অধ্যায় ৩৩
অধ্যায়ে ফিরুন
০১
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১১৯৪
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: النَّاسُ تَبعٌ لِقُرَيْشٍ فِي هذَا الشَّأْنِ، مُسْلِمُهُمْ تَبَعٌ لِمُسْلِمِهِم، وَكَافِرُهُمْ تَبَعٌ لِكَافِرِهِمْ
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাদিস যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: লোকেরা এ ব্যাপারে কুরাইশদের অনুসরণ করে, তাদের মুসলিম তাদের মুসলিমকে অনুসরণ করে এবং তাদের অমুসলিম তাদের কাফেরদের অনুসরণ করে।
০২
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১১৯৫
حديث عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: لاَ يَزَالُ هذَا الأَمْرُ فِي قُرَيْشٍ مَا بَقِيَ مِنْهُمُ اثْنَانِ
আবদুল্লাহ ইবনে ওমরের হাদিস, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: এ বিষয়টি কুরাইশদের মধ্যে চলতে থাকবে যতক্ষণ না তাদের মধ্যে দু'জন থাকে।
০৩
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১১৯৬
قال: سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول: يكون اثنا عشر أميرا. ثم كان يقول شيئًا لم أستطع سماعه. لكن والدي قال إنه قال أن كلهم سيكونون من قبيلة قريش. (البخاري الجزء 93 الفصل 51 الحديث رقم 111).
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, বারজন আমীর হবে। এরপর তিনি একটি কথা বলছিলেন যা আমি শুনতে পারিনি। তবে আমার পিতা বলেছেন যে, তিনি বলেছিলেন সকলেই কুরাইশ গোত্র থেকে হবে। (বুখারী পর্ব ৯৩ অধ্যায় ৫১ হাদীস নং ৭২২২-৭২২৩; মুসলিম ৩৩/১, হাঃ ১৮২১)
০৪
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১১৯৭
قال: "قيل لعمر (رع):" ألن ترشح الخليفة (التالي )؟ "قال: إذا رشحت الخليفة، فإن من هو أفضل مني قد رشح الخليفة، أي أبو بكر (رع). وإذا لم يتم ترشيحه، فإنه لم يرشح الخليفة الذي كان الأفضل. أي رسول الله صلى الله عليه وسلم. وأشاد به الناس على ذلك. ثم قال: البعض متلهف لذلك والبعض خائف. وأتمنى لو أستطيع التخلص منه
তিনি বলেন, ‘উমার (রাঃ)-কে বলা হল, আপনি কি (আপনার পরবর্তী) খলীফা মনোনীত করে যাবেন না? তিনি বললেনঃ যদি আমি খলীফা মনোনীত করি, তাহলে আমার চেয়ে যিনি শ্রেষ্ঠ ছিলেন তিনি খলীফা মনোনীত করে গিয়েছিলেন, অর্থাৎ আবূ বকর (রাঃ)। আর যদি মনোনীত না করি, তাহলে আমার চেয়ে যিনি শ্রেষ্ঠ ছিলেন তিনি খলীফা মনোনীত করে যাননি। অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। এতে লোকেরা তাঁর প্রশংসা করল। তারপর তিনি বললেন, কেউ এ ব্যাপারে আকাঙক্ষী আর কেউ ভীত। আর আমি পছন্দ করি আমি যেন এ থেকে মুক্তি পাই সমানে সমান, না পুরস্কার না শাস্তি। আমি জীবদ্দশায় ও মৃত্যুর পরে এর দায়িত্ব বহন করতে পারব না। (বুখারী পর্ব ৯৩ অধ্যায় ৫১ হাদীস নং ৭২১৮; মুসলিম ৩৩/২, হাঃ ১৮২৩)
০৫
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১১৯৮
فقال النبي صلى الله عليه وسلم: يا عبد الرحمن بن سمرة! أنت لا تريد القيادة. لأنك إذا حصلت على القيادة بعد السؤال سلمت إليها. وإذا لم تطلبه ستساعد عليه. (البخاري
