দু‘আ

পরিবার সম্পর্কিত অধ্যায়

১৬টি দু‘আ
১

ঘরে প্রবেশ করার সময়ের দু‘আ-১

۞ اَللّٰهُمَّ اِنِّيْ اَسْاَلُكَ خَيْرَ الْمَوْلِجِ وَخَيْرَ الْمَخْرَجِ بِسْمِ اللهِ وَلَجْنَا وَ بِسْمِ اللهِ خَرَجْنَا وَعَلَى اللهِ رَبِّنَا تَوَكَّلْنَا
উচ্চারণ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা খাইরাল মাওলিজি ওয়া খাইরাল মাখরাজি, বিসমিল্লাহি ওয়ালাজনা ওয়া বিসমিল্লাহি খারাজনা ওয়া ‘আলাল্লাহি রব্বিনা তাওয়াক্কালনা।

অর্থ

হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট ভিতরে প্রবেশ করার এবং বের হবার মঙ্গল কামনা করছি। আমরা আল্লাহ তা‘আলার নামে প্রবেশ করলাম এবং আল্লাহর নামে বের হলাম এবং আমরা আমাদের প্রতিপালক আল্লাহর উপর ভরসা করলাম।

ফযীলত

হযরত জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযি) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ) কে বলতে শুনেছেনঃ যখন কোন ব্যক্তি তার ঘরে প্রবেশ করে এবং ভেতরে প্রবেশের সময় ও খাওয়ার সময় বিসমিল্লাহ বলে, তখন শয়তান বলেঃ এখানে তোমাদের জন্য রাতে থাকার কোন স্থান নেই, আর খানাও নেই। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার ঘরে প্রবেশের সময় বিসমি্ল্লাহ বলে না, তখন শয়তান বলেঃ তোমরা রাতে থাকার স্থান পেয়েছ। এরপর সে ব্যক্তি খাবার সময় যখন বিসমিল্লাহ বলে না, তখন শয়তান (তার সাথীদের) বলেঃ তোমরা রাতে থাকার স্থান এবং খাবার পেয়ে গেছ।

তথ্যসূত্র: সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং: ৩৭৬৫; সুনানে ইবনে মাজা, হাদীস নং: ৩৮৮৭

২

ঘরে প্রবেশ করার সময়ের দু‘আ-২

۞ اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ
উচ্চারণ

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহ্মাতুল্লাহ।

অর্থ

আল্লাহর পক্ষ হতে তোমাদের উপর শান্তি ও অনুগ্রহ বর্ষিত হউক।

সুনানে আবূ দাউদ, হাদীস নং: ৫০৯৬
৩

নব দম্পত্তিকে এই বলে দু‘আ দিবে

۞ بَارَكَ اللهُ لَكَ وَبَارَكَ عَلَيْكَ وَجَمَعَ بَيْنَكُمَا فِىْ خَيْرٍ
উচ্চারণ

বারকাল্লাহু লাকা ওয়া বারাকা ‘আলাইকা ওয়া জামা‘আ বাইনাকুমা ফী খইর।

অর্থ

আল্লাহ তা‘আলা তোমাকে বরকতপূর্ণ করুন এবং তোমার উপর বরকত অবতীর্ণ করুন এবং তোমাদের উভয়কে মঙ্গলময় সম্পর্ক দান করুন।

ফযীলত

হযরত আবূ হুরায়রা (রাযি) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কেউ বিবাহ করলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন তাকে বিবাহের শুভেচ্ছা–অভিনন্দন জানাতেন তখন তিনি উপরোক্ত দু‘আ বলতেন।

তথ্যসূত্র: সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং: ১০৯১; সুনানে আবূ দাউদ, হাদীস নং: ২১৩০

৪

স্ত্রীর সাথে প্রথম সাক্ষাতের সময় তার কপালে হাত রেখে এ দু‘আ পড়বে

۞ اَللّٰهُمَّ اِنِّيْ اَسْئَلُكَ مِنْ خَيْرِهَا وَخَيْرِ مَا جُبِلَتْ عَلَيْهِ . وَاَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَشَرِّ مَا جُبِلَتْ عَلَيْهِ
উচ্চারণ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আস আলুকা মিন খইরিহা ওয়া খইরি মা জুবিলাত ‘আলাইহি, ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিন শাররিহা ওয়া শাররি মা জুবিলাত ‘আলাইহি।

অর্থ

হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট এ বিবির কল্যাণ এবং যে কল্যাণের উপর তাকে সৃষ্টি করেছেন, তা প্রার্থনা করছি এবং বিবির অনিষ্টতা এবং যে অনিষ্টতার উপর তাকে সৃষ্টি করেছেন তা থেকে পানাহ চাচ্ছি।

সুনানে আবূ দাউদ, হাদীস নং: ২১৬০; সুনানে ইবনে মাজা, হাদীস নং: ১৯১৮
৫

সহবাসের পূর্বে এই দু‘আ পড়বে

۞ بِسْمِ اللّٰهِ اَللّٰهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا
উচ্চারণ

বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা জান্নিবনাশ শাইত্বনা ওয়া জান্নিবিশ শাইত্বনা মা রযাক্বতানা।

অর্থ

আল্লাহর নামে (সহবাস) আরম্ভ করছি। হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে শয়তান হতে রক্ষা করুন এবং আপনি আমাদেরকে যে সন্তান দান করবেন তাকে শয়তান হতে রক্ষা করুন।

ফযীলত

হযরত ইবনে আব্বাস (রাযি) বলেন, নবী কারীম (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, যখন কেউ নিজ স্ত্রীর নিকট আসে এবং উক্ত দু‘আ পড়ে, অতঃপর ঐ সময়ের সহবাসে যদি তাদের সন্তান হয়, তবে শয়তান কখনো তাদের ক্ষতি করতে পারবে না। অর্থাৎ শয়তান ঐ বাচ্চার ক্ষেত্রে গোমরাহ করার ব্যাপারে কখনও কামিয়াব হতে পারবে না।

তথ্যসূত্র: সহীহ বুখারী, হাদীস নং: ১৪১, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং: ১৪৩৪

৬

বীর্যপাতের সময় (মনে মনে) এই দু‘আ পড়বে

۞ اَللّٰهُمَّ لَا تَجْعَلْ لِلشَّيْطَانِ فِيْمَا رَزَقْتَنَا نَصِيْبًا
উচ্চারণ

আল্লাহুম্মা লা তাজ‘আল লিশ শাইত্বানি ফী মা রযাক্বতানা নাসীবা।

অর্থ

হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে যে সন্তান দান করবেন তাতে শয়তানের কোনো অংশ রাখবেন না।

ইবনে আবী শাইবা: ৩/৪০২
৭

অনুগত নেক সন্তান প্রার্থনা-১

۞ رَبِّ ہَبۡ لِیۡ مِنۡ لَّدُنۡکَ ذُرِّیَّۃً طَیِّبَۃً ۚ اِنَّکَ سَمِیۡعُ الدُّعَآءِ
উচ্চারণ

রব্বি হাবলী মিন লাদুনকা যুররিয়্যাতান তইয়্যিবাতান ইন্নাকা সামীউদ দু‘আ

অর্থ

হে রব! আমাকে তুমি তোমার নিকট হতে নেক বংশধর দান কর। নিশ্চয়ই তুমি প্রার্থনা শ্রবণকারী।

সূরা আলে ইমরান, আয়াত নং: ৩৮
৮

অনুগত নেক সন্তান প্রার্থনা-২

۞ رَبِّ هَبْ لِيْ مِنَ الصَّالِحِيْنَ
উচ্চারণ

রব্বি হাবলী মিনাছ ছ-লিহিন।

অর্থ

হে আমার প্রতিপালক! আমাকে এক নেক সন্তান দান কর।

সূরা আছ ছফফাত, আয়াত নং: ১০০
৯

নিঃসন্তান হওয়া থেকে বাঁচার দু‘আ

۞ رَبِّ لَا تَذَرْنِيْ فَرْدًا وَأَنتَ خَيْرُ الْوَارِثِيْنَ
উচ্চারণ

রব্বি লা-তাজারনি- ফারদাও ওয়া অাংতা খইরুল ওয়া-রিছি-ন।

অর্থ

হে আমার পালনকর্তা! আমাকে একা রেখো না/নিঃসন্তান করো না। তুমি তো উত্তম অভিভাবক।

সূরা আম্বিয়া, আয়াত নং: ৮৯
১০

স্ত্রী-সন্তান ও পরিবারের জন্য দু‘আ

۞ رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّا تِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَّاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِيْنَ إِمَاماً
উচ্চারণ

