৩৩ হাদিস
০১
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২২৪
আবু হুরায়রা (রাঃ)
قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إن لكل نبي حق الدعاء المستجاب. وقد سارع كل نبي في هذين الأمرين. ولكنني شفيع أمتي، إذ أجلت دعائي إلى القيامة. إن شاء الله! دعائي هذا ينفع كل إنسان من أمتي مات لا يشرك بالله شيئا. (مسلم، ولكن روى أقل من ذلك في البخاري)[1]
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক নাবীকেই একটি (বিশেষ) কবূলযোগ্য দু‘আ করার অধিকার দেয়া রয়েছে। প্রত্যেক নাবীই সেই দু‘আর ব্যাপারে (দুনিয়াতেই) তাড়াহুড়া করেছেন। কিন্তু আমি আমার উম্মাতের শাফা‘আত হিসেবে আমার দু‘আ কিয়ামাত পর্যন্ত স্থগিত করে রেখেছি। ইনশা-আল্ল-হ! আমার উম্মাতের প্রত্যেক ব্যক্তির কাছে আমার এ দু‘আ এমন উপকৃত হবে, যে আল্লাহর সাথে কোন কিছুকে শারীক না করে মৃত্যুবরণ করেছে। (মুসলিম; তবে বুখারীতে এর চেয়ে কিছু কম বর্ণনা করা হয়েছে)[১]
০২
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২২৭
[Abu Hurayrah (RA)]
قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إذا دعا أحدكم فلا يقل: اللهم! اغفر لي إذا شئت. بل ينبغي له أن يدعو بكل عزم واهتمام. لأن التبرع بشيء لا شيء مستحيل على الله. (مسلم)[1]
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ যখন দু‘আ করে, সে যেন এটা না বলে, হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করে দাও যদি তুমি ইচ্ছা রাখো। বরং সে যেন দৃঢ়চিত্তে ও পূর্ণ আগ্রহের সাথে দু‘আ করে। কেননা কোন কিছু দান করতে আল্লাহর অসাধ্য কোন কিছু নেই। (মুসলিম)[১]
০৩
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৩১
আন-নু'মান ইবনে বশির (রাঃ)
عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ: «الدُّعَاءُ هُوَ الْعِبَادَةُ» ثُمَّ قَرَأَ: ﴿وَقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُوْنِىْ أَسْتَجِبْ لَكُمْ﴾ رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالتِّرْمِذِىُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَالنَّسَائِىُّ وَابْنُ مَاجَهْ
আল-নুমান বিন বশীর থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "দোয়া হল ইবাদত।" তারপর তিনি তিলাওয়াত করলেন: “এবং তোমার রব বলেছেন, ‘আমাকে ডাক, আমি সাড়া দেব।’” তোমার কাছে।) আহমদ, আল-তিরমিযী, আবু দাউদ, আল-নাসায়ী এবং ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন।
০৪
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৩২
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: الدعاء رأس العبادة. (الترمذي)[1]
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দু‘আ হলো ‘ইবাদাতের মগজ বা মূলবস্ত্ত। (তিরমিযী)[১]
০৫
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৩৩
আবু হুরায়রা (রাঃ)
قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ليس شيء أكرم على الله من اثنتين». (الترمذي، ابن ماجه، قال الإمام الترمذي: الحديث حسن وسيئ)[1]
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর নিকট দু‘আর চেয়ে কোন জিনিসের অধিক মর্যাদা (উত্তম) নেই। (তিরমিযী, ইবনু মাজাহ; ইমাম তিরমিযী বলেন, হাদীসটি হাসান ও গরীব)[১]
০৬
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৩৪
সালমান আল-ফারিসি (রাঃ)
وَعَنْ سَلْمَانَ الْفَارِسِىِّ قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ: «لَا يَرُدُّ الْقَضَاءَ إِلَّا الدُّعَاءُ وَلَا يَزِيدُ فِى الْعُمْرِ إِلَّا الْبِرُّ». رَوَاهُ التِّرْمِذِىُّ
