দু‘আ

মুনাজাতে মাকবুল - শনিবার

৫৪টি দু‘আ
১

উপকারী ইলমের জন্য দু‘আ-২

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا وَرِزْقًا طَيِّبًا
উচ্চারণ

আল্ল-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকা ’ইলমান না-ফি’আন ওয়া ’আমালান মুতাকাব্বালান ওয়া রিযকন ত্বইয়্যিবা।

অর্থ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে উপকারী 'ইলম, উত্তম রিযিক এবং মকবূল আমল চাই।

সুনানে ইবনে মাজা, হাদীস নং: ৯২৫
২

দু‘আ-১

رَبَّنَاۤ اٰتِنَا فِی الدُّنْیَا حَسَنَةً وَّ فِی الْاٰخِرَةِ حَسَنَةً وَّ قِنَا عَذَابَ النَّارِ۝۲۰۱
উচ্চারণ

রাব্বানা আ-তিনা-ফিদ্দুনইয়া-হাসানাতাও ওয়া ফিল আ-খিরাতি হাসানাতাও ওয়া কিনা-‘আযা-বান্না-র।

অর্থ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে দুনিয়াতেও কল্যাণ দান করুন, আখিরাতেও কল্যাণ দান করুন, এবং আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন।

সূরা বাকারা, আয়াত নং: ২০১
৩

দু‘আ-২

رَبَّنَا اَفْرِغْ عَلَیْنَا صَبْرًا وَّ ثَبِّتْ اَقْدَامَنَا وَ انْصُرْنَا عَلَی الْقَوْمِ الْكٰفِرِیْنَؕ۝۲۵۰
উচ্চারণ

রাব্বানা আফরিগ আলাইনা সাবরাও ওয়া সাব্বিত আকদা-মানা ওয়ানসুরনা-‘আলাল কাওমিল কা-ফিরীন

অর্থ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে ধৈর্য দান করুন। আমাদের কদম অবিচলিত রাখুন, আর কাফির সম্প্রদায়ের উপর আমাদেরকে সাহায্য ও বিজয় দান করুন।

সূরা বাকারা, আয়াত নং: ২৫০
৪

দু‘আ-৩

رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَاۤ اِنْ نَّسِیْنَاۤ اَوْ اَخْطَاْنَا ۚ رَبَّنَا وَ لَا تَحْمِلْ عَلَیْنَاۤ اِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهٗ عَلَی الَّذِیْنَ مِنْ قَبْلِنَا ۚ رَبَّنَا وَ لَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهٖ ۚ وَ اعْفُ عَنَّا ۥ وَ اغْفِرْ لَنَا ۥ وَ ارْحَمْنَا ۥ اَنْتَ مَوْلٰىنَا فَانْصُرْنَا عَلَی الْقَوْمِ الْكٰفِرِیْنَ۠۝۲۸۶
উচ্চারণ

রাব্বানা লা-তুআ খিযনা ইন নাছীনা আও আখতা-না, রাব্বানা ওয়ালা তাহমিল ‘আলাইনা ইসরান কামা হামালতাহূ আলাল্লাযীনা মিন কাবলিনা, রাব্বানা ওয়ালা তুহাম্মিলনা মা-লা-তা-কাতা লানা বিহী, ওয়া‘ফু‘আন্না ওয়াগফিরলানা ওয়ারহামনা আনতা মাওলা-না ফানসুরনা-‘আলাল কাওমিল কা-ফিরীন।

অর্থ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের দ্বারা যদি কোনও ভুল-ত্রুটি হয়ে যায় তবে সেজন্য তুমি আমাদের পাকড়াও করো না।

হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের প্রতি সেই রকমের দায়িত্বভার অর্পণ করো না, যেমন তা অর্পণ করেছিলে আমাদের পূর্ববর্তীদের প্রতি।

হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের উপর এমন ভার চাপিয়ো না, যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই। আমাদের (ত্রুটিসমূহ) মার্জনা কর, আমাদের ক্ষমা কর এবং আমাদের প্রতি দয়া কর। তুমিই আমাদের অভিভাবক ও সাহায্যকারী। সুতরাং কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য কর।

সূরা বাকারা, আয়াত নং: ২৮৬
৫

দু‘আ-৪

رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوْبَنَا بَعْدَ اِذْ هَدَیْتَنَا وَ هَبْ لَنَا مِنْ لَّدُنْكَ رَحْمَةً ۚ اِنَّكَ اَنْتَ الْوَهَّابُ۝۸
উচ্চারণ

রাব্বানা লা-তুঝিগ কুলূবানা বা‘দা ইয হাদাইতানা ওয়াহাবলানা মিল্লা দুনকা রাহমাতান, ইন্নাকা আনতাল ওয়াহহা-ব।

অর্থ

হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি আমাদেরকে যখন হিদায়াত দান করেছ তারপর আর আমাদের অন্তরে বক্রতা সৃষ্টি করো না এবং একান্তভাবে নিজের পক্ষ হতে আমাদেরকে রহমত দান কর। নিশ্চয়ই তুমিই মহাদাতা।

