Neighbor সম্পর্কে হাদিস

২৩১ টি প্রামাণিক হাদিস পাওয়া গেছে

হাদিস সংগ্রহ : ১৬১
সা'দ বিন আবি আক্কাস (রাঃ)
Sahih
قال ‌رسول ​الله ​صلى ‌الله عليه وسلم: (للرجل أربع من السعادة والحظ: المرأة الصالحة، والبيت الواسع، والجار الصالح، والمركبة اليسيرة. وأربع من الشقاء والشقاء: جار خائن، وامرأة خائنة، وبيت ضيق، ومركبة سوء). (ابن حبان 4032، بيكبير شعب الإيمان 9556، السلسلة الصحيحة رقم 282)
আল্লাহর ‌রসূল ​(সাল্লাল্লাহু ​‘আলাইহি ‌ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “পুরুষের জন্য সুখ ও সৌভাগ্যের বিষয় হল চারটি; সাধ্বী স্ত্রী, প্রশস্ত বাড়ি, সৎ প্রতিবেশী এবং সচল সওয়ারী (গাড়ি)। আর দুঃখ ও দুর্ভাগ্যের বিষয়ও চারটি; অসৎ প্রতিবেশী, অসতী স্ত্রী, সংকীর্ণ বাড়ি এবং খারাপ সওয়ারী (গাড়ি)।” (ইবনে হিব্বান ৪০৩২, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৯৫৫৬, সিলসিলাহ সহীহাহ ২৮২ নং)
সা'দ বিন আবি আক্কাস (রাঃ) হাদিস সংগ্রহ #১৭৮১ Sahih
হাদিস সংগ্রহ : ১৬২
আয়েশা (রা)
Sahih
عَنْ ‌عَائِشَةَ ​أَنَّ ​النَّبِيَّ ​صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ صِلَةُ الرَّحِمِ وَحُسْنُ الخُلُقِ وَحُسْنُ الْجِوَارِ يُعَمِّرْنَ الدِّيَارَ وَيَزِدْنَ فِي الأَعْمَارِ
নবী ‌(সাল্লাল্লাহু ​‘আলাইহি ​ওয়াসাল্লাম) ​বলেছেন, “আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখা, সুন্দর চরিত্র অবলম্বন করা এবং প্রতিবেশীর সাথে সদ্ব্যবহার রাখায় দেশ আবাদ থাকে এবং আয়ু বৃদ্ধি পায়।” (আহমাদ ২৫২৫৯, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৭৯৬৯, সহীহুল জামে ৩৭৬৭ নং)
আয়েশা (রা) হাদিস সংগ্রহ #১৭৮২ Sahih
হাদিস সংগ্রহ : ১৬৩
আব্দুল্লাহ বিন মাসুদ (রাঃ)
Sahih
عن ​عَبْدِ ‌اللهِ ‌قَالَ ‌رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللهِ أَىُّ الذَّنْبِ أَكْبَرُ عِنْدَ اللهِ قَالَ أَنْ تَدْعُوَ لِلهِ نِدًّا وَهُوَ خَلَقَكَ قَالَ ثُمَّ أَىٌّ قَالَ أَنْ تَقْتُلَ وَلَدَكَ مَخَافَةَ أَنْ يَطْعَمَ مَعَكَ قَالَ ثُمَّ أَىٌّ قَالَ أَنْ تُزَانِىَ حَلِيلَةَ جَارِكَ গ্ধ فَأَنْزَلَ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ تَصْدِيقَهَا (وَالَّذِينَ لاَ يَدْعُونَ مَعَ اللهِ إِلَهًا آخَرَ وَلاَ يَقْتُلُونَ النَّفْسَ الَّتِى حَرَّمَ اللهُ إِلاَّ بِالْحَقِّ وَلاَ يَزْنُونَ وَمَنْ يَفْعَلْ ذَلِكَ يَلْقَ أَثَامًا)
আবদুল্লাহ ​(রা) ‌থেকে ‌এক ‌ব্যক্তি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল, আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বড় পাপ কোনটি? তিনি বললেন, "যে তুমি ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দ্বীকে ডাকবে, যদিও তিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন।" তিনি বললেন, তাহলে কি? তিনি বললেন, "তোমার সন্তানকে হত্যা করলে সে ভয় পায় যে সে তোমার সাথে খাবে।" তারপর তিনি বললেন, "তুমি তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সাথে ব্যভিচার করো।" তারপর সর্বশক্তিমান ঈশ্বর তার বিশ্বাস প্রকাশ করলেন (এবং যারা না তারা ঈশ্বরের সাথে অন্য উপাস্যকে ডাকে, এবং তারা সত্য ব্যতীত ঈশ্বর যে আত্মাকে নিষিদ্ধ করেছেন তাকে হত্যা করে না এবং তারা ব্যভিচার করে না, এবং যে তা করবে তার পাপ হবে।)
আব্দুল্লাহ বিন মাসুদ (রাঃ) হাদিস সংগ্রহ #১৭৮৩ Sahih
হাদিস সংগ্রহ : ১৬৪
Miqdad Bin Aswad
Sahih
"يزْنِيَ ​بِامْرَأَةِ ​جَارِهِ"\n"الزنا ‌مع ​جارية واحدة أعظم من الزنا مع عشر جارات أجنبيات."\nثم قال: "ما تقول في السرقة؟" فقالوا كلهم: حرمه الله ورسوله، فهو حرام. جامع رقم 5043)
একদা ​মহানবী ​(সাল্লাল্লাহু ‌‘আলাইহি ​ওয়াসাল্লাম) সাহাবাগণের উদ্দেশ্যে বললেন, “তোমরা ব্যভিচার সম্বন্ধে কী বল?” সকলে বললেন, ‘আল্লাহ ও তাঁর রসূল হারাম করেছেন, অতএব তা হারাম।’ তিনি বললেন,\n(لَأَنْ يَزْنِيَ الرَّجُلُ بِعَشْرَةِ نِسْوَةٍ أَيْسَرُ عَلَيْهِ مِنْ أَنْ يَزْنِيَ بِامْرَأَةِ جَارِهِ)\n“প্রতিবেশীর নয় এমন ১০টি মহিলার সাথে ব্যভিচার করার চাইতে প্রতিবেশীর ১টি মহিলার সাথে ব্যভিচার অধিকতর নিকৃষ্ট।”\nঅতঃপর বললেন, “তোমরা চুরি সম্বন্ধে কী বল?” সকলে বললেন, ‘আল্লাহ ও তাঁর রসূল হারাম করেছেন, অতএব তা হারাম।’ তিনি বললেন,\n(لَأَنْ يَسْرِقَ الرَّجُلُ مِنْ عَشْرَةِ أَبْيَاتٍ أَيْسَرُ عَلَيْهِ مِنْ أَنْ يَسْرِقَ مِنْ جَارِهِ)\n“প্রতিবেশীর নয় এমন ১০টি বাড়িতে চুরি করার চাইতে প্রতিবেশীর ১টি বাড়িতে চুরি করা অধিকতর নিকৃষ্ট।” (আহমাদ ২৩৮৫৪, বুখারীর আদাব ১০৩, ত্বাবারানী ১৬৯৯৩, সহীহুল জামে ৫০৪৩ নং)
Miqdad Bin Aswad হাদিস সংগ্রহ #১৭৮৪ Sahih
হাদিস সংগ্রহ : ১৬৫
হুযাইফা (রাঃ)
Sahih
عَنْ ‌حُذَيْفَةَ ‌قَالَ ​قَالَ ‌رسول الله ُصَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم (إِنَّ أَخْوَفَ مَا أَخَافُ عَلَيْكُمْ رَجُلٌ قَرَأَ الْقُرْآنَ حَتَّى إِذَا رُئِيَتْ بَهْجَتُهُ عَلَيْهِ وَكَانَ رِدْءاً لِلإِسْلاَمِ انْسَلَخَ مِنْهُ وَنَبَذَهُ وَرَاءَ ظَهْرِهِ وَسَعَى عَلَى جَارِهِ بِالسَّيْفِ وَرَمَاهُ بِالشِّرْكِ) قال : قلت : يا نبي الله أيهما أولى بالشرك المرمي أم الرامي ؟ قال : ( بل الرامي)
রাসূলুল্লাহ ‌(সাল্লাল্লাহু ‌‘আলাইহি ​ওয়াসাল্লাম) ‌বলেছেন, “আমি যে সকল বিষয় তোমাদের জন্য আশঙ্কা করি, তার মধ্যে এমন এক ব্যক্তি, যে কুরআন পড়েছে। পরিশেষে যখন তার মধ্যে কুরআনের মনোহারিত্ব দেখা গেল এবং সে ইসলামের একজন সহায়ক হয়ে গড়ে উঠল, তখন সে তা হতে অপসৃত হল তা নিজ পশ্চাতে নিক্ষেপ করল, নিজ প্রতিবেশীর উপর তরবারি তুলে ধরতে উদ্যত হল এবং তাকে ‘মুশরিক’ বলে অপবাদ দিল।” সাহাবী হুযাইফা ইবনুল য়্যামান বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! ওদের উভয়ের মধ্যে তরবারির যোগ্য কে? অপবাদদাতা, নাকি যাকে অপবাদ দেওয়া হয়েছে সে?’ উত্তরে তিনি বললেন, “বরং অপবাদদাতা।” (ইবনে হিব্বান ৮১, সিঃ সহীহাহ ৩২০১ নং)
হুযাইফা (রাঃ) হাদিস সংগ্রহ #১৮৬৭ Sahih
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১৬৬
আত্বা ইবনু ইয়াসার
Sahih
وَعَنْ ‌عَطَاءِ ‌بْنِ ​يَسَارٍ ​مُرْسَلًا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ: «لَا تَحِلُّ الصَّدَقَةُ لِغَنِيٍّ إِلَّا لِخَمْسَةٍ: لِغَازٍ فِىْ سَبِيلِ اللّهِ أَوْ لِعَامِلٍ عَلَيْهَا أَوْ لِغَارِمٍ أَوْ لِرَجُلٍ اشْتَرَاهَا بِمَالِه أَوْ لِرَجُلٍ كَانَ لَه جَارٌ مِسْكِينٌ فَتَصَدَّقَ عَلَى الْمِسْكِينِ فَأَهْدَى الْمِسْكِيْنُ لِلْغَنِيِّ». رَوَاهُ مَالِكٌ وَأَبُوْ دَاوُدَ
‘আত্বা ‌ইবনু ‌ইয়াসার ​মুরসাল ​পদ্ধতিতে বর্ননা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ধনী লোকের জন্য যাকাতের মাল হালাল নয়। তবে পাঁচ অবস্থায় (১) আল্লাহর পথে জিহাদকারী ধনী [যখন কাছে যুদ্ধ সরঞ্জাম নেই] (২) যাকাত আদায়ে নিযুক্ত ধনী, (৩) জরিমানার হুকুমপ্রাপ্ত ধনী [যা তাকে পরিশোধ করতে হবে। অথচ ঐ সময় এ পরিমাণ সম্পদ তার নেই], (৪) নিজ মালের পরিবর্তে যাকাতের মাল ক্রয়কারী ধনী, (৫) আর ওই ধনীর জন্যও হালাল, যার প্রতিবেশী যাকাতের মাল পেয়ে প্রতিবেশী ধনী ব্যক্তিকে কিছু তোহফা দিয়েছে। (মালিক,আবূ দাঊদ) [১]
আত্বা ইবনু ইয়াসার মিশকাতুল মাসাবীহ #১৮৩৪ Sahih
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১৬৭
আয়েশা (রাঃ)
Sahih
وَعَنْ ​عَائِشَةَ ‌قَالَت: ‌يَا ​رَسُوُل الله إِن لِي جَارَيْنِ فَإِلَى أَيِّهِمَا أُهْدِىْ؟ قَالَ: «إِلى أَقْرَبِهِمَا مِنْكِ بَابًا» . رَوَاهُ البُخَارِيُّ
তিনি ​বলেন, ‌হে ‌আল্লাহর ​রাসূল! আমার দু’জন প্রতিবেশী আছে। এ দু’জনের মধ্যে কাকে আমি হাদিয়্যাহ্ (উপহার) দেব? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এ দু’জনের যার ঘরের দরজা তোমার বেশী নিকটবর্তী। (বুখারী) [১]
আয়েশা (রাঃ) মিশকাতুল মাসাবীহ #১৯৩৭ Sahih
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১৬৮
রায়দাহ্
Sahih
وَعَنْ ​بُرَيْدَةَ ​قَالَ: ‌شَكَا ‌خَالِدُ بْنُ الْوَلِيدِ إِلَى النَّبِىِّ ﷺ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللهِ مَا أَنَامُ مِنَ اللَّيْلَ مِنَ الْأَرَقِ فَقَالَ نَبِىُّ اللّٰهِ ﷺ: «إِذَا أَوَيْتَ إِلٰى فِرَاشِكَ فَقُلْ: اَللّٰهُمَّ رَبَّ السَّمَاوَاتِ السَّبْعِ وَمَا أَظَلَّتْ وَرَبَّ الْأَرَضِينَ وَمَا أَقَلَّتْ وَرَبَّ الشَّيَاطِينِ وَمَا أَضَلَّتْ كُنْ لِّىْ جَارًا مِّنْ شَرِّ خَلْقِكَ كُلِّهِمْ جَمِيعًا أَنْ يَّفْرُطَ عَلَىَّ أَحَدٌ مِنْهُمْ أَوْ أَنْ يَبْغِىَ عَزَّ جَارُكَ وَجَلَّ ثَنَاؤُكَ وَلَا إِلٰهَ غَيْرُكَ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ». رَوَاهُ التِّرْمِذِىُّ وَقَالَ هٰذَا حَدِيثٌ لَيْسَ إِسْنَادُه بِالْقَوِىِّ وَالْحَكَمُ بْنُ ظُهَيْرٍ الرَّاوِىْ قَدْ تَرَكَ حَدِيْثَه بَعْضُ أَهْلِ الْحَدِيْثِ