সালমান আল-ফারিসীর কর্তৃত্বে, তিনি বলেন: আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "দোয়া ব্যতীত আর কিছুই বিচারকে টলাতে পারে না এবং ন্যায়পরায়ণতা ব্যতীত আর কিছুই কারো আয়ু বাড়াতে পারে না।" আল-তিরমিযী থেকে বর্ণিত
০৭
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৩৮
Abdullah Bin Mas'ud
قال: فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: سلوا الله من فضله. لأن الله يحب أن يصلي عليه. وأفضل العبادة انتظار اليسر. (الترمذي، وقال: الحديث ضعيف [١]
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর কাছে তাঁর অনুগ্রহ কামনা করো। কেননা আল্লাহ তাঁর কাছে প্রার্থনা করাকে পছন্দ করেন। আর ‘ইবাদাতের (দু‘আর) সর্বোত্তম দিক হলো স্বচ্ছলতার অপেক্ষা করা। (তিরমিযী; তিনি বলেন, হাদীসটি গরীব)[১]
০৮
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৩৯
আবু হুরায়রা (রাঃ)
قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: من لم يدعو الله غضب الله عليه. (الترمذي)[1]
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর নিকট কামনা (দু‘আ) করে না, আল্লাহ তার ওপর রাগান্বিত হন। (তিরমিযী)[১]
০৯
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৪১
আবু হুরায়রা (রাঃ)
قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: من سره أن يقبل الله دعاءه في الكرب. فليكثر من الدعاء لله حتى في وقت سعادته. (الترمذي، وقال: الحديث ضعيف)[١]
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি চায় বিপদাপদে আল্লাহ তার দু‘আ কবূল করুন। সে যেন তার সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের সময়েও আল্লাহর নিকট বেশি বেশি দু‘আ করে। (তিরমিযী; তিনি বলেন, হাদীসটি গরীব)[১]
১০
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৪৩
মালিক ইবনু ইয়াসার
قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إذا دعوت الله فادع بباطن كفك، ولا تدعو بظاهر كفك.[1]
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা যখন আল্লাহর কাছে দু‘আ করবে, তখন হাতের ভিতরের (তালুর) দিক দিয়ে দু‘আ করবে, হাতের উপরের দিক (পিছন দিক) দিয়ে দু‘আ করবে না।[১]
১১
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৪৪
ইবনু আব্বাস (রাঃ)
قال (صلى الله عليه وسلم): ادع الله بكف يدك، لا بكف يدك. وبعد الانتهاء من الدعاء يمسح الوجه باليدين. (أبو داود)[1]
তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলার কাছে হাতের তালুর দিক দিয়ে দু‘আ করো, হাতের পিছনের দিক দিয়ে করো না। আর দু‘আ শেষ হবার পর হাতকে মুখম-লের সাথে মুছে নিবে। (আবূ দাঊদ)[১]
১২
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৪৫
সালমান ফারসি
وَعَن سَلْمَانَ قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ: «إِنَّ رَبَّكُمْ حَيِيٌّ كَرِيمٌ يَسْتَحْيِىْ مِنْ عَبْدِه إِذَا رَفَعَ يَدَيْهِ إِلَيْهِ أَنْ يَرُدَّهُمَا صِفْرًا». رَوَاهُ التِّرْمِذِىُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَالْبَيْهَقِىُّ فِى الدَّعْوَاتِ الْكَبِيْرِ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের প্রতিপালক অত্যন্ত লজ্জাশীল ও দয়ালু। বান্দা যখন তাঁর কাছে কিছু চেয়ে হাত উঠায় তখন তার হাত (দু‘আ কবূল না করে) খালি ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন। (তিরমিযী, আবূ দাঊদ, বায়হাক্বী- দা‘ওয়াতুল কাবীর)[১]
১৩
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৪৬