সূরা আলে ইমরান, আয়াত নং: ৮
৬

দু‘আ-৫

رَبَّنَاۤ اِنَّنَاۤ اٰمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوْبَنَا وَ قِنَا عَذَابَ النَّارِۚ۝۱۶
উচ্চারণ

রাব্বানা ইন্নানা আ-মান্না ফাগফিরলানা যুনূবানা ওয়াকিনা‘আযা-বান্না-র

অর্থ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা (তোমার প্রতি) ঈমান এনেছি। সুতরাং আমাদের পাপরাশি ক্ষমা কর এবং আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা কর।

সূরা আলে ইমরান, আয়াত নং: ১৬
৭

দু‘আ-৬

رَبَّنَا مَا خَلَقْتَ هٰذَا بَاطِلًا ۚ سُبْحٰنَكَ فَقِنَا عَذَابَ النَّارِ۝۱۹۱
উচ্চারণ

রাব্বানা মা-খালাকতা হাযা-বা-তিলান ছুবহা-নাকা ফাকিনা-‘আযা-বান্না-র

অর্থ

হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি এসব উদ্দেশ্যহীনভাবে সৃষ্টি করেননি। আপনি (এমন ফজুল কাজ থেকে) পবিত্র। সুতরাং আপনি আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন।

সুরা আলে ইমরান, আয়াত নং: ১৯১
৮

দু‘আ-৭

رَبَّنَاۤ اِنَّكَ مَنْ تُدْخِلِ النَّارَ فَقَدْ اَخْزَیْتَهٗ ؕ وَ مَا لِلظّٰلِمِیْنَ مِنْ اَنْصَارٍ۝۱۹۲
উচ্চারণ

রাব্বানা ইন্নাকা মান তুদখিলিন্না-রা ফাকাদ আখঝাইতাহূ ওয়ামা-লিজ্জা-লিমীনা মিন আনসা-র।

অর্থ

হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি যাকেই জাহান্নামে দাখিল করবেন, তাকে নিশ্চিতভাবেই লাঞ্ছিত করলেন। আর জালিমগণ তো কোনও সাহায্যকারী পাবে না।

সূরা আলে ইমরান, আয়াত নং: ১৯২
৯

দু‘আ-৮

رَبَّنَاۤ اِنَّنَا سَمِعْنَا مُنَادِیًا یُّنَادِیْ لِلْاِیْمَانِ اَنْ اٰمِنُوْا بِرَبِّكُمْ فَاٰمَنَّا ۖۗ رَبَّنَا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوْبَنَا وَ كَفِّرْ عَنَّا سَیِّاٰتِنَا وَ تَوَفَّنَا مَعَ الْاَ بْرَارِۚ۝۱۹۳
উচ্চারণ

রাব্বানা ইন্নানা-ছামি‘না মুনা-দিআই ইউনাদী লিল ঈমা-নি আন আ-মিনূ বিরাব্বিকুম ফা‘আমান্না, রাব্বানা ফাগফিরলানা যুনূবানা ওয়াকাফফির‘আন্না ছাইয়িআতিনা ওয়াতাওয়াফফানা মা‘আল আব রা-র।

অর্থ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা এক ঘোষককে ঈমানের দিকে ডাক দিতে শুনেছি যে, ‘তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের প্রতি ঈমান আন।’ সুতরাং আমরা ঈমান এনেছি। কাজেই হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিন, আমাদের মন্দসমূহ আমাদের থেকে মিটিয়ে দিন এবং আমাদেরকে পুণ্যবানদের মধ্যে শামিল করে নিজের কাছে তুলে নিন।

সূরা আলে ইমরান, আয়াত নং: ১৯৩
১০

কিয়ামতের দিনের লাঞ্ছনা থেকে রক্ষার দু‘আ

رَبَّنَا وَاٰتِنَا مَا وَعَدْتَّنَا عَلٰی رُسُلِكَ وَ لَا تُخْزِنَا یَوْمَ الْقِیٰمَةِ ؕ اِنَّكَ لَا تُخْلِفُ الْمِیْعَادَ۝۱۹۴
উচ্চারণ

রাব্বানা ওয়া আ-তিনা মা ওয়া-‘আত্তানা ‘আলা-রুসুলিকা ওয়ালা তুখঝিনা ইয়াওমাল কিয়ামাতি ইন্নাকা লা তুখলিফুল মী‘আ-দ।

অর্থ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে সেই সবকিছু দান করুন, যার প্রতিশ্রুতি আপনি নিজ রাসূলগণের মাধ্যমে আমাদেরকে দিয়েছেন। আমাদেরকে কিয়ামতের দিন লাঞ্ছিত করবেন না। নিশ্চয়ই আপনি কখনও প্রতিশ্রুতির বিপরীত করেন না।