বুরাইদাহ ​(রাঃ)-এর ​সূত্রে ‌তিনি ‌বলেন: খালেদ বিন আল-ওয়ালিদ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে অভিযোগ করলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসূল, আমি অনিদ্রার কারণে রাতে ঘুমাই না। আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: “যখন আপনি বিছানায় যাবেন, তখন বলুন: হে আল্লাহ, সাত আসমানের প্রভু, তারা যা ছায়া দেয়, যমীনের প্রভু এবং তারা যা ছোট করে, এবং শয়তানের প্রভু এবং তারা যা হয় আমার প্রতিবেশী আপনার সমস্ত সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে বিপথগামী হয়েছে, পাছে তাদের মধ্যে কেউ গাফিলতি করে আপনার প্রতিবেশীকে সম্মানিত করতে পারে এবং তাদের কারও প্রতি সম্মানিত হতে পারে। তুমি ছাড়া কোন উপাস্য নেই, তুমি ছাড়া কোন উপাস্য নেই।" এটি আল-তিরমিযী বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন: এটি এমন একটি হাদীস যার বর্ণনার ধারা শক্তিশালী নয় এবং বর্ণনাকারী আল-হাকাম ইবনে যুহাইর এটিকে ছেড়ে দিয়েছেন তার হাদীসটি হাদীসের কিছু লোক বর্ণনা করেছেন।
রায়দাহ্ মিশকাতুল মাসাবীহ #২৪১২ Sahih
মুসনাদে আহমদ : ১৬৯
It Was
Sahih
حَدَّثَنَا ‌عَبْدُ ‌الرَّزَّاقِ، ‌أَنْبَأَنَا ‌مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي ثَوْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ لَمْ أَزَلْ حَرِيصًا عَلَى أَنْ أَسْأَلَ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ الْمَرْأَتَيْنِ مِنْ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اللَّتَيْنِ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى ‏{‏إِنْ تَتُوبَا إِلَى اللَّهِ فَقَدْ صَغَتْ قُلُوبُكُمَا‏}‏ حَتَّى حَجَّ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَحَجَجْتُ مَعَهُ فَلَمَّا كُنَّا بِبَعْضِ الطَّرِيقِ عَدَلَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَعَدَلْتُ مَعَهُ بِالْإِدَاوَةِ فَتَبَرَّزَ ثُمَّ أَتَانِي فَسَكَبْتُ عَلَى يَدَيْهِ فَتَوَضَّأَ فَقُلْتُ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ مَنْ الْمَرْأَتَانِ مِنْ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اللَّتَانِ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى ‏{‏إِنْ تَتُوبَا إِلَى اللَّهِ فَقَدْ صَغَتْ قُلُوبُكُمَا‏}‏ فَقَالَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَاعَجَبًا لَكَ يَا ابْنَ عَبَّاسٍ قَالَ الزُّهْرِيُّ كَرِهَ وَاللَّهِ مَا سَأَلَهُ عَنْهُ وَلَمْ يَكْتُمْهُ عَنْهُ قَالَ هِيَ حَفْصَةُ وَعَائِشَةُ قَالَ ثُمَّ أَخَذَ يَسُوقُ الْحَدِيثَ قَالَ كُنَّا مَعْشَرَ قُرَيْشٍ قَوْمًا نَغْلِبُ النِّسَاءَ فَلَمَّا قَدِمْنَا الْمَدِينَةَ وَجَدْنَا قَوْمًا تَغْلِبُهُمْ نِسَاؤُهُمْ فَطَفِقَ نِسَاؤُنَا يَتَعَلَّمْنَ مِنْ نِسَائِهِمْ قَالَ وَكَانَ مَنْزِلِي فِي بَنِي أُمَيَّةَ بْنِ زَيْدٍ بِالْعَوَالِي قَالَ فَتَغَضَّبْتُ يَوْمًا عَلَى امْرَأَتِي فَإِذَا هِيَ تُرَاجِعُنِي فَأَنْكَرْتُ أَنْ تُرَاجِعَنِي فَقَالَتْ مَا تُنْكِرُ أَنْ أُرَاجِعَكَ فَوَاللَّهِ إِنَّ أَزْوَاجَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيُرَاجِعْنَهُ وَتَهْجُرُهُ إِحْدَاهُنَّ الْيَوْمَ إِلَى اللَّيْلِ قَالَ فَانْطَلَقْتُ فَدَخَلْتُ عَلَى حَفْصَةَ فَقُلْتُ أَتُرَاجِعِينَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَتْ نَعَمْ قُلْتُ وَتَهْجُرُهُ إِحْدَاكُنَّ الْيَوْمَ إِلَى اللَّيْلِ قَالَتْ نَعَمْ قُلْتُ قَدْ خَابَ مَنْ فَعَلَ ذَلِكَ مِنْكُنَّ وَخَسِرَ أَفَتَأْمَنُ إِحْدَاكُنَّ أَنْ يَغْضَبَ اللَّهُ عَلَيْهَا لِغَضَبِ رَسُولِهِ فَإِذَا هِيَ قَدْ هَلَكَتْ لَا تُرَاجِعِي رَسُولَ اللَّهِ وَلَا تَسْأَلِيهِ شَيْئًا وَسَلِينِي مَا بَدَا لَكِ وَلَا يَغُرَّنَّكِ إِنْ كَانَتْ جَارَتُكِ هِيَ أَوْسَمَ وَأَحَبَّ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ مِنْكِ يُرِيدُ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَ وَكَانَ لِي جَارٌ مِنْ الْأَنْصَارِ وَكُنَّا نَتَنَاوَبُ النُّزُولَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَيَنْزِلُ يَوْمًا وَأَنْزِلُ يَوْمًا فَيَأْتِينِي بِخَبَرِ الْوَحْيِ وَغَيْرِهِ وَآتِيهِ بِمِثْلِ ذَلِكَ قَالَ وَكُنَّا نَتَحَدَّثُ أَنَّ غَسَّانَ تُنْعِلُ الْخَيْلَ لِتَغْزُوَنَا فَنَزَلَ صَاحِبِي يَوْمًا ثُمَّ أَتَانِي عِشَاءً فَضَرَبَ بَابِي ثُمَّ نَادَانِي فَخَرَجْتُ إِلَيْهِ فَقَالَ حَدَثَ أَمْرٌ عَظِيمٌ قُلْتُ وَمَاذَا أَجَاءَتْ غَسَّانُ قَالَ لَا بَلْ أَعْظَمُ مِنْ ذَلِكَ وَأَطْوَلُ طَلَّقَ الرَّسُولُ نِسَاءَهُ فَقُلْتُ قَدْ خَابَتْ حَفْصَةُ وَخَسِرَتْ قَدْ كُنْتُ أَظُنُّ هَذَا كَائِنًا حَتَّى إِذَا صَلَّيْتُ الصُّبْحَ شَدَدْتُ عَلَيَّ ثِيَابِي ثُمَّ نَزَلْتُ فَدَخَلْتُ عَلَى حَفْصَةَ وَهِيَ تَبْكِي فَقُلْتُ أَطَلَّقَكُنَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ لَا أَدْرِي هُوَ هَذَا مُعْتَزِلٌ فِي هَذِهِ الْمَشْرُبَةِ فَأَتَيْتُ غُلَامًا لَهُ أَسْوَدَ فَقُلْتُ اسْتَأْذِنْ لِعُمَرَ فَدَخَلَ الْغُلَامُ ثُمَّ خَرَجَ إِلَيَّ فَقَالَ قَدْ ذَكَرْتُكَ لَهُ فَصَمَتَ فَانْطَلَقْتُ حَتَّى أَتَيْتُ الْمِنْبَرَ فَإِذَا عِنْدَهُ رَهْطٌ جُلُوسٌ يَبْكِي بَعْضُهُمْ فَجَلَسْتُ قَلِيلًا ثُمَّ غَلَبَنِي مَا أَجِدُ فَأَتَيْتُ الْغُلَامَ فَقُلْتُ اسْتَأْذِنْ لِعُمَرَ فَدَخَلَ الْغُلَامُ ثُمَّ خَرَجَ عَلَيَّ فَقَالَ قَدْ ذَكَرْتُكَ لَهُ فَصَمَتَ فَخَرَجْتُ فَجَلَسْتُ إِلَى الْمِنْبَرِ ثُمَّ غَلَبَنِي مَا أَجِدُ فَأَتَيْتُ الْغُلَامَ فَقُلْتُ اسْتَأْذِنْ لِعُمَرَ فَدَخَلَ ثُمَّ خَرَجَ إِلَيَّ فَقَالَ قَدْ ذَكَرْتُكَ لَهُ فَصَمَتَ فَوَلَّيْتُ مُدْبِرًا فَإِذَا الْغُلَامُ يَدْعُونِي فَقَالَ ادْخُلْ فَقَدْ أَذِنَ لَكَ فَدَخَلْتُ فَسَلَّمْتُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَإِذَا هُوَ مُتَّكِئٌ عَلَى رَمْلِ حَصِيرٍ ح و حَدَّثَنَاه يَعْقُوبُ فِي حَدِيثِ صَالِحٍ قَالَ رُمَالِ حَصِيرٍ قَدْ أَثَّرَ فِي جَنْبِهِ فَقُلْتُ أَطَلَّقْتَ يَا رَسُولَ اللَّهِ نِسَاءَكَ فَرَفَعَ رَأْسَهُ إِلَيَّ وَقَالَ لَا فَقُلْتُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَوْ رَأَيْتَنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَكُنَّا مَعْشَرَ قُرَيْشٍ قَوْمًا نَغْلِبُ النِّسَاءَ فَلَمَّا قَدِمْنَا الْمَدِينَةَ وَجَدْنَا قَوْمًا تَغْلِبُهُمْ نِسَاؤُهُمْ فَطَفِقَ نِسَاؤُنَا يَتَعَلَّمْنَ مِنْ نِسَائِهِمْ فَتَغَضَّبْتُ عَلَى امْرَأَتِي يَوْمًا فَإِذَا هِيَ تُرَاجِعُنِي فَأَنْكَرْتُ أَنْ تُرَاجِعَنِي فَقَالَتْ مَا تُنْكِرُ أَنْ أُرَاجِعَكَ فَوَاللَّهِ إِنَّ أَزْوَاجَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيُرَاجِعْنَهُ وَتَهْجُرُهُ إِحْدَاهُنَّ الْيَوْمَ إِلَى اللَّيْلِ فَقُلْتُ قَدْ خَابَ مَنْ فَعَلَ ذَلِكَ مِنْهُنَّ وَخَسِرَ أَفَتَأْمَنُ إِحْدَاهُنَّ أَنْ يَغْضَبَ اللَّهُ عَلَيْهَا لِغَضَبِ رَسُولِهِ فَإِذَا هِيَ قَدْ هَلَكَتْ فَتَبَسَّمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَدَخَلْتُ عَلَى حَفْصَةَ فَقُلْتُ لَا يَغُرُّكِ إِنْ كَانَتْ جَارَتُكِ هِيَ أَوْسَمَ وَأَحَبَّ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْكِ فَتَبَسَّمَ أُخْرَى فَقُلْتُ أَسْتَأْنِسُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ نَعَمْ فَجَلَسْتُ فَرَفَعْتُ رَأْسِي فِي الْبَيْتِ فَوَاللَّهِ مَا رَأَيْتُ فِيهِ شَيْئًا يَرُدُّ الْبَصَرَ إِلَّا أَهَبَةً ثَلَاثَةً فَقُلْتُ ادْعُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَنْ يُوَسِّعَ عَلَى أُمَّتِكَ فَقَدْ وُسِّعَ عَلَى فَارِسَ وَالرُّومِ وَهُمْ لَا يَعْبُدُونَ اللَّهَ فَاسْتَوَى جَالِسًا ثُمَّ قَالَ أَفِي شَكٍّ أَنْتَ يَا ابْنَ الْخَطَّابِ أُولَئِكَ قَوْمٌ عُجِّلَتْ لَهُمْ طَيِّبَاتُهُمْ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا فَقُلْتُ اسْتَغْفِرْ لِي يَا رَسُولَ اللَّهِ وَكَانَ أَقْسَمَ أَنْ لَا يَدْخُلَ عَلَيْهِنَّ شَهْرًا مِنْ شِدَّةِ مَوْجِدَتِهِ عَلَيْهِنَّ حَتَّى عَاتَبَهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ‏.‏
