Quran সম্পর্কে হাদিস

১৬০ টি প্রামাণিক হাদিস পাওয়া গেছে

সুনানে আন-নাসায়ী : ১০১
It Was
Sahih Isnaad
أَخْبَرَنَا ‌أَبُو ​حَصِينٍ ​عَبْدُ ‌اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْثَرٌ، قَالَ حَدَّثَنَا حُصَيْنٌ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ زَوَّجَنِي أَبِي امْرَأَةً فَجَاءَ يَزُورُهَا فَقَالَ كَيْفَ تَرَيْنَ بَعْلَكِ فَقَالَتْ نِعْمَ الرَّجُلُ مِنْ رَجُلٍ لاَ يَنَامُ اللَّيْلَ وَلاَ يُفْطِرُ النَّهَارَ ‏.‏ فَوَقَعَ بِي وَقَالَ زَوَّجْتُكَ امْرَأَةً مِنَ الْمُسْلِمِينَ فَعَضَلْتَهَا ‏.‏ قَالَ فَجَعَلْتُ لاَ أَلْتَفِتُ إِلَى قَوْلِهِ مِمَّا أَرَى عِنْدِي مِنَ الْقُوَّةِ وَالاِجْتِهَادِ فَبَلَغَ ذَلِكَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏"‏ لَكِنِّي أَنَا أَقُومُ وَأَنَامُ وَأَصُومُ وَأُفْطِرُ فَقُمْ وَنَمْ وَصُمْ وَأَفْطِرْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ صُمْ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ ثَلاَثَةَ أَيَّامٍ ‏"‏ ‏.‏ فَقُلْتُ أَنَا أَقْوَى مِنْ ذَلِكَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ صُمْ صَوْمَ دَاوُدَ عَلَيْهِ السَّلاَمُ صُمْ يَوْمًا وَأَفْطِرْ يَوْمًا ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ أَنَا أَقْوَى مِنْ ذَلِكَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ اقْرَإِ الْقُرْآنَ فِي كُلِّ شَهْرٍ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ انْتَهَى إِلَى خَمْسَ عَشْرَةَ وَأَنَا أَقُولُ أَنَا أَقْوَى مِنْ ذَلِكَ ‏.‏
আবূ ‌হাসীন ​আব্দুল্লাহ ​ইবনু ‌আহমদ (রহঃ) ... আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে এক মহিলা বিবাহ করালেন এবং তাকে দেখতে আসলেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন যে, তুমি তোমার স্বামীকে কেমন পেলে? সে বলল খুবই ভাল লোক। তিনি রাত্রে নিদ্রাও যান না আর দিনেও সাওম ভঙ্গ করেন না। তখন আমার পিতা আমাকে তিরস্কার করে বললেন, আমি তোমাকে এক মুসলিম মহিলা বিবাহ করালাম আর তুমি তাকে এভাবে ঠেলে রাখলে। [আব্দুল্লাহ (রাঃ)] বলেন, আমি নিজের মধ্যে শক্তি অনুভব করার কারণে আমর পিতার তিরস্কারের প্রতি ভ্রুক্ষেপ করছিলাম না। এ সংবাদ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌছালে তিনি বললেন, আমি তো সালাতও আদায় করি আবার নিদ্রাও যাই, সাওম পালনও করি আবার সাওম ভঙ্গও করি। তাই তুমিও সালাত আদায় কর, নিদ্রা যাও, সাওম পালন কর এবং সাওম ভঙ্গও কর। তিনি বললেন, তুমি প্রত্যেক মাসে তিন দিন সাওম পালন কর। তখন আমি বললাম, আমি তো এরও অধিক সাওম পালনের সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি দাঊদ (আঃ) এর সাওম পালন কর। একদিন সাওম পালন কর আর একদিন সাওম ভঙ্গ কর। আমি বললাম আমি তো এর চেয়েও অধিক সাওম পালনের সামর্থ্য রাখি। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাহলে তুমি প্রতি মাসে এক খতম করে কুরআন তিলাওয়াত কর। অতঃপর তিনি তা পনের দিনে খতম করার অনুমতি দিলে আমি বললাম, আমি এর চেয়েও অধিক এর চেয়ে অধিক সামর্থ্য রাখি।
It Was সুনানে আন-নাসায়ী #২৩৯০ Sahih Isnaad
সুনানে আন-নাসায়ী : ১০২
It Was
Munkar
أَخْبَرَنِي ​أَحْمَدُ ‌بْنُ ‌بَكَّارٍ، ​قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، - وَهُوَ ابْنُ سَلَمَةَ - عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ دَخَلْتُ عَلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قُلْتُ أَىْ عَمِّ حَدِّثْنِي عَمَّا قَالَ لَكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ يَا ابْنَ أَخِي إِنِّي كُنْتُ أَجْمَعْتُ عَلَى أَنْ أَجْتَهِدَ اجْتِهَادًا شَدِيدًا حَتَّى قُلْتُ لأَصُومَنَّ الدَّهْرَ وَلأَقْرَأَنَّ الْقُرْآنَ فِي كُلِّ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ فَسَمِعَ بِذَلِكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَتَانِي حَتَّى دَخَلَ عَلَىَّ فِي دَارِي فَقَالَ ‏"‏ بَلَغَنِي أَنَّكَ قُلْتَ لأَصُومَنَّ الدَّهْرَ وَلأَقْرَأَنَّ الْقُرْآنَ ‏"‏ ‏.‏ فَقُلْتُ قَدْ قُلْتُ ذَلِكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَلاَ تَفْعَلْ صُمْ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ ثَلاَثَةَ أَيَّامٍ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ إِنِّي أَقْوَى عَلَى أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَصُمْ مِنَ الْجُمُعَةِ يَوْمَيْنِ الاِثْنَيْنِ وَالْخَمِيسَ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ فَإِنِّي أَقْوَى عَلَى أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَصُمْ صِيَامَ دَاوُدَ عَلَيْهِ السَّلاَمُ فَإِنَّهُ أَعْدَلُ الصِّيَامِ عِنْدَ اللَّهِ يَوْمًا صَائِمًا وَيَوْمًا مُفْطِرًا وَإِنَّهُ كَانَ إِذَا وَعَدَ لَمْ يُخْلِفْ وَإِذَا لاَقَى لَمْ يَفِرَّ ‏"‏ ‏.‏
