Honest সম্পর্কে হাদিস

১০২ টি প্রামাণিক হাদিস পাওয়া গেছে

সুনান ইবনে মাজাহ : ৬১
ইসমাঈল ইবনে উবাইদ ইবনে রিফাহ (রা.)
Daif
حَدَّثَنَا ‌يَعْقُوبُ ​بْنُ ‌حُمَيْدِ ‌بْنِ كَاسِبٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سُلَيْمٍ الطَّائِفِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ خُثَيْمٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ رِفَاعَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، رِفَاعَةَ قَالَ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَإِذَا النَّاسُ يَتَبَايَعُونَ بُكْرَةً فَنَادَاهُمْ ‏"‏ يَا مَعْشَرَ التُّجَّارِ ‏"‏ ‏.‏ فَلَمَّا رَفَعُوا أَبْصَارَهُمْ وَمَدُّوا أَعْنَاقَهُمْ قَالَ ‏"‏ إِنَّ التُّجَّارَ يُبْعَثُونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فُجَّارًا إِلاَّ مَنِ اتَّقَى اللَّهَ وَبَرَّ وَصَدَقَ ‏"‏ ‏.‏
রিফা‘আ ‌(রাঃ) ​থেকে ‌বর্ণিত। ‌তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে রওয়ানা হলাম। লোকেরা উট ক্রয়-বিক্রয় করছিল। তিনি তাদের ডেকে বলেনঃ হে তাজের (ব্যবসায়ী) সম্প্রদায়! তারা চোখ তুলে ও ঘাড় উঁচিয়ে তাকালে তিনি বললেনঃ কিয়ামতের দিন ব্যবসায়ীদের পাপিষ্ঠ দুরাচাররূপে উঠানো হবে, তবে যারা আল্লাহকে ভয় করে, সৎভাবে কাজ (ব্যবসা) করে ও সত্য কথা বলে তারা ব্যতীত।
ইসমাঈল ইবনে উবাইদ ইবনে রিফাহ (রা.) সুনান ইবনে মাজাহ #২১৪৬ Daif
সুনান ইবনে মাজাহ : ৬২
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Mawdu
حَدَّثَنَا ​عَمْرُو ‌بْنُ ​رَافِعٍ، ‌حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ هَمَّامٍ، عَنْ فَرْقَدٍ السَّبَخِيِّ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الشِّخِّيرِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أَكْذَبُ النَّاسِ الصَّبَّاغُونَ وَالصَّوَّاغُونَ ‏"‏ ‏.‏
আবূ ​হুরায়রা ‌(রাঃ) ​থেকে ‌বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ লোকেদের মধ্যে অধিক মিথ্যাবাদী হলো কাপড়ে রংকারী ও অংলকার নির্মাতারা।
আবু হুরায়রা (রাঃ) সুনান ইবনে মাজাহ #২১৫২ Mawdu
সুনান ইবনে মাজাহ : ৬৩
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌أَبُو ​بَكْرِ ​بْنُ ‌أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ قُدَامَةَ الْجُمَحِيُّ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ أَبِي الْفُرَاتِ، عَنِ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ سَيَأْتِي عَلَى النَّاسِ سَنَوَاتٌ خَدَّاعَاتٌ يُصَدَّقُ فِيهَا الْكَاذِبُ وَيُكَذَّبُ فِيهَا الصَّادِقُ وَيُؤْتَمَنُ فِيهَا الْخَائِنُ وَيُخَوَّنُ فِيهَا الأَمِينُ وَيَنْطِقُ فِيهَا الرُّوَيْبِضَةُ قِيلَ وَمَا الرُّوَيْبِضَةُ قَالَ الرَّجُلُ التَّافِهُ فِي أَمْرِ الْعَامَّةِ ‏"‏ ‏.‏
আবূ ‌হুরায়রা ​(রাঃ) ​থেকে ‌বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অচিরেই লোকেদের উপর প্রতারণা ও ধোঁকাবাজির যুগ আসবে। তখন মিথ্যাবাদীকে সত্যবাদী গণ্য করা হবে, আমানতের খিয়ানতকারীকে আমানতদার আমানতদারকে খিয়ানতকারী গণ্য করা হবে এবং রুওয়াইবিয়অ হবে বক্তা। জিজ্ঞাসা করা হলো, রুওয়াইবিয়া কি? তিনি বলেনঃ নীচ প্রকৃতির লোক সে জনগণের হর্তাকর্তা হবে।
আবু হুরায়রা (রাঃ) সুনান ইবনে মাজাহ #৪০৩৬ Sahih
সুনান ইবনে মাজাহ : ৬৪
It Was
Sahih
حَدَّثَنَا ‌عَلِيُّ ​بْنُ ​مُحَمَّدٍ، ​حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ زَيْدِ بْنِ وَهْبٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ حَدِيثَيْنِ قَدْ رَأَيْتُ أَحَدَهُمَا وَأَنَا أَنْتَظِرُ الآخَرَ حَدَّثَنَا ‏"‏ أَنَّ الأَمَانَةَ نَزَلَتْ فِي جَذْرِ قُلُوبِ الرِّجَالِ ‏"‏ ‏.‏ - قَالَ الطَّنَافِسِيُّ يَعْنِي وَسْطَ قُلُوبِ الرِّجَالِ - وَنَزَلَ الْقُرْآنُ فَعَلِمْنَا مِنَ الْقُرْآنِ وَعَلِمْنَا مِنَ السُّنَّةِ ‏.‏ ثُمَّ حَدَّثَنَا عَنْ رَفْعِهِمَا فَقَالَ ‏"‏ يَنَامُ الرَّجُلُ النَّوْمَةَ فَتُرْفَعُ الأَمَانَةُ مِنْ قَلْبِهِ فَيَظَلُّ أَثَرُهَا كَأَثَرِ الْوَكْتِ ثُمَّ يَنَامُ النَّوْمَةَ فَتُنْزَعُ الأَمَانَةُ مِنْ قَلْبِهِ فَيَظَلُّ أَثَرُهَا كَأَثَرِ الْمَجْلِ كَجَمْرٍ دَحْرَجْتَهُ عَلَى رِجْلِكَ فَنَفِطَ فَتَرَاهُ مُنْتَبِرًا وَلَيْسَ فِيهِ شَىْءٌ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ أَخَذَ حُذَيْفَةُ كَفًّا مِنْ حَصًى فَدَحْرَجَهُ عَلَى سَاقِهِ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَيُصْبِحُ النَّاسُ يَتَبَايَعُونَ وَلاَ يَكَادُ أَحَدٌ يُؤَدِّي الأَمَانَةَ حَتَّى يُقَالَ إِنَّ فِي بَنِي فُلاَنٍ رَجُلاً أَمِينًا ‏.‏ وَحَتَّى يُقَالَ لِلرَّجُلِ مَا أَعْقَلَهُ وَأَجْلَدَهُ وَأَظْرَفَهُ ‏.‏ وَمَا فِي قَلْبِهِ حَبَّةُ خَرْدَلٍ مِنْ إِيمَانٍ ‏"‏ ‏.‏ وَلَقَدْ أَتَى عَلَىَّ زَمَانٌ وَلَسْتُ أُبَالِي أَيَّكُمْ بَايَعْتُ لَئِنْ كَانَ مُسْلِمًا لَيَرُدَّنَّهُ عَلَىَّ إِسْلاَمُهُ وَلَئِنْ كَانَ يَهُودِيًّا أَوْ نَصْرَانِيًّا لَيَرُدَّنَّهُ عَلَىَّ سَاعِيهِ فَأَمَّا الْيَوْمَ فَمَا كُنْتُ لأُبَايِعَ إِلاَّ فُلاَنًا وَفُلاَنًا ‏.‏
