Quran সম্পর্কে হাদিস

১৬০ টি প্রামাণিক হাদিস পাওয়া গেছে

সুনান আবু দাউদ : ৪১
খালিদ আল-হাধজা (রাঃ)
Hasan Isnaad
حَدَّثَنَا ​عَبْدُ ​اللَّهِ ‌بْنُ ‌الْجَرَّاحِ، قَالَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، قَالَ قُلْتُ لِلْحَسَنِ يَا أَبَا سَعِيدٍ أَخْبِرْنِي عَنْ آدَمَ، لِلسَّمَاءِ خُلِقَ أَمْ لِلأَرْضِ قَالَ لاَ بَلْ لِلأَرْضِ ‏.‏ قُلْتُ أَرَأَيْتَ لَوِ اعْتَصَمَ فَلَمْ يَأْكُلْ مِنَ الشَّجَرَةِ قَالَ لَمْ يَكُنْ لَهُ مِنْهُ بُدٌّ ‏.‏ قُلْتُ أَخْبِرْنِي عَنْ قَوْلِهِ تَعَالَى ‏{‏ مَا أَنْتُمْ عَلَيْهِ بِفَاتِنِينَ * إِلاَّ مَنْ هُوَ صَالِ الْجَحِيمِ ‏}‏ قَالَ إِنَّ الشَّيَاطِينَ لاَ يَفْتِنُونَ بِضَلاَلَتِهِمْ إِلاَّ مَنْ أَوْجَبَ اللَّهُ عَلَيْهِ الْجَحِيمَ ‏.‏
খালিদ ​আল-হাযযা ​(রহঃ) ‌সূত্রে ‌বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি হাসান বাসরী (রহঃ)-কে বললাম, হে আবূ সাঈদ! আদম (আঃ) সম্বন্ধে আমাকে বলুন, তাঁকে কি আকাশের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছিল, না পৃথিবীর জন্য? তিনি বলেন, বরং পৃথিবীর জন্য। আমি বললাম, আপনার কি মত, তিনি যদি নিষ্পাপ থাকতেন এবং নিষিদ্ধ গাছের ফল না খেতেন? আরো বলুন! যদি তিনি নিজেকে সংযত রাখতেন তাহলে কি বৃক্ষের ফল না খেয়ে পারতেন? তিনি বললেন, না খেয়ে তাঁর কোনো উপায় ছিলো না। আমি বললাম, আল্লাহর বাণী সম্পর্কে আমাকে অবহিত করুনঃ ‘‘তোমরা কেউ কাউকে আল্লাহ সম্বন্ধে বিভ্রান্ত করতে পারবে না, কেবল জাহান্নামে প্রবেশকারীকে ব্যতীত’’ (সূরা আস-সাফফাতঃ ১৬২-৩)। তিনি (হাসান বাসরী) বলেন, আল্লাহ যাদের জন্য জাহান্নামে প্রবেশকে অবধারিত করে রেখেছেন, শয়তান কেবল তাদেরকেই জাহান্নামে নিতে পারবে।[1] সনদ হাসান মাকতু।
খালিদ আল-হাধজা (রাঃ) সুনান আবু দাউদ #৪৬১৪ Hasan Isnaad
সুনান আবু দাউদ : ৪২
খালিদ আল-হাধজা (রাঃ)
Sahih Isnaad Maqtu
حَدَّثَنَا ​مُوسَى ​بْنُ ‌إِسْمَاعِيلَ، ​حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، عَنِ الْحَسَنِ، فِي قَوْلِهِ تَعَالَى ‏{‏ وَلِذَلِكَ خَلَقَهُمْ ‏}‏ قَالَ خَلَقَ هَؤُلاَءِ لِهَذِهِ وَهَؤُلاَءِ لِهَذِهِ ‏.‏
হাসান ​বাসরী ​(রহঃ) ‌সূত্রে ​বর্ণিত। তিনি মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘এবং তিনি তাদেরকে এজন্য সৃষ্টি করেছেন’’ (সূরা হুদঃ ১১৯) এর ব্যাখ্যায় বলেন, তিনি (আল্লাহ) এদেরকে (মু‘মিনদের) এর (জান্নাতের) জন্য এবং এদেরকে (মুনাফিকদের) এজন্য (জাহান্নামের জন্য) সৃষ্টি করেছেন।[1] সনদ সহীহ মাকতু।
খালিদ আল-হাধজা (রাঃ) সুনান আবু দাউদ #৪৬১৫ Sahih Isnaad Maqtu
সুনান আবু দাউদ : ৪৩
খালিদ আল-হাধজা (রাঃ)
Sahih Isnaad Maqtu
حَدَّثَنَا ​أَبُو ​كَامِلٍ، ​حَدَّثَنَا ‌إِسْمَاعِيلُ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، قَالَ قُلْتُ لِلْحَسَنِ ‏{‏ مَا أَنْتُمْ عَلَيْهِ بِفَاتِنِينَ * إِلاَّ مَنْ هُوَ صَالِ الْجَحِيمِ ‏}‏ قَالَ إِلاَّ مَنْ أَوْجَبَ اللَّهُ تَعَالَى عَلَيْهِ أَنَّهُ يَصْلَى الْجَحِيمَ ‏.‏
খালিদ ​আল-হাযযা ​(রহঃ) ​সূত্রে ‌বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি হাসান বাসরী (রহঃ)-কে ‘‘তোমরা কেউই কাউকে আল্লাহ সম্বন্ধে বিভ্রান্ত করতে পারবে না কেবল জাহান্নামে প্রবেশকারীকে ব্যতীত।’’ এ আয়াতের অর্থ সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, শুধু তাদেরকেই শয়তান পথভ্রষ্ট করতে পারবে যাদের জাহান্নামে প্রবেশ করাকে আল্লাহ অবধারিত করেছেন।[1] সনদ সহীহ মাকতু।
খালিদ আল-হাধজা (রাঃ) সুনান আবু দাউদ #৪৬১৬ Sahih Isnaad Maqtu
সুনান আবু দাউদ : ৪৪
Explaining The Quranic Verse; “and Between Them
Daif Isnaad Maqtu
