَ الْمُشْرِكِينَ بِمَالِهِ وَنَفْسِهِ ‏"‏ ‏.‏ قِيلَ فَأَىُّ الْقَتْلِ أَشْرَفُ قَالَ ‏"‏ مَنْ أُهْرِيقَ دَمُهُ وَعُقِرَ جَوَادُهُ ‏"‏ ‏.‏
আবদুল ​ওয়াহহাব ​ইবন ​আবদুল ‌হাকাম (রহঃ) ... আব্দুল্লাহ ইবন হুবশী খাছ'আমী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রশ্ন করা হল যে, সর্বোত্তম কাজ কোনটি? তিনি বললেন, সংশয়মুক্ত ঈমান খিয়ানত বিহীন জিহাদ, পাপমুক্ত হজ্জ। জিজ্ঞাসা করা হল যে, সর্বোত্তম সালাত কোনটি? তিনি বললেন, দীর্ঘ কিরাআত বিশিষ্ট সালাত, জিজ্ঞাসা করা হল যে, সৰ্বোত্তম সাদাকা কোনটি? তিনি বললেন, গরীবের দান। জিজ্ঞাসা করা হল যে, সর্বোত্তম হিজরত কোনটি? তিনি বললেন, আল্লাহ তা’আলার নিষিদ্ধ কাজসমূহ থেকে বিরত থাকা। প্রশ্ন করা হল যে, সর্বোত্তম জিহাদ কোনটি? তিনি বললেন, মুশরিকদের বিরুদ্ধে নিজ জানমাল নিয়ে জিহাদ করা। জিজ্ঞাসা করা হল যে, সম্মানজনক নিহত হওয়া কোনটি? তিনি বললেন, যা রক্ত প্রবাহিত করা হয়েছে এবং ঘোড়াকে হত্যা করা হয়েছে (যে ব্যক্তি জিহাদে নিজের ধন-সম্পদ ব করেছে এবং নিজের জীবন উৎসর্গ করেছে।)
আবদুল্লাহ বিন হুবশী আল-খাত 'আমী (রা.) সুনানে আন-নাসায়ী #২৫২৬ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৩৪
It Was
Sahih
أَخْبَرَنَا ‌عَمْرُو ‌بْنُ ‌مَنْصُورٍ، ​قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ ثَوْرِ بْنِ زَيْدٍ الدِّيلِيِّ، عَنْ أَبِي الْغَيْثِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ السَّاعِي عَلَى الأَرْمَلَةِ وَالْمِسْكِينِ كَالْمُجَاهِدِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ ‏"‏ ‏.‏
আমর ‌ইবন ‌মানসূর ‌(রহঃ)... ​আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বিধবা এবং মিসকীনদের জন্য উপার্জনকারী ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় জিহাদকারী ব্যক্তির ন্যায়।
It Was সুনানে আন-নাসায়ী #২৫৭৭ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৩৫
It Was
Sahih
أَخْبَرَنَا ‌مُحَمَّدُ ‌بْنُ ‌رَافِعٍ، ‌قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالَ أَنْبَأَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنِ ابْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ سَأَلَ رَجُلٌ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَىُّ الأَعْمَالِ أَفْضَلُ قَالَ ‏"‏ الإِيمَانُ بِاللَّهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ ثُمَّ مَاذَا قَالَ ‏"‏ الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ ثُمَّ مَاذَا قَالَ ‏"‏ ثُمَّ الْحَجُّ الْمَبْرُورُ ‏"‏ ‏.‏
মুহাম্মদ ‌ইবন ‌রাফি ‌(রহঃ) ‌... আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করলোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! কোন আমল সর্বোত্তম? তিনি বললেনঃ আল্লাহর ওপর ঈমান আনা। সে বললোঃ এরপর কোনটি? তিনি বললেনঃ আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা। ঐ ব্যক্তি আবার জিজ্ঞাসা করলোঃ তারপর কোনটি? তিনি বললেনঃ হজ্জে মাবরূর।
It Was সুনানে আন-নাসায়ী #২৬২৪ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৩৬
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Hasan
أَخْبَرَنِي ‌مُحَمَّدُ ‌بْنُ ​عَبْدِ ‌اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْحَكَمِ، عَنْ شُعَيْبٍ، عَنِ اللَّيْثِ، قَالَ حَدَّثَنَا خَالِدٌ، عَنِ ابْنِ أَبِي هِلاَلٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ جِهَادُ الْكَبِيرِ وَالصَّغِيرِ وَالضَّعِيفِ وَالْمَرْأَةِ الْحَجُّ وَالْعُمْرَةُ ‏"‏ ‏.‏