আব্দুর ‌রাজ্জাক ‌আমাদেরকে ‌বলেছেন, ‌মুয়াম্মার আমাদেরকে বলেছেন, আল-যুহরীর সূত্রে, উবায়দ আল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবি সাওর থেকে, ইবনে আব্বাসের সূত্রে, আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন। তাদের সম্পর্কে, তিনি বলেন: আমি এখনও ওমর বিন আল-খাত্তাবকে জিজ্ঞাসা করতে আগ্রহী, আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন, নবীর স্ত্রীদের মধ্য থেকে দু'জন মহিলা সম্পর্কে, আল্লাহ তাঁর উপর বরকত বর্ষণ করুন। তার উপর এবং তাকে শান্তি দান করুন, যা সর্বশক্তিমান আল্লাহ বলেছেন {যদি আপনি আল্লাহর কাছে তওবা করেন, তবে আপনার হৃদয় ইচ্ছুক ছিল} যতক্ষণ না ওমর হজ করেন, আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হন এবং আমি তার সাথে হজ করি। যখন কোনভাবে, ওমর (রাঃ) আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হন, তার সাথে শান্তি স্থাপন করেন এবং আমি তার সাথে ভাল ব্যবহার করি এবং সে মলত্যাগ করে, তখন সে আমার কাছে আসে এবং আমি তার উপর পানি ঢেলে দিলাম। তার হাত এবং তিনি অযু করলেন, এবং আমি বললাম, হে ঈমানদার সেনাপতি, নবীর স্ত্রীদের মধ্য থেকে দু'জন মহিলার মধ্যে কে, আল্লাহ তার উপর বরকত বর্ষণ করুন এবং তাকে শান্তি দান করুন, যাকে মহান আল্লাহ বলেছেন {যদি আপনি আল্লাহর কাছে তওবা করেন, তবে অবশ্যই আপনার হৃদয় ইচ্ছুক হয়েছে।} তখন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, "হে আব্বাস, আমি আব্বাস (রাঃ)।" আল-জুহরি বলেছিলেন যে তিনি ঈশ্বরকে ঘৃণা করেন, তিনি তাকে এটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেননি এবং তার কাছ থেকে এটি গোপন করেননি। তিনি বললেন, হাফসা ও আয়েশা। তারপর তিনি হাদীস বর্ণনা করতে লাগলেন। তিনি বললেন, আমরা কুরাইশদের একটি দল ছিলাম। আমরা নারীদের আধিপত্যের জাতি। আমরা যখন মদিনায় আসি, তখন আমরা এমন এক লোককে পেলাম যারা তাদের নারীদের দ্বারা আধিপত্য বিস্তার করেছিল। তাই আমাদের নারীরা তাদের নারীদের কাছ থেকে শিখতে শুরু করে। তিনি বললেন, এবং আমার বাড়িটি ছিল বনি উমাইয়া বিন যায়েদ আল-আওয়ালিতে। তিনি বলেন, “একদিন আমি আমার স্ত্রীর উপর রাগ করেছিলাম এবং সে আমার সাথে চেক করছিল। সে আমার সাথে চেক করতে অস্বীকার করেছিল, তাই সে বলল, 'কী? অস্বীকার যে আমি তোমাকে ফিরিয়ে নিতে চাই। আল্লাহর শপথ, নবীর স্ত্রীগণ, আল্লাহ তাঁর উপর রহমত বর্ষণ করুন এবং তাঁকে শান্তি দান করুন, তাঁর স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেবেন এবং তাদের একজন তাঁকে ছেড়ে যাবেন আজ পর্যন্ত। রাত্রি, তিনি বললেন, তাই আমি রওনা হলাম এবং হাফসার কাছে গেলাম এবং বললাম, "তোমাদের মধ্যে কেউ কি আল্লাহর রাসূলের কাছে ফিরে যাবে, আল্লাহ তাকে শান্তি বর্ষিত করুন?" সে বলল, "হ্যাঁ।" আমি বললাম, "তোমাদের কেউ কি তাকে পরিত্যাগ করবে?" আজ থেকে রাত পর্যন্ত, সে বলল, "হ্যাঁ।" আমি বললাম, "তোমাদের মধ্যে যে এটা করেছে সে হতাশ হয়েছে এবং হেরে গেছে, তোমাদের কেউ কি আল্লাহর গজব থেকে নিরাপদ?" তার রাসূলের ক্রোধের কারণে তার বিরুদ্ধে। যদি তাকে হত্যা করা হয়, তবে আল্লাহর রসূলের কাছে ফিরে যাবেন না, তাকে কিছু জিজ্ঞাসা করবেন না এবং আপনি যা চান তা আমাকে জিজ্ঞাসা করুন, এবং যদি তা হয় তবে তিনি আপনাকে প্রতারণা করবেন না। তোমার প্রতিবেশী তোমার চেয়ে আল্লাহর রাসূলের কাছে অধিক সুন্দর ও প্রিয়। তিনি আয়েশাকে চান, ঈশ্বর যেন তার প্রতি সন্তুষ্ট হন। তিনি বলেন, “আমার একজন আনসার প্রতিবেশী ছিল, এবং আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে পালাক্রমে নামতে যাচ্ছিলাম, এবং তিনি একদিন নেমে আসেন, এবং আমি অন্য দিন নেমে আসি, এবং তিনি আমাকে ওহী এবং অন্যান্য বিষয়ের খবর দেন এবং আমি তার কাছে আসি, একইভাবে, তিনি বলেন, এবং আমরা কথা বলছিলাম যে, গাসসান ঘোড়ায় জুতা মারছিল, এক দিন সন্ধ্যায় সে আমার বন্ধুকে আক্রমণ করতে এসেছিল এবং সে আমার কাছে নেমে আসে। আমার দরজায় ধাক্কা দিল, তারপর তিনি আমাকে ডাকলেন, তাই আমি তার কাছে গেলাম এবং বললাম, "একটি মহান ঘটনা ঘটেছে।" আমি বললাম, "সে আমার জন্য কি এনেছে?" গাসসান বললো, "না, তার চেয়েও বড় এবং দীর্ঘ।" রাসূল তার স্ত্রীদেরকে তালাক দিয়েছিলেন। তাই বললাম, হাফসা হতাশ হয়ে হারিয়ে গেছে। আমি ছিলাম এমনটা ঘটবে ভেবে ফজরের নামায পড়ার পর আমি আমার কাপড় টেনে নিলাম, তারপর নিচে নেমে প্রবেশ করলাম। হাফসা যখন কাঁদছিল তখন আমি বললাম, “আল্লাহর রসূল কি তোমাকে তালাক দেবেন? তিনি বললেন, "আমি জানি না, এই লোকটি কি এই জায়গায় নিজেকে আলাদা করে রেখেছে?" অতঃপর আমি একটি কালো ছেলের কাছে এলাম, আমি বললাম, ওমরের অনুমতি চাও, এবং ছেলেটি প্রবেশ করল এবং তারপর আমার কাছে এসে বলল, আমি তার কাছে তোমার কথা উল্লেখ করেছি, তাই সে চুপ থাকল এবং আমি চলে গেলাম। যতক্ষণ না আমি মিম্বরে আসলাম, এবং হঠাৎ একদল লোক সেখানে বসে আছে, তাদের মধ্যে কেউ কেউ কাঁদছে। আমি কিছুক্ষণ বসে থাকলাম, তারপর আমি যা অনুভব করলাম তাতে আমি কাবু হয়ে গেলাম, তাই আমি ছেলেটির কাছে গিয়ে বললাম, "অনুমতি নিন।" ওমরের কাছে, অতঃপর বালকটি ভিতরে এলো, তারপর সে আমার কাছে বেরিয়ে এল এবং বলল, "আমি তোমাকে তার কাছে উল্লেখ করেছি," তাই তিনি চুপ থাকলেন, তাই আমি বাইরে গিয়ে মিম্বরে বসলাম, তারপর যা পেলাম তা আমাকে অভিভূত করল। তাই আমি ছেলেটির কাছে এসে বললাম, ওমরের অনুমতি নিন। তিনি প্রবেশ করলেন এবং তারপর আমার কাছে এসে বললেন, "আমি তাকে আপনার কথা উল্লেখ করেছি।" তাই সে চুপ করে রইল, তাই আমি মুখ ফিরিয়ে নিলাম, আর দেখ, ছেলেটি আমাকে ডাকছে। তিনি বললেন, প্রবেশ কর, তিনি তোমাকে অনুমতি দিয়েছেন, তাই আমি প্রবেশ করলাম এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সালাম দিলাম এবং দেখ, তিনি একটি বালির মাদুরে হেলান দিয়ে বসে আছেন। ইয়াকুব আমাদেরকে একটি সহীহ হাদীসে বলেছেন। তিনি বললেন, “হাসিরের বালি তার পাশকে প্রভাবিত করেছিল, তাই আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল, আপনি কি আপনার স্ত্রীদের তালাক দিয়েছেন?’ তিনি আমার দিকে মাথা তুলে বললেন, ‘না’। তাই আমি বললাম, “আল্লাহ মহান, হে আল্লাহর রসূল, আপনি যদি আমাদের দেখেন এবং আমরা কুরাইশদের একটি দল, যারা পরাজিত হয়েছিল নারী।" আমরা যখন মদিনায় আসি, তখন আমরা এমন এক সম্প্রদায়কে পেলাম যাদের নারীরা তাদের উপর প্রাধান্য পেয়েছে, ফলে আমাদের নারীরা তাদের নারীদের কাছ থেকে শিক্ষা নিতে শুরু করেছে। তারপর একদিন আমি আমার স্ত্রীর উপর রেগে গেলাম, এবং দেখ, সে আমার জন্য অজুহাত তৈরি করছে। তিনি আমার সাথে পরামর্শ করতে অস্বীকার করলেন, তাই তিনি বললেন, “আমি আপনার সাথে পরামর্শ করতে অস্বীকার করছ কেন? খোদার কসম, আল্লাহর রসূলের স্ত্রীগণ, আল্লাহ তাকে বরকত দান করুন এবং তাকে শান্তি দান করুন, তারা এটি পর্যালোচনা করতে যাচ্ছেন।" এবং তাদের একজন আজ রাত না হওয়া পর্যন্ত তাকে পরিত্যাগ করছে, তাই আমি বললাম: তাদের মধ্যে যে এটি করেছে সে হতাশ এবং হারিয়ে গেছে। তাদের একজন কি আল্লাহর গজব থেকে নিরাপদ? তাঁর রসূলের ক্রোধের কারণে তার বিরুদ্ধে, এবং যখন সে মারা গেল, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুচকি হেসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল, তাই আমি হাফসার কাছে প্রবেশ করলাম। তাই আমি বললাম, "তোমার প্রতিবেশী যদি তোমার চেয়ে আল্লাহর রাসূলের কাছে অধিক সুন্দর ও প্রিয় হয়, তাহলে প্রতারিত হবেন না।" তারপরে অন্য একজন মহিলা হাসলেন, তাই আমি বললাম, "আমি এটা সহজভাবে নেব।" হে আল্লাহর রসূল, তিনি বললেন, হ্যাঁ, তাই আমি ঘরে বসে মাথা তুললাম, এবং খোদার কসম, আমি এতে এমন কিছু দেখতে পেলাম না যা দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেবে শুধু একটি নিস্তেজতা ছাড়া। তিনবার, তাই আমি বললাম, "হে আল্লাহর রসূল, প্রার্থনা করুন যাতে এটি আপনার জাতির কাছে প্রসারিত হয়, যেমন এটি পারস্য এবং রোমানদের কাছে প্রসারিত হয়েছে এবং তারা ঈশ্বরের উপাসনা করে না।" অতঃপর তিনি উঠে বসলেন, তারপর বললেন, হে ইবনুল খাত্তাব, তোমার কি কোন সন্দেহ আছে? এরা এমন লোক যাদের জন্য পার্থিব জীবনে তাদের সৎকাজ ত্বরান্বিত হয়েছিল। তাই আমি বললাম, হে রাসূল, আমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন। খোদার কসম, তিনি তাদের সাথে এক মাস না কাটানোর শপথ নিয়েছিলেন তাদের প্রতি তার অনুভূতি, যতক্ষণ না সর্বশক্তিমান ঈশ্বর তাকে তিরস্কার করেন।
