Neighbor সম্পর্কে হাদিস

২৩১ টি প্রামাণিক হাদিস পাওয়া গেছে

সহীহ বুখারী : ৪১
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ​عَبْدُ ‌اللَّهِ ‌بْنُ ‌مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي حَصِينٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلاَ يُؤْذِ جَارَهُ، وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيُكْرِمْ ضَيْفَهُ، وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لِيَصْمُتْ ‏"‏‏.‏
আবূ ​হুরায়রা ‌(রাঃ) ‌থেকে ‌বর্ণিতঃ যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক আল্লাহতে ও শেষ দিনে ঈমান রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়। আর যে লোক আল্লাহ ও শেষ দিনে ঈমান রাখে, সে যেন মেহ্মানের সম্মান করে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহতে ও শেষ দিনে ঈমান রাখে, সে যেন ভাল কথা বলে, নতুবা চুপ থাকে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৯৩)
আবু হুরায়রা (রাঃ) সহীহ বুখারী #৬১৩৬ Sahih
সহীহ বুখারী : ৪২
আয়েশা (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ​عَبْدُ ‌الْعَزِيزِ ​بْنُ ​عَبْدِ اللَّهِ الأُوَيْسِيُّ، حَدَّثَنِي ابْنُ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ رُومَانَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ لِعُرْوَةَ ابْنَ أُخْتِي إِنْ كُنَّا لَنَنْظُرُ إِلَى الْهِلاَلِ ثَلاَثَةَ أَهِلَّةٍ فِي شَهْرَيْنِ، وَمَا أُوقِدَتْ فِي أَبْيَاتِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَارٌ‏.‏ فَقُلْتُ مَا كَانَ يُعِيشُكُمْ قَالَتِ الأَسْوَدَانِ التَّمْرُ وَالْمَاءُ إِلاَّ أَنَّهُ قَدْ كَانَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم جِيرَانٌ مِنَ الأَنْصَارِ كَانَ لَهُمْ مَنَائِحُ، وَكَانُوا يَمْنَحُونَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ أَبْيَاتِهِمْ، فَيَسْقِينَاهُ‏.‏
আয়িশাহ ​(রাঃ) ‌থেকে ​বর্ণিতঃ ​তিনি একবার ‘উরওয়াহ (রাঃ)-কে বললেন, বোন পুত্র! আমরা দু’মাসে তিনটি নতুন চাঁদ দেখতাম। কিন্তু (এর মধ্যে) আল্লাহ্‌র রাসূলের ঘরগুলোতে আগুন জ্বলত না। আমি বলললাম, আপনারা কিভাবে দিনাতিপাত করতেন? তিনি বললেন, কালো দু’টি বস্তু। খেজুর আর পানি। অবশ্য রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কিছু আনসার প্রতিবেশীর কতকগুলো দুধেল প্রাণী ছিল। তারা রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তা দিত। আর আমরা তাই পান করতাম। [২১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০১৫)
আয়েশা (রাঃ) সহীহ বুখারী #৬৪৫৯ Sahih
সহীহ বুখারী : ৪৩
আবু হুরায়রা (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنِي ​عَبْدُ ‌الْعَزِيزِ ​بْنُ ​عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا، أَوْ لِيَصْمُتْ، وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلاَ يُؤْذِ جَارَهُ، وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيُكْرِمْ ضَيْفَهُ ‏"‏‏.‏
আবূ ​হুরাইরাহ ‌(রাঃ) ​থেকে ​বর্ণিতঃ তিনি বলেন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে আল্লাহ্‌ এবং শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন ভাল কথা বলে নতুবা চুপ থাকে। এবং যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে ক্লেশ না দেয়। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র ও আখিরাতের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার মেহমানের সম্মান করে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৩১)
আবু হুরায়রা (রাঃ) সহীহ বুখারী #৬৪৭৫ Sahih
সহীহ বুখারী : ৪৪
Abdullah Bin Mas'ud
Sahih
حَدَّثَنَا ​عَمْرُو ‌بْنُ ​عَلِيٍّ، ​حَدَّثَنَا يَحْيَى، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ حَدَّثَنِي مَنْصُورٌ، وَسُلَيْمَانُ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ أَبِي مَيْسَرَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَىُّ الذَّنْبِ أَعْظَمُ قَالَ ‏"‏ أَنْ تَجْعَلَ لِلَّهِ نِدًّا وَهْوَ خَلَقَكَ ‏"‏‏.‏ قُلْتُ ثُمَّ أَىٌّ قَالَ ‏"‏ أَنْ تَقْتُلَ وَلَدَكَ مِنْ أَجْلِ أَنْ يَطْعَمَ مَعَكَ ‏"‏‏.‏ قُلْتُ ثُمَّ أَىٌّ قَالَ ‏"‏ أَنْ تُزَانِيَ حَلِيلَةَ جَارِكَ ‏"‏‏.‏ قَالَ يَحْيَى وَحَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنِي وَاصِلٌ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ، مِثْلَهُ، قَالَ عَمْرٌو فَذَكَرْتُهُ لِعَبْدِ الرَّحْمَنِ وَكَانَ حَدَّثَنَا عَنْ سُفْيَانَ عَنِ الأَعْمَشِ وَمَنْصُورٍ وَوَاصِلٍ عَنْ أَبِي وَائِلٍ عَنْ أَبِي مَيْسَرَةَ قَالَ دَعْهُ دَعْهُ‏.‏
আবদুল্লাহ্‌ ​(রাঃ) ‌থেকে ​বর্ণিতঃ ​তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! কোন্‌ পাপটি সব থেকে বড়? তিনি বললেনঃ তুমি আল্লাহ্‌র কোন সমকক্ষ স্থির করবে। অথচ তিনিই তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। আমি বললাম, তারপর কোন্‌টি? তিনি বললেনঃ তোমার সঙ্গে আহার করবে এ ভয়ে তোমার সন্তানকে হত্যা করা। আমি বললাম, তারপর কোনটি? তিনি বললেনঃ তোমার প্রতিবেশির স্ত্রীর সাথে যিনা করা। ‘ইয়াহ্‌ইয়া (রহঃ) - ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল!......এরকম বর্ণনা করেছেন। আমর (রহঃ) - আবূ মায়সারা (রহঃ) বলেন, ছাড় এটাকে, ছাড় এটাকে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩৫৫)
Abdullah Bin Mas'ud সহীহ বুখারী #৬৮১১ Sahih
সহীহ বুখারী : ৪৫
আব্দুল্লাহ (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ​قُتَيْبَةُ ​بْنُ ‌سَعِيدٍ، ​حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُرَحْبِيلَ، قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ قَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَىُّ الذَّنْبِ أَكْبَرُ عِنْدَ اللَّهِ قَالَ ‏"‏ أَنْ تَدْعُوَ لِلَّهِ نِدًّا، وَهْوَ خَلَقَكَ ‏"‏‏.‏ قَالَ ثُمَّ أَىٌّ قَالَ ‏"‏ ثُمَّ أَنْ تَقْتُلَ وَلَدَكَ، أَنْ يَطْعَمَ مَعَكَ ‏"‏‏.‏ قَالَ ثُمَّ أَىٌّ قَالَ ‏"‏ ثُمَّ أَنْ تُزَانِيَ بِحَلِيلَةِ جَارِكَ ‏"‏‏.‏ فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ تَصْدِيقَهَا ‏{‏وَالَّذِينَ لاَ يَدْعُونَ مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ وَلاَ يَقْتُلُونَ النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللَّهُ إِلاَّ بِالْحَقِّ وَلاَ يَزْنُونَ وَمَنْ يَفْعَلْ ذَلِكَ‏ يَلْقَ أَثَامًا}‏ الآيَةَ‏.‏
‘আবদুল্লাহ্‌ ​(রাঃ) ​থেকে ‌বর্ণিতঃ ​তিনি বলেন, এক লোক বলল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্‌র নিকট সবচেয়ে বড় গুনাহ্ কোন্‌টি? তিনি বললেনঃ তুমি আল্লাহ্‌র সঙ্গে কাউকে সমকক্ষ গণ্য কর অথচ তিনিই তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। লোকটি বলল, তারপর কোন্‌টি? তিনি বললেনঃ তারপর হলো, তুমি তোমার সন্তানকে এ ভয়ে হত্যা কর যে, সে তোমার সঙ্গে খাদ্য খাবে। লোকটি বলল, তারপর কোন্‌টি? তিনি বললেনঃ তারপর হলো, তুমি তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সঙ্গে যিনা কর। অত:পর আল্লাহ এ কথার সত্যতায় অবতীর্ণ করলেনঃ “এবং তারা আল্লাহ্‌র সঙ্গে কোন ইলাহকে আহ্বান করে না, আল্লাহ যার হত্যা নিষেধ করেছেন উপযুক্ত কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করে না এবং ব্যাভিচার করে না। যে এগুলো করে সে শাস্তি ভোগ করবে” – (সূরা ফুরক্বান ২৫/৬৮)। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩৯৬)