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে ‘আবদুর রহমান ইব্নু সামুরাহ! তুমি নেতৃত্ব চেয়ো না। কেননা, চাওয়ার পর যদি নেতৃত্ব পাও তবে এর দিকে তোমাকে সোপর্দ করে দেয়া হবে। আর যদি না চেয়ে তা পাও তবে তোমাকে এর জন্য সাহায্য করা হবে। (বুখারী পর্ব ৮৩ অধ্যায় ১ হাদীস নং ৬৬২২; মুসলিম ৩৩/৩, হাঃ ১৬৫২)
০৬
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২০১
وقد زار عبيد الله بن زياد مكيل بن يسار وهو على فراش الموت. فقال له مكيل: أنا أحدثك حديثا سمعته من النبي صلى الله عليه وسلم. أنا النبي (صلى الله عليه وسلم). سمعت (عليه السلام) أن العبد إذا تولى الله قوماً، فلم يرهم بإحسان، لم يشم رائحة الجنة. (البخاري جزء 93 باب 8 حديث رقم 7150 ؛ مسلم 33/5، هـ). 142)
‘উবাইদুল্লাহ্ ইব্নু যিয়াদ (রহ.) মাকিল ইব্নু ইয়াসারের মৃত্যুশয্যায় তাকে দেখতে গেলেন। তখন মাকিল (রাঃ) তাকে বললেন, আমি তোমাকে এমন একটি হাদীস বর্ণনা করছি যা আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছি। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছি যে, কোন বান্দাকে যদি আল্লাহ্ তা‘আলা জনগণের নেতৃত্ব প্রদান করেন, আর সে কল্যাণকামিতার সঙ্গে তাদের তত্ত্বাবধান না করে, তাহলে সে বেহেশ্তের ঘ্রাণও পাবে না। (বুখারী পর্ব ৯৩ অধ্যায় ৮ হাদীস নং ৭১৫০; মুসলিম ৩৩/৫, হাঃ ১৪২)
০৭
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২০৪
وقال إن الآية نزلت في عبد الله بن حذافة بن قيس بن عدي حين بعثه النبي صلى الله عليه وسلم أميرا على جيش. (البخاري الجزء 65 الباب 11 الحديث رقم 4584،
তিনি বলেছেন যে, (আরবী) আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছে ‘আবদুল্লাহ ইবনু হুযাফাহ ইবনু ক্বায়স ইবনু আদী সম্পর্কে যখন তাঁকে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি সৈন্য দলের দলনায়ক করে প্রেরণ করেছিলেন। (বুখারী পর্ব ৬৫ অধ্যায় ১১ হাদীস নং ৪৫৮৪, মুসলিম ৩৩/৮, হাঃ ১৮৩৪)
০৮
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২০৫
وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: من أطاعني فقد أطاع الله. ومن عصاني فقد عصى الله. ومن أطاع أميري فهو مني
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমার আনুগত্য করল, সে আল্লাহ্রই আনুগত্য করল। আর যে ব্যক্তি আমার নাফরমানী করল, সে আল্লাহ্রই নাফরমানী করল। এবং যে ব্যক্তি আমার (নির্বাচিত) ‘আমীরের আনুগত্য করল, সে আমারই আনুগত্য করল। আর যে ব্যক্তি আমার (নির্বাচিত) আমীরের নাফরমানী করল সে আমারই নাফরমানী করল। (বুখারী পর্ব ৯৩ অধ্যায় ১ হাদীস নং ৭১৩৭; মুসলিম ৩৩/৮, হাঃ ১৮৩৫)
০৯
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২০৬
حديث عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: السَّمْعُ وَالطَّاعَةُ عَلَى الْمَرْءِ الْمُسْلِمِ فِيمَا أَحَبَّ وَكَرِهَ، مَا لَمْ يُؤْمَرْ بِمَعْصِيَةٍ؛ فَإِذَا أُمِرَ بِمَعْصِيَةٍ فَلاَ سَمْعَ وَلاَ طَاعَةَ