It Was মুসনাদে আহমদ #২২২ Sahih
মুসনাদে আহমদ : ১৭০
It Was
Sahih
حَدَّثَنَا ​يَزِيدُ، ‌أَنْبَأَنَا ‌أَصْبَغُ، ​عَنْ أَبِي الْعَلَاءِ الشَّامِيِّ، قَالَ لَبِسَ أَبُو أُمَامَةَ ثَوْبًا جَدِيدًا فَلَمَّا بَلَغَ تَرْقُوَتَهُ قَالَ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي كَسَانِي مَا أُوَارِي بِهِ عَوْرَتِي وَأَتَجَمَّلُ بِهِ فِي حَيَاتِي ثُمَّ قَالَ سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ اسْتَجَدَّ ثَوْبًا فَلَبِسَهُ فَقَالَ حِينَ يَبْلُغُ تَرْقُوَتَهُ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي كَسَانِي مَا أُوَارِي بِهِ عَوْرَتِي وَأَتَجَمَّلُ بِهِ فِي حَيَاتِي ثُمَّ عَمَدَ إِلَى الثَّوْبِ الَّذِي أَخْلَقَ أَوْ قَالَ أَلْقَى فَتَصَدَّقَ بِهِ كَانَ فِي ذِمَّةِ اللَّهِ تَعَالَى وَفِي جِوَارِ اللَّهِ وَفِي كَنَفِ اللَّهِ حَيًّا وَمَيِّتًا حَيًّا وَمَيِّتًا حَيًّا وَمَيِّتًا ‏.‏
ইয়াযীদ ​আমাদেরকে ‌বলেছেন, ‌আসবাগ ​আমাদেরকে বলেছেন, আবু আল-আলা' আল-শামীর সূত্রে, তিনি বলেছেন: আবু উমামা একটি নতুন পোশাক পরলেন, এবং যখন তা তার কলার হাড়ে পৌঁছে তখন তিনি বললেন, "আল্লাহর প্রশংসা।" যিনি আমাকে এমন পোশাক দিয়েছেন যা দিয়ে আমি আমার গোপনাঙ্গ ঢেকে রাখতে পারি এবং আমার জীবনে নিজেকে সুন্দর করতে পারি। অতঃপর তিনি বললেন, আমি ওমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) কে বলতে শুনেছি। তিনি বললেনঃ আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উপর বরকত বর্ষণ করুন, যে ব্যক্তি একটি পোশাকের জন্য ভিক্ষা করে এবং এটি পরিয়ে দেয় এবং যখন তা তার কলার হাড়ে পৌঁছে যায় তখন বলে, আল্লাহর প্রশংসা যিনি আমাকে এমন পোশাক পরিয়ে দিয়েছেন যা আমার গোপনাঙ্গ আবৃত করেছে। এবং আমি আমার জীবদ্দশায় এটি দিয়ে নিজেকে সজ্জিত করি, তারপর তিনি যে পোশাকটি তৈরি করেছিলেন তার কাছে গিয়েছিলেন বা তিনি বলেছিলেন যে তিনি নিক্ষেপ করেছিলেন এবং তিনি তা দান করেছিলেন। তিনি সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের সুরক্ষায় ছিলেন। এবং ঈশ্বরের পাড়ায় এবং ঈশ্বরের আশ্রয়ে, জীবিত এবং মৃত, জীবিত এবং মৃত, জীবিত এবং মৃত।
It Was মুসনাদে আহমদ #৩০৫ Sahih
মুসনাদে আহমদ : ১৭১
It Was
Sahih
حَدَّثَنَا ​يَزِيدُ، ​أَخْبَرَنَا ‌جَرِيرٌ، ‌أَنْبَأَنَا الزُّبَيْرُ بْنُ الْخِرِّيتِ، عَنْ أَبِي لَبِيدٍ، قَالَ خَرَجَ رَجُلٌ مِنْ طَاحِيَةَ مُهَاجِرًا يُقَالُ لَهُ بَيْرَحُ بْنُ أَسَدٍ فَقَدِمَ الْمَدِينَةَ بَعْدَ وَفَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِأَيَّامٍ فَرَآهُ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَعَلِمَ أَنَّهُ غَرِيبٌ فَقَالَ لَهُ مَنْ أَنْتَ قَالَ مِنْ أَهْلِ عُمَانَ قَالَ نَعَمْ قَالَ فَأَخَذَ بِيَدِهِ فَأَدْخَلَهُ عَلَى أَبِي بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَقَالَ هَذَا مِنْ أَهْلِ الْأَرْضِ الَّتِي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنِّي لَأَعْلَمُ أَرْضًا يُقَالُ لَهَا عُمَانُ يَنْضَحُ بِنَاحِيَتِهَا الْبَحْرُ بِهَا حَيٌّ مِنْ الْعَرَبِ لَوْ أَتَاهُمْ رَسُولِي مَا رَمَوْهُ بِسَهْمٍ وَلَا حَجَرٍ ‏.‏
ইয়াযীদ ​আমাদেরকে ​বলেছেন, ‌জারির ‌আমাদেরকে বলেছেন, আল-জুবায়ের বিন আল-খারিত আমাদেরকে বলেছেন, আবু লাবিদের সূত্রে, তিনি বলেছেন: তাহিয়াহ থেকে এক ব্যক্তি বের হয়েছিল, একজন অভিবাসী, যার নাম বায়রাহ বিন একটি সিংহ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মৃত্যুর কয়েকদিন পর মদিনায় এসেছিল, আল্লাহ তাঁর উপর রহমত বর্ষণ করুন এবং তাঁকে শান্তি দান করুন এবং ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁকে দেখেছিলেন এবং তিনি তাঁর সাথে পরিচিত হন। তিনি তাকে বললেন, তুমি কে? তিনি বললেন, ওমানের জনগণের পক্ষ থেকে। তিনি বললেন, "হ্যাঁ," তিনি বললেন। অতঃপর তিনি তার হাতটি নিয়ে আবু বকর (রা.)-এর কাছে নিয়ে এলেন এবং তিনি বললেন। এটি সেই দেশের একজন লোক যাকে আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: আমি ওমান নামক একটি ভূখণ্ডের কথা জানি যেটি পানিশূন্য হয়ে যাচ্ছে। কাছেই সমুদ্র, আর আছে আরবদের পাড়া। আমার রসূল যদি তাদের কাছে আসতেন তবে তারা তাকে তীর বা পাথর দিয়ে মারতো না।
It Was মুসনাদে আহমদ #৩০৮ Sahih
মুসনাদে আহমদ : ১৭২
It Was
Sahih
حَدَّثَنَا ​عَبْدُ ‌الرَّحْمَنِ، ‌حَدَّثَنَا ‌سُفْيَانُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبَايَةَ بْنِ رِفَاعَةَ، قَالَ بَلَغَ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ سَعْدًا لَمَّا بَنَى الْقَصْرَ قَالَ انْقَطَعَ الصُّوَيْتُ فَبَعَثَ إِلَيْهِ مُحَمَّدَ بْنَ مَسْلَمَةَ فَلَمَّا قَدِمَ أَخْرَجَ زَنْدَهُ وَأَوْرَى نَارَهُ وَابْتَاعَ حَطَبًا بِدِرْهَمٍ وَقِيلَ لِسَعْدٍ إِنَّ رَجُلًا فَعَلَ كَذَا وَكَذَا فَقَالَ ذَاكَ مُحَمَّدُ بْنُ مَسْلَمَةَ فَخَرَجَ إِلَيْهِ فَحَلَفَ بِاللَّهِ مَا قَالَهُ فَقَالَ نُؤَدِّي عَنْكَ الَّذِي تَقُولُهُ وَنَفْعَلُ مَا أُمِرْنَا بِهِ فَأَحْرَقَ الْبَابَ ثُمَّ أَقْبَلَ يَعْرِضُ عَلَيْهِ أَنْ يُزَوِّدَهُ فَأَبَى فَخَرَجَ فَقَدِمَ عَلَى عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَهَجَّرَ إِلَيْهِ فَسَارَ ذَهَابَهُ وَرُجُوعَهُ تِسْعَ عَشْرَةَ فَقَالَ لَوْلَا حُسْنُ الظَّنِّ بِكَ لَرَأَيْنَا أَنَّكَ لَمْ تُؤَدِّ عَنَّا قَالَ بَلَى أَرْسَلَ يَقْرَأُ السَّلَامَ وَيَعْتَذِرُ وَيَحْلِفُ بِاللَّهِ مَا قَالَهُ قَالَ فَهَلْ زَوَّدَكَ شَيْئًا قَالَ لَا قَالَ فَمَا مَنَعَكَ أَنْ تُزَوِّدَنِي أَنْتَ قَالَ إِنِّي كَرِهْتُ أَنْ آمُرَ لَكَ فَيَكُونَ لَكَ الْبَارِدُ وَيَكُونَ لِي الْحَارُّ وَحَوْلِي أَهْلُ الْمَدِينَةِ قَدْ قَتَلَهُمْ الْجُوعُ وَقَدْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لَا يَشْبَعُ الرَّجُلُ دُونَ جَارِهِ
আমাদের ​কাছে ‌আবদুর ‌রহমান ‌বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তার পিতার সূত্রে, আবায়া ইবনে রিফাহ (রা.) থেকে, তিনি বলেন, ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, সা'দ প্রাসাদ নির্মাণ করেছিলেন, তিনি বলেন, "আওয়াজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল," তাই মুহাম্মদ ইবনে মাসলামা তার কাছে পাঠালেন। তিনি এসে তার বর্শা বের করলেন, আগুন নিভিয়ে দিলেন এবং এক দিরহাম দিয়ে কাঠ কিনে আনলেন। এবং সাদকে বলা হল যে, একজন ব্যক্তি অমুকটি করেছে, এবং সেই ব্যক্তি, মুহাম্মাদ বিন মাসলামাহ, বললেন, তাই তিনি তার কাছে গেলেন এবং তিনি যা বলেছেন তা তিনি আল্লাহর নামে শপথ করলেন এবং তিনি বললেন, "সে যা বলেছে আমরা তার প্রতিদান দেব।" আপনি এটা বলেন, এবং আমরা যা করতে আদেশ করা হয় আমরা তাই করব. তাই তিনি দরজাটি জ্বালিয়ে দিলেন, তারপর তিনি কাছে গিয়ে তাকে খাবার সরবরাহ করার প্রস্তাব করলেন, কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করলেন, তাই তিনি বাইরে গিয়ে ওমর রাদীর কাছে এলেন। ঈশ্বর তাকে আশীর্বাদ করুন, তাই তিনি তার কাছে হিজরত করলেন, এবং তার যাওয়া এবং ফিরে আসতে উনিশ দিন সময় লাগলো, তাই তিনি বললেন, "যদি আপনার ভাল মতামত না হয় তবে আমরা দেখতাম যে আপনি আমাদেরকে রেহাই দেননি।" তিনি বললেন, "হ্যাঁ।" তিনি হ্যালো বলতে এবং ক্ষমা চেয়ে এবং ঈশ্বরের শপথ পাঠান. তিনি যা বললেন তা বলেনি। তিনি বললেন, সে কি তোমাকে কিছু দিয়েছে? তিনি বললেন, "না।" তিনি বললেন, "আমাকে এটা দিতে তোমাকে কিসে বাধা দিল?" তিনি বললেন, আমি তোমাকে এমন আদেশ দিতে অপছন্দ করছি যাতে তোমার জন্য শীতল হয় এবং আমি গরম হয়ে যাই, এবং আমার চারপাশে মদীনাবাসী ক্ষুধায় নিহত হয়েছে এবং আমি আল্লাহর রাসূলকে শুনেছি। ঈশ্বরের প্রার্থনা এবং শান্তি তাঁর উপর বর্ষিত হোক, তিনি বলেছেন: একজন মানুষ তার প্রতিবেশী ছাড়া সন্তুষ্ট হয় না।
It Was মুসনাদে আহমদ #৩৯০ Sahih
মুসনাদে আহমদ : ১৭৩
উবায়দুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উতবাহ ইবনে মাসউদ (রা.)
