অধ্যায় ১৬
অধ্যায়ে ফিরুন
০১
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬২৮
وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن دم كل مسلم وعرضه وماله حرام على المسلم». (مسلم 6706)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “প্রত্যেক মুসলিমের রক্ত, সম্ভ্রম ও ধন-সম্পদ অন্য মুসলিমের উপর হারাম।” (মুসলিম ৬৭০৬)
০২
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৩১
قال النبي صلى الله عليه وسلم: «من قتل ذميًا (أو عدوًا بعد صلح) لم يرح رائحة الجنة، ولكن ريحه لا يزال من مكان بعيد أربعين سنة».
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোন (মুসলিম রাষ্ট্রে বসবাসকারী) যিম্মী (অথবা সন্ধিচুক্তির পর বিপক্ষের কাউকে) হত্যা করবে সে ব্যক্তি জান্নাতের সুবাসও পাবে না। অথচ তার সুবাস ৪০ বছরে অতিক্রম্য দূরবর্তী স্থান হতে পাওয়া যাবে।” (বুখারী ৩১৬৬, ৬৯১৪, ইবনে মাজাহ ২৬৮৬)
০৩
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৩৩
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "إذا اقتتل المسلمان بالسيف فالقاتل والمقتول في النار". فقلت: يا رسول الله! ومن الواضح أن القاتل يذهب إلى الجحيم؛ ولكن مسألة المتوفى ماذا؟ قال: وكان أيضًا يفوح منه رائحة قتل صاحبه. (البخاري 31، 6875، مسلم 7434) وفي رواية أخرى: "أحَدُهُمَا صَاحِبَهُ دَخَلاَهَا جَمِيعًا" \n"مسلمان إذا تخاصما السلاح وقفا على شفا النار، فإذا قتل أحدهما الآخر دخلا النار". (مسلم 7437) .
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যখন দু’জন মুসলমান তরবারি নিয়ে আপোসে লড়াই করে, তখন হত্যাকারী ও নিহত দু’জনই দোযখে যাবে।” আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! হত্যাকারীর দোযখে যাওয়া তো স্পষ্ট; কিন্তু নিহত ব্যক্তির ব্যাপার কি?’ তিনি বললেন, “সেও তার সঙ্গীকে হত্যা করার জন্য লালায়িত ছিল।” (বুখারী ৩১, ৬৮৭৫, মুসলিম ৭৪৩৪) অন্য এক বর্ণনায় আছে,\nإِذَا الْمُسْلِمَانِ حَمَلَ أَحَدُهُمَا عَلَى أَخِيهِ السِّلاَحَ فَهُمَا فِى جُرُفِ جَهَنَّمَ فَإِذَا قَتَلَ أَحَدُهُمَا صَاحِبَهُ دَخَلاَهَا جَمِيعًا \n“দুইজন মুসলিম যখন একে অপরের উপর অস্ত্র চালনা করে, তখন তারা দোযখের কিনারায় অবস্থান করে। অতঃপর যখন তাদের একজন অপরজনকে হত্যা করে, তখন উভয়েই দোযখে যায়।” (মুসলিম ৭৪৩৭)
০৪
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৩৫
(8031-8032، أبو داود 4272 عن أبي الدرداء، صحيح الجامع 4524)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি মুশরিক হয়ে মারা যায় অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে কোন মুমিনকে হত্যা করে, সে ব্যক্তির পাপ ছাড়া অন্যান্য ব্যক্তির পাপকে আল্লাহ মাফ করে দিতে পারেন।” (আহমাদ ১৬৯০৭, নাসাঈ ৩৯৮৪, হাকেম ৮০৩১-৮০৩২, আবূ দাউদ ৪২৭২ আবূ দারদা হতে, সহীহুল জামে’ ৪৫২৪)
০৫
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৩৬
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَزَوَالُ الدُّنْيَا أَهْوَنُ عِنْدَ اللهِ مِنْ قَتْلِ رَجُلٍ مُسْلِمٍ
আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) এর সূত্রে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে শান্তি দান করুন, যিনি বলেছিলেন যে একজন মুসলিম ব্যক্তিকে হত্যার চেয়ে দুনিয়ার অন্তর্ধান আল্লাহর কাছে সহজ।
০৬
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৩৯
وقال أبو القاسم (عليه السلام): (من أشار إلى أخيه بقضيب من حديد لعنته الملائكة، ولو كان أخوه). (أي اقتلوه) (مسلم 2616) والترهيب بغير عمد إثم.