আবদুল্লাহ ইবনে ওমরের হাদিস, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সূত্রে, আল্লাহ্ তাঁর উপর বরকত দান করেন, যিনি বলেছেন: একজন মুসলিম ব্যক্তির উপর শ্রবণ ও আনুগত্য করা তার পছন্দ ও অপছন্দের দায়িত্ব, যদি না তাকে অবাধ্যতার আদেশ দেওয়া হয়; যদি তাকে অমান্য করার আদেশ দেওয়া হয়, তবে সে শোনে না এবং মানে না।
১০
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২১০
حديث ابْنِ مَسْعُودٍ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: سَتَكونُ أُثَرَةٌ وَأُمُورٌ تُنْكِرُونَهَا قَالُوا: يَا رَسُولَ اللهِ فَمَا تَأْمُرُنَا قَالَ: تُؤَدُّونَ الْحَقَّ الَّذِي عَلَيْكمْ وَتَسْأَلُونَ اللهَ الَّذِي لَكمْ
ইবনে মাসউদের হাদিস, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সূত্রে, আল্লাহ তাঁর উপর আশীর্বাদ বর্ষণ করেন, বলেছেন: এমন কিছু চিহ্ন এবং বিষয় থাকবে যা আপনি অস্বীকার করবেন। তারা বললঃ হে আল্লাহর রাসুল, আপনি আমাদেরকে কি আদেশ করেন? তিনি বললেনঃ তুমি কি অভিনয় করবে? আপনার উপর যে অধিকার, এবং আপনি আপনার কে ঈশ্বর জিজ্ঞাসা.
১১
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২১১
فقال الأنصاري: يا رسول الله (صلى الله عليه وسلم)، ألا تكلني على كذا وكذا؟ فقال صلى الله عليه وسلم: «سترون الناس بعد وفاتي».
একজন আনসারী বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আপনি কি আমাকে অমুকের ন্যায় দায়িত্বে নিয়োজিত করবেন না? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা আমার ওফাতের পর অপরকে অগ্রাধিকার দেওয়া দেখতে পাবে, তখন তোমরা ধৈর্যধারণ করবে অবশেষে আমার সাথে সাক্ষাৎ করবে এবং তোমাদের সাথে সাক্ষাতের স্থান হল হাউয। (বুখারী পর্ব ৬৩ অধ্যায় ৮ হাদীস নং ৩৭৯২; মুসলিম ৩৩/১১, হাঃ ১৮৪৫)
১২
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২১৪
حديث جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ، قَالَ: قَالَ لَنَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَوْمَ الْحُدَيْبِيَةِ: أَنْتُمْ خَيْرُ أَهْلِ الأَرْضِ وَكُنَّا أَلْفًا وَأَرْبَعَمِائَةٍ وَلَوْ كُنْتُ أُبْصِرُ الْيَوْمَ لأَرَيْتُكُمْ مَكَانَ الشَّجَرَةِ
জাবির ইবনে আবদুল্লাহর হাদিস, যিনি বলেছেন: আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুদায়বিয়ার দিনে আমাদের বলেছিলেন: তোমরা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষ এবং আমরা ছিলাম হাজার হাজার। আর চারশো, আর আজ যদি দেখতে পেতাম, গাছের অবস্থান দেখাতাম।
১৩
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২১৫
حديث الْمُسَيَّبِ بْنِ حَزْنٍ، قَالَ: لَقَدْ رَأَيْتُ الشَّجَرَة، ثُمَّ أَتَيْتهَا بَعْدُ فَلَمْ أَعْرِفْهَا
তিনি বলেন, (যেটির নীচে বাই‘আত করা হয়েছিল) আমি সে গাছটি দেখেছিলাম। কিন্তু পরে যখন ওখানে আসলাম তখন আর সেটা চিনতে পারলাম না। (বুখারী পর্ব ৬৪ অধ্যায় ৩৬ হাদীস নং ৪১৬২; মুসলিম ৩৩/১৮, হাঃ ১৮৫৯)
১৪
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২১৭