আব্দুল্লাহ (রাঃ) সহীহ বুখারী #৬৮৬১ Sahih
সহীহ বুখারী : ৪৬
জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌عَبْدُ ‌اللَّهِ ‌بْنُ ‌مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ إِنَّمَا جَعَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الشُّفْعَةَ فِي كُلِّ مَا لَمْ يُقْسَمْ، فَإِذَا وَقَعَتِ الْحُدُودُ وَصُرِّفَتِ الطُّرُقُ فَلاَ شُفْعَةَ‏.‏ وَقَالَ بَعْضُ النَّاسِ الشُّفْعَةُ لِلْجِوَارِ‏.‏ ثُمَّ عَمَدَ إِلَى مَا شَدَّدَهُ فَأَبْطَلَهُ، وَقَالَ إِنِ اشْتَرَى دَارًا فَخَافَ أَنْ يَأْخُذَ الْجَارُ بِالشُّفْعَةِ، فَاشْتَرَى سَهْمًا مِنْ مِائَةِ سَهْمٍ، ثُمَّ اشْتَرَى الْبَاقِيَ، وَكَانَ لِلْجَارِ الشُّفْعَةُ فِي السَّهْمِ الأَوَّلِ، وَلاَ شُفْعَةَ لَهُ فِي بَاقِي الدَّارِ، وَلَهُ أَنْ يَحْتَالَ فِي ذَلِكَ‏.‏
জাবির ‌ইবনু ‌আবদুল্লাহ্‌ ‌(রাঃ) ‌থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন,নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কেবল ঐ সব ভূমিতে শুফ'আর অধিকার সাব্যস্ত করেছেন,যেগুলো এখন বন্টিত হয় নি।আর যখন সীমানা নির্দিষ্ট হয়ে যায় এবং রাস্তা নির্ধারিত হয়ে যায় তখন আর অধিকার থাকে না। কোন কোন লোক বলেন,প্রতিবেশী হবার কারণেও শুফ'আহ্র অধিকার সাব্যস্ত হয়। কিন্তু এ সম্পর্কে যা দৃঢ়তার সঙ্গে বললেন তা আবার বাতিল করে দিলেন এবং বললেন,যদি কেউ কোন বাড়ি কেনার পর আশংকা করে যে , প্রতিবেশী শুফ'আহ্‌র অধিকারের ভিত্তিতে নিয়ে যাবে তাই সে শত অংশের এক অংশ প্রথমে ক্রয় করে নেয়, তারপর বাকি অংশ ক্রয় করে। অথচ প্রতিবেশীর জন্য অধিকার শুধু প্রথম অংশে ছিল। তাহলে বাড়ীর বাকি অংশে প্রতিবেশীর জন্য অধিকার থাকেনা। এক্ষেত্রে সে এ কূটকৌশলের আশ্রয় নিতে পারে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫০৫)
জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সহীহ বুখারী #৬৯৭৬ Sahih
সহীহ বুখারী : ৪৭
আমর বিন আল-শারিদ (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌عَلِيُّ ‌بْنُ ‌عَبْدِ ​اللَّهِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَيْسَرَةَ، سَمِعْتُ عَمْرَو بْنَ الشَّرِيدِ، قَالَ جَاءَ الْمِسْوَرُ بْنُ مَخْرَمَةَ فَوَضَعَ يَدَهُ عَلَى مَنْكِبِي، فَانْطَلَقْتُ مَعَهُ إِلَى سَعْدٍ فَقَالَ أَبُو رَافِعٍ لِلْمِسْوَرِ أَلاَ تَأْمُرُ هَذَا أَنْ يَشْتَرِيَ مِنِّي بَيْتِي الَّذِي فِي دَارِي‏.‏ فَقَالَ لاَ أَزِيدُهُ عَلَى أَرْبَعِمِائَةٍ، إِمَّا مُقَطَّعَةٍ وَإِمَّا مُنَجَّمَةٍ‏.‏ قَالَ أُعْطِيتُ خَمْسَمِائَةٍ نَقْدًا، فَمَنَعْتُهُ، وَلَوْلاَ أَنِّي سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ الْجَارُ أَحَقُّ بِصَقَبِهِ ‏"‏‏.‏ مَا بِعْتُكَهُ أَوْ قَالَ مَا أَعْطَيْتُكَهُ‏.‏ قُلْتُ لِسُفْيَانَ إِنَّ مَعْمَرًا لَمْ يَقُلْ هَكَذَا‏.‏ قَالَ لَكِنَّهُ قَالَ لِي هَكَذَا‏.‏ وَقَالَ بَعْضُ النَّاسِ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَبِيعَ الشُّفْعَةَ فَلَهُ أَنْ يَحْتَالَ حَتَّى يُبْطِلَ الشُّفْعَةَ فَيَهَبُ الْبَائِعُ لِلْمُشْتَرِي الدَّارَ، وَيَحُدُّهَا وَيَدْفَعُهَا إِلَيْهِ، وَيُعَوِّضُهُ الْمُشْتَرِي أَلْفَ دِرْهَمٍ، فَلاَ يَكُونُ لِلشَّفِيعِ فِيهَا شُفْعَةٌ‏.‏
‘আম্‌র ‌ইব্‌নু ‌শারীদ ‌(রহঃ) ​থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, মিস্‌ওয়ার ইব্‌নু মাখরামাহ (রাঃ) এসে তাঁর হাত আমার কাঁধে রাখলেন। তারপর আমি তাঁর সঙ্গে সা‘দ (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। তখন আবূ রাফি‘ (রাঃ) মিস্‌ওয়ার (রাঃ) -কে বললেন, আপনি কি ওকে এ কথা বলবেন যে, সে আমার ঐ ঘরটি কিনে নেবে, যে ঘরটি তার বাড়িতে রয়েছে। সা‘দ (রাঃ) বললেন, আমি চারশ’ থেকে অধিক দেব না। তাও আবার কিস্তিতে কিস্তিতে দেব। আবূ রাফি‘ (রাঃ) বললেন, আমাকে নগদ পাঁচশ দেয়া হচ্ছে, অথচ আমি তাকে দিচ্ছি না। আমি যদি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে না শুনতাম যে, প্রতিবেশী তার পার্শ্ববর্তী ভূমি কেনার ব্যাপারে অধিক হক্‌দার, তাহলে আমি তা তোমার কাছে বিক্রি করতাম না। অথবা বলেছেন, তোমাকে আমি তা দিতাম না। আমি সুফইয়ান (রহঃ)-কে বললাম যে, মা‘মার তো এমনটি বলেননি। তিনি বললেন, কিন্তু তিনি আমাকে এমনটি বলেছেন। কিছু সংখ্যক লোক বলেন, কেউ যদি কোন ভূমি বিক্রি করে, তাহলে কৌশলের আশ্রয় গ্রহন করে শুফ‘আহ্‌র অধিকার রদ করে দিতে পারে। যেমন বিক্রেতা ক্রেতাকে বাড়িটি দান করে দেবে এবং তার সীমানা বর্ণনা করে ক্রেতার কাছে সোপর্দ করে দেবে। এরপর ক্রেতা বিক্রেতাকে এক হাজার দিরহাম দিয়ে দেবে। এই অবস্থায় শাফী’র জন্য তাতে শুফ‘আহ্‌র অধিকার থাকবে না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫০৬)
আমর বিন আল-শারিদ (রাঃ) সহীহ বুখারী #৬৯৭৭ Sahih
সহীহ বুখারী : ৪৮
আমর বিন আল-শারিদ (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌مُحَمَّدُ ‌بْنُ ​يُوسُفَ، ‌حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَيْسَرَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الشَّرِيدِ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، أَنَّ سَعْدًا، سَاوَمَهُ بَيْتًا بِأَرْبَعِمِائَةِ مِثْقَالٍ فَقَالَ لَوْلاَ أَنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ الْجَارُ أَحَقُّ بِصَقَبِهِ ‏"‏‏.‏ لَمَا أَعْطَيْتُكَ‏.‏ وَقَالَ بَعْضُ النَّاسِ إِنِ اشْتَرَى نَصِيبَ دَارٍ، فَأَرَادَ أَنْ يُبْطِلَ الشُّفْعَةَ، وَهَبَ لاِبْنِهِ الصَّغِيرِ وَلاَ يَكُونُ عَلَيْهِ يَمِينٌ‏.‏
আবূ ‌রাফি‘ ‌(রাঃ) ​থেকে ‌বর্ণিতঃ সা‘দ (রাঃ) তার নিকট হতে চারশ’ মিসকাল দিয়ে একটা ঘর ক্রয় করার জন্য দর করেন। তখন তিনি বলেন, যদি আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে না শুনতাম যে, “প্রতিবেশী তার পার্শ্ববর্তী ভূমি কেনার ব্যাপারে অধিক হক্‌দার” তাহলে তোমাকে আমি দিতাম না। কেউ কেউ বলেন, যদি কেউ বাড়ির কোন অংশ কিনে নেয় এবং শুফ্‌আর অধিকার বাতিল করে দিতে চায়, তাহলে তার ছোট ছেলেকে তা দান করে দিবে। আর তখন তার ওপর কোন কসমও আসবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫০৭)
আমর বিন আল-শারিদ (রাঃ) সহীহ বুখারী #৬৯৭৮ Sahih
সহীহ বুখারী : ৪৯