আবুল কাসেম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার (মুসলিম) ভাইয়ের প্রতি কোন লৌহদন্ড (লোহার অস্ত্র) দ্বারা ইঙ্গিত করে সে ব্যক্তিকে ফিরিশতাবর্গ অভিশাপ করেন; যদিও সে তার নিজের সহোদর ভাই হোক না কেন।” (অর্থাৎ, তাকে মারার ইচ্ছা না থাকলেও ইঙ্গিত করে ভয় দেখানো গোনাহর কাজ।) (মুসলিম ২৬১৬)
০৭
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৪৩
وعَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ زيد رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ سَمِعْتُ رَسُوْلَ الله صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُوْلُ \nيَا نَعَايَا الْعَرَبِ يَا نَعَايَا الْعَرَبِ إِنَّ أَخْوَفَ مَا أَخَافُ عَلَيْكُمُ الزنا، وَالشَّهْوَةُ الْخَفِيَّةُ
আমি শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আরবের মরণ! আরবের মরণ! আমি তোমাদের উপর আমার সবচেয়ে অধিক যে জিনিসের ভয় হয়, তা হল ব্যভিচার ও গুপ্ত কুপ্রবৃত্তি।” (ত্বাবারানী, সঃ তারগীব ২৩৯০)
০৮
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৪৫
قال النبي صلى الله عليه وسلم: «إن الله كتب على ابن آدم حظا من الزنا، فزنا العين البصر، وزنا اللسان الكلام، والعقل يأمل ويتمنى، والفرج يصدقه». أو بالكذب. (البخاري 6243، 6612، مسلم 6924)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা আদম সন্তানের ব্যভিচারের অংশ লিখে দিয়েছেন, যা সে অবশ্যই পেয়ে থাকবে। সুতরাং চক্ষুর ব্যভিচার দর্শন, জিহ্বার ব্যভিচার হল কথন, মন আশা ও কামনা করে এবং জননেন্দ্রিয় তা সত্যায়ন অথবা মিথ্যায়ন করে। (বুখারী ৬২৪৩, ৬৬১২, মুসলিম ৬৯২৪)
০৯
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৪৬
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إذا زنى الزاني فلا يزني وهو مؤمن، وإذا سرق السارق فلا يسرق وهو مؤمن، وإذا شرب الخمر فلا يسرق وهو مؤمن».
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “কোন ব্যভিচারী যখন ব্যভিচার করে, তখন মু’মিন থাকা অবস্থায় সে ব্যভিচার করতে পারে না। কোন চোর যখন চুরি করে, তখন মু’মিন থাকা অবস্থায় সে চুরি করতে পারে না এবং কোন মদ্যপায়ী যখন মদ্যপান করে, তখন মু’মিন থাকা অবস্থায় সে মদ্যপান করতে পারে না।” (বুখারী ২৪৭৫, মুসলিম ২১১, আসহাবে সুনান)
১০
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৪৭
قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من يضمن ما بين اللحيين، وما بين الرجلين أضمن له الجنة». (البخاري 6474) .