আহমদ ​ইবনু ‌বাককার ‌(রহঃ) ​... আবূ সালামা ইবনু আব্দুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) এর কাছে গিয়ে বললাম, হে চাচা! রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনাকে যা বলেছিলেন তা আমাকে বলুন। তিনি বললেন, হে আমার ভ্রাতূষ্পুত্র, আমি দৃঢ় সংকল্প করেছিলাম যে, আমি অত্যধিক পবিশ্রম করব, এমনকি মনে মনে বলেছিলাম যে, আমি অবশ্যই সারা জীবন সাওম পালন করব এবং প্রত্যেক দিবা রাত্রে একবার কুরআন খতম করব। এ খবর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুনে ফেললে তিনি আমার কাছে আসলেন এবং ঘরে প্রবেশ করে বললেন যে, আমি শুনেছি তুমি নাকি বলেছ যে, আমি অবশ্যই সারা জীবন সাওম পালন করব এবং সারাক্ষণ কুরআন তিলাওয়াত করব? আমি বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি অবশ্যই বলেছি। তিনি বললেন, তুমি এরূপ কর না বরং তুমি প্রত্যেক মাসে তিন দিন সাওম পালন করবে। আমি বললাম, আমি তো এর চেয়েও অধিক সাওম পালন করার সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি প্রত্যেক সপ্তাহে দুই দিন সাওম পালন করবে সোমবার এবং বৃহষ্পতিবার। আমি বললাম, আমি তো এর চেয়েও অধিক সাওম পালনের সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি দাঊদ (আঃ) এর ন্যায় সাওম পালন করবে। কেননা সেটাই আল্লাহ তা'আলার নিকট সর্বোত্তম সাওম। একদিন সাওম পালন করবে আর একদিন সাওম ভঙ্গ করে ফেলবে। আর দাঊদ (আঃ) যখন ওয়াদা করতেন তা পূর্ণ করতেন আর যখন শক্রর মুখোমুখী হতেন পলায়ন করতেন না।
It Was সুনানে আন-নাসায়ী #২৩৯৩ Munkar
সুনানে আন-নাসায়ী : ১০৩
It Was
Sahih
أَخْبَرَنَا ‌مُحَمَّدُ ​بْنُ ​مَنْصُورٍ، ​قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى عَائِشَةَ ‏{‏ فَلاَ جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَطَّوَّفَ بِهِمَا ‏}‏ قُلْتُ مَا أُبَالِي أَنْ لاَ أَطُوفَ بَيْنَهُمَا ‏.‏ فَقَالَتْ بِئْسَمَا قُلْتَ إِنَّمَا كَانَ نَاسٌ مِنْ أَهْلِ الْجَاهِلِيَّةِ لاَ يَطُوفُونَ بَيْنَهُمَا فَلَمَّا كَانَ الإِسْلاَمُ وَنَزَلَ الْقُرْآنُ ‏{‏ إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ ‏}‏ الآيَةَ فَطَافَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَطُفْنَا مَعَهُ فَكَانَتْ سُنَّةً ‏.‏
মুহাম্মদ ‌ইবন ​মানসূর ​(রহঃ) ​.... উরওয়া (রহঃ) বলেন, আমি আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট (فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَطَّوَّفَ بِهِمَا) [(অর্থঃ তাই যে কেউ কা'বা গৃহের (হজ্জ কিংবা উমরাহ করে) এ দু'টির মধ্যে যাতায়াত করাতে তার কোন পাপ নেই। (সূরা বাকারাঃ ১৫৮)] এ আয়াত পাঠ করে বললামঃ উক্ত পাহাড়দ্বয়ের মধ্যে সাঈ না করাকে আমি মন্দ মনে করি না। তিনি বলেনঃ তুমি যা বললে তা মন্দ কথা, জাহিলী যুগে লোকেরা এই দু পাহাড়ের সাঈ করতো না। যখন ইসলামের যুগ এলো এবং কুরআন নাযিল হলোঃ (إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ) “নিশ্চয় সাফা ও মারওয়া আল্লাহর অন্যতম নিদর্শন” (সূরা বাকারাঃ ১৫৮)। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাঈ করলেন এবং আমরাও তাঁর সঙ্গে সাঈ করলাম। তাই ইহা সুন্নত।
It Was সুনানে আন-নাসায়ী #২৯৬৭ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ১০৪
It Was
Daif Isnaad
أَخْبَرَنَا ‌عَمْرُو ‌بْنُ ​يَحْيَى ​بْنِ الْحَارِثِ، قَالَ أَنْبَأَنَا مَحْبُوبٌ، قَالَ أَنْبَأَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، عَنْ شَرِيكٍ، عَنْ خُصَيْفٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، قَالَ الْخُمُسُ الَّذِي لِلَّهِ وَلِلرَّسُولِ كَانَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَقَرَابَتِهِ لاَ يَأْكُلُونَ مِنَ الصَّدَقَةِ شَيْئًا فَكَانَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم خُمُسُ الْخُمُسِ وَلِذِي قَرَابَتِهِ خُمُسُ الْخُمُسِ وَلِلْيَتَامَى مِثْلُ ذَلِكَ وَلِلْمَسَاكِينِ مِثْلُ ذَلِكَ وَلاِبْنِ السَّبِيلِ مِثْلُ ذَلِكَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَ اللَّهُ جَلَّ ثَنَاؤُهُ ‏{‏ وَاعْلَمُوا أَنَّمَا غَنِمْتُمْ مِنْ شَىْءٍ فَأَنَّ لِلَّهِ خُمُسَهُ وَلِلرَّسُولِ وَلِذِي الْقُرْبَى وَالْيَتَامَى وَالْمَسَاكِينِ وَابْنِ السَّبِيلِ ‏}‏ وَقَوْلُهُ عَزَّ وَجَلَّ لِلَّهِ ابْتِدَاءُ كَلاَمٍ لأَنَّ الأَشْيَاءَ كُلَّهَا لِلَّهِ عَزَّ وَجَلَّ وَلَعَلَّهُ إِنَّمَا اسْتَفْتَحَ الْكَلاَمَ فِي الْفَىْءِ وَالْخُمُسِ بِذِكْرِ نَفْسِهِ لأَنَّهَا أَشْرَفُ الْكَسْبِ وَلَمْ يَنْسُبِ الصَّدَقَةَ إِلَى نَفْسِهِ عَزَّ وَجَلَّ لأَنَّهَا أَوْسَاخُ النَّاسِ وَاللَّهُ تَعَالَى أَعْلَمُ وَقَدْ قِيلَ يُؤْخَذُ مِنَ الْغَنِيمَةِ شَىْءٌ فَيُجْعَلُ فِي الْكَعْبَةِ وَهُوَ السَّهْمُ الَّذِي لِلَّهِ عَزَّ وَجَلَّ وَسَهْمُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِلَى الإِمَامِ يَشْتَرِي الْكُرَاعَ مِنْهُ وَالسِّلاَحَ وَيُعْطِي مِنْهُ مَنْ رَأَى مِمَّنْ رَأَى فِيهِ غَنَاءً وَمَنْفَعَةً لأَهْلِ الإِسْلاَمِ وَمِنْ أَهْلِ الْحَدِيثِ وَالْعِلْمِ وَالْفِقْهِ وَالْقُرْآنِ وَسَهْمٌ لِذِي الْقُرْبَى وَهُمْ بَنُو هَاشِمٍ وَبَنُو الْمُطَّلِبِ بَيْنَهُمُ الْغَنِيُّ مِنْهُمْ وَالْفَقِيرُ وَقَدْ قِيلَ إِنَّهُ لِلْفَقِيرِ مِنْهُمْ دُونَ الْغَنِيِّ كَالْيَتَامَى وَابْنِ السَّبِيلِ وَهُوَ أَشْبَهُ الْقَوْلَيْنِ بِالصَّوَابِ عِنْدِي وَاللَّهُ تَعَالَى أَعْلَمُ وَالصَّغِيرُ وَالْكَبِيرُ وَالذَّكَرُ وَالأُنْثَى سَوَاءٌ لأَنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ جَعَلَ ذَلِكَ لَهُمْ وَقَسَّمَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِيهِمْ وَلَيْسَ فِي الْحَدِيثِ أَنَّهُ فَضَّلَ بَعْضَهُمْ عَلَى بَعْضٍ وَلاَ خِلاَفَ نَعْلَمُهُ بَيْنَ الْعُلَمَاءِ فِي رَجُلٍ لَوْ أَوْصَى بِثُلُثِهِ لِبَنِي فُلاَنٍ أَنَّهُ بَيْنَهُمْ وَأَنَّ الذَّكَرَ وَالأُنْثَى فِيهِ سَوَاءٌ إِذَا كَانُوا يُحْصَوْنَ فَهَكَذَا كُلُّ شَىْءٍ صُيِّرَ لِبَنِي فُلاَنٍ أَنَّهُ بَيْنَهُمْ بِالسَّوِيَّةِ إِلاَّ أَنْ يُبَيِّنَ ذَلِكَ الآمِرُ بِهِ وَاللَّهُ وَلِيُّ التَّوْفِيقِ وَسَهْمٌ لِلْيَتَامَى مِنَ الْمُسْلِمِينَ وَسَهْمٌ لِلْمَسَاكِينِ مِنَ الْمُسْلِمِينَ وَسَهْمٌ لاِبْنِ السَّبِيلِ مِنَ الْمُسْلِمِينَ وَلاَ يُعْطَى أَحَدٌ مِنْهُمْ سَهْمُ مِسْكِينٍ وَسَهْمُ ابْنِ السَّبِيلِ وَقِيلَ لَهُ خُذْ أَيَّهُمَا شِئْتَ وَالأَرْبَعَةُ أَخْمَاسٍ يَقْسِمُهَا الإِمَامُ بَيْنَ مَنْ حَضَرَ الْقِتَالَ مِنَ الْمُسْلِمِينَ الْبَالِغِينَ ‏.‏
আমর ‌ইবন ‌ইয়াহইয়া ​ইবন ​হারিস (রহঃ) ... মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুরআন মজীদে যে বলা হয়েছে, খুমুস বা পঞ্চমাংশ আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলের জন্য, তা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর নিকটাত্মীয়দের জন্য, কারণ তাঁদের জন্য সদকা গ্রহণ করা বৈধ ছিল না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ পঞ্চমাংশের পঞ্চমাংশ গ্রহণ করতেন আর তার আত্মীয়দের জন্য ছিল পঞ্চমাংশের পঞ্চমাংশ। আর ইয়াতীমদের জন্যও ছিল অনুরূপ। আর মুসাফিরদের জন্য অনুরূপ এবং নিকট আত্মীয়দের জন্য অনুরূপ অংশ ছিল। আবু আবদুর রহমান (ইমাম নাসাঈ) বলেন, আল্লাহ্ তা'আলা যে নিজের নাম নিয়ে শুরু করে (فَأَنَّ لِلَّهِ خُمُسَهُ) বলেছেন, এটা বাক্যের সূচনাবিশেষ। কারণ সমুদয় বস্তু আল্লাহরই। এবং ফায়’ ও ‘খুমুস’-এর ক্ষেত্রে তিনি প্রথমে নিজের নাম নিয়ে শুরু করেছেন। এর কারণ এই যে, এ দু'টো উত্তম অর্জন। আর সাদকার ক্ষেত্রে নিজের নাম নিয়ে আরম্ভ করেন নি। বরং বলেছেনঃ (إِنَّمَا الصَّدَقَاتُ لِلْفُقَرَاءِ) অর্থাৎ সাদকা ফকীরদের জন্য ........। কারণ সাদকা মানুষের ময়লা-স্বরূপ। কেউ কেউ বলেছেনঃ গনীমতের মালের কিছু অংশ নিয়ে কা'বার মধ্যে রেখে দেওয়া হবে আর সেটাই আল্লাহর অংশ। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অংশ ইমাম বা শাসক পাবেন। তিনি তা দিয়ে ঘোড়া, অস্ত্র-শস্ত্র ক্রয় করবেন, যাকে দেওয়া ভাল মনে করবেন, দেবেন, যাকে দিলে মুসলিম সাধারণের উপকার ও কল্যাণ হয় তাকে এবং মুহাদ্দিস, ফুকাহা ও কুরআনচর্চাকারীদেরকে দেবেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আত্মীয়দের অংশ বনু হাশিম ও বনূ মুত্তালিব পাবেন; চাই তারা ধনী হন বা দরিদ্র। কেউ কেউ বলেন, তাঁদের মধ্যে যারা দরিদ্র কেবল তারাই পাবেন, ধনীরা পাবেন না। যেমন ইয়াতীম ও মুসাফিরদের মধ্যে যারা দরিদ্র, তারাই পাবে। এ মতই আমার কাছে অধিক সঠিক বলে মনে হয়। কিন্তু পাওয়ার ক্ষেত্রে ছােট-বড়, নারী-পুরুষ সবাই সমান। কেননা আল্লাহ্ তা'আলা এই সম্পদ তাদের দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন এবং রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের মধ্যে বণ্টন করেছেন। আর হাদীসে উল্লেখ নেই যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাউকে বেশি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন এবং কাউকে কম। এই মাসআলায় ইমামগণের কোন মতভেদ আছে বলে আমাদের জানা নেই যে, যদি কেউ কারো সন্তানদের জন্য নিজের এক-তৃতীয়াংশ মাল প্রদানের ওসীয়ত করে, তাহলে সকল সন্তানই সমান হারে পাবে; চাই তারা ছেলে হোক বা মেয়ে যদি তাদের পরিসংখ্যান জানা থাকে। এমনিভাবে যদি কোন জিনিস কারো সন্তানদের দেওয়ার জন্য বলা হয়, তাহলে ঐ জিনিস সকল সন্তানই সমান হারে পাবে। অবশ্য যে ব্যক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেয়, সে যদি পরিস্কার বলে দেয় যে, অমুক এতটুকু পাবে, আর অমুক এতটুকু, তাহলে তার কথানুযায়ী দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। আর এক অংশ মুসলিম ইয়াতীমগণ পাবে। এক অংশ মুসলিম মিসকীনগণ এবং এক অংশ মুসাফিরগণ পাবে। আর কাউকে মিসকীনের অংশ ও মুসাফিরের অংশ-এই দুই অংশ একত্রে দেওয়া হবে না; বরং তাকে বলা হবে তুমি হয় মিসকীনের অংশ গ্রহণ কর অথবা মুসাফিরের অংশ গ্রহণ কর। গনীমতের মালের অবশিষ্ট চারভাগ ইমাম ঐ মুসলিমদের দেবেন, যারা বালেগ এবং যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল।