আবু রাফি (রা.)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌أَبُو ​نُعَيْمٍ، ‌حَدَّثَنَا ‌سُفْيَانُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَيْسَرَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الشَّرِيدِ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ الْجَارُ أَحَقُّ بِصَقَبِهِ ‏"‏‏.‏ وَقَالَ بَعْضُ النَّاسِ إِنِ اشْتَرَى دَارًا بِعِشْرِينَ أَلْفَ دِرْهَمٍ، فَلاَ بَأْسَ أَنْ يَحْتَالَ حَتَّى يَشْتَرِيَ الدَّارَ بِعِشْرِينَ أَلْفَ دِرْهَمٍ، وَيَنْقُدَهُ تِسْعَةَ آلاَفِ دِرْهَمٍ وَتِسْعَمِائَةَ دِرْهَمٍ وَتِسْعَةً وَتِسْعِينَ، وَيَنْقُدَهُ دِينَارًا بِمَا بَقِيَ مِنَ الْعِشْرِينَ الأَلْفَ، فَإِنْ طَلَبَ الشَّفِيعُ أَخَذَهَا بِعِشْرِينَ أَلْفَ دِرْهَمٍ، وَإِلاَّ فَلاَ سَبِيلَ لَهُ عَلَى الدَّارِ، فَإِنِ اسْتُحِقَّتِ الدَّارُ، رَجَعَ الْمُشْتَرِي عَلَى الْبَائِعِ بِمَا دَفَعَ إِلَيْهِ، وَهْوَ تِسْعَةُ آلاَفِ دِرْهَمٍ وَتِسْعُمِائَةٍ وَتِسْعَةٌ وَتِسْعُونَ دِرْهَمًا وَدِينَارٌ، لأَنَّ الْبَيْعَ حِينَ اسْتُحِقَّ انْتَقَضَ الصَّرْفُ فِي الدِّينَارِ، فَإِنْ وَجَدَ بِهَذِهِ الدَّارِ عَيْبًا وَلَمْ تُسْتَحَقَّ، فَإِنَّهُ يَرُدُّهَا عَلَيْهِ بِعِشْرِينَ أَلْفَ دِرْهَمٍ‏.‏ قَالَ فَأَجَازَ هَذَا الْخِدَاعَ بَيْنَ الْمُسْلِمِينَ وَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لاَ دَاءَ وَلاَ خِبْثَةَ وَلاَ غَائِلَةَ ‏"‏‏.‏
আবূ ‌রাফি‘ ​(রাঃ) ‌থেকে ‌বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রতিবেশী তার পার্শ্ববর্তী ভূমির ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি হক্‌দার। কেউ কেউ বলেন, কেউ যদি কোন একটি বাড়ি বিশ হাজার দিরহামের বিনিময়ে ক্রয় করে’ ঐ বিশ হাজার দিরহাম পরিশোধ করার সময় এ কৌশল গ্রহণ করাতে কোন দোষ নেই যে, ক্রেতা বিক্রেতাকে ন’হাজার ন’শ নিরানব্বই দিরহাম ও বিশ হাজারের বাকী দিরহামের বদলে এক দীনার নগদ প্রদান করবে। এখন যদি শুফ‘আহ্‌র অধিকারী শুফ‘আহ্‌র দাবি করে, তাহলে এই বাড়ি বিশ হাজার দিরহামের বিনিময়ে নিতে হবে। এ ব্যতীত তার এ বাড়ী পাওয়ার কোন উপায় নেই। আর যদি এ বাড়ির অন্য কোন মালিক বের হয়ে পড়ে, তাহলে ক্রেতা বিক্রেতাকে দেয়া দামই ফেরত দেবে। আর তা হলো ন’হাজার ন’শ নিরানব্বই দিরহাম ও এক দীনার। কেননা, যখন বিক্রিত বস্তুর মূল মালিক বের হয়ে গেছে তখন দীনারের ‘বায়এ-সারফ’ বাতিল হয়ে গেছে। আর যদি ক্রেতা বাড়িতে কোন দোষ পায়, তার কোন মালিক বের না হয়, তাহলে ক্রেতা বাড়ি ফেরত দেবে ও বিক্রেতা ক্রেতাকে বিশ হাজার দিরহাম দেবে। আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ (ইমাম বুখারী) (রহঃ) বলেনঃ মূলত এরূপ করা মুসলিমদের মধ্যে ধোঁকাবাজিকে বৈধতা দেয়ার নামান্তর। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলিমদের কেনা-বেচায় কোন রোগবালাই, অপবিত্রতা ও ধোঁকাবাজি নেই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫০৯)
আবু রাফি (রা.) সহীহ বুখারী #৬৯৮০ Sahih
সহীহ বুখারী : ৫০
আমর বিন আল-শারিদ (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌مُسَدَّدٌ، ​حَدَّثَنَا ‌يَحْيَى، ​عَنْ سُفْيَانَ، قَالَ حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَيْسَرَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الشَّرِيدِ، أَنَّ أَبَا رَافِعٍ، سَاوَمَ سَعْدَ بْنَ مَالِكٍ بَيْتًا بِأَرْبَعِمِائَةِ مِثْقَالٍ وَقَالَ لَوْلاَ أَنِّي سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ الْجَارُ أَحَقُّ بِصَقَبِهِ ‏"‏‏.‏ مَا أَعْطَيْتُكَ‏.‏
‘আম্‌র ‌ইব্‌নু ​শারীদ ‌(রহঃ) ​থেকে বর্ণিতঃ আবূ রাফি‘ (রাঃ) একটি ঘর ক্রয় করার জন্য আ‘দ ইব্‌নু মালিক (রাঃ)-এর সঙ্গে চারশ’ মিসকাল মূল্য ঠিক করেন। আর বলেন, যদি আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে এ কথা বলতে না শুনতাম যে, প্রতিবেশি তার পার্শ্ববর্তী ভূমির কেনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে অধিক হক্‌দার, তাহলে তোমাকে আমি প্রদান করতাম না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫১০)
আমর বিন আল-শারিদ (রাঃ) সহীহ বুখারী #৬৯৮১ Sahih
সহীহ বুখারী : ৫১
শাকিক (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ​عُمَرُ ‌بْنُ ‌حَفْصِ ‌بْنِ غِيَاثٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، حَدَّثَنَا شَقِيقٌ، سَمِعْتُ حُذَيْفَةَ، يَقُولُ بَيْنَا نَحْنُ جُلُوسٌ عِنْدَ عُمَرَ قَالَ أَيُّكُمْ يَحْفَظُ قَوْلَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي الْفِتْنَةِ‏.‏ قَالَ ‏ "‏ فِتْنَةُ الرَّجُلِ فِي أَهْلِهِ وَمَالِهِ وَوَلَدِهِ وَجَارِهِ، تُكَفِّرُهَا الصَّلاَةُ وَالصَّدَقَةُ وَالأَمْرُ بِالْمَعْرُوفِ وَالنَّهْىُ عَنِ الْمُنْكَرِ ‏"‏‏.‏ قَالَ لَيْسَ عَنْ هَذَا أَسْأَلُكَ، وَلَكِنِ الَّتِي تَمُوجُ كَمَوْجِ الْبَحْرِ‏.‏ قَالَ لَيْسَ عَلَيْكَ مِنْهَا بَأْسٌ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، إِنَّ بَيْنَكَ وَبَيْنَهَا بَابًا مُغْلَقًا‏.‏ قَالَ عُمَرُ أَيُكْسَرُ الْبَابُ أَمْ يُفْتَحُ قَالَ بَلْ يُكْسَرُ‏.‏ قَالَ عُمَرُ إِذًا لاَ يُغْلَقَ أَبَدًا‏.‏ قُلْتُ أَجَلْ‏.‏ قُلْنَا لِحُذَيْفَةَ أَكَانَ عُمَرُ يَعْلَمُ الْبَابَ قَالَ نَعَمْ كَمَا أَعْلَمُ أَنَّ دُونَ غَدٍ لَيْلَةً، وَذَلِكَ أَنِّي حَدَّثْتُهُ حَدِيثًا لَيْسَ بِالأَغَالِيطِ‏.‏ فَهِبْنَا أَنْ نَسْأَلَهُ مَنِ الْبَابُ فَأَمَرْنَا مَسْرُوقًا فَسَأَلَهُ فَقَالَ مَنِ الْبَابُ قَالَ عُمَرُ‏.‏
হুযাইফা ​(রাঃ) ‌থেকে ‌বর্ণিতঃ ‌তিনি বলেন, একবার আমরা উমার (রাঃ)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। হঠাৎ তিনি বললেন, ফিত্‌না সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বক্তব্য তোমাদের মধ্যে কে স্মরণ রেখেছে? হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন, (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন) মানুষ নিজের পরিবার, ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি ও প্রতিবেশীর ব্যাপারে যে ফিত্‌নায় পতিত হয়, সালাত, সদাকাহ, সৎকাজের আদেশ, অসৎ কাজের নিষেধ তার সে পাপকে মুছে ফেলে। তিনি বলেন, আমি তোমাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করিনি, এবং সে ফিত্‌নার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করছি যা সাগর লহরীর মত ঢেউ খেলবে। হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন, হে আমীরুল মু'মিনীন! সে ফিত্‌নায় আপনার কোন অসুবিধা হবে না। কেননা, সে ফিত্‌না ও আপনার মাঝে একটি বন্ধ দরজা আছে। উমার (রাঃ) বললেন, দরজাটি কি ভেঙ্গে ফেলা হবে, না খুলে দেওয়া হবে? তিনি বললেন, না বরং ভেঙ্গে ফেলা হবে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তা হলে তো সেটা আর কখনো বন্ধ করা যাবে না। (হুযাইফাহ বলেন) আমি বললাম হ্যাঁ। (শাকীক বলেন) আমরা হুযাইফাহ (রাঃ) - কে জিজ্ঞেস করলাম, ‘উমার (রাঃ) কি দরজাটি সম্পর্কে জানতেন? উওরে তিনি বললেন, হ্যাঁ। যেমন আমি সুনিশ্চিতভাবে জানি যে আগামী দিনের পর রাত আসবে। কেননা আমি তাকে এমন হাদীস বর্ণনা করেছিলাম যা ত্রুটিমুক্ত। (শাকীক বলেন) দরজাটি কে সম্পর্কে আমরা হুযাইফাহ (রাঃ) - কে জিজ্ঞেস করতে আমরা ভয় পাচ্ছিলাম, তাই আমরা মাসরুককে জিজ্ঞেস করতে বললাম। তিনি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, দরজাটি কে? উওরে তিনি বললেন, ‘উমার (রাঃ) (নিজেই)। [১৫৯](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৫)
শাকিক (রাঃ) সহীহ বুখারী #৭০৯৬ Sahih
সহীহ বুখারী : ৫২
আবু সাঈদ (রা.)