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)
قال: وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا رفع يديه بالدعاء، لم يخفض يديه إلا مسح وجهه بيديه. (الترمذي)[1]
বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন দু‘আর জন্য হাত উঠাতেন, (দু‘আ শেষে) হাত দিয়ে তিনি নিজের মুখমন্ডল মুছে নেয়া ছাড়া হাত নামাতেন না। (তিরমিযী)[১]
১৪
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৪৭
আয়েশা (রাঃ)
وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللّٰهُ عَنْهَا قَالَتْ: كَانَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ يَسْتَحِبُّ الْجَوَامِعَ مِنَ الدُّعَاءِ وَيَدَعُ مَا سِوٰى ذٰلِكَ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ
আয়েশা (রাঃ)-এর বরাতে, আল্লাহ্‌ তার উপর সন্তুষ্ট হতে পারেন, তিনি বলেন: আল্লাহ্‌র রসূল, আল্লাহ্‌র নামায ও সালাম, জামাতে নামায পড়তে পছন্দ করতেন এবং অন্য কিছু পরিত্যাগ করতেন। আবু দাউদ থেকে বর্ণিত
১৫
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৪৮
আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু আমর (রাঃ)
وَعَنْ عَبْدِ اللّٰهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ: «إِنْ أَسْرَعَ الدُّعَاءِ إِجَابَةً دَعْوَةُ غَائِبٍ لِغَائِبٍ». رَوَاهُ التِّرْمِذِىُّ وَأَبُو دَاوُدَ
আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "দোয়ার দ্রুত উত্তর হল অনুপস্থিত ব্যক্তির জন্য অনুপস্থিত ব্যক্তির প্রার্থনা।" আল-তিরমিযী ও আবু দাউদ থেকে বর্ণিত
১৬
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৪৯
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)
قال: استأذنت النبي صلى الله عليه وسلم في عمرة، فأذن لي في عمرة، وقال: يا أخي الأصغر، أشركنا في صلاتك ولا تنسانا. قال عمر رضي الله عنه: قال لي (صلى الله عليه وسلم): لو أعطيت الدنيا ما فرحت. (أبو داود والترمذي ولكن في رواه الترمذي حتى "لا تنسوني"[1]
তিনি বলেন, একবার আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে ‘উমরাহ্ করার অনুমতি চাইলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে ‘উমরার জন্য অনুমতি দিলেন এবং বললেন, হে আমার ছোট ভাই! তোমার দু‘আয় আমাদেরকেও অন্তর্ভুক্ত করো এবং আমাদেরকে ভুলে যেও না। ‘উমার (রাঃ) বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে এমন একটি কথা বললেন, যার বিনিময়ে আমাকে সারা দুনিয়া দিয়ে দেয়া হয়, তবুও আমি এত খুশি হতাম না। (আবূ দাঊদ, তিরমিযী; কিন্তু তিরমিযীতে ‘আমাকে ভুলে যেও না’ পর্যন্ত বর্ণিত হয়েছে)[১]
১৭
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৫০
আবু হুরায়রা (রাঃ)
قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: لا يرد دعاء الثلاثة. (1) دعاء الصائم عند فطره، (2) دعاء الإمام العادل، (3) دعاء المظلوم أو المظلوم. الله دعاء المظلوم رفعه الله في السحاب وفتحت له أبواب السماء. فيقول الله تعالى: وعزتي لأساعدنك ولو إلى حين. (الترمذي)[1]
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তিন লোকের দু‘আ ফিরিয়ে দেয়া হয় না। (১) সায়িমের (রোযাদারের) দু‘আ- যখন সে ইফতার করে, (২) ন্যায়পরায়ণ শাসকের দু‘আ এবং (৩) মাযলূমের বা অত্যাচারিতের দু‘আ। অত্যাচারিতের দু‘আকে আল্লাহ তা‘আলা মেঘমালার উপর উঠিয়ে নেন এবং তার জন্য আকাশের দরজা খুলে দেয়া হয়। আর আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘আমার ইজ্জতের কসম! নিশ্চয়ই আমি তোমায় সাহায্য করব কিছু সময় দেরি হলেও। (তিরমিযী)[১]