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী (অঙ্গ জিভ) এবং দুই পায়ের মধ্যবর্তী (অঙ্গ গুপ্তাঙ্গ) সম্বন্ধে নিশ্চয়তা দেবে, আমি তার জন্য জান্নাতের নিশ্চয়তা দেব।” (বুখারী ৬৪৭৪)
১১
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৪৮
قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من حفظ الله أذى ما بين لحييه وما بين رجليه دخل الجنة». (الترمذي 2409، حسن)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তিকে আল্লাহ তার দুই চোয়ালের মধ্যস্থিত অঙ্গ (জিহ্বা) ও দু’পায়ের মাঝখানের অঙ্গ (লজ্জাস্থান)এর ক্ষতি থেকে মুক্ত রাখবেন, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” (তিরমিযী ২৪০৯, হাসান)
১২
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৫০
وَعَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم قَالَ سَبْعَةٌ يُظِلُّهُمُ اللهُ في ظِلِّهِ يَوْمَ لاَ ظِلَّ إلاَّ ظِلُّهُ وَرَجُلٌ دَعَتْهُ امْرَأةٌ ذَاتُ مَنصَبٍ وَجَمَالٍ فَقَالَ : إنِّي أخَافُ الله متفقٌ عليه
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বরাতে তিনি বলেনঃ সাতজন লোককে আল্লাহ তার ছায়াতলে ছায়া দিবেন যেদিন তার ছায়া ছাড়া আর কোন ছায়া থাকবে না এবং একজন লোক যাকে একজন মহিলা অবস্থান ও সৌন্দর্য বলে, এবং সে বললঃ আমি আল্লাহকে ভয় করি। একমত।
১৩
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৫১
عَنْ عَبْدِ اللهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم لاَ يَحِلُّ دَمُ امْرِئٍ مُسْلِمٍ يَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَأَنِّى رَسُولُ اللهِ إِلاَّ بِإِحْدَى ثَلاَثٍ الثَّيِّبُ الزَّانِ وَالنَّفْسُ بِالنَّفْسِ وَالتَّارِكُ لِدِينِهِ الْمُفَارِقُ لِلْجَمَاعَةِ
আবদুল্লাহর সূত্রে, তিনি বলেন: আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন মুসলিম ব্যক্তির রক্তপাত করা জায়েজ নয় যে সাক্ষ্য দেয় যে আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল। তিনটি জিনিসের একটির সাথে: বিবাহিত ব্যভিচারী, অন্য জীবনের জন্য একটি জীবন এবং যে তার ধর্ম ত্যাগ করে এবং সম্প্রদায় থেকে পৃথক হয়।
১৪
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৫২
عن عَبْدِ اللهِ قَالَ قَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللهِ أَىُّ الذَّنْبِ أَكْبَرُ عِنْدَ اللهِ؟ قَالَ أَنْ تَدْعُوَ لِلهِ نِدًّا وَهُوَ خَلَقَكَ قَالَ ثُمَّ أَىٌّ قَالَ أَنْ تَقْتُلَ وَلَدَكَ مَخَافَةَ أَنْ يَطْعَمَ مَعَكَ قَالَ ثُمَّ أَىٌّ قَالَ أَنْ تُزَانِىَ حَلِيلَةَ جَارِكَ গ্ধ فَأَنْزَلَ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ تَصْدِيقَهَا وَالَّذِينَ لاَ يَدْعُونَ مَعَ اللهِ إِلَهًا آخَرَ وَلاَ يَقْتُلُونَ النَّفْسَ الَّتِى حَرَّمَ اللهُ إِلاَّ بِالْحَقِّ وَلاَ يَزْنُونَ وَمَنْ يَفْعَلْ ذَلِكَ يَلْقَ أَثَامًا
আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল, আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বড় পাপ কোনটি? তিনি বললেনঃ তুমি আল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বীকে ডাকবে অথচ তিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি বললেনঃ তারপর কি? তিনি বললেনঃ তুমি তোমার ছেলেকে এই ভয়ে হত্যা কর যে সে তোমার সাথে খাওয়াবে। তিনি বললেনঃ তারপর কি? তিনি বললেনঃ তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রী ব্যভিচার করে, তাই সর্বশক্তিমান আল্লাহ তার আকীদা প্রকাশ করলেন এবং যারা তারা আল্লাহর সাথে অন্য কোন উপাস্যকে ডাকবে না এবং তারা কোন আত্মাকে হত্যা করবে না যা আল্লাহ হারাম করেছেন, ন্যায়সঙ্গত পদ্ধতি ছাড়া, তারা ব্যভিচার করবে না। আর যে তা করবে তার গুনাহ হবে।
১৫