حديث عَبْدِ اللهِ بْنِ زَيْدٍ رضي الله عنه، قَالَ: لَمَّا كَانَ زَمَنَ الْحَرَّةِ، أَتَاهُ آتٍ، فَقَالَ لَهُ: إِنَّ ابْنَ حَنْظَلَةَ يُبَايِعُ النَّاسَ عَلَى الْمَوْتِ فَقَالَ: لاَ أُبَايِعُ عَلَى هذَا أَحَدًا بَعْدَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
আবদুল্লাহ ইবনে যায়েদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাদিস, তিনি বলেছেন: যখন আল-হারার সময় উপস্থিত হল, তখন একজন লোক তাঁর কাছে এসে বলল: ইবনে হানযালাহ মৃত্যুর সময় মানুষের কাছে আনুগত্যের অঙ্গীকার করেন, তাই তিনি বললেন: আমি মৃত্যুতে আনুগত্য করি না। তিনি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরের লোকদের একজন, আল্লাহ তাঁর উপর বরকত বর্ষণ করুন এবং তাঁকে শান্তি দান করুন।
১৫
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২১৯
قال: ذهبت إلى النبي صلى الله عليه وسلم مع أبي معبد رضي الله عنه (مجالد) أسأله أن يأخذ البيعة منه على الهجرة. ثم قال (صلى الله عليه وآله وسلم): إن الهجرة لمن هاجر، وأقبل منه البيعة على الإسلام والجهاد. [عن أبي عثمان النهدي (رضي الله عنه)] قال: ثم لقيت أبا معبد (رضي الله عنه) فسألته، قال: صدق مجاشع (رضي الله عنه). (البخاري، باب 64).
তিনি বলেন, আমি আবূ মা‘বাদ (রাঃ) (মুজালিদ) কে নিয়ে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গেলাম যেন তিনি তাঁর নিকট হতে হিজরাতের জন্য বাই‘আত গ্রহণ করেন। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হিজরাতকারীদের জন্য হিজরাত অতিক্রান্ত হয়ে গেছে। আমি তার নিকট হতে ইসলাম ও জিহাদের জন্য বাই‘আত গ্রহণ করব। [বর্ণনাকারী আবূ ‘উসমান নাহদী (রহঃ)] বলেন, এরপর আমি আবূ মা‘বাদ (রাঃ)-এর সাক্ষাৎ করে তাকে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি বললেন, মুজাশি‘ (রাঃ) সত্যি বলেছেন। (বুখারী পর্ব ৬৪ অধ্যায় ৫৪ হাদীস নং ৪৩০৮; মুসলিম ৩৩/২০, হাঃ ১৮৬৩)
১৬
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২২০
وقال النبي صلى الله عليه وسلم يوم فتح مكة: (لا حاجة للهجرة بعد الفتح، ولكن نية الجهاد والعمل الصالح باقية، وإذا دعيتم إلى الجهاد خرجتم). (البخاري باب 56) باب 194 حديث رقم 3077؛ (مسلم 33/ 20، هـ 1353)
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ বিজয়ের দিন বলেছেন, ‘মক্কা বিজয়ের পর (মক্কা থেকে) হিজরাতের প্রয়োজন নেই। কিন্তু জিহাদ ও নেক কাজের নিয়্যাত বাকী আছে আর যখন তোমাদের জিহাদের ডাক দেয়া হবে তখন তোমরা বেরিয়ে পড়বে।’ (বুখারী পর্ব ৫৬ অধ্যায় ১৯৪ হাদীস নং ৩০৭৭; মুসলিম ৩৩/২০, হাঃ ১৩৫৩)
১৭
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২২৩
حديث عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ: كُنَّا إِذَا بَايَعْنَا رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ علَى السَّمْعِ وَالطَّاعَةِ، يَقُولُ لَنَا: فِيمَا اسْتَطَعْتَ
আবদুল্লাহ ইবনে ওমরের হাদিস, যিনি বলেছেন: আমরা যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে শুনা ও আনুগত্য করার আনুগত্যের অঙ্গীকার দান করতাম, তখন তিনি আমাদের বলতেন: তোমরা যতটুকু পার।
১৮