حَدَّثَنَا ‌مُحَمَّدُ ‌بْنُ ​كَثِيرٍ، ‌قَالَ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ رَجُلٍ، قَدْ سَمَّاهُ غَيْرِ ابْنِ كَثِيرٍ عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عُبَيْدٍ الصِّيدِ، عَنِ الْحَسَنِ، فِي قَوْلِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ ‏{‏ وَحِيلَ بَيْنَهُمْ وَبَيْنَ مَا يَشْتَهُونَ ‏}‏ قَالَ بَيْنَهُمْ وَبَيْنَ الإِيمَانِ ‏.‏
হাসান ‌বাসরী ‌(রহঃ) ​মহান ‌আল্লাহর এ বাণীঃ ‘‘তাদের ও এদের বাসনার মধ্যে প্রতিবন্ধক সৃষ্টি করা হয়েছে’’ (সূরা সাবাঃ ৫৪) সম্পর্কে বলেন, তাদের ও ঈমানের মধ্যে।[1] সনদ সহীহ মাকতু।
Explaining The Quranic Verse; “and Between Them সুনান আবু দাউদ #৪৬২০ Daif Isnaad Maqtu
সুনান আবু দাউদ : ৪৫
উসমান আল-বাত্তি (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ​هِلاَلُ ‌بْنُ ‌بِشْرٍ، ‌قَالَ حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُثْمَانَ، عَنْ عُثْمَانَ الْبَتِّيِّ، قَالَ مَا فَسَّرَ الْحَسَنُ آيَةً قَطُّ إِلاَّ عَلَى الإِثْبَاتِ ‏.‏
উসমান ​আল-বাত্তী ‌(রহঃ) ‌সূত্রে ‌বর্ণিত। তিনি বলেন, হাসান বাসরী (রহঃ) যখন কোনো আয়াতের ব্যাখ্যা করতেন, তখন তাকদীরকে প্রমাণ করতেন।[1] সহীহ।
উসমান আল-বাত্তি (রাঃ) সুনান আবু দাউদ #৪৬২৬ Sahih
সুনান আবু দাউদ : ৪৬
ইবনু আব্বাস (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌عُثْمَانُ ​بْنُ ​أَبِي ​شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنِ الْمِنْهَالِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ ‏:‏ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُعَوِّذُ الْحَسَنَ وَالْحُسَيْنَ ‏:‏ ‏"‏ أُعِيذُكُمَا بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لاَمَّةٍ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ يَقُولُ ‏:‏ ‏"‏ كَانَ أَبُوكُمْ يُعَوِّذُ بِهِمَا إِسْمَاعِيلَ وَإِسْحَاقَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ ‏:‏ هَذَا دَلِيلٌ عَلَى أَنَّ الْقُرْآنَ لَيْسَ بِمَخْلُوقٍ ‏.‏
ইবনু ‌আব্বাস ​(রাঃ) ​সূত্রে ​বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসান ও হুসাইন (রাঃ)-এর জন্য আশ্রয় প্রার্থনা করতেন এভাবেঃ ‘‘আমি তোমাদের দু’জনের জন্য আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ কালেমাসমূহের মাধ্যমে প্রত্যেক শয়তানের ও বিষাক্ত প্রাণী থেকে এবং সকল প্রকার বদনজর থেকে মুক্তি চাইছি।’’ অতঃপর তিনি বলতেনঃ তোমাদের পিতা [ইবরাহীম (আঃ)] ও ইসমাঈল এবং ইসহাক (আঃ) উভয়ের জন্য এ দু‘আ পড়ে আশ্রয় চাইতেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এতে প্রমাণিত হয় যে, আল-কুরআন মাখলূক নয়।[1] সহীহ।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) সুনান আবু দাউদ #৪৭৩৭ Sahih
সুনান আবু দাউদ : ৪৭
আবু সাইদ আল খুদরী (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌مُحَمَّدُ ‌بْنُ ​كَثِيرٍ، ‌أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ أَبِي نُعْمٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ ‏:‏ بَعَثَ عَلِيٌّ عَلَيْهِ السَّلاَمُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِذُهَيْبَةٍ فِي تُرْبَتِهَا، فَقَسَّمَهَا بَيْنَ أَرْبَعَةٍ بَيْنَ ‏:‏ الأَقْرَعِ بْنِ حَابِسٍ الْحَنْظَلِيِّ ثُمَّ الْمُجَاشِعِيِّ، وَبَيْنَ عُيَيْنَةَ بْنِ بَدْرٍ الْفَزَارِيِّ وَبَيْنَ زَيْدِ الْخَيْلِ الطَّائِيِّ ثُمَّ أَحَدِ بَنِي نَبْهَانَ وَبَيْنَ عَلْقَمَةَ بْنِ عُلاَثَةَ الْعَامِرِيِّ ثُمَّ أَحَدِ بَنِي كِلاَبٍ قَالَ فَغَضِبَتْ قُرَيْشٌ وَالأَنْصَارُ وَقَالَتْ ‏:‏ يُعْطِي صَنَادِيدَ أَهْلِ نَجْدٍ وَيَدَعُنَا ‏.‏ فَقَالَ ‏:‏ ‏"‏ إِنَّمَا أَتَأَلَّفُهُمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ ‏:‏ فَأَقْبَلَ رَجُلٌ غَائِرُ الْعَيْنَيْنِ مُشْرِفُ الْوَجْنَتَيْنِ نَاتِئُ الْجَبِينِ كَثُّ اللِّحْيَةِ مَحْلُوقٌ قَالَ ‏:‏ اتَّقِ اللَّهَ يَا مُحَمَّدُ ‏.