মুহাম্মদ ‌ইবন ‌আবদুল্লাহ্ ​ইবন ‌আবদুল হাকাম (রহঃ) ... আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বৃদ্ধ, অল্প বয়স্ক, দুর্বল এবং নারীদের জিহাদ হলো হজ্জ ও উমরাহ করা।
আবু হুরায়রা (রাঃ) সুনানে আন-নাসায়ী #২৬২৬ Hasan
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৩৭
মুমিনদের মা আয়েশা রা
Sahih
أَخْبَرَنَا ‌إِسْحَاقُ ​بْنُ ‌إِبْرَاهِيمَ، ‌قَالَ أَنْبَأَنَا جَرِيرٌ، عَنْ حَبِيبٍ، - وَهُوَ ابْنُ أَبِي عَمْرَةَ - عَنْ عَائِشَةَ بِنْتِ طَلْحَةَ، قَالَتْ أَخْبَرَتْنِي أُمُّ الْمُؤْمِنِينَ، عَائِشَةُ قَالَتْ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلاَ نَخْرُجُ فَنُجَاهِدَ مَعَكَ فَإِنِّي لاَ أَرَى عَمَلاً فِي الْقُرْآنِ أَفْضَلَ مِنَ الْجِهَادِ ‏.‏ قَالَ ‏ "‏ لاَ وَلَكُنَّ أَحْسَنُ الْجِهَادِ وَأَجْمَلُهُ حَجُّ الْبَيْتِ حَجٌّ مَبْرُورٌ ‏"‏ ‏.‏
ইসহাক ‌ইবন ​ইবরাহীম ‌(রহঃ) ‌... আয়েশা বিনত তালহা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রাঃ) আমাকে বলেছেন যে, আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমরা কি আপনার সাথে জিহাদে যোগদান করবো না? আমি কুরআনে জিহাদ আপেক্ষা উত্তম কোন আমলই দেখছি না। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ না, বরং অতি উত্তম জিহাদ হলো বায়তুল্লাহর হজ্জ অর্থাৎ হজ্জেমাবরূর।
মুমিনদের মা আয়েশা রা সুনানে আন-নাসায়ী #২৬২৮ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৩৮
It Was
Sahih
أَخْبَرَنَا ​إِسْحَاقُ ​بْنُ ​إِبْرَاهِيمَ، ​قَالَ أَنْبَأَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، قَالَ قَالَ الصُّبَىُّ بْنُ مَعْبَدٍ كُنْتُ أَعْرَابِيًّا نَصْرَانِيًّا فَأَسْلَمْتُ فَكُنْتُ حَرِيصًا عَلَى الْجِهَادِ فَوَجَدْتُ الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ مَكْتُوبَيْنِ عَلَىَّ فَأَتَيْتُ رَجُلاً مِنْ عَشِيرَتِي يُقَالُ لَهُ هُذَيْمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ اجْمَعْهُمَا ثُمَّ اذْبَحْ مَا اسْتَيْسَرَ مِنَ الْهَدْىِ فَأَهْلَلْتُ بِهِمَا فَلَمَّا أَتَيْتُ الْعُذَيْبَ لَقِيَنِي سَلْمَانُ بْنُ رَبِيعَةَ وَزَيْدُ بْنُ صُوحَانَ وَأَنَا أُهِلُّ بِهِمَا فَقَالَ أَحَدُهُمَا لِلآخَرِ مَا هَذَا بِأَفْقَهَ مِنْ بَعِيرِهِ ‏.‏ فَأَتَيْتُ عُمَرَ فَقُلْتُ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ إِنِّي أَسْلَمْتُ وَأَنَا حَرِيصٌ عَلَى الْجِهَادِ وَإِنِّي وَجَدْتُ الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ مَكْتُوبَيْنِ عَلَىَّ فَأَتَيْتُ هُذَيْمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ فَقُلْتُ يَا هَنَّاهُ إِنِّي وَجَدْتُ الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ مَكْتُوبَيْنِ عَلَىَّ ‏.‏ فَقَالَ اجْمَعْهُمَا ثُمَّ اذْبَحْ مَا اسْتَيْسَرَ مِنَ الْهَدْىِ فَأَهْلَلْتُ بِهِمَا فَلَمَّا أَتَيْنَا الْعُذَيْبَ لَقِيَنِي سَلْمَانُ بْنُ رَبِيعَةَ وَزَيْدُ بْنُ صُوحَانَ فَقَالَ أَحَدُهُمَا لِلآخَرِ مَا هَذَا بِأَفْقَهَ مِنْ بَعِيرِهِ ‏.‏ فَقَالَ عُمَرُ هُدِيتَ لِسُنَّةِ نَبِيِّكَ صلى الله عليه وسلم ‏.‏