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৫৩
عن عَبْدِ اللهِ قَالَ قَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللهِ أَىُّ الذَّنْبِ أَكْبَرُ عِنْدَ اللهِ؟ قَالَ أَنْ تَدْعُوَ لِلهِ نِدًّا وَهُوَ خَلَقَكَ قَالَ ثُمَّ أَىٌّ قَالَ أَنْ تَقْتُلَ وَلَدَكَ مَخَافَةَ أَنْ يَطْعَمَ مَعَكَ قَالَ ثُمَّ أَىٌّ قَالَ أَنْ تُزَانِىَ حَلِيلَةَ جَارِكَ গ্ধ فَأَنْزَلَ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ تَصْدِيقَهَا وَالَّذِينَ لاَ يَدْعُونَ مَعَ اللهِ إِلَهًا آخَرَ وَلاَ يَقْتُلُونَ النَّفْسَ الَّتِى حَرَّمَ اللهُ إِلاَّ بِالْحَقِّ وَلاَ يَزْنُونَ وَمَنْ يَفْعَلْ ذَلِكَ يَلْقَ أَثَامًا
আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল, আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বড় পাপ কোনটি? তিনি বললেনঃ তুমি আল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বীকে ডাকবে অথচ তিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি বললেনঃ তারপর কি? তিনি বললেনঃ তুমি তোমার ছেলেকে এই ভয়ে হত্যা কর যে সে তোমার সাথে খাওয়াবে। তিনি বললেনঃ তারপর কি? তিনি বললেনঃ তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রী তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সাথে ব্যভিচার করে, তাই সর্বশক্তিমান ও মহান আল্লাহ তার বিশ্বাস প্রকাশ করলেন এবং যারা তারা আল্লাহর সাথে অন্য কোন উপাস্যকে ডাকবে না এবং তারা কোন আত্মাকে হত্যা করবে না যা আল্লাহ হারাম করেছেন, ন্যায়সঙ্গত পদ্ধতি ছাড়া, তারা ব্যভিচার করবে না। আর যে তা করবে তার গুনাহ হবে।
১৬
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৫৪
(تزداد الوفيات بينهما). وكلما منع قوم الزكاة منعوا عنهم المطر. (حكيم 2577، البيهقي 6625، 19323، البزار 3299، السلسلة الصحيحة 107)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যখনই কোন জাতি তাদের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে, তখনই তাদের মাঝে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। যখনই কোন জাতির মাঝে অশ্লীলতা আত্মপ্রকাশ করে, তখনই সে জাতির জন্য আল্লাহ মৃত্যুকে আধিপত্য প্রদান করেন। (তাদের মধ্যে মৃত্যুর হার বেড়ে যায়।) আর যখনই কোন জাতি যাকাৎ-দানে বিরত হয়, তখনই তাদের জন্য (আকাশের) বৃষ্টি বন্ধ করে দেওয়া হয়।” (হাকেম ২৫৭৭, বাইহাকী ৬৬২৫, ১৯৩২৩, বাযযার ৩২৯৯, সিলসিলাহ সহীহাহ ১০৭)
১৭
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৫৮
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من وجدتم مثل أمة لوط فاقتلوه وصاحبه». (أحمد 2732، أبو داود 4464، الترمذي 1456، ابن ماجه 2561، البيهقي 17475، صحيح الجامع 6589)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তোমরা যে ব্যক্তিকে লূত নবীর উম্মতের মত সমকামে লিপ্ত পাবে, সে ব্যক্তি ও তার সহকর্মীকে হত্যা করে ফেলো।” (আহমাদ ২৭৩২, আবূ দাউদ ৪৪৬৪, তিরমিযী ১৪৫৬, ইবনে মাজাহ ২৫৬১, বাইহাকী ১৭৪৭৫, সহীহুল জামে’ ৬৫৮৯)
১৮
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৬০
ابن حبان 4418، صحيح الجامع 7801)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, আল্লাহ আযযা অজাল্ল্ (কিয়ামতের দিন) সেই ব্যক্তির দিকে চেয়েও দেখবেন না, যে ব্যক্তি কোন পুরুষের মলদ্বারে অথবা কোন স্ত্রীর পায়খানা-দ্বারে সঙ্গম করে।” (তিরমিযী ১১৬৫, নাসাঈর কুবরা ৯০০১, ইবনে হিব্বান ৪৪১৮, সহীহুল জামে’৭৮০১)
১৯
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৬৪
«---حتى (في صلاة الكسوف) رأيت في النار حاملًا عصاً محني الرأس، يجر عصاه، يسرق بها أمتعة الحاج، كان يجذب البضاعة بثني العصا، فإذا أحس بها الرجل قال: علقتي على العصا وحدها، وانصرف بالشيء دون أن يشعر به أحد» (مسلم 2140).