‏ فَقَالَ ‏:‏ ‏"‏ مَنْ يُطِعِ اللَّهَ إِذَا عَصَيْتُهُ أَيَأْمَنُنِي اللَّهُ عَلَى أَهْلِ الأَرْضِ وَلاَ تَأْمَنُونِي ‏"‏ ‏.‏ قَالَ ‏:‏ فَسَأَلَ رَجُلٌ قَتْلَهُ أَحْسِبُهُ خَالِدَ بْنَ الْوَلِيدِ - قَالَ - فَمَنَعَهُ ‏.‏ قَالَ ‏:‏ فَلَمَّا وَلَّى قَالَ ‏:‏ ‏"‏ إِنَّ مِنْ ضِئْضِئِ هَذَا أَوْ فِي عَقِبِ هَذَا قَوْمًا يَقْرَءُونَ الْقُرْآنَ لاَ يُجَاوِزُ حَنَاجِرَهُمْ يَمْرُقُونَ مِنَ الإِسْلاَمِ مُرُوقَ السَّهْمِ مِنَ الرَّمِيَّةِ، يَقْتُلُونَ أَهْلَ الإِسْلاَمِ وَيَدَعُونَ أَهْلَ الأَوْثَانِ لَئِنْ أَنَا أَدْرَكْتُهُمْ قَتَلْتُهُمْ قَتْلَ عَادٍ ‏"‏ ‏.‏
আবূ ‌সাঈদ ‌আল-খুদরী ​(রাঃ) ‌সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আলী (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট কিছু অপরিশোধিত স্বর্ণ পাঠালে তিনি তার চারজন ব্যক্তি, যথা আকরা’ ইবনু হাবিস আল-হানযলী আল-মুজাশিঈ, উয়াইনাহ ইবনু বাদর আল-ফাযারী, যায়িদ আল-খাইল আত-তাঈ, অতঃপর নাবহান গোত্রের এক ব্যক্তি, এছাড়া আলকামাহ ইবনু উলাসাহ আল-‘আমিরী এবং বনী কিলাবের এক ব্যক্তির মধ্যে ভাগ করে দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, এতে কুরাইশ ও আনসারগণ অসন্তুষ্ট হয়ে বললেন, নাজদের অধিবাসীদের নেতৃস্থানীয় লোকদেরকে দেয়া হয়েছে এবং আমাদেরকে দেয়া হলো না। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমি তাদেরকে (ইসলামের) অনুরাগী করার জন্য দিয়েছি। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর কোটরাগত চোখ, উদ্যত চিবুক, ঘন দাড়ি ও নেড়া মাথাবিশিষ্ট এক ব্যক্তি এসে বললো, হে মুহাম্মাদ! আল্লাহকে ভয় করো। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমিই যদি অবাধ্য হই তাহলে কে আর আল্লাহর আনুগত্য করবে? আল্লাহ আমাকে পৃথিবীবাসীর জন্য বিশ্বস্ত লোক হিসেবে নিয়োগ করেছেন; আর তোমরা আমাকে বিশ্বাস করছো না! আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) বলেন, অতঃপর এক ব্যক্তি তাকে হত্যা করার অনুমতি চাইলেন, আমার মতে, তিনি খালিদ ইবনু ওয়ালীদ (রাঃ)। তিনি বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বারণ করলেন। বর্ণনাকারী বলেন, লোকটি চলে গেলে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, তার বংশধর থেকে এমন এক গোত্রের আবির্ভাব হবে, যারা কুরআন পাঠ করবে কিন্তু তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবেনা। তীর যে গতিতে শিকারের দিকে ছুটে যায় তারাও ঠিক সেইভাবে ইসলাম থেকে বেরিয়ে যাবে, তারা ইসলামের অনুসারীদেরকে হত্যা করবে এবং পৌত্তলিকদেরকে নিরাপদ রাখবে। যদি আমি তাদের সময় পর্যন্ত জীবিত থাকি তাহলে তাদেরকে হত্যা করবো যেভাবে হত্যা করা হয়েছে ‘আদ জাতিকে।[1] সহীহ।
আবু সাইদ আল খুদরী (রাঃ) সুনান আবু দাউদ #৪৭৬৪ Sahih
সুনান আবু দাউদ : ৪৮
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌أَبُو ​الْوَلِيدِ ​الطَّيَالِسِيُّ، ​حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لأَنْ يَمْتَلِئَ جَوْفُ أَحَدِكُمْ قَيْحًا خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَمْتَلِئَ شِعْرًا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عَلِيٍّ بَلَغَنِي عَنْ أَبِي عُبَيْدٍ أَنَّهُ قَالَ وَجْهُهُ أَنْ يَمْتَلِئَ قَلْبُهُ حَتَّى يَشْغَلَهُ عَنِ الْقُرْآنِ وَذِكْرِ اللَّهِ فَإِذَا كَانَ الْقُرْآنُ وَالْعِلْمُ الْغَالِبُ فَلَيْسَ جَوْفُ هَذَا عِنْدَنَا مُمْتَلِئًا مِنَ الشِّعْرِ وَإِنَّ مِنَ الْبَيَانِ لَسِحْرًا ‏.‏ قَالَ كَأَنَّ الْمَعْنَى أَنْ يَبْلُغَ مِنْ بَيَانِهِ أَنْ يَمْدَحَ الإِنْسَانَ فَيَصْدُقَ فِيهِ حَتَّى يَصْرِفَ الْقُلُوبَ إِلَى قَوْلِهِ ثُمَّ يَذُمَّهُ فَيَصْدُقَ فِيهِ حَتَّى يَصْرِفَ الْقُلُوبَ إِلَى قَوْلِهِ الآخَرِ فَكَأَنَّهُ سَحَرَ السَّامِعِينَ بِذَلِكَ ‏.‏
