তওবা সম্পর্কে হাদিস

২৩১ টি প্রামাণিক হাদিস পাওয়া গেছে

সুনানে আন-নাসায়ী : ১২১
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Sahih
أَخْبَرَنَا ​مُحَمَّدُ ​بْنُ ​سَلَمَةَ، ‌وَالْحَارِثُ بْنُ مِسْكِينٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، عَنِ ابْنِ الْقَاسِمِ، قَالَ حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ يَضْحَكُ اللَّهُ إِلَى رَجُلَيْنِ يَقْتُلُ أَحَدُهُمَا الآخَرَ كِلاَهُمَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ يُقَاتِلُ هَذَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَيُقْتَلُ ثُمَّ يَتُوبُ اللَّهُ عَلَى الْقَاتِلِ فَيُقَاتِلُ فَيُسْتَشْهَدُ ‏"‏ ‏.‏
মুহাম্মদ ​ইবন ​সালামা ​ইবন ‌হারিছ ইবন মিসকীন (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলা দুই ব্যক্তির প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশ করবেন, তাদের একে অন্যকে হত্যা করে-আর উভয়ে জান্নাতে প্রবেশ করে। একজন তো আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করে শহীদ হয়, এরপর আল্লাহ্ তা'আলা হত্যাকারীকে ক্ষমা করে দেন, তারপর সেও জিহাদ করে এবং শহীদ হয়।
আবু হুরায়রা (রাঃ) সুনানে আন-নাসায়ী #৩১৬৬ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ১২২
উবাইদ বিন উমাইর (রাঃ)
Sahih
أَخْبَرَنَا ​قُتَيْبَةُ، ​عَنْ ‌حَجَّاجٍ، ​عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ، أَنَّهُ سَمِعَ عُبَيْدَ بْنَ عُمَيْرٍ، قَالَ سَمِعْتُ عَائِشَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَمْكُثُ عِنْدَ زَيْنَبَ وَيَشْرَبُ عِنْدَهَا عَسَلاً فَتَوَاصَيْتُ وَحَفْصَةَ أَيَّتُنَا مَا دَخَلَ عَلَيْهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَلْتَقُلْ إِنِّي أَجِدُ مِنْكَ رِيحَ مَغَافِيرَ فَدَخَلَ عَلَى إِحْدَاهُمَا فَقَالَتْ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ ‏"‏ بَلْ شَرِبْتُ عَسَلاً عِنْدَ زَيْنَبَ - وَقَالَ - لَنْ أَعُودَ لَهُ ‏"‏ ‏.‏ فَنَزَلَ ‏{‏ يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ لِمَ تُحَرِّمُ مَا أَحَلَّ اللَّهُ لَكَ ‏}‏ ‏{‏ إِنْ تَتُوبَا إِلَى اللَّهِ ‏}‏ لِعَائِشَةَ وَحَفْصَةَ ‏{‏ وَإِذْ أَسَرَّ النَّبِيُّ إِلَى بَعْضِ أَزْوَاجِهِ حَدِيثًا ‏}‏ لِقَوْلِهِ ‏"‏ بَلْ شَرِبْتُ عَسَلاَ ‏"‏ ‏.‏ كُلُّهُ فِي حَدِيثِ عَطَاءٍ ‏.‏
কুতায়বা ​(রহঃ) ​... ‌আতা ​(রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি উবায়দ ইবন উমোয়র (রহঃ)-কে বলতে শুনেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী আয়েশা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যায়নাব (রাঃ) এর নিকট অবস্থান করতেন এবং তাঁর নিকট মধু পান করতেন। আমি এবং হাফসা (রাঃ) পরামর্শ করলাম, আমাদের মধ্যে যার নিকটই রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আগমন করেন, সে যেন বলেঃ আমি আপনার থেকে মাগাফির-এর গন্ধ পাচ্ছি। এরপর তিনি তাদের একজনের নিকট আগমন করলে, তিনি তাকে তা বললেন। তখন তিনি বললেনঃ বরং আমি তো যায়নবের নিকট মধু পান করেছি। তিনি আরও বললেনঃ আমি আর পুনরায় তা পান করবো না। তখন এ আয়াত নাযিল হয়ঃ (يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ لِمَ تُحَرِّمُ مَا أَحَلَّ اللَّهُ لَكَ) আর আয়েশা এবং হাফসা (রাঃ) সম্বন্ধে নাযিল হয়ঃ (إِنْ تَتُوبَا إِلَى اللَّهِ) আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উক্তিঃ বরং আমি মধু পান করেছি। এর জন্য (وَإِذْ أَسَرَّ النَّبِيُّ إِلَى بَعْضِ أَزْوَاجِهِ حَدِيثًا) আয়াত নাযিল হয়। এর সমস্তই আতা (রহঃ)-এর হাদীসে রয়েছে।
উবাইদ বিন উমাইর (রাঃ) সুনানে আন-নাসায়ী #৩৪২১ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ১২৩
আবদ আল-রহমান ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে কাব ইবনে মালিক (রা.)