হুযায়ফা ‌(রাঃ) ​থেকে ​বর্ণিত। ​তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট দু’টি হাদীস বর্ণনা করলেন, তার একটি আমি বাস্তবায়িত হতে দেখেছি এবং অপরটির অপেক্ষায় আছি। তিনি বলেছেনঃ মানুষের হৃদয়মূলে আমানত (বিশ্বস্ততা) নাযিল হয়েছে। অতঃপর কুরআন নাযিল হয়েছ। আমরা কুরআন ও সুন্নাহ শিক্ষা করলাম। অতঃপর তিনি আমানত (বিশ্বাস্ততা) তিরোহিত হওয়া সম্পর্কে আমাদের নিকট বর্ণনা করলেন। তিনি বললেনঃ মানসুষ ঘুমিয়ে যাবে এবং এই অবস্থায় তার অন্তর থেকে আমানত তুলে নেয়া হবে। তার একটা চিহৃমাত্র কালো বিন্দুর আকারে তার অন্তরে থেকে যাবে। অতঃপর সে গভীর ঘুমে থাকা অবস্থায় তার অন্তর থেকে আমানত তিরোহিত হয়ে যাবে, ফোসকা সদৃশ তার চিহৃমাত্র রয়ে যাবে, যেমন তোমার পায়ে জ্বলন্ত অঙ্গার রাখা হলে ফোসকা পড়ে। তুমি তা স্ফীত দেখতে পাও কিন্তু তার ভিতরে কিছুই থাকে না। অতঃপর হুযায়ফা (রাঃ) হাতের মুঠ ভরে মাটি নিলেন এবং তা নিজের হাঁটুর নিচে ছড়িয়ে দিয়ে বলেন, লোকজন ক্রয়-বিক্রয় ও ব্যবসা-বাণিজ্য করবে। কিন্তুু তাদের মধ্যে কেউই আমানত রক্ষা করবে না। এমনকি বলা হবে যে, আমুক গোত্রে একজন বিশ্বস্ত ও আমানতদার লোক আছে। অবস্থা এমন হবে যে, কোন ব্যক্তি সম্পর্কে বলা হবে, সে কত বড় জ্ঞান, কত হুঁশিয়ার, কত সাহসী! অথচ তার অন্তরে সরিষা পরিমাণ ঈমানও থাকবে না। আমার উপর দিয়ে এমন একটি সময় অতিবাহিত হয়েছে, যখন আমি তোমাদের কারো সাথে ক্রয়-বিক্রয় করতে চিন্তা করতাম না। কেননা, সে মুসলিম হলে তার দীন ইসলাম তাকে আমার প্রাপ্য ফেরত দিতে বাধ্য করতো। আর সে ইহূদী বা খৃস্টান হলে তার শাসক তার থেকে আমার প্রাপ্য আদায় করে দিতো। কিন্তুু আজ-কাল আমি অমুক অমুক ব্যক্তি ছাড়া তোমাদের কারো সাথে ক্রয়-বিক্রয় ও ব্যবসা করি না।
It Was সুনান ইবনে মাজাহ #৪০৫৩ Sahih
সুনান ইবনে মাজাহ : ৬৫
It Was
Mawdu
حَدَّثَنَا ​مُحَمَّدُ ‌بْنُ ‌الْمُصَفَّى، ‌حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَرْبٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ سِنَانٍ، عَنْ أَبِي الزَّاهِرِيَّةِ، عَنْ أَبِي شَجَرَةَ، كَثِيرِ بْنِ مُرَّةَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ ‏ "‏ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ إِذَا أَرَادَ أَنْ يُهْلِكَ عَبْدًا نَزَعَ مِنْهُ الْحَيَاءَ فَإِذَا نَزَعَ مِنْهُ الْحَيَاءَ لَمْ تَلْقَهُ إِلاَّ مَقِيتًا مُمَقَّتًا فَإِذَا لَمْ تَلْقَهُ إِلاَّ مَقِيتًا مُمَقَّتًا نُزِعَتْ مِنْهُ الأَمَانَةُ فَإِذَا نُزِعَتْ مِنْهُ الأَمَانَةُ لَمْ تَلْقَهُ إِلاَّ خَائِنًا مُخَوَّنًا فَإِذَا لَمْ تَلْقَهُ إِلاَّ خَائِنًا مُخَوَّنًا نُزِعَتْ مِنْهُ الرَّحْمَةُ فَإِذَا نُزِعَتْ مِنْهُ الرَّحْمَةُ لَمْ تَلْقَهُ إِلاَّ رَجِيمًا مُلَعَّنًا فَإِذَا لَمْ تَلْقَهُ إِلاَّ رَجِيمًا مُلَعَّنًا نُزِعَتْ مِنْهُ رِبْقَةُ الإِسْلاَمِ ‏"‏ ‏.‏
ইবনে ​উমার ‌(রাঃ) ‌থেকে ‌বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আল্লাহ যখন কোন বান্দাকে ধ্বংস করতে চান, তখন তার লজ্জা-শরম কেড়ে নেন। যখন তিনি তার লজ্জা-শরম কেড়ে নেন তখন থেকে তার উপর অসন্তুুষ্ট থাকেন। তার উপর আল্লাহর অসন্তোষ থাকার কারণে তার অন্তর থেকে আমানত তুলে নেয়া হয়। যখন তার থেকে আমানত তুলে নেয়া হয় তখন তুমি তাকে চরম বিশ্বাসঘাতকরূপেই পাবে। তুমি যখন তাকে চরম বিশ্বাসঘাতকরূপে পাবে তখন সে (আল্লাহর) দয়া বঞ্চিত হয়ে যায়। তুমি তাকে দয়া বঞ্চিত অবস্থায় পেলে তাকে সর্বদা অভিশপ্ত দেখতে পাবে। তুমি তাকে অভিশপ্ত দেখতে পেলে মনে করবে, তার ঘাড় থেকে ইসলামের বন্ধন ছিন্ন হয়ে গেছে।
It Was সুনান ইবনে মাজাহ #৪০৫৪ Mawdu
হাদিস সংগ্রহ : ৬৬
বর্ণনাকারী (RA)
Sahih
وَعَن ‌أَبي ​سُفيَانَ ‌صَخرِ ​بنِ حَربٍ في حَديثِهِ الطويل في قِصَّةِ هِرَقْلَ: أنَّ هِرَقْلَ قَالَ لأَبِي سُفْيَانَ: فَمَاذَا يَأمُرُكُمْ بِهِ؟ يَعْنِي النَّبيّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم قَالَ: قُلْتُ: يَقُولُ اعْبُدُوا اللهَ وَحْدَهُ وَلاَ تُشْرِكُوا بِهِ شَيئاً، واتْرُكُوا مَا يَقُولُ آبَاؤُكُمْ وَيَأمُرُنَا بِالصَّلاةِ وَالصِّدْقِ والعَفَافِ والصِّلَةِ مُتَّفَقٌ عَلَيهِ