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২২৪
عرضه (ابن عمر) على النبي صلى الله عليه وسلم يوم أحد، وهو غلام في الرابعة عشرة من عمره. (قال ابن عمر) ثم لم يسمح لي (للذهاب إلى المعركة). لاحقًا في معركة الخنادق قدمني و
উহুদ যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট তাকে (ইবনু উমরকে) পেশ করলেন, তখন তিনি চৌদ্দ বছরের বালক। (ইবনু ‘উমার বলেন) তখন তিনি আমাকে (যুদ্ধে গমনের) অনুমতি দেননি। পরে খন্দকের যুদ্ধে তিনি আমাকে পেশ করলেন এবং অনুমতি দিলেন। তখন আমি পনের বছরের যুবক। (বুখারী পর্ব ৫২ অধ্যায় ১৮ হাদীস নং ২৬৬৪; মুসলিম ৩৩/৩২, হাঃ ১৮৬৮)
১৯
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২২৬
حديث عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَابَقَ بَيْنَ الْخَيْلِ الَّتِي أُضْمِرَتْ مِنَ الْحَفْيَاءِ، وَأَمَدُهَا ثَنِيَّةُ الْوَدَاعِ، وَسَابَقَ بَيْنَ الْخَيْلِ الَّتِي لَمْ تُضْمَرْ مِنَ الثَّنيَّةِ إِلَى مَسْجِدِ بَنِي زُرَيْقٍ، وَأَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ فِيمَنْ سَابَقَ بِهَا
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুদ্ধের জন্যে তৈরি ঘোড়াকে ‘হাফ্য়া’ (নামক স্থান) হতে ‘সানিয়াতুল ওয়াদা’ পর্যন্ত দৌড় প্রতিযোগিতা করিয়েছিলেন। আর যে ঘোড়া যুদ্ধের জন্যে তৈরি নয়, সে ঘোড়াকে ‘সানিয়া’ হতে যুরাইক গোত্রের মাসজিদ পর্যন্ত দৌঁড় প্রতিযোগিতা করিয়েছিলেন। আর এই প্রতিযোগিতায় ‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘উমার (রাঃ)। অগ্রগামী ছিলেন। (বুখারী পর্ব ৮ অধ্যায় ৪১ হাদীস নং ৪২০; মুসলিম ৩৩/২৫, হাঃ ১৮৭০)
২০
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২২৯
فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: شعرة رأس الخيل مباركة. (البخاري الجزء 56 باب 43 حديث رقم 2851 ؛ مسلم 33/26 هـ 1873)
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ঘোড়ার কপালের কেশ দামে বরকত আছে। (বুখারী পর্ব ৫৬ অধ্যায় ৪৩ হাদীস নং ২৮৫১; মুসলিম ৩৩/২৬ হাঃ ১৮৭৩)
২১
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২৩১
فيعود إلى وطنه بالثواب والغنيمة التي خرج منها للجهاد. (البخاري جزء 57 باب 8 حديث رقم 3123 ؛ مسلم 33/28 هـ 1876)
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ্র পথে জিহাদ করে এবং তাঁরই বাণীর প্রতি দৃঢ় আস্থায় তাঁরই পথে জিহাদের উদ্দেশ্যে বের হয়, আল্লাহ তার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, হয় তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন অথবা সে যে সাওয়াব ও গনীমত লাভ করেছে তা সমেত তাকে ঘরে ফিরাবেন, যেখান হতে সে জিহাদের উদ্দেশ্যে বের হয়েছিল। (বুখারী পর্ব ৫৭ অধ্যায় ৮ হাদীস নং ৩১২৩; মুসলিম ৩৩/২৮ হাঃ ১৮৭৬)
২২
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২৩২
قال النبي صلى الله عليه وسلم: كل جرح يصيب المسلم في سبيل الله يوم القيامة، يظل كل جرح على حاله الذي كان عليه عند الإصابة. سوف يستمر الدم في التدفق. لونه لون الدم، وريحه مثل المسك.