It Was সুনানে আন-নাসায়ী #৪১৪৭ Daif Isnaad
সুনান ইবনে মাজাহ : ১০৫
It Was
Sahih
حَدَّثَنَا ‌حَفْصُ ‌بْنُ ​عَمْرٍو، ​حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ جَاءَتِ امْرَأَةٌ إِلَى النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ ‏"‏ مَنْ يَتَزَوَّجُهَا ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ رَجُلٌ أَنَا ‏.‏ فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ أَعْطِهَا وَلَوْ خَاتَمًا مِنْ حَدِيدٍ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ لَيْسَ مَعِي ‏.‏ قَالَ ‏"‏ قَدْ زَوَّجْتُكَهَا عَلَى مَا مَعَكَ مِنَ الْقُرْآنِ ‏"‏ ‏.‏
সাহল ‌ইবনু ‌সা‘দ ​(রাঃ) ​থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক মহিলা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি বলেনঃ কে তাকে বিবাহ করবে? এক ব্যক্তি বললো, আমি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তাকে একটি লোহার আংটি হলেও তা (মারহস্বরূপ) দাও। সে বললো, আমার কাছে কিছুই নাই। তিনি বলেনঃ তোমার কাছে কুরআনের যে অংশ আছে, তার বিনিময়ে আমি তাকে তোমার সাথে বিবাহ দিলাম।
It Was সুনান ইবনে মাজাহ #১৮৮৯ Sahih
সুনান ইবনে মাজাহ : ১০৬
It Was
Sahih
حَدَّثَنَا ‌أَبُو ‌بَكْرِ ‌بْنُ ‌أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ صَخْرٍ الْبَيَاضِيِّ، قَالَ كُنْتُ امْرَأً أَسْتَكْثِرُ مِنَ النِّسَاءِ لاَ أُرَى رَجُلاً كَانَ يُصِيبُ مِنْ ذَلِكَ مَا أُصِيبُ فَلَمَّا دَخَلَ رَمَضَانُ ظَاهَرْتُ مِنِ امْرَأَتِي حَتَّى يَنْسَلِخَ رَمَضَانُ فَبَيْنَمَا هِيَ تُحَدِّثُنِي ذَاتَ لَيْلَةٍ انْكَشَفَ لِي مِنْهَا شَىْءٌ فَوَثَبْتُ عَلَيْهَا فَوَاقَعْتُهَا فَلَمَّا أَصْبَحْتُ غَدَوْتُ عَلَى قَوْمِي فَأَخْبَرْتُهُمْ خَبَرِي وَقُلْتُ لَهُمْ سَلُوا لِي رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏ فَقَالُوا مَا كُنَّا لِنَفْعَلَ إِذًا يُنْزِلَ اللَّهُ فِينَا كِتَابًا أَوْ يَكُونَ فِينَا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَوْلٌ فَيَبْقَى عَلَيْنَا عَارُهُ وَلَكِنْ سَوْفَ نُسَلِّمُكَ لِجَرِيرَتِكَ اذْهَبْ أَنْتَ فَاذْكُرْ شَأْنَكَ لِرَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏ قَالَ فَخَرَجْتُ حَتَّى جِئْتُهُ فَأَخْبَرْتُهُ الْخَبَرَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ أَنْتَ بِذَاكَ ‏"‏ ‏.‏ فَقُلْتُ أَنَا بِذَاكَ وَهَا أَنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ صَابِرٌ لِحُكْمِ اللَّهِ عَلَىَّ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَأَعْتِقْ رَقَبَةً ‏"‏ ‏.‏ قَالَ قُلْتُ وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ مَا أَصْبَحْتُ أَمْلِكُ إِلاَّ رَقَبَتِي هَذِهِ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَصُمْ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَهَلْ دَخَلَ عَلَىَّ مَا دَخَلَ مِنَ الْبَلاَءِ إِلاَّ بِالصَّوْمِ قَالَ ‏"‏ فَتَصَدَّقْ وَأَطْعِمْ سِتِّينَ مِسْكِينًا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ قُلْتُ وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لَقَدْ بِتْنَا لَيْلَتَنَا هَذِهِ مَا لَنَا عَشَاءٌ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَاذْهَبْ إِلَى صَاحِبِ صَدَقَةِ بَنِي زُرَيْقٍ فَقُلْ لَهُ فَلْيَدْفَعْهَا إِلَيْكَ وَأَطْعِمْ سِتِّينَ مِسْكِينًا وَانْتَفِعْ بِبَقِيَّتِهَا ‏"‏ ‏.‏
সালামাহ্ ‌ইবনু ‌সাখর ‌আল-বায়াদী ‌(রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নারীদের প্রতি অধিক আসক্ত ছিলাম। অন্য পুরুষের তুলনায় আমি তাদের সাথে বেশি সহবাসে লিপ্ত হতাম। রমযান মাস শুরু হলে আমি আমার স্ত্রীর সাথে যিহার করলাম। রমযান মাস প্রায় শেষ হতে যাচ্ছে। একদা রাতের বেলা সে আমার সাথে কথাবার্তা বলছিল। তখন তার দেহের একটি অংশ আমার সামনে উন্মুক্ত হয়ে গেলো। আমি তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়লাম এবং তার সাথে সহবাস করলাম। ভোর হলে আমি সকাল সকাল আমার সম্প্রদায়ের লোকেদের নিকট উপস্থিত হয়ে তাদেরকে আমার ঘটনাটি জানালাম। আমি তাদের বললাম, তোমরা আমার ব্যাপারে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করো। তারা বললো, আমরা তা করতে পারবো না। হয়ত বা আল্লাহ্ আমাদের সম্পর্কে কিতাব (কুরআনের আয়াত) নাযিল করবেন অথবা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের এমন কিছু বলবেন, যা আমাদের জন্য লজ্জার কারণ হয়ে থাকবে। বরং আমরা তোমার অপরাধসহ তোমাকে সোপর্দ করবো। তুমি নিজেই গিয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট তোমার ঘটনাটি বলো। রাবী বলেন, আমি রওয়ানা হয়ে তাঁর নিকট উপস্থিত হয়ে আমার বিষয়টি তাঁকে জানালাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি এটা করেছো? আমি বললাম, আমিই এটা করেছি। আমি এখানে আছি হে আল্লাহর রসূল! আমার প্রতি আল্লাহর যে হুকুম হয় তাতে আমি ধৈর্য ধারণ করবো তিনি বলেনঃ একটি গোলামকে দাসত্বমুক্ত করো। আমি বললাম, সেই সত্তার শপথ, যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন! আমি আমার দেহটি ছাড়া আর কিছুর মালিক নই। তিনি বলেন, তাহলে একাধারে দু’ মাস রোযা রাখো। আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আমার উপর যে বিপদ এসেছে, তা তো এই রোযার কারণেই। তিনি বলেনঃ তাহলে দান-খয়রাত করো অথবা ষাটজন মিসকীনকে আহার করাও। রাবী বলেন, আমি বললাম, সেই সত্তার শপথ, যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন! আমরা এ রাতটি নিরন্ন অবস্থায় অতিবাহিত করেছি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি বনু যুরাইক-এর যাকাত বণ্টনকারীর নিকট যাও এবং তাকে বলো, সে যেন তোমাকে যাকাতের কিছু মাল দান করে। তা দিয়ে তুমি ষাটজন মিসকীনকে আহার করাও এবং অবশিষ্ট যা থাকে তা নিজের উপকারে লাগাও।
It Was সুনান ইবনে মাজাহ #২০৬২ Sahih
সুনান ইবনে মাজাহ : ১০৭
ইবন'আব্বাস (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ​أَبُو ‌بَكْرِ ​بْنُ ​أَبِي شَيْبَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ لَقَدْ خَشِيتُ أَنْ يَطُولَ، بِالنَّاسِ زَمَانٌ حَتَّى يَقُولَ قَائِلٌ مَا أَجِدُ الرَّجْمَ فِي كِتَابِ اللَّهِ فَيَضِلُّوا بِتَرْكِ فَرِيضَةٍ مِنْ فَرَائِضِ اللَّهِ أَلاَ وَإِنَّ الرَّجْمَ حَقٌّ إِذَا أُحْصِنَ الرَّجُلُ وَقَامَتِ الْبَيِّنَةُ أَوْ كَانَ حَمْلٌ أَوِ اعْتِرَافٌ وَقَدْ قَرَأْتُهَا الشَّيْخُ وَالشَّيْخَةُ إِذَا زَنَيَا فَارْجُمُوهُمَا الْبَتَّةَ ‏.‏ رَجَمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَرَجَمْنَا بَعْدَهُ ‏.‏
ইবনে ​আব্বাস ‌(রাঃ) ​থেকে ​বর্ণিত। তিনি বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বললেন, আমি আশঙ্কা করছি যে, দীর্ঘকাল অতিবাহিত হওয়ার পর কেউ বলে বসবে, আমি আল্লাহর কিতাবে রজমের কথা পাচ্ছি না। ফলে সে আল্লাহর ফয়যসমূহের মধ্যকার একটি ফরয ত্যাগ করার কারণে পথভ্রষ্ট হবে। সাবধান! রজম (প্রস্তরাঘাতে হত্যা) করা বাধ্যতামূলক- অপরাধী বিবাহিত হলে এবং সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে অথবা গর্ভসঞ্চার হলে অথবা স্বীকারোক্তি করলে। অতঃপর আমি রজমের এ আয়াত পাঠ করিঃ ‘‘বৃদ্ধ ও বৃদ্ধা যেনায় লিপ্ত হলে তোমরা তাদের উভয়কে রজম করো’’। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রজম করেছেন এবং তাঁর পরে আমরাও রজম করেছি।
ইবন'আব্বাস (রাঃ) সুনান ইবনে মাজাহ #২৫৫৩ Sahih
সুনান ইবনে মাজাহ : ১০৮
It Was
Hasan
حَدَّثَنَا ​مُحَمَّدُ ‌بْنُ ‌بَشَّارٍ، ​حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ عَمْرَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ لَمَّا نَزَلَ عُذْرِي قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْمِنْبَرِ فَذَكَرَ ذَلِكَ وَتَلاَ الْقُرْآنَ فَلَمَّا نَزَلَ أَمَرَ بِرَجُلَيْنِ وَامْرَأَةٍ فَضُرِبُوا حَدَّهُمْ ‏.‏
আয়েশা ​(রাঃ) ‌থেকে ‌বর্ণিত। ​তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত মিথ্যা অপবাদ খন্ডন করে কুরআনের আয়াত নাযিল হলে পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদের মিম্বারে উঠে দাঁড়ালেন। তিনি বিষয়টি উল্লেখ করে কুরআন (সেই আয়াত) তিলাওয়াত করেন, অতঃপর মিম্বার থেকে অবতরণ করে দু’জন পুরুষ ও একজন নারী সম্পর্কে নির্দেশ দিলে তাদের উপর হদ্দ কার্যকর করা হয়।
It Was সুনান ইবনে মাজাহ #২৫৬৭ Hasan
সুনান ইবনে মাজাহ : ১০৯
ইবনে বুরাইদাহ (রাঃ)
Daif
حَدَّثَنَا ‌عَلِيُّ ​بْنُ ​مُحَمَّدٍ، ​حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ بَشِيرِ بْنِ مُهَاجِرٍ، عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ يَجِيءُ الْقُرْآنُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ كَالرَّجُلِ الشَّاحِبِ فَيَقُولُ أَنَا الَّذِي أَسْهَرْتُ لَيْلَكَ وَأَظْمَأْتُ نَهَارَكَ ‏"‏ ‏.‏
ইবনে ‌বুরায়দা ​(রাঃ) ​থেকে ​তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন কুরআন পর্যুদস্ত লোকের অবয়বে উপস্থিত হয়ে বলবে, আমিই তোমাকে রাতে বিনিদ্র করেছি এবং দিনে পিপাসার্ত করেছি।
ইবনে বুরাইদাহ (রাঃ) সুনান ইবনে মাজাহ #৩৭৮১ Daif
সুনান ইবনে মাজাহ : ১১০
It Was
Sahih
حَدَّثَنَا ​أَحْمَدُ ‌بْنُ ‌الأَزْهَرِ، ​حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَنْبَأَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ مَثَلُ الْقُرْآنِ مَثَلُ الإِبِلِ الْمُعَقَّلَةِ إِنْ تَعَاهَدَهَا صَاحِبُهَا بِعُقُلِهَا أَمْسَكَهَا عَلَيْهِ وَإِنْ أَطْلَقَ عُقُلَهَا ذَهَبَتْ ‏"‏ ‏.‏