সূরা আলে ইমরান, আয়াত নং: ১৯৪
১১

দু‘আ-১০

رَبَّنَا ظَلَمْنَاۤ اَنْفُسَنَا وَ اِنْ لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَ تَرْحَمْنَا لَنَكُوْنَنَّ مِنَ الْخٰسِرِیْنَ۝۲۳
উচ্চারণ

রাব্বানা জালামনা আনফুছানা ওয়া ইল্লাম তাগফির লানা ওয়া তারহামনা লানাকূনান্না মিনাল খা-ছিরীন।

অর্থ

তারা বলল, হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা নিজ সত্তার উপর জুলুম করে ফেলেছি। আপনি যদি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন ও আমাদের প্রতি রহম না করেন, তবে আমরা অবশ্যই অকৃতকার্যদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব।

সূরা আ‘রাফ, আয়াত নং: ২৩
১২

দু‘আ-১১

رَبَّنَا اَفْرِغْ عَلَیْنَا صَبْرًا وَّ تَوَفَّنَا مُسْلِمِیْنَ۠۝۱۲۶
উচ্চারণ

রাব্বানা আফরিগ ‘আলাইনা সাবরাও ওয়াতাওয়াফফানা মুসলিমীন।

অর্থ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের উপর সবর ঢেলে দাও এবং (তোমার) তাবেদাররূপে আমাদের মৃত্যু দান কর।

সূরা আ’রাফ, আয়াত নং: ১২৬
১৩

দু‘আ-১২

اَنْتَ وَلِیُّنَا فَاغْفِرْ لَنَا وَ ارْحَمْنَا وَاَنْتَ خَیْرُ الْغٰفِرِیْنَ۝۱۵۵
উচ্চারণ

আনতা ওয়ালিইউনা ফাগফিরলানা ওয়ারহামনা ওয়া আনতা খাইরুল গা-ফিরীন।

অর্থ

আপনিই আমাদের অভিভাবক। সুতরাং আমাদেরকে ক্ষমা করে দিন ও আমাদের প্রতি রহম করুন। নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীলদের মধ্যে শ্রেষ্ঠতম ক্ষমাশীল।

সূরা আ’রাফ, আয়াত নং: ১৫৫
১৪

দু‘আ-১৩

رَبَّنَا لَا تَجْعَلْنَا فِتْنَةً لِّلْقَوْمِ الظّٰلِمِیْنَۙ۝۸۵ وَ نَجِّنَا بِرَحْمَتِكَ مِنَ الْقَوْمِ الْكٰفِرِیْنَ۝۸۶
উচ্চারণ

রাব্বানা লা তাজ‘আলনা ফিতনাতাল লিলকাওমিজ্জা-লিমীন।
ওয়া নাজজিনা বিরাহমাতিকা মিনাল কাওমিল কা-ফিরীন।

অর্থ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে ওই জালেম সম্প্রদায়ের পরীক্ষার পাত্র বানিও না। এবং নিজ রহমতে আমাদেরকে কাফের সম্প্রদায় হতে নাজাত দাও।

সূরা ইউনুস, আয়াত নং: ৮৫-৮৬
১৫

দু‘আ-১৪

فَاطِرَ السَّمٰوٰتِ وَ الْاَرْضِ ۫ اَنْتَ وَلِیّٖ فِی الدُّنْیَا وَ الْاٰخِرَةِ ۚ تَوَفَّنِیْ مُسْلِمًا وَّ اَلْحِقْنِیْ بِالصّٰلِحِیْنَ۝۱۰۱
উচ্চারণ

ফা-তিরাছছামা ওয়া-তি ওয়াল আরদি আনতা ওয়ালিইইয়ী ফিদদুনইয়া ওয়াল আখিরাতি তাওয়াফফানী মুছলিমাও ওয়া আলহিকনী বিসসা-লিহীন।

অর্থ

হে আকাশমণ্ডল ও পৃথিবীর স্রষ্টা! দুনিয়া ও আখেরাতে তুমিই আমার অভিভাবক। তুমি দুনিয়া থেকে আমাকে এমন অবস্থায় তুলে নিও, যখন আমি থাকি তোমার অনুগত। আর আমাকে পুণ্যবানদের অন্তর্ভুক্ত করো।

সূরা ইউসুফ, আয়াত নং: ১০১
১৬

নিজে ও সন্তানদের নামাজি করার দু‘আ

رَبِّ اجْعَلْنِیْ مُقِیْمَ الصَّلٰوةِ وَ مِنْ ذُرِّیَّتِیْ ۖۗ رَبَّنَا وَ تَقَبَّلْ دُعَآءِ۝۴۰
উচ্চারণ

রাব্বিজ ‘আলনী মুকীমাসসালা-তি ওয়া মিন যুররিইইয়াতী, রাব্বানা ওয়া তাকাব্বাল দু‘আই।

অর্থ

হে আমার প্রতিপালক! আমাকেও নামায কায়েমকারী বানিয়ে দিন এবং আমার আওলাদের মধ্য হতেও (এমন লোক সৃষ্টি করুন, যারা নামায কায়েম করবে)। হে আমার প্রতিপালক! এবং আমার দু‘আ কবুল করে নিন।