হেরাক্লিয়াসের ‌কাহিনী ​সম্পর্কে ‌আবু ​সুফিয়ান সাখর বিন হারব তার দীর্ঘ হাদিসে বর্ণনা করেছেন: হেরাক্লিয়াস আবু সুফিয়ানকে বললেন: তিনি আপনাকে কী করতে আদেশ করেন? অর্থ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আমি বললাম: তিনি বলেছেন, "তোমরা একমাত্র আল্লাহর ইবাদত কর এবং তাঁর সাথে কাউকে শরীক করো না, এবং তোমাদের পিতারা যা বলে তা ত্যাগ কর" এবং তিনি আমাদেরকে নামায পড়ার নির্দেশ দেন। এবং সততা, সতীত্ব এবং ন্যায়পরায়ণতা সম্মত হয়
বর্ণনাকারী (RA) হাদিস সংগ্রহ #১৭৫২ Sahih
বুলুঘ আল-মারাম : ৬৭
আব্দুল্লাহ বিন মাসুদ (রাঃ)
Sahih
عَنِ ‌ابْنِ ​مَسْعُودٍ ​- ‌رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم -: «عَلَيْكُمْ بِالصِّدْقِ، فَإِنَّ الصِّدْقَ يَهْدِي إِلَى الْبِرِّ، وَإِنَّ الْبِرَّ يَهْدِي إِلَى الْجَنَّةِ، وَمَا يَزَالُ الرَّجُلُ يَصْدُقُ، وَيَتَحَرَّى الصِّدْقَ، حَتَّى يُكْتَبَ عِنْدَ اللَّهِ صِدِّيقًا، وَإِيَّاكُمْ وَالْكَذِبَ، فَإِنَّ الْكَذِبَ يَهْدِي إِلَى الْفُجُورِ، وَإِنَّ الْفُجُورَ يَهْدِي إِلَى النَّارِ، وَمَا يَزَالُ الرَّجُلُ يَكْذِبُ، وَيَتَحَرَّى الْكَذِبَ، حَتَّى يُكْتَبَ عِنْدَ اللَّهِ كَذَّابًا» مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
ইবনে ‌মাসউদ-এর ​সূত্রে ​- ‌ঈশ্বর তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন - তিনি বলেন: আল্লাহর রসূল - তাকে আশীর্বাদ করুন এবং তাকে শান্তি দান করুন - বলেছেন: "তোমাকে অবশ্যই সৎ হতে হবে, কারণ সততা ন্যায়পরায়ণতার দিকে নিয়ে যায়, এবং ন্যায়পরায়ণতা জান্নাতের দিকে নিয়ে যায়, এবং লোকটি সত্য কথা বলে এবং সত্যবাদিতা অন্বেষণ করে, যতক্ষণ না সে আল্লাহর কাছে সত্যের জন্য লিপিবদ্ধ হয়, এবং সত্যের জন্য লিপিবদ্ধ হয়। অনৈতিকতা, এবং অনৈতিকতা জাহান্নামের দিকে নিয়ে যায়, এবং একজন মানুষ মিথ্যা বলতে থাকবে, এবং সে মিথ্যা বলতে থাকবে, যতক্ষণ না এটি ঈশ্বরের দৃষ্টিতে লিপিবদ্ধ হয়।" একমত
আব্দুল্লাহ বিন মাসুদ (রাঃ) বুলুঘ আল-মারাম #১৫২০ Sahih
হাদিস সংগ্রহ : ৬৮
আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন আস (রা.)
Sahih
كنا ‌عند ‌الرسول ​صلى ​الله عليه وسلم فدعا فقال: "مرحبا بتلك القلة من الناس". قيل: ومن القلائل؟ يا رسول الله! قال: هؤلاء كثيرون قلة من الشرفاء بين الناس غير الشرفاء. هناك أشخاص عصاة أكثر من الأشخاص المخلصين. (আহমদ ৬৬৫০)
একদা ‌আমরা ‌রসূল ​(সাল্লাল্লাহু ​‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকটে ছিলাম, তিনি দু’আ করে বললেন, “কল্যাণ ঐ (প্রবাসীর মত অসহায়) মুষ্টিমেয় লোকেদের জন্য।” জিজ্ঞাসা করা হল, ‘(প্রবাসীর মত অসহায়) অল্প সংখ্যক লোক কারা? হে আল্লাহর রসূল! তিনি বললেন, “যারা বহু অসৎ লোকের মাঝে অল্পসংখ্যক সৎলোক। তাদের অনুগত লোকের চেয়ে অবাধ্য লোকের সংখ্যা অধিক।” (আহমাদ ৬৬৫০)
আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন আস (রা.) হাদিস সংগ্রহ #১৫৩৫ Sahih
হাদিস সংগ্রহ : ৬৯
সাহাবী
Sahih
وَعَن ‌أَبي ‌سُفيَانَ ‌صَخرِ ‌بنِ حَربٍ في حَديثِهِ الطويل في قِصَّةِ هِرَقْلَ: أنَّ هِرَقْلَ قَالَ لأَبِي سُفْيَانَ: فَمَاذَا يَأمُرُكُمْ بِهِ؟ يَعْنِي النَّبيّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم قَالَ: قُلْتُ: يَقُولُ اعْبُدُوا اللهَ وَحْدَهُ وَلاَ تُشْرِكُوا بِهِ شَيئاً، واتْرُكُوا مَا يَقُولُ آبَاؤُكُمْ وَيَأمُرُنَا بِالصَّلاةِ وَالصِّدْقِ والعَفَافِ والصِّلَةِ مُتَّفَقٌ عَلَيهِ
আমি ‌নবুঅতের ‌শুরুর ‌দিকে ‌মক্কায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকটে এলাম এবং বললাম, ‘আপনি কী?’ তিনি বললেন, “আমি নবী।” আমি বললাম, ‘নবী কী?’ তিনি বললেন, “আমাকে মহান আল্লাহ প্রেরণ করেছেন।” আমি বললাম, ‘কি নির্দেশ দিয়ে প্রেরণ করেছেন?’ তিনি বললেন, “জ্ঞাতিবন্ধন অক্ষুণ্ণরাখা, মূর্তি ভেঙ্গে ফেলা, আল্লাহকে একক উপাস্য মানা এবং তাঁর সাথে কাউকে শরীক না করার নির্দেশ দিয়ে।---” (এ হাদীস অন্যত্রে উল্লিখিত হয়েছে।)
সাহাবী হাদিস সংগ্রহ #১৭৫৩ Sahih
হাদিস সংগ্রহ : ৭০
সা'দ বিন আবি আক্কাস (রাঃ)
Sahih
قال ‌رسول ​الله ​صلى ‌الله عليه وسلم: (للرجل أربع من السعادة والحظ: المرأة الصالحة، والبيت الواسع، والجار الصالح، والمركبة اليسيرة. وأربع من الشقاء والشقاء: جار خائن، وامرأة خائنة، وبيت ضيق، ومركبة سوء). (ابن حبان 4032، بيكبير شعب الإيمان 9556، السلسلة الصحيحة رقم 282)