আবূ ‌হুরাইরাহ ​(রাঃ) ​সূত্রে ​বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কবিতা দিয়ে পেট ভরার চেয়ে তোমাদের জন্য পূঁজ দিয়ে পেট ভর্তি করা উত্তম। আবূ আলী বলেন, আবূ উবাইদ সম্পর্কে আমি জানতে পেরেছি যে, তিনি এ হাদীসের তাৎপর্য সম্পর্কে বলেন, কবিতায় তার কলব ভর্তি হয়ে যাওয়ায় সে কুরআন তিলাওয়াত এবং আল্লাহর যিকর থেকে বঞ্চিত হবে। কিন্তু কুরআন ও ইলম চর্চার প্রাধান্য থাকলে আমরা বলবো না যে, তার পেট কবিতায় ভরা। ‘কোনো কোনো ভাষণে অবশ্যই যাদুর প্রভাব রয়েছে, অর্থাৎ সে কোনো মানুষের প্রশংসায় সীমালঙ্ঘন করবে এবং এতো উত্তেজক বক্তব্য রাখবে যে, মানুষের মন তার ভাষণের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়বে। আবার সে তার কুৎসা করলে এমনভাবে করবে যে, মানুষ তা বিশ্বাস করবে। ফলে তাদের অন্তর তার ভাষণের প্রতি আকৃষ্ট হবে। মনে হবে, সে যেন তার ভাষণের দ্বারা শ্রোতাদের উপর যাদু করেছে।[1] সহীহ।
আবু হুরায়রা (রাঃ) সুনান আবু দাউদ #৫০০৯ Sahih
সুনান আবু দাউদ : ৪৯
আয়েশা (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ​مُوسَى ‌بْنُ ‌إِسْمَاعِيلَ، ​حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، أَخْبَرَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، أَنَّ عَائِشَةَ، رضى الله عنها قَالَتْ ثُمَّ قَالَ تَعْنِي النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أَبْشِرِي يَا عَائِشَةُ فَإِنَّ اللَّهَ قَدْ أَنْزَلَ عُذْرَكِ ‏"‏ ‏.‏ وَقَرَأَ عَلَيْهَا الْقُرْآنَ فَقَالَ أَبَوَاىَ قُومِي فَقَبِّلِي رَأْسَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فَقَالَتْ أَحْمَدُ اللَّهَ لاَ إِيَّاكُمَا ‏.‏
আয়িশাহ ​(রাঃ) ‌সূত্রে ‌বর্ণিত। ​তিনি বলেন, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আয়িশাহ! সুসংবাদ গ্রহণ করো। আল্লাহ তোমার নির্দোষ হওয়া সম্পর্কে আয়াত অবতীর্ণ করেছেন। তিনি কুরআনের আয়াতটি তাকে পড়ে শুনালেন। তখন আমার পিতা-মাতা (আবূ বাকর ও উম্মু রুমান) বললেন, ওঠো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মাথায় চুমু দাও। আমি বললাম, শুকরিয়া আদায় করছি আমি সম্মানিত মহান আল্লাহর; আপনাদের নয়।[1] সহীহ।
আয়েশা (রাঃ) সুনান আবু দাউদ #৫২১৯ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ৫০
It Was
Sahih
أَخْبَرَنَا ​شُعَيْبُ ​بْنُ ​يُوسُفَ، ​قَالَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، قَالَ أَنْبَأَنَا عَاصِمٌ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سَلِمَةَ، قَالَ لَمَّا رَجَعَ قَوْمِي مِنْ عِنْدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالُوا إِنَّهُ قَالَ ‏ "‏ لِيَؤُمَّكُمْ أَكْثَرُكُمْ قِرَاءَةً لِلْقُرْآنِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَدَعَوْنِي فَعَلَّمُونِي الرُّكُوعَ وَالسُّجُودَ فَكُنْتُ أُصَلِّي بِهِمْ وَكَانَتْ عَلَىَّ بُرْدَةٌ مَفْتُوقَةٌ فَكَانُوا يَقُولُونَ لأَبِي أَلاَ تُغَطِّي عَنَّا اسْتَ ابْنِكَ ‏.‏
শুআয়ব ​ইবনু ​ইউসূফ ​(রহঃ) ​... আমর ইবনু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন আমার সস্প্রদায় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট থেকে প্রত্যাবর্তন করল, তখন তারা বলল যে, তিনি বলেছেন, তোমাদের ইমামতি করবে সে-ই, যে তোমাদের মধ্যে কুরআন বেশি পড়তে পারে। তিনি আরো বলেনঃ তখন তারা আমাকে ডাকল এবং আমাকে রুকু-সিজদা শিখিয়ে দিল। তারপর আমি তাদের নিয়ে সালাত আদায় করতাম। তখন আমার গায়ে থাকত একখানা কাটা চাদর। তারা আমার পিতাকে বলতো, আপনি কি আমাদের থেকে আপনার ছেলের নিতম্ভ ঢাকবেন না?