সূরা ইবরাহীম, আয়াত নং: ৪০
১৭

দু‘আ-১৬

رَبَّنَا اغْفِرْ لِیْ وَ لِوَالِدَیَّ وَ لِلْمُؤْمِنِیْنَ یَوْمَ یَقُوْمُ الْحِسَابُ۠۝۴۱
উচ্চারণ

রাব্বানাগফিরলী ওয়া লিওয়ালিদাইয়া ওয়ালিলমু’মিনীনা ইয়াওমা ইয়াকূমুল হিছা-ব।

অর্থ

হে আমার প্রতিপালক! যে দিন হিসাব প্রতিষ্ঠিত হবে, সে দিন আমাকে, আমার পিতা-মাতা ও সকল ঈমানদারকে ক্ষমা করুন।

সূরা ইবরাহীম, আয়াত নং: ৪১
১৮

দু‘আ-১৭

رَبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّیٰنِیْ صَغِیْرًاؕ۝۲۴
উচ্চারণ

রাব্বির হামহুমা কামারাব্বাইয়া-নী সাগীরা

অর্থ

হে আমার প্রতিপালক! তারা যেভাবে আমার শৈশবে আমাকে লালন-পালন করেছে, তেমনি আপনিও তাদের প্রতি রহমতের আচরণ করুন।

সূরা বানী ইসরাইল, আয়াত নং: ২৪
১৯

দু‘আ-১৮

رَبِّ اَدْخِلْنِیْ مُدْخَلَ صِدْقٍ وَّ اَخْرِجْنِیْ مُخْرَجَ صِدْقٍ وَّ اجْعَلْ لِّیْ مِنْ لَّدُنْكَ سُلْطٰنًا نَّصِیْرًا۝۸۰
উচ্চারণ

রাব্বি আদখিলনী মুদ খালা সিদকিও ওয়া আখরিজনী মুখরাজা সিদকিও ওয়াজ‘আলনী মিল্লাদুনকা ছুলতা-নান নাসীরা

অর্থ

হে প্রতিপালক! আমাকে যেখানে প্রবেশ করাবে, কল্যাণের সাথে প্রবেশ করিও এবং যেখান থেকে বের করবে কল্যাণের সাথে বের করো এবং আমাকে তোমার নিকট থেকে বিশেষভাবে এমন ক্ষমতা দান করো, যার সাথে (তোমার) সাহায্য থাকবে।

সূরা বানী ইসরাইল, আয়াত নং: ৮০
২০

দু‘আ-১৯

رَبَّنَاۤ اٰتِنَا مِنْ لَّدُنْكَ رَحْمَةً وَّ هَیِّئْ لَنَا مِنْ اَمْرِنَا رَشَدًا۝۱۰
উচ্চারণ

রাব্বানা আ-তিনা মিল্লাদুনকা রাহমাতাও ওয়া হাইয়ি’ লানা-মিন আমরিনা রাশাদা।

অর্থ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের প্রতি আপনার নিকট থেকে বিশেষ রহমত নাযিল করুন এবং আমাদের এ পরিস্থিতিতে আমাদের জন্য কল্যাণকর পথের ব্যবস্থা করে দিন।

সূরা কাহফ, আয়াত নং: ১০
২১

দাওয়াতের কাজে সহজতা ও বাকপটুতা লাভের দু‘আ

رَبِّ اشۡرَحۡ لِیۡ صَدۡرِیۡ - وَیَسِّرۡ لِیۡۤ اَمۡرِیۡ - وَاحۡلُلۡ عُقۡدَۃً مِّنۡ لِّسَانِیۡ - یَفۡقَہُوۡا قَوۡلِیۡ
উচ্চারণ

রব্বিশরহ লী সদরী, ওয়া ইয়াসসির লী আমরী, ওয়াহলুল 'উক্বদাতাম মিল লিসানী, ইয়াফক্বহূ ক্বওলী।

অর্থ

হে আমার প্রতিপালক! আমার বক্ষ খুলে দিন। এবং আমার কাজ সহজ করে দিন। এবং আমার জিহ্বা থেকে জড়তা দূর করে দিন। যাতে মানুষ আমার কথা বুঝতে পারে।

সূরা তাহা, আয়াত নং: ২৫-২৮
২২

দু‘আ-২১

رَبِّ زِدْنِیْ عِلْمًا ۝۱۱۴
উচ্চারণ

রাব্বি ঝিদনী ইলমা।

অর্থ

হে আমার প্রতিপালক! জ্ঞানে আমাকে আরও উন্নতি দান কর।

সূরা ত্বহা, আয়াত নং: ১১৪
২৩

দু‘আ-২২

اَنِّیْ مَسَّنِیَ الضُّرُّ وَ اَنْتَ اَرْحَمُ الرّٰحِمِیْنَۚۖ۝۸۳
উচ্চারণ

আন্নী মাছছানিয়াদ দুররু ওয়া আনতা আরহামুররা হিমীন।

অর্থ

হে আমার প্রতিপালক! আমার এই কষ্ট দেখা দিয়েছে এবং তুমি তো দয়ালুদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দয়ালু।