আল্লাহর ‌রসূল ​(সাল্লাল্লাহু ​‘আলাইহি ‌ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “পুরুষের জন্য সুখ ও সৌভাগ্যের বিষয় হল চারটি; সাধ্বী স্ত্রী, প্রশস্ত বাড়ি, সৎ প্রতিবেশী এবং সচল সওয়ারী (গাড়ি)। আর দুঃখ ও দুর্ভাগ্যের বিষয়ও চারটি; অসৎ প্রতিবেশী, অসতী স্ত্রী, সংকীর্ণ বাড়ি এবং খারাপ সওয়ারী (গাড়ি)।” (ইবনে হিব্বান ৪০৩২, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৯৫৫৬, সিলসিলাহ সহীহাহ ২৮২ নং)
সা'দ বিন আবি আক্কাস (রাঃ) হাদিস সংগ্রহ #১৭৮১ Sahih
হাদিস সংগ্রহ : ৭১
আবু হুনাইদা ওয়াইল ইবনে হুজর (রাঃ)
Sahih
سأل ​سلمة ​بن ‌يزيد ‌الجعفي رسول الله صلى الله عليه وسلم: يا نبي الله! قل لو ولي علينا حاكم فطالبنا بحقهم وحرمنا حقنا. فماذا تأمر في هذا الأمر؟ فابتعد عنه. فلما سأل مرة أخرى، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "اسمعوا وأطيعوا، فإن عليهم حقا ما أمروا به (أي العدل والقسط)، وعليك ما استأمنتم عليه". (مسلم رقم: 4888-4889)
সালামাহ ​ইবনে ​য়্যাযীদ ‌জু’ফী ‌আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হে আল্লাহর নবী! আপনি বলুন, যদি আমাদের উপর (অসৎ) শাসক নিযুক্ত হয় এবং আমাদের কাছে তাদের অধিকার চায় ও আমাদেরকে আমাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখে। অতএব এ ব্যাপারে আপনি কী নির্দেশ দেন?’ তিনি তাঁর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। পুনরায় তিনি জিজ্ঞাসা করলে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “তোমরা (তাদের) কথা শুনো এবং (তাদের) আনুগত্য করো। কারণ তাদের দায়িত্বে তা রয়েছে, যা তাদের উপর চাপানো হয়েছে (অর্থাৎ সুবিচার ও ন্যায়পরায়ণতা) এবং তোমাদের দায়িত্বে তা রয়েছে, যা তোমাদের উপর অর্পণ করা হয়েছে (অর্থাৎ নেতা ও শাসকের আনুগত্য)।” (মুসলিম ৪৮৮৮-৪৮৮৯ নং)
আবু হুনাইদা ওয়াইল ইবনে হুজর (রাঃ) হাদিস সংগ্রহ #১৮৩৬ Sahih
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৭২
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Sahih
قال: ‌قال ‌رسول ​الله ‌صلى الله عليه وسلم: «الجهاد واجب على كل أمير منكم، سواء كان أميرا صادقا أو فاجرا». وإذا ارتكب ذنب الكبيرة أيضاً. ولك أن تصلي خلف كل مسلم ضروري (من يصلي) سواء كان صادقاً أو فاجراً. إذا كان قد ارتكب ذنب الكبيرة. ومن الفريضة على كل مسلم أن يصلي. أريده أن يكون عاملاً أمينًا أو محتالًا. حتى لو ارتكب ذنبا. (أبو داود) [1]
তিনি ‌বলেন, ‌রসূলুল্লাহ ​(সাল্লাল্লাহু ‌‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন : তোমাদের ওপর প্রত্যেক নেতার সঙ্গে চাই সে সৎ ‘আমালদার হোক কি বদকার, জিহাদ করা ফার্‌য। যদি সে কাবীরাহ্ গুনাহও করে। প্রত্যেক মুসলিমের পেছনে সলাত আদায় করা তোমাদের জন্যে আবশ্যক। (সে সলাত আদায়কারী) সৎ ‘আমালদার হোক কি বদকার। যদি সে কাবীরাহ্ গুনাহও করে থাকে। সলাতে জানাযাও প্রত্যেক মুসলিমদের ওপর ফার্‌য। চাই সে সৎ কর্মশীল হোক কি বদকার। সে গুনাহ কাবীরাহ্ করে থাকলেও। (আবূ দাঊদ) [১]
আবু হুরায়রা (রাঃ) মিশকাতুল মাসাবীহ #১১২৬ Sahih
রিয়াদুস সালেহীন : ৭৩
ফাত্বেমাহ বিন্তে ক্বাইস
Sahih
وعن ‌ابن ‌مسعود ‌رضي ​الله عنه قال‏:‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ "‏ إن الصدق يهدي إلى البر، وإن البر يهدي إلى الجنة، وإن الرجل ليصدق حتى يكتب عند الله صديقًا، وإن الكذب يهدي إلى الفجور، وإن الفجور يهدي إلى النار، وإن الرجل ليكذب حتى يكتب عند الله كذابًا‏"‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏.‏
তিনি ‌বলেন, ‌একদা ‌আমি ​নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হয়ে নিবেদন করলাম, ‘আবুল জাহ্ম ও মুয়াবিয়াহ আমাকে বিবাহের প্রস্তাব দিয়েছেন। (এ ক্ষেত্রে আমি কী করব?)’ রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘‘মুআবিয়াহ তো গরীব মানুষ, তার নিকট মালধনই নেই। আর আবুল জাহ্ম, সে তো নিজ কাঁধ হতে লাঠিই নামায় না।’’
ফাত্বেমাহ বিন্তে ক্বাইস রিয়াদুস সালেহীন #১৫৪২ Sahih
সিলসিলা সহীহা : ৭৪
আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)
Sahih
قال: ‌طاف ​رسول ​الله ‌صلى الله عليه وسلم يوم الفتح على بعيره مقطوع الأذن، ويستلم الحجر بعصاه (أي يقبل الحجر الأسود) ولا يستطيع أن يقعد البعير في المسجد (أي منطقة الجلوس). (ليس لديها) تذهب الجمال إلى الوادي في باتان وتوضع الجمال في سخون. ثم حمد رسول الله (صلى الله عليه وسلم) الله وقرأ الشانا. ثم قال: أيها الناس! أبعد الله عنك الكبرياء والكبرياء بجهلك أعطى الناس صنفان: (أ) صادقون، تقيون، محبوبون عند الله. (ب) وخائن، وبائس، وساخط لله. ثم قرأ - (عربي) - أي يا أيها الناس! إني خلقتكم (بعضا) ذكرا (وبعضا) أنثى. لك مقسمة إلى قبائل ومجموعات مختلفة. لكي تعرفوا بعضكم البعض.\nاقرأوا الآية في نقطة واحدة. فقال: قد قلت، وأستغفر الله لي ولك. (الصحيحة-2803) \n\nالحديث صحيح.