ইবনে ​উমার ‌(রাঃ) ‌থেকে ​বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কুরআনের উদাহরণ হলো বেঁধে রাখা উটের (উদাহরণ) তুল্য। উটের মালিক তাকে রশি দিয়ে বেঁধে রাখলে সে তাকে আয়ত্তাধীন রাখতে পারে, সে যদি তার রশির বাঁধন খুলে দেয় তবে তা ভেগে যায়।
It Was সুনান ইবনে মাজাহ #৩৭৮৩ Sahih
সুনান ইবনে মাজাহ : ১১১
It Was
Sahih
حَدَّثَنَا ​أَبُو ‌بَكْرِ ​بْنُ ​أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدِ بْنِ الْمُعَلَّى، قَالَ قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ أَلاَ أُعَلِّمُكَ أَعْظَمَ سُورَةٍ فِي الْقُرْآنِ قَبْلَ أَنْ أَخْرُجَ مِنَ الْمَسْجِدِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَذَهَبَ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ لِيَخْرُجَ فَأَذْكَرْتُهُ فَقَالَ ‏"‏ ‏{‏ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ}‏ وَهِيَ السَّبْعُ الْمَثَانِي وَالْقُرْآنُ الْعَظِيمُ الَّذِي أُوتِيتُهُ ‏"‏ ‏.‏
আবূ ​সাঈদ ‌ইবনুল ​মুআল্লা ​(রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ আমি কি মসজিদ থেকে বের হওয়ার পূর্বেই তোমাকে কুরআনের শ্রেষ্ঠতম সূরা শিক্ষা দিবো না? রাবী বলেনঃ অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হওয়ার জন্য অগ্রসর হলেন। তখন আমি তাঁকে স্মরণ করিয়ে দিলে তিনি বলেনঃ সূরা আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামীন (সূরা ফাতিহা)। এটা হলো ‘‘সাবউল মাছানী’’ (বারবার পঠিত সপ্তক) ও মহান কুরআন, যা আমাকে দান করা হয়েছে।
It Was সুনান ইবনে মাজাহ #৩৭৮৫ Sahih
সুনান ইবনে মাজাহ : ১১২
It Was
Sahih
حَدَّثَنَا ​أَبُو ​بَكْرٍ، ‌حَدَّثَنَا ​خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلاَلٍ، حَدَّثَنِي سُهَيْلٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ ‏{قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ}‏ تَعْدِلُ ثُلُثَ الْقُرْآنِ ‏"‏ ‏.‏
আবূ ​হুরায়রা ​(রাঃ) ‌থেকে ​বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ‘‘কুল হুয়াল্লাহু আহাদ’’ সূরাটি কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমতুল্য।
It Was সুনান ইবনে মাজাহ #৩৭৮৭ Sahih
সুনান ইবনে মাজাহ : ১১৩
It Was
Sahih
حَدَّثَنَا ​الْحَسَنُ ​بْنُ ​عَلِيٍّ ‌الْخَلاَّلُ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ جَرِيرِ بْنِ حَازِمٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ ‏{قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ}‏ تَعْدِلُ ثُلُثَ الْقُرْآنِ ‏"‏ ‏.‏
আনাস ​ইবনে ​মালেক ​(রাঃ) ‌থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ‘‘কুল হুয়াল্লাহু আহাদ’’ সূরাটি কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমতুল্য।
It Was সুনান ইবনে মাজাহ #৩৭৮৮ Sahih
সুনান ইবনে মাজাহ : ১১৪
It Was
Sahih
حَدَّثَنَا ​عَلِيُّ ​بْنُ ​مُحَمَّدٍ، ​حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي قَيْسٍ الأَوْدِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَيْمُونٍ، عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ الأَنْصَارِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ اللَّهُ أَحَدٌ الْوَاحِدُ الصَّمَدُ تَعْدِلُ ثُلُثَ الْقُرْآنِ ‏"‏ ‏.‏
আবূ ​মাসউদ ​আল-আনসারী ​(রাঃ) ​থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ‘‘আল-আহাদুল ওয়াহিদুস সামাদ’’ ( ইখলাস) সূরাটি কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমতুল্য।
It Was সুনান ইবনে মাজাহ #৩৭৮৯ Sahih
মুয়াত্তা মালিক : ১১৫
Mauquf Sahih
وعن ​عروة ​أن ‌عمر ‌بن الخطاب كان على المنبر فقرأ سورة في سجدة يوم الجمعة ثم نزل فسجد ففعل الرجال مثل ذلك. وقرأ عمر نفس السورة في يوم آخر من يوم الجمعة، فبينما الرجال يسجدون، قال لهم: رفقاً، ما كتب الله لنا هذه السجدة إلا ونحن نريدها. ولم يركع ومنع الرجال من ذلك». قال مالك: ولا يجب على الإمام أن يخرج من منبره ليسجد إذا قرأ الآية التي تقتضي ذلك. قال مالك: ونحسب أن في القرآن إحدى عشرة سجدة، لم توجد واحدة منها في سورة المفصل. وقال مالك: "لا ينبغي لأحد أن يقرأ بعد صلاة الفجر والعصر قرآناً سجدياً لأن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن صلاة بعد صلاة الفجر إلى طلوع الشمس وبعد صلاة العصر إلى غروب الشمس. وبما أن السجود جزء من الصلاة فلا ينبغي أن يقرأ من المصحف الذي فيه سجود في الوقتين. وسئل مالك عن السجود". "من قرأ القرآن وهو ساجد وامرأته حائض هل تسجد؟" قال: "لا يسجد رجل ولا امرأة إلا على طهارة" وسئل مالك عن المرأة التي تقرأ القرآن وهو ساجد وزوجها يسمع هل يسجد معها؟ ولا يجب السجود إلا عندما يكون الرجل مع الآخرين فيؤم الصلاة، ثم يقرأ آية السجود، فيسجد ويفعل معه الرجال. لكن من سمع مثل هذه الآية يقرأ من غير إمامه فلا يسجد. الفصل السادس: سورتا “الإخلاص والملك”.