Sahih
حَدَّثَنَا ​أَبُو ​الْيَمَانِ، ‌أَخْبَرَنَا ‌شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ، أَنَّ أَبَا سَعِيدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمًا حَدِيثًا طَوِيلاً عَنِ الدَّجَّالِ، فَكَانَ فِيمَا يُحَدِّثُنَا بِهِ أَنَّهُ قَالَ ‏ "‏ يَأْتِي الدَّجَّالُ وَهُوَ مُحَرَّمٌ عَلَيْهِ أَنْ يَدْخُلَ نِقَابَ الْمَدِينَةِ، فَيَنْزِلُ بَعْضَ السِّبَاخِ الَّتِي تَلِي الْمَدِينَةَ، فَيَخْرُجُ إِلَيْهِ يَوْمَئِذٍ رَجُلٌ وَهْوَ خَيْرُ النَّاسِ أَوْ مِنْ خِيَارِ النَّاسِ، فَيَقُولُ أَشْهَدُ أَنَّكَ الدَّجَّالُ الَّذِي حَدَّثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَدِيثَهُ، فَيَقُولُ الدَّجَّالُ أَرَأَيْتُمْ إِنْ قَتَلْتُ هَذَا ثُمَّ أَحْيَيْتُهُ، هَلْ تَشُكُّونَ فِي الأَمْرِ فَيَقُولُونَ لاَ‏.‏ فَيَقْتُلُهُ ثُمَّ يُحْيِيهِ فَيَقُولُ وَاللَّهِ مَا كُنْتُ فِيكَ أَشَدَّ بَصِيرَةً مِنِّي الْيَوْمَ‏.‏ فَيُرِيدُ الدَّجَّالُ أَنْ يَقْتُلَهُ فَلاَ يُسَلَّطُ عَلَيْهِ ‏"‏‏.‏
আবূ ​সা’ঈদ ​খুদ্‌রী ‌(রাঃ) ‌থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে দাজ্জাল সম্পর্কে দীর্ঘ হাদীস বর্ণনা করলেন। তিনি তার সম্পর্কে আমাদেরকে যা কিছু বলেছিলেন, তাতে এও বলেছেন যে, দাজ্জাল আসবে, তবে মাদীনার প্রবেশপথে তার প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ থাকবে। মাদীনার নিকটবর্তী বালুময় একটি স্থানে সে অবস্থান নিবে। এ সময় তার দিকে এক ব্যক্তি আসবে, যে মানুষের মাঝে উত্তম। কিংবা উত্তম ব্যক্তিদের একজন। সে বলবে, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তুই সেই দাজ্জাল, যার সম্পর্কে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে তাঁর হাদীস বর্ণনা করেছেন। তখন দাজ্জাল বলবে, তোমরা দেখ - আমি যদি একে হত্যা করে আবার জীবিত করে দেই তাহলে কি তোমরা এ ব্যাপারে সন্দেহ করবে? লোকেরা বলবে, না। এরপর সে তাকে হত্যা করবে এবং আবার জীবিত করবে। তখন সে লোকটি বলবে, আল্লাহ্‌র কসম! তোর সম্পর্কে আজকের মত দৃঢ় বিশ্বাসী ছিলাম না। তখন দাজ্জাল তাকে হত্যা করতে চাইবে কিন্তু সে তা করতে পারবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৪৭)
আবু সাঈদ (রা.) সহীহ বুখারী #৭১৩২ Sahih
সহীহ বুখারী : ৫৩
আব্দুল্লাহ (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌قُتَيْبَةُ ‌بْنُ ‌سَعِيدٍ، ‌حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُرَحْبِيلَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ سَأَلْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَىُّ الذَّنْبِ أَعْظَمُ عِنْدَ اللَّهِ قَالَ ‏"‏ أَنْ تَجْعَلَ لِلَّهِ نِدًّا وَهْوَ خَلَقَكَ ‏"‏‏.‏ قُلْتُ إِنَّ ذَلِكَ لَعَظِيمٌ‏.‏ قُلْتُ ثُمَّ أَىّ قَالَ ‏"‏ ثُمَّ أَنْ تَقْتُلَ وَلَدَكَ تَخَافُ أَنْ يَطْعَمَ مَعَكَ ‏"‏‏.‏ قُلْتُ ثُمَّ أَىّ قَالَ ‏"‏ ثُمَّ أَنْ تُزَانِيَ بِحَلِيلَةِ جَارِكَ ‏"‏‏.‏
আবদুল্লাহ্‌ ‌(রাঃ) ‌থেকে ‌বর্ণিতঃ ‌তিনি বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহর কাছে কোন গুনাহ্টি সবচেয়ে বড়? তিনি বললেনঃ আল্লাহর সঙ্গে শারীক করা। অথচ তিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। আমি বললাম, এটি অবশ্যই বড় গুনাহ্। এরপর কোন্টি? তিনি বললেনঃ তোমার সন্তান তোমার সঙ্গে খাবে এ ভয়ে তাকে হত্যা করা। আমি বললাম, এরপর কোন্টি? তিনি বললেন, এরপর তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সঙ্গে যিনা করা। [৪৪৭৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৭০১২)
আব্দুল্লাহ (রাঃ) সহীহ বুখারী #৭৫২০ Sahih
সহীহ বুখারী : ৫৪
আব্দুল্লাহ (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ​قُتَيْبَةُ ​بْنُ ‌سَعِيدٍ، ‌حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُرَحْبِيلَ، قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ قَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَىُّ الذَّنْبِ أَكْبَرُ عِنْدَ اللَّهِ قَالَ ‏"‏ أَنْ تَدْعُوَ لِلَّهِ نِدًّا، وَهْوَ خَلَقَكَ ‏"‏‏.‏ قَالَ ثُمَّ أَىّ قَالَ ‏"‏ ثُمَّ أَنْ تَقْتُلَ وَلَدَكَ، أَنْ يَطْعَمَ مَعَكَ ‏"‏‏.‏ قَالَ ثُمَّ أَىّ قَالَ ‏"‏ أَنْ تُزَانِيَ حَلِيلَةَ جَارِكَ ‏"‏‏.‏ فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَصْدِيقَهَا ‏{‏وَالَّذِينَ لاَ يَدْعُونَ مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ وَلاَ يَقْتُلُونَ النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللَّهُ إِلاَّ بِالْحَقِّ وَلاَ يَزْنُونَ وَمَنْ يَفْعَلْ ذَلِكَ‏}‏ الآيَةَ‏.‏
আবদুল্লাহ ​(রাঃ) ​থেকে ‌বর্ণিতঃ ‌তিনি বলেন, এক লোক বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আল্লাহ্‌র কাছে কোন্ গুনাহ্‌টি সব চেয়ে বড়? তিনি বললেনঃ আল্লাহ্‌র বিপরীতে কাউকে ডাকা অথচ তিনিই (আল্লাহ্) তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। সে বলল, এরপর কোন্‌টি? তিনি বললেনঃ এরপর তোমার সঙ্গে আহার করবে এ ভয়ে (তোমার) সন্তানকে হত্যা করা। সে বলল, এরপর কোনটি? তিনি বললেনঃ এরপর তোমাদের প্রতিবেশীর স্ত্রীর সঙ্গে যিনা করা। এরই সমর্থনে আল্লাহ্ নাযিল করলেনঃ তারা আল্লাহ্‌র সাথে অন্য কোন ইলাহ্‌কে ডাকে না। আর যথার্থতা ব্যতীত কোন প্রাণ হত্যা করে না যা আল্লাহ্ নিষিদ্ধ করেছেন আর তারা ব্যভিচার করে না। আর যে এগুলো করে সে শাস্তির সাক্ষাৎ লাভ করবে। তার শাস্তি দ্বিগুণ করা হবে ........... (সূরাহ আল-ফুরক্বান ২৫/৬৮)। [৪৪৭৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৭০২৪)
আব্দুল্লাহ (রাঃ) সহীহ বুখারী #৭৫৩২ Sahih
সহীহ মুসলিম : ৫৫
It Is
Sahih
حَدَّثَنَا ​زُهَيْرُ ‌بْنُ ​حَرْبٍ، ​وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، جَمِيعًا عَنِ ابْنِ عُيَيْنَةَ، - قَالَ ابْنُ نُمَيْرٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، - عَنْ عَمْرٍو، أَنَّهُ سَمِعَ نَافِعَ بْنَ جُبَيْرٍ، يُخْبِرُ عَنْ أَبِي شُرَيْحٍ الْخُزَاعِيِّ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيُحْسِنْ إِلَى جَارِهِ وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيُكْرِمْ ضَيْفَهُ وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لِيَسْكُتْ ‏"‏ ‏.‏
যুহাইর ​ইবনে ‌হারব ​এবং ​মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে নুমায়র উভয়েই আমাদের কাছে ইবনে উয়ায়নার সূত্রে বর্ণনা করেছেন। ইবনে নুমায়র বলেন: সুফিয়ান আমাদের কাছে আমরের সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি নাফি’ ইবনে জুবায়েরকে আবু শুরাইহ আল-খুযাইয়ের সূত্রে বর্ণনা করতে শুনেছেন যে, নবী (সাঃ) বলেছেন: “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করে, তার উচিত প্রতিবেশীর সাথে সদ্ব্যবহার করা। আর যে ব্যক্তি আল্লাহতে বিশ্বাস করে…” এবং পরকালে সে যেন তার মেহমানকে সম্মান করে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করে, তার উচিত ভালো কথা বলা অথবা চুপ থাকা।
It Is সহীহ মুসলিম #৪৮ Sahih
সহীহ মুসলিম : ৫৬
Sahih
