তওবা সম্পর্কে হাদিস

২৩১ টি প্রামাণিক হাদিস পাওয়া গেছে

সুনান ইবনে মাজাহ : ১৬১
It Was
Sahih
حَدَّثَنَا ​عَلِيُّ ‌بْنُ ‌مُحَمَّدٍ، ‌حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، وَالْمُحَارِبِيُّ، عَنْ مَالِكِ بْنِ مِغْوَلٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سُوقَةَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ إِنْ كُنَّا لَنَعُدُّ لِرَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فِي الْمَجْلِسِ يَقُولُ ‏ "‏ رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَىَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ ‏"‏ ‏.‏ مِائَةَ مَرَّةٍ ‏.‏
ইবনে ​উমার ‌(রাঃ) ‌থেকে ‌বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা গণনা করে দেখেছি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একই মজলিসে শতবার বলতেন, রব্বিগফির লী ওয়াতুব আলাইয়্যা ইন্নাকা আনতাত তাওয়াবুর রহীম’’ (প্রভু! আমাকে ক্ষমা করো এবং আমার তওবা কবুল করো। কেননা তুমিই তওবা কবুলকারী ও করুণাময়)।
সুনান ইবনে মাজাহ : ১৬২
ইবনু আব্বাস (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ​عَلِيُّ ‌بْنُ ‌مُحَمَّدٍ، ‌سَنَةَ إِحْدَى وَثَلاَثِينَ وَمِائَتَيْنِ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، فِي سَنَةِ خَمْسٍ وَتِسْعِينَ وَمِائَةٍ قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ فِي مَجْلِسِ الأَعْمَشِ مُنْذُ خَمْسِينَ سَنَةً حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ الْجَمَلِيُّ فِي زَمَنِ خَالِدٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ الْمُكْتِبِ عَنْ طَلِيقِ بْنِ قَيْسٍ الْحَنَفِيِّ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ كَانَ يَقُولُ فِي دُعَائِهِ ‏ "‏ رَبِّ أَعِنِّي وَلاَ تُعِنْ عَلَىَّ وَانْصُرْنِي وَلاَ تَنْصُرْ عَلَىَّ وَامْكُرْ لِي وَلاَ تَمْكُرْ عَلَىَّ وَاهْدِنِي وَيَسِّرِ الْهُدَى لِي وَانْصُرْنِي عَلَى مَنْ بَغَى عَلَىَّ رَبِّ اجْعَلْنِي لَكَ شَكَّارًا لَكَ ذَكَّارًا لَكَ رَهَّابًا لَكَ مُطِيعًا إِلَيْكَ مُخْبِتًا إِلَيْكَ أَوَّاهًا مُنِيبًا رَبِّ تَقَبَّلْ تَوْبَتِي وَاغْسِلْ حَوْبَتِي وَأَجِبْ دَعْوَتِي وَاهْدِ قَلْبِي وَسَدِّدْ لِسَانِي وَثَبِّتْ حُجَّتِي وَاسْلُلْ سَخِيمَةَ قَلْبِي ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو الْحَسَنِ الطَّنَافِسِيُّ قُلْتُ لِوَكِيعٍ أَقُولُهُ فِي قُنُوتِ الْوِتْرِ قَالَ نَعَمْ ‏.‏
ইবনে ​আব্বাস ‌(রাঃ) ‌থেকে ‌বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর দোয়ায় বলতেনঃ ‘‘হে প্রভু! আমাকে সাহায্য করো এবং আমার বিরুদ্ধে কাউকে সাহায্য করো না, আমাকে সহযোগিতা করো এবং আমার বিরুদ্ধে কাউকে সহযোগিতা করো না, আমার জন্য কৌশল এঁটো, আমার বিরুদ্ধে কৌশল এঁটো না,আমাকে হেদায়াত দান করো, আমার জন্য হেদায়াতের পথ সহজতর করো এবং যে ব্যক্তি আমার উপর অত্যাচার ও সীমা লংঘন করে তার বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য করো। হে প্রভু! আমাকে তোমার জন্য কৃতজ্ঞ বান্দা বানাও, তোমার জন্য অনেক যিকিরকারী, তোমাকে অধিক ভয়কারী, তোমার অধিক আনুগত্যকারী, তোমার নিকট অনুনয়-বিনয়কারী ও তোমার দিকে প্রত্যাবর্তনকারী বানাও। হে আমার রব! আমার তওবা কবুল করো, আমার সমস্ত গুনাহ ধুয়ে-মুছে ফেলো, আমার দোয়া কবুল করো, আমার অন্তরকে হেদায়াত দান করো, আমার যবানকে সোজা রাখো, আমার যুক্তি-প্রমাণ বহাল করো এবং আমার মনের সমস্ত হিংসা-বিদ্বেষ দূরীভূত করো। আবুল হাসান আত-তানাফিসী (রাঃ) বলেন- আমি ওয়াকী‘ (রাঃ) কে বললাম, আমি কি তা বেতেরের কুনূতে পড়তে পারি? তিনি বলেন, হাঁ।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) সুনান ইবনে মাজাহ #৩৮৩০ Sahih
সুনান ইবনে মাজাহ : ১৬৩