Sahih
حَدَّثَنَا ​إِسْحَاقُ ‌بْنُ ‌عِيسَى ​الطَّبَّاعُ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، حَدَّثَنِي ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ، أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ، أَخْبَرَهُ أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَوْفٍ رَجَعَ إِلَى رَحْلِهِ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ وَكُنْتُ أُقْرِئُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَوْفٍ فَوَجَدَنِي وَأَنَا أَنْتَظِرُهُ، وَذَلِكَ، بِمِنًى فِي آخِرِ حَجَّةٍ حَجَّهَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ إِنَّ رَجُلًا أَتَى عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَقَالَ إِنَّ فُلَانًا يَقُولُ لَوْ قَدْ مَاتَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ بَايَعْتُ فُلَانًا فَقَالَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ إِنِّي قَائِمٌ الْعَشِيَّةَ فِي النَّاسِ فَمُحَذِّرُهُمْ هَؤُلَاءِ الرَّهْطَ الَّذِينَ يُرِيدُونَ أَنْ يَغْصِبُوهُمْ أَمْرَهُمْ قَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ فَقُلْتُ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ لَا تَفْعَلْ فَإِنَّ الْمَوْسِمَ يَجْمَعُ رَعَاعَ النَّاسِ وَغَوْغَاءَهُمْ وَإِنَّهُمْ الَّذِينَ يَغْلِبُونَ عَلَى مَجْلِسِكَ إِذَا قُمْتَ فِي النَّاسِ فَأَخْشَى أَنْ تَقُولَ مَقَالَةً يَطِيرُ بِهَا أُولَئِكَ فَلَا يَعُوهَا وَلَا يَضَعُوهَا عَلَى مَوَاضِعِهَا وَلَكِنْ حَتَّى تَقْدَمَ الْمَدِينَةَ فَإِنَّهَا دَارُ الْهِجْرَةِ وَالسُّنَّةِ وَتَخْلُصَ بِعُلَمَاءِ النَّاسِ وَأَشْرَافِهِمْ فَتَقُولَ مَا قُلْتَ مُتَمَكِّنًا فَيَعُونَ مَقَالَتَكَ وَيَضَعُونَهَا مَوَاضِعَهَا فَقَالَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ لَئِنْ قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ سَالِمًا صَالِحًا لَأُكَلِّمَنَّ بِهَا النَّاسَ فِي أَوَّلِ مَقَامٍ أَقُومُهُ فَلَمَّا قَدِمْنَا الْمَدِينَةَ فِي عَقِبِ ذِي الْحِجَّةِ وَكَانَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ عَجَّلْتُ الرَّوَاحَ صَكَّةَ الْأَعْمَى فَقُلْتُ لِمَالِكٍ وَمَا صَكَّةُ الْأَعْمَى قَالَ إِنَّهُ لَا يُبَالِي أَيَّ سَاعَةٍ خَرَجَ لَا يَعْرِفُ الْحَرَّ وَالْبَرْدَ وَنَحْوَ هَذَا فَوَجَدْتُ سَعِيدَ بْنَ زَيْدٍ عِنْدَ رُكْنِ الْمِنْبَرِ الْأَيْمَنِ قَدْ سَبَقَنِي فَجَلَسْتُ حِذَاءَهُ تَحُكُّ رُكْبَتِي رُكْبَتَهُ فَلَمْ أَنْشَبْ أَنْ طَلَعَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَلَمَّا رَأَيْتُهُ قُلْتُ لَيَقُولَنَّ الْعَشِيَّةَ عَلَى هَذَا الْمِنْبَرِ مَقَالَةً مَا قَالَهَا عَلَيْهِ أَحَدٌ قَبْلَهُ قَالَ فَأَنْكَرَ سَعِيدُ بْنُ زَيْدٍ ذَلِكَ فَقَالَ مَا عَسَيْتَ أَنْ يَقُولَ مَا لَمْ يَقُلْ أَحَدٌ فَجَلَسَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَلَى الْمِنْبَرِ فَلَمَّا سَكَتَ الْمُؤَذِّنُ قَامَ فَأَثْنَى عَلَى اللَّهِ بِمَا هُوَ أَهْلُهُ ثُمَّ قَالَ أَمَّا بَعْدُ أَيُّهَا النَّاسُ فَإِنِّي قَائِلٌ مَقَالَةً قَدْ قُدِّرَ لِي أَنْ أَقُولَهَا لَا أَدْرِي لَعَلَّهَا بَيْنَ يَدَيْ أَجَلِي فَمَنْ وَعَاهَا وَعَقَلَهَا فَلْيُحَدِّثْ بِهَا حَيْثُ انْتَهَتْ بِهِ رَاحِلَتُهُ وَمَنْ لَمْ يَعِهَا فَلَا أُحِلُّ لَهُ أَنْ يَكْذِبَ عَلَيَّ إِنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى بَعَثَ مُحَمَّدًا صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْحَقِّ وَأَنْزَلَ عَلَيْهِ الْكِتَابَ وَكَانَ مِمَّا أَنْزَلَ عَلَيْهِ آيَةُ الرَّجْمِ فَقَرَأْنَاهَا وَوَعَيْنَاهَا وَرَجَمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَرَجَمْنَا بَعْدَهُ فَأَخْشَى إِنْ طَالَ بِالنَّاسِ زَمَانٌ أَنْ يَقُولَ قَائِلٌ لَا نَجِدُ آيَةَ الرَّجْمِ فِي كِتَابِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ فَيَضِلُّوا بِتَرْكِ فَرِيضَةٍ قَدْ أَنْزَلَهَا اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ فَالرَّجْمُ فِي كِتَابِ اللَّهِ حَقٌّ عَلَى مَنْ زَنَى إِذَا أُحْصِنَ مِنْ الرِّجَالِ وَالنِّسَاءِ إِذَا قَامَتْ الْبَيِّنَةُ أَوْ الْحَبَلُ أَوْ الِاعْتِرَافُ أَلَا وَإِنَّا قَدْ كُنَّا نَقْرَأُ لَا تَرْغَبُوا عَنْ آبَائِكُمْ فَإِنَّ كُفْرًا بِكُمْ أَنْ تَرْغَبُوا عَنْ آبَائِكُمْ أَلَا وَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تُطْرُونِي كَمَا أُطْرِيَ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ عَلَيْهِ السَّلَام فَإِنَّمَا أَنَا عَبْدُ اللَّهِ فَقُولُوا عَبْدُ اللَّهِ وَرَسُولُهُ وَقَدْ بَلَغَنِي أَنَّ قَائِلًا مِنْكُمْ يَقُولُ لَوْ قَدْ مَاتَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ بَايَعْتُ فُلَانًا فَلَا يَغْتَرَّنَّ امْرُؤٌ أَنْ يَقُولَ إِنَّ بَيْعَةَ أَبِي بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ كَانَتْ فَلْتَةً أَلَا وَإِنَّهَا كَانَتْ كَذَلِكَ أَلَا وَإِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ وَقَى شَرَّهَا وَلَيْسَ فِيكُمْ الْيَوْمَ مَنْ تُقْطَعُ إِلَيْهِ الْأَعْنَاقُ مِثْلُ أَبِي بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَلَا وَإِنَّهُ كَانَ مِنْ خَبَرِنَا حِينَ تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ عَلِيًّا وَالزُّبَيْرَ وَمَنْ كَانَ مَعَهُمَا تَخَلَّفُوا فِي بَيْتِ فَاطِمَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا بِنْتِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَتَخَلَّفَتْ عَنَّا الْأَنْصَارُ بِأَجْمَعِهَا فِي سَقِيفَةِ بَنِي سَاعِدَةَ وَاجْتَمَعَ الْمُهَاجِرُونَ إِلَى أَبِي بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَقُلْتُ لَهُ يَا أَبَا بَكْرٍ انْطَلِقْ بِنَا إِلَى إِخْوَانِنَا مِنْ الْأَنْصَارِ فَانْطَلَقْنَا نَؤُمُّهُمْ حَتَّى لَقِيَنَا رَجُلَانِ صَالِحَانِ فَذَكَرَا لَنَا الَّذِي صَنَعَ الْقَوْمُ فَقَالَا أَيْنَ تُرِيدُونَ يَا مَعْشَرَ الْمُهَاجِرِينَ فَقُلْتُ نُرِيدُ إِخْوَانَنَا هَؤُلَاءِ مِنْ الْأَنْصَارِ فَقَالَا لَا عَلَيْكُمْ أَنْ لَا تَقْرَبُوهُمْ وَاقْضُوا أَمْرَكُمْ يَا مَعْشَرَ الْمُهَاجِرِينَ فَقُلْتُ وَاللَّهِ لَنَأْتِيَنَّهُمْ فَانْطَلَقْنَا حَتَّى جِئْنَاهُمْ فِي سَقِيفَةِ بَنِي سَاعِدَةَ فَإِذَا هُمْ مُجْتَمِعُونَ وَإِذَا بَيْنَ ظَهْرَانَيْهِمْ رَجُلٌ مُزَمَّلٌ فَقُلْتُ مَنْ هَذَا فَقَالُوا سَعْدُ بْنُ عُبَادَةَ فَقُلْتُ مَا لَهُ قَالُوا وَجِعٌ فَلَمَّا جَلَسْنَا قَامَ خَطِيبُهُمْ فَأَثْنَى عَلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ بِمَا هُوَ أَهْلُهُ وَقَالَ أَمَّا بَعْدُ فَنَحْنُ أَنْصَارُ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ وَكَتِيبَةُ الْإِسْلَامِ وَأَنْتُمْ يَا مَعْشَرَ الْمُهَاجِرِينَ رَهْطٌ مِنَّا وَقَدْ دَفَّتْ دَافَّةٌ مِنْكُمْ يُرِيدُونَ أَنْ يَخْزِلُونَا مِنْ أَصْلِنَا وَيَحْضُنُونَا مِنْ الْأَمْرِ فَلَمَّا سَكَتَ أَرَدْتُ أَنْ أَتَكَلَّمَ وَكُنْتُ قَدْ زَوَّرْتُ مَقَالَةً أَعْجَبَتْنِي أَرَدْتُ أَنْ أَقُولَهَا بَيْنَ يَدَيْ أَبِي بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَقَدْ كُنْتُ أُدَارِي مِنْهُ بَعْضَ الْحَدِّ وَهُوَ كَانَ أَحْلَمَ مِنِّي وَأَوْقَرَ فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَلَى رِسْلِكَ فَكَرِهْتُ أَنْ أُغْضِبَهُ وَكَانَ أَعْلَمَ مِنِّي وَأَوْقَرَ وَاللَّهِ مَا تَرَكَ مِنْ كَلِمَةٍ أَعْجَبَتْنِي فِي تَزْوِيرِي إِلَّا قَالَهَا فِي بَدِيهَتِهِ وَأَفْضَلَ حَتَّى سَكَتَ فَقَالَ أَمَّا بَعْدُ فَمَا ذَكَرْتُمْ مِنْ خَيْرٍ فَأَنْتُمْ أَهْلُهُ وَلَمْ تَعْرِفْ الْعَرَبُ هَذَا الْأَمْرَ إِلَّا لِهَذَا الْحَيِّ مِنْ قُرَيْشٍ هُمْ أَوْسَطُ الْعَرَبِ نَسَبًا وَدَارًا وَقَدْ رَضِيتُ لَكُمْ أَحَدَ هَذَيْنِ الرَّجُلَيْنِ أَيَّهُمَا شِئْتُمْ وَأَخَذَ بِيَدِي وَبِيَدِ أَبِي عُبَيْدَةَ بْنِ الْجَرَّاحِ فَلَمْ أَكْرَهْ مِمَّا قَالَ غَيْرَهَا وَكَانَ وَاللَّهِ أَنْ أُقَدَّمَ فَتُضْرَبَ عُنُقِي لَا يُقَرِّبُنِي ذَلِكَ إِلَى إِثْمٍ أَحَبَّ إِلَيَّ مِنْ أَنْ أَتَأَمَّرَ عَلَى قَوْمٍ فِيهِمْ أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ إِلَّا أَنْ تَغَيَّرَ نَفْسِي عِنْدَ الْمَوْتِ فَقَالَ قَائِلٌ مِنْ الْأَنْصَارِ أَنَا جُذَيْلُهَا الْمُحَكَّكُ وَعُذَيْقُهَا الْمُرَجَّبُ مِنَّا أَمِيرٌ وَمِنْكُمْ أَمِيرٌ يَا مَعْشَرَ قُرَيْشٍ فَقُلْتُ لِمَالِكٍ مَا مَعْنَى أَنَا جُذَيْلُهَا الْمُحَكَّكُ وَعُذَيْقُهَا الْمُرَجَّبُ قَالَ كَأَنَّهُ يَقُولُ أَنَا دَاهِيَتُهَا قَالَ وَكَثُرَ اللَّغَطُ وَارْتَفَعَتْ الْأَصْوَاتُ حَتَّى خَشِيتُ الِاخْتِلَافَ فَقُلْتُ ابْسُطْ يَدَكَ يَا أَبَا بَكْرٍ فَبَسَطَ يَدَهُ فَبَايَعْتُهُ وَبَايَعَهُ الْمُهَاجِرُونَ ثُمَّ بَايَعَهُ الْأَنْصَارُ وَنَزَوْنَا عَلَى سَعْدِ بْنِ عُبَادَةَ فَقَالَ قَائِلٌ مِنْهُمْ قَتَلْتُمْ سَعْدًا فَقُلْتُ قَتَلَ اللَّهُ سَعْدًا وَقَالَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَمَا وَاللَّهِ مَا وَجَدْنَا فِيمَا حَضَرْنَا أَمْرًا هُوَ أَقْوَى مِنْ مُبَايَعَةِ أَبِي بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ خَشِينَا إِنْ فَارَقْنَا الْقَوْمَ وَلَمْ تَكُنْ بَيْعَةٌ أَنْ يُحْدِثُوا بَعْدَنَا بَيْعَةً فَإِمَّا أَنْ نُتَابِعَهُمْ عَلَى مَا لَا نَرْضَى وَإِمَّا أَنْ نُخَالِفَهُمْ فَيَكُونَ فِيهِ فَسَادٌ فَمَنْ بَايَعَ أَمِيرًا عَنْ غَيْرِ مَشُورَةِ الْمُسْلِمِينَ فَلَا بَيْعَةَ لَهُ وَلَا بَيْعَةَ لِلَّذِي بَايَعَهُ تَغِرَّةً أَنْ يُقْتَلَا قَالَ مَالِكٌ وَأَخْبَرَنِي ابْنُ شِهَابٍ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ أَنَّ الرَّجُلَيْنِ اللَّذَيْنِ لَقِيَاهُمَا عُوَيْمِرُ بْنُ سَاعِدَةَ وَمَعْنُ بْنُ عَدِيٍّ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ وَأَخْبَرَنِي سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ أَنَّ الَّذِي قَالَ أَنَا جُذَيْلُهَا الْمُحَكَّكُ وَعُذَيْقُهَا الْمُرَجَّبُ الْحُبَابُ بْنُ الْمُنْذِرِ‏.‏