“--- এমনকি (সূর্য-গ্রহণের নামায পড়ার সময়) জাহান্নামে আমি এক মাথা বাঁকানো লাঠি-ওয়ালাকেও দেখলাম, সে তার নাড়িভুঁড়ি টেনে নিয়ে বেড়াচ্ছে; যে তার ঐ লাঠি দিয়ে হাজীদের সামান চুরি করত। লাঠির ঐ বাঁক দিয়ে সামান টেনে নিত। অতঃপর কেউ তা টের পেলে বলত, আমার লাঠিতে আপনা-আপনিই ফেঁসে গেছে, আর কেউ টের না পেলে সামানটি নিয়ে চলে যেত। (মুসলিম ২১৪০)
২০
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৬৫
عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كَانَتِ امْرَأَةٌ مَخْزُومِيَّةٌ تَسْتَعِيرُ الْمَتَاعَ وَتَجْحَدُهُ فَأَمَرَ النَّبِىُّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم أَنْ تُقْطَعَ يَدُهَا فَأَتَى أَهْلُهَا أُسَامَةَ بْنَ زَيْدٍ فَكَلَّمُوهُ فَكَلَّمَ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم فِيهَا، فَقَالُوا وَمَنْ يَجْتَرِئُ عَلَيْهِ إِلاَّ أُسَامَةُ حِبُّ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم فَكَلَّمَهُ أُسَامَةُ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم أَتَشْفَعُ فِى حَدٍّ مِنْ حُدُودِ اللهِ ثُمَّ قَامَ فَاخْتَطَبَ فَقَالَ أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّمَا أَهْلَكَ الَّذِينَ قَبْلَكُمْ أَنَّهُمْ كَانُوا إِذَا سَرَقَ فِيهِمُ الشَّرِيفُ تَرَكُوهُ وَإِذَا سَرَقَ فِيهِمُ الضَّعِيفُ أَقَامُوا عَلَيْهِ الْحَدَّ وَايْمُ اللهِ لَوْ أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ مُحَمَّدٍ سَرَقَتْ لَقَطَعْتُ يَدَهَا
ওসামা আল্লাহর রসূলকে ভালোবাসতেন, আল্লাহ তাঁকে আশীর্বাদ ও শান্তি দান করুন। অতঃপর ওসামা তার সাথে কথা বললেন, এবং আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: আমি কি আল্লাহর সীমার একটি সম্পর্কে সুপারিশ করব? অতঃপর তিনি উঠলেন, তখন তিনি একটি খুতবা দিলেন এবং বললেন, “হে লোকসকল, তোমাদের পূর্ববর্তীদের একমাত্র ধ্বংস এই যে, যখন তাদের মধ্যে একজন সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি চুরি করেছিল, তখন তারা তাকে পরিত্যাগ করেছিল। আর তাদের মধ্যে দুর্বল লোক চুরি করলে তার উপর শাস্তি আরোপ করে। খোদার কসম, যদি মুহাম্মদের কন্যা ফাতেমা চুরি করত, আমি তার হাত কেটে দিতাম।
২১
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৭১
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لعن الله شارب الخمر، وشاربها، ومشتريها وبائعها، وصانعها، والمعد له، وحاملها، والمحمولة له». (أبو داود
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মদ পানকারীকে, মদ পরিবেশনকারীকে, তার ক্রেতা ও বিক্রেতাকে, তার প্রস্তুতকারককে, যার জন্য প্রস্তুত করা হয় তাকে, তার বাহককে ও যার জন্য বহন করা হয় তাকে আল্লাহ অভিশাপ করেছেন।” (আবূ দাউদ ৩৬৭৪, ইবনে মাজাহ ৩৩৮০)\nইবনে মাজার বর্ণনায় আছে, “তার মূল্য ভক্ষণকারীও (অভিশপ্ত)।” (সহীহুল জামে’ ৫০৯১)
২২
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৭৪
عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم مَا أَسْكَرَ كَثِيرُهُ فَقَلِيلُهُ حَرَامٌ
জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যা বেশি পরিমাণে নেশা করে, তার সামান্য পরিমাণও হারাম।
২৩
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৭৫