It Was সুনানে আন-নাসায়ী #৭৬৭ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ৫১
আমর বিন সালামাহ আল-জারমি (রাঃ)
Sahih
أَخْبَرَنَا ‌مُوسَى ​بْنُ ‌عَبْدِ ​الرَّحْمَنِ الْمَسْرُوقِيُّ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَيُّوبَ، قَالَ حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ سَلِمَةَ الْجَرْمِيُّ، قَالَ كَانَ يَمُرُّ عَلَيْنَا الرُّكْبَانُ فَنَتَعَلَّمُ مِنْهُمُ الْقُرْآنَ فَأَتَى أَبِي النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏"‏ لِيَؤُمَّكُمْ أَكْثَرُكُمْ قُرْآنًا ‏"‏ ‏.‏ فَجَاءَ أَبِي فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ لِيَؤُمَّكُمْ أَكْثَرُكُمْ قُرْآنًا ‏"‏ ‏.‏ فَنَظَرُوا فَكُنْتُ أَكْثَرَهُمْ قُرْآنًا فَكُنْتُ أَؤُمُّهُمْ وَأَنَا ابْنُ ثَمَانِ سِنِينَ ‏.‏
মুসা ‌ইবনু ​আবদুর ‌রহমান ​মাসরুকী (রহঃ) ... আমর ইবনু সালামা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের নিকট আরোহী যাত্রীগণ আসতেন আমরা তাঁদের নিকট কুরআন শিক্ষা করতাম। আমার পিতা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসলে তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে যে কুরআন বেশি জানে- সেই ইমামত করবে। আমার পিতা এসে বললেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে যে বেশি কুরআন জানে, সেই ইমামত করবে। তারা দেখলেন, আমি কুরআন অধিক জানি, তখন আমিই তাদের ইমামত করতাম আর তখন আমি ছিলাম আট বছরের বালক।
আমর বিন সালামাহ আল-জারমি (রাঃ) সুনানে আন-নাসায়ী #৭৮৯ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ৫২
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Sahih
أَخْبَرَنَا ‌مُحَمَّدُ ​بْنُ ‌الْمُثَنَّى، ‌قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، قَالَ حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ الْمَسْجِدَ فَدَخَلَ رَجُلٌ فَصَلَّى ثُمَّ جَاءَ فَسَلَّمَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَرَدَّ عَلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ ‏"‏ ارْجِعْ فَصَلِّ فَإِنَّكَ لَمْ تُصَلِّ ‏"‏ ‏.‏ فَرَجَعَ فَصَلَّى كَمَا صَلَّى ثُمَّ جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَسَلَّمَ عَلَيْهِ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وَعَلَيْكَ السَّلاَمُ ارْجِعْ فَصَلِّ فَإِنَّكَ لَمْ تُصَلِّ ‏"‏ ‏.‏ فَعَلَ ذَلِكَ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ فَقَالَ الرَّجُلُ وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ مَا أُحْسِنُ غَيْرَ هَذَا فَعَلِّمْنِي ‏.‏ قَالَ ‏"‏ إِذَا قُمْتَ إِلَى الصَّلاَةِ فَكَبِّرْ ثُمَّ اقْرَأْ مَا تَيَسَّرَ مَعَكَ مِنَ الْقُرْآنِ ثُمَّ ارْكَعْ حَتَّى تَطْمَئِنَّ رَاكِعًا ثُمَّ ارْفَعْ حَتَّى تَعْتَدِلَ قَائِمًا ثُمَّ اسْجُدْ حَتَّى تَطْمَئِنَّ سَاجِدًا ثُمَّ ارْفَعْ حَتَّى تَطْمَئِنَّ جَالِسًا ثُمَّ افْعَلْ ذَلِكَ فِي صَلاَتِكَ كُلِّهَا ‏"‏ ‏.‏
মুহাম্মদ ‌ইবনু ​মুসান্না ‌(রহঃ) ‌... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে প্রবেশ করলে পরে এক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করল এবং সালাত আদায় করল। তারপর এসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সালাম করল। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সালামের উত্তর দিয়ে বললেন, ফিরে যাও, আবার সালাত আদায় কর (কেননা, তুমি সালাত আদায় করনি) সে ব্যক্তি প্রত্যাবর্তন করে যেরূপ সালাত আদায় করেছিল সেরূপ সালাত আদায় করল। তারপর এসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সালাম করল, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন ওয়া আলাইকাস সালাম। ফিরে যাও সালাত আদায় কর। কেননা, তুমি সালাত আদায় করনি। তিনি এরূপ তিনবার করলেন। তারপর সে ব্যক্তি বলল, ঐ সত্তার শপথ! যিনি আপনাকে সত্য সহকারে পাঠিয়েছেন। আমি এর চেয়ে অধিক ভাল সালাত আদায় করতে জানি না। অতএব, আমাকে শিখিয়ে দিন। তিনি বললেন- যখন সালাতে দাঁড়াবে, তখন তাকবীর বলবে, তারপর কুরআন থেকে যা তোমার পক্ষে সহজ হয় তা পড়বে। তারপর রুকু করবে ধীর-স্থিরভাবে। তারপর মাথা উঠাবে এবং সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যাবে। এরপর সিজদা করবে ধীর-স্থিরভাবে। তারপর মাথা উঠিয়ে ধীর-স্থিরভাবে বসে পড়বে। অতঃপর এভাবে তোমার সালাত শেষ করবে।
আবু হুরায়রা (রাঃ) সুনানে আন-নাসায়ী #৮৮৪ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ৫৩
আবু আল-সাইব- (রাঃ)
Sahih
