অধ্যায় ৭
অধ্যায়ে ফিরুন
০১
হাদিস সংগ্রহ # ০/১০০১
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لأن يحتطب أحدكم بحبل، فيحمله على ظهره، خير من أن يأتي الرجل فيسأله، أعطى أو منع». (البخاري 2074، 2374، مسلم 2449)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে কারো রশি নিয়ে কাঠ সংগ্রহ করে পিঠে করে বয়ে আনা, কোন লোকের কাছে এসে ভিক্ষা করার চেয়ে অনেক ভাল; চাহে সে দিক বা না দিক।” (বুখারী ২০৭৪, ২৩৭৪, মুসলিম ২৪৪৯)
০২
হাদিস সংগ্রহ # ০/১০০২
عَنْ حَكِيمِ بْنِ حِزَامٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم قَالَ الْيَدُ الْعُلْيَا خَيْرٌ مِنْ الْيَدِ السُّفْلَى وَابْدَأْ بِمَنْ تَعُولُ وَخَيْرُ الصَّدَقَةِ عَنْ ظَهْرِ غِنًى وَمَنْ يَسْتَعْفِفْ يُعِفَّهُ اللهُ وَمَنْ يَسْتَغْنِ يُغْنِهِ اللهُ
হাকিম বিন হাযযামের কর্তৃত্বে, আল্লাহ তার উপর সন্তুষ্ট হতে পারেন, নবীর কর্তৃত্ব অনুসারে, আল্লাহর প্রার্থনা এবং শান্তি তাঁর উপর বর্ষিত হোক, যিনি বলেছেন: উপরের হাত নীচের হাতের চেয়ে উত্তম এবং আপনি যাদের উপর নির্ভর করেন তাদের দিয়ে শুরু করুন। সর্বোত্তম দান হল সম্পদের পিছনে থেকে। আর যে পবিত্র, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন এবং যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, আল্লাহ তাকে সমৃদ্ধ করবেন।
০৩
হাদিস সংগ্রহ # ০/১০০৫
قال النبي صلى الله عليه وسلم: «من سأل منكم حتى يلقى الله فلا يكون في وجهه مزعة لحم». (البخاري 1474، مسلم 2445، النسائي، أحمد 2/15)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তোমাদের মধ্যে কেউ ভিক্ষা করতে থাকলে পরিশেষে যখন সে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে তখন তার মুখমন্ডলে এক টুকরাও মাংস থাকবে না।” (বুখারী ১৪৭৪, মুসলিম ২৪৪৫, নাসাঈ, আহমাদ ২/১৫)
০৪
হাদিস সংগ্রহ # ০/১০০৬
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (الصدقة كجرح في وجه السائل يوم القيامة). (أحمد 5680، صحيح الترغيب 793)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “ভিক্ষা হল কিয়ামতের দিন ভিক্ষুকের মুখের ক্ষত-স্বরূপ।” (আহমাদ ৫৬৮০, সহীহ তারগীব ৭৯৩)
০৫
হাদিস সংগ্রহ # ০/১০০৭
وعنه: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «صدقة المسكين نكتة في وجهه يوم القيامة». (أحمد 19821، 19911، الطبراني 14771، صحيح الترغيب 798)
বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “অভাবমুক্ত মানুষের ভিক্ষা কিয়ামতের দিন তার মুখমন্ডলে কলঙ্কের ছাপ হবে।” (আহমাদ ১৯৮২১, ১৯৯১১, ত্বাবারানী ১৪৭৭১, সঃ তারগীব ৭৯৮)
০৬
হাদিস সংগ্রহ # ০/১০০৮
عَنْ حُبْشِيِّ بْنِ جُنَادَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم مَنْ سَأَلَ مِن غَيْرِ فَقْرٍ فَكَأَنَّمَا يَأْكُلُ الْجَمْرَ
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন যে, “যে ব্যক্তি অভাব না থাকা সত্ত্বেও ভিক্ষা করে (খেলো), সে ব্যক্তি যেন জাহান্নামের অঙ্গার খেলো।” (আহমাদ ১৭৫০৮, ত্বাবারানীর কাবীর ৩৪২৬, ইবনে খুযাইমা ২৪৪৬, বাইহাকী, সহীহ তারগীব ৮০২)
০৭
হাদিস সংগ্রহ # ০/১০১০
فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "ثلاث - والذي نفسي بيده - إذا أقسمت (بحقيقتهن) لا نقصت صدقة من مال، فتصدقوا. من غفر عبداً ذنوبه زاد الله ذلك العبد في شرف يوم القيامة، ومن فتح له باب صدقة فتح الله له باب العوز". (أحمد 1674، أبو يعلى 849، باير 1032، صحيح الترغيب 814)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তিনটি বিষয় এমন রয়েছে---সেই সত্তার কসম যার হাতে আমার প্রাণ আছে---যদি আমি (সেগুলির বাস্তবতার উপরে) শপথ করি (তাহলে অযথা হবে না।) দান করার ফলে মাল কমে যায় না। সুতরাং তোমরা দান কর। যে কোনও বান্দা কারো অন্যায়কে ক্ষমা করে দেবে তার বিনিময়ে আল্লাহ কিয়ামতের দিন সে বান্দার ইজ্জত বৃদ্ধি করবেন। আর যে বান্দা ভিক্ষা দরজা খুলবে আল্লাহ তার জন্য অভাবের দরজা খুলে দেবেন।” (আহমাদ ১৬৭৪, আবূ য়্যা’লা ৮৪৯, বায্যার ১০৩২, সহীহ তারগীব ৮১৪)
০৮
হাদিস সংগ্রহ # ০/১০১১
وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لو يعلم السائل ما في السؤال ما سأل». (الطبراني 12450، صحيح الترغيب 797)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “ ভিক্ষুক যদি ভিক্ষায় কি শাস্তি আছে তা জানত, তাহলে সে ভিক্ষা করত না।” (ত্বাবারানী ১২৪৫০, সহীহ তারগীব ৭৯৭)
০৯
হাদিস সংগ্রহ # ০/১০১২
وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "إن الله يبغض السائل". (أبو نعيم، صحيح الجامع ١٨٧٦)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ নাছোড়-বান্দা হয়ে ভিক্ষাকারীকে ঘৃণা করেন।” (আবূ নুআইম, সহীহুল জামে ১৮৭৬)
১০
হাদিস সংগ্রহ # ০/১০১৩
إنه يبغض ويحب الرجل القديس الذي هو خجول ولا يستعطي». (بيهكبير شعب الإيمان 6202، صحيح الجامع 1707)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ তাআলা যখন কোন বান্দার উপর কোন সম্পদ দান করেন, তখন তিনি তার চিহ্ন ঐ বান্দার উপর দেখা যাক---তা পছন্দ করেন। তিনি অভাব ও দীনতা প্রকাশ করাকে অপছন্দ করেন। নাছোড়-বান্দা হয়ে ভিক্ষাকারী ঘৃণা করেন এবং লজ্জাশীল ও ভিক্ষা করে না এমন পবিত্র মানুষকে তিনি ভালোবাসেন।” (বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৬২০২, সহীহুল জামে’ ১৭০৭)
১১
হাদিস সংগ্রহ # ০/১০১৪
ورأيت أنه عندما سقط السوط عن بعضهم لم يطلبوا من أحد أن يسلمه لهم. (بل كان ينزل من الركوب فيلتقطه بنفسه) (مسلم 2450، أبو داود 1644، النسائي 460، ابن ماجه 2867).
একদা আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে নয়, আট, বা সাত জন ছিলাম। তিনি বললেন, “তোমরা কি রাসূলুল্লাহর হাতে বায়াত করবে না?” এ কথা তিনি তিনবার বললেন। সুতরাং আমরা আমাদের হাত বাড়িয়ে দিলাম এবং বললাম, ‘আপনার হাতে বায়াত করলাম, কিন্তু কোন্ কথার উপর বায়াত হে আল্লাহর রসূল?’ তিনি বললেন, “তোমরা এক আল্লাহর ইবাদত কর এবং তাঁর সাথে কাউকে শরীক করো না। পাঁচ অক্ত নামায আদায় কর। আনুগত্য কর (নিঃশব্দে কিছু বললেন) এবং লোকের কাছে কোন কিছু চেয়ো না।”\nবর্ণনাকারী বলেন, আমি দেখেছি যে, তাঁদের কারো কারো হাত থেকে চাবুক পড়ে গেলে তা তুলে দেওয়ার জন্য কাউকে বলতেন না। (বরং সওয়ারী থেকে নিজে নেমে গিয়ে তা তুলে নিতেন।) (মুসলিম ২৪৫০, আবূ দাঊদ ১৬৪৪, নাসাঈ ৪৬০, ইবনে মাজাহ ২৮৬৭)
১২
হাদিস সংগ্রহ # ০/১০১৭