ইসহাক ​ইবন ​ইবরাহীম ​(রহঃ) ​... আবু ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সুবাই ইবন ম'বাদ বলেছেনঃ আমি একজন খ্রিস্টান বেদুঈন ছিলাম। আমি ইসলাম গ্ৰহণ করলাম। তখন আমি জিহাদের জন্য লালায়িত ছিলাম। দেখলাম, আমার উপর হজ্জ ও উমরাহ ফরয হয়েছে। আমি আমার গোত্রের হুরায়ম নামক ব্যক্তির কাছে আসলাম এবং তাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেনঃ এ দু'টিকে একত্রে আদায় কর। এরপর যে জন্তু তোমার পক্ষে সম্ভব হয় তা যাবাহ কর। আমি উভয়ের ইহরাম বাঁধলাম। যখন আমি উযায়ব নামক স্থানে উপস্থিত হলাম, তখন সালমান ইবন রবীআ এবং যায়দ ইবন সুহান এর সাথে আমার সাক্ষাৎ হলো। তখনও আমি হজ্জ ও উমরার তালবিয়া পাঠ করছি। তাদের একজন অন্য জনকে বললো, এই ব্যক্তি তার উট অপেক্ষা অধিক ওয়াকিফহাল নয়। পরে আমি উমর (রাঃ)-এর নিকট এসে বললামঃ হে আমীরুল মু'মিনীন, আমি ইসলাম গ্রহণ করেছি এবং আমি জিহাদ করতে উদগ্ৰীব। আর আমি দেখছি যে, হজ্জ ও উমরা আমার উপর ফরয। আমি হুরায়ম ইবন আবদুল্লাহর নিকট এসে বললামঃ আমার উপর হজ্জ ও উমরাহ ফরয হয়েছে। তিনি আমাকে বললেনঃ হজ্জ ও উমরাহ একত্রে আদায় করা। তারপর যে জন্তু তোমার জন্য সহজলভ্য হয় তা যাবাহ করা। আমি উভয়ের নিয়তে ইহরাম বঁধলাম। যখন আমি উযায়ব নামক স্থানে পৌঁছলাম, তখন সালমান ইবন রবী'আ এবং যায়দ ইবন সুহান-এর সাথে আমার সাক্ষাৎ হলো। তাদের একজন অপরজনকে বললোঃ এই ব্যক্তি তার উট অপেক্ষা অধিক অবহিত নয়। তখন উমর (রাঃ) বললেনঃ তুমি তোমার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নত পালন করেছ।
It Was সুনানে আন-নাসায়ী #২৭১৯ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৩৯
It Was
Sahih
أَخْبَرَنَا ​مُحَمَّدُ ‌بْنُ ​عَبْدِ ​اللَّهِ بْنِ بَزِيعٍ، قَالَ حَدَّثَنَا بِشْرٌ، - يَعْنِي ابْنَ الْمُفَضَّلِ - قَالَ أَنْبَأَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ رَأَيْتُ مَرْوَانَ بْنَ الْحَكَمِ جَالِسًا فَجِئْتُ حَتَّى جَلَسْتُ إِلَيْهِ فَحَدَّثَنَا أَنَّ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ حَدَّثَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أُنْزِلَ عَلَيْهِ لاَ يَسْتَوِي الْقَاعِدُونَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُجَاهِدُونَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ‏.‏ فَجَاءَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ وَهُوَ يُمِلُّهَا عَلَىَّ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ لَوْ أَسْتَطِيعُ الْجِهَادَ لَجَاهَدْتُ فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ وَفَخِذُهُ عَلَى فَخِذِي فَثَقُلَتْ عَلَىَّ حَتَّى ظَنَنْتُ أَنْ سَتُرَضُّ فَخِذِي ثُمَّ سُرِّيَ عَنْهُ ‏{‏ غَيْرُ أُولِي الضَّرَرِ ‏}‏ قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِسْحَاقَ هَذَا لَيْسَ بِهِ بَأْسٌ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِسْحَاقَ يَرْوِي عَنْهُ عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ وَأَبُو مُعَاوِيَةَ وَعَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ سَعْدٍ لَيْسَ بِثِقَةٍ ‏.‏