أَخْبَرَنَا ​قُتَيْبَةُ، ​عَنْ ‌مَالِكٍ، ​عَنِ الْعَلاَءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا السَّائِبِ، مَوْلَى هِشَامِ بْنِ زُهْرَةَ يَقُولُ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَنْ صَلَّى صَلاَةً لَمْ يَقْرَأْ فِيهَا بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَهِيَ خِدَاجٌ هِيَ خِدَاجٌ هِيَ خِدَاجٌ ‏"‏ ‏.‏ غَيْرُ تَمَامٍ ‏.‏ فَقُلْتُ يَا أَبَا هُرَيْرَةَ إِنِّي أَحْيَانًا أَكُونُ وَرَاءَ الإِمَامِ ‏.‏ فَغَمَزَ ذِرَاعِي وَقَالَ اقْرَأْ بِهَا يَا فَارِسِيُّ فِي نَفْسِكَ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏"‏ يَقُولُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ قَسَمْتُ الصَّلاَةَ بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي نِصْفَيْنِ فَنِصْفُهَا لِي وَنِصْفُهَا لِعَبْدِي وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اقْرَءُوا يَقُولُ الْعَبْدُ ‏{‏ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ‏}‏ يَقُولُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ حَمِدَنِي عَبْدِي ‏.‏ يَقُولُ الْعَبْدُ ‏{‏ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ ‏}‏ يَقُولُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ أَثْنَى عَلَىَّ عَبْدِي ‏.‏ يَقُولُ الْعَبْدُ ‏{‏ مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ ‏}‏ يَقُولُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ مَجَّدَنِي عَبْدِي ‏.‏ يَقُولُ الْعَبْدُ ‏{‏ إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ ‏}‏ فَهَذِهِ الآيَةُ بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ ‏.‏ يَقُولُ الْعَبْدُ ‏{‏ اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ * صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ ‏}‏ فَهَؤُلاَءِ لِعَبْدِي وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ ‏"‏ ‏.‏
কুতায়বা ​(রহঃ) ​... ‌আবূ ​হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন সালাত আদায় করে আর তাতে সূরা ফাতিহা না পড়ে তা অসস্পূর্ণ, তা অসস্পূর্ণ, তা অসস্পূর্ণ, পূর্ণ হয় না। তখন আমি বললাম, হে আবূ হুরায়রা! আমি অনেক সময় ইমামের পেছনে সালাত আদায় করে থাকি, তিনি আমার বাহু টান দিয়ে বললেন, হে পারসিক (ইরানী); তুমি তা মনে মনে পড়বে। কেননা আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ তা’আলা বলেন, আমি আমার ও আমার বান্দার মধ্যে সালাত আধা আধি ভাগ করেছি। অতএব, এর অর্ধেক আমার জন্য আর অর্ধেক বান্দার জন্য। আর আমার বান্দার জন্য রয়েছে যা সে চায়। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা পড়। বান্দা যখন বলে, "আলহামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন" তখন আল্লাহ তাআলা বলেন, আমার বান্দা আমার প্রশংসা করল। আর যখন বান্দা বলে, "আর রহমানির রাহীম" তখন আল্লাহ তা'আলা বলেন, আমার বান্দা আমার স্তুতি বর্ণনা করল। আর বান্দা যখন বলে "মালিকি ইয়াওমিদ্দীন" তখন আল্লাহ তা’আলা বলেন, আমার বান্দা আমার মর্যাদা বর্ণনা করল। আর বান্দা যখন বলে, "ইয়্যাকা না'বুদু ওয়া ইয়্যাকা নাস্‌তায়ীন" তখন আল্লাহ তা’আলা বলেন, এই আয়াতটি আমার ও আমার বান্দার মধ্যে। আর আমার বান্দার জন্য তা-ই রয়েছে, যা-সে চায়। বান্দা বলে, "ইহ্‌দিনাস সিরাতাল মুস্তাকীম, সিরাতাল লাযীনা আন আমতা আলাইহিম, গাইরিল মাগদুবি আলাইহিম ওয়ালাদ দ্বা-ল্লীন" (তখন আল্লাহ তায়ালা বলেন) এসবই আমার বান্দার জন্য। আর আমার বান্দার জন্য রয়েছে যা সে চায়।
আবু আল-সাইব- (রাঃ) সুনানে আন-নাসায়ী #৯০৯ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ৫৪
আবু সাঈদ ইবনুল মুআল্লা (রা.)
Sahih
أَخْبَرَنَا ‌إِسْمَاعِيلُ ‌بْنُ ‌مَسْعُودٍ، ​قَالَ حَدَّثَنَا خَالِدٌ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ سَمِعْتُ حَفْصَ بْنَ عَاصِمٍ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي سَعِيدِ بْنِ الْمُعَلَّى، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم مَرَّ بِهِ وَهُوَ يُصَلِّي فَدَعَاهُ - قَالَ - فَصَلَّيْتُ ثُمَّ أَتَيْتُهُ فَقَالَ ‏"‏ مَا مَنَعَكَ أَنْ تُجِيبَنِي ‏"‏ قَالَ كُنْتُ أُصَلِّي ‏.‏ قَالَ ‏"‏ أَلَمْ يَقُلِ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ ‏{‏ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اسْتَجِيبُوا لِلَّهِ وَلِلرَّسُولِ إِذَا دَعَاكُمْ لِمَا يُحْيِيكُمْ ‏}‏ أَلاَ أُعَلِّمُكَ أَعْظَمَ سُورَةٍ قَبْلَ أَنْ أَخْرُجَ مِنَ الْمَسْجِدِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَذَهَبَ لِيَخْرُجَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَوْلَكَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ هِيَ السَّبْعُ الْمَثَانِي الَّذِي أُوتِيتُ وَالْقُرْآنُ الْعَظِيمُ ‏"‏ ‏.‏
ইসমাঈল ‌ইবনু ‌মাসউদ ‌(রহঃ) ​... আবূ সাঈদ ইবনু মুআল্লা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (রহঃ) তার কাছ দিয়ে যাওয়ার কালে তাকে ডাকলেন, তিনি তখন সালাত আদায় করছিলেন। তিনি বলেন আমি সালাত শেষ করে তাঁর কাছে আসলে তিনি বললেন, আমার আহবানে সাড়া দিতে তোমাকে কিসে নিষেধ করল? তিনি বললেন, আমি সালাত আদায় করছিলাম। তিনি বললেন, আল্লাহ তা’আলা কি বলেননি, হে মুমিনগণ! রাসুল যখন তোমাদের এমন কিছুর দিকে আহ্বান করে যা তোমাদের প্রাণবন্ত করে, তখন আল্লাহ ও রাসুলের আহবানে সাড়া দিবে। (৮ঃ ২৪)। মসজিদ থেকে বের হওয়ার পর আমি কি তোমাকে সর্বোৎকৃষ্ট সূরা শিক্ষা দিব না? তিনি বললেন, তারপর তিনি বের হতে গেলে আমি বললাম ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনার কথা? তিনি বললেনঃ আল হামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন অর্থাৎ সূরা ফাতিহা, ঐ সাত আয়াত যা বারবার পড়া হয়ে থাকে, যা আমাকে দান করা হয়েছে এবং মহান কুরআন।
আবু সাঈদ ইবনুল মুআল্লা (রা.) সুনানে আন-নাসায়ী #৯১৩ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ৫৫