حَدَّثَنَا ​قُتَيْبَةُ ‌بْنُ ​سَعِيدٍ، ​حَدَّثَنَا لَيْثٌ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الزُّبَيْرِ، حَدَّثَهُ أَنَّ رَجُلاً مِنَ الأَنْصَارِ خَاصَمَ الزُّبَيْرَ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي شِرَاجِ الْحَرَّةِ الَّتِي يَسْقُونَ بِهَا النَّخْلَ فَقَالَ الأَنْصَارِيُّ سَرِّحِ الْمَاءَ ‏.‏ يَمُرُّ فَأَبَى عَلَيْهِمْ فَاخْتَصَمُوا عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلزُّبَيْرِ ‏"‏ اسْقِ يَا زُبَيْرُ ثُمَّ أَرْسِلِ الْمَاءَ إِلَى جَارِكَ ‏"‏ ‏.‏ فَغَضِبَ الأَنْصَارِيُّ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَنْ كَانَ ابْنَ عَمَّتِكَ فَتَلَوَّنَ وَجْهُ نَبِيِّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ قَالَ ‏"‏ يَا زُبَيْرُ اسْقِ ثُمَّ احْبِسِ الْمَاءَ حَتَّى يَرْجِعَ إِلَى الْجَدْرِ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ الزُّبَيْرُ وَاللَّهِ إِنِّي لأَحْسِبُ هَذِهِ الآيَةَ نَزَلَتْ فِي ذَلِكَ ‏{‏ فَلاَ وَرَبِّكَ لاَ يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لاَ يَجِدُوا فِي أَنْفُسِهِمْ حَرَجًا‏}‏
কুতাইবাহ ​ইবনু ‌সাঈদ ​(রহঃ) ​..... আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, আনসারদের জনৈক লোক রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সম্মুখে যুবায়র (রাযিঃ) এর সাথে পানি সেচের নালা নিয়ে বিতর্ক করল যা থেকে তারা খেজুর গাছে পানি দিত। আনসার ব্যক্তিটি বললেন, পানি ছেড়ে দাও, তা প্রবাহিত হতে থাকুক। যুবায়র (রাযিঃ) তা মানলেন না। শেষ অবধি সকলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সম্মুখে তর্ক করলে তিনি যুবায়রকে বললেন, হে যুবায়র! তোমার পানি নেয়া হলে তোমার প্রতিবেশীর জন্য ছেড়ে দাও। সে সময় আনসার ব্যক্তিটি রাগাম্বিত স্বরে বলল, ইয়া রসূলাল্লাহ! যুবায়র তো আপনার ফুফাতো ভাই। এতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চেহারার রং পাল্টে গেলো। তিনি বললেন, হে যুবায়রা নিজের বৃক্ষগুলোকে পানি দাও এবং পানি আটকিয়ে রাখো, যে পর্যন্ত না পানি বাধ পর্যন্ত পৌছে যায়। যুবায়র (রাযিঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ আমার ধারণা হয় এ আয়াত সে ব্যাপারেই নাযিল হয়ঃ "তোমার প্রতিপালকের কসম! ততক্ষণ পর্যন্ত তারা মু'মিন হতে পারবে না ....."— (সুরাহ আন নিসা ৪ঃ ৭৫)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯০১, ইসলামিক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম #৬১১২ Sahih
সহীহ মুসলিম : ৫৭
Sahih
روى ‌لنا ​يحيى ​بن ​يحيى: روى لنا عبد العزيز بن أبي حازم عن أبيه، عن يزيد بن رومان، عن عروة، عن عائشة، أنها كانت تقول: والله يا ابن أختي! كنا نرى الهلال، ثم الهلال، ثم الهلال، حتى رأينا ثلاثة أهلة في شهرين، ولم تكن تُوقد نار في بيوت رسول الله صلى الله عليه وسلم. فقالت عروة: فسألتها: يا عمتي، ما كان رزقك آنذاك؟ فقالت: تمرتان أسودتان وماء! ولكن كان لرسول الله صلى الله عليه وسلم جيران من الأنصار، وكان لهم أبقار حلوب. وكانوا يرسلون اللبن إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فيسقينا إياه. (شرح ٢٩٧٩ د)
ইয়াহইয়া ‌ইবনু ​ইয়াহইয়া ​(রহঃ) ​..... আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হে আমার বোনের ছেলে! আমরা নতুন চন্দ্র দেখতাম তারপর আবার নতুন চন্দ্র দেখতাম। আবারও নতুন চন্দ্র দেখতাম। অর্থাৎ- দু’মাসে তিনটি নতুন চন্দ্র দেখতাম। অথচ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ঘরে আগুন জ্বলত না। তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে খালা! আপনারা কিভাবে দিনাতিপাত করতেন? তিনি বললেন, দু’টো কালো বস্তু দ্বারা- তা হচ্ছে খুরমা ও পানি। তবে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কতিপয় আনসারী প্রতিবেশী ছিল। তাদের ছিল দুগ্ধবতী উটনী ও বকরী- তারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য সেগুলো দোহন করে এর দুধ তার কাছে প্রেরণ করতেন এবং তিনি আমাদেরকে তাই পান করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১৮৩, ইসলামিক সেন্টার)
সহীহ মুসলিম #৭৪৫২ Sahih
সহীহ মুসলিম : ৫৮
Sahih
ثم ‌واصلنا ​سيرنا. ‌وأخيرًا، ​وصلنا إلى جابر بن عبد الله في مسجده. كان يصلي متلففًا بثوب. فدخلتُ بين المصلين وجلستُ بينه وبين القبلة. وقلتُ: "رحمك الله، أتصلي متلففًا بثوب وعباءتك بجانبك؟" فأشار بيده على صدري، وفرّق أصابعه وثناها. تمنيتُ لو يأتي أحمق مثلك ويرى كيف أفعل ذلك ويفعل مثلي. جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى هذا المسجد وفي يده نخلة ابن طوب، فرأى بعض البصاق على قبلة المسجد. فمسحه بغصن. ثم التفت إلينا وقال: "أيّكم يُريد أن يُعرض عنها؟" فخفنا. ثم قال مرة أخرى: "أيّكم يُريد أن يُعرض عنها؟" فخفنا مرة أخرى. ثم قال: "أيّكم يُريد أن يُعرض عنها؟" قلنا: "لا، لا أحد منا يريد ذلك يا رسول الله!" فقال: "إذا قام أحدكم للصلاة، فإن كعبة الله تعالى تكون باتجاه وجهه، فلا يبصق في وجهه ولا عن يمينه، بل يبصق عن شماله تحت رجله اليسرى، فإن أصابته مصيبة فجأة فليفعل ذلك بثوبه..." ثم طوى ثوبه على نفسه وقال: "أروني زعفرانًا!" فقام شاب من الحي وركض إلى بيته، فأتى بيده عطرًا برائحة الزعفران. فأخذه رسول الله صلى الله عليه وسلم ومسح به طرف الغصن، ثم مسح به أثر البصاق، وقال: "من هنا بدأ استخدام الزعفران في مساجدكم." ثم خرجنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في غزوة بطن بوفاد. كان يبحث عن مجدي بن عمرو الجهني. تناوبنا خمسة أو ستة أو سبعة منا على ركوب جمله. ثم جاء دور رجل من الأنصار. أنزل الجمل وركبه، ثم قاده. لكن الجمل تردد لحظة. فقال له: "انطلق! لعنك الله!". فسأل رسول الله صلى الله عليه وسلم: "من يلعن جمله؟". قال الرجل: "أنا يا رسول الله! لا تركبنا على هذا البهيمة! لا تلعنوا أنفسكم! لا تلعنوا أولادكم! لا تلعنوا أموالكم! لا تلعنوا الله في الساعة التي يعطيكم فيها ما تسألون!". فواصلنا السير مع النبي صلى الله عليه وسلم. ولما حان الوقت واقتربنا من أحد مياه الجزيرة العربية، سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم: "من يتقدمنا ليجهز الحوض ويشرب الماء ويأتينا به؟". قال جابر: "قمتُ على الفور وقلت: ها هو رجل يا رسول الله!" فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "من يذهب معك؟" فقام جبار بن ساعي على الفور، وذهبنا إلى البئر، فملأنا الحوض بدلوين من الماء، ورصصنا الحجارة فيه، ثم ملأناه بالماء حتى امتلأ. وكان أول الواصلين رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: "أتشربون؟" قلنا: "نعم يا رسول الله!" فأطلق جمله فشرب، ثم شد اللجام فباعدت الدابة رجليها فأتبولت، ثم قلبها وأركعها. ثم جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى المعبد فتوضأ فيه. وبعد ذلك، قمتُ وتوضأتُ من نفس الموضع الذي توضأ فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم. ثم ذهب جبار بن سحر لقضاء حاجته. ثم قام رسول الله صلى الله عليه وسلم للصلاة. كنتُ أرتدي ثوبًا مخططًا، فحاولتُ لفه حول طرفيه، لكنني لم أستطع الوصول إليهما. كان للثوب أهداب، فقلبتها على ظهرها، ثم لففتُه حول طرفيه، ثم وضعته على حجري. ثم جئتُ ووقفتُ عن يسار رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأدارني ووقف عن يمينه ثم عن يساره. عندئذٍ، أخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم بأيدينا ودفعنا، وجعلنا نقف خلفه. دون أن أدري، بدأتُ أرمي التمر على رسول الله صلى الله عليه وسلم، ثم فهمتُ قصده. أشار بيده، أي: "اربط حزامك". فلما فرغ رسول الله صلى الله عليه وسلم من الصلاة، قال: "جابر!". فقلتُ: "أنا جاهز يا رسول الله!". قال: "إن كانت عريضة، فضمّوها من طرفيها! وإن كانت ضيقة، فاربطوها كزر!" مشينا معه (صلى الله عليه