১৮
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৫৩
সাবিত আল বুনানী
زَادَ فِىْ رِوَايَةٍ عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِىِّ مُرْسَلًا «حَتّٰى يَسْأَلَهُ الْمِلْحَ وَحَتّٰى يَسْأَلَه شِسْعَه إِذَا انْقَطَعَ». رَوَاهُ التِّرْمِذِىُّ
এর এক মুরসাল বর্ণনায় এ অংশটুকু বেশি রয়েছে যে, তাঁর কাছে যেন লবণও প্রার্থনা করে, এমনকি নিজের জুতার ফিতা ছিঁড়ে গেলেও যেন তাঁর নিকট প্রার্থনা করে। (তিরমিযী)[১]
১৯
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৫৫
সাহল বিন সা'দ (রাঃ)
وقال: كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي رافعا أصابعه إلى مستوى منكبيه.[1]
তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাতের আঙ্গুল কাঁধ সমান উঠিয়ে দু‘আ করতেন।[১]
২০
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৫৬
সায়িব ইবনু ইয়াযীদ
وَعَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِىَّ ﷺ كَانَ إِذَا دَعَا فَرَفَعَ يَدَيْهِ مَسَحَ وَجْهَه بِيَدَيْهِ.\nرَوَى الْبَيْهَقِىُّ الْأَحَادِيثَ الثَّلَاثَةَ فِىْ «الدَّعْوَاتِ الْكَبِيْرِ
তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাত উঠিয়ে দু‘আ করার সময় হাত দিয়ে মুখমন্ডলে মাসাহ করতেন।\n\nউপরোল্লিখিত তিনটি হাদীস ইমাম বায়হাক্বী (রহঃ) তাঁর ‘‘দা‘ওয়াতুল কাবীর’’-এ বর্ণনা করেছেন।[১]
২১
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৫৮
আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)
قال: (مرتين) رفع اليدين بدعة. ولم يرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم يديه فوق صدره قط. (أحمد) [1]
তিনি বলেন, (দু‘আর সময়) তোমাদের হাত বেশি উপরে উঠিয়ে ধরা বিদআত (বিদাত)। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কক্ষনো সিনা থেকে বেশি উপরে হাত উঠাতেন না। (আহমদ)[১]
২২
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৬০
আবু সা'ঈদ আল খুদরি (রাঃ)
قال: قال النبي صلى الله عليه وسلم: ما من مسلم يدعو في ذنب ولا قطيعة رحم إلا أعطاه الله إحدى الثلاث. (١) قد يعطيه التزكية التي يرغب في فعلها في الدنيا، (٢) أو يحفظها لآخرته، (٣) أو يدفع عنه من سوء أو خطر مثلها. وقال الصحابة، ثم سوف نكسب أكثر من ذلك بكثير. فقال (عليه السلام): والله يعطي أكثر من ذلك. (أحمد)[1]
তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন মুসলিম দু‘আ করার সময় কোন গুনাহের অথবা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নের দু‘আ না করলে অবশ্যই আল্লাহ তা‘আলা তাকে এ তিনটির একটি দান করেন। (১) হয়তো তাকে তার কাঙ্ক্ষিত সুপারিশ দুনিয়ায় দান করেন, (২) অথবা তা তার পরকালের জন্য জমা রাখেন এবং (৩) অথবা তার মতো কোন অকল্যাণ বা বিপদাপদকে তার থেকে দূরে করে দেন। সাহাবীগণ বললেন, তবে তো আমরা অনেক বেশি লাভ করব। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আল্লাহ এর চেয়েও বেশি দেন। (আহমদ)[১]
২৩
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৬৩
আবু হুরায়রা (রাঃ)
قال: سافر رسول الله صلى الله عليه وسلم في طريق مكة حتى وصل إلى جبل يقال له جمدان. فقال صلى الله عليه وسلم: هيا، هذا جمدان. ذهب المفردون أولاً. سأل الصحابة يا رسول الله! من هم المفريد؟ ثم قال صلى الله عليه وسلم: الرجل أو المرأة أكثر الله ذكرا. (مسلم)[1]