Sahih
أَخْبَرَنِي ​مُحَمَّدُ ​بْنُ ​جَبَلَةَ، ​وَمُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ مُحَمَّدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى بْنِ أَعْيَنَ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ رَاشِدٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، أَخْبَرَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَمِعْتُ أَبِي كَعْبَ بْنَ مَالِكٍ، - قَالَ وَهُوَ أَحَدُ الثَّلاَثَةِ الَّذِينَ تِيبَ عَلَيْهِمْ - يُحَدِّثُ قَالَ أَرْسَلَ إِلَىَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَإِلَى صَاحِبَىَّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَأْمُرُكُمْ أَنْ تَعْتَزِلُوا نِسَاءَكُمْ ‏.‏ فَقُلْتُ لِلرَّسُولِ أُطَلِّقُ امْرَأَتِي أَمْ مَاذَا أَفْعَلُ قَالَ لاَ بَلْ تَعْتَزِلُهَا فَلاَ تَقْرَبْهَا ‏.‏ فَقُلْتُ لاِمْرَأَتِي الْحَقِي بِأَهْلِكِ فَكُونِي فِيهِمْ فَلَحِقَتْ بِهِمْ ‏.‏
মুহাম্মদ ​ইবন ​জাবালা ​এবং ​মুহাম্মদ ইবন ইয়াহইয়া (রহঃ) ... আবদুর রহমান ইবন আবদুল্লাহ্ ইবন কা'ব ইবন মালিক তাঁর পিতা হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার পিতা কা'ব ইবন মালিককে বলতে শুনেছিঃ তিনি ঐ তিন ব্যক্তির একজন, যার গুনাহ ক্ষমা করা হয়েছে। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট এবং আমার অন্য দুই সাথীর নিকট সংবাদ পাঠান যে, তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের থেকে দূরে থাক। তখন আমি ঐ দূতকে জিজ্ঞাসা করলামঃ আমি কি আমার স্ত্রীকে তালাক দেব, না কি করবো? তিনি বললেনঃ না, বরং তার থেকে দূরে থাকুন, তার কাছে যাবেন না। তখন আমি আমার স্ত্রীকে বললামঃ তুমি তোমার পরিবারের লোকদের নিকট যাও এবং তাদের সাথে থাক। তখন সে তাদের নিকট চলে যায়।
আবদ আল-রহমান ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে কাব ইবনে মালিক (রা.) সুনানে আন-নাসায়ী #৩৪২৩ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ১২৪
উবাইদ বিন উমাইর (রাঃ)
Sahih
أَخْبَرَنَا ‌الْحَسَنُ ‌بْنُ ​مُحَمَّدٍ ​الزَّعْفَرَانِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ زَعَمَ عَطَاءٌ أَنَّهُ سَمِعَ عُبَيْدَ بْنَ عُمَيْرٍ، يَقُولُ سَمِعْتُ عَائِشَةَ، تَزْعُمُ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَمْكُثُ عِنْدَ زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ فَيَشْرَبُ عِنْدَهَا عَسَلاً فَتَوَاصَيْتُ أَنَا وَحَفْصَةُ أَنَّ أَيَّتَنَا دَخَلَ عَلَيْهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَلْتَقُلْ إِنِّي أَجِدُ مِنْكَ رِيحَ مَغَافِيرَ أَكَلْتَ مَغَافِيرَ فَدَخَلَ عَلَى إِحْدَاهُمَا فَقَالَتْ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ ‏"‏ لاَ بَلْ شَرِبْتُ عَسَلاً عِنْدَ زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ وَلَنْ أَعُودَ لَهُ ‏"‏ ‏.‏ فَنَزَلَتْ ‏{‏ يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ لِمَ تُحَرِّمُ مَا أَحَلَّ اللَّهُ لَكَ ‏}‏ إِلَى ‏{‏ إِنْ تَتُوبَا إِلَى اللَّهِ ‏}‏ عَائِشَةُ وَحَفْصَةُ ‏{‏ وَإِذْ أَسَرَّ النَّبِيُّ إِلَى بَعْضِ أَزْوَاجِهِ حَدِيثًا ‏}‏ لِقَوْلِهِ ‏"‏ بَلْ شَرِبْتُ عَسَلاً ‏"‏ ‏.‏
হাসান ‌ইবন ‌মুহাম্মদ ​যা’ফরানী ​(রহঃ) ... আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যয়নব বিনত জাহশের নিকট কিছুক্ষণ থাকতেন এবং সেখানে তিনি মধু পান করতেন। আমি এবং হাফসা পরামর্শ করলাম যে, আমাদের মধ্যে যার নিকটই রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাশরীফ আনেন, সে যেন বলে, আপনার মুখ হতে মাগাফিরের গন্ধ আসছে। আপনি কি মাগাফির খেয়েছেন? এরপর তিনি আমাদের একজনের গৃহে আসলে তিনি তাকে তা বললেন। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ না, বরং আমি যয়নব বিনতে জাহশের নিকট মধু পান করেছি। আমি আর কখনো তা পান করবো না; তখন অবতীর্ণ হয়ঃ (يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ لِمَ تُحَرِّمُ مَا أَحَلَّ اللَّهُ لَكَ) অর্থঃ হে নবী! আল্লাহ্ আপনার জন্য যা হালাল করেছেন, আপনি তা হারাম করছেন কেন? (৬৬ : ১)। (إِنْ تَتُوبَا إِلَى اللَّهِ) অর্থঃ যদি তোমরা উভয়ে (আয়েশা ও হাফসা) অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর দিকে ফিরে এসো। (৬৬ : ২) (وَإِذْ أَسَرَّ النَّبِيُّ) অর্থঃ স্মরণ কর, নবী তাঁর স্ত্রীদের একজনকে গোপনে কিছু বলেছিলেন। ...... (৬৬ : ৩), এটা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উক্তিঃ “বরং আমি মধু পান করেছি”— সে সম্পর্কিত।
উবাইদ বিন উমাইর (রাঃ) সুনানে আন-নাসায়ী #৩৭৯৫ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ১২৫
আবদুল্লাহ ইবনে কাব ইবনে মালিক (রা.)
Sahih
حَدَّثَنَا ​يُونُسُ ​بْنُ ​عَبْدِ ​الأَعْلَى، قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ قَالَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَ تِيبَ عَلَيْهِ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي أَنْخَلِعُ مِنْ مَالِي صَدَقَةً إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ ‏.‏ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أَمْسِكْ عَلَيْكَ بَعْضَ مَالِكَ فَهُوَ خَيْرٌ لَكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ يُشْبِهُ أَنْ يَكُونَ الزُّهْرِيُّ سَمِعَ هَذَا الْحَدِيثَ مِنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ كَعْبٍ وَمِنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْهُ فِي هَذَا الْحَدِيثِ الطَّوِيلِ تَوْبَةُ كَعْبٍ ‏.‏
ইউনুস ​ইবন ​আবদুল ​আ'লা ​(রহঃ) ... আবদুল্লাহ্ ইবন কা'ব ইবন মালিক (রহঃ) বলেন, তাঁর পিতার তওবা কবুল হলে তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি আমার সমস্ত মাল থেকে মুক্ত হতে চাই যা আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূলের পথে সাদকা হবে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেনঃ তুমি, তোমার কিছু মাল রেখে দাও, এটা তোমার জন্য উত্তম।
আবদুল্লাহ ইবনে কাব ইবনে মালিক (রা.) সুনানে আন-নাসায়ী #৩৮২৩ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ১২৬
আব্দুর রহমান বিন কাব বিন মালিক (রাঃ)
Sahih
أَخْبَرَنَا ‌سُلَيْمَانُ ‌بْنُ ‌دَاوُدَ، ‌قَالَ أَنْبَأَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ، قَالَ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ فَأَخْبَرَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ كَعْبٍ، قَالَ سَمِعْتُ كَعْبَ بْنَ مَالِكٍ، يُحَدِّثُ حَدِيثَهُ حِينَ تَخَلَّفَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي غَزْوَةِ تَبُوكَ قَالَ فَلَمَّا جَلَسْتُ بَيْنَ يَدَيْهِ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ مِنْ تَوْبَتِي أَنْ أَنْخَلِعَ مِنْ مَالِي صَدَقَةً إِلَى اللَّهِ وَإِلَى رَسُولِهِ ‏.‏ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أَمْسِكْ عَلَيْكَ بَعْضَ مَالِكَ فَهُوَ خَيْرٌ لَكَ ‏"‏ ‏.‏ فَقُلْتُ فَإِنِّي أُمْسِكُ سَهْمِي الَّذِي بِخَيْبَرَ ‏.‏ مُخْتَصَرٌ ‏.‏
সুলায়মান ‌ইবন ‌দাউদ ‌(রহঃ) ‌... আবদুল্লাহ ইবন কা'ব (রহঃ) বলেন, আমি কা'ব ইবন মালিক (রাঃ)-কে তিনি যে তাবুক যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে না গিয়ে পেছনে থেকে গিয়েছিলেন, সে সম্পর্কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেন, আমি যখন তার সামনে বসে বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমার তওবার মধ্যে এটাও যে, আমি আমার মাল হতে পৃথক হয়ে যাব এবং যা আল্লাহ্ ও আল্লাহর রাসূলের পথে সাদকা হয়ে যাবে। তিনি বললেনঃ তুমি তোমার মালের কিছু অংশ রেখে দাও; তা তোমার জন্য উত্তম হবে। তিনি বললেন, আমি বললামঃ তা হলে আমার খায়বরের সম্পত্তি রেখে দিচ্ছি।
আব্দুর রহমান বিন কাব বিন মালিক (রাঃ) সুনানে আন-নাসায়ী #৩৮২৪ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ১২৭
আবদুল্লাহ ইবনে কাব ইবনে মালিক (রা.)
Sahih
أَخْبَرَنَا ‌يُوسُفُ ‌بْنُ ‌سَعِيدٍ، ​قَالَ حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ، قَالَ حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ كَعْبٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ سَمِعْتُ كَعْبَ بْنَ مَالِكٍ، يُحَدِّثُ حَدِيثَهُ حِينَ تَخَلَّفَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي غَزْوَةِ تَبُوكَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ مِنْ تَوْبَتِي أَنْ أَنْخَلِعَ مِنْ مَالِي صَدَقَةً إِلَى اللَّهِ وَإِلَى رَسُولِهِ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أَمْسِكْ عَلَيْكَ مَالَكَ فَهُوَ خَيْرٌ لَكَ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ فَإِنِّي أُمْسِكُ عَلَىَّ سَهْمِي الَّذِي بِخَيْبَرَ ‏.‏
ইউসুফ ‌ইবন ‌সাঈদ ‌(রহঃ) ​... আবদুল্লাহ ইবন কা'ব ইবন মালিক (রহঃ) বলেন, আমি কা'ব ইবন মালিক (রাঃ)-কে তিনি যে তাবুকের যুদ্ধে রাসূল্লালাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে না গিয়ে পেছনে থেকে গিয়েছিলেন, সে সম্পর্কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূল্লালাহ্! আমার তওবার একটা অংশ এই যে, আমি আমার অর্থ-সম্পদ হতে মুক্ত হয়ে যাব, যা আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের পথে সাদকা হয়ে যাবে। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমার কিছু সম্পদ রেখে দাও, সেটা তোমার পক্ষে শ্রেয়। আমি বললামঃ তা হলে আমি আমার খায়বরের অংশ রেখে দিচ্ছি।
আবদুল্লাহ ইবনে কাব ইবনে মালিক (রা.) সুনানে আন-নাসায়ী #৩৮২৫ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ১২৮
উবায়দুল্লাহ বিন কা'ব (রাঃ)
Sahih
أَخْبَرَنَا ‌مُحَمَّدُ ‌بْنُ ​مَعْدَانَ ‌بْنِ عِيسَى، قَالَ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَعْيَنَ، قَالَ حَدَّثَنَا مَعْقِلٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ أَخْبَرَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ كَعْبٍ، عَنْ عَمِّهِ، عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ كَعْبٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبِي كَعْبَ بْنَ مَالِكٍ، يُحَدِّثُ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ إِنَّمَا نَجَّانِي بِالصِّدْقِ وَإِنَّ مِنْ تَوْبَتِي أَنْ أَنْخَلِعَ مِنْ مَالِي صَدَقَةً إِلَى اللَّهِ وَإِلَى رَسُولِهِ ‏.‏ فَقَالَ ‏ "‏ أَمْسِكْ عَلَيْكَ بَعْضَ مَالِكَ فَهُوَ خَيْرٌ لَكَ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ فَإِنِّي أُمْسِكُ سَهْمِي الَّذِي بِخَيْبَرَ ‏.‏
মুহাম্মদ ‌ইবন ‌মা'দান ​ইবন ‌ঈসা (রহঃ) ... উবায়দুল্লাহ্ ইবন কা'ব ইবন মালিক (রহঃ) বলেন, আমি আমার পিতা কা'ব ইবন মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আল্লাহ্ তা'আলা আমাকে আমার সত্যবাদিতার জন্য পরিত্রাণ দিয়েছেন। আর আমার তাওবায় এ-ও রয়েছে যে, আমি আল্লাহ্ এবং আল্লাহর রাসূলকে আমার মাল দান করে তা হতে মুক্ত হয়ে যাই। তিনি বললেনঃ তোমার কিছু মাল তুমি রেখে দাও, এটা তোমার জন্য উত্তম। তিনি বললেনঃ আমি আমার খায়বরের সম্পত্তি রাখলাম।
উবায়দুল্লাহ বিন কা'ব (রাঃ) সুনানে আন-নাসায়ী #৩৮২৬ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ১২৯
আয়েশা (রাঃ)
Sahih
أَخْبَرَنَا ‌الْحَسَنُ ​بْنُ ​مُحَمَّدٍ ‌الزَّعْفَرَانِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ، أَنَّهُ سَمِعَ عُبَيْدَ بْنَ عُمَيْرٍ، يَقُولُ سَمِعْتُ عَائِشَةَ، تَزْعُمُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَمْكُثُ عِنْدَ زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ فَيَشْرَبُ عِنْدَهَا عَسَلاً فَتَوَاصَيْتُ أَنَا وَحَفْصَةُ أَنَّ أَيَّتَنَا دَخَلَ عَلَيْهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَلْتَقُلْ إِنِّي أَجِدُ مِنْكَ رِيحَ مَغَافِيرَ أَكَلْتَ مَغَافِيرَ فَدَخَلَ عَلَى إِحْدَاهُمَا فَقَالَتْ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ ‏"‏ لاَ بَلْ شَرِبْتُ عَسَلاً عِنْدَ زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ وَلَنْ أَعُودَ لَهُ ‏"‏ ‏.‏ فَنَزَلَتْ ‏{‏ يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ لِمَ تُحَرِّمُ مَا أَحَلَّ اللَّهُ لَكَ ‏}‏ ‏{‏ إِنْ تَتُوبَا إِلَى اللَّهِ ‏}‏ لِعَائِشَةَ وَحَفْصَةَ ‏{‏ وَإِذْ أَسَرَّ النَّبِيُّ إِلَى بَعْضِ أَزْوَاجِهِ حَدِيثًا ‏}‏ لِقَوْلِهِ ‏"‏ بَلْ شَرِبْتُ عَسَلاً ‏"‏ ‏.‏