قال: أوصاني خليلي (عليه السلام) خاصة: «لا تشرك بالله شيئا، وإن قتلت أو حرقت». ولا تترك الصلوات المفروضة عمداً. لأن ذلك
তিনি বলেন, আমাকে আমার বন্ধু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন যে, “তুমি আল্লাহর সাথে কোন কিছুকে শরীক করো না -যদিও (এ ব্যাপারে) তোমাকে হত্যা করা হয় অথবা জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। ইচ্ছাকৃত ফরয নামায ত্যাগ করো না। কারণ যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় নামায ত্যাগ করে, তার উপর থেকে (আল্লাহর) দায়িত্ব উঠে যায়। আর মদ পান করো না, কারণ মদ হল প্রত্যেক অমঙ্গলের (পাপাচারের) চাবিকাঠি।” (ইবনে মাজাহ ৪০৩৪, সহীহ ইবনে মাজাহ ৩২৫৯)
২৪
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৭৬
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم الْخَمْرُ أُمُّ الْخَبَائِثِ فَمَنْ شَرِبَهَا لَمْ تُقْبَلْ مِنْهُ صَلاتُهُ أَرْبَعِينَ يَوْمًا، فَإِنْ مَاتَ وَهِيَ فِي بَطْنِهِ مَاتَ مَيْتَةً جَاهِلِيَّةً
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মদ যাবতীয় নোংরামির মূল। যে কেউ তা পান করবে, তার ৪০ দিনের নামায কবুল হবে না। যে ব্যক্তি তার মূত্রথলিতে ঐ মদের কিছু পরিমাণ রাখা অবস্থায় মারা যাবে, তার জন্য জান্নাত হারাম হয়ে যাবে এবং যে কেউ তা নিজ পেটে রেখে মারা যাবে, সে জাহেলী যুগের মরণ মরবে।” (ত্বাবারানী ১৫৪৩, দারাক্বুত্বনী ৪/২৪৭, সিলসিলাহ সহীহাহ ২৬৯৫)
২৫
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৭৭
عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ اجْتَنِبُوا الخَمْرَ فَإنَّهَا أُمُ الْخَبَائِثِ إِنَّهُ كاَنَ رَجُلٌ مِمَّن خَلَا قَبْلَكُمْ يَتَعَبَّدُ فَعَلِقَتْهُ اِمْرَأة أَغوَتْهُ فَأرسَلَتْ إليْهِ جَارِيَتُهَا فقَالَتْ لَهُ : إِنَّهَا تَدْعُوكَ لِلشَّهَادَةِ فَانْطَلَقَ مَعَ جَارِيَتِهَا فَطَفِقَ كُلَّمَا دَخَلَ بَابًا أَغْلَقَتْهُ دُونَهُ حَتَّى أَفْضَى إِلَى اِمْرَأَةٍ وَضِيْئَةٍ عِنْدَهَا غُلَامٌ وَبَاطِيَةُ خمْرٍ فَقَالَتْ: وَاللهِ مَا دَعَوْتُكَ لِلشَّهَادَةِ وَلَكِنْ دَعَوْتُكَ لِتَقَعَ عليَّ أَوْ تَشرَبَ مِنْ هَذِهِ الْخَمْرِ كَأسًا أو تَقْتُلَ هَذَا الغُلاَمَ قَالَ : فَاسْقِيْنِيْ مِنْ هَذِهِ الخَمْرِ كَأسًا فسَقَتْهُ كَأْسًا فَقَالَ: زَيْدُوْنِي فَلَمْ يَرِم حَتَّى وَقَعَ عَلَيْهَا وَقَتَلَ الْغُلَامُ فَاجْتَنِبُوْ الخَمْرَ فَإِنَّهَا وَاللهِ لَا يَجْتَمِعُ الْإِيْمَانُ وَإِدمان الخَمْرُ إِلَّا ويُوشِكُ أَنْ يُخْرِجَ أحدُهُمَا صَاحِبَهُ
উসমান বিন আফফান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে, আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হতে পারেন, তিনি বলেছিলেন: অ্যালকোহল পরিহার কর, কারণ এটি মন্দের জননী। নিশ্চয়ই তোমাদের পূর্ববর্তীদের মধ্যে একজন লোক ছিল যে ইবাদত করত, আমি তাকে বেঁধে রাখলাম। একজন মহিলা তাকে ধোঁকা দিয়েছিল, তাই সে তার দাসীকে তার কাছে পাঠায় এবং তাকে বলল: সে তোমাকে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য ডাকছে। তাই তিনি তার দাসীকে নিয়ে চলে গেলেন এবং যতবারই তিনি প্রবেশ করলেন ততবারই তিনি থামলেন। তিনি বললেন: আমাকে বাড়িয়ে দাও, এবং সে গুলি করেনি যতক্ষণ না সে তার উপর পড়ে এবং ছেলেটিকে হত্যা করে। তাই অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন, কারণ ঈশ্বরের কসম, বিশ্বাস এবং অ্যালকোহলের আসক্তি একত্রিত হয় না যদি না এটি ঘটতে থাকে। তাদের একজন অন্যজনকে বহিষ্কার করে