It Was
Sahih
أَخْبَرَنَا ‌الْحُسَيْنُ ‌بْنُ ​حُرَيْثٍ، ‌قَالَ حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جَعْفَرٍ، عَنِ الْعَلاَءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ أُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَا أَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ فِي التَّوْرَاةِ وَلاَ فِي الإِنْجِيلِ مِثْلَ أُمِّ الْقُرْآنِ وَهِيَ السَّبْعُ الْمَثَانِي وَهِيَ مَقْسُومَةٌ بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ ‏"‏ ‏.‏
হুসায়ন ‌ইবনু ‌হুরায়ছ ​(রহঃ) ‌... উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তাআলা সূরা ফাতিহার মত তাওরাত অথবা ইঞ্জিলে কোন আয়াত নাযিল করেননি। তা সাত আয়াত, যা বারবার পাঠ করা হয়ে থাকে। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন এ আমার ও আমার বান্দার মধ্যে ভাগ করা। আর আমার বান্দার জন্য রয়েছে, সে যা চায়।
It Was সুনানে আন-নাসায়ী #৯১৪ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ৫৬
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Sahih
أَخْبَرَنَا ‌قُتَيْبَةُ، ​عَنْ ​مَالِكٍ، ​عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ ابْنِ أُكَيْمَةَ اللَّيْثِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم انْصَرَفَ مِنْ صَلاَةٍ جَهَرَ فِيهَا بِالْقِرَاءَةِ فَقَالَ ‏"‏ هَلْ قَرَأَ مَعِي أَحَدٌ مِنْكُمْ آنِفًا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ رَجُلٌ نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ إِنِّي أَقُولُ مَا لِي أُنَازَعُ الْقُرْآنَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَانْتَهَى النَّاسُ عَنِ الْقِرَاءَةِ فِيمَا جَهَرَ فِيهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْقِرَاءَةِ مِنَ الصَّلاَةِ حِينَ سَمِعُوا ذَلِكَ ‏.‏
কুতায়বা ‌(রহঃ) ​... ​আবূ ​হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উচ্চ শব্দে কুরআন পাঠ করে সালাত সমাপ্ত করে বললেন, তোমাদের কেউ কি এখন আমার সাথে কুরআন পাঠ করেছে? এক ব্যক্তি বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ! হ্যাঁ। তিনি বললেন, আমি বলছি কুরআন তিলাওয়াতে আমার সাথে কেন ঝামেলা সৃষ্টি করা হয়? বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে সকল সালাতে কুরআন উচ্চ স্বরে পড়তেন সে সকল সালাতে লোকেরা কুরআন পড়া থেকে বিরত থাকলো, যখন তারা এ ব্যাপারটি শুনতে পেলো।
আবু হুরায়রা (রাঃ) সুনানে আন-নাসায়ী #৯১৯ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ৫৭
It Was
Daif
أَخْبَرَنَا ​هِشَامُ ‌بْنُ ‌عَمَّارٍ، ‌عَنْ صَدَقَةَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ وَاقِدٍ، عَنْ حَرَامِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ نَافِعِ بْنِ مَحْمُودِ بْنِ رَبِيعَةَ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، قَالَ صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعْضَ الصَّلَوَاتِ الَّتِي يُجْهَرُ فِيهَا بِالْقِرَاءَةِ فَقَالَ ‏ "‏ لاَ يَقْرَأَنَّ أَحَدٌ مِنْكُمْ إِذَا جَهَرْتُ بِالْقِرَاءَةِ إِلاَّ بِأُمِّ الْقُرْآنِ ‏"‏ ‏.‏
হিশাম ​ইবনু ‌আম্মার ‌(রহঃ) ‌... উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিয়ে এক সালাত আদায় করলেন, যাতে উচ্চস্বরে কুরআন পাঠ করা হয়। তারপর তিনি বললেন, যখন আমি উচ্চস্বরে কুরআন পড়ি তখন সূরা ফাতিহা ব্যতীত তোমাদের কেউ যেন কিছু না পড়ে।
It Was সুনানে আন-নাসায়ী #৯২০ Daif
সুনানে আন-নাসায়ী : ৫৮
It Was
Hasan
أَخْبَرَنَا ​يُوسُفُ ​بْنُ ‌عِيسَى، ‌وَمَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، عَنِ الْفَضْلِ بْنِ مُوسَى، قَالَ حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ السَّكْسَكِيِّ، عَنِ ابْنِ أَبِي أَوْفَى، قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ إِنِّي لاَ أَسْتَطِيعُ أَنْ آخُذَ شَيْئًا مِنَ الْقُرْآنِ فَعَلِّمْنِي شَيْئًا يُجْزِئْنِي مِنَ الْقُرْآنِ ‏.‏ فَقَالَ ‏ "‏ قُلْ سُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ وَلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ ‏"‏ ‏.‏
ইউসূফ ​ইবনু ​ঈসা ‌ও ‌মাহমুদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ... ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যাক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে আরয করল, আমি কুরআন পাঠ করতে পারি না। অতএব, আমাকে এমন কিছু শিক্ষা দিন যা কুরআন পাঠের পরিবর্তে যথেষ্ট হয়। তিনি বললেনঃ তুমি বল, سُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ وَلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ
It Was সুনানে আন-নাসায়ী #৯২৪ Hasan
সুনানে আন-নাসায়ী : ৫৯
ইবন মাখরামা (রাঃ)
Sahih