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌هِشَامُ ​بْنُ ​عَمَّارٍ، ​حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّنْعَانِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو الْمُنْذِرِ، زُهَيْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ التَّمِيمِيُّ حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ الأَعْرَجُ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ ‏ "‏ إِنَّ لِلَّهِ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ اسْمًا مِائَةً إِلاَّ وَاحِدًا إِنَّهُ وِتْرٌ يُحِبُّ الْوِتْرَ مَنْ حَفِظَهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ وَهِيَ اللَّهُ الْوَاحِدُ الصَّمَدُ الأَوَّلُ الآخِرُ الظَّاهِرُ الْبَاطِنُ الْخَالِقُ الْبَارِئُ الْمُصَوِّرُ الْمَلِكُ الْحَقُّ السَّلاَمُ الْمُؤْمِنُ الْمُهَيْمِنُ الْعَزِيزُ الْجَبَّارُ الْمُتَكَبِّرُ الرَّحْمَنُ الرَّحِيمُ اللَّطِيفُ الْخَبِيرُ السَّمِيعُ الْبَصِيرُ الْعَلِيمُ الْعَظِيمُ الْبَارُّ الْمُتَعَالِ الْجَلِيلُ الْجَمِيلُ الْحَىُّ الْقَيُّومُ الْقَادِرُ الْقَاهِرُ الْعَلِيُّ الْحَكِيمُ الْقَرِيبُ الْمُجِيبُ الْغَنِيُّ الْوَهَّابُ الْوَدُودُ الشَّكُورُ الْمَاجِدُ الْوَاجِدُ الْوَالِي الرَّاشِدُ الْعَفُوُّ الْغَفُورُ الْحَلِيمُ الْكَرِيمُ التَّوَّابُ الرَّبُّ الْمَجِيدُ الْوَلِيُّ الشَّهِيدُ الْمُبِينُ الْبُرْهَانُ الرَّءُوفُ الرَّحِيمُ الْمُبْدِئُ الْمُعِيدُ الْبَاعِثُ الْوَارِثُ الْقَوِيُّ الشَّدِيدُ الضَّارُّ النَّافِعُ الْبَاقِي الْوَاقِي الْخَافِضُ الرَّافِعُ الْقَابِضُ الْبَاسِطُ الْمُعِزُّ الْمُذِلُّ الْمُقْسِطُ الرَّزَّاقُ ذُو الْقُوَّةِ الْمَتِينُ الْقَائِمُ الدَّائِمُ الْحَافِظُ الْوَكِيلُ الْفَاطِرُ السَّامِعُ الْمُعْطِي الْمُحْيِي الْمُمِيتُ الْمَانِعُ الْجَامِعُ الْهَادِي الْكَافِي الأَبَدُ الْعَالِمُ الصَّادِقُ النُّورُ الْمُنِيرُ التَّامُّ الْقَدِيمُ الْوِتْرُ الأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِي لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ زُهَيْرٌ فَبَلَغَنَا عَنْ غَيْرِ وَاحِدٍ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ أَنَّ أَوَّلَهَا يُفْتَحُ بِقَوْلِ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ بِيَدِهِ الْخَيْرُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ لَهُ الأَسْمَاءُ الْحُسْنَى ‏.‏
আব ‌হুরায়রা ​(রাঃ) ​থেকে ​বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আল্লাহর নিরানব্বই নাম আছে অর্থাৎ এক কম এক শত। নিশ্চয় তিনি বেজোড় এবং তিনি বেজোড়কে পছন্দ করেন। যে ব্যক্তি এই নামগুলোর হেফাজত করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। সেগুলো এইঃ اللَّهُ الْوَاحِدُ الصَّمَدُ الأَوَّلُ الآخِرُ الظَّاهِرُ الْبَاطِنُ الْخَالِقُ الْبَارِئُ الْمُصَوِّرُ الْمَلِكُ الْحَقُّ السَّلاَمُ الْمُؤْمِنُ الْمُهَيْمِنُ الْعَزِيزُ الْجَبَّارُ الْمُتَكَبِّرُ الرَّحْمَنُ الرَّحِيمُ اللَّطِيفُ الْخَبِيرُ السَّمِيعُ الْبَصِيرُ الْعَلِيمُ الْعَظِيمُ الْبَارُّ الْمُتَعَالِ الْجَلِيلُ الْجَمِيلُ الْحَىُّ الْقَيُّومُ الْقَادِرُ الْقَاهِرُ الْعَلِيُّ الْحَكِيمُ الْقَرِيبُ الْمُجِيبُ الْغَنِيُّ الْوَهَّابُ الْوَدُودُ الشَّكُورُ الْمَاجِدُ الْوَاجِدُ الْوَالِي الرَّاشِدُ الْعَفُوُّ الْغَفُورُ الْحَلِيمُ الْكَرِيمُ التَّوَّابُ الرَّبُّ الْمَجِيدُ الْوَلِيُّ الشَّهِيدُ الْمُبِينُ الْبُرْهَانُ الرَّءُوفُ الرَّحِيمُ الْمُبْدِئُ الْمُعِيدُ الْبَاعِثُ الْوَارِثُ الْقَوِيُّ الشَّدِيدُ الضَّارُّ النَّافِعُ الْبَاقِي الْوَاقِي الْخَافِضُ الرَّافِعُ الْقَابِضُ الْبَاسِطُ الْمُعِزُّ الْمُذِلُّ الْمُقْسِطُ الرَّزَّاقُ ذُو الْقُوَّةِ الْمَتِينُ الْقَائِمُ الدَّائِمُ الْحَافِظُ الْوَكِيلُ الْفَاطِرُ السَّامِعُ الْمُعْطِي