ইসহাক ​ইবনু ‌ঈসা ‌আল-তাব্বা ​আমাদেরকে বলেছেন, মালিক ইবনু আনাস আমাদেরকে বলেছেন, ইবনু শিহাব আমাকে বলেছেন, উবায়দ আল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উতবা ইবনু মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, ইবনু আব্বাস তাঁকে বলেছেন যে আবদ আল-রহমান ইবনু আউফ তাঁর সফরে ফিরে এসেছেন। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, আর আমি আবদ আল-রহমানকে তিলাওয়াত করছিলাম। বেন আউফ আমাকে মিনায় তার জন্য অপেক্ষা করতে দেখেছেন, ওমর ইবনুল খাত্তাব (আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট) শেষ হজের সময়। আব্দুর রহমান ইবন আউফঃ এক ব্যক্তি ওমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে এসে বললঃ অমুক অমুক বলেছেন, যদি ওমর মারা যেতেন, তাহলে আল্লাহ্‌ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন, আমি অমুকের কাছে বাইয়াত করতাম। অতঃপর ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “আমি সন্ধ্যায় জনগণের মাঝে দাঁড়াবো এবং তাদেরকে সতর্ক করব যারা তাদের দখল করতে চায় তাদের সম্পর্কে। আব্দুল মো. পরম করুণাময়, তাই আমি বলেছিলাম, হে বিশ্বস্ত সেনাপতি, এটা করবেন না, কারণ ঋতুটি মানুষের ভীড় এবং ভিড়কে একত্রিত করে এবং তারাই আপনার সমাবেশে আধিপত্য বিস্তার করে। আপনি যদি মানুষের মধ্যে উঠেন, আমি ভয় করি যে আপনি এমন কিছু বলবেন যা দিয়ে লোকেরা উড়ে যাবে, কিন্তু তারা তা বোঝে না এবং সঠিক জায়গায় রাখে না। কিন্তু যতক্ষণ না আপনি মদিনার কাছে যান, এটি হিজরত এবং সুন্নাতের আবাসস্থল, এবং আপনি জনগণের আলেম এবং তাদের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের পাবেন, যাতে আপনি কর্তৃত্বের সাথে যা বলেছেন তা বলতে পারেন। তাই তারা আপনার কথায় সাহায্য করে এবং তাদের জায়গায় রাখে। ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আমি যদি মদিনাকে নিরাপদে নিয়ে আসি, তাহলে শুরুতেই আমি জনগণের সাথে কথা বলব। আমার থাকার জায়গা। আমরা যখন জুল-হিজ্জার পর মদিনায় আসি, এবং শুক্রবার ছিল, তখন আত্মারা অন্ধ ব্যক্তির মৃত্যুকে ত্বরান্বিত করেছিল, এবং আমি বললাম: মালিকের কসম, অন্ধ লোকটি কী বলেছিল যে সে পাত্তা দেয়নি? সে কখন বাইরে গিয়েছিল? তিনি জানেন না গরম না ঠান্ডা এবং মত. আমি সাঈদ বিন যায়েদকে মিম্বারের ডান কোণে দেখতে পেলাম যে আমার আগে ছিল, তাই আমি বসেছিলাম, তার জুতা আমার হাঁটুতে ঘষেছিল, কিন্তু ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হাজির হওয়া পর্যন্ত আমি দাঁড়াইনি, তাই যখন আমি তাকে বলতে দেখলাম, "তারা এই মিম্বরের সন্ধ্যায় এমন কিছু বলুক যা তার সম্পর্কে কেউ বলেনি।" সাঈদ বিন যায়েদ তা অস্বীকার করেন এবং বলেন, অন্য কেউ যা বলেননি তা বলা তার পক্ষে অসম্ভব। অতঃপর ওমর, আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হন, মিম্বরে বসেন এবং মুয়াজ্জিন চুপ থাকলে তিনি উঠে আল্লাহর প্রশংসা করেন। যেহেতু এটি এটির যোগ্য। অতঃপর তিনি বললেন, “এখন, হে লোকসকল, আমি এমন কিছু বলছি যা বলার জন্য আমার জন্য নির্ধারিত হয়েছে, আমি জানি না। সম্ভবত আমার জন্য তা আমার হাতে থাকবে। যিনি এটি সম্পর্কে এবং তার মনের কথা অবগত থাকবেন, তিনি যেখানেই তার পর্বত শেষ হয়েছে সেখানেই তিনি এটির কথা বলুন, এবং যে এটি জানে না, তার জন্য এটি জায়েজ নয় যে তিনি মুহাম্মাদকে বরকত দান করেন এবং আল্লাহ তায়ালা আমার কাছে প্রেরিত বরকতময়। এবং তাকে সত্যের সাথে শান্তি প্রদান করুন এবং তার উপর পাথর মারার আয়াতটি ছিল, তাই আমরা এটি পড়লাম এবং আল্লাহর রসূল তাকে শান্তি দান করুন, আমরা তাকে পাথর মেরেছি এবং আমি ভয় করি যে যদি লোকেরা দীর্ঘকাল বেঁচে থাকে তবে তারা এই কিতাবটি খুঁজে পাবে না ঈশ্বরের কিতাবে পাথর মারা একটি কর্তব্য ত্যাগ করে যে ব্যক্তি ব্যভিচার করে, যদি প্রমাণ থাকে, বা একটি দড়ি, বা স্বীকারোক্তি, এবং প্রকৃতপক্ষে আমরা ব্যবহার করেছি। পড়ুন: আপনার পিতাদের থেকে বিচ্যুত হবেন না, কারণ আপনার পিতাদের থেকে বিচ্যুত হওয়া আপনার জন্য নিন্দার শামিল। প্রকৃতপক্ষে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা আমাকে তোষামোদ করো না যেমন আমি তোষামোদ করি।” মরিয়ম পুত্র ঈসা আলাইহিস সালাম। আমি কেবল আল্লাহর বান্দা, তাই বল, আবদুল্লাহ ও তাঁর রাসূল। আমার কাছে পৌঁছেছে যে, তোমাদের মধ্যে একজন বলেছেন: ওমর যদি আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন, তাহলে আমি অমুকের কাছে আনুগত্যের অঙ্গীকার করতাম, সুতরাং কেউ যেন প্রতারিত না হয় যখন সে বলে যে, আবু বকর (রাঃ)-এর আনুগত্যের অঙ্গীকার একটি সাধারণ বিষয় ছিল। প্রকৃতপক্ষে, এটি ছিল, ব্যতীত যে সর্বশক্তিমান আল্লাহ এটিকে এর অনিষ্ট থেকে রক্ষা করেছিলেন, এবং আজ তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যার গলা কেটে ফেলা হবে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর মতো, এবং এটি আমাদের সংবাদ ছিল যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মারা যান যে আলী, আল জুবায়ের এবং যারা তাদের সাথে ছিলেন, তারা ফাতেমা, রসূলের ঘরে তাঁর কন্যার সাথে সন্তুষ্ট থাকতে পারেন। ঈশ্বর, ঈশ্বর তাকে আশীর্বাদ করুন এবং তাকে শান্তি দান করুন এবং তিনি আমাদের পিছনে চলে গেলেন। আনসাররা সবাই সাকিফাত বনী সায়িদাহতে ছিল, এবং হিজরতকারীরা আবু বকরের কাছে একত্রিত হয়েছিল, আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন, তখন আমি তাকে বললাম, হে আবু বকর আমাদের আনসারদের থেকে আমাদের ভাইদের কাছে নিয়ে যান, এবং আমরা তাদের অনুসরণ করতে রওয়ানা হলাম যতক্ষণ না আমরা দুজন সৎ লোকের সাথে সাক্ষাত করলাম যারা আমাদের কাছে লোকদের সাথে কী করেছে তা উল্লেখ করে, তখন তারা বলল: হে দলভুক্তরা, তোমরা কোথায় চাও? আমি বললাম, আমরা আনসারদের থেকে আমাদের এই ভাইদের চাই। তারা বলল, "না, তুমি তাদের কাছে যাবে না এবং তোমার ব্যাপারগুলো মিটিয়ে ফেলবে।" হে অভিবাসী সম্প্রদায়, আমি বললাম, “আল্লাহর কসম, আমরা আসব তাদের।" অতঃপর আমরা রওনা হলাম যে পর্যন্ত না আমরা তাদের কাছে বনু সায়িদাহর সাকিফাতে উপস্থিত হলাম, এবং দেখ, তারা একত্রিত হয়েছে, এবং দেখ, তাদের পিঠের মাঝখানে চিরুনিওয়ালা একজন লোক, আমি বললাম, "এটি কে?" তারা বললেন, সাদ ইবনে উবাদাহ। আমি বললাম, "তার কি দোষ?" তারা বলল, "ব্যথা।" আমরা বসলে তিনি উঠে গেলেন। তাদের প্রচারক সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের প্রশংসা করেছিলেন যা তিনি প্রাপ্য ছিলেন এবং বলেছিলেন, "এর পরে, আমরা সর্বশক্তিমান ঈশ্বর এবং ইসলাম ব্যাটালিয়নের সমর্থক।" আর তোমরা, হে হিজরতকারী সম্প্রদায়, আমাদেরই একটি দল এবং তোমাদের একটি দল বের হয়েছে, আমাদেরকে আমাদের মূল থেকে হেয় করতে এবং বিষয়টি থেকে আমাদেরকে বিচ্ছিন্ন করতে চাচ্ছে। তারপর যখন চুপ করে রইলাম। আমি কথা বলতে চেয়েছিলাম, এবং আমি আমার পছন্দের একটি নিবন্ধকে মিথ্যা বলেছিলাম। আমি এটা আবু বকরের হাতে বলতে চেয়েছিলাম, আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হন। আমি তার সাথে কিছুটা কঠোর আচরণ করতাম, কিন্তু তিনি আমার চেয়ে বেশি ক্ষমাশীল এবং মর্যাদাবান ছিলেন, তাই আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, "দেখুন আপনার বার্তাবাহক", তাই আমি তাকে রাগ করতে অপছন্দ করতাম। তিনি আমার চেয়ে বেশি জ্ঞানী এবং সম্মানিত ছিলেন এবং আল্লাহর কসম, তিনি আমার জালিয়াতিতে আমার পছন্দের একটি কথাও রেখে যাননি যেটি তিনি তার অন্তর্দৃষ্টিতে বলেছেন এবং আরও ভাল, যতক্ষণ না তিনি চুপ থাকলেন এবং বললেন: এর পরে, আপনি যা কিছু ভাল উল্লেখ করেছেন, আপনি তারই লোক এবং আরবরা এ বিষয়টি জানত না শুধু কুরাইশদের এই আশেপাশের এলাকা ছাড়া, যারা ক রাবের মাঝামাঝি। তিনি ঘুরে দাঁড়ালেন, এবং আমি আপনার জন্য এই দুই ব্যক্তির একজনকে গ্রহণ করেছিলাম, আপনি যাকে চান, তিনি আমাকে এবং আবু উবাইদাহ বিন আল-জাররাহের হাত ধরেছিলেন। আমি এর কোনটাই অপছন্দ করিনি। তিনি কিছু ভিন্ন কথা বলেছেন, কিন্তু ঈশ্বরের কসম, যদি আমি সামনে এসে আমার ঘাড় শিরশ্ছেদ করা হবে, যা আমাকে এমন কোনো পাপের কাছাকাছি নিয়ে যেতে পারে না, যাদের মধ্যে আবু কুমারী, আল্লাহ তাঁর প্রতি ষড়যন্ত্র করার চেয়ে প্রিয় পাপের কাছাকাছি, তবে মৃত্যুর সময় আমার আত্মা পরিবর্তিত হয়েছিল, এবং আনসারদের কেউ বলেছিল, "আমি এর চুলকানি এবং এর শিকড়।" হে কুরাইশ সম্প্রদায়, আমাদের কাছ থেকে একজন যুবরাজ এবং তোমাদের কাছ থেকে একজন রাজপুত্রের প্রত্যাশা করা হয়। তাই আমি মালিককে বললাম, "আমি এর টেক্সচারড শিকড় এবং এর স্বাগত শিকড় এর অর্থ কি?" তিনি বললেন, "আমি এটি সম্পর্কে অবগত ছিলাম," তিনি বললেন, এবং বিভ্রান্তি বেড়ে গেল এবং কণ্ঠস্বর বেড়ে গেল যতক্ষণ না আমি মতবিরোধের আশঙ্কা করছিলাম, তাই আমি বললাম, "হে আবু বকর, তোমার হাত বাড়াও।" অতঃপর তিনি তাঁর হাত বাড়িয়ে দিলেন, আমি তাঁর কাছে আনুগত্যের শপথ নিলাম, এবং মুহাজিররা তাঁর কাছে আনুগত্যের অঙ্গীকার করল, তারপর আনসাররা তাঁর কাছে আনুগত্য করল, এবং আমরা সাদ বিন উবাদার বিরুদ্ধে অভিযান চালালাম, এবং তাদের মধ্যে কেউ একজন বলল, আপনি সা'দকে হত্যা করেছেন, তাই আমি বললাম, "আল্লাহ সা'দকে মেরে ফেলুন" এবং ওমর বলেন, "আল্লাহ যেন তাকে খুন করেননি।" আমরা উপস্থিত ছিলাম, আমার পিতার প্রতি আনুগত্যের প্রতিশ্রুতি দেওয়ার চেয়ে শক্তিশালী কিছু।" বকর, ঈশ্বর তার প্রতি সন্তুষ্ট হন। আমরা আশঙ্কা করতাম যে, যদি আমরা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাই এবং আনুগত্যের অঙ্গীকার না থাকে যে তারা আমাদের পরে আনুগত্যের অঙ্গীকার করবে, তাহলে আমরা হয় তাদের এমনভাবে অনুসরণ করব যা আমরা অনুমোদন করি না। অথবা আমরা তাদের সাথে একমত নই, যার ফলে দুর্নীতি হবে। যে ব্যক্তি মুসলমানদের সাথে পরামর্শ না করে কোনো যুবরাজের কাছে আনুগত্যের অঙ্গীকার করে, তার কাছে আনুগত্যের কোনো অঙ্গীকার নেই এবং যার ঝুঁকিতে তিনি তার কাছে আনুগত্যের অঙ্গীকার করেছেন তার প্রতি আনুগত্যের কোনো অঙ্গীকার নেই। হত্যা করা হচ্ছে মালিক বলেন, ইবন শিহাব আমাকে উরওয়াহ ইবনুল জুবায়েরের সূত্রে বলেছেন যে দু’জন ব্যক্তি যাদেরকে উওয়াইমির ইবন সা’দাহ এবং মা’আন ইবন আদী। ইবনে শিহাব বলেন, এবং সাঈদ ইবনে আল মুসায়্যাব আমাকে বলেছেন যে যে বলেছিল: "আমিই এর চুলকানি এবং এর ডালপালা।" আল-মুরজাব আল-হুবাব বিন আল-মুন্দির।