সূরা আম্বিয়া, আয়াত নং: ৮৩
২৪

দু‘আ-২৩

رَبِّ لَا تَذَرْ نِیْ فَرْدًا وَّ اَنْتَ خَیْرُ الْوٰرِثِیْنَۚۖ۝۸۹
উচ্চারণ

রাব্বি লা তাযারনী ফারদাও ওয়া আনতা খাইরুল ওয়ারিছীন।

অর্থ

হে আমার রব্ব! আমাকে একা রেখে দিও না, আর তুমিই শ্রেষ্ঠ উত্তরাধিকারী।

সূরা আম্বিয়া, আয়াত নং: ৮৯
২৫

দু‘আ-২৪

رَبِّ اَنْزِلْنِیْ مُنْزَلًا مُّبٰرَكًا وَّ اَنْتَ خَیْرُ الْمُنْزِلِیْنَ۝۲۹
উচ্চারণ

রাব্বি আনঝিলনী মুনঝালাম মুবারাকাও ওয়া আনতা খাইরুল মুনঝিলীন

অর্থ

হে আমার প্রতিপালক! আমাকে অবতরণ করাও বরকতময় অবতারণে। আর তুমিই শ্রেষ্ঠ অবতারণকারী।

সূরা মুমিনূন, আয়াত নং: ২৯
২৬

দু‘আ-২৫

رَبِّ اَعُوْذُ بِكَ مِنْ هَمَزٰتِ الشَّیٰطِیْنِۙ۝۹۷ وَ اَعُوْذُ بِكَ رَبِّ اَنْ یَّحْضُرُوْنِ۝۹۸
উচ্চারণ

রাব্বি আ‘ঊযুবিকা মিন হামাঝাতিশশাইয়া-তীন। ওয়া আ‘ঊযুবিকা রাব্বি আই ইয়াহদু রূন।

অর্থ

হে আমার প্রতিপালক! আমি শয়তানদের প্ররোচনা হতে আপনার আশ্রয় চাই। হে আমার প্রতিপালক! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই যাতে তারা আমার কাছেও আসতে না পারে।

সূরা মুমিনূন, আয়াত নং: ৯৭-৯৮
২৭

দু‘আ-২৬

رَبَّنَاۤ اٰمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا وَ ارْحَمْنَا وَ اَنْتَ خَیْرُ الرّٰحِمِیْنَۚۖ۝۱۰۹
উচ্চারণ

রাব্বানা আ-মান্না ফাগফিরলানা ওয়ারহামনা ওয়াআনতা খাইরুর রা-হিমীন।

অর্থ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা ঈমান এনেছি। সুতরাং আমাদেরকে ক্ষমা করে দিন এবং আমাদের প্রতি দয়া করুন। আপনি দয়ালুদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দয়ালু।

সূরা মুমিনূন, আয়াত নং: ১০৯
২৮

দু‘আ-২৭

رَبَّنَا اصْرِفْ عَنَّا عَذَابَ جَهَنَّمَ ۖۗ اِنَّ عَذَابَهَا كَانَ غَرَامًاۗۖ۝۶۵
উচ্চারণ

রাব্বানাসরিফ ‘আন্না-‘আযা-বা জাহান্নামা ইন্না ‘আযা-বাহা কানা গারা-মা।

অর্থ

হে আমাদের প্রতিপালক! জাহান্নামের আযাব আমাদের থেকে দূরে রাখুন। নিশ্চয়ই তার আযাব সদা সংলগ্ন হয়ে থাকে।

সূরা ফুরকান, আয়াত নং: ৬৫
২৯

দু‘আ-২৮

رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ اَزْوَاجِنَا وَ ذُرِّیّٰتِنَا قُرَّةَ اَعْیُنٍ وَّ اجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِیْنَ اِمَامًا۝۷۴
উচ্চারণ

রাব্বানা হাবলানা মিন আঝওয়া জিনা ওয়া যুররিইইয়া তিনা কুররাতা আ‘ইউনিও ওয়াজ‘আলনা লিলমুত্তাকীনা ইমা-মা।

অর্থ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে আমাদের স্ত্রী ও সন্তানদের পক্ষ হতে দান কর নয়নপ্রীতি এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা বানাও।

সূরা ফুরকান, আয়াত নং: ৭৪
৩০

দু‘আ-২৯

رَبِّ اَوْزِعْنِیْۤ اَنْ اَشْكُرَ نِعْمَتَكَ الَّتِیْۤ اَنْعَمْتَ عَلَیَّ وَ عَلٰی وَالِدَیَّ وَ اَنْ اَعْمَلَ صَالِحًا تَرْضٰىهُ وَ اَدْخِلْنِیْ بِرَحْمَتِكَ فِیْ عِبَادِكَ الصّٰلِحِیْنَ۝۱۹
উচ্চারণ