الْمُحْيِي الْمُمِيتُ الْمَانِعُ الْجَامِعُ الْهَادِي الْكَافِي الأَبَدُ الْعَالِمُ الصَّادِقُ النُّورُ الْمُنِيرُ التَّامُّ الْقَدِيمُ الْوِتْرُ الأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِي لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ যুহাইর (রাঃ) বলেন, আমরা একাধিক বিশেষজ্ঞ আলেমের অভিমত অবহিত হয়েছি যে, উক্ত নামগুলো নিম্নোক্তভাবে শুরু করতে হবেঃ (আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নাই, তিনি এক, তাঁর কোন শরীক নাই, তাঁর জন্য রাজত্ব, তাঁর জন্য সমস্ত প্রশংসা, তাঁর হাতে যাবতীয় কল্যাণ নিহিত, তিনি সবকিছুর উপর পূর্ণ ক্ষমতাবান। আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই, তাঁর জন্য রয়েছে সর্বোত্তম নামসমূহ)
আবু হুরায়রা (রাঃ) সুনান ইবনে মাজাহ #৩৮৬১ Sahih
সুনান ইবনে মাজাহ : ১৬৪
It Was
Daif
حَدَّثَنَا ​مُحَمَّدُ ‌بْنُ ‌يَحْيَى، ​حَدَّثَنَا أَبُو سَلَمَةَ، حَدَّثَتْنَا حَبَابَةُ ابْنَةُ عَجْلاَنَ، عَنْ أُمِّهَا أُمِّ حَفْصٍ، عَنْ صَفِيَّةَ بِنْتِ جَرِيرٍ، عَنْ أُمِّ حَكِيمٍ بِنْتِ وَدَاعٍ الْخُزَاعِيَّةِ، قَالَتْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَقُولُ ‏ "‏ دُعَاءُ الْوَالِدِ يُفْضِي إِلَى الْحِجَابِ ‏"‏ ‏.‏
উম্মু ​হাকীম ‌বিনতে ‌ওয়াদ্দাআ ​আল-খুযাইয়্যা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ পিতার দোয়া (আল্লাহর নূরের) পর্দা পর্যন্ত পৌঁছে যায়।
সুনান ইবনে মাজাহ : ১৬৫
সাফওয়ান বিন আসাল (রাঃ)
Hasan
حَدَّثَنَا ​أَبُو ‌بَكْرِ ‌بْنُ ‌أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ زِرٍّ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ عَسَّالٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إِنَّ مِنْ قِبَلِ مَغْرِبِ الشَّمْسِ بَابًا مَفْتُوحًا عَرْضُهُ سَبْعُونَ سَنَةً فَلاَ يَزَالُ ذَلِكَ الْبَابُ مَفْتُوحًا لِلتَّوْبَةِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ مِنْ نَحْوِهِ فَإِذَا طَلَعَتْ مِنْ نَحْوِهِ لَمْ يَنْفَعْ نَفْسًا إِيمَانُهَا لَمْ تَكُنْ آمَنَتْ مِنْ قَبْلُ أَوْ كَسَبَتْ فِي إِيمَانِهَا خَيْرًا ‏"‏ ‏.‏
সাফওয়ান ​ইবনে ‌আসসাল ‌(রাঃ) ‌থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পশ্চিম দিকে একটি খোলা দরজা আছে, যার প্রস্থ সত্তর বছরের পথ। পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উদিত না হওয়া পর্যন্ত এই দরজা সর্বক্ষণ তওবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এই দিক থেকে সূয উদিত হওয়ার পূর্বে কোন ব্যক্তি ঈমান না আনলে অথবা ঈমান আনার পর সৎকর্ম না করে থাকলে, অতঃপর তার ঈমান আনায় কোন উপকার হবে না।
সাফওয়ান বিন আসাল (রাঃ) সুনান ইবনে মাজাহ #৪০৭০ Hasan
সুনান ইবনে মাজাহ : ১৬৬
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ​أَبُو ​مَرْوَانَ ‌الْعُثْمَانِيُّ، ​حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي حَازِمٍ، عَنِ الْعَلاَءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ ‏:‏ ‏ "‏ لَوْ أَنَّ لاِبْنِ آدَمَ وَادِيَيْنِ مِنْ مَالٍ لأَحَبَّ أَنْ يَكُونَ مَعَهُمَا ثَالِثٌ وَلاَ يَمْلأُ نَفْسَهُ إِلاَّ التُّرَابُ وَيَتُوبُ اللَّهُ عَلَى مَنْ تَابَ ‏"‏ ‏.‏
আবূ ​হুরায়রা ​(রাঃ) ‌থেকে ​বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আদম সন্তান দু’ উপত্যকা ভর্তি সম্পদের অধিকারী হলেও সে এর সাথে তৃতীয়টি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা করবে। মাটি ছাড়া অন্য কিছু তার দেহ ভর্তি করতে পারে না। কোন ব্যক্তি তওবা করলে আল্লাহ তার তওবা কবুল করেন।
আবু হুরায়রা (রাঃ) সুনান ইবনে মাজাহ #৪২৩৫ Sahih
সুনান ইবনে মাজাহ : ১৬৭