উবায়দুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উতবাহ ইবনে মাসউদ (রা.) মুসনাদে আহমদ #৩৯১ Sahih
মুসনাদে আহমদ : ১৭৪
Lt Was
Sahih
حَدَّثَنَا ​عَلِيُّ ‌بْنُ ​عَيَّاشٍ، ​حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، قَالَ وَأَخْبَرَنِي الْأَوْزَاعِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مَرْوَانَ، أَنَّهُ حَدَّثَهُ عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، أَنَّهُ دَخَلَ عَلَى عُثْمَانَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَهُوَ مَحْصُورٌ فَقَالَ إِنَّكَ إِمَامُ الْعَامَّةِ وَقَدْ نَزَلَ بِكَ مَا تَرَى وَإِنِّي أَعْرِضُ عَلَيْكَ خِصَالًا ثَلَاثًا اخْتَرْ إِحْدَاهُنَّ إِمَّا أَنْ تَخْرُجَ فَتُقَاتِلَهُمْ فَإِنَّ مَعَكَ عَدَدًا وَقُوَّةً وَأَنْتَ عَلَى الْحَقِّ وَهُمْ عَلَى الْبَاطِلِ وَإِمَّا أَنْ نَخْرِقَ لَكَ بَابًا سِوَى الْبَابِ الَّذِي هُمْ عَلَيْهِ فَتَقْعُدَ عَلَى رَوَاحِلِكَ فَتَلْحَقَ بِمَكَّةَ فَإِنَّهُمْ لَنْ يَسْتَحِلُّوكَ وَأَنْتَ بِهَا وَإِمَّا أَنْ تَلْحَقَ بِالشَّامِ فَإِنَّهُمْ أَهْلُ الشَّامِ وَفِيهِمْ مُعَاوِيَةُ فَقَالَ عُثْمَانُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَمَّا أَنْ أَخْرُجَ فَأُقَاتِلَ فَلَنْ أَكُونَ أَوَّلَ مَنْ خَلَفَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي أُمَّتِهِ بِسَفْكِ الدِّمَاءِ وَأَمَّا أَنْ أَخْرُجَ إِلَى مَكَّةَ فَإِنَّهُمْ لَنْ يَسْتَحِلُّونِي بِهَا فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ يُلْحِدُ رَجُلٌ مِنْ قُرَيْشٍ بِمَكَّةَ يَكُونُ عَلَيْهِ نِصْفُ عَذَابِ الْعَالَمِ فَلَنْ أَكُونَ أَنَا إِيَّاهُ وَأَمَّا أَنْ أَلْحَقَ بِالشَّامِ فَإِنَّهُمْ أَهْلُ الشَّامِ وَفِيهِمْ مُعَاوِيَةُ فَلَنْ أُفَارِقَ دَارَ هِجْرَتِي وَمُجَاوَرَةَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدَّثَنَاه عَلِيُّ بْنُ إِسْحَاقَ عَنِ ابْنِ الْمُبَارَكِ فَذَكَرَ الْحَدِيثَ وَقَالَ يُلْحِدُ‏.‏
আলী ​বিন ‌আয়াশ ​আমাদেরকে ​বলেছেন, আল-ওয়ালিদ বিন মুসলিম আমাদেরকে বলেছেন, তিনি বলেছেন এবং আল-আওযায়ী আমাকে বলেছেন, মুহাম্মদ বিন আব্দুল মালিক বিন মারওয়ানের সূত্রে, তিনি তাকে আল-মুগিরাহ বিন শুবাহর সূত্রে বলেছেন যে, তিনি উসমানের কাছে প্রবেশ করেছেন, আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হন, যখন তিনি বললেন, আপনি এসেছেন এবং তিনি বলেছেন, “তোমরা লোকে এসেছ। নিচে।" আপনি দেখতে পাচ্ছেন, আমি আপনার কাছে তিনটি বৈশিষ্ট্য উপস্থাপন করছি। তাদের মধ্যে একজনকে বেছে নিন: হয় আপনি বেরিয়ে যান এবং তাদের সাথে যুদ্ধ করুন, কারণ আপনার সংখ্যা এবং শক্তি আছে এবং আপনি সত্যের উপর আছেন। এবং তারা মিথ্যার উপর আছে, নতুবা তারা যে দরজার উপর আছে তা ছাড়া আমরা আপনার জন্য অন্য একটি দরজা ধ্বংস করে দেব এবং আপনি আপনার উটে বসে মক্কায় যোগ দেবেন, কারণ তারা সেখানে থাকাকালীন আপনার জন্য এটি জায়েজ করবে না। হয় আপনি লেভান্টে যোগ দিন, কারণ তারা লেভান্তের লোক এবং তাদের মধ্যে মুয়াবিয়াও রয়েছে। উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন: হয় আমি বের হয়ে যুদ্ধ করব, কারণ আমি তাঁর জাতির মধ্যে প্রথম ব্যক্তি হতে পারব না যে আল্লাহর রসূলের উত্তরাধিকারী হবে, আল্লাহ্‌ তাঁকে বরকত দান করুন এবং তাঁকে রক্তপাত করে শান্তি দান করুন। আমি মক্কায় যাব, কারণ তারা আমার জন্য এটা করা জায়েজ করবে না, কারণ আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি: মক্কার কুরাইশদের একজন নাস্তিক। দুনিয়ার অর্ধেক আযাব সে ভোগ করবে, আর আমি থাকব না। যেহেতু আমি লেভান্টে যোগদান করেছি, তারা লেভান্তের লোক এবং তাদের মধ্যে মুয়াবিয়াও রয়েছে, আমি কখনই আমার হিজরত করার স্থান এবং আল্লাহর রাসূলের সাথে আমার আশেপাশের এলাকা ছেড়ে যাব না, আল্লাহ তাকে বরকত দান করুন এবং তাকে শান্তি দান করুন। আলী বিন ইসহাক আমাদের কাছে ইবনুল মুবারক থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি হাদীসটি উল্লেখ করেছেন এবং তিনি বলেছেন যে তিনি নাস্তিক।
Lt Was মুসনাদে আহমদ #৪৮২ Sahih
মুসনাদে আহমদ : ১৭৫
যায়েদ বিন আলী বিন আল-হুসাইন (রা.)
Sahih
حَدَّثَنَا ‌أَبُو ‌يُوسُفَ ​الْمُؤَدِّبُ، ​يَعْقُوبُ جَارُنَا حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ الْمُطَّلِبِ، عَنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ زَيْدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ قُتِلَ دُونَ مَالِهِ فَهُوَ شَهِيدٌ‏.‏
আবূ ‌ইউসুফ ‌আল-মুআদ্দিব ​আমাদের ​কাছে বর্ণনা করেছেন, ইয়াকুব আমাদের প্রতিবেশী, ইব্রাহিম বিন সাদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবদ আল-আযীয ইবন আল-মুত্তালিব থেকে, আবদ আল-রহমান বিন আল-হারিস থেকে বর্ণনা করেছেন, যায়েদ বিন আলী বিন আল-হুসাইন থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি তার পিতামহের কাছ থেকে বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি তার দোষ ছাড়াই নিহত হয়, সে শহীদ।
যায়েদ বিন আলী বিন আল-হুসাইন (রা.) মুসনাদে আহমদ #৫৯০ Sahih
মুসনাদে আহমদ : ১৭৬
It Was
Sahih
حَدَّثَنَا ​عَبْد ‌اللَّهِ، ​حَدَّثَنَا ​أَبُو دَاوُدَ الْمُبَارَكِيُّ، سُلَيْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ جَارُ خَلَفٍ الْبَزَّارِ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ نَوْفَلٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ عَلِيٍّ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ نَهَانِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ خَاتَمِ الذَّهَبِ وَعَنْ لُبْسِ الْحُمْرَةِ وَعَنْ الْقِرَاءَةِ فِي الرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ‏.‏
আমাদের ​কাছে ‌আবদুল্লাহ ​বর্ণনা ​করেছেন, আবূ দাউদ আল-মুবারকি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আল-বাজ্জারের পেছনের প্রতিবেশী সুলাইমান ইবন মুহাম্মাদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আবূ শিহাব বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবি লায়লার সূত্রে, আবদুল করিমের সূত্রে, আবদুল্লাহ ইবনে আল-হারিস ইবনে নওফালের সূত্রে, আব্বাসের কাছ থেকে, আমি আলী আব্বাসের কাছ থেকে, আল্লাহ তা’আলার কাছ থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল আমাকে নিষেধ করেছেন। সোনার আংটি সম্পর্কে, লাল পোশাক পরার বিষয়ে এবং রুকু ও সিজদা করার সময় তেলাওয়াত করার বিষয়ে আল্লাহর দোয়া ও শান্তি বর্ষিত হোক।
It Was মুসনাদে আহমদ #৮২৯ Sahih
মুসনাদে আহমদ : ১৭৭
It Was
Sahih
حَدَّثَنَا ​أَسْوَدُ ‌بْنُ ‌عَامِرٍ، ​أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ رِبْعِيٍّ، عَنْ عَلِيٍّ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ جَاءَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُنَاسٌ مِنْ قُرَيْشٍ فَقَالُوا يَا مُحَمَّدُ إِنَّا جِيرَانُكَ وَحُلَفَاؤُكَ وَإِنَّ نَاسًا مِنْ عَبِيدِنَا قَدْ أَتَوْكَ لَيْسَ بِهِمْ رَغْبَةٌ فِي الدِّينِ وَلَا رَغْبَةٌ فِي الْفِقْهِ إِنَّمَا فَرُّوا مِنْ ضِيَاعِنَا وَأَمْوَالِنَا فَارْدُدْهُمْ إِلَيْنَا فَقَالَ لِأَبِي بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ مَا تَقُولُ قَالَ صَدَقُوا إِنَّهُمْ جِيرَانُكَ قَالَ فَتَغَيَّرَ وَجْهُ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ قَالَ لِعُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ مَا تَقُولُ قَالَ صَدَقُوا إِنَّهُمْ لَجِيرَانُكَ وَحُلَفَاؤُكَ فَتَغَيَّرَ وَجْهُ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ‏.‏
আসওয়াদ ​বিন ‌আমির ‌আমাদেরকে ​বলেছেন, শারিক আমাদেরকে বলেছেন, মনসুরের সূত্রে, রাবী’র সূত্রে, আলীর সূত্রে, আল্লাহ তাঁর উপর সন্তুষ্ট হতে পারেন, যিনি বলেছিলেন, “রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসেছিলেন। কুরাইশদের কেউ কেউ একে অপরকে সালাম দিয়ে বলল, “হে মুহাম্মদ, আমরা আপনার প্রতিবেশী ও মিত্র, এবং আমাদের কিছু দাস আপনার কাছে এসেছে ধর্মের কোনো আকাঙ্ক্ষা নিয়ে এবং আইনশাস্ত্রের কোনো আকাঙ্ক্ষা ছাড়াই, বরং তারা আমাদের সম্পত্তি ও সম্পত্তি থেকে পালিয়ে গেছে, তাই তাদের আমাদের কাছে ফিরিয়ে দিন।” তিনি আবু বকরকে বললেন, “তুমি কি বল? তিনি বলেন, তারা সঠিক। তারা আপনার প্রতিবেশী। তিনি বললেন, এবং নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চেহারা পাল্টে গেল। অতঃপর তিনি ওমরকে বললেন, আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হোন, আপনি কি বলেন? তিনি বলেন তারা বিশ্বাস করত যে তারা আপনার প্রতিবেশী এবং মিত্র, তাই মহানবী (সাঃ) এর চেহারা বদলে গেল।