أَنَّ حَكِيمَ بْنَ حِزَامٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَعْطَانِي ثُمَّ سَأَلْتُهُ فَأَعْطَانِي ثُمَّ سَأَلْتُهُ فَأَعْطَانِي ثُمَّ قَالَ: ্রيَا حَكِيمُ إِنَّ هَذَا المَالَ خَضِرَةٌ حُلْوَةٌ فَمَنْ أَخَذَهُ بِسَخَاوَةِ نَفْسٍ بُورِكَ لَهُ فِيهِ وَمَنْ أَخَذَهُ بِإِشْرَافِ نَفْسٍ لَمْ يُبَارَكْ لَهُ فِيهِ كَالَّذِي يَأْكُلُ وَلاَ يَشْبَعُ اليَدُ العُلْيَا خَيْرٌ مِنَ اليَدِ السُّفْلَىগ্ধ قَالَ حَكِيمٌ: فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللهِ، وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالحَقِّ لاَ أَرْزَأُ أَحَدًا بَعْدَكَ شَيْئًا حَتَّى أُفَارِقَ الدُّنْيَا
একদা হাকীম বিন হিযাম তিন তিনবার আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে ভিক্ষা করলে তিনি তাঁকে প্রত্যেক বারেই দান করলেন। শেষবারে তিনি বললেন, “ওহে হাকীম! এই মাল তরোতাজা মিষ্টি (ফলের মত)। সুতরাং যে তা নিজের প্রয়োজন মত গ্রহণ করবে, তাকে তাতে বরকত দান করা হবে। পক্ষান্তরে যে মনে লোভ রেখে তা গ্রহণ করবে, তাকে তাতে বরকত দেওয়া হবে না। তার অবস্থা হবে সেই ব্যক্তির মত, যে খাবে অথচ তৃপ্ত হবে না। আর উপুড়হস্ত চিতহস্ত অপেক্ষা উত্তম।” এই কথার পর হাকীম কসম খেয়ে বলেছিলেন যে, তিনি এরপর আর কারো কাছে কিছু চাইবেন না। করেছিলেনও তাই। (বুখারী ১৪৭২, ২৭৫০, ৩১৪৩, মুসলিম ২৪৩৪, তিরমিযী ২৪৬৩, নাসাঈ ২৬০২-২৬০৩)
১৩
হাদিস সংগ্রহ # ০/১০১৮
كبيسة! ولا يجوز طلب غير ثلاثة أشخاص؛ (1) الشخص الذي عليه غرامة (سيضمن دفع الدياة أو الغرامة) يجوز له أن يسأل. ثم عندما يدفع، يجب عليه أن يتوقف عن المطالبة. يجوز له أن يسأل حتى يرجع حاله.\n(3) من أصبح محتاجا وشهد ثلاثة من حكماء قومه أن فلانا محتاجا فيجوز له أن يسأل.\nغير ذلك يا كبيسة لسائر الناس. يحظر أكل تشاي (ميج). سيحرم أكل هذا الطعام ". (مسلم 2451، أبو داود 1642، النسائي 2579-2580، صحيح الترغيب 817)
একবার এক অর্থদন্ডের দায়িত্ব আমার ঘাড়ে থাকলে আমি সে ব্যাপারে সাহায্য নিতে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এলাম। তিনি বললেন, “তুমি আমাদের কাছে থাকো। সাদকার মাল এলে তোমাকে তা দিয়ে সাহায্য করব।”\nঅতঃপর তিনি বললেন, “হে কাবীসাহ! তিন ব্যক্তি ছাড়া আর কারো জন্য চাওয়া বৈধ নয়;\n(১) যে ব্যক্তি অর্থদন্ডে পড়বে (কারো দিয়াত বা জরিমানা দেওয়ার যামিন হবে), তার জন্য চাওয়া হালাল। অতঃপর তা পরিশোধ হয়ে গেলে সে চাওয়া বন্ধ করবে।\n(২) যে ব্যক্তি দুর্যোগগ্রস্ত হবে এবং তার মাল ধ্বংস হয়ে যাবে, তার জন্য ততক্ষণ পর্যন্ত চাওয়া বৈধ, যতক্ষণ তার সচ্ছল অবস্থা ফিরে না এসেছে।\n(৩) যে ব্যক্তি অভাবী হয়ে পড়বে এবং তার গোত্রের তিনজন জ্ঞানী লোক এ কথার সাক্ষ্য দেবে যে, অমুক অভাবী, তখন তার জন্য চাওয়া বৈধ।\nআর এ ছাড়া হে কাবীসাহ অন্য লোকের জন্য চেয়ে (মেগে) খাওয়া হারাম। সে মাল খেলে হারাম খাওয়া হবে।” (মুসলিম ২৪৫১, আবূ দাঊদ ১৬৪২, নাসাঈ ২৫৭৯-২৫৮০, সহীহ তারগীব ৮১৭)
১৪
হাদিস সংগ্রহ # ০/১০২১
إذا لم يطلب شيئاً بشكل غير قانوني (أو بشكل غير قانوني). (الطبراني، صحيح الترغيب 851)
তিনি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট শুনেছেন, তিনি বলেছেন যে, “সে ব্যক্তি অভিশপ্ত, যে আল্লাহর নামে কিছু ভিক্ষা করে। আর সে ব্যক্তিও অভিশপ্ত, যার নিকট হতে আল্লাহর নামে কিছু ভিক্ষা করা হয় অথচ সে ভিক্ষাকারীকে দান করে না; যদি সে অবৈধ (বা অবৈধভাবে) কিছু না চেয়ে থাকে তবে। (ত্বাবারানী, সহীহ তারগীব ৮৫১)