হাসান ‌ইবন ​মুহাম্মদ ​জা'ফরানী ‌(রহঃ) ... উবায়দ ইবন উমায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়েশা (রাঃ) থেকে শুনেছি। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিছুক্ষণ যয়নব বিনত জাহাশ (রাঃ) এর কাছে অবস্থান করতেন এবং তাঁর কাছে মধু পান করতেন, আমি এবং হাফসা পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নিলাম যে, তিনি আমাদের যার কাছেই আসবেন, সেই বলবেঃ আপনি 'মাগাফীর' পান করেছেন। (মাগাফীর এক প্রকার বিশেষ দুর্গন্ধযুক্ত আঠাকে বলা হয়)। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাদের একজনের কাছে প্রবেশ করলে যা বলার সিদ্ধান্ত ছিল তা বললেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি যয়নব বিনত জাহাশ-এর কাছে মধুই তো পান করলাম এবং বললেন, আর কোন দিন তা করব না। অর্থাৎ মধু পান করব না। এ কারণে নাযিল হলঃ (يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ لِمَ تُحَرِّمُ مَا أَحَلَّ اللَّهُ لَكَ) "হে নবী! আল্লাহ্‌ আপনার জন্য যা হালাল করেছেন তা আপনি নিজের জন্য হারাম করেছেন কেন? (إِنْ تَتُوبَا إِلَى اللَّهِ) "তোমরা উভয়ে যদি তওবা কর" এটা আয়িশা এবং হাফসা (রাঃ) এর উদ্দেশ্যে নাযিল করেছেনঃ (وَإِذْ أَسَرَّ النَّبِيُّ إِلَى بَعْضِ أَزْوَاجِهِ حَدِيثًا) "যখন নবী তার একজন স্ত্রীর কাছে একটি কথা গোপন করলেন" এটা তার উক্তি 'আমি মধু পান করেছি এবং আর করব না।' এর পরিপ্রেক্ষিতে নাযিল হয়েছে।
আয়েশা (রাঃ) সুনানে আন-নাসায়ী #৩৯৫৮ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৩০
সালিম বিন আবি জা'দ (রাঃ)
Sahih
أَخْبَرَنَا ​قُتَيْبَةُ، ​قَالَ ​حَدَّثَنَا ​سُفْيَانُ، عَنْ عَمَّارٍ الدُّهْنِيِّ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ، سُئِلَ عَمَّنْ قَتَلَ مُؤْمِنًا مُتَعَمِّدًا ثُمَّ تَابَ وَآمَنَ وَعَمِلَ صَالِحًا ثُمَّ اهْتَدَى فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ وَأَنَّى لَهُ التَّوْبَةُ سَمِعْتُ نَبِيَّكُمْ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ يَجِيءُ مُتَعَلِّقًا بِالْقَاتِلِ تَشْخُبُ أَوْدَاجُهُ دَمًا فَيَقُولُ أَىْ رَبِّ سَلْ هَذَا فِيمَ قَتَلَنِي ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ قَالَ وَاللَّهِ لَقَدْ أَنْزَلَهَا اللَّهُ ثُمَّ مَا نَسَخَهَا ‏.‏
কুতায়বা ​(রহঃ) ​... ​সালিম ​ইবন আবুল জা'দ (রহঃ) বলেন, ইবন আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো, যে ব্যক্তি কোন মুসলিমকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করেছে, এরপর সে তাওবা করলো এবং ঈমান আনলো এবং নেক আমল করলো এবং হিদায়ত কবুল করলো। তার তাওবা কি কবুল হবে? তিনি বললেন, মুসলিমের হত্যাকারীর তাওবা কিরূপে কবূল হতে পারে? আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ কিয়ামতের দিন নিহত ব্যক্তি তার হত্যাকারীর হাত ধরে নিয়ে আসবে, তখন তার শিরা হতে রক্ত প্রবাহিত হতে থাকবে। সে বলবেঃ ইয়া আল্লাহ্! আপনি এই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করুন, সে আমাকে কি কারণে হত্যা করেছিল? ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, এ সম্পর্কে আল্লাহ্ তা'আলা এই আয়াত নাযিল করেনঃ (وَمَنْ يَقْتُلْ مُؤْمِنًا مُتَعَمِّدًا) অর্থঃ কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন মুসলিমকে হত্যা করলে তার শাস্তি জাহান্নাম। (সূরা নিসাঃ ৯৩)।
সালিম বিন আবি জা'দ (রাঃ) সুনানে আন-নাসায়ী #৩৯৯৯ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৩১
ইবনু আব্বাস (রাঃ)
Sahih
أَخْبَرَنَا ‌مُحَمَّدُ ​بْنُ ‌رَافِعٍ، ​قَالَ حَدَّثَنَا شَبَابَةُ بْنُ سَوَّارٍ، قَالَ حَدَّثَنِي وَرْقَاءُ، عَنْ عَمْرٍو، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ يَجِيءُ الْمَقْتُولُ بِالْقَاتِلِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ نَاصِيَتُهُ وَرَأْسُهُ فِي يَدِهِ وَأَوْدَاجُهُ تَشْخُبُ دَمًا يَقُولُ يَا رَبِّ قَتَلَنِي حَتَّى يُدْنِيَهُ مِنَ الْعَرْشِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَذَكَرُوا لاِبْنِ عَبَّاسٍ التَّوْبَةَ فَتَلاَ هَذِهِ الآيَةَ ‏{‏ وَمَنْ يَقْتُلْ مُؤْمِنًا مُتَعَمِّدًا ‏}‏ قَالَ مَا نُسِخَتْ مُنْذُ نَزَلَتْ وَأَنَّى لَهُ التَّوْبَةُ
মুহাম্মদ ‌ইবন ​রাফে' ‌(রহঃ) ​... ইবন আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কিয়ামতের দিন নিহত ব্যক্তি হত্যাকারীকে নিয়ে উপস্থিত হবে, তার ললাট ও মাথা হত্যাকারীর হাতে থাকবে, আর তার শিরা হতে রক্ত প্রবাহিত হতে থাকবে। সে বলবেঃ হে আমার রব! এই ব্যক্তি আমাকে হত্যা করেছে। সে তাকে আল্লাহর আরশের নিকট নিয়ে যাবে। রাবী বলেন, তখন লোক ইবন আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট তাওবার উল্লেখ করলে তিনি তিলাওয়াত করলেনঃ (وَمَنْ يَقْتُلْ مُؤْمِنًا مُتَعَمِّدًا) তিনি আরও বললেনঃ এই আয়াত নাযিল হওয়ার পর রহিত হয়নি; কাজেই তার তাওবার সুযোগ কোথায়?