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহর রাস্তায় মুসলিমদের যে যখম হয়, কিয়ামতের দিন তার প্রতিটি যখম আঘাতকালীন সময়ে যে অবস্থায় ছিল সে অবস্থাতেই থাকবে। রক্ত ছুটে বের হতে থাকবে। তার রং হবে রক্তের রং কিন্তু গন্ধ হবে মিশকের মত। (বুখারী পর্ব ৪ অধ্যায় ৬৭ হাদীস নং ২৩৭; মুসলিম ৩৩/২৮, হাঃ ১৮৭৬)
২৩
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২৩৩
قال النبي صلى الله عليه وسلم: لا أحد بعد دخول الجنة يرغب في أن يرجع إلى الدنيا إلا الشهيد، وكل الدنيا معه. ويتمنى أن يعود إلى الدنيا ليستشهد عشر مرات. لأنه
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, জান্নাতে প্রবেশের পর একমাত্র শহীদ ব্যতীত আর কেউ দুনিয়ায় ফিরে আসার আকাঙক্ষা করবে না, যদিও দুনিয়ার সকল জিনিস তার নিকট থাকবে। সে দুনিয়ায় ফিরে আসার আকাঙক্ষা করবে যেন দশবার শহীদ হয়। কেননা সে শাহাদাতের মর্যাদা দেখেছে। (বুখারী পর্ব ৫৬ অধ্যায় ২১ হাদীস নং ২৮১৭; মুসলিম ৩৩/২৯ হাঃ ১৮৭৭)
২৪
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২৩৪
جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: أخبرني عن عمل يعدل الجهاد. قال: لا أفهم. (ثم قال) هل تستطيع أن تفعل هذا وأنت في المسجد من حين يخرج المجاهد؟ ادخل فصل قائما ولا تكسل، وصام ولا تفطر. فقال الرجل ومن يستطيع ذلك؟ (البخاري جزء 56 باب 1 حديث رقم 2785 ؛ مسلم 33/29 هـ 1878)
এক ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, আমাকে এমন কাজের কথা বলে দিন, যা জিহাদের সমতুল্য হয়। তিনি বলেন, আমি তা পাচ্ছি না। (অতঃপর বললেন) তুমি কি এতে সক্ষম হবে যে, মুজাহিদ যখন বেরিয়ে যায়, তখন থেকে তুমি মাসজিদে প্রবেশ করবে এবং দাঁড়িয়ে ‘ইবাদাত করবে এবং আলস্য করবে না, আর সিয়াম পালন করতে থাকবে এবং সিয়াম ভাঙ্গবে না। লোকটি বলল, এটা কে পারবে? (বুখারী পর্ব ৫৬ অধ্যায় ১ হাদীস নং ২৭৮৫; মুসলিম ৩৩/২৯ হাঃ ১৮৭৮)
২৫
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২৩৫
قال النبي صلى الله عليه وسلم: غدوة أو عصرة في سبيل الله خير من الدنيا وما فيها. (البخاري جزء 56 باب 5 حديث رقم 2792 ؛ مسلم 33/30 هـ 1880)
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্র রাস্তায় একটি সকাল কিংবা একটি বিকাল অতিবাহিত করা দুনিয়া ও তাতে যা কিছু আছে, তার চেয়ে উত্তম। (বুখারী পর্ব ৫৬ অধ্যায় ৫ হাদীস নং ২৭৯২; মুসলিম ৩৩/৩০ হাঃ ১৮৮০)
২৬
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২৩৬
حديث سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: الرَّوْحَةُ وَالْغَدْوَةُ فِي سَبِيلِ اللهِ أَفْضَلُ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا
সাহল বিন সাদ এর হাদিস, আল্লাহ্ তাঁর উপর সন্তুষ্ট হতে পারেন, নবীর সূত্রে, আল্লাহ্র নামায ও শান্তি তাঁর উপর বর্ষিত হোক, যিনি বলেছেন: আল্লাহ্র পথে যাওয়া এবং সকাল কাটানো দুনিয়া ও এর মধ্যে যা আছে তার চেয়ে উত্তম।
২৭
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২৩৮