রাব্বি আওঝি‘নী আন আশকুরা নি‘মাতাকাল্লাতী আন‘আমতা ‘আলাইইয়া ওয়া ‘আলা ওয়া-লিদাইইয়া ওয়া‘আন আ‘মালা সালিহান তারদা-হু ওয়া আদখিলনী বিরাহমাতিকা ফী ‘ইবাদিকাসসা-লিহীন।

অর্থ

হে আমার প্রতিপালক! আমাকে তাওফীক দাও, যেন শুকর আদায় করতে পারি সেই সকল নি‘আমতের, যা তুমি দান করেছ আমাকে ও আমার পিতা-মাতাকে এবং করতে পারি এমন সৎকাজ, যা তুমি পছন্দ কর আর নিজ রহমতে তুমি আমাকে নেক বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত কর।

সূরা নামল, আয়াত নং: ১৯
৩১

দু‘আ-৩০

رَبِّ اِنِّیْ لِمَاۤ اَنْزَلْتَ اِلَیَّ مِنْ خَیْرٍ فَقِیْرٌ۝۲۴
উচ্চারণ

রাব্বি ইন্নী লিমা আনঝালতা ইলাইইয়া মিন খাইরিন ফাকীর।

অর্থ

হে আমার প্রতিপালক! তুমি আমার প্রতি যে কল্যাণ বর্ষণ করবে আমি তার ভিখারী।

সূরা কাসাস, আয়াত নং: ২৪
৩২

দু‘আ-৩১

رَبِّ انْصُرْنِیْ عَلَی الْقَوْمِ الْمُفْسِدِیْنَ۠۝۳۰
উচ্চারণ

রাব্বিনসুরনী ‘আলাল কাওমিল মুফছিদীন।

অর্থ

হে আমার প্রতিপালক! ফাসাদ সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য করুন।

সূরা আনকাবূত, আয়াত নং: ৩০
৩৩

দু‘আ-৩২

رَبَّنَا وَسِعْتَ كُلَّ شَیْءٍ رَّحْمَةً وَّ عِلْمًا فَاغْفِرْ لِلَّذِیْنَ تَابُوْا وَ اتَّبَعُوْا سَبِیْلَكَ وَ قِهِمْ عَذَابَ الْجَحِیْمِ۝۷
উচ্চারণ

রাব্বানা ওয়াছি‘তা কুল্লা শাইয়িররাহমাতাও ওয়া ‘ইলমান ফাগফির লিল্লাযীনা তাবূ ওয়াত্তাবা‘ঊ ছাবীলাকা ওয়াকিহিম ‘আযা-বাল জাহীম।

অর্থ

হে আমাদের প্রতিপালক! তোমার রহমত ও জ্ঞান সমস্ত কিছু জুড়ে ব্যাপ্ত। সুতরাং যারা তাওবা করেছে ও তোমার পথের অনুসারী হয়েছে তাদেরকে ক্ষমা করে দাও এবং তাদেরকে জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা কর।

সূরা মুমিন, আয়াত নং: ৭
৩৪

দু‘আ-৩৩

رَبَّنَا وَ اَدْخِلْهُمْ جَنّٰتِ عَدْنِ ِ۟الَّتِیْ وَعَدْتَّهُمْ وَ مَنْ صَلَحَ مِنْ اٰبَآىِٕهِمْ وَ اَزْوَاجِهِمْ وَ ذُرِّیّٰتِهِمْ ؕ اِنَّكَ اَنْتَ الْعَزِیْزُ الْحَكِیْمُۙ۝۸ وَ قِهِمُ السَّیِّاٰتِ ؕ وَ مَنْ تَقِ السَّیِّاٰتِ یَوْمَىِٕذٍ فَقَدْ رَحِمْتَهٗ ؕ وَ ذٰلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِیْمُ۠۝۹
উচ্চারণ

রাব্বানা ওয়া আদখিলহুম জান্না-তি ‘আদনি নিল্লাতী ওয়া ‘আত্তাহুম ওয়া মান সালাহা মিন আবাইহিম ওয়া আঝওয়া-জিহিম ওয়া যুররিইয়া-তিহিম ইন্নাকা আনতাল ‘আঝীঝুল হাকীম।
ওয়া কিহিমুছ ছাইয়িআ-তি ওয়া মান তাকিছ ছাইয়িআ-তি ইয়াওমায়িযিন ফাকাদ রাহিমতাহূ ওয়া যা-লিকা হুওয়াল ফাওঝুল ‘আজীম।

অর্থ

হে আমাদের প্রতিপালক! তাদেরকে দাখিল কর স্থায়ী জান্নাতে, যার ওয়াদা তুমি তাদের সাথে করেছ এবং তাদের পিতা-মাতা, স্ত্রী ও সন্তানদের মধ্যে যারা নেক লোক তাদেরকেও। নিশ্চয়ই তুমিই পরাক্রশালী, প্রজ্ঞাময়।
এবং তাদেরকে সকল মন্দ বিষয় থেকে রক্ষা কর। সে দিন তুমি যাকে সব মন্দ থেকে রক্ষা করবে, তার প্রতি তুমি অবশ্যই দয়া করলে। আর এটাই মহাসাফল্য।