ইবনু আব্বাস (রাঃ) সুনানে আন-নাসায়ী #৪০০৫ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৩২
It Was
Sahih Isnaad
أَخْبَرَنَا ‌مُحَمَّدُ ​بْنُ ‌عَبْدِ ‌اللَّهِ بْنِ بَزِيعٍ، قَالَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ، - وَهُوَ ابْنُ زُرَيْعٍ - قَالَ أَنْبَأَنَا دَاوُدُ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ كَانَ رَجُلٌ مِنَ الأَنْصَارِ أَسْلَمَ ثُمَّ ارْتَدَّ وَلَحِقَ بِالشِّرْكِ ثُمَّ تَنَدَّمَ فَأَرْسَلَ إِلَى قَوْمِهِ سَلُوا لِي رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم هَلْ لِي مِنْ تَوْبَةٍ فَجَاءَ قَوْمُهُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالُوا إِنَّ فُلاَنًا قَدْ نَدِمَ وَإِنَّهُ أَمَرَنَا أَنْ نَسْأَلَكَ هَلْ لَهُ مِنْ تَوْبَةٍ فَنَزَلَتْ ‏{‏ كَيْفَ يَهْدِي اللَّهُ قَوْمًا كَفَرُوا بَعْدَ إِيمَانِهِمْ ‏}‏ إِلَى قَوْلِهِ ‏{‏ غَفُورٌ رَحِيمٌ ‏}‏ ‏"‏ ‏.‏ فَأَرْسَلَ إِلَيْهِ فَأَسْلَمَ ‏.‏
মুহাম্মদ ‌ইবন ​আবদুল্লাহ ‌ইবন ‌বাযী' (রহঃ) ... ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক আনসারী ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণের পর মুরতাদ হয়ে গেল এবং মুশরিকদের সাথে মিলিত হলো। পরে সে লজ্জিত হয়ে নিজের কওমকে বলে পাঠালো : তোমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা কর, আমার কি তাওবা করার সুযোেগ আছে? তার কওমের লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললেনঃ অমুক ব্যক্তি লজ্জিত হয়েছে, এখন কি তার তাওবা কবুল হয়েছে? তখন এই আয়াত নাযিল হয়ঃ (كَيْفَ يَهْدِي اللَّهُ قَوْمًا كَفَرُوا بَعْدَ إِيمَانِهِمْ إِلَى قَوْلِهِ غَفُورٌ رَحِيمٌ) অর্থঃ ঈমান আনার পর ও রাসূলকে সত্য বলে সাক্ষ্যদানের পর যারা কুফরী করে আল্লাহ্ তাদের কিভাবে হিদায়াত করবেন? ....আল্লাহ্ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সূরা আলে ইমরানঃ)
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৩৩
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Sahih
أَخْبَرَنَا ‌مُحَمَّدُ ​بْنُ ​الْمُثَنَّى، ​قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ سُلَيْمَانَ، ح وَأَنْبَأَنَا أَحْمَدُ بْنُ سَيَّارٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُثْمَانَ، عَنْ أَبِي حَمْزَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ أَحْمَدُ فِي حَدِيثِهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ يَزْنِي الزَّانِي حِينَ يَزْنِي وَهُوَ مُؤْمِنٌ وَلاَ يَسْرِقُ حِينَ يَسْرِقُ وَهُوَ مُؤْمِنٌ وَلاَ يَشْرَبُ الْخَمْرَ حِينَ يَشْرَبُ وَهُوَ مُؤْمِنٌ ثُمَّ التَّوْبَةُ مَعْرُوضَةٌ بَعْدُ ‏"‏ ‏.‏
মুহাম্মাদ ‌ইবন ​মুসান্না ​ও ​আহমাদ ইবন সায়্যার (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ যখন ব্যভিচারী ব্যভিচার করে, তখন সে মুমিন অবস্থায় ব্যভিচার করে না, আর যখন চোর চুরি করে, তখন সে মুমিন অবস্থায় চুরি করে না, আর যখন মদ পান করে, তখন সে মুমিন অবস্থায় মদপান করে না। এরপরও তওবার সুযোগ রাখা হয়েছে।
আবু হুরায়রা (রাঃ) সুনানে আন-নাসায়ী #৪৮৭১ Sahih
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৩৪
It Was
Munkar
أَخْبَرَنَا ​مُحَمَّدُ ‌بْنُ ‌يَحْيَى ‌الْمَرْوَزِيُّ أَبُو عَلِيٍّ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُثْمَانَ، عَنْ أَبِي حَمْزَةَ، عَنْ يَزِيدَ، - وَهُوَ ابْنُ أَبِي زِيَادٍ - عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ لاَ يَزْنِي الزَّانِي حِينَ يَزْنِي وَهُوَ مُؤْمِنٌ وَلاَ يَسْرِقُ وَهُوَ مُؤْمِنٌ وَلاَ يَشْرَبُ الْخَمْرَ وَهُوَ مُؤْمِنٌ وَذَكَرَ رَابِعَةً فَنَسِيتُهَا فَإِذَا فَعَلَ ذَلِكَ خَلَعَ رِبْقَةَ الإِسْلاَمِ مِنْ عُنُقِهِ فَإِنْ تَابَ تَابَ اللَّهُ عَلَيْهِ ‏.‏
মুহাম্মাদ ​ইবন ‌ইয়াহইয়া ‌মারওয়াযী ‌আবূ আলী (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যখন কোন ব্যভিচারী ব্যভিচারে লিপ্ত হয় তখন সে মুমিন অবস্থায় ব্যভিচার করে না; আর কেউ মুমিন অবস্থায় চুরি করে না এবং মুমিন অবস্থায় মদপান করে না। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি চতুর্থ একটি কথা বলেন, যা আমি ভুলে গিয়েছি। যখন সে এসব গুনাহে লিপ্ত হয়, তখন সে তার ঘাড় হতে ইসলামের বন্ধন খুলে ফেলে। যদি তওবা করে, তবে আল্লাহ্ তার তওবা কবুল করেন।
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৩৫
আবু উমাইয়া আল-মাখজুমি (রাঃ)
Daif
أَخْبَرَنَا ​سُوَيْدُ ​بْنُ ‌نَصْرٍ، ​قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ أَبِي الْمُنْذِرِ، مَوْلَى أَبِي ذَرٍّ عَنْ أَبِي أُمَيَّةَ الْمَخْزُومِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أُتِيَ بِلِصٍّ اعْتَرَفَ اعْتِرَافًا وَلَمْ يُوجَدْ مَعَهُ مَتَاعٌ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَا إِخَالُكَ سَرَقْتَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ بَلَى ‏.‏ قَالَ ‏"‏ اذْهَبُوا بِهِ فَاقْطَعُوهُ ثُمَّ جِيئُوا بِهِ ‏"‏ ‏.‏ فَقَطَعُوهُ ثُمَّ جَاءُوا بِهِ فَقَالَ لَهُ ‏"‏ قُلْ أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ اللَّهُمَّ تُبْ عَلَيْهِ ‏"‏ ‏.‏
