অধ্যায় ১৬: নামাজ
অধ্যায়ে ফিরুন
৪ হাদিস
০১
মুসনাদে আহমদ # ১৬/Ahmad ২২৬৯৫
আবু কাতাদা (রাঃ)
أَسْوَأُ النَّاسِ سَرِقَةً الَّذِي يَسْرِقُ مِنْ صَلَاتِهِ قَالُوا كَيْفَ يَسْرِقُ مِنْ صَلَاتِهِ قَالَ لَا يُتِمُّ رُكُوعَهَا وَلَا سُجُودَهَا
সবচেয়ে খারাপ চোর হলো সেই ব্যক্তি যে তার নামায থেকে চুরি করে। তারা জিজ্ঞেস করলো: নামায থেকে কীভাবে চুরি করা যায়? তিনি বললেন: রুকু ও সেজদা পূর্ণ না করে।
০২
মুসনাদে আহমদ # ১৬/Ahmad ২২৪২৮
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)
الصَّلَاةُ عِمَادُ الدِّينِ
নামায হলো দ্বীনের স্তম্ভ।
০৩
মুসনাদে আহমদ # ১৬/Ahmad ৮৬৯৫
আবু হুরায়রা (রাঃ)
لَا يَنْظُرُ اللَّهُ إِلَى صَلَاةِ رَجُلٍ لَا يُقِيمُ صُلْبَهُ بَيْنَ رُكُوعِهِ وَسُجُودِهِ
আল্লাহ সেই ব্যক্তির নামাযের দিকে তাকান না যে রুকু ও সেজদার মাঝে তার পিঠ সোজা করে না।
০৪
মুসনাদে আহমদ # ১৬/Ahmad ৬৫৭৬
আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু আমর (রাঃ)
مَنْ حَافَظَ عَلَيْهَا كَانَتْ لَهُ نُورًا وَبُرْهَانًا وَنَجَاةً يَوْمَ الْقِيَامَةِ
যে ব্যক্তি তার নামাযের হেফাজত করবে এবং তা পালন করবে, কিয়ামতের দিন তা তার জন্য আলো, প্রমাণ এবং নাজাতের কারণ হবে।