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার সফর হতে মক্কার পথ ধরে এক পাহাড়ে পৌঁছলেন, জায়গাটির নাম ছিল ‘জুমদান’। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমরা চলো এটা হলো জুমদান। আগে আগে চলল মুফাররিদরা। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! মুফাররিদ কারা? তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, যে পুরুষ বা নারী আল্লাহর অধিক জিকির করে। (মুসলিম)[১]
২৪
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৬৫
আবু হুরায়রা (রাঃ)
قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: يقول الله تعالى: أنا لعبدي إذا ذكرني. وأنا معه عندما يتذكرني. فإن ذكرني في نفسه ذكرته في نفسي، وإذا ذكرني في الناس ذكرته في أفضلهم. (البخاري، مسلم)[1]
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা বলেন, আমি আমার বান্দার নিকট সেরূপ, যেরূপ সে আমাকে স্মরণ করে। আমি তার সাথে থাকি, যখন সে আমাকে স্মরণ করে। যদি সে আমাকে স্মরণ করে তার মনে, আমি তাকে স্মরণ করি আমার মনে। আর সে যদি স্মরণ করে আমাকে মানুষের দলে, আমি তাকে (অনুরূপ) স্মরণ করি তাদের চেয়েও সর্বোত্তম দলে। (বুখারী, মুসলিম)[১]
২৫
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৬৭
আবু হুরায়রা (রাঃ)
قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: يقول الله تعالى: أعلن الحرب على من عادى أحداً من أوليائي. ما أمرت به عبدي؛ فيكون القرب مني أحب إلي من القرب بغيره (العمل). و عبدي يتقرب إلي دائما بنافل العبادة. وأخيرا أحبه وعندما أحبه أكون أذنيه التي يسمع من خلالها. أصبحت عينيه التي يرى من خلالها. أصبحت يده التي يمسك بها (يعمل). أصبحت قدميه التي يمشي من خلالها. وإذا سألني أعطيه. فإن استعاذ بي فإني آويه. وأن أفعل ما أريد أن أفعله فأنا نفس عبد مؤمن لا أتردد في ذلك. فإن المؤمن يكره الموت، وأنا أكره سخطه. لكن الموت ضروري بالنسبة له. (البخاري)[1]
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তা‘আলা বলেনঃ যে ব্যক্তি আমার কোন বন্ধুকে শত্রু ভাবে আমি তার সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করি। আমি আমার বান্দার ওপর যা কিছু (‘আমাল) ফরয করেছি; তা দ্বারা আমার সান্নিধ্য অর্জন করা আমার নিকট বেশী প্রিয় অন্য কিছু (‘আমাল) দিয়ে সান্নিধ্য অর্জনের চাইতে। আর আমার বান্দা সর্বদা নফল ‘ইবাদাতের মাধ্যমে আমার নৈকট্য হাসিল করে। পরিশেষে আমি তাকে ভালবাসি এবং আমি যখন তাকে ভালবাসি- আমি হয়ে যাই তার কান, যা দিয়ে সে শুনে। আমি হয়ে যাই তার চোখ, যা দিয়ে সে দেখে। আমি হয়ে যাই তার হাত, যা দিয়ে সে ধরে (কাজ করে)। আমি হয়ে যাই তার পা, যা দিয়ে চলাফেরা করে। সে যদি আমার কাছে চায়, আমি তাকে দান করি। সে যদি আমার কাছে আশ্রয় চায়, আমি তাকে আশ্রয় দেই। আর আমি যা করতে চাই, তা করতে আমি মু’মিন বান্দার রূহ কবয করার মতো ইতস্তত করি না। কেননা মু’মিন (স্বাভাবিকভাবে) মৃত্যুকে অপছন্দ করে, আর আমি অপছন্দ করি তাকে অসন্তুষ্ট করতে। কিন্তু মৃত্যু তার জন্য অত্যাবশ্যকীয়। (বুখারী)[১]
২৬
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৭০
আবু আল-দারদা' (রাঃ)
قال: فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم: ألا أخبركم بأي أعمالكم أقدس عند ربك وأشد رفعة في درجاتك؟ غيركم، فهو خير من إعطاء الذهب والفضة، وخير من أن تقولوا تقاتلون العدو، فتقطعوا رقابهم، فيقطعوا رقابكم. قالوا: يا رسول الله! تقول هو (عليه السلام) قال هو الذكر أو ذكر الله. (مالك، أحمد، الترمذي، ابن ماجه. لكن الإمام مالك يرى أن هذا الحديث حديث موقوف، أي حديث أبي الدرداء (رضي الله عنه).)[1]
তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি কি তোমাদেরকে বলে দিব না, তোমাদের কাজ-কর্মের মধ্যে কোন্ কাজটি তোমাদের মালিকের কাছে অধিক পবিত্র এবং তোমাদের মর্যাদা বৃদ্ধির ব্যাপারে অধিক কার্যকর। তাছাড়া তোমাদের জন্য সোনা-রূপা দান করার চেয়েও শ্রেষ্ঠ এবং এ কথার চেয়েও শ্রেষ্ঠ যে, তোমরা শত্রুর মুকাবিলা করবে, তাদের গলা কাটবে, আর তারা তোমাদের গলা কাটবে (যুদ্ধ করবে)। তাঁরা উত্তরে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি বলুন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তা হলো আল্লাহর জিকির বা স্মরণ করা। (মালিক, আহমদ, তিরমিযী, ইবনু মাজাহ। কিন্তু ইমাম মালিক এ হাদীসটিকে মাওকূফ হাদীস অর্থাৎ- আবূ দারদা (রাঃ)-এর কথা বলে মনে করেন।)[১]
২৭
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৭১
আব্দুল্লাহ বিন বুসর (রাঃ)
وقال: جاء أعرابي إلى النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: أي الناس خير؟ وقال صلى الله عليه وسلم: طوبى لمن طال عمره وحسن عمله. لقد كان صديقًا لك، إنه صديقك! ما هي الممارسة الأفضل؟ قال (صلى الله عليه وسلم): إذا فارقت الدنيا يكون ذكر الله في فمك. (الترمذي، أحمد)[1]
তিনি বলেন, একবার এক বিদুঈন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করল, সর্বোত্তম ব্যক্তি কে? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ সৌভাগ্যবান সে ব্যক্তি, যে দীর্ঘ হায়াত পেয়েছে এবং যার ‘আমাল নেক হয়েছে। সে ব্যক্তি আবার জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রসূল! কোন ‘আমাল সর্বোত্তম? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি যখন দুনিয়া ছেড়ে চলে যাবে তখন তোমার মুখে আল্লাহর জিকিররত থাকবে। (তিরমিযী; আহমদ)[১]
২৮
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৭৩
আবু হুরায়রা (রাঃ)
قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: من جلس مجلسا ولم يذكر الله فيه فقد أضره الجلوس بأمر الله. وكذلك الذي ينام على السرير فهو لله ولم يذكر، فإن ذلك يضره بأمر الله. (أبو داود)[1]
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন জায়গায় বসেছে, আর সেখানে আল্লাহর জিকির করেনি, আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী সে বৈঠক তার জন্য ক্ষতির কারণ হয়েছে। অনুরূপভাবে যে ব্যক্তি বিছানায় শুয়েছে অথচ আল্লাহর জিকির করেনি, আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী তা তার জন্য ক্ষতির কারণ হবে। (আবূ দাঊদ)[১]
২৯
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৭৭
আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)
قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: لا تكثروا الحديث إلا عن ذكر الله. لأن كثرة الكلام بغير ذكر الله تقسي القلب. لا داعي للقلق بشأن هذا الأمر তআলल হতে (الترمذي)[1]
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর জিকির ছাড়া বেশি কথা বলো না। কেননা আল্লাহর জিকির ছাড়া অন্য কথা বেশি বলা হৃদয় কঠিন হয়ে যাওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আর শক্ত হৃদয়সম্পন্ন ব্যক্তিই হচ্ছে আল্লাহ তা‘আলা হতে সবচেয়ে বেশি দূরে। (তিরমিযী)[১]
৩০
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৭৮
সওবান (RA)
وَعَنْ ثَوْبَانَ قَالَ: لَمَّا نَزَلَتْ ﴿وَالَّذِيْنَ يَكْنِزُوْنَ الذَّهَبَ وَالْفِضَّةَ﴾كُنَّا مَعَ النَّبِىِّ ﷺ فِىْ بَعْضِ أَسْفَارِه فَقَالَ بَعْضُ أَصْحَابِه: نَزَلَتْ فِى الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ لَوْ عَلِمْنَا أَيُّ الْمَالِ خَيْرٌ فَنَتَّخِذَه؟ فَقَالَ: «أَفْضَلُه لِسَانٌ ذَاكِرٌ وَقَلْبٌ شَاكِرٌ وَزَوْجَةٌ مُؤْمِنَةٌ تُعِينُه عَلٰى اِيْمَانِه». رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالتِّرْمِذِىُّ وَابْنُ مَاجَهْ