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ​أَبُو ‌بَكْرِ ‌بْنُ ​أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا شَبَابَةُ، حَدَّثَنَا وَرْقَاءُ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ ‏:‏ ‏ "‏ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ أَفْرَحُ بِتَوْبَةِ أَحَدِكُمْ مِنْهُ بِضَالَّتِهِ إِذَا وَجَدَهَا ‏"‏ ‏.‏
আবূ ​হুরায়রা ‌(রাঃ) ‌থেকে ​বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কোন ব্যক্তি তার হারানো উট প্রাপ্তিতে যতো আনন্দিত হয়, তোমাদের কারো তওবায় মহান আল্লাহ ততোধিক আনন্দিত হন।
আবু হুরায়রা (রাঃ) সুনান ইবনে মাজাহ #৪২৪৭ Sahih
সুনান ইবনে মাজাহ : ১৬৮
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Hasan Sahih
حَدَّثَنَا ​يَعْقُوبُ ‌بْنُ ​حُمَيْدِ ‌بْنِ كَاسِبٍ الْمَدَنِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ بُرْقَانَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ الأَصَمِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ ‏:‏ ‏ "‏ لَوْ أَخْطَأْتُمْ حَتَّى تَبْلُغَ خَطَايَاكُمُ السَّمَاءَ ثُمَّ تُبْتُمْ لَتَابَ عَلَيْكُمْ ‏"‏ ‏.‏
আবূ ​হুরায়রা ‌(রাঃ) ​থেকে ‌বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা যদি পাপাচার করতে, এমনকি তোমাদের পাপ আকাশের সীমা পর্যন্ত পৌঁছে যেতো, অতঃপর তোমরা তওবা করতে, তাহলে আল্লাহ অবশ্যই তোমাদের তওবা কবুল করতেন।
আবু হুরায়রা (রাঃ) সুনান ইবনে মাজাহ #৪২৪৮ Hasan Sahih
সুনান ইবনে মাজাহ : ১৬৯
Abu Sa'eed
Daif
حَدَّثَنَا ​سُفْيَانُ ‌بْنُ ​وَكِيعٍ، ​حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ فُضَيْلِ بْنِ مَرْزُوقٍ، عَنْ عَطِيَّةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ لَلَّهُ أَفْرَحُ بِتَوْبَةِ عَبْدِهِ مِنْ رَجُلٍ أَضَلَّ رَاحِلَتَهُ بِفَلاَةٍ مِنَ الأَرْضِ فَالْتَمَسَهَا حَتَّى إِذَا أَعْيَى تَسَجَّى بِثَوْبِهِ فَبَيْنَا هُوَ كَذَلِكَ إِذْ سَمِعَ وَجْبَةَ الرَّاحِلَةِ حَيْثُ فَقَدَهَا فَكَشَفَ الثَّوْبَ عَنْ وَجْهِهِ فَإِذَا هُوَ بِرَاحِلَتِهِ ‏"‏ ‏.‏
আবূ ​সাঈদ ‌(রাঃ) ​থেকে ​বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন বান্দা বিজন প্রান্তরে তার বাহনের উট হারিয়ে ফেললো, অতঃপর তার অনুসন্ধান করতে করতে শেষে নিরাশ ও অবসন্ন হয়ে তার কাপড় মুড়ি দিয়ে শুয়ে পড়লো। এ অবস্থায় হঠাৎ সে তার হারিয়ে যাওয়া বাহনের আওয়াজ শুনতে পেয়ে নিজের মুখমন্ডল থেকে তার কাপড় সরিয়ে তার উট তার সামনে উপস্থিত দেখতে পেয়ে যতো আনন্দিত হয়, আল্লাহ তাঁর বান্দার তওবায় ততোধিক আনন্দিত হন।
সুনান ইবনে মাজাহ : ১৭০
It Was
Sahih
حَدَّثَنَا ​هِشَامُ ​بْنُ ​عَمَّارٍ، ‌حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ الْجَزَرِيِّ، عَنْ زِيَادِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ، عَنِ ابْنِ مَعْقِلٍ، قَالَ ‏:‏ دَخَلْتُ مَعَ أَبِي عَلَى عَبْدِ اللَّهِ فَسَمِعْتُهُ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏"‏ النَّدَمُ تَوْبَةٌ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ لَهُ أَبِي ‏:‏ أَنْتَ سَمِعْتَ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَقُولُ ‏:‏ ‏"‏ النَّدَمُ تَوْبَةٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ ‏:‏ نَعَمْ ‏.‏
ইবনে ​মা‘কিল ​(রাঃ) ​থেকে ‌বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার পিতার সাথে আব্দুল্লাহ (রাঃ) -এর নিকট উপস্থিত হলাম। আমি তাকে বলতে শুনলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ‘‘অনুতপ্ত হওয়াই তওবা’’। আমার পিতা তাকে জিজ্ঞেস করেন, আপনি নিজে কি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন যে, ‘‘অনুতপ্ত হওয়াই তওবা’’? তিনি বরেন, হাঁ।
সুনান ইবনে মাজাহ : ১৭১
It Was
Hasan
حَدَّثَنَا ​رَاشِدُ ​بْنُ ​سَعِيدٍ ​الرَّمْلِيُّ، أَنْبَأَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنِ ابْنِ ثَوْبَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ ‏:‏ ‏ "‏ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ لَيَقْبَلُ تَوْبَةَ الْعَبْدِ مَا لَمْ يُغَرْغِرْ ‏"‏ ‏.‏