أَخْبَرَنَا ​نَصْرُ ‌بْنُ ‌عَلِيٍّ، ‌قَالَ أَنْبَأَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، قَالَ حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنِ ابْنِ مَخْرَمَةَ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، - رضى الله عنه - قَالَ سَمِعْتُ هِشَامَ بْنَ حَكِيمِ بْنِ حِزَامٍ، يَقْرَأُ سُورَةَ الْفُرْقَانِ فَقَرَأَ فِيهَا حُرُوفًا لَمْ يَكُنْ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَقْرَأَنِيهَا قُلْتُ مَنْ أَقْرَأَكَ هَذِهِ السُّورَةَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قُلْتُ كَذَبْتَ مَا هَكَذَا أَقْرَأَكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَخَذْتُ بِيَدِهِ أَقُودُهُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّكَ أَقْرَأْتَنِي سُورَةَ الْفُرْقَانِ وَإِنِّي سَمِعْتُ هَذَا يَقْرَأُ فِيهَا حُرُوفًا لَمْ تَكُنْ أَقْرَأْتَنِيهَا ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اقْرَأْ يَا هِشَامُ ‏"‏ ‏.‏ فَقَرَأَ كَمَا كَانَ يَقْرَأُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هَكَذَا أُنْزِلَتْ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ اقْرَأْ يَا عُمَرُ ‏"‏ ‏.‏ فَقَرَأْتُ فَقَالَ ‏"‏ هَكَذَا أُنْزِلَتْ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِنَّ الْقُرْآنَ أُنْزِلَ عَلَى سَبْعَةِ أَحْرُفٍ ‏"‏ ‏.‏
নাসর ​ইবনু ‌আলী ‌(রহঃ) ‌... ইবনু মাখরামা (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, উমর ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বলেন, আমি হিশাম ইবনু হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ) কে সূরা ফুরকান পড়তে শুনেছি। তিনি তাতে এমন কতগুলো অক্ষর পাঠ করলেন যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে পাঠ করান নি। আমি বললাম, আপনাকে এ সূরা কে পড়িয়েছেন? তিনি বললেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আমি বললাম, আপনি মিথ্যা বলছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপে পড়ান নি। আমি তাকে তার হাত ধরে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে নিয়ে এসে বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনি আমাকে সূরা ফূরকান পড়িয়েছেন। আমি এ ব্যক্তিকে তা পড়তে শুনলাম এমন কতগুলো অক্ষর তাতে তিনি পড়লেন যা আপনি আমাকে পড়ান নি। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে হিশাম! তুমি পড়ে শুনাও তো; তিনি ঐরূপ পড়লেন যেরূপ পূর্বে পড়েছিলেন। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এরূপই নাযিল হয়েছে। এরপর বললেন, হে উমর! তুমি পড়। তখন আমি পড়লাম, আবারও তিনি বললেন, এরূপই নাযিল হয়েছে। অতঃপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, কূরআন সাত লূগাতে* (উপভাষা) অবতীর্ন হয়েছে।
ইবন মাখরামা (রাঃ) সুনানে আন-নাসায়ী #৯৩৬ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ৬০
It Was
Sahih
أَخْبَرَنَا ​مُحَمَّدُ ‌بْنُ ‌سَلَمَةَ، ​وَالْحَارِثُ بْنُ مِسْكِينٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - عَنِ ابْنِ الْقَاسِمِ، قَالَ حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدٍ الْقَارِيِّ، قَالَ سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، - رضى الله عنه - يَقُولُ سَمِعْتُ هِشَامَ بْنَ حَكِيمٍ، يَقْرَأُ سُورَةَ الْفُرْقَانِ عَلَى غَيْرِ مَا أَقْرَؤُهَا عَلَيْهِ وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَقْرَأَنِيهَا فَكِدْتُ أَنْ أَعْجَلَ عَلَيْهِ ثُمَّ أَمْهَلْتُهُ حَتَّى انْصَرَفَ ثُمَّ لَبَّبْتُهُ بِرِدَائِهِ فَجِئْتُ بِهِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي سَمِعْتُ هَذَا يَقْرَأُ سُورَةَ الْفُرْقَانِ عَلَى غَيْرِ مَا أَقْرَأْتَنِيهَا ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اقْرَأْ ‏"‏ ‏.‏ فَقَرَأَ الْقِرَاءَةَ الَّتِي سَمِعْتُهُ يَقْرَأُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هَكَذَا أُنْزِلَتْ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ قَالَ لِي ‏"‏ اقْرَأْ ‏"‏ ‏.‏ فَقَرَأْتُ فَقَالَ ‏"‏ هَكَذَا أُنْزِلَتْ إِنَّ هَذَا الْقُرْآنَ أُنْزِلَ عَلَى سَبْعَةِ أَحْرُفٍ ‏{‏ فَاقْرَءُوا مَا تَيَسَّرَ مِنْهُ ‏}‏ ‏"‏ ‏.‏
মুহাম্মদ ​ইবনু ‌সালামা ‌ও ​হারিস ইবনু মিসকীন (রহঃ) ... আবদুর রহমান ইবনু আবদুল কারী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উমর ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আমি হিশাম ইবনু হাকীমকে সূরা ফুরকান পড়তে শুনলাম, আমি যেভাবে পড়ি সেভাবে না পড়ে অন্যভাবে। আর আমাকে তা পড়িয়েছেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আমি তো তাকে আক্রমণ করতে উদ্যত হয়েছিলাম। অতঃপর আমি তাকে ছেড়ে দিলাম। তিনি পড়া বন্ধ করলেন না। আমি তার চাঁদর দ্বারা পেঁছিয়ে তাকে নিয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খেদমতে উপস্থিত হয়ে বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি একে সূরা ফুরকান পড়তে শুনলাম যেভাবে আপনি আমাকে সূরা ফুরকান পড়িয়েছেন তাছাড়া অন্যভাবে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন, পড়। আমি তাকে যেভাবে পড়তে শুনেছি তিনি সেভাবেই পড়লেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এরূপই নাযিল হয়েছে। এরপর আমাকে বললেন, পড়। আমি পাঠ করার পর বললেন, এরূপই নাযিল হয়েছে এ কুরআন অবর্তীর্ণ হয়েছে সাত লূগাতে (উপ-ভাষায়) অতএব, তোমরা তা পাঠ কর যেরূপ তোমাদের পক্ষে সহজ হয়।
It Was সুনানে আন-নাসায়ী #৯৩৭ Sahih