সুওয়ায়দ ​ইবন ​নাসর ‌(রহঃ) ​... আবূ উমায়য়া মাখযূমী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এমন এক চোরকে উপস্থিত করা হয় যে তার অপরাধ স্বীকার করে, কিন্তু তার নিকট কোন মাল পাওয়া যায়নি। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি তো মনে করি না যে, তুমি চুরি করেছে। সে বললোঃ নিশ্চয়ই (করেছি)। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এই ব্যক্তিকে নিয়ে যাও এবং তার হাত কেটে দাও, পরে আমার নিকট নিয়ে এসো। লোকেরা তাকে নিয়ে গিয়ে হাত কেটে দিল এবং আবার নিয়ে আসলো। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি বল, আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাচ্ছি এবং তওবা করছি। সে ব্যক্তি বললোঃ আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাচ্ছি এবং তওবা করছি। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আল্লাহ্! তাকে ক্ষমা করুন।
আবু উমাইয়া আল-মাখজুমি (রাঃ) সুনানে আন-নাসায়ী #৪৮৭৭ Daif
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৩৬
It Was
Sahih
أَخْبَرَنَا ‌الْقَاسِمُ ​بْنُ ​زَكَرِيَّا ‌بْنِ دِينَارٍ، قَالَ حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، قَالَ حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، قَالَ حَدَّثَنِي رَبِيعَةُ بْنُ يَزِيدَ، ح وَأَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ بَقِيَّةَ، عَنْ أَبِي عَمْرٍو، - وَهُوَ الأَوْزَاعِيُّ - عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الدَّيْلَمِيِّ، قَالَ دَخَلْتُ عَلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ وَهُوَ فِي حَائِطٍ لَهُ بِالطَّائِفِ يُقَالُ لَهُ الْوَهْطُ وَهُوَ مُخَاصِرٌ فَتًى مِنْ قُرَيْشٍ يُزَنُّ ذَلِكَ الْفَتَى بِشُرْبِ الْخَمْرِ فَقَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ مَنْ شَرِبَ الْخَمْرَ شَرْبَةً لَمْ تُقْبَلْ لَهُ تَوْبَةٌ أَرْبَعِينَ صَبَاحًا فَإِنْ تَابَ تَابَ اللَّهُ عَلَيْهِ فَإِنْ عَادَ لَمْ تُقْبَلْ تَوْبَتُهُ أَرْبَعِينَ صَبَاحًا فَإِنْ تَابَ تَابَ اللَّهُ عَلَيْهِ فَإِنْ عَادَ كَانَ حَقًّا عَلَى اللَّهِ أَنْ يَسْقِيَهُ مِنْ طِينَةِ الْخَبَالِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ‏"‏ ‏.‏ اللَّفْظُ لِعَمْرٍو ‏.‏
কাসিম ‌ইবন ​যাকারিয়া ​ইবন ‌দীনার ও আম্‌র ইবন উসমান ইবন সাঈদ (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবন দায়লামী (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবন আস (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হলাম, তখন তিনি তাঁর তায়েফস্থিত ওহাত নামক গানে ছিলেন। তিনি কুরায়শের এক যুবকের হাত ধরে চলছিলেন। লোকের ধারণা ছিল যে, ঐ যুবক মদ পান করতো। তিনি বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি একঢোক শরাব পান করবে, আল্লাহ্ পাক চল্লিশ দিনের মধ্যে তার তাওবা কবূল করবেন না। অতঃপর যদি সে তাওবা করে, তবে আল্লাহ্ তাকে ক্ষমা করবেন। যদি সে পুনরায় পান করে, তবে তার তাওবা চল্লিশ দিন পর্যন্ত কবূল করবেন না; পুনরায় তাওবা করলে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন। এরপরও যদি সে শরাব পান করে, তাহলে আল্লাহ্ তা'আলা নিশ্চিতরূপে তাকে কিয়ামতের দিন দোযখীদের পুঁজ পান করাবেন।
জামি আত-তিরমিযী : ১৩৭
ইবনু আব্বাস (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ​ابْنُ ​أَبِي ​عُمَرَ، ​حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَسْجُدُ فِي ص ‏.‏ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ وَلَيْسَتْ مِنْ عَزَائِمِ السُّجُودِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَاخْتَلَفَ أَهْلُ الْعِلْمِ فِي ذَلِكَ فَرَأَى بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ أَنْ يَسْجُدَ فِيهَا ‏.‏ وَهُوَ قَوْلُ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ وَابْنِ الْمُبَارَكِ وَالشَّافِعِيِّ وَأَحْمَدَ وَإِسْحَاقَ ‏.‏ وَقَالَ بَعْضُهُمْ إِنَّهَا تَوْبَةُ نَبِيٍّ وَلَمْ يَرَوُا السُّجُودَ فِيهَا ‏.‏
ইবনু ​আবি ​উমর ​আমাদেরকে ​বলেছেন, সুফিয়ান আমাদেরকে বলেছেন, আইয়ুবের সূত্রে, ইকরিমার সূত্রে, ইবনু আব্বাসের সূত্রে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সেজদা করতে দেখেছি। ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ এটা সিজদার স্তম্ভের একটি নয়। আবূ ঈসা (রাঃ) বলেনঃ এটি একটি উত্তম ও সহীহ হাদীস। সে বিষয়ে জ্ঞানীরা দ্বিমত পোষণ করেন, তাই তিনি দেখলেন নবীর সাহাবীদের মধ্যে কিছু জ্ঞানী ব্যক্তি, আল্লাহ তাঁর উপর রহমত বর্ষণ করেন এবং অন্যরা তাঁকে এতে সিজদা করার পরামর্শ দেন। এটি সুফিয়ান আল-সাওরী এবং ইবনুল মুবারকের বক্তব্য। আল-শাফিঈ, আহমদ এবং ইসহাক। তাদের মধ্যে কেউ কেউ বলেছিল যে এটি একজন নবীর তওবা, কিন্তু তারা এতে সেজদা দেখতে পাননি।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) জামি আত-তিরমিযী #৫৭৭ Sahih
জামি আত-তিরমিযী : ১৩৮
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Munkar