আবদুল্লাহ ​ইবনে ​‘আমর ​(রাঃ) ​থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ রূহ কণ্ঠাগত না হওয়া (মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত) পর্যন্ত মহামহিম আল্লাহ বান্দার তওবা কবুল করেন।
মুয়াত্তা মালিক : ১৭২
Maqtu Daif
قَالَ ‌يَحْيَى ‌عَنْ ​مَالِكٍ، ​أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، وَغَيْرِهِ، أَنَّهُمْ سُئِلُوا عَنْ رَجُلٍ، جُلِدَ الْحَدَّ أَتَجُوزُ شَهَادَتُهُ فَقَالُوا نَعَمْ إِذَا ظَهَرَتْ مِنْهُ التَّوْبَةُ ‏.‏
ইয়াহিয়া ‌মালিকের ‌কাছ ​থেকে ​বলেছেন যে তিনি সুলায়মান ইবনে ইয়াসার এবং অন্যদের কাছ থেকে শুনেছেন যে যখন তাদের জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে হাদ্দ অপরাধের জন্য বেত্রাঘাত করা ব্যক্তির সাক্ষ্য দেওয়া বৈধ কি না, তখন তারা বলেছিল, "হ্যাঁ, যখন তার কাছ থেকে তওবা (তাওবা) দেখা যায়।" মালিক আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে তিনি ইবনে শিহাবকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে শুনেছেন এবং তিনি সুলায়মান ইবনে ইয়াসারের মতই বলেছেন। মালিক বললেন, "আমাদের সমাজে এটাই করা হয়। এটা মহান আল্লাহর বাণী, পরম বরকতময়, মহান আল্লাহর বাণী দ্বারা, 'এবং যারা মুহসান নারীদেরকে দোষারোপ করে, তারপরও চারজন সাক্ষী আনে না, তাদের আশিটি বেত্রাঘাত করবে এবং তাদের কোনো সাক্ষ্য গ্রহণ করবে না। তারা প্রকৃতপক্ষে দুষ্কর্মকারী, আল্লাহ তায়ালা ব্যতীত যারা পাল্টাপাল্টি করেন এবং তাদের জন্য শাস্তি দেন। করুণাময়।' "(সূরা 24 আয়াত)
মুয়াত্তা মালিক : ১৭৩
Sahih
وَحَدَّثَنِي ‌مَالِكٌ، ‌عَنْ ‌نَافِعٍ، ​عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا اشْتَرَتْ نُمْرُقَةً فِيهَا تَصَاوِيرُ فَلَمَّا رَآهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَامَ عَلَى الْبَابِ فَلَمْ يَدْخُلْ فَعَرَفَتْ فِي وَجْهِهِ الْكَرَاهِيَةَ وَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَتُوبُ إِلَى اللَّهِ وَإِلَى رَسُولِهِ فَمَاذَا أَذْنَبْتُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فَمَا بَالُ هَذِهِ النُّمْرُقَةِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتِ اشْتَرَيْتُهَا لَكَ تَقْعُدُ عَلَيْهَا وَتَوَسَّدُهَا ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِنَّ أَصْحَابَ هَذِهِ الصُّوَرِ يُعَذَّبُونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يُقَالُ لَهُمْ أَحْيُوا مَا خَلَقْتُمْ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ إِنَّ الْبَيْتَ الَّذِي فِيهِ الصُّوَرُ لاَ تَدْخُلُهُ الْمَلاَئِكَةُ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ‌৮. ‌নবী-পত্নী ‌আয়েশা ​(রাঃ) একটি ছোট বালিশ ক্রয় করিয়াছিলেন। উহাতে ছবি অঙ্কিত ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (বাহির হইতে আগমন করিয়া ঘরে প্রবেশ করার সময়) যখন উহা দেখিলেন, তখন ঘরের দরজায় দাঁড়াইয়া গেলেন এবং ঘরে পবেশ করিলেন না। আয়েশা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চেহারা মুবারকে উহার অপছন্দ হওয়ার লক্ষণ দেখিলেন এবং বলিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি আল্লাহ ও তাহার রাসূলের কাছে তওবা করিতেছি, আমি অপরাধ করিয়াছি। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, ইহা কি রকম গদি ? আয়েশা (রাঃ) উত্তর দিলেন, এই গদিটি আমি আপনার জন্য ক্রয় করিয়াছি যে, আপনি উহার উপর বসিবেন এবং উহাতে হেলান দিবেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, ছবি অঙ্কনকারীকে রোজ হাশরে আযাব দেওয়া হইবে এবং তাহাদেরকে বলা হইবে যে, তোমরা যাহা সৃষ্টি করিয়াছ, উহাকে জীবিত কর (অর্থাৎ উহাতে প্রাণ সঞ্চার কর)। অতঃপর তিনি বলিলেন, যেই ঘরে ছবি থাকে, সেই ঘরে ফেরেশতা আসে না।