তিনি ‌বলেন: ​রাসুলুল্লাহ ​(সাল্লাল্লাহু ‌আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (মাক্কা) বিজয়ের দিন তার কান কাটা উটে চড়ে (বায়তুল্লাহ) তাওয়াফ করেন এবং তাঁর লাঠি দিয়ে পাথর স্পর্শ করেন (অর্থাৎ, হাজরে আসওয়াদ চুম্বন করেন) মাসজিদে উট বসাতে না পেরে (অর্থাৎ, বসানোর স্থান না থাকায়) উট বাতনে ওয়াদীতে যান এবং সেখঅনে উট বসানো হয়। অতঃপর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লহু ‘আলাইহি ওয়সাল্লাম) আল্লাহ তা’আলার প্রসংশা জ্ঞাপন করেন এবং ছানা পড়েন। এরপর বলেন, হে লোকসকল! আল্লাহ তা’আলা তোমাদের জাহেলী যুগের গৌরব-অহংকার দূর করে দিয়েছেন। মানুষ দু’শ্রেনীর- (ক) সৎ, পরহেজগার ও আল্লাহর পছন্দনীয়। (খ) এবং অসৎ, হতভাগ্য ও আল্লাহর অপছন্দনীয়। অতঃপর তিলাওয়াত করেন- (আরবী)\nঅর্থাৎ, হে মানব সম্প্রদায়! আমি তোমাদের (কাউকে) পুরুষ (আবার কাউকে) মহিলা হিসেবে সৃষ্টি করেছি। তোমাদের বিভিন্ন গোত্র ও দলে বিভক্ত করেছি। যেন তোমরা পরস্পরকে চিনতে পার।\nএক পর্যায়ে আয়াতটি পড়েন। অতঃপর বলেন, আমি (এ বক্তব্য) বললাম এবং আমার জন্য ও তোমাদের জন্য আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি। (আস-ছহীহাহ-২৮০৩) \n\nহাদীসটি সহীহ।
আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সিলসিলা সহীহা Sahih
মুসনাদে আহমদ : ৭৫
It Was
Sahih
حَدَّثَنَا ​مُحَمَّدُ ​بْنُ ‌جَعْفَرٍ، ​قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ خُمَيْرٍ، عَنْ سُلَيْمِ بْنِ عَامِرٍ، عَنْ أَوْسَطَ، قَالَ خَطَبَنَا أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَقَالَ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَقَامِي هَذَا عَامَ الْأَوَّلِ وَبَكَى أَبُو بَكْرٍ فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ سَلُوا اللَّهَ الْمُعَافَاةَ أَوْ قَالَ الْعَافِيَةَ فَلَمْ يُؤْتَ أَحَدٌ قَطُّ بَعْدَ الْيَقِينِ أَفْضَلَ مِنْ الْعَافِيَةِ أَوْ الْمُعَافَاةِ عَلَيْكُمْ بِالصِّدْقِ فَإِنَّهُ مَعَ الْبِرِّ وَهُمَا فِي الْجَنَّةِ وَإِيَّاكُمْ وَالْكَذِبَ فَإِنَّهُ مَعَ الْفُجُورِ وَهُمَا فِي النَّارِ وَلَا تَحَاسَدُوا وَلَا تَبَاغَضُوا وَلَا تَقَاطَعُوا وَلَا تَدَابَرُوا وَكُونُوا إِخْوَانًا كَمَا أَمَرَكُمْ اللَّهُ تَعَالَى‏.‏
মুহাম্মাদ ​ইবনে ​জাফর ‌আমাদের ​কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: শুবাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইয়াযীদ ইবনে খুমায়র থেকে, সুলায়ম ইবনে আমির থেকে, আওসাতের সূত্রে, তিনি বলেছেন: আবূ আমাদের বকরকে সম্বোধন করেছিলেন, আল্লাহ তাঁর উপর সন্তুষ্ট হন এবং তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং আবূ বকর (রাঃ) এ বছর আমার নামাযের স্থানে ছিলেন কেঁদে উঠলেন এবং আবু বকর বললেন, তাদের জিজ্ঞেস কর। ঈশ্বর মঙ্গল দান করেন, বা তিনি বলেন, মঙ্গল। কল্যাণ বা সুস্থতার চেয়ে সুনিশ্চিত হওয়ার পর কাউকে কখনো ভালো কিছু দেওয়া হয়নি। আপনার সৎ হওয়া উচিত, কারণ এটি ধার্মিকতার সাথে। তারা জান্নাতে থাকবে। মিথ্যা থেকে সাবধান, কেননা এর সাথে অনৈতিকতা রয়েছে এবং তারা জাহান্নামে থাকবে। একে অপরকে হিংসা করো না, একে অপরকে ঘৃণা করো না এবং একে অপরকে হিংসা করো না।
It Was মুসনাদে আহমদ #৫ Sahih
মুসনাদে আহমদ : ৭৬
It was narrâted that Abu 'Ubaidah said
Sahih
حَدَّثَنَا ‌وَكِيعٌ، ​عَنْ ‌سُفْيَانَ، ​حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ، قَالَ قَامَ أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ بَعْدَ وَفَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِعَامٍ فَقَالَ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَقَامِي عَامَ الْأَوَّلِ فَقَالَ سَلُوا اللَّهَ الْعَافِيَةَ فَإِنَّهُ لَمْ يُعْطَ عَبْدٌ شَيْئًا أَفْضَلَ مِنْ الْعَافِيَةِ وَعَلَيْكُمْ بِالصِّدْقِ وَالْبِرِّ فَإِنَّهُمَا فِي الْجَنَّةِ وَإِيَّاكُمْ وَالْكَذِبَ وَالْفُجُورَ فَإِنَّهُمَا فِي النَّارِ‏.‏
ওয়াকি' ‌আমাদের ​কাছে ‌সুফিয়ানের ​সূত্রে বর্ণনা করেছেন, আমর ইবনে মুরাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবূ উবাইদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মৃত্যুর পর জীবিত হয়েছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন, "আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করুন।" সুস্থতা, কোনো বান্দাকে সুস্থতার চেয়ে উত্তম কিছু দেওয়া হয়নি। আপনাকে অবশ্যই সৎ এবং ধার্মিক হতে হবে, কারণ তারা জান্নাতে রয়েছে। মিথ্যা ও অনৈতিক কাজ থেকে সাবধান। তারা উভয়েই জাহান্নামে থাকবে