قال: فقيل: يا رسول الله (صلى الله عليه وسلم)! من هو خير الناس؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «المؤمن المجاهد في سبيل الله بنفسه وماله». فقال الصحابة: ثم من؟ قال: «المؤمن الذي يبيت في كهف الجبل اتقاء الله، ويمنع الناس من شره». (البخاري جزء 56 باب 2 حديث رقم 2786 ؛ مسلم 33/34 هـ 1888)
তিনি বলেন, জিজ্ঞেস করা হলো, ‘হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! মানুষের মধ্যে কে উত্তম?’ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ‘সেই মু’মিন যে নিজ জান ও মাল দিয়ে আল্লাহ্র পথে জিহাদ করে।’ সাহাবীগণ বললেন, ‘অতঃপর কে?’ তিনি বললেন, ‘সেই মু’মিন আল্লাহ্র ভয়ে যে পাহাড়ের কোন গুহায় অবস্থান নেয় এবং স্বীয় অনিষ্ট থেকে লোকদেরকে নিরাপদ রাখে।’ (বুখারী পর্ব ৫৬ অধ্যায় ২ হাদীস নং ২৭৮৬; মুসলিম ৩৩/৩৪ হাঃ ১৮৮৮)
২৮
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২৩৯
فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: اثنان ليرضى الله عنهما. فيقتلان بعضهما، وكلاهما من سكان الجنة. ومن أهل الجنة لأنه استشهد في سبيل الله. بعد ذلك
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, দু’ব্যক্তির প্রতি আল্লাহ্ সন্তুষ্ট থাকবেন। তারা একে অপরকে হত্যা করে উভয়েই জান্নাতবাসী হবে। একজন তো এ কারণে জান্নাতবাসী হবে যে, সে আল্লাহ্র রাস্তায় জিহাদ করে শহীদ হয়েছে। অতঃপর আল্লাহ্ তাআলা হত্যাকারীর তাওবা কবুল করেছেন। ফলে সেও আল্লাহ্র রাস্তায় শহীদ বলে গণ্য হয়েছে। (বুখারী পর্ব ৫৬ অধ্যায় ২৮ হাদীস নং ২৮২৬; মুসলিম ৩৩/৩৫ হাঃ ১৮৯০)
২৯
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২৪০
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من فرش مجاهدا في سبيل الله فكأنما مجاهد». ومن أحسن إلى أسرة مجاهد في سبيل الله فهو مجاهد أيضا.
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ্র পথে জিহাদকারীর আসবাবপত্র সরবরাহ করল সে যেন জিহাদ করল। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্র পথে কোন জিহাদকারীর পরিবার-পরিজনকে উত্তমরূপে দেখাশোনা করল, সেও যেন জিহাদ করল। (বুখারী পর্ব ৫৬ অধ্যায় ৩৮ হাদীস নং ২৮৪৩; মুসলিম ৩৩/৩৮ হাঃ ১৮৯৫)
৩০
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২৪১
حديث الْبَرَاءِ رضي الله عنه، قَالَ: لَمَّا نَزَلَتْ (لاَ يَسْتَوِي الْقَاعِدُونَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ) دَعَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَيْدًا فَجَاءَ بِكَتِفٍ فَكَتَبَهَا، وَشَكَا ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ ضَرَارَتَهُ، فَنَزَلَتْ (لاَ يَسْتَوِي الْقَاعِدُونَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ غَيْرُ أُولِي الضَّرَرِ)
আল-বারার হাদিস, আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হতে পারেন, তিনি বলেন: যখন "যারা মুমিনদের মধ্যে সমান নয়" অবতীর্ণ হয়েছিল, তখন আল্লাহর রসূল, আল্লাহর দোয়া ও সালাম, যায়েদকে ডাকলেন এবং তিনি একটি কাঁধ নিয়ে এলেন। তাই তিনি এটি লিখেছিলেন, এবং ইবনে উম্মে মাকতুম তার কষ্ট সম্পর্কে অভিযোগ করেছিলেন, তাই এটি প্রকাশিত হয়েছিল: "যারা মুমিনদের মধ্যে বসে তারা ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারো সমান নয়।"
৩১
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২৪২