আল-আদাব আল-মুফরাদ : ১৭৪
আতা ইবনে আবি রাবাহ / আতা ইবনে ইয়াসার (রা.)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌سَعِيدُ ‌بْنُ ‌أَبِي ​مَرْيَمَ، قَالَ‏:‏ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي كَثِيرٍ قَالَ‏:‏ أَخْبَرَنِي زَيْدُ بْنُ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ أَتَاهُ رَجُلٌ فَقَالَ‏:‏ إِنِّي خَطَبْتُ امْرَأَةً، فَأَبَتْ أَنْ تَنْكِحَنِي، وَخَطَبَهَا غَيْرِي، فَأَحَبَّتْ أَنْ تَنْكِحَهُ، فَغِرْتُ عَلَيْهَا فَقَتَلْتُهَا، فَهَلْ لِي مِنْ تَوْبَةٍ‏؟‏ قَالَ‏:‏ أُمُّكَ حَيَّةٌ‏؟‏ قَالَ‏:‏ لاَ، قَالَ‏:‏ تُبْ إِلَى اللهِ عَزَّ وَجَلَّ، وَتَقَرَّبْ إِلَيْهِ مَا اسْتَطَعْتَ‏.‏ فَذَهَبْتُ فَسَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ‏:‏ لِمَ سَأَلْتَهُ عَنْ حَيَاةِ أُمِّهِ‏؟‏ فَقَالَ‏:‏ إِنِّي لاَ أَعْلَمُ عَمَلاً أَقْرَبَ إِلَى اللهِ عَزَّ وَجَلَّ مِنْ بِرِّ الْوَالِدَةِ‏.‏
সাঈদ ‌ইবনে ‌আবী ‌মারিয়াম ​আমাদেরকে বলেছেন, তিনি বলেছেন: মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে আবি কাথির আমাদেরকে বলেছেন, তিনি বলেছেন: জায়েদ ইবনে আসলাম আমাকে বলেছেন, আতা ইবনে বাম থেকে, ইবনে আব্বাসের সূত্রে যে, একজন লোক তার কাছে এসে বলল: আমি একজন মহিলাকে প্রস্তাব দিয়েছিলাম, কিন্তু সে আমাকে বিয়ে করতে অস্বীকার করেছিল, এবং অন্য কেউ তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দিয়েছিল। সে তাকে বিয়ে করেছিল, কিন্তু আমি তাকে হিংসা করে তাকে মেরে ফেলেছিলাম। আমার জন্য কোন অনুতাপ আছে? তিনি বললেনঃ তোমার মা কি বেঁচে আছে? তিনি বললেনঃ না। তিনি বললেনঃ সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে তওবা কর। এবং আপনি যতটা পারেন তার কাছাকাছি যান। অতঃপর আমি গিয়ে ইবনে আব্বাসকে জিজ্ঞেস করলামঃ তুমি তাকে তার মায়ের জীবন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে কেন? তিনি বললেনঃ এর চেয়ে উত্তম আমল আমি জানি না। তার মায়ের প্রতি তার দয়ার জন্য সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কাছে।
আতা ইবনে আবি রাবাহ / আতা ইবনে ইয়াসার (রা.) আল-আদাব আল-মুফরাদ #৪ Sahih
হাদিস সংগ্রহ : ১৭৫
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Sahih
فقال ‌رسول ​الله ‌صلى ‌الله عليه وسلم: "إنك لتطمع الرياسة سريعا، فإنها ستكون سببا للتوبة يوم القيامة، فكم هو خير وشر (في الآخرة)". (البخاري رقم 7148 والنسائي وغيرهما)
আল্লাহর ‌রসূল ​(সাল্লাল্লাহু ‌‘আলাইহি ‌ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা অতি সত্বর নেতৃত্বের লোভ করবে। (কিন্তু স্মরণ রাখো) এটি কিয়ামতের দিন অনুতাপের কারণ হবে। সুতরাং তা কত (ইহলোকে) উৎকৃষ্ট ও (পরলোকে) নিকৃষ্ট বিষয়!” (বুখারী ৭১৪৮ নং, নাসাঈ প্রভৃতি)
আবু হুরায়রা (রাঃ) হাদিস সংগ্রহ #১৭৯২ Sahih
মিশকাতুল-মাসাবীহ : ১৭৬
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Sahih
وَعَنْ ​شَدَّادِ ​بْنِ ​أَوْسٍ ‌قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «خَالِفُوا الْيَهُودَ فَإِنَّهُمْ لَا يُصَلُّونَ فِي نِعَالِهِمْ وَلَا خِفَافِهِمْ» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