وسلم). وكان طعام كل واحد منا تمرة مجففة. كان يمصّها ثم يضعها في ثوبه. وكنا ننفض عنها الأوراق بأقدامنا ونأكلها. حتى أن شفاهنا كانت تتقرح. أقسم أنني في أحد الأيام، سقط منا سهوًا، ولم يُعطَ أحدنا تمرة، فذهبنا إليه (لضعفه) وشهدنا أنه لم يُعطَ تمرة. فأُعطيَ تمرة، فقام وأخذها. مشينا معه (صلى الله عليه وسلم). وأخيرًا، نزلنا إلى وادٍ واسع. فذهب رسول الله (صلى الله عليه وسلم) لقضاء حاجته. فتبعته بقارورة ماء. ثم نظر رسول الله (صلى الله عليه وسلم) حوله، فلم يرَ ما يستر به نفسه. وفجأة، وقعت عيناه على شجرتين على حافة الوادي. ذهب رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى إحداهما، فأخذ غصنًا وقال: «أسْلِمِي إِلَيَّ!» فسَلَمَهُ الغصنُ كجملٍ مُلَجَّمٍ عَصِيَ على صاحبه. ثم ذهب إلى الشجرة الأخرى، فأخذ غصنًا وقال: «أسْلِمِي إِلَيَّ!» فسَلَمَهُ الغصنُ أيضًا كالأولى. فلما بلغ وسطهما، ضمَّهما وقال: «أسْلِمِي إِلَيَّ!» قال. فالتصقتا. قال جابر: خرجتُ مسرعًا خشية أن يتحسس رسول الله صلى الله عليه وسلم وجودي فيبتعد. (قال محمد بن عباد: «فيتيبَعَاجِي» بدلًا من «فيبتيدِي»). وجلستُ، وكنتُ أُحدّث نفسي. فنظرتُ صدفةً إلى جانبي، فماذا رأيت؟ كان رسول الله صلى الله عليه وسلم قادمًا. انفصلت الشجرتان، واستقامت كل منهما على جذعها. رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يتوقف لحظة، وأشار برأسه (أشار أبو إسماعيل برأسه يمينًا ويسارًا). ثم سار نحوي، فلما وصل إلى جانبي قال: "يا جابر، أترى أين كنت واقفًا؟" سأل: "ما معنى هذا يا رسول الله؟" قلت: "نعم يا رسول الله!" قال: "اذهب إلى هاتين الشجرتين، واقطع غصنًا من كل منهما. وعندما تقف حيث أنا، ضع غصنًا عن يمينك وغصنًا عن يسارك." قمت، وأخذت حجرًا، وكسرته، وشحذته، فصار حادًا لي. ذهبت إلى الشجرتين، وقطعت غصنًا من كل منهما. ثم جررتهما، وعدت، ووقفت حيث كان رسول الله صلى الله عليه وسلم واقفًا. وضعت غصنًا عن يميني وغصنًا عن يساري. ثم لحقت به وقلت: "لقد فعلتُ ذلك يا رسول الله! ما الحاجة إلى ذلك؟" قال: "مررتُ بقبرين لرجلين كانا يُعذَّبان، ودعوتُ الله أن يُخفَّف عذابهما ما دامت هذه الأغصان حية". بعد ذلك، وصلنا إلى الجيش. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "يا جابر، نادِ: ماء للوضوء!" فصرختُ: "انتباه! ماء للوضوء! انتباه، ماء للوضوء! انتباه، ألا يوجد ماء للوضوء؟" قلت: "يا رسول الله! لم أجد قطرة ماء واحدة في القافلة". وكان رجل من الأنصار يُبرِّد الماء لرسول الله صلى الله عليه وسلم في قربة قديمة مُعلَّقة على سعفة نخل. قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم: «اذهب إلى فلان يا ابن فلان، وانظر هل في قربته شيء؟» فذهبت إليه ونظرت في القربة، فلم أجد فيها إلا قطرة واحدة عند فوهتها، ولو فرغتها لشربها الجزء الجاف منها. فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وقلت: «يا رسول الله، لم أجد فيها إلا قطرة واحدة عند فوهتها، ولو فرغتها لشربها الجزء الجاف منها، فأتيني بها!» فأمرني. فأتيت به إليه، فأخذها بيده وهمس بكلمات لم أفهمها، وكان يعصرها بكلتا يديه، ثم ناولني إياها وقال: «يا جابر، قل: إناء كبير!» فقلت: «يا صاحب إناء القافلة!» حملوها على الفور وأحضروها إليّ، فوضعتُ الإناء أمامه. عندئذٍ، أشار رسول الله صلى الله عليه وسلم بيده داخل الإناء، فبسطها وفرّق بين أصابعه، ثم وضعها في قاع الإناء وقال: "يا جابر، خذه واسكبه عليّ وقل بسم الله!". فسكبتُ الماء عليه على الفور وقلتُ بسم الله. ثم رأيتُ الماء يغلي بين أصابع رسول الله صلى الله عليه وسلم، ثم غلى الإناء ودار حتى امتلأ. فقال: "يا جابر، نادِ على من يحتاج إلى ماء!". وكان نائمًا. ثم جاء الجمع وشربوا حتى ارتوت. فقلتُ: "هل بقي أحد يحتاج إلى شيء؟". فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم يده فوق الإناء الممتلئ. اشتكوا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم من الجوع، فقال: «اللهم أطعمكم!». ثم وصلنا إلى شاطئ البحر، فهاجت الأمواج وألقت بهيمة، فأشعلنا النار في نصفها وطبخنا الطعام، وشويناه وأكلنا حتى شبعنا. ثم دخلت أنا وفلان وفلان (عدّ خمسة أشخاص) في عين هذه البهيمة، فلم يرنا أحد. ثم خرجنا، فأخذنا ضلعًا من أحد أضلاعها وثنيناه، ثم أحضرنا أضخم رجل في القافلة، وأضخم جمل، وأضخم ثوب، فدخل تحتها ولم يخفض رأسه. ويعني هذا الطفل الذي يقترب من سن البلوغ، وقد قال بعضهم إنه يعني الطفل الذي بدأ يأكل، وقال آخرون إنه يعني الطفل الذي بلغ الخامسة من عمره. على الرغم من أن كلمة "وآهزته" في الرواية الثانية تُنسب إلى (وا) في جميع روايات مسلم، فقد قال النووي إن هذا خطأ، وأن الصيغة الصحيحة هي (و). لأن المقصود هو أن يتمنى المرء أن يرتدي أحدهم ثوبًا من قماش مخطط، والآخر ثوبًا من قماش معافري. أي ثوبين. وقد قال البعض إنها تعني ثوبين جديدين. وبحسب أبي عبيدة، المعجمي، فإنها تعني الزعفران. وقال الأسماء إنها تعني عطورًا مختلفة ممزوجة بالزعفران. ووفقًا لتعريفه، فإن كلمة "خلوق" لها نفس المعنى، وهو ما قصده الحديث. بواد: هو اسم أحد جبال الجهينة.
তারপর ‌আমরা ​হাঁটতে ‌থাকলাম। ​অবশেষে আমরা জাবির ইবনে আব্দুল্লাহর মসজিদে এসে পৌঁছালাম। তিনি একটি কাপড়ে আবৃত হয়ে নামাজ পড়ছিলেন। আমি জামাতের মধ্য দিয়ে এগিয়ে গিয়ে তাঁর এবং কিবলার মাঝখানে বসলাম। এবং আমি বললাম: "আল্লাহ আপনার উপর রহম করুন, আপনি কি একটি কাপড়ে আবৃত হয়ে নামাজ পড়ছেন, অথচ আপনার চাদরটি আপনার পাশে রাখা?" তিনি আমার বুকে হাত রেখে ইশারা করলেন, তাঁর আঙুলগুলো ছড়িয়ে দিয়ে বাঁকিয়ে দিলেন। আমি কামনা করছিলাম, তোমার মতো একজন বোকা যদি এসে দেখত আমি কীভাবে এটা করি এবং সেও তাই করত। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাতে ইবনে তুবের একটি খেজুর নিয়ে এই মসজিদে এসেছিলেন, এবং তিনি মসজিদের কিবলার উপর কিছু থুতু দেখতে পেলেন। এবং তিনি একটি ডাল দিয়ে তা মুছে দিলেন। তারপর তিনি আমাদের দিকে ফিরে বললেন: "তোমাদের মধ্যে কে এর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে চাইবে?" আমরা ভয় পেয়ে গেলাম। তারপর তিনি আবার বললেন: "তোমাদের মধ্যে কে এর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে চাইবে?" আমরা আবার ভয় পেয়ে গেলাম। অতঃপর তিনি বললেন, “তোমাদের মধ্যে কে এটা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে চাইবে?” আমরা বললাম, “না! আমাদের কেউই তা চাইবে না, হে আল্লাহর রাসূল!” তিনি বললেন, “যখন তোমাদের কেউ সালাত আদায়ের জন্য দাঁড়ায়, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহর কাবা তার মুখের দিকেই থাকে। সুতরাং, তার উচিত নয় নিজের মুখের দিকে বা ডানদিকে থুতু ফেলা। তার উচিত বাম দিকে, বাম পায়ের নিচে থুতু ফেলা। যদি তার উপর হঠাৎ কোনো বিপদ আসে, তবে সে যেন তার পোশাক দিয়ে এমনটি করে...” অতঃপর, নিজের পোশাক নিজের উপর ভাঁজ করে তিনি বললেন, “আমাকে একটি জাফরান দেখাও!” তখন পাড়ার এক যুবক উঠে তার বাড়িতে দৌড়ে গেল এবং হাতে করে একটি জাফরান-সুগন্ধি নিয়ে এলো। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেটি নিলেন এবং ডালের ডগায় ঘষলেন। অতঃপর তিনি তা দিয়ে থুতুর দাগ মুছে ফেললেন এবং বললেন, “তোমাদের মসজিদগুলোতে জাফরান সুগন্ধি ব্যবহারের প্রথা এখান থেকেই শুরু হয়েছে।” আমরা নবী (সাঃ)-এর সাথে বাতন বুভাদের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলাম। তিনি মাজদি ইবনে আমর আল-জুহানীকে খুঁজছিলেন। আমাদের মধ্যে পাঁচ, ছয় বা সাতজন পালা করে তাঁর উটে চড়ছিলাম। এরপর আনসারদের এক লোকের উটে চড়ার পালা এল। সে উটটিকে হাঁটু গেড়ে বসিয়ে তার উপর চড়ল। তারপর সেটিকে চালাতে লাগল। কিন্তু উটটি এক মুহূর্তের জন্য ইতস্তত করল। সে তাকে বলল: "যাও! আল্লাহ তোমাকে অভিশাপ দিন!" তখন আল্লাহর রাসূল (সাঃ) জিজ্ঞাসা করলেন: "কে তার উটকে অভিশাপ দিচ্ছে?" লোকটি বলল: "আমি, হে আল্লাহর রাসূল! ঐ অভিশপ্ত পশুতে আমাদের সঙ্গী হবেন না! নিজেদেরকে অভিশাপ দেবেন না! আপনাদের সন্তানদের অভিশাপ দেবেন না! আপনাদের সম্পদকে অভিশাপ দেবেন না! আল্লাহকে সেই মুহূর্তে অভিশাপ দেবেন না, যখন তিনি আপনাদের প্রার্থিত বস্তু দান করবেন!" আমরা নবী (সাঃ)-এর সাথে হাঁটতে থাকলাম। যখন সময় হলো এবং আমরা আরবের একটি জলাশয়ের কাছে পৌঁছালাম, তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, “আমাদের আগে কে যাবে চৌবাচ্চা প্রস্তুত করতে, পানি পান করতে এবং আমাদের জন্য পানি নিয়ে আসতে?” জাবির বললেন, “আমি সঙ্গে সঙ্গে উঠে দাঁড়ালাম এবং বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল, এই যে একজন লোক!’” তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “তোমাদের সঙ্গে কে যাবে?” সঙ্গে সঙ্গে জাব্বার ইবনে সাঈ উঠে দাঁড়ালেন এবং আমরা কূপের কাছে গেলাম, চৌবাচ্চায় এক বা দুই বালতি পানি তুললাম এবং তার পাথরগুলো দিয়ে বাঁধলাম। তারপর আমরা পানি তুলতে থাকলাম যতক্ষণ না তা পূর্ণ হলো। প্রথমে এলেন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম), যিনি বললেন, “তোমরা কি পান করবে?” আমরা উত্তর দিলাম, “হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল!” তিনি তাঁর উটটিকে ছেড়ে দিলেন এবং সেটি পানি পান করল। তিনি লাগাম টানলেন, জন্তুটি তার পা দুটি ফাঁক করল এবং প্রস্রাব করল। তারপর তিনি তাকে উল্টে দিলেন এবং তাকে হাঁটু গেড়ে বসালেন। এরপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সিনাগগে এলেন এবং সেখানে ওযু করলেন। তারপর আমি উঠে ঠিক সেই জায়গা থেকেই ওযু করলাম, যেখান থেকে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওযু করেছিলেন। জাব্বার ইবনে সাহর শৌচকর্ম সারতে গেলেন। তারপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নামাজ পড়ার জন্য উঠে দাঁড়ালেন। আমি একটি ডোরাকাটা পোশাক পরেছিলাম এবং আমি সেটির দুই প্রান্ত পেঁচিয়ে ধরার চেষ্টা করলাম। কিন্তু নাগাল পেলাম না। পোশাকটিতে ঝালর ছিল। আমি সেগুলোকে উল্টে দিলাম। তারপর আমি সেটির দুই প্রান্ত পেঁচিয়ে ধরলাম। এরপর আমি সেটি আমার কোলের উপর রাখলাম। এবং আমি এসে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাম পাশে দাঁড়ালাম। তিনি আমাকে ঘুরিয়ে তাঁর ডান পাশে এবং তারপর তাঁর বাম পাশে দাঁড় করালেন। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের দুজনের হাত ধরে ধাক্কা দিয়ে তাঁর পেছনে দাঁড় করালেন। আমি অজান্তেই আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দিকে খেজুর ছুঁড়তে শুরু করলাম। তখন আমি তাঁর উদ্দেশ্য বুঝতে পারলাম। তিনি হাত দিয়ে ইশারা করে বোঝালেন, “তোমার কোমরবন্ধ বাঁধো।” আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত শেষ করে বললেন, “জাবির!” আমি বললাম, “আমি প্রস্তুত, হে আল্লাহর রাসূল!” তিনি বললেন, “যদি চওড়া হয়, তবে দুই প্রান্তের মাঝে পেঁচিয়ে নাও! আর যদি সরু হয়, তবে বোতামের মতো বেঁধে নাও!” আমরা তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে হাঁটতাম। আমাদের প্রত্যেকের দৈনন্দিন খাবার ছিল একটি করে শুকনো খেজুর। তিনি সেটি চুষে তারপর তাঁর পোশাকের ভেতরে রাখতেন। আমরা মাথা নত করে পাতা ঝেড়ে তা খেতাম। এমনকি আমাদের ঠোঁট ব্যথা হয়ে গিয়েছিল। আমি কসম করে বলছি যে, একদিন ভুলবশত আমাদের একজনকে একটি খেজুর দেওয়া হয়নি। আমরা তার দুর্বলতার কারণে তাকে ডেকে আনতে গেলাম এবং সাক্ষ্য দিলাম যে তাকে খেজুর দেওয়া হয়নি। তাকে একটি খেজুর দেওয়া হলো এবং তিনি উঠে সেটি নিলেন। আমরা তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে হাঁটতে লাগলাম। অবশেষে আমরা একটি প্রশস্ত উপত্যকায় নেমে এলাম। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শৌচকর্ম সারতে গেলেন। আমি একটি পানির পাত্র নিয়ে তাঁর পিছু পিছু গেলাম। এরপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চারদিকে তাকালেন, কিন্তু গা ঢাকার মতো কিছুই দেখতে পেলেন না। হঠাৎ উপত্যকার ধারে দুটি গাছ তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করল। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তৎক্ষণাৎ সেগুলোর একটির কাছে গিয়ে একটি ডাল ধরলেন এবং বললেন, "আমার অনুমতিক্রমে আমার বশীভূত হও!" ডালটি তাঁর বশীভূত হয়ে গেল, ঠিক লাগাম পরা একটি অবাধ্য উটের মতো, যা তার মালিকের প্রতি অনুগত থাকে। তিনি অন্য গাছটির কাছে গেলেন, একটি ডাল ধরলেন এবং বললেন, "আমার অনুমতিক্রমে আমার বশ্যতা স্বীকার কর!" সেটিও অন্যটির মতো বশ্যতা স্বীকার করল। যখন তিনি দুটি গাছের মাঝখানে পৌঁছালেন, তখন তিনি তাদের মধ্যকার ফাঁক বন্ধ করে দিলেন (অর্থাৎ, তাদের একত্রিত করলেন) এবং বললেন, "আমার অনুমতিক্রমে আমার বশ্যতা স্বীকার কর!" তিনি বললেন। তারা তৎক্ষণাৎ বন্ধ হয়ে গেল। জাবির (রাঃ) বলেন: আমি ভয়ে দৌড়ে পালালাম যে, আল্লাহর রাসূল (সাঃ) যদি আমার উপস্থিতি টের পান, তবে তিনি সরে যাবেন। (মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ "Feyebteıde"-এর পরিবর্তে "Feyetebe'acıe" বলেছেন)। এবং আমি বসে পড়লাম। আমি নিজের মনেই কথা বলছিলাম। হঠাৎ, আমি আমার পাশে তাকালাম। আর আমি কী দেখলাম? আল্লাহর রাসূল (সাঃ) আসছিলেন। ঐ দুটি গাছ একে অপরের থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছিল এবং প্রতিটি তার কাণ্ডের উপর সোজা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আমি দেখলাম আল্লাহর রাসূল (সাঃ) এক মুহূর্তের জন্য থামলেন। তিনি মাথা দিয়ে ইশারা করলেন। (আবু ইসমাইল মাথা দিয়ে ডানে ও বামে ইশারা করলেন।) তারপর তিনি আমার দিকে হেঁটে এলেন এবং আমার পাশে এসে বললেন, “জাবির! তুমি কি দেখেছো আমি কোথায় দাঁড়িয়েছিলাম?” তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “হে আল্লাহর রাসূল, এর অর্থ কী?” আমি উত্তর দিলাম, “হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল!” তিনি বললেন, “এই দুটি গাছের কাছে যাও এবং প্রত্যেকটি থেকে একটি করে ডাল কাটো। যখন তুমি আমার জায়গায় দাঁড়াবে, তখন একটি ডাল তোমার ডানদিকে এবং একটি তোমার বামদিকে রাখবে।” আমি উঠে দাঁড়ালাম, একটি পাথর তুলে নিলাম, সেটি ভাঙলাম এবং ধারালো করলাম; সেটি আমার জন্য ধারালো হয়ে গেল। আমি দুটি গাছের কাছে গেলাম এবং প্রত্যেকটি থেকে একটি করে ডাল কাটলাম। তারপর আমি সেগুলো টেনে নিয়ে ফিরে এসে সেখানে দাঁড়ালাম যেখানে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়েছিলেন। আমি একটি ডাল আমার ডানদিকে এবং একটি আমার বামদিকে রাখলাম। তারপর আমি তাঁর কাছে গিয়ে বললাম, “আমি তা করেছি, হে আল্লাহর রাসূল! এটা কেন প্রয়োজন ছিল?” তিনি বললেন, “আমি আযাবপ্রাপ্তদের দুটি কবরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম এবং আমার সুপারিশে দোয়া করলাম যে, যতদিন এই ডালগুলো জীবিত থাকবে, তাদের আযাব যেন লাঘব হয়।” এরপর আমরা সেনাবাহিনীর কাছে এলাম। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “জাবির, চিৎকার করে বলো, ‘ওযুর পানি!’” তিনি আদেশ করলেন। আমি চিৎকার করে বললাম, “মনোযোগ! ওযুর পানি! মনোযোগ, ওযুর পানি! মনোযোগ, ওযুর পানি নেই?” আমি বললাম, “হে আল্লাহর রাসূল! আমি কাফেলায় এক ফোঁটাও পানি খুঁজে পাইনি।” আনসারদের একজন লোক একটি খেজুরের ডালে ঝোলানো পুরোনো মশকে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য পানি ঠান্ডা করে রাখতেন। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, “অমুকের ছেলের কাছে যাও এবং দেখো তার মশকের মধ্যে কিছু আছে কি না!” আমি তার কাছে গেলাম এবং মশকের ভেতরে তাকালাম। কিন্তু মশকের মুখে এক ফোঁটা ছাড়া আর কিছুই পেলাম না। আমি যদি তা খালি করে দিতাম, তাহলে মশকের শুকনো অংশ তা পান করে নিত। আমি তৎক্ষণাৎ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললাম, “হে আল্লাহর রাসূল! আমি মশকের মুখে এক ফোঁটা ছাড়া আর কিছুই পাইনি। আমি যদি তা খালি করে দিই, তাহলে মশকের শুকনো অংশ তা পান করে নিত। ওটা আমার কাছে নিয়ে এসো!” তিনি আদেশ করলেন। আমি তৎক্ষণাৎ তা তাঁর কাছে নিয়ে এলাম। তিনি তা হাতে নিলেন এবং এমন কিছু বলতে শুরু করলেন যা আমি বুঝতে পারলাম না। তিনি দুই হাত দিয়ে তা চেপেও ধরছিলেন। তারপর তিনি সেটা আমাকে দিয়ে বললেন: “জাবির! ডাক দাও, ‘একটি বড় বাটি!’” আমি ডাক দিলাম, “হে কাফেলার বাটির মালিক!” তারা তৎক্ষণাৎ সেটা বহন করে আমার কাছে নিয়ে এলো। আমি বাটিটি তাঁর সামনে রাখলাম। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাটির ভেতরে তাঁর হাত দিয়ে এই অঙ্গভঙ্গিটি করলেন। তিনি তাঁর হাত প্রসারিত করলেন এবং আঙ্গুলগুলো আলাদা করলেন। তারপর তিনি বাটির তলায় হাত রেখে বললেন: “জাবির! এটা নাও এবং আমার উপর ঢেলে দাও আর বলো ‘বিসমিল্লাহ!’” আমি তৎক্ষণাৎ তাঁর উপর পানি ঢেলে দিলাম এবং ‘বিসমিল্লাহ’ বললাম। এরপর আমি দেখলাম আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আঙ্গুলের মধ্যে পানি ফুটছে। তারপর বাটিটি ফুটতে লাগল, ঘুরতে লাগল এবং অবশেষে ভরে গেল। তখন তিনি বললেন: “জাবির! যাদের পানির প্রয়োজন তাদের ডাক দাও!” তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। তারপর জামাত এসে তৃপ্তি সহকারে পানি পান করল। আমি বললাম, “আর কি এমন কেউ বাকি আছে যার কোনো কিছুর প্রয়োজন?” অতঃপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পাত্রটির উপর হাত তুললেন, যা পরিপূর্ণ ছিল। তারা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ক্ষুধার কথা জানাল, এবং তিনি বললেন, "আল্লাহ তোমাদের আহার দিন!" তারপর আমরা সমুদ্রের তীরে পৌঁছালাম। সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠল এবং একটি জন্তুকে ছুড়ে দিল। আমরা জন্তুটির অর্ধেক অংশে আগুন জ্বালিয়ে খাবার রান্না করলাম। আমরা সেটিকে ঝলসে নিয়ে পেট ভরে খেলাম। তারপর আমি, অমুক এবং অমুক (তিনি পাঁচজন লোক গণনা করলেন) জন্তুটির চোখের হাড়ের ভেতরে প্রবেশ করলাম। কেউ আমাদের দেখতে পাচ্ছিল না। অবশেষে, আমরা বেরিয়ে এলাম। এবং আমরা এর একটি পাঁজর থেকে একটি পাঁজরের হাড় নিয়ে সেটিকে বাঁকালাম। তারপর আমরা কাফেলার সবচেয়ে বড় মানুষ, সবচেয়ে বড় উট এবং সবচেয়ে বড় কাপড় নিয়ে এলাম। সে সেটির নিচে গেল এবং মাথাও নিচু করল না। এর অর্থ বয়ঃসন্ধির কাছাকাছি একটি শিশু। কেউ কেউ বলেছেন এর অর্থ এমন একটি শিশু যে খাওয়া শুরু করেছে, আবার অন্যরা বলেছেন এর অর্থ পাঁচ বছরের একটি শিশু। যদিও মুসলিমের সকল বর্ণনায় দ্বিতীয় বর্ণনায় ‘ওয়া আহাজতে’ শব্দটির উপর (ওয়া) ব্যবহার করা হয়েছে, নাওয়াভী বলেছেন এটি একটি ভুল এবং এর সঠিক রূপ হলো (এভ)। কারণ এর উদ্দেশ্য হলো এই কামনা করা যে, একজন যেন দুই ডোরাকাটা কাপড়ের তৈরি পোশাক এবং অন্যজন যেন দুই মা'আফিরি কাপড়ের তৈরি পোশাক পরিধান করে। এর অর্থ দুটি পোশাক। কেউ কেউ বলেছেন এর অর্থ দুটি নতুন পোশাক। অভিধানকার আবু উবায়দার মতে, এর অর্থ জাফরান। আসমাঈ বলেছেন এর অর্থ জাফরানের সাথে মিশ্রিত বিভিন্ন সুগন্ধি। তাঁর সংজ্ঞা অনুসারে, ‘খালুক’-এরও একই অর্থ রয়েছে, যা হাদিসেও উদ্দেশ্য করা হয়েছে। বুওয়াদ: এটি জুহাইনা পর্বতমালার একটির নাম।
সহীহ মুসলিম #৭৫১৪ Sahih
সুনান আবু দাউদ : ৫৯
আবু বারজাহ (রাঃ)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌حَفْصُ ​بْنُ ‌عُمَرَ، ‌حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي الْمِنْهَالِ، عَنْ أَبِي بَرْزَةَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الظُّهْرَ إِذَا زَالَتِ الشَّمْسُ وَيُصَلِّي الْعَصْرَ وَإِنَّ أَحَدَنَا لَيَذْهَبُ إِلَى أَقْصَى الْمَدِينَةِ وَيَرْجِعُ وَالشَّمْسُ حَيَّةٌ وَنَسِيتُ الْمَغْرِبَ وَكَانَ لاَ يُبَالِي تَأْخِيرَ الْعِشَاءِ إِلَى ثُلُثِ اللَّيْلِ ‏.‏ قَالَ ثُمَّ قَالَ إِلَى شَطْرِ اللَّيْلِ ‏.‏ قَالَ وَكَانَ يَكْرَهُ النَّوْمَ قَبْلَهَا وَالْحَدِيثَ بَعْدَهَا وَكَانَ يُصَلِّي الصُّبْحَ وَمَا يَعْرِفُ أَحَدُنَا جَلِيسَهُ الَّذِي كَانَ يَعْرِفُهُ وَكَانَ يَقْرَأُ فِيهَا مِنَ السِّتِّينَ إِلَى الْمِائَةِ ‏.‏
আবূ ‌বারযা ​(রাঃ) ‌সূত্রে ‌বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য পশ্চিম দিকে ঢলে পড়লে যুহরের সালাত আদায় করতেন, ‘আসরের সালাত আদায় করতেন ঐ সময় যখন আমাদের কেউ মদীনার শেষ প্রান্তে গিয়ে ফিরে আসতে পারত এবং সূর্যের প্রখরতা বিদ্যমান থাকত। মাগরিবের কথা আমি ভুলে গেছি। ‘ইশার সালাত রাতের তৃতীয়াংশ পর্যন্ত বিলম্ব করতে তিনি পরোয়া করতেন না, কখনো বা অর্ধরাত পর্যন্ত। ‘ইশার সালাতের পূর্বে ঘুমানো ও পরে কথাবার্তা বলা তিনি অপছন্দ করতেন না। তিনি ফজরের সালাত এমন সময় আদায় করতেন যখন আমাদের কেউ তার পার্শ্ববর্তী ব্যক্তিকে চিনতে পারত না। ফজরের সালাতে তিনি ষাট আয়াত থেকে একশত আয়াত পর্যন্ত পাঠ করতেন। [1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
আবু বারজাহ (রাঃ) সুনান আবু দাউদ #৩৯৮ Sahih
সুনান আবু দাউদ : ৬০
Sahih
حَدَّثَنَا ​مُحَمَّدُ ​بْنُ ‌كَثِيرٍ، ‌أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُرَحْبِيلَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَىُّ الذَّنْبِ أَعْظَمُ قَالَ ‏"‏ أَنْ تَجْعَلَ لِلَّهِ نِدًّا وَهُوَ خَلَقَكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَقُلْتُ ثُمَّ أَىٌّ قَالَ ‏"‏ أَنْ تَقْتُلَ وَلَدَكَ مَخَافَةَ أَنْ يَأْكُلَ مَعَكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ قُلْتُ ثُمَّ أَىٌّ قَالَ ‏"‏ أَنْ تُزَانِيَ حَلِيلَةَ جَارِكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى تَصْدِيقَ قَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏{‏ وَالَّذِينَ لاَ يَدْعُونَ مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ وَلاَ يَقْتُلُونَ النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللَّهُ إِلاَّ بِالْحَقِّ وَلاَ يَزْنُونَ ‏}‏ الآيَةَ ‏.‏
আব্দুল্লাহ ​(রাযি.) ​সূত্রে ‌বর্ণিত। ‌তিনি বলেন, একদা আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! সবচেয়ে বড় পাপ কি? তিনি বলেনঃ আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা, অথচ তিনিই তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, তারপর কোনটি? তিনি বললেনঃ তোমার সন্তান তোমার খাদ্যে ভাগ বসাবে এ ভয়ে তাকে হত্যা করা। তিনি বলেন, এরপর কোনটি? তিনি বললেনঃ তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সাথে তোমার যিনা করা। বর্ণনাকারী বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথার সমর্থনে অবতীর্ণ করা হয়ঃ ‘‘যারা আল্লাহর সাথে অন্য কোনো ইলাহকে আহবান করে না এবং আল্লাহর হারাম করা কোনো প্রাণকে অকারণে হত্যা করে না এবং যিনা করে না। তবে যারা এরূপ করে, তারা তাদের পাপের ফল ভোগ করবে।’’[1] সহীহ।
সুনান আবু দাউদ #২৩১০ Sahih