It was narrâted that Abu 'Ubaidah said মুসনাদে আহমদ #৪৬ Sahih
মুসনাদে আহমদ : ৭৭
আবু উবাইদাহ (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌عَبْدُ ​الرَّزَّاقِ، ​أَخْبَرَنَا ​سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَامَ أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ بَعْدَ وَفَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِعَامٍ فَقَالَ قَامَ فِينَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَامَ الْأَوَّلِ فَقَالَ إِنَّ ابْنَ آدَمَ لَمْ يُعْطَ شَيْئًا أَفْضَلَ مِنْ الْعَافِيَةِ فَاسْأَلُوا اللَّهَ الْعَافِيَةَ وَعَلَيْكُمْ بِالصِّدْقِ وَالْبِرِّ فَإِنَّهُمَا فِي الْجَنَّةِ وَإِيَّاكُمْ وَالْكَذِبَ وَالْفُجُورَ فَإِنَّهُمَا فِي النَّارِ‏.‏
আবদ ‌আল-রাজ্জাক ​আমাদেরকে ​বলেছেন, ​সুফিয়ান আমাদেরকে বলেছেন, আমর ইবনে মুরার সূত্রে, আবু উবাইদাহ থেকে, আবু বকরের সূত্রে, আল্লাহ তাঁর উপর সন্তুষ্ট হতে পারেন, যিনি বলেছিলেন যে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর উপর সন্তুষ্ট হন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মৃত্যুর এক বছর পর, তিনি বলেন, “আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তিনি তাঁর উপর সালাত বর্ষণ করেন। আমাদের মধ্যে গোলাপ।" প্রথম বছরে, তিনি বলেছিলেন যে আদম সন্তানকে সুস্থতার চেয়ে ভাল কিছু দেওয়া হয়নি, তাই আল্লাহর কাছে মঙ্গল কামনা করুন এবং সৎ ও ধার্মিক হন, কারণ তারা জান্নাতে থাকবে। আর মিথ্যা ও অশ্লীলতা থেকে সাবধান, কেননা তারা জাহান্নামে থাকবে।
আবু উবাইদাহ (রাঃ) মুসনাদে আহমদ #৬৬ Sahih
মুসনাদে আহমদ : ৭৮
হুমাইদ বিন আবদ আল-রহমান আল-হিমিয়ারী (রহ.)
Sahih
حَدَّثَنَا ​يَحْيَى ‌بْنُ ‌حَمَّادٍ، ​وَعَفَّانُ، قَالَا حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْأَوْدِيِّ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحِمْيَرِيِّ، حَدَّثَنَا ابْنُ عَبَّاسٍ، بِالْبَصْرَةِ قَالَ أَنَا أَوَّلُ، مَنْ أَتَى عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ حِينَ طُعِنَ فَقَالَ احْفَظْ عَنِّي ثَلَاثًا فَإِنِّي أَخَافُ أَنْ لَا يُدْرِكَنِي النَّاسُ أَمَّا أَنَا فَلَمْ أَقْضِ فِي الْكَلَالَةِ قَضَاءً وَلَمْ أَسْتَخْلِفْ عَلَى النَّاسِ خَلِيفَةً وَكُلُّ مَمْلُوكٍ لَهُ عَتِيقٌ فَقَالَ لَهُ النَّاسُ اسْتَخْلِفْ فَقَالَ أَيَّ ذَلِكَ أَفْعَلُ فَقَدْ فَعَلَهُ مَنْ هُوَ خَيْرٌ مِنِّي إِنْ أَدَعْ إِلَى النَّاسِ أَمْرَهُمْ فَقَدْ تَرَكَهُ نَبِيُّ اللَّهِ عَلَيْهِ الصَّلَاة وَالسَّلَامُ وَإِنْ أَسْتَخْلِفْ فَقَدْ اسْتَخْلَفَ مَنْ هُوَ خَيْرٌ مِنِّي أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَقُلْتُ لَهُ أَبْشِرْ بِالْجَنَّةِ صَاحَبْتَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَطَلْتَ صُحْبَتَهُ وَوُلِّيتَ أَمْرَ الْمُؤْمِنِينَ فَقَوِيتَ وَأَدَّيْتَ الْأَمَانَةَ فَقَالَ أَمَّا تَبْشِيرُكَ إِيَّايَ بِالْجَنَّةِ فَوَاللَّهِ لَوْ أَنَّ لِي قَالَ عَفَّانُ فَلَا وَاللَّهِ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ لَوْ أَنَّ لِي الدُّنْيَا بِمَا فِيهَا لَافْتَدَيْتُ بِهِ مِنْ هَوْلِ مَا أَمَامِي قَبْلَ أَنْ أَعْلَمَ الْخَبَرَ وَأَمَّا قَوْلُكَ فِي أَمْرِ الْمُؤْمِنِينَ فَوَاللَّهِ لَوَدِدْتُ أَنَّ ذَلِكَ كَفَافًا لَا لِي وَلَا عَلَيَّ وَأَمَّا مَا ذَكَرْتَ مِنْ صُحْبَةِ نَبِيِّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَذَلِكَ‏.‏
ইয়াহইয়া ​ইবনু ‌হাম্মাদ ‌ও ​আফফান আমাদেরকে বলেন, তারা বলেন, আবূ আওয়ানা আমাদেরকে বলেছেন, দাউদ ইবনু আবদুল্লাহ আল-আওদীর সূত্রে, হুমাইদ ইবনু আবদ থেকে। আল-রহমান আল-হিমিয়ারী, ইবনে আব্বাস আমাদেরকে বলেছেন, বসরায়, তিনি বলেছেন: আমিই প্রথম যে ওমরের কাছে এসেছি, যখন তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছিল, তখন আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন এবং বলেছিলেন, "আমার থেকে তিনটি জিনিস দূরে রাখুন।" কারণ মানুষ আমাকে চিনবে না বলে আমার আশঙ্কা। আমার জন্য, আমি আদেশ পূর্ণ করিনি এবং জনগণের উপর উত্তরাধিকারী নিযুক্ত করিনি এবং তার প্রতিটি দাস একজন বৃদ্ধ। তখন লোকেরা তাকে বলল, "তোমার উত্তরাধিকারীকে ছেড়ে দাও।" তিনি বললেন, "আমি এর কোনটি করব?" আমার চেয়ে যে ভালো সে এটা করেছে। আমি যদি মানুষের বিষয় তাদের উপর ছেড়ে দেই, তবে তিনি তা পরিত্যাগ করেছেন। আল্লাহ্‌র নবী, আল্লাহ্‌র দোয়া ও শান্তি হোক, এবং তিনি যদি উত্তরসূরি হিসেবে নিযুক্ত হন, তাহলে তিনি আমার চেয়ে উত্তম কাউকে উত্তরাধিকারী হিসেবে নিযুক্ত করেছেন, আবু