It Was মুসনাদে আহমদ #১৩৩৬ Sahih
মুসনাদে আহমদ : ১৭৮
It Was
Sahih
حَدَّثَنَا ‌أَبُو ​الْيَمَانِ، ​أَخْبَرَنَا ​شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، أَنَّ الزُّبَيْرَ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ كَانَ يُحَدِّثُ أَنَّهُ خَاصَمَ رَجُلًا مِنْ الْأَنْصَارِ قَدْ شَهِدَ بَدْرًا إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي شِرَاجِ الْحَرَّةِ كَانَا يَسْتَقِيَانِ بِهَا كِلَاهُمَا فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِلزُّبَيْرِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ اسْقِ ثُمَّ أَرْسِلْ إِلَى جَارِكَ فَغَضِبَ الْأَنْصَارِيُّ وَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَنْ كَانَ ابْنَ عَمَّتِكَ فَتَلَوَّنَ وَجْهُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ قَالَ لِلزُّبَيْرِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ اسْقِ ثُمَّ احْبِسْ الْمَاءَ حَتَّى يَرْجِعَ إِلَى الْجَدْرِ فَاسْتَوْعَى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَئِذٍ لِلزُّبَيْرِ حَقَّهُ وَكَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَبْلَ ذَلِكَ أَشَارَ عَلَى الزُّبَيْرِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ بِرَأْيٍ أَرَادَ فِيهِ سَعَةً لَهُ وَلِلْأَنْصَارِيِّ فَلَمَّا أَحْفَظَ الْأَنْصَارِيُّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اسْتَوْعَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِلزُّبَيْرِ حَقَّهُ فِي صَرِيحِ الْحُكْمِ قَالَ عُرْوَةُ فَقَالَ الزُّبَيْرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَاللَّهِ مَا أَحْسِبُ هَذِهِ الْآيَةَ أُنْزِلَتْ إِلَّا فِي ذَلِكَ ‏{‏فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لَا يَجِدُوا فِي أَنْفُسِهِمْ حَرَجًا مِمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوا تَسْلِيمًا‏}‏‏.‏
আবু ‌আল-ইয়ামান ​আমাদেরকে ​বলেছেন, ​শুয়াইব আমাদেরকে বলেছেন, আল-যুহরীর সূত্রে, তিনি বলেছেন: উরওয়া ইবনুল জুবায়ের আমাকে বলেছেন যে আল-জুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করতেন যে তিনি আনসারদের একজন লোকের সাথে ঝগড়া করেছিলেন যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আগে বদরের প্রত্যক্ষ করেছিল এবং আল্লাহ তাকে এক মহিলাকে আযাদ দান করেন। তারা পানি বমি করছিল। তাদের উভয়ের সাথে, নবী, আল্লাহ তার উপর আশীর্বাদ করুন এবং তাকে শান্তি দান করুন, আল-জুবায়েরকে বললেন, আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হন, জল দাও এবং তারপর তোমার প্রতিবেশীর কাছে পাঠাও। আনসারী রাগান্বিত হয়ে বললেন, আল্লাহর রাসুল, তিনি যদি আপনার চাচাতো ভাই হন। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর মুখমন্ডল রঙ্গিন হয়ে গেল। তারপর তিনি আল-জুবায়েরকে বললেন, আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হোন। তার পক্ষ থেকে পানি দাও, তারপর দেয়ালে ফিরে না আসা পর্যন্ত পানি আটকে রাখো এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা পূর্ণ করলেন। সেই সময়ে, আল-জুবায়ের তার অধিকার ছিল, এবং নবী, ঈশ্বরের প্রার্থনা এবং তার উপর সন্তুষ্ট ছিলেন। তার আগে, তিনি আল-জুবায়েরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, ঈশ্বর তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন, একটি মতামত দিয়ে যে তিনি তাকে এবং আনসারীকে খুশি করতে চান। যখন আল-আনসারী ঈশ্বরের রসূলকে রক্ষা করেছিলেন, তখন ঈশ্বরের প্রার্থনা এবং শান্তি তাঁর উপর বর্ষিত হোক, ঈশ্বরের রসূল, ঈশ্বরের প্রার্থনা এবং শান্তি তাঁর ওপর বর্ষিত হোক, আল-জুবায়েরকে তার রায় প্রকাশের অধিকার প্রদান করেছিলেন। তিনি বললেন, উরওয়া এবং আল-যুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন, বললেন, খোদার কসম, আমি মনে করি না যে এই আয়াতটি এ ছাড়া অবতীর্ণ হয়েছে {কিন্তু না, আপনার প্রভুর কসম তারা ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমান আনবে না যতক্ষণ না তারা নিজেদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদের বিষয়ে আপনাকে বিচার না করে, তারপর আপনি যা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তার জন্য তারা নিজেদের মধ্যে কোন বিব্রত বোধ করে না এবং তারা সম্পূর্ণরূপে আত্মসমর্পণ করে।
It Was মুসনাদে আহমদ #১৪১৯ Sahih
আল-আদাব আল-মুফরাদ : ১৭৯
Sahih
نَجِيحٍ ​أَبُو ‌عُمَارَةَ ​قَالَ‏:‏ ​سَمِعْتُ الْحَسَنَ يَقُولُ‏:‏ لَقَدْ عَهِدْتُ الْمُسْلِمِينَ، وَإِنَّ الرَّجُلَ مِنْهُمْ لَيُصْبِحُ فَيَقُولُ‏:‏ يَا أَهْلِيَهْ، يَا أَهْلِيَهْ، يَتِيمَكُمْ يَتِيمَكُمْ، يَا أَهْلِيَهْ، يَا أَهْلِيَهْ، مِسْكِينَكُمْ مِسْكِينَكُمْ، يَا أَهْلِيَهْ، يَا أَهْلِيَهْ، جَارَكُمْ جَارَكُمْ، وَأُسْرِعَ بِخِيَارِكُمْ وَأَنْتُمْ كُلَّ يَوْمٍ تَرْذُلُونَ‏.‏ وَسَمِعْتُهُ يَقُولُ‏:‏ وَإِذَا شِئْتَ رَأَيْتَهُ فَاسِقًا يَتَعَمَّقُ بِثَلاَثِينَ أَلْفًا إِلَى النَّارِ مَا لَهُ قَاتَلَهُ اللَّهُ‏؟‏ بَاعَ خَلاَقَهُ مِنَ اللهِ بِثَمَنِ عَنْزٍ، وَإِنْ شِئْتَ رَأَيْتَهُ مُضَيِّعًا مُرْبَدًّا فِي سَبِيلِ الشَّيْطَانِ، لاَ وَاعِظَ لَهُ مِنْ نَفْسِهِ وَلاَ مِنَ النَّاسِ‏.‏
নাজিহ ​আবু ‌আমরা ​বলেন, ​আমি আল হাসানকে বলতে শুনেছি: আমি মুসলমানদেরকে চিনি, এবং তাদের মধ্য থেকে একজন ব্যক্তি সকালে ঘুম থেকে উঠে বলতেন: হে তার পরিবার, হে তার পরিবার, তোমার এতিম, তোমার এতিম, হে তার পরিবার, হে তার পরিবার, তোমার দরিদ্র, তোমার দরিদ্র, হে তার পরিবার, হে তার পরিবার, তোমার প্রতিবেশী, তোমার প্রতিবেশী, তোমার পরিবার। এবং আমি আপনাকে বেছে নিতে তাড়াহুড়ো করব, যখন আপনি প্রতিদিন প্রত্যাখ্যাত হবেন। এবং আমি তাকে বলতে শুনেছি: এবং আপনি যদি চান, আপনি তাকে একজন পাপীকে ত্রিশ হাজার গভীরে যেতে দেখতে পাবেন যে তাকে হত্যা করেছে তার জন্য জাহান্নামের কী আছে? তিনি একটি ছাগলের দামে তার সৃষ্টিকে আল্লাহর কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন এবং আপনি চাইলে তাকে শয়তানের পথে হারিয়ে ও ধ্বংস হতে দেখতে পারেন। না. তিনি নিজে বা জনগণের দ্বারা উপদেশ পাবেন না।
আল-আদাব আল-মুফরাদ #১৩৯ Sahih
আল-আদাব আল-মুফরাদ : ১৮০
Sahih
حَدَّثَنَا ​مُحَمَّدُ ‌بْنُ ​عَبَّادٍ، ​قَالَ‏:‏ حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ مُجَاهِدِ أَبِي حَزْرَةَ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الْوَلِيدِ بْنِ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ قَالَ‏:‏ خَرَجْتُ أَنَا وَأَبِي نَطْلُبُ الْعِلْمَ فِي هَذَا الْحَيِّ فِي الأَنْصَارِ، قَبْلَ أَنْ يَهْلِكُوا، فَكَانَ أَوَّلَ مَنْ لَقِينَا أَبُو الْيَسَرِ صَاحِبُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَمَعَهُ غُلاَمٌ لَهُ، وَعَلَى أَبِي الْيَسَرِ بُرْدَةٌ وَمَعَافِرِيٌّ، وَعَلَى غُلاَمِهِ بُرْدَةٌ وَمَعَافِرِيٌّ، فَقُلْتُ لَهُ‏:‏ يَا عَمِّي، لَوْ أَخَذْتَ بُرْدَةَ غُلاَمِكَ وَأَعْطَيْتَهُ مَعَافِرِيَّكَ، أَوْ أَخَذْتَ مَعَافِرِيَّهُ وَأَعْطَيْتَهُ بُرْدَتَكَ، كَانَتْ عَلَيْكَ حُلَّةٌ أَوْ عَلَيْهِ حُلَّةٌ، فَمَسَحَ رَأْسِي وَقَالَ‏:‏ اللَّهُمَّ بَارِكْ فِيهِ، يَا ابْنَ أَخِي، بَصَرُ عَيْنَيَّ هَاتَيْنِ، وَسَمْعُ أُذُنَيَّ هَاتَيْنِ، وَوَعَاهُ قَلْبِي وَأَشَارَ إِلَى نِيَاطِ قَلْبِهِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ‏:‏ أَطْعِمُوهُمْ مِمَّا تَأْكُلُونَ، وَاكْسُوهُمْ مِمَّا تَلْبَسُونَ وَكَانَ أَنْ أُعْطِيَهُ مِنْ مَتَاعِ الدُّنْيَا أَهْوَنُ عَلَيَّ مِنْ أَنْ يَأْخُذَ مِنْ حَسَنَاتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ‏.‏
মুহাম্মাদ ​ইবনু ‌আব্বাদ ​আমাদের ​কাছে বর্ণনা করেছেন, বলেছেন: হাতেম ইবনু ইসমাইল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইয়াকুব ইবন মুজাহিদ আবি হাজরা থেকে, উবাদাহ ইবনুল ওয়ালিদ ইবন উবাদাহ ইবনুল সামিতের সূত্রে বলেছেন: আমি এবং আমার পিতা জ্ঞানের সন্ধানে বের হয়েছিলাম, এই পাড়ায় আমরা প্রথম সারির সাথে সাক্ষাত করেছিলাম। আবু আল-ইয়ুসর নবীর সাথী ছিলেন, আল্লাহ তাঁর উপর বরকত দান করুন এবং তাঁর সাথে তাঁর একজন দাস ছিলেন। আবু আল-ইয়ুসর একটি চাদর এবং একটি চাদর পরিধান করতেন এবং তার দাস একটি চাদর এবং একটি চাদর পরতেন। তাই আমি তাকে বললাম: হে আমার চাচা, আপনি যদি আপনার চাকরের চাদরটি নিয়ে যান এবং তাকে আপনার চাদর দেন বা তার চাদরটি নিয়ে তাকে আপনার চাদর দেন তবে তা হবে। তার উপর তোমার বোঝা বা বোঝা আছে, তাই তিনি আমার মাথা মুছে বললেন: হে আল্লাহ, আমার ভাগ্নে তাকে আশীর্বাদ করুন। আমার এই চোখ দেখেছে আর আমার এই কান শুনেছে। আমার হৃদয় এটি সম্পর্কে সচেতন ছিল এবং তার হৃদয়ের কোণে নির্দেশ করেছিল। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা যা খাও তা থেকে তাদেরকে আহার কর এবং যা পরিধান কর তা থেকে তাদেরকে পরিধান কর। কেয়ামতের দিন আমার নেক আমল থেকে নেওয়ার চেয়ে তাকে পার্থিব কিছু দান করা আমার পক্ষে সহজ ছিল।
আল-আদাব আল-মুফরাদ #১৮৭ Sahih