حَدَّثَنَا ‌أَبُو ​كُرَيْبٍ، ‌مُحَمَّدُ ‌بْنُ الْعَلاَءِ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِنَّ اللَّهَ يَقْبَلُ الصَّدَقَةَ وَيَأْخُذُهَا بِيَمِينِهِ فَيُرَبِّيهَا لأَحَدِكُمْ كَمَا يُرَبِّي أَحَدُكُمْ مُهْرَهُ حَتَّى إِنَّ اللُّقْمَةَ لَتَصِيرُ مِثْلَ أُحُدٍ ‏"‏ ‏.‏ وَتَصْدِيقُ ذَلِكَ فِي كِتَابِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ ‏(‏وهُوَ الَّذِي يَقبَلُ التَّوبَةَ عَنْ عِبَادِهِ ‏)‏ ويَأْخُذُ الصَّدَقَاتِ‏‏ ‏(يَمْحَقُ الله الرَّبَا ويُرْبِي الصَّدَقَاتِ‏)‏‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى: هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ. وَقَدْ رُوِيَ عَنْ عَائِشَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَحْوُ هَذَا. وَقَدْ قَالَ غَيْرُ وَاحِدٍ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ فِي هَذَا الْحَدِيثِ وَمَا يُشْبِهُ هَذَا مِنَ الرِّوَايَاتِ مِنَ الصِّفَاتِ وَنُزُولِ الرَّبِّ تَبَارَكَ وَتَعَالَى كُلَّ لَيْلَةٍ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا قَالُوا قَدْ تَثْبُتُ الرِّوَايَاتُ فِي هَذَا وَيُؤْمَنُ بِهَا وَلاَ يُتَوَهَّمُ وَلاَ يُقَالُ كَيْفَ هَكَذَا رُوِيَ عَنْ مَالِكٍ وَسُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ أَنَّهُمْ قَالُوا فِي هَذِهِ الأَحَادِيثِ أَمِرُّوهَا بِلاَ كَيْفٍ. وَهَكَذَا قَوْلُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَهْلِ السُّنَّةِ وَالْجَمَاعَةِ. وَأَمَّا الْجَهْمِيَّةُ فَأَنْكَرَتْ هَذِهِ الرِّوَايَاتِ وَقَالُوا هَذَا تَشْبِيهٌ. وَقَدْ ذَكَرَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ فِي غَيْرِ مَوْضِعٍ مِنْ كِتَابِهِ الْيَدَ وَالسَّمْعَ وَالْبَصَرَ فَتَأَوَّلَتِ الْجَهْمِيَّةُ هَذِهِ الآيَاتِ فَفَسَّرُوهَا عَلَى غَيْرِ مَا فَسَّرَ أَهْلُ الْعِلْمِ وَقَالُوا إِنَّ اللَّهَ لَمْ يَخْلُقْ آدَمَ بِيَدِهِ. وَقَالُوا إِنَّ مَعْنَى الْيَدِ هَاهُنَا الْقُوَّةُ. وَقَالَ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ إِنَّمَا يَكُونُ التَّشْبِيهُ إِذَا قَالَ يَدٌ كَيَدٍ أَوْ مِثْلُ يَدٍ أَوْ سَمْعٌ كَسَمْعٍ أَوْ مِثْلُ سَمْعٍ. فَإِذَا قَالَ سَمْعٌ كَسَمْعٍ أَوْ مِثْلُ سَمْعٍ فَهَذَا التَّشْبِيهُ وَأَمَّا إِذَا قَالَ كَمَا قَالَ اللَّهُ تَعَالَى يَدٌ وَسَمْعٌ وَبَصَرٌ وَلاَ يَقُولُ كَيْفَ وَلاَ يَقُولُ مِثْلُ سَمْعٍ وَلاَ كَسَمْعٍ فَهَذَا لاَ يَكُونُ تَشْبِيهًا وَهُوَ كَمَا قَالَ اللَّهُ تَعَالَى فِي كِتَابِهِ: {لَيْسَ كَمِثْلِهِ شَيْءٌ وَهُوَ السَّمِيعُ الْبَصِيرُ}.
আমাদেরকে ‌আবূ ​কুরায়ব ‌বর্ণনা ‌করেছেন, আমাদেরকে মুহাম্মাদ ইবন আল-আলা বর্ণনা করেছেন, আমাদেরকে ওয়াকি’ বর্ণনা করেছেন, আমাদেরকে আববাদ ইবন মানসুর বর্ণনা করেছেন, আমাদেরকে আল-কাসিম বিন মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু কিতেনকে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহ তা কবুল করেন এবং এক হাতের দান হিসেবে গ্রহণ করেন। “তোমাদের মধ্যে কেউ তার বাচ্চাকে এমনভাবে তুলবে যে, টুকরাটি উহুদের আকারের মতো হয়ে যায়।” এবং এটি সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কিতাবে নিশ্চিত করা হয়েছে (এবং তিনিই তাঁর বান্দাদের থেকে তওবা কবুল করেন) এবং দান করেন (আল্লাহ সুদ দূর করেন এবং দাতব্য বৃদ্ধি করেন)। আবূ ঈসা (রাঃ) বলেনঃ এটি একটি উত্তম ও সহীহ হাদীস আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সূত্রে এরকম কিছু বর্ণিত হয়েছে। একাধিক আলেম এই হাদিস এবং এর অনুরূপ অন্যান্য বর্ণনায় বরকতময় ও পরম প্রভুর গুণাবলী এবং অবতরণ সম্পর্কে বলেছেন, সারা রাত সর্বনিম্ন আসমানে। তারা বলেন, “এ বর্ণনাগুলো নিশ্চিত হতে পারে তিনি এটিতে বিশ্বাস করেন এবং এটি কল্পনা করেন না এবং এটি বলা হয় না, "কিভাবে।" মালেক, সুফিয়ান ইবনে উয়ায়না এবং আবদুল্লাহ ইবনে আল-মুবারক থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তারা এই হাদিসে বলেছেন, তারা কোন শর্ত ছাড়াই আদেশ করেছেন। আর আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতের আলেমগণ একথাই বলেছেন। জাহমিয়াহ সম্পর্কে, তারা অস্বীকার করেছিল এই বর্ণনা এবং তারা বলেছেন এটি একটি উপমা। মহান আল্লাহ তাঁর কিতাবের একাধিক স্থানে হাত, শ্রবণ ও দৃষ্টির কথা উল্লেখ করেছেন, তাই জাহমিয়ারা এই আয়াতগুলোর ব্যাখ্যা করেছেন এবং ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। জ্ঞানীরা এর ব্যাখ্যা না করে বলেছেন যে, আল্লাহ আদমকে নিজ হাতে সৃষ্টি করেননি। এবং তারা বলেছেন যে একটি অর্থ আছে হাতই শক্তি। ইসহাক ইবনে ইব্রাহীম বলেন: উপমা তখনই তৈরি করা যেতে পারে যখন হাত বলা হয় হাতের মতো বা হাতের মতো বা শ্রবণ শ্রবণের মতো বা শ্রবণের মতো। তাই যদি সে বলে শ্রবণ শ্রবণ বা শ্রবণের মত তাহলে এটাই উপমা, কিন্তু যদি সে বলে যেভাবে আল্লাহ বলেছেন হাত, শ্রবণ ও দৃষ্টি এবং তিনি বলেন না। কিভাবে? তিনি শ্রবণের মতো বা শোনার মতো বলেন না। এটি একটি উপমা নয়, এবং এটি যেমন সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাঁর কিতাবে বলেছেন: {তাঁর মত কিছুই নেই এবং তিনি সর্বশ্রোতা। আল-বাসির}।