রাব্বানা হাব্ লানা মিন্ আয্ওয়াজ্বিনা ওয়া যুররিইয়্যাতিনা ক্বুররাতা আ’ইউনিওঁ ওয়াজ্ব’আলঅনা লিল্ মুত্তাক্বিনা ইমামা।

অর্থ

হে আমাদের রব! তুমি আমাদেরকে এমন স্ত্রী-সন্তান দান কর যাদের দর্শনে আমাদের চক্ষুশীতল হয়ে যাবে। তুমি আমাদেরকে পরহেযগার লোকদের ইমাম (অভিভাবক) বানিয়ে দাও।

সূরা আল-ফুরকান আয়াত নং: ৭৪
ফযীলত

যারা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে যে, তিনি যেন তাদের সন্তান-সন্ততির মধ্য থেকে এমন লোক সৃষ্টি করেন, যারা তাঁর আনুগত্য করবে এবং একমাত্র তাঁরই ইবাদত করবে—তাঁর কোনো শরিক নেই।

ইবনু আব্বাস রাযি. বলেন: এর দ্বারা তারা এমন সন্তান কামনা করে, যারা নেক আমল করবে। ফলে দুনিয়া ও আখিরাতে তাদের দেখে তাদের চোখ জুড়িয়ে যাবে।

ইকরিমা রহ. বলেন: তারা এর দ্বারা সন্তানদের সৌন্দর্য বা রূপ-লাবণ্য কামনা করেননি; বরং তারা চেয়েছেন, তাদের সন্তানরা যেন আল্লাহর অনুগত হয়।

হাসান বসরী রহ.-কে যখন এই আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো, তিনি বললেন: এর অর্থ হলো—আল্লাহ যেন কোনো মুসলিম বান্দাকে তার স্ত্রী, ভাই এবং নিকটজনদের মধ্যে আল্লাহর আনুগত্য দেখতে দেন। আল্লাহর কসম! কোনো মুসলিমের চোখের জন্য এর চেয়ে অধিক প্রশান্তিদায়ক আর কিছু নেই যে, সে তার সন্তান, নাতি-নাতনি, ভাই অথবা কোনো প্রিয়জনকে আল্লাহর অনুগত অবস্থায় দেখতে পায়।”

তথ্যসূত্র: তাফসীরে ইবনে কাসীর

১১

শিশুদের হেফাযতের দু‘আ

۞ أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّةٍ
উচ্চারণ

আ‘ঊযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মাতি মিন কুল্লি শাইতানিন ওয়া হা-ম্মাহ, ওয়ামিন কুল্লি আইনিল্লা-ম্মাহ্‌।

অর্থ

আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি আল্লাহর পরিপূর্ণ কথাসমূহের, সকল শয়তান থেকে, সকল ক্ষতিকারক পোকামাকড় ও প্রাণী থেকে এবং সকল ক্ষতিকারক দৃষ্টি থেকে।

ফযীলত

হযরত ইবনে ‘আব্বাস (রাযি) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (ﷺ) হাসান এবং হুসাইন (রাযি.)-এর জন্য উক্ত দু‘আ পড়ে পানাহ চাইতেন আর বলতেন, তোমাদের পিতা ইবরাহীম (আঃ) ইসমাঈল ও ইসহাক (আঃ)-এর জন্য এই দু‘আ পড়ে পানাহ চাইতেন।

তথ্যসূত্র: সহীহ বুখারী, হাদীস নং: ৩৩৭১; সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং: ২০৬০