রেওয়ায়ত ​১৬. ​উরওয়াহ ‌(রহঃ) ‌হইতে বর্ণিত- উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) একটি সিজদার আয়াত পাঠ করিলেন জুম'আ দিবসে। আর তিনি ছিলেন মিম্বরের উপর। অতঃপর তিনি অবতরণ করিলেন এবং সিজদা করিলেন এবং তাহার সঙ্গে লোকেরাও সিজদা করিলেন। পরবর্তী জুম'আয় তিনি সেই সূরা পাঠ করিলেন। লোকেরা সিজদার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করিতে লাগিলেন। উমর (রাঃ) তখন বলিলেনঃ আপনারা অপেক্ষা করুন। আল্লাহ্ তা'আলা আমাদের উপর সিজদা ফরয করেন নাই, তবে আমরা যদি ইচ্ছা করি তা স্বতন্ত্র কথা! (ইহা শুনিয়া) তাহারা আর সিজদা করিলেন না। তিনি তাহাদিগকে সিজদা হইতে বিরত রাখিলেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ সিজদার আয়াত মিম্বরের উপর পাঠ করিলে, ইমামের মিম্বর হইতে অবতরণ করিয়া সিজদা করার প্রতি (আমাদের) আমল নাই (অর্থাৎ মিম্বর হইতে অবতরণ জরুরী নহে)। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের অভিমত এই যে, কুরআন শরীফে সিজদাসমূহের মধ্যে তাকিদী সিজদা হইতেছে এগারটি। ইহাদের একটিও মুফাসসালাতে নাই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ সুজুদুল কুরআন (কুরআনের সিজদাসমূহ) হইতে কোন সিজদার আয়াত ফজরের নামাযের এবং আসরের নামাযের পর পাঠ করা কাহারও পক্ষে উচিত নহে। কারণ ফজরের পর সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত এবং আসরের পর (সূর্য) অস্ত যাওয়া পর্যন্ত নামায পড়িতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করিয়াছেন। আর সিজদাও নামাযে গণ্য, কাজেই কাহারও পক্ষে উচিত নহে যে, সেই দুই সময়ে কোন সিজদার আয়াত পাঠ করা। মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হইয়াছে ঐ ব্যক্তি সম্বন্ধে যিনি একটি সিজদার আয়াত পাঠ করিয়াছেন, আর একজন ঋতুমতী মহিলা উহা শুনিল। তবে সেই মহিলা কি সিজদা করিবে? (উত্তরে) মালিক (রহঃ) বলিলেনঃ পুরুষ বা নারী, পবিত্রাবস্থা ব্যতীত সিজদা করিবে না। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন, মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হয় একজন মহিলা সম্পর্কে যিনি সিজদার আয়াত পাঠ করিয়াছেন, অন্য এক ব্যক্তি তাহা শুনিতেছে। সেই ব্যক্তির জন্য সিজদা করা জরুরী কি? (উত্তরে) মালিক (রহঃ) বলেনঃ সিজদা করা এই ব্যক্তির জন্য জরুরী নহে। সিজদা ওয়াজিব হয় সেই লোকের উপর যেসব লোক কোন ব্যক্তির সাথে নামাযে শরীক থাকেন এবং তাহার পিছনে ইকতিদা করেন। অতঃপর তাহাদের ইমাম সিজদার আয়াত পাঠ করিলে তাহারাও তাহার সহিত সিজদা করিবেন। আর যে ব্যক্তি সিজদার আয়াত শুনিয়াছে কোন লোকের মুখে (যিনি উহা পাঠ করিতেছেন), কিন্তু সেই ব্যক্তি এই লোকের ইমাম নহেন, তাহার জন্য এই সিজদা জরুরী নহে।
মুয়াত্তা মালিক #৪৮৫ Mauquf Sahih
মুয়াত্তা মালিক : ১১৬
Maqtu Daif
وروي ‌عن ​مالك ‌أن ​سعيد بن المسيب كان يكره أن يرى الدابة تقتل مثل صيد الصيد بسهم أو نحوه. قال مالك: لا أرى بأساً بالحيوان الذي يقتله المعراض فيحفر في جسده فيموت ويؤكل، لقول الله تبارك وتعالى: «يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا!» "ليبلوكم الله في صيد ما أخذت أيديكم ورماحكم" القرآن الخامس، 94. فكل ما استطاع الرجل أن يصيبه بيده أو برمحه أو بأي سلاح فيغرق في بدن الصيد ويموته فهو صيد حلال كما أثبت الله.
মালেককে ‌জানানো ​হল ‌যে, ​সাঈদ ইবনে আল-মুসায়াব গৃহপালিত পশুকে শিকার করা প্রাণীর মতো তীর বা তার অনুরূপ অন্য কোনো উপায়ে হত্যা করতে দেখে ঘৃণা করেছিলেন। মালেক বলেন: “আমি আল-মিরাদের দ্বারা নিহত পশুর কোন ক্ষতি দেখি না, যা তার দেহে চাপা পড়ে এবং তার মৃত্যু ঘটায়, খাওয়া হয়। তোমাদের হাত ও বর্শা তোমাদের জন্য যে খেলা অর্জন করেছে সে বিষয়ে আল্লাহ তোমাদের পরীক্ষা করবেন” Quran V, 94. অতএব, একজন মানুষ তার হাত দিয়ে, বা তার বর্শা দিয়ে বা যে কোন অস্ত্র দ্বারা যা অর্জন করতে পারে এবং তা খেলার শরীরে ডুবে যায় এবং তার মৃত্যু ঘটায়, তা বৈধ শিকার, যেমন আল্লাহ নিশ্চিত করেছেন।
মুয়াত্তা মালিক #১০৫৪ Maqtu Daif
আদাবুল মুফরাদ : ১১৭
জাবের (রা)
Sahih
وكان ​رسول ‌الله ​صلى ‌الله عليه وسلم لا ينام حتى يقرأ سورة "ألم تنخل" (سورة السجدة - 32) وتبارك الله باديهل الملك (سورة الملك - 67). (الترمذي)\nقال أبو الزبير (رضي الله عنه): هذه السورة أكثر من سائر سور القرآن بسبعين مرة. استحقاق الكرامة. ومن قرأ هذه السورة كتب له سبعون حسنة، وزادت درجاته سبعين درجة، وغفرت له سبعين ذنبا. -(النسائي، الدارمي، الحاكم، ابن أبي شيبة)
রাসূলুল্লাহ ​(সাঃ) ‌সূরা ​আলিফ-লাম-মীম ‌তানখীল (সূরা সাজদা-৩২) ও তাবারাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলক (সূরা মূলক-৬৭) না পড়া পর্যন্ত ঘুমাতেন না। (তিরমিযী)\nআবুয যুবাইর (র) বলেন, এই সূরাদ্বয় কুরআন মজীদের অন্যসব সূরার তুলনায় সত্তর গুণ সওয়াবের মর্যাদা লাভের অধিকারী। কোন ব্যক্তি এই সূরাদ্বয় পড়লে তার জন্য এর বিনিময়ে সত্তরটি নেকী লেখা হয়, এর উসীলায় তার মর্যাদা সত্তর গুণ বৃদ্ধি করা হয় এবং এর দ্বারা তার সত্তরটি গুনাহ মাফ করা হয়। -(নাসাঈ, দারিমী, হাকিম, ইবনে আবু শায়বাহ)
জাবের (রা) আদাবুল মুফরাদ #১২২০ Sahih
বুলুঘ আল-মারাম : ১১৮
আব্দুল্লাহ বিন আবু বকর (রাঃ)
Sahih
وَأَخْرَجَ ​اَلطَّبَرَانِيُّ ‌اَلنَّهْيَ ‌عَن ​ْ 1‏ تَحْتِ اَلْأَشْجَارِ اَلْمُثْمِرَةِ, وَضَفَّةِ اَلنَّهْرِ الْجَارِي.‏ مِنْ حَدِيثِ اِبْنِ عُمَرَ بِسَنَدٍ ضَعِيف ٍ 2‏ .‏‏1 ‏- أي: التخلي.‏‏2 ‏- منكر.‏ رواه الطبراني بتمامه في "الأوسط" كما في مجمع البحرين (349)‏، وفي "الكبير" الشطر الأخير منه كما في "مجمع الزوائد" (104)‏.‏
আমর ​ইবনে ‌হাজমের ‌জন্য ​রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রচিত কিতাবে আরও বলা হয়েছে, 'পবিত্র মানুষ ছাড়া আর কেউ কুরআন স্পর্শ করবে না। .