বকর, আল্লাহ্‌ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হতে পারেন। তাই আমি তাকে বললাম, "সুসংবাদ দাও।" জান্নাতে আপনি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে ছিলেন এবং দীর্ঘকাল তাঁর সাথে ছিলেন এবং আপনি মুমিনদের বিষয়ের দায়িত্বে ছিলেন, তাই আপনি শক্তিশালী হয়েছিলেন এবং সততা পালন করেছিলেন, তাই তিনি বলেছিলেন, "যেমন আপনি আমাকে জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন, যদি আমি তা পেতাম।" আফফান বললো, "না, আল্লাহর কসম, তিনি ছাড়া কোন মাবুদ নেই, যদি আমার কাছে থাকতো।" পৃথিবী এবং এর মধ্যে যা কিছু আছে, আমি খবরটি জানার আগে আমার সামনে থাকা সন্ত্রাস থেকে নিজেকে মুক্তি দিয়ে দিতাম। মুমিনদের ব্যাপারে আপনার বক্তব্য, আল্লাহর কসম, আমি পছন্দ করতাম, এটা আমার বা আমার কারো জন্যই যথেষ্ট নয় এবং আপনি যা আল্লাহর নবীর সাহচর্যের কথা উল্লেখ করেছেন, আল্লাহ তাঁর উপর বরকত বর্ষণ করুন, এটাই হল।
হুমাইদ বিন আবদ আল-রহমান আল-হিমিয়ারী (রহ.) মুসনাদে আহমদ #৩২২ Sahih
মুসনাদে আহমদ : ৭৯
It Was
Sahih
حَدَّثَنَا ‌حَسَنُ ‌بْنُ ‌مُوسَى، ‌حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، عَنْ شُرَيْحِ بْنِ النُّعْمَانِ، قَالَ أَبُو إِسْحَاقَ وَكَانَ رَجُلَ صِدْقٍ عَنْ عَلِيٍّ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ نَسْتَشْرِفَ الْعَيْنَ وَالْأُذُنَ وَأَنْ لَا نُضَحِّيَ بِعَوْرَاءَ وَلَا مُقَابَلَةٍ وَلَا مُدَابَرَةٍ وَلَا شَرْقَاءَ وَلَا خَرْقَاءَ قَالَ زُهَيْرٌ قُلْتُ لِأَبِي إِسْحَاقَ أَذَكَرَ عَضْبَاءَ قَالَ لَا قُلْتُ مَا الْمُقَابَلَةُ قَالَ يُقْطَعُ طَرَفُ الْأُذُنِ قُلْتُ مَا الْمُدَابَرَةُ قَالَ يُقْطَعُ مُؤَخَّرُ الْأُذُنِ قُلْتُ مَا الشَّرْقَاءُ قَالَ تُشَقُّ الْأُذُنُ قُلْتُ مَا الْخَرْقَاءُ قَالَ تَخْرِقُ أُذُنَهَا السِّمَةُ‏.‏
হাসান ‌বিন ‌মূসা ‌আমাদেরকে ‌বলেছেন, যুহায়র আমাদেরকে বলেছেন, আবু ইসহাক আমাদেরকে বলেছেন, শুরাইহ বিন আল-নুমানের সূত্রে, আবু ইসহাক বলেছেন, এবং তিনি এমন একজন ব্যক্তি ছিলেন যিনি আলীর প্রতি সৎ ছিলেন, আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট ছিলেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে চোখ ও কানের দিকে লক্ষ্য রাখতে আদেশ করেছেন এবং এক নারীকে কুরবানী না করার নির্দেশ দিয়েছেন। এখানে কোন দ্বন্দ্ব নেই, কোন সমঝোতা নেই, কোন শরকা নেই এবং কোন আনাড়ি নেই। যুহায়র বলেন, আমি আবূ ইসহাককে বললাম, একটি পাগড়ীর কথা উল্লেখ করুন। তিনি বললেনঃ "না।" আমি বললাম: "সাক্ষাত কি?" তিনি বললেন: "এক প্রান্ত কেটে ফেলা।" কান। আমি বললাম, "চক্রান্ত কি?" তিনি বললেন, কানের পেছনের অংশ কেটে গেছে। আমি বললাম, "শরকা কি?" তিনি বললেন, "কান বিভক্ত হয়ে গেছে।" আমি বললাম, “আনড়ী কি? তিনি ড. চিহ্নটি তার কান ছিদ্র করে...
It Was মুসনাদে আহমদ #৮৫১ Sahih
মুসনাদে আহমদ : ৮০
সালিম বিন আবি উমাইয়া আবলিন-নাদর (রহঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ​يَعْقُوبُ، ‌حَدَّثَنَا ‌أَبِي، ‌عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنَا سَالِمُ بْنُ أَبِي أُمَيَّةَ أَبُو النَّضْرِ، قَالَ جَلَسَ إِلَيَّ شَيْخٌ مِنْ بَنِي تَمِيمٍ فِي مَسْجِدِ الْبَصْرَةِ وَمَعَهُ صَحِيفَةٌ لَهُ فِي يَدِهِ قَالَ وَفِي زَمَانِ الْحَجَّاجِ فَقَالَ لِي يَا عَبْدَ اللَّهِ أَتَرَى هَذَا الْكِتَابَ مُغْنِيًا عَنِّي شَيْئًا عِنْدَ هَذَا السُّلْطَانِ قَالَ فَقُلْتُ وَمَا هَذَا الْكِتَابُ قَالَ هَذَا كِتَابٌ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَتَبَهُ لَنَا أَنْ لَا يُتَعَدَّى عَلَيْنَا فِي صَدَقَاتِنَا قَالَ فَقُلْتُ لَا وَاللَّهِ مَا أَظُنُّ أَنْ يُغْنِيَ عَنْكَ شَيْئًا وَكَيْفَ كَانَ شَأْنُ هَذَا الْكِتَابِ قَالَ قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ مَعَ أَبِي وَأَنَا غُلَامٌ شَابٌّ بِإِبِلٍ لَنَا نَبِيعُهَا وَكَانَ أَبِي صَدِيقًا لِطَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ التَّيْمِيِّ فَنَزَلْنَا عَلَيْهِ فَقَالَ لَهُ أَبِي اخْرُجْ مَعِي فَبِعْ لِي إِبِلِي هَذِهِ قَالَ فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ نَهَى أَنْ يَبِيعَ حَاضِرٌ لِبَادٍ وَلَكِنْ سَأَخْرُجُ مَعَكَ فَأَجْلِسُ وَتَعْرِضُ إِبِلَكَ فَإِذَا رَضِيتُ مِنْ رَجُلٍ وَفَاءً وَصِدْقًا مِمَّنْ سَاوَمَكَ أَمَرْتُكَ بِبَيْعِهِ قَالَ فَخَرَجْنَا إِلَى السُّوقِ فَوَقَفْنَا ظُهْرَنَا وَجَلَسَ طَلْحَةُ قَرِيبًا فَسَاوَمَنَا الرِّجَالُ حَتَّى إِذَا أَعْطَانَا رَجُلٌ مَا نَرْضَى قَالَ لَهُ أَبِي أُبَايِعُهُ قَالَ نَعَمْ رَضِيتُ لَكُمْ وَفَاءَهُ فَبَايِعُوهُ فَبَايَعْنَاهُ فَلَمَّا قَبَضْنَا مَا لَنَا وَفَرَغْنَا مِنْ حَاجَتِنَا قَالَ أَبِي لِطَلْحَةَ خُذْ لَنَا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كِتَابًا أَنْ لَا يُتَعَدَّى عَلَيْنَا فِي صَدَقَاتِنَا قَالَ فَقَالَ هَذَا لَكُمْ وَلِكُلِّ مُسْلِمٍ قَالَ عَلَى ذَلِكَ إِنِّي أُحِبُّ أَنْ يَكُونَ عِنْدِي مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كِتَابٌ فَخَرَجَ حَتَّى جَاءَ بِنَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ هَذَا الرَّجُلَ مِنْ أَهْلِ الْبَادِيَةِ صَدِيقٌ لَنَا وَقَدْ أَحَبَّ أَنْ تَكْتُبَ لَهُ كِتَابًا لَا يُتَعَدَّى عَلَيْهِ فِي صَدَقَتِهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هَذَا لَهُ وَلِكُلِّ مُسْلِمٍ قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي قَدْ أُحِبُّ أَنْ يَكُونَ عِنْدِي مِنْكَ كِتَابٌ عَلَى ذَلِكَ قَالَ فَكَتَبَ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هَذَا الْكِتَابَ آخِرُ حَدِيثِ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ
ইয়াকুব ​আমাদেরকে ‌বলেছেন, ‌আমার ‌পিতা আমাদেরকে বলেছেন, ইবনে ইসহাকের সূত্রে, সালিম ইবনে আবি উমাইয়া আবু আল-নাদর আমাদেরকে বলেছেন, তিনি বলেছেন: বনু তামিমের এক শায়খ আমার সাথে বসরা মসজিদে বসেছিলেন, তার হাতে একটি পত্রিকা ছিল। তিনি বললেন, আল-হাজ্জাজের যুগে। তিনি আমাকে বললেন, "হে আবদুল্লাহ, তুমি কি মনে করো এই বই আমার কোন কাজে আসবে না?" তিনি এই কর্তৃপক্ষ সম্পর্কে কিছু বলেছিলেন, তাই আমি বললাম, "এই চিঠিটি কী?" তিনি বললেন, "এটি আল্লাহর রসূলের পক্ষ থেকে একটি চিঠি, আল্লাহ তাঁর উপর বরকত বর্ষণ করুন এবং তাঁকে শান্তি দান করুন, যা তিনি আমাদের জন্য লিখেছিলেন, পাছে তিনি আমাদের দানে আমাদের বিরুদ্ধে সীমালঙ্ঘন করেন।" তিনি বললেন, "না, খোদার কসম, আমি মনে করি না এটি আপনার কোন উপকারে আসবে।" আর এই বইয়ের অবস্থা কী ছিল? তিনি বললেন, আমি জমা দিয়েছি। মদিনা আমার বাবার সাথে এবং আমি, একটি ছোট ছেলে, আমাদের নিজেদের উট নিয়ে যা আমরা বিক্রি করি। আমার পিতা তালহা বিন উবায়েদ আল্লাহ আল তাইমীর বন্ধু ছিলেন, তাই আমরা তার কাছে গেলাম এবং তিনি তাকে বললেন: "আমার পিতা, আমার সাথে বাইরে যান এবং এই উটগুলো আমার কাছে বিক্রি করুন।" তিনি বললেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ক্রীতদাসকে ক্রীতদাস বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। কিন্তু আমি তোমার সাথে বাইরে গিয়ে বসে তোমার উটগুলো দেখাব। আপনি যদি একজন অনুগত এবং সৎ লোকের সাথে সন্তুষ্ট হন যিনি আপনার সাথে দর কষাকষি করেছেন, আমি আপনাকে তাকে বিক্রি করার আদেশ দেব। তাই আমরা বেরিয়ে গেলাম। বাজারে, আমরা দাঁড়ালাম এবং তালহা কাছে বসল। লোকেরা আমাদের সাথে দর কষাকষি করল যতক্ষণ না, যখন একজন লোক আমাদের যা দিয়ে সন্তুষ্ট হয়েছিলাম, তখন তিনি তাকে বললেন, "আমার বাবা, আমি তার প্রতি আনুগত্য করছি।" তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমি আপনার প্রতি তার আনুগত্যে সন্তুষ্ট, তাই তার প্রতি আনুগত্যের অঙ্গীকার করুন, তাই আমরা তার প্রতি আনুগত্যের অঙ্গীকার করলাম। যখন আমরা আমাদের যা পেয়েছি তা পেয়েছি এবং আমাদের প্রয়োজন শেষ করেছি, আমার পিতা তালহাকে বললেন, এটা আমাদের জন্য আল্লাহর রসূলের কাছ থেকে নিয়ে নাও। ঈশ্বরের প্রার্থনা এবং শান্তি তাঁর উপর বর্ষিত হোক, আমাদের দানে আমাদের বিরুদ্ধে বাড়াবাড়ি না করার জন্য একটি চিঠি। তিনি বললেন, এটা তোমার জন্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের জন্য। তিনি বললেন, “আমি আমার কাছে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছ থেকে একটি চিঠি পেতে চাই, তাই তিনি চলে গেলেন এবং আমাদেরকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে নিয়ে আসলেন এবং তিনি বললেন: হে আল্লাহর রসূল, মরুভূমির এই লোকটি আমাদের বন্ধু, এবং তিনি চান যে আপনি তাকে এমন একটি চিঠি লিখুন যাতে লঙ্ঘন না হয়, তাই আমি তাকে বিশ্বাস করি, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে আশীর্বাদ দান করুন। "এটি তার জন্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের জন্য।" তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল, আমি আপনার কাছ থেকে একটি চিঠি পেতে চাই। তার উপর ভিত্তি করে তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের জন্য এই কিতাবটি লিখেছেন, তালহা বিন উবাইদের শেষ হাদিস, আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন। ঈশ্বর তাকে মঙ্গল করুন
সালিম বিন আবি উমাইয়া আবলিন-নাদর (রহঃ) মুসনাদে আহমদ #১৪০৪ Sahih