১২

পিতা-মাতার জন্য দু‘আ

۞ رَبِّ ارْحَـمْـهُـمَـا كَـمَـا رَبَّيَانِيْ صَـغِـيْـرًا
উচ্চারণ

রব্বির হাম্‌ হুমা কামা রব্বা ইয়ানি সগিরা

অর্থ

হে আমাদের প্রতিপালক! তাদের উভয়ের (পিতা-মাতার) প্রতি দয়া কর যেভাবে শৈশবে তারা আমাকে প্রতিপালন করেছিলেন।

সূরা বানী ইসরাঈল, আয়াত নং: ২৩-২৪
ফযীলত

আল্লাহ তা‘আলা স্বয়ং তাকে ইবাদত করার পর পিতা মাতার সাথে উত্তম ব্যবহারের আদেশ দিয়েছেন। তাদের সাথে ’উহ’ শব্দটিও উচ্চারন করতে কুরআন মাজীদে কঠিনভাবে নিষেধ করেছেন। হাদীসে এসেছে, মৃত্যুর পর মা-বাবার জন্য নেক সন্তান দু‘আ করলে আল্লাহ কবুল করেন।
বি:দ্র: এই দু‘আটি জীবিত মৃত সকলের জন্য পড়া যায়। সকলের উচিত মা-বাবার জন্য প্রতিনিয়ত এ দু‘আ পড়া।

১৩

সন্তানের সংশোধনের জন্য দু’আ

رَبِّ أَوْزِعْنِي أَنْ أَشْكُرَ نِعْمَتَكَ الَّتِي أَنْعَمْتَ عَلَيَّ وَعَلَىٰ وَالِدَيَّ وَأَنْ أَعْمَلَ صَالِحًا تَرْضَاهُ وَ اَصْـلِـحْ لِـىْ فِـي ذُرِّيَّـتِـىْ ج اِنِّـىْ تُـبْـتُ اِلَـيْـكَ وَاِنِّـىْ مِـنَ الْـمُـسْـلِـمِـيْـنَ
উচ্চারণ

রাব্বি আওঝি‘নীআন আশকুরা নি‘মাতাকাল্লাতীআন‘আমতা ‘আলাইইয়া ওয়া ‘আলা-ওয়া-লিদাইইয়া ওয়া আন আ‘মালা সা-লিহান তারদা-হু ওয়া আছলিহ্ লী ফী যুররিয়্যাতি; ইন্নী তুব্‌তু ইলাইকা ওয়া ইন্নী মিনাল্ মুসলিমীন।

অর্থ

হে আমার পালনকর্তা, আমাকে এরূপ ভাগ্য দান কর, যাতে আমি তোমার নেয়ামতের শোকর করি, যা তুমি দান করেছ আমাকে ও আমার পিতা-মাতাকে এবং যাতে আমি তোমার পছন্দনীয় সৎকাজ করি। আমার জন্য আমার সন্তানদের সৎকর্মপরায়ণ করে দিন; আমি অবশ্যই আপনার নিকট তওবা করছি এবং নিশ্চয়ই আমি অনুগত বান্দাদের একজন।

(সূরা আহ্‌কাফ : ১৫)
১৪

সন্তান লাভকারীকে অভিনন্দনে এই দু’আ করবে

بَارَكَ اللَّهُ لَكَ فِي الْمَوْهُوبِ لَكَ، وَشَكَرْتَ الْوَاهِبَ، وَبَلَغَ أَشُدَّهُ، وَرُزِقْتَ بِرَّهُ
উচ্চারণ

বা-রাকাল্লা-হু লাকা ফিল মাউহুবি লাক, ওয়া শাকারতাল ওয়া-হিবা, ওয়া বালাগা আশুদ্দাহু, ওয়া রুযিক্তা বিররাহু

অর্থ

আল্লাহ আপনাকে যা দিয়েছেন তাতে আপনার জন্য বরকত দান করুন, সন্তান দানকারীর শুকরিয়া আদায় করুন, সন্তানটি পরিপূর্ণ বয়সে পদার্পণ করুক এবং তার সদ্ব্যবহার প্রাপ্ত হোন।

الأذكار للنووي ت الأرنؤوط (ص: 289)

يُستحبّ تهنئة المولود له، قال أصحابنا: ويُستحبّ أن يُهَنَّأ بما جاءَ عن الحسين رضي الله عنه أنه علَّم إنساناً التهنئة فقال: قل: باركَ الله لكَ في الموهوب لك، وشكرتَ الواهبَ، وبلغَ أشدَّه، ورُزقت برّه.