আমি ​আত-তুরে ​গিয়েছিলাম ​এবং ‌কা'ব আল-আহবারের সাথে দেখা করলাম, যার সাথে আমি বসেছিলাম, তিনি আমাকে তওরাত সম্পর্কে বলেছিলেন এবং আমি তাকে আল্লাহর রাসূল সম্পর্কে বললাম। আমি তাকে একটি কথা বলেছিলাম যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 'সূর্য উদিত হওয়ার সর্বোত্তম দিন হচ্ছে শুক্রবার। এতে আদমকে সৃষ্টি করা হয়েছিল, তার উপর তাকে নিক্ষেপ করা হয়েছিল, তার উপর তার তওবা কবুল করা হয়েছিল, এতে সে মারা গেল, এতে শেষ সময় আসবে, শুক্রবারে প্রতিটি পশু শেষ ঘন্টার ভয়ে ভোর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত দৃষ্টিভঙ্গিতে থাকে, কিন্তু জ্বিন ও মানুষ নয়, এবং এটি এমন একটি সময় রয়েছে যখন কোন মুসলমান আল্লাহর কাছে নামায পড়বে না এবং আল্লাহর কাছে কিছু চাইবে না। কা'ব (রাঃ) বলেন, প্রতি বছর একদিন হয়, কিন্তু যখন আমি জোর করলাম যে প্রতি জুমার দিন কা'ব তওরাত পাঠ করে বললাম যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সত্য বলেছেন। হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনে (রাঃ) এর সাথে সাক্ষাত করেছিলাম। সালাম এবং তাকে কা'ব আল-আহবারের সাথে আমার সাক্ষাতের কথা এবং শুক্রবার সম্পর্কে আমি তাকে যা বলেছিলাম তা তাকে বলেছিলেন যে কা'ব বলেছিলেন যে এটি প্রতি বছর একদিন ছিল। আবদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ সালাম বললেন যে, কা'ব মিথ্যা বলেছে, কিন্তু যখন আমি তাকে বললাম যে, কা'ব পরে তওরাত পড়ে এবং বলল যে প্রতি শুক্রবারই সে বলল যে কা'ব সত্য বলেছে। আবদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ সালাম তখন বলেছিলেন যে তিনি জানেন যে এটি কখন হয়েছে, এবং যখন আমি তাকে এটি সম্পর্কে আমাকে বলতে এবং এটি নিজের কাছে না রাখতে বলেছিলাম তখন তিনি উত্তর দিয়েছিলেন যে এটি শুক্রবারের একেবারে শেষের দিকে ছিল। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এটা কেমন হতে পারে, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 'কোন মুসলমান এতে নামায পড়বে না। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বলেননি, 'যদি কেউ নামাযের অপেক্ষায় বসে থাকে, তবে সে নামায আদায় না করা পর্যন্ত নামাজে নিয়োজিত থাকে। যখন আমি উত্তর দিলাম যে এটি তাই ছিল তখন তিনি বলেছিলেন যে এভাবেই এটি ঘটেছিল। মালিক, আবু দাউদ, তিরমিযী ও নাসাঈ এটি প্রেরণ করেছিলেন এবং আহমাদ কা'ব সত্য বলেছেন বলে এটি প্রেরণ করেছিলেন।
আবু হুরায়রা (রাঃ) মিশকাতুল-মাসাবীহ #৭৬৫ Sahih
হাদিস সংগ্রহ : ১৭৭
আয়েশা (রা)
Sahih
عَنِ ​ابْنِ ​عَبَّاسٍ ‌رَضِيَ ​اللهُ عَنْهُمَا قَالَ : كَانَ عُمَرُ يُدْخِلُنِي مَعَ أَشْيَاخِ بَدرٍ فَكَأَنَّ بَعْضَهُمْ وَجَدَ في نفسِهِ فَقَالَ : لِمَ يَدْخُلُ هَذَا معنا ولَنَا أبْنَاءٌ مِثلُهُ فَقَالَ عُمَرُ : إنَّهُ مَنْ حَيثُ عَلِمْتُمْ فَدعانِي ذاتَ يَومٍ فَأدْخَلَنِي مَعَهُمْ فَمَا رَأيتُ أَنَّهُ دَعَاني يَومَئذٍ إلاَّ لِيُرِيَهُمْ قَالَ : مَا تَقُولُونَ في قَولِ الله : إِذَا جَاءَ نَصْرُ اللهِ وَالْفَتْحُ: فَقَالَ بعضهم : أُمِرْنَا نَحْمَدُ اللهَ وَنَسْتَغْفِرُهُ إِذَا نَصَرنَا وَفَتحَ عَلَيْنَا وَسَكتَ بَعْضُهُمْ فَلَمْ يَقُلْ شَيئاً فَقَالَ لي : أَكَذلِكَ تقُولُ يَا ابنَ عباسٍ ؟ فقلت : لا قَالَ : فَمَا تَقُولُ ؟ قُلْتُ : هُوَ أجَلُ رَسُولِ الله صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم أعلَمَهُ لَهُ، قَالَ إِذَا جَاءَ نَصْرُ اللهِ وَالْفَتْحُ وَذَلِكَ عَلاَمَةُ أجَلِكَ فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَاسْتَغْفِرْهُ إِنَّهُ كَانَ تَوَّاباً فَقَالَ عُمَرُ مَا أعلَمُ مِنْهَا إلاَّ مَا تَقُولُ رواه البخاري
ইবনে ​আব্বাস ​রাদিয়াল্লাহু ‌আনহু ​থেকে, আল্লাহ তাদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হতে পারেন, তিনি বলেন: ওমর আমাকে বদরের শায়েখদের সাথে নিয়ে আসতেন, এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ এটিকে নিজেদের মধ্যে পেয়েছিলেন এবং বলেছিলেন: এই ব্যক্তি কেন আমাদের সাথে প্রবেশ করল? আমাদেরও তার মত ছেলে আছে, ওমর বললেনঃ তুমি এখান থেকেই শিখেছ। তাই তিনি একদিন আমাকে ডেকে তাদের সাথে ঢুকতে দিলেন। আমি দেখিনি যে সে সেদিন আমাকে ডেকেছিল তাদের দেখানো ছাড়া। তিনি বললেনঃ আল্লাহ্‌র বাণীঃ যখন আল্লাহ্‌র বিজয় ও বিজয় আসবে সে সম্পর্কে তুমি কি বল? তাদের মধ্যে কেউ কেউ বলেছিল: আমাদেরকে আল্লাহর প্রশংসা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং যখন আমাদের বিজয় ও বিজয় দেওয়া হবে তখন তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে। এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ চুপ করে রইল। فَلَمْ يَقُلْ شَيئاً فَقَالَ لي : أَكَذلِكَ تقُولُ يَا ابنَ عباسٍ ؟ فقلت : لا قَالَ : فَمَا تَقُولُ ؟ قُلْتُ : هُوَ أجَلُ رَسُولِ الله صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ এবং সবচেয়ে জ্ঞানী ব্যক্তি তাকে সালাম দিল। তিনি বলেছিলেন, "যখন ঈশ্বরের বিজয় এবং বিজয় আসে এবং এটি আপনার মৃত্যুর লক্ষণ, তখন আপনার প্রভুর প্রশংসার মহিমা ঘোষণা করুন এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন, কারণ তিনি অনুতপ্ত ছিলেন" এবং তিনি বলেছিলেন। ওমর, সে যা বলে তা ছাড়া আমি তার সম্পর্কে কিছুই জানি না। আল-বুখারী থেকে বর্ণিত
আয়েশা (রা) হাদিস সংগ্রহ #১২৬১ Sahih
হাদিস সংগ্রহ : ১৭৮
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Sahih
قال ‌رسول ‌الله ​صلى ​الله عليه وسلم: «يقول الله تعالى: أنا كعبد يذكرني، وأنا معه إذا ذكرني، والله إن الله تعالى ليجازيك على توبة عبده». أكثر سعادة من الرجل الذي يستعيد مركبته المفقودة في الصحراء. ومن تحرك إلي ذراعا تحركت إليه ذراعا. ومن مشى إليَّ ذراعاً مشيت إليه ذراعين، وإذا مشى إليَّ ركضت إليه». (البخاري 7805، مسلم 7128)
রাসূলুল্লাহ ‌(সাল্লাল্লাহু ‌‘আলাইহি ​ওয়াসাল্লাম) ​বলেছেন, “আল্লাহ আয্যা অজাল্ল বলেন, ‘আমি সেইরূপ, যেরূপ বান্দা আমার প্রতি ধারণা রাখে। আমি তার সাথে থাকি, যখন যে আমাকে স্মরণ করে। আল্লাহর কসম! নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দার তওবায় তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি অপেক্ষা বেশি খুশী হন, যে তার মরুভূমিতে হারিয়ে যাওয়া বাহন ফিরে পায়। আর যে ব্যক্তি আমার দিকে এক বিঘত পরিমাণ অগ্রসর হয়, আমি তার দিকে এক হাত পরিমাণ অগ্রসর হই। যে আমার দিকে এক হাত পরিমাণ অগ্রসর হয়, আমি তার দিকে দুই হাত পরিমাণ অগ্রসর হই। আর সে যখন আমার দিকে হেঁটে অগ্রসর হয়, আমি তখন তার দিকে দৌড়ে অগ্রসর হই।” (বুখারী ৭৮০৫ , মুসলিম ৭১২৮)
আবু হুরায়রা (রাঃ) হাদিস সংগ্রহ #১২৬৬ Sahih
হাদিস সংগ্রহ : ১৭৯
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Sahih
قال ‌رسول ​الله ‌صلى ‌الله عليه وسلم: يقول الله تعالى: أؤيد ظن عبدي (أي إذا ظن أن الله سيغفر له ويقبل توبته وينقذه من الخطر فعلت ذلك)، ابق معي إذا ذكرني، فإذا ذكرني في نفسه ذكرته في نفسي، وإذا ذكرني في مجلس ذكرته في مجلس من هو خير منهم. (الملائكة)." (البخاري 7405، مسلم 6981، 7008)
রাসূলুল্লাহ ‌(সাল্লাল্লাহু ​‘আলাইহি ‌ওয়াসাল্লাম) ‌বলেছেন, “আল্লাহ তাআলা বলেন, আমি আমার বান্দার ধারণার পাশে থাকি। (অর্থাৎ, সে যদি ধারণা রাখে যে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন, তার তওবা কবুল করবেন, বিপদ আপদ থেকে উদ্ধার করবেন, তাহলে তাই করি।) আর আমি তার সাথে থাকি, যখন সে আমাকে স্মরণ করে। সুতরাং সে যদি তার মনে আমাকে স্মরণ করে, তাহলে আমি তাকে আমার মনে স্মরণ করি, সে যদি কোন সভায় আমাকে স্মরণ করে, তাহলে আমি তাকে তাদের চেয়ে উত্তম ব্যক্তিদের (ফিরিশতাদের) সভায় স্মরণ করি।” (বুখারী ৭৪০৫, মুসলিম ৬৯৮১, ৭০০৮)
আবু হুরায়রা (রাঃ) হাদিস সংগ্রহ #১২৬৭ Sahih
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১৮০
আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)
Sahih
قال: ​قال ​رسول ​الله ​صلى الله عليه وسلم: إن الله يقبل توبة العبد حتى تكون روحه مطيعة. (الترمذي، ابن ماجه)[1]
তিনি ​বলেন, ​রসূলুল্লাহ ​সাল্লাল্লাহু ​আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বান্দার প্রাণ (রূহ) ওষ্ঠাগত না হওয়া পর্যন্ত অবশ্যই আল্লাহ তার তাওবাহ্ কবূল করেন। (তিরমিযী, ইবনু মাজাহ)[১]
আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) মিশকাতুল মাসাবীহ #২৩৪৪ Sahih