حديث جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ، قَالَ: قَالَ رَجُلٌ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَوْمَ أُحُدٍ: أَرَأَيْتَ إِنْ قُتِلْتُ فَأَيْنَ أَنَا قَالَ: فِي الْجَنَّةِ فَأَلْقَى تَمَرَاتٍ فِي يَدِهِ، ثُمَّ قَاتَلَ حَتَّى قُتِلَ
জাবির ইবনে আবদুল্লাহর হাদিস, যিনি বলেছেন: উহুদের দিন এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললেন, আপনি কি মনে করেন? যদি আমাকে হত্যা করা হয়, আমি কোথায় থাকব? তিনি বললেনঃ জান্নাতে অতঃপর তার হাতে খেজুর নিক্ষেপ করলো, তারপর সে মারা যাওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ করল
৩২
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২৪৫
جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال: يا رسول الله صلى الله عليه وسلم، ليس حرب في سبيل الله، إن منا يقاتل غضبا، ومنا يقاتل انتقاما. 1904)
এক ব্যক্তি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আল্লাহ্র পথে যুদ্ধ কোন্টি, কেননা আমাদের কেউ লড়াই করে রাগের বশবর্তী হয়ে, আবার কেউ লড়াই করে প্রতিশোধ নেয়ার জন্য। তিনি তার দিকে মাথা তুলে তাকালেন। বর্ণনাকারী বলেন, তাঁর মাথা তোলার কারণ ছিল যে, সে ছিল দাঁড়ানো। অতঃপর তিনি বললেনঃ ‘আল্লাহর বাণী বিজয়ী করার জন্য যে যুদ্ধ করে তার লড়াই আল্লাহ্র পথে হয়।’ (বুখারী পর্ব ৩ অধ্যায় ৪৫ হাদীস নং ১২৩; মুসলিম ৩৩/৪২, হাঃ ১৯০৪)
৩৩
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২৫০
حديث الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: لاَ يَزَالُ نَاسٌ مِنْ أُمَّتِي ظَاهِرِينَ حَتَّى يَأْتِيَهُمْ أَمْرُ اللهِ وَهُمْ ظَاهِرُونَ
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমার উম্মাতের একটি দল সর্বদা বিজয়ী থাকবে। এমনকি যখন ক্বিয়ামাত আসবে তখনও তারা বিজয়ী থাকবে। (বুখারী পর্ব ৬১ অধ্যায় ২৮ হাদীস নং ৩৬৪০; মুসলিম ৩৩/৫৩, হাঃ ১৯২১)
৩৪
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২৫১
حديث مُعَاوِيَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: لاَ يَزَالُ مِنْ أُمَّتِي أُمَّةٌ قَائِمَةٌ بِأَمْرِ اللهِ لاَ يَضُرُّهُمْ مَنْ خَذَلَهُمْ وَلاَ مَنْ خَالَفَهُمْ حَتَّى يَأْتِيَهُمْ أَمْرُ اللهِ وَهُمْ عَلَى ذلِكَ
মুয়াবিয়ার হাদিস, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: আমার উম্মতের মধ্যে এখনও এমন একটি জাতি অবশিষ্ট থাকবে যারা আল্লাহর হুকুমে দণ্ডায়মান থাকবে, যারা তাদের পরিত্যাগ করবে বা যে তাদের পরিত্যাগ করবে তাদের ক্ষতি হবে না। তাদের বিপরীতে যতক্ষণ না তাদের কাছে আল্লাহর নির্দেশ আসে এবং তারা সেই অবস্থায় থাকে।
৩৫
আল-লু'লু ওয়াল মারজান # ০/১২৫৩
قال: لم يدخل النبي صلى الله عليه وسلم على أهله بليل قط. وكان لا يدخل على الأسرة إلا في الصباح أو بعد الظهر. (البخاري الجزء 26 الباب 15 الحديث رقم 1800؛ مسلم 33/56، هه 1928)
তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত্রে কখনো পরিবারের নিকট প্রবেশ করতেন না। তিনি ভোরে কিংবা বিকেলে ছাড়া পরিবারের নিকট প্রবেশ করতেন না। (বুখারী পর্ব ২৬ অধ্যায় ১৫ হাদীস নং ১৮০০; মুসলিম ৩৩/৫৬, হাঃ ১৯২৮)