সূরা মুমিন, আয়াত নং: ৮-৯
৩৫

দু‘আ-৩৪

وَ اَصْلِحْ لِیْ فِیْ ذُرِّیَّتِیْ ؕۚ اِنِّیْ تُبْتُ اِلَیْكَ وَ اِنِّیْ مِنَ الْمُسْلِمِیْنَ۝۱۵
উচ্চারণ

ওয়া আসলিহলী ফী যুররিইইয়াতী ইন্নী তুবতুইলাইকা ওয়া ইন্নী মিনাল মুছলিমীন।

অর্থ

এবং আমার জন্য আমার সন্তানদেরকেও (সেই) যোগ্যতা দান করুন। আমি আপনার কাছে তাওবা করছি এবং আমি আনুগত্য প্রকাশকারীদের অন্তর্ভুক্ত।

সূরা আহকাফ, আয়াত নং: ১৫
৩৬

দু‘আ-৩৫

اَنِّیْ مَغْلُوْبٌ فَانْتَصِرْ۝۱۰
উচ্চারণ

আন্নী মাগলূবুন ফানতাসির।

অর্থ

(হে প্রতিপালক) আমি অসহায় হয়ে পড়েছি। এবার আপনিই ব্যবস্থা নিন।

সূরা কামার, আয়াত নং: ১০
৩৭

দু‘আ-৩৬

رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا وَ لِاِخْوَانِنَا الَّذِیْنَ سَبَقُوْنَا بِالْاِیْمَانِ وَ لَا تَجْعَلْ فِیْ قُلُوْبِنَا غِلًّا لِّلَّذِیْنَ اٰمَنُوْا رَبَّنَاۤ اِنَّكَ رَءُوْفٌ رَّحِیْمٌ۠۝۱۰
উচ্চারণ

রাব্বানাগফিরলানা ওয়া লিইখওয়া-নিনাল্লাযীনা ছাবকূনা বিল ঈমা-নি ওয়ালা তাজ‘আল ফী কুলূবিনা গিল্লাল লিল্লাযীনা আ-মানূ রাব্বানা ইন্নাকা রাঊফুর রাহীম।

অর্থ

হে আমাদের প্রতিপালক! ক্ষমা কর আমাদেরকে এবং আমাদের সেই ভাইদেরকেও, যারা আমাদের আগে ঈমান এনেছে এবং আমাদের অন্তরে ঈমানদারদের প্রতি কোন হিংসা-বিদ্বেষ রেখ না। হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি অতি মমতাবান, পরম দয়ালু।

সূরা হাশর, আয়াত নং: ১০
৩৮

দু‘আ-৩৭

رَبَّنَا عَلَیْكَ تَوَكَّلْنَا وَ اِلَیْكَ اَنَبْنَا وَ اِلَیْكَ الْمَصِیْرُ۝۴
উচ্চারণ

রাব্বানা ‘আলাইকা তাওয়াক্কালনা ওয়া ইলাইকা আনাবনা ওয়া ইলাইকাল মাসীর।

অর্থ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা আপনারই উপর নির্ভর করেছি, আপনারই দিকে আমরা রুজূ হয়েছি এবং আপনারই কাছে আমাদেরকে ফিরে যেতে হবে।

সূরা মুমতাহিনা, আয়াত নং: ৪
৩৯

দু‘আ-৩৮

رَبَّنَا لَا تَجْعَلْنَا فِتْنَةً لِّلَّذِیْنَ كَفَرُوْا وَ اغْفِرْ لَنَا رَبَّنَا ۚ اِنَّكَ اَنْتَ الْعَزِیْزُ الْحَكِیْمُ ۝۵
উচ্চারণ

রাব্বানা লা তাজ‘আলনা ফিতনাতালিলল্লাযীনা কাফারূ ওয়াগফিরলানা রাব্বানা, ইন্নাকা আনতাল ‘আঝীঝুল হাকীম।

অর্থ

হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি আমাদেরকে কাফেরদের পরীক্ষার পাত্র বানাবেন না এবং হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয়ই কেবল আপনিই পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

সূরা মুমতাহিনা, আয়াত নং: ৫
৪০

দু‘আ-৩৯

رَبَّنَاۤ اَتْمِمْ لَنَا نُوْرَنَا وَ اغْفِرْ لَنَا ۚ اِنَّكَ عَلٰی كُلِّ شَیْءٍ قَدِیْرٌ ۝۸
উচ্চারণ

রাব্বানা আতমিম লানা নূরানা ওয়াগফিরলানা, ইন্নাকা ‘আলা কুল্লি শাইয়িন কাদীর।

অর্থ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের জন্য এ আলোকে পরিপূর্ণ করে দিন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্ববিষয়ে শক্তিমান।