আবু হুরায়রা (রাঃ) জামি আত-তিরমিযী #৬৬২ Munkar
জামি আত-তিরমিযী : ১৩৯
ইমরান বিন হুসাইন (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ​الْحَسَنُ ‌بْنُ ‌عَلِيٍّ، ​حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَبِي الْمُهَلَّبِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، أَنَّ امْرَأَةً، مِنْ جُهَيْنَةَ اعْتَرَفَتْ عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِالزِّنَا فَقَالَتْ إِنِّي حُبْلَى ‏.‏ فَدَعَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَلِيَّهَا فَقَالَ ‏"‏ أَحْسِنْ إِلَيْهَا فَإِذَا وَضَعَتْ حَمْلَهَا فَأَخْبِرْنِي ‏"‏ ‏.‏ فَفَعَلَ فَأَمَرَ بِهَا فَشُدَّتْ عَلَيْهَا ثِيَابُهَا ثُمَّ أَمَرَ بِرَجْمِهَا فَرُجِمَتْ ثُمَّ صَلَّى عَلَيْهَا فَقَالَ لَهُ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ يَا رَسُولَ اللَّهِ رَجَمْتَهَا ثُمَّ تُصَلِّي عَلَيْهَا ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ لَقَدْ تَابَتْ تَوْبَةً لَوْ قُسِمَتْ بَيْنَ سَبْعِينَ مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ لَوَسِعَتْهُمْ وَهَلْ وَجَدْتَ شَيْئًا أَفْضَلَ مِنْ أَنْ جَادَتْ بِنَفْسِهَا لِلَّهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏
আল-হাসান ​বিন ‌আলী ‌আমাদেরকে ​বলেছেন, আবদ আল-রাজ্জাক আমাদেরকে বলেছেন, মুয়াম্মার আমাদেরকে বলেছেন, ইয়াহিয়া বিন আবি কাথির থেকে, আবু কিলাবার সূত্রে, আবু আল-মুহাল্লাবের সূত্রে, ইমরান বিন হুসাইনের সূত্রে, জুহায়নার এক মহিলা নবীর কাছে স্বীকার করেছিলেন, আমি তাকে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে বলেছিলাম, "আল্লাহ তাকে শান্তি দান করুন।" তাই ডাকলেন। নবী করীম, আল্লাহর প্রার্থনা এবং সালাম, তার অভিভাবক ছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন, "তার প্রতি সদয় হও, এবং যখন সে প্রসব করবে, আমাকে জানাবে।" অতঃপর তিনি তা করলেন এবং তাকে তা করার আদেশ দিলেন এবং এটি তার জন্য কঠিন হয়ে গেল। অতঃপর তিনি তাকে পাথর মেরে মারার নির্দেশ দিলেন, তারপর তিনি তার উপর সালাত আদায় করলেন এবং ওমর ইবনুল খাত্তাব তাকে বললেন, হে আল্লাহর রসূল, আপনি তাকে পাথর মেরেছেন, তাহলে তার জন্য সালাত আদায় করুন। তিনি বললেন, সে এমন অনুতপ্ত হয়েছে যে, যদি তা শহরের সত্তর জন লোকের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয় তবে তা তাদের জন্য যথেষ্ট হবে, সে কি তার কুরবানীর চেয়ে উত্তম কিছু পেয়েছে? "নিজেই, ঈশ্বরের জন্য।" আবূ ঈসা (রাঃ) বলেনঃ এটি একটি উত্তম ও সহীহ হাদীস।
ইমরান বিন হুসাইন (রাঃ) জামি আত-তিরমিযী #১৪৩৫ Sahih
জামি আত-তিরমিযী : ১৪০
আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌قُتَيْبَةُ، ​حَدَّثَنَا ‌جَرِيرُ ‌بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ شَرِبَ الْخَمْرَ لَمْ يَقْبَلِ اللَّهُ لَهُ صَلاَةً أَرْبَعِينَ صَبَاحًا فَإِنْ تَابَ تَابَ اللَّهُ عَلَيْهِ فَإِنْ عَادَ لَمْ يَقْبَلِ اللَّهُ لَهُ صَلاَةً أَرْبَعِينَ صَبَاحًا فَإِنْ تَابَ تَابَ اللَّهُ عَلَيْهِ فَإِنْ عَادَ لَمْ يَقْبَلِ اللَّهُ لَهُ صَلاَةً أَرْبَعِينَ صَبَاحًا فَإِنْ تَابَ تَابَ اللَّهُ عَلَيْهِ فَإِنْ عَادَ الرَّابِعَةَ لَمْ يَقْبَلِ اللَّهُ لَهُ صَلاَةً أَرْبَعِينَ صَبَاحًا فَإِنْ تَابَ لَمْ يَتُبِ اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَقَاهُ مِنْ نَهْرِ الْخَبَالِ ‏"‏ ‏.‏ قِيلَ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ وَمَا نَهْرُ الْخَبَالِ قَالَ نَهْرٌ مِنْ صَدِيدِ أَهْلِ النَّارِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ وَقَدْ رُوِيَ نَحْوُ هَذَا عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏
কুতাইবা ‌আমাদেরকে ​বলেছেন, ‌জারির ‌ইবনে আবদুল হামিদ আমাদেরকে বলেছেন, আতা ইবনে আল-সাইব থেকে, আবদুল্লাহ ইবনে উবাইদ ইবনে উমাইর থেকে, তার পিতার সূত্রে, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে ওমর বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি মদ পান করে, সে যদি সকালের নামায কবুল করে না।" আল্লাহ তার কাছে তওবা করেন, এবং যদি সে ফিরে আসে, তাহলে চল্লিশ সকাল পর্যন্ত আল্লাহ তার প্রার্থনা কবুল করবেন না। যদি সে তাওবা করে তবে আল্লাহ তার কাছে তাওবা করবেন এবং যদি সে ফিরে আসে তবে আল্লাহ তার প্রার্থনা কবুল করবেন না। চল্লিশ সকাল পর্যন্ত, এবং যদি সে তাওবা করে তবে ঈশ্বর তার তওবা কবুল করবেন। যদি সে চতুর্থ প্রহরে ফিরে আসে, ঈশ্বর তার প্রার্থনা কবুল করবেন না। চল্লিশ সকাল পর্যন্ত, যদি সে তওবা করে তবে তার প্রার্থনা কবুল হবে না। আল্লাহ তার তওবা কবুল করুন এবং তাকে আল-খাবাল নদী থেকে পান করান। বলা হলঃ হে আবু আব্দুল রহমান, আল-খাবাল নদী কি? তিনি বললেনঃ জাহান্নামীদের পুঁজের নদী। আবূ ঈসা (রাঃ) বলেনঃ এটি একটি উত্তম হাদীস এবং এ রকম কিছু আবদুল্লাহ ইবনে আমর ও ইবনে আব্বাস থেকে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত হয়েছে।
আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) জামি আত-তিরমিযী #১৮৬২ Sahih