ويُسْتَحَبُّ أن يردّ على المهنئ فيقول: باركَ الله لك، وبارَك عليك، وجزاكَ الله خيراً، ورزقك الله مثلَه، أو أجزلَ الله ثوابَك، ونحو هذا.

হাদীসের কিতাবসমুহে এটি হযরত হুসাইন রাঃ এর বাণী হিসেবে উল্লেখিত হয়েছে। হাদীসের পরিভাষায় এটি হাদীসে মাওকুফ ।

কিতাবুল আযকার - নববী, হাদিস নাম্বারঃ ৮৫৩।

হাদিসটি মওকুফ এবং আমলযোগ্য।
১৫

আকীকার পশু জবাইয়ের দু‘আ

" بِاسْمِ اللهِ اَللّٰهُمَّ لَكَ وَإِِلَيْكَ، هٰذِهٖ ‌عَقِيْقَةُ ‌فُلَانٍ "
উচ্চারণ

বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা লাকা ওয়া ইলাইকা হা-যিহি পোলান

অর্থ

আল্লাহর নামে শুরু করছি। হে আল্লাহ! তোমার জন্য আমার পক্ষ হতে এটি অমুকের নামে (যার নামে করা হচ্ছে তার নাম) কুরবানী করছি।

«مصنف عبد الرزاق» (4/ 330 ت الأعظمي):
عَبْدُ الرَّزَّاقِ،
7963 - عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ قَالَ: حُدِّثْتُ حَدِيثًا، رُفِعَ إِلَى عَائِشَةَ أَنَّهَا قَالَتْ: «عَقَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ حَسَنٍ شَاتَيْنِ، وَعَنْ حُسَيْنٍ شَاتَيْنِ ذَبَحَهُمَا يَوْمَ السَّابِعِ» قَالَ: «وَمَشَقَهُمَا وَأَمَرَ أَنْ يُمَاطَ عَنْ رُءُوسِهِمَا الْأَذَى» قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " اذْبَحُوا عَلَى اسْمِهِ، وَقُولُوا: بِاسْمِ اللَّهِ اللَّهُمَّ لَكَ وَإِلَيْكَ، هَذِهِ ‌عَقِيقَةُ ‌فُلَانٍ " قَالَ: وَكَانَ أَهْلُ الْجَاهِلِيَّةِ يُخَضِّبُونَ قُطْنَةً بِدَمِ الْعَقِيقَةِ، فَإِذَا حَلَقُوا الصَّبِيَّ وَضَعُوهَا عَلَى رَأْسِهِ، فَأَمَرَهُمُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " أَنْ يَجْعَلُوا مَكَانَ الدَّمِ خَلُوقًا، يَعْنِي مَشَقَهُمَا: وُضِعَ عَلَى رَأْسِهِمَا طِينُ مَشْقٍ مِثْلُ الْخَلُوقِ "

«مصنف ابن أبي شيبة» (13/ 371 ت الشثري):
«25851 - حدثنا أبو بكر قال: حدثنا يزيد بن هارون قال: أخبرنا هشام (الدستوائي) عن قتادة قال: يسمى على العقيقة كما يسمى على الأضحية: بسم اللَّه ‌عقيقة ‌فلان.
‌‌________
(1) في [ز]: (الدستواني).»
১৬

সন্তানদের জন্য নবী কারীম ﷺ-এর দু‘আ

اللَّهُمَّ أَكْثِرْ مَالَهُ، وَوَلَدَهُ، وَبَارِكْ لَهُ فِيمَا أَعْطَيْتَهُ
উচ্চারণ

আল্লাহুম্মা আকছির মালাহু, ওয়া ওয়ালাদাহু, ওয়া বারিক লাহু ফীমা আ‘ত্বাইতাহু।

অর্থ

হে আল্লাহ! তার সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বৃদ্ধি করে দিন এবং আপনি তাকে যা দান করেছেন, তাতে বরকত দান করুন।

সহীহ মুসলিম, হাদীস নং: ৬১৪৮, আন্তর্জাতিক নং: ২৪৮০-১