মুয়াত্তা মালিক — হাদিস #৩৪৯৪০

হাদিস #৩৪৯৪০
وعن عروة أن عمر بن الخطاب كان على المنبر فقرأ سورة في سجدة يوم الجمعة ثم نزل فسجد ففعل الرجال مثل ذلك. وقرأ عمر نفس السورة في يوم آخر من يوم الجمعة، فبينما الرجال يسجدون، قال لهم: رفقاً، ما كتب الله لنا هذه السجدة إلا ونحن نريدها. ولم يركع ومنع الرجال من ذلك». قال مالك: ولا يجب على الإمام أن يخرج من منبره ليسجد إذا قرأ الآية التي تقتضي ذلك. قال مالك: ونحسب أن في القرآن إحدى عشرة سجدة، لم توجد واحدة منها في سورة المفصل. وقال مالك: "لا ينبغي لأحد أن يقرأ بعد صلاة الفجر والعصر قرآناً سجدياً لأن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن صلاة بعد صلاة الفجر إلى طلوع الشمس وبعد صلاة العصر إلى غروب الشمس. وبما أن السجود جزء من الصلاة فلا ينبغي أن يقرأ من المصحف الذي فيه سجود في الوقتين. وسئل مالك عن السجود". "من قرأ القرآن وهو ساجد وامرأته حائض هل تسجد؟" قال: "لا يسجد رجل ولا امرأة إلا على طهارة" وسئل مالك عن المرأة التي تقرأ القرآن وهو ساجد وزوجها يسمع هل يسجد معها؟ ولا يجب السجود إلا عندما يكون الرجل مع الآخرين فيؤم الصلاة، ثم يقرأ آية السجود، فيسجد ويفعل معه الرجال. لكن من سمع مثل هذه الآية يقرأ من غير إمامه فلا يسجد. الفصل السادس: سورتا “الإخلاص والملك”.
রেওয়ায়ত ১৬. উরওয়াহ (রহঃ) হইতে বর্ণিত- উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) একটি সিজদার আয়াত পাঠ করিলেন জুম'আ দিবসে। আর তিনি ছিলেন মিম্বরের উপর। অতঃপর তিনি অবতরণ করিলেন এবং সিজদা করিলেন এবং তাহার সঙ্গে লোকেরাও সিজদা করিলেন। পরবর্তী জুম'আয় তিনি সেই সূরা পাঠ করিলেন। লোকেরা সিজদার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করিতে লাগিলেন। উমর (রাঃ) তখন বলিলেনঃ আপনারা অপেক্ষা করুন। আল্লাহ্ তা'আলা আমাদের উপর সিজদা ফরয করেন নাই, তবে আমরা যদি ইচ্ছা করি তা স্বতন্ত্র কথা! (ইহা শুনিয়া) তাহারা আর সিজদা করিলেন না। তিনি তাহাদিগকে সিজদা হইতে বিরত রাখিলেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ সিজদার আয়াত মিম্বরের উপর পাঠ করিলে, ইমামের মিম্বর হইতে অবতরণ করিয়া সিজদা করার প্রতি (আমাদের) আমল নাই (অর্থাৎ মিম্বর হইতে অবতরণ জরুরী নহে)। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের অভিমত এই যে, কুরআন শরীফে সিজদাসমূহের মধ্যে তাকিদী সিজদা হইতেছে এগারটি। ইহাদের একটিও মুফাসসালাতে নাই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ সুজুদুল কুরআন (কুরআনের সিজদাসমূহ) হইতে কোন সিজদার আয়াত ফজরের নামাযের এবং আসরের নামাযের পর পাঠ করা কাহারও পক্ষে উচিত নহে। কারণ ফজরের পর সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত এবং আসরের পর (সূর্য) অস্ত যাওয়া পর্যন্ত নামায পড়িতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করিয়াছেন। আর সিজদাও নামাযে গণ্য, কাজেই কাহারও পক্ষে উচিত নহে যে, সেই দুই সময়ে কোন সিজদার আয়াত পাঠ করা। মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হইয়াছে ঐ ব্যক্তি সম্বন্ধে যিনি একটি সিজদার আয়াত পাঠ করিয়াছেন, আর একজন ঋতুমতী মহিলা উহা শুনিল। তবে সেই মহিলা কি সিজদা করিবে? (উত্তরে) মালিক (রহঃ) বলিলেনঃ পুরুষ বা নারী, পবিত্রাবস্থা ব্যতীত সিজদা করিবে না। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন, মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হয় একজন মহিলা সম্পর্কে যিনি সিজদার আয়াত পাঠ করিয়াছেন, অন্য এক ব্যক্তি তাহা শুনিতেছে। সেই ব্যক্তির জন্য সিজদা করা জরুরী কি? (উত্তরে) মালিক (রহঃ) বলেনঃ সিজদা করা এই ব্যক্তির জন্য জরুরী নহে। সিজদা ওয়াজিব হয় সেই লোকের উপর যেসব লোক কোন ব্যক্তির সাথে নামাযে শরীক থাকেন এবং তাহার পিছনে ইকতিদা করেন। অতঃপর তাহাদের ইমাম সিজদার আয়াত পাঠ করিলে তাহারাও তাহার সহিত সিজদা করিবেন। আর যে ব্যক্তি সিজদার আয়াত শুনিয়াছে কোন লোকের মুখে (যিনি উহা পাঠ করিতেছেন), কিন্তু সেই ব্যক্তি এই লোকের ইমাম নহেন, তাহার জন্য এই সিজদা জরুরী নহে।
উৎস
মুয়াত্তা মালিক # ১৫/৪৮৫
গ্রেড
Mauquf Sahih
বিভাগ
অধ্যায় ১৫: কুরআন
পূর্ববর্তী হাদিস সকল হাদিস দেখুন পরবর্তী হাদিস
বিষয়: #Prayer #Mother #Marriage #Quran

সম্পর্কিত হাদিস

এই কিতাবের আরো হাদিস