১৫
হাদিস সংগ্রহ # ০/১০২২
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "ألا أخبركم بأبغض الناس؟ الذي سأله الله فلا يعطيه". (الترمذي 1652، النصائر الكبرى 2350، ابن حبان 604-605، صحيح الترجيب 854)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “আমি তোমাদেরকে সবচেয়ে ঘৃণ্য লোকের কথা বলে দেব না কি? যে ব্যক্তির নিকট আল্লাহর নামে কিছু চাওয়া হয় অথচ সে তা প্রদান করে না।” (তিরমিযী ১৬৫২, নাসাঈর কুবরা ২৩৫০, ইবনে হিব্বান ৬০৪-৬০৫, সহীহ তারগীব ৮৫৪)
১৬
হাদিস সংগ্রহ # ০/১০২৩
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "تعلموا القرآن، وصلوا بالجنة قبل أن يأتي قوم يدعون بالدنيا، فيتعلمون القرآن ثلاثة أصناف: ناس يفتخرون به، وناس يسافرون، وناس تمر به بطونهم، وناس يقرؤونه في وجه الله عز وجل". (بيهكبير شعب الإيمان 2630، السلسلة صحيح 258)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তোমরা কুরআন শিক্ষা কর এবং তার অসীলায় জান্নাত প্রার্থনা কর, সেই জাতি আসার পূর্বে, যারা তার অসীলায় দুনিয়া প্রার্থনা করবে। কুরআন তিন শ্রেণীর লোক শিক্ষা করবে; কিছু লোক তা নিয়ে ফখর করে বেড়াবে, কিছু লোক তার মাধ্যমে পেট চালাবে এবং কিছু লোক মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য তা তেলাঅত করবে।” (বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ২৬৩০, সিলসিলাহ সহীহাহ ২৫৮)
১৭
হাদিস সংগ্রহ # ০/১০২৪
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «اقرأوا القرآن، واتبعوا أمره، ولا تغلو فيه ولا تغلوه، ولا تملأوا به بطونكم، وتكثروا به أموالكم». (أحمد 15529، أبو يعلى 1518، البيهقي 2362، صحيح الجامع 1168)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা কুরআন পাঠ কর এবং তার নির্দেশ পালন কর, তার ব্যাপারে অবজ্ঞা প্রদর্শন ও অতিরঞ্জন করো না এবং তার মাধ্যমে উদরপূর্তি ও ধনবৃদ্ধি করো না।” (আহমাদ ১৫৫২৯, আবূ য়্যালা ১৫১৮, বাইহাক্বী ২৩৬২, সহীহুল জামে’ ১১৬৮)
১৮
হাদিস সংগ্রহ # ০/১০২৫
قال: «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أعطاني شيئاً قلت: أعطه من هو أفقر مني» قال: «خذه، فإذا جاءك هذا المال وأنت غير جشع وسألته». إذا لم يكن الأمر كذلك، فاقبله وقم بمطابقته مع الممتلكات الخاصة بك. ثم تناوله إن شئت، أو تبرع به. ثم لا تترك عقلك لذلك.\nفقال سالم بن عبد الله بن عمر: ولهذا لم يكن (أبي) عبد الله يعطي أحداً شيئاً.
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে যখন কিছু দান করতেন, তখন আমি বলতাম, ‘আমার চেয়ে যে বেশি অভাবী তাকে দিন।’ (একদা) তিনি বললেন, “তুমি তা নিয়ে নাও। যখন তোমার কাছে এই মাল আসে, আর তোমার মনে লোভ না থাকে এবং তুমি তা ভিক্ষাও না করে থাক, তাহলে তা গ্রহণ কর এবং তা নিজের মালের সাথে মিলিয়ে নাও। অতঃপর তোমার ইচ্ছা হলে তা খাও, নতুবা দান করে দাও। এ ছাড়া তোমার মনকে তাতে ফেলে রেখো না।”\nসালেম বিন আব্দুল্লাহ বিন উমার বলেন, ‘এ কারণেই (আমার আব্বা) আব্দুল্লাহ কারো কাছে কিছু চাইতেন না এবং তাঁকে কেউ কিছু দিতে চাইলে তা প্রত্যাখ্যান করতেন না। (বরং গ্রহণ করে নিতেন।)’ (বুখারী ১৪৭৩, ৭১৬৩-৭১৬৪, মুসলিম ২৪৫২-২৪৫৩)