আব্দুল্লাহ বিন আবু বকর (রাঃ) বুলুঘ আল-মারাম #৯৪ Sahih
মিশকাতুল-মাসাবীহ : ১১৯
মু'আয বিন জাবাল (রাঃ)
Sahih
وَعَنْ ‌عُبَادَةَ ‌بْنِ ‌الصَّامِتِ ‌رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ شَهِدَ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ وَأَنَّ عِيسَى عَبْدُ اللَّهِ وَرَسُولُهُ وَابْنُ أَمَتِهِ وَكَلِمَتُهُ أَلْقَاهَا إِلَى مَرْيَمَ وَرُوحٌ مِنْهُ وَالْجَنَّةُ وَالنَّارُ حَقٌّ أَدْخَلَهُ اللَّهُ الْجَنَّةَ عَلَى مَا كَانَ من الْعَمَل»
আমি ‌বললাম, ‌হে ‌আল্লাহর ‌রাসূল, আমাকে এমন একটি কাজ সম্পর্কে অবহিত করুন যা আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং আমাকে জাহান্নাম থেকে দূরে সরিয়ে দেবে। তিনি বললেন, "আপনি একটি গুরুতর প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেছেন, কিন্তু আল্লাহ যাকে সাহায্য করেন তার পক্ষে তার উত্তর দেওয়া সহজ। তোমরা আল্লাহর ইবাদত কর, তাঁর সাথে কিছু শরীক না কর, নামায কায়েম কর, যাকাত আদায় কর, রমজানে রোজা রাখো এবং ঘরে হজ্জ কর। তিনি বললেনঃ আমি কি তোমাদেরকে সৎকর্মের প্রবেশদ্বারের দিকে পরিচালিত করব না? রোজা একটি সুরক্ষা এবং দান পাপকে নির্বাপিত করে যেমন জল আগুন নিভিয়ে দেয় এবং মাঝরাতে মানুষের নামায প্রার্থনা করে। অতঃপর তিনি আবৃত্তি করলেন, "তাদের পালঙ্ক থেকে সরে আসা ... তারা তা করে চলেছে। 1 তখন তিনি বললেন, "আমি কি তোমাকে মাথা ও তার কুঁজের উপরের দিকে পরিচালিত করব না?" আমি বললাম, হ্যাঁ, আল্লাহর রাসূল। তিনি বলেন, 'বিষয়টির প্রধান হচ্ছে ইসলাম, এর অবলম্বন হচ্ছে নামায এবং এর কুঁজের শীর্ষে রয়েছে জিহাদ। অতঃপর তিনি বললেনঃ আমি কি তোমাকে এ বিষয়ে অবহিত করব না? আমি বললাম, হ্যাঁ, আল্লাহর নবী। তখন তিনি তার জিহ্বা ধরে বললেন, "এটি সংযত করুন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর নবী, আমরা যা বলছি তার জন্য কি সত্যিই আমাদের শাস্তি দেওয়া হবে? তিনি বললেন, "আমি আপনার জন্য বিস্মিত হয়েছি, 2 মুয়াদ! তাদের জিহ্বার ফসল ছাড়া আর কেউ কি মানুষকে জাহান্নামে তাদের মুখের উপর (অথবা নাকের ছিদ্রের উপর) ফেলে দেবে? আহমাদ, তিরমিযী ও ইবনে মাজাহ এটি প্রেরণ করেন। 1 কুরআন, xxxii, 16f. 2 আক্ষরিক অর্থে, তোমার মা যেন তোমাকে থেকে বঞ্চিত করে|
মু'আয বিন জাবাল (রাঃ) মিশকাতুল-মাসাবীহ #২৭ Sahih
মিশকাতুল-মাসাবীহ : ১২০
আব্দুল্লাহ (রাঃ)
Sahih
وَعَنْ ‌أَنَسٍ ‌قَالَ: ‌قَالَ ‌رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ الشَّيْطَانَ يَجْرِي مِنَ الانسان مجْرى الدَّم»
ইবনে ‌মাসউদ ‌রাদিয়াল্লাহু ‌আলাইহি ‌ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, শয়তান মানুষের নিকটবর্তী হয় এবং ফেরেশতাও নিকটবর্তী হয়। শয়তানের আগমন মন্দের প্রতিশ্রুতি এবং সত্যকে অস্বীকার করার মধ্যে রয়েছে, যেখানে ফেরেশতার নিকটবর্তী হওয়া ভাল জিনিসের প্রতিশ্রুতি এবং সত্যের সত্যের সত্যতা নিশ্চিত করে। যখন কেউ পরবর্তীকালের অভিজ্ঞতা অর্জন করে, তখন তাকে জানাতে হবে যে এটি ঈশ্বরের কাছ থেকে এসেছে এবং তাকে ঈশ্বরের প্রশংসা করুক; কিন্তু যদি সে অন্যের অভিজ্ঞতা অর্জন করে, তবে সে অভিশপ্ত শয়তানের হাত থেকে ঈশ্বরের আশ্রয় প্রার্থনা করুক। অতঃপর তিনি আবৃত্তি করলেন, শয়তান তোমাদেরকে দারিদ্র্যের প্রতিশ্রুতি দেয় এবং তোমাদেরকে অন্যায়ের জন্য প্ররোচিত করে। 1 তিরমিধি এটি প্রেরণ করেছিলেন এবং বলেছিলেন যে এটি একটি গরিব ঐতিহ্য। 1 কুরআন। ii, 268.
আব্দুল্লাহ (রাঃ) মিশকাতুল-মাসাবীহ #৬৮ Sahih