মুয়াত্তা মালিক — হাদিস #৩৫৮০৫

হাদিস #৩৫৮০৫
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ سَأَلَ ابْنَ شِهَابٍ عَنْ بَيْعٍ الْحَيَوَانِ، اثْنَيْنِ بِوَاحِدٍ إِلَى أَجَلٍ فَقَالَ لاَ بَأْسَ بِذَلِكَ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ الأَمْرُ الْمُجْتَمَعُ عَلَيْهِ عِنْدَنَا أَنَّهُ لاَ بَأْسَ بِالْجَمَلِ بِالْجَمَلِ مِثْلِهِ وَزِيَادَةِ دَرَاهِمَ يَدًا بِيَدٍ وَلاَ بَأْسَ بِالْجَمَلِ بِالْجَمَلِ مِثْلِهِ وَزِيَادَةِ دَرَاهِمَ الْجَمَلُ بِالْجَمَلِ يَدًا بِيَدٍ وَالدَّرَاهِمُ إِلَى أَجَلٍ ‏.‏ قَالَ وَلاَ خَيْرَ فِي الْجَمَلِ بِالْجَمَلِ مِثْلِهِ وَزِيَادَةِ دَرَاهِمَ الدَّرَاهِمُ نَقْدًا وَالْجَمَلُ إِلَى أَجَلٍ وَإِنْ أَخَّرْتَ الْجَمَلَ وَالدَّرَاهِمَ لاَ خَيْرَ فِي ذَلِكَ أَيْضًا ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَلاَ بَأْسَ أَنْ يَبْتَاعَ الْبَعِيرَ النَّجِيبَ بِالْبَعِيرَيْنِ أَوْ بِالأَبْعِرَةِ مِنَ الْحَمُولَةِ مِنْ مَاشِيَةِ الإِبِلِ وَإِنْ كَانَتْ مِنْ نَعَمٍ وَاحِدَةٍ فَلاَ بَأْسَ أَنْ يُشْتَرَى مِنْهَا اثْنَانِ بِوَاحِدٍ إِلَى أَجَلٍ إِذَا اخْتَلَفَتْ فَبَانَ اخْتِلاَفُهَا وَإِنْ أَشْبَهَ بَعْضُهَا بَعْضًا وَاخْتَلَفَتْ أَجْنَاسُهَا أَوْ لَمْ تَخْتَلِفْ فَلاَ يُؤْخَذُ مِنْهَا اثْنَانِ بِوَاحِدٍ إِلَى أَجَلٍ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَتَفْسِيرُ مَا كُرِهَ مِنْ ذَلِكَ أَنْ يُؤْخَذَ الْبَعِيرُ بِالْبَعِيرَيْنِ لَيْسَ بَيْنَهُمَا تَفَاضُلٌ فِي نَجَابَةٍ وَلاَ رِحْلَةٍ فَإِذَا كَانَ هَذَا عَلَى مَا وَصَفْتُ لَكَ فَلاَ يُشْتَرَى مِنْهُ اثْنَانِ بِوَاحِدٍ إِلَى أَجَلٍ وَلاَ بَأْسَ أَنْ تَبِيعَ مَا اشْتَرَيْتَ مِنْهَا قَبْلَ أَنْ تَسْتَوْفِيَهُ مِنْ غَيْرِ الَّذِي اشْتَرَيْتَهُ مِنْهُ إِذَا انْتَقَدْتَ ثَمَنَهُ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَمَنْ سَلَّفَ فِي شَىْءٍ مِنَ الْحَيَوَانِ إِلَى أَجَلٍ مُسَمًّى فَوَصَفَهُ وَحَلاَّهُ وَنَقَدَ ثَمَنَهُ فَذَلِكَ جَائِزٌ وَهُوَ لاَزِمٌ لِلْبَائِعِ وَالْمُبْتَاعِ عَلَى مَا وَصَفَا وَحَلَّيَا وَلَمْ يَزَلْ ذَلِكَ مِنْ عَمَلِ النَّاسِ الْجَائِزِ بَيْنَهُمْ وَالَّذِي لَمْ يَزَلْ عَلَيْهِ أَهْلُ الْعِلْمِ بِبَلَدِنَا ‏.‏
রেওয়ায়ত ৭২. যেইসব বস্ত্র ওজন করিয়া ক্রয় বিক্রয় করা হয় স্বর্ণ ও চাঁদি ব্যতীত (যেমন-) তামা, পিতল, রং সীসক, লোহা, কাজাব,[1] তীন,[2] তুলা এবং ইহার সদৃশ বস্তু যাহা ওজন করা হয়। মালিক (রহঃ) বলেন (এই বিষয়ে) আমাদের নিকট ফয়সালা এই, এইরূপ এক জাতের দ্রব্য হইতে এক বস্তুর বিনিময় নগদ দুই বস্তুর গ্রহণ করাতে কোন দোষ নাই। এবং এক রতল লোহা দুই রতল লোহার বিনিময়ে আর দুই রতল উৎকৃষ্ট ধরনের তামার বিনিময়ে এক রতল উৎকৃষ্ট তামা গ্রহণ করাতেও কোন দোষ নাই। আর একই জাতের দ্রব্যে একটির বিনিময়ে দুইটি বস্তু ধারে গ্রহণ করাতে কোন মঙ্গল নাই [অর্থাৎ উহা নাজায়েয]। আর যদি বস্তুদ্বয় একটি অপরটি হইতে ভিন্ন জাতের হয় এবং উহাদের মধ্যে বিভিন্নতা স্পষ্ট হয়, তবে সেইরূপ বস্তু হইতে এক বস্তুর বিনিময়ে দুই বস্তু ধারে গ্রহণ করাতে কোন দোষ নাই আর যদি একে অপরের সদৃশ হয় যদিও উহাদের নাম বিভিন্ন রহিয়াছে। যেমন-রাং, সীসক, ব্রোঞ্জ, উৎকৃষ্ট তামা, ইহাতে এক বস্তুর বিনিময়ে দুই বস্তু ধারে গ্রহণ করাকে আমি মাকরূহ বলিয়া মনে করি। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই সকল দ্রব্য হইতে তুমি যাহা ক্রয় করিয়াছ, উহাকে যাহার নিকট হইতে তুমি ক্রয় করিয়াছ সে ব্যক্তি ব্যতীত অন্য লোকের কাছে কজা করার পূর্বে বিক্রয় করিলে কোন দোষ নাই। যদি উহার মূল্য নগদ গ্রহণ করিয়া থাকে এবং যদি উহাকে পরিমাপ পাত্রের দ্বারা কিংবা ওজন করিয়া ক্রয় করিয়া থাকে। আর যদি আন্দাজে (স্তুপ) ক্রয় করিয়া থাক, তবে উহাকে তুমি বিক্রয় করিতে পার যাহার নিকট হইতে ক্রয় করিয়াছ তাহাকে ভিন্ন অন্য কাহারো নিকট, কিংবা ধারে। কারণ যখন আন্দাজে ক্রয় করিয়াছ তখন উহা তোমার দায়িত্বে আসিয়াছে, [উহার ওজন সম্পর্কে বিক্রেতার আর কোন দায়-দায়িত্ব রহিল না।], পক্ষান্তরে যদিও ওজন করিয়া উহা ক্রয় করিয়াছ। তবে যাবত ওজন করিয়া উহা নিজ কব্জায় না আনিবে তাবত উহার প্রতি তোমার দায়িত্ব থাকিবে না। এই সব দ্রব্য সম্পর্কে যাহা আমি শুনিয়াছি, তন্মধ্যে ইহাই আমার মনঃপূত। আর লোকের আমলও সর্বদা ইহার উপর রহিয়াছে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট মাসআলা এই, যেই নব বস্তু পাত্র দ্বারা মাপা হয়, অথবা (বাটখারা ইত্যাদির দ্বারা) ওজন করা হয় এবং উহা খাদ্য বা পানীয় দ্রব্যের মধ্যে না হয়, যেমন-কুসুম, ফলের আঁটি, গাছের পাতা,[3] কাতাম[4] এবং উহার সাদৃশ বস্তু। এই সকল দ্রব্যের প্রত্যেক শ্রেণী হইতে একটির বিনিময়ে দুইটি নগদ গ্রহণ করাতে কোন দোষ নাই। তবে এক শ্রেণীর দ্রব্য হইতে একটির বিনিময়ে দুইটি ধারে গ্রহণ করা যাইবে না। আর যদি উভয় দ্রব্যের মধ্যে শ্রেণী বা রকমের পার্থক্য হয় এবং সেই পার্থক্য স্পষ্টত বিদ্যমান হয়, তবে সেই দুই শ্রেণীর দ্রব্য হইতে একটির বিনিময়ে দুইটি বস্তু ধারে ক্রয় করাতে কোন দোষ নাই। এই সকল বিভিন্ন শ্রেণীর দ্রব্য যাহা কেহ ক্রয় করিয়াছে উহাকে পূর্ণ কব্জায় আনার পূর্বে যে ব্যক্তির নিকট হইতে ক্রয় করিয়াছে সে ব্যতীত অন্যের কাছে বিক্রয় করাতে কোন দোষ নাই। যদি উহার মূল্য দ্বিতীয় ক্রেতার নিকট হইতে হস্তগত করিয়া থাকে।মালিক (রহঃ) বলেনঃ যাবতীয় শ্রেণীর দ্রব্যাদি হইতে কোন দ্রব্যের দ্বারা লোক উপকৃত হয়, যদিও ছোট কংকর এবং চুনা হউক। এই শ্রেণীর দুই দ্রব্য হইতে একটিকে দ্বিগুণ দ্রব্যের বিনিময়ে ধারে গ্রহণ করা সুদ এবং একটিকে একটি এবং অতিরিক্ত কোন বস্তুর বিনিময়ে ধারে গ্রহণ করিলে উহা সুদ বলিয়া গণ্য হইবে।
উৎস
মুয়াত্তা মালিক # ৩১/১৩৫০
গ্রেড
Sahih
বিভাগ
অধ্যায় ৩১: ব্যবসা
পূর্ববর্তী হাদিস সকল হাদিস দেখুন পরবর্তী হাদিস
বিষয়: #Mother #Knowledge

সম্পর্কিত হাদিস

এই কিতাবের আরো হাদিস