মুহাম্মাদ ​ইবন ‌আবদুল্লাহ ​ইবন ​বযী (রহঃ) ... সাহল ইবন সা'দ (রাঃ) বলেন, আমি মারওয়ান ইবন হাকাম (রহঃ)-কে দেখলাম তিনি বসে আছেন। আমিও তার নিকট গিয়ে বসে পড়লাম। তিনি বর্ণনা করলেন যে, যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর নাযিল হল (لَا يَسْتَوِي الْقَاعِدُونَ مِنْ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُجَاهِدُونَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ) মু'মিনদের মধ্যে যারা ঘরে বসে থাকে তারা এবং যারা আল্লাহ্‌র রাস্তায় জিহাদ করে, তারা সমান নয়। (সূরা নিসাঃ ৯৫) ইতোমধ্যে ইবন উম্মে মাকতুম (রাঃ) আগমন করলেন। তিনি তা লিখে নেওয়ার উদ্দেশ্য আমাকে পড়ে শুনালেন। তিনি বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! যদি আমার জিহাদ করার শক্তি থাকতো, তাহলে আমিও জিহাদ করতাম। তখন আল্লাহ্‌ তা'আলা নাযিল করলেনঃ (غَيْرُ أُولِي الضَّرَرِ) “অসুস্থগণ ব্যতীত”। আর তখন তার উরু আমার উরুর উপর ছিল, তা আমার উপর ভারী লাগছিল। মনে। হলো আমার উরু ভেঙ্গে যাবে। এরপর তাঁর এ অবস্থা থেকে অবমুক্ত হলো। আব্দুর রহমান (রহঃ) বলেন, আব্দুর রহমান ইবন ইসহাকের কোন ত্রুটি নেই, আব্দুর রহমান ইবন ইসহাক হতে আলী ইবন মুসহির ও আবু মু'আবিয়া এটি বর্ণনা করেন। আব্দুল ওয়াহিদ ইবন যিয়াদ (রহঃ) নু'মান ইবন সা'দ (রহঃ) হতে এরূপ বর্ণনা করেন, তিনি নির্ভরযােগ্য নন।
It Was সুনানে আন-নাসায়ী #৩০৯৯ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৪০
It Was
Sahih
أَخْبَرَنَا ​مُحَمَّدُ ​بْنُ ‌يَحْيَى ‌بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ حَدَّثَنِي سَهْلُ بْنُ سَعْدٍ، قَالَ رَأَيْتُ مَرْوَانَ جَالِسًا فِي الْمَسْجِدِ فَأَقْبَلْتُ حَتَّى جَلَسْتُ إِلَى جَنْبِهِ فَأَخْبَرَنَا أَنَّ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَمْلَى عَلَيْهِ لاَ يَسْتَوِي الْقَاعِدُونَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُجَاهِدُونَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ‏.‏ قَالَ فَجَاءَهُ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ وَهُوَ يُمِلُّهَا عَلَىَّ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ لَوْ أَسْتَطِيعُ الْجِهَادَ لَجَاهَدْتُ ‏.‏ وَكَانَ رَجُلاً أَعْمَى فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَلَى رَسُولِهِ صلى الله عليه وسلم وَفَخِذُهُ عَلَى فَخِذِي حَتَّى هَمَّتْ تَرُضُّ فَخِذِي ثُمَّ سُرِّيَ عَنْهُ فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ ‏{‏ غَيْرُ أُولِي الضَّرَرِ ‏}‏ ‏.‏
মুহাম্মদ ​ইন ​ইয়াহইয়া ‌ইবন ‌আব্দুল্লাহ (রহঃ) ... সাহল ইবন সা'দ (রহঃ) বলেন, আমি মারওয়ান (রহঃ)-কে মসজিদে উপবিষ্ট দেখলাম, আমি অগ্রসর হয়ে তার পার্শ্বে বসে পড়লাম। তিনি আমাদের কাছে বর্ণনা করলেন যে, যায়দ ইবন ছাবিত (রাঃ) তাঁর কাছে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে পড়ে শুনালেনঃ (لَا يَسْتَوِي الْقَاعِدُونَ مِنْ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُجَاهِدُونَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ) তিনি বললেন, তারপর তার নিকট ইবন উম্মে মাকতুম আগমন করলেন, তখনও তিনি আমাকে পড়ে শুনালেন। তিনি বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! যদি আমার জিহাদ করার ক্ষমতা থাকতো, তাহলে আমিও জিহাদ করতাম। আর তিনি ছিলেন একজন অন্ধ ব্যক্তি। তখন আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর অবতীর্ণ করলেন, তখন তার উরু ছিল আমার উরুর উপর, এমনকি আমার উরু ভেঙ্গে যাওয়ার উপক্রম হলো। এরপর তার উপর হতে ওহীর প্রভাব কেটে গেল আল্লাহ তাআলা নাযিল করলেনঃ (غَيْرُ أُولِي الضَّرَرِ) “অক্ষম ব্যক্তি ব্যতীত”।
It Was সুনানে আন-নাসায়ী #৩১০০ Sahih