মুয়াত্তা মালিক — হাদিস #৩৫৩২২

হাদিস #৩৫৩২২
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ، كَانَ يَقُولُ ‏{‏مَا اسْتَيْسَرَ مِنَ الْهَدْىِ‏}‏ شَاةٌ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَذَلِكَ أَحَبُّ مَا سَمِعْتُ إِلَىَّ فِي ذَلِكَ لأَنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى يَقُولُ فِي كِتَابِهِ ‏{‏يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لاَ تَقْتُلُوا الصَّيْدَ وَأَنْتُمْ حُرُمٌ وَمَنْ قَتَلَهُ مِنْكُمْ مُتَعَمِّدًا فَجَزَاءٌ مِثْلُ مَا قَتَلَ مِنَ النَّعَمِ يَحْكُمُ بِهِ ذَوَا عَدْلٍ مِنْكُمْ هَدْيًا بَالِغَ الْكَعْبَةِ أَوْ كَفَّارَةٌ طَعَامُ مَسَاكِينَ أَوْ عَدْلُ ذَلِكَ صِيَامًا‏}‏ فَمِمَّا يُحْكَمُ بِهِ فِي الْهَدْىِ شَاةٌ وَقَدْ سَمَّاهَا اللَّهُ هَدْيًا وَذَلِكَ الَّذِي لاَ اخْتِلاَفَ فِيهِ عِنْدَنَا وَكَيْفَ يَشُكُّ أَحَدٌ فِي ذَلِكَ وَكُلُّ شَىْءٍ لاَ يَبْلُغُ أَنْ يُحْكَمَ فِيهِ بِبَعِيرٍ أَوْ بَقَرَةٍ فَالْحُكْمُ فِيهِ شَاةٌ وَمَا لاَ يَبْلُغُ أَنْ يُحْكَمَ فِيهِ بِشَاةٍ فَهُوَ كَفَّارَةٌ مِنْ صِيَامٍ أَوْ إِطْعَامِ مَسَاكِينَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৬২. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) বলিয়াছেনঃ (مَا اسْتَيْسَرَ مِنَ الْهَدْى) এর অর্থ হইল, অন্তত একটি বকরী কুরবানী করা। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই বর্ণনাটি আমার নিকট খুবই প্রিয়। কেননা কুরআনুল করীমে আল্লাহ্ তা'আলা ইরশাদ করেনঃ হে মু’মিনগণ, তোমরা যখন ইহরাম অবস্থায় থাক তখন তোমরা কোন প্রাণী বধ করিও না। কেউ যদি কোনকিছু ইচ্ছাকৃতভাবে বধ করে তবে যে ধরনের পশু সে বধ করিয়াছে সেই ধরনের কোন পশু তাহাকে প্রতিদান (জরিমানা) দিতে হইবে। তোমাদের দুইজন ন্যায়নিষ্ঠ লোক ইহার ফয়সালা করিয়া দিবে। এই প্রতিদান বায়তুল্লাহতে প্রেরিত হাদয়ী হইবে অথবা কাফফারা হিসাবে হইবে যাহা মিসকীনদেরকে আহার করানো হইবে অথবা তাহাকে তৎপরিমাণ রোযা রাখিতে হইবে যাহাতে সে তাহার কৃতকর্মের শাস্তি ভোগ করিয়া নেয়। যাহা হউক, শিকারকৃত পশুর পরিবর্তে কোন সময়ে বকরীও ওয়াজিব হইতে পারে। উক্ত আয়াতে উহাকেও হাদয়ী বলিয়া উল্লেখ করা হইয়াছে। এই কথায় একজন কি করিয়া সন্দেহ করিতে পারে? কারণ যে পশু উট বা গরুর সমতুল্য নহে উহার প্রতিদানে (জরিমানা) একটি বকরীই ওয়াজিব হইতে পারে। একটি বকরীর সমতুল্যও যেখানে হইবে না সেখানে কাফফারা ওয়াজিব হইবে। সে রোযার মাধ্যমে উহা আদায় করুক বা মিসকীনদেরকে আহার করাইয়া তাহা আদায় করুক, উভয় অবস্থায় ইহা কাফফারা হিসাবেই গণ্য হইবে।
উৎস
মুয়াত্তা মালিক # ২০/৮৬৭
গ্রেড
Mauquf Sahih Lighairihi
বিভাগ
অধ্যায় ২০: হজ্জ
পূর্ববর্তী হাদিস সকল হাদিস দেখুন পরবর্তী হাদিস
বিষয়: #Fasting #Charity #Mother #Quran

সম্পর্কিত হাদিস

এই কিতাবের আরো হাদিস