২৬
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৭৯
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من شرب الخمر لم تقبل له صلاة أربعين يوما، فإن تاب بعد ذلك تاب الله عليه، وإلا فإن عاد للشرب فتقبل منه أربعين يوما». لن تقبل الصلاة . فإن تاب بعد ذلك فإن الله يتوب عليه. وإلا فإن شربه للمرة الثالثة لم تقبل له صلاة أربعين يوما. فإذا تاب بعد ذلك فإن الله يتوب عليه. وإلا فإن قيل: يا أبا عبد الرحمن! ما هو "نهر خبال"؟ قال: نهر يجري في صديد أهل النار. (الترمذي 1862، الحكيم 4/146، النسائي، صحيح الجامع 6312-6313)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি মদ পান করবে, সে ব্যক্তির ৪০ দিনের নামায কবুল হবে না। কিন্তু এরপর যদি সে তওবা করে, তবে আল্লাহ তার তওবা গ্রহণ করে নেবেন। অন্যথা যদি সে পুনরায় পান করে, তাহলে অনুরূপ তার ৪০ দিনের নামায কবুল হবে না। যদি এর পরেও সে তওবা করে, তবে আল্লাহ তার তওবা কবুল করে নেবেন। অন্যথা যদি সে তৃতীয়বার পান করে, তাহলে অনুরূপ তার ৪০ দিনের নামায কবুল হবে না। কিন্তু এর পরেও যদি সে তওবা করে, তবে আল্লাহ তার তওবা গ্রহণ করে নেবেন। অন্যথা যদি সে চতুর্থবার তা পান করে, তাহলে অনুরূপ তার ৪০ দিনের নামায কবুল হবে না। কিন্তু এরপরে সে যদি তওবা করে, তবে আল্লাহ তার তওবা কবুল করেন না, তিনি তার প্রতি ক্রোধান্বিত হন এবং (পরকালে) তাকে ‘খাবাল নদী’ থেকে পানীয় পান করাবেন।”\n ইবনে উমার (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করা হল, ‘হে আবূ আব্দুর রহমান! ‘খাবাল-নদী’ কী?’ উত্তরে তিনি বললেন, ‘তা হল জাহান্নামবাসীদের পুঁজ দ্বারা প্রবাহিত (জাহান্নামের) এক নদী।’ (তিরমিযী ১৮৬২, হাকেম ৪/১৪৬, নাসাঈ, সহীহুল জামে’৬৩১২-৬৩১৩)
২৭
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৮০
وقال النبي صلى الله عليه وسلم: (من مات وهو يشرب الخمر لقي الله مشركا). (الطبراني الكبير 12258، السلسلة صحيح 677)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি মদ্যপানে অভ্যাস থাকা অবস্থায় মারা যাবে, সে ব্যক্তি মূর্তিপূজকের মতো (পাপী) হয়ে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে।” (ত্বাবারানীর কাবীর ১২২৫৮, সিলসিলাহ সহীহাহ ৬৭৭)
২৮
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৮২
وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن ناسا من أمتي يغيرون اسم الخمر فيشربونها». (أحمد 22900، أبو داود 3690، صحيح الجامع 5453)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমার উম্মতের একদল লোক মদের নাম পরিবর্তন করে তা অবশ্যই পান করবে।” (আহমাদ ২২৯০০, আবূ দাঊদ ৩৬৯০, সহীহুল জামে ৫৪৫৩)
২৯
হাদিস সংগ্রহ # ০/১৬৮৫
(أبو داود 4593، صحيح النسائي 4456، صحيح ابن ماجه 2131)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “---আর যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত (খুনী দ্বারা) খুন হবে, সেই খুনীকে খুনের বদলে খুন করা হবে। অতঃপর যে ব্যক্তি খুনী ও দন্ডের মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়াবে, তার উপর আল্লাহ, ফেরেশতা ও সকল মানুষের অভিশাপ।” (আবূ দাঊদ ৪৫৯৩, সহীহ নাসাঈ ৪৪৫৬, সহীহ ইবনে মাজাহ ২১৩১)