এবং সাওবানের সূত্রে, তিনি বলেন: "এবং যারা সোনা ও রৌপ্য জমা করে" যখন অবতীর্ণ হয়, তখন আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে তাঁর কিছু সফরে ছিলাম এবং তাদের কেউ কেউ এর সঙ্গী বলেছিল: সোনা ও রৌপ্য সম্পর্কে এটি অবতীর্ণ হয়েছিল: যদি আমরা জানতাম কোন অর্থটি উত্তম, তাহলে আমরা তা গ্রহণ করতাম? তিনি বলেন: "তাদের মধ্যে সর্বোত্তম হল গ্রহণযোগ্য জিহ্বা, কৃতজ্ঞ হৃদয় এবং ঈমানদার স্ত্রী।" তুমি তাকে তার বিশ্বাসে সাহায্য করো।” আহমাদ, তিরমিযী ও ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন
৩১
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৮০
আব্দুল্লাহ বিন বুসর (রাঃ)
وَعَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ بُسْرٍ: أَنَّ رَجُلًا قَالَ: يَا رَسُوْلَ اللّٰهِ إِنَّ شَرَائِعَ الْإِسْلَامِ قَدْ كَثُرَتْ عَلَىَّ فَأَخْبِرْنِىْ بِشَىْءٍ أَتَشَبَّثُ بِه قَالَ: لَا يَزَالُ لِسَانُكَ رَطْبًا بِذِكْرِ اللّٰهِ. رَوَاهُ التِّرْمِذِىُّ وَابْنُ مَاجَهْ وَقَالَ التِّرْمِذِىُّ: هٰذَا حَدِيْثٌ حَسَنٌ غَرِيْبٌ
আবদুল্লাহ ইবনে বুসর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ এক ব্যক্তি বললঃ হে আল্লাহর রসূল, ইসলামের বিধান আমার জন্য অনেক বেশি হয়ে গেছে, তাই আমাকে কিছু বলুন। আমি এটা আঁকড়ে আছে. তিনি বললেনঃ আল্লাহর স্মরণে তোমার জিহ্বা সিক্ত হতে থাকে। এটি আল-তিরমিযী এবং ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন এবং আল-তিরমিযী বলেছেন: এটি একটি হাসান গরীব হাদীস।
৩২
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৮১
আবু সা'ঈদ আল খুদরি (রাঃ)
قال وقد سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم من أعظم وأكرم عند الله يوم القيامة؟ قال (صلى الله عليه وسلم): الذاكرون الله والذاكرات. ثم سئل يا رسول الله! فهل هم أكرم وأفضل ممن يقاتلون في سبيل الله؟ قال (عليه السلام): نعم، إذا ضرب بسيفه الكفار والمشركين، وإن انقطع سيفه، وإن دم، فمن ذكر الله خير وأكرم منه. (أحمد، الترمذي، وقال الترمذي، الحديث ضعيف)[1]
তিনি বলেন, একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হলো, কিয়ামাতের দিন আল্লাহর কাছে কে সর্বশ্রেষ্ঠ ও মর্যাদাবান হবে? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আল্লাহর জিকিরকারী পুরুষ ও নারী। আবার তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর পথে জিহাদকারীদের চেয়েও কি তারা মর্যাদাবান ও শ্রেষ্ঠ? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ, সে যদি নিজের তরবারি দিয়ে কাফির ও মুশরিকদেরকে আঘাত করে, এমনকি তার তরবারি ভেঙে যায়, আর সে নিজেও হয়ে পড়ে রক্তাক্ত, তাহলেও তার থেকে আল্লাহর জিকিরকারী শ্রেষ্ঠ ও মর্যাদাবান। (আহমদ, তিরমিযী; তিরমিযী বলেন, হাদীসটি গরীব)[১]
৩৩
মিশকাতুল মাসাবীহ # ০/২২৮২
ইবনু আব্বাস (রাঃ)
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ: الشَّيْطَانُ جَاثِمٌ عَلٰى قَلْبِ ابْنِ اٰدَمَ فَإِذَا ذَكَرَ اللّٰهَ خَنَسَ وَإِذَا غَفَلَ وَسْوَسَ. رَوَاهُ البُخَارِىُّ تَعْلِيْقًا
ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: শয়তান আদম সন্তানের অন্তরে অবস্থান করছে। তিনি যখন ঈশ্বরের কথা উল্লেখ করেন, তখন তিনি নম্র হন এবং যখন তিনি অবসেশনকে অবহেলা করেন। তাফসীরে আল-বুখারী বর্ণনা করেছেন