সূরা তাহরীম, আয়াত নং: ৮
৪১

দু‘আ-৪০

رَبِّ اغْفِرْ لِیْ وَ لِوَالِدَیَّ وَ لِمَنْ دَخَلَ بَیْتِیَ مُؤْمِنًا وَّ لِلْمُؤْمِنِیْنَ وَ الْمُؤْمِنٰتِ ۠۝۲۸
উচ্চারণ

রাব্বিগফিরলী ওয়ালি ওয়া-লিদাইইয়া ওয়া লিমান দাখালা বাইতিয়া মু’মিনাও ওয়া লিলমু’মিনীনা ওয়াল মু’মিনা-তি

অর্থ

হে আমার প্রতিপালক! আমাকে ক্ষমা করে দিন এবং আমার পিতা-মাতাকেও এবং প্রত্যেক এমন ব্যক্তিকেও, যে ঈমানের অবস্থায় আমার ঘরে প্রবেশ করেছে আর সমস্ত মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীকেও।

সূরা নূহ, আয়াত নং: ২৮
৪২

দু‘আ-৪১

اَللّٰهُمَّ اغْسِلْ خَطَايَايَ بِمَآءِ الثَّلْجِ وَالْبَرَدِ، وَنَقِّ قَلْبِيْ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الْأَبْيَضُ مِنَ الدَّنَسِ، وَبَاعِدْ بَيْنِيْ وَبَيْنَ خَطَايَايَ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ.
উচ্চারণ

আল্লাহুম্মাগ্‌সিল খাত্বা-ইয়ায়া বিমা-য়িস্‌ সালজি ওয়াল বারাদি, ওয়া নাক্কি কালবী মিনাল খাত্বা-ইয়া, কামা ইউনাক্কাস্‌ সাওবুল আবইয়াদু মিনাদ দানাসি, ওয়া বা-ইদ বাইনী ওয়া বাইনা খাত্বা-ইয়ায়া, কামা বা-আদতা বাইনাল মাশরিকি ওয়াল মাগরিবি।

অর্থ

ইয়া আল্লাহ! আপনি আমার সমুদয় গুনাহ বরফ ও শীতল পানি দিয়ে ধুয়ে দিন। আমার অন্তর যাবতীয় পাপ থেকে পরিচ্ছন্ন করুন, যেভাবে সাদা কাপড় ময়লা থেকে পরিচ্ছন্ন করা হয়। আমার ও আমার গুনাহসমূহের মধ্যে এতটা ব্যবধান করে দিন, যতটা ব্যবধান আপনি দুনিয়ার পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তের মধ্যে করেছেন।

সহীহ বুখারী, হাদীস নং: ৬৩৭৫
৪৩

দু‘আ-৪২

اَللّٰهُمَّ اٰتِ نَفْسِيْ تَقْوَاهَا، وَزَكِّهَا، أَنْتَ خَيْرُ مَنْ زَكَّاهَا، أَنْتَ وَلِيُّهَا وَمَوْلَاهَا.
উচ্চারণ

আল্লাহুম্মা আতি নাফসি তাকওয়াহা, ওয়া জাক্কিহা, আনতা খাইরু মান জাক্কাহা, আনতা ওয়ালিয়্যুহা ওয়া মাওলাহা।

অর্থ

ইয়া আল্লাহ! আমার নফসে (অন্তর) তাকওয়া দান করুন এবং একে পরিশুদ্ধ করে দিন। আপনি একে সর্বোত্তম পরিশোধনকারী, আপনিই এর মালিক ও এর অভিবাবক।

সহীহ মুসলিম, হাদীস নং: ২৭২২
৪৪

দু‘আ-৪৩

اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
উচ্চারণ

আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকা মিন খাইরি মা সাআলাকা মিনহু নাবিয়্যুকা মুহাম্মাদুন ﷺ।

অর্থ

হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে সেই সব কল্যাণ প্রার্থনা করি, যে সব কল্যাণের প্রার্থনা তোমার কাছে তোমার নবী মুহাম্মাদ ﷺ করেছেন।

জামে' তিরমিযী, হাদীস নং: ৩৫২১
৪৫

দু‘আ-৪৪

اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ عَزَائِمَ مَغْفِرَتِكَ، وَمُنْجِيَاتِ أَمْرِكَ، وَالسَّلَامَةَ مِنْ كُلِّ إِثْمٍ، وَالْغَنِيْمَةَ مِنْ كُلِّ بِرٍّ، وَالْفَوْزَ بِالْجَنَّةِ، وَالنَّجَاةَ مِنَ النَّارِ.
উচ্চারণ

আল্লহুম্মা ইন্না নাসআলুকা ‘আযা-ইমা মাগফিরাতিকা, ওয়া মুঞ্জিয়া-তি আমরিক, ওয়াস সালামাতা মিন কুল্লি ইছম, ওয়াল গানীমাতা মিন কুল্লি বিরর, ওয়াল ফাওযা বিল জান্নাহ, ওয়ান্নাজাতা মিনান না-র।

অর্থ

হে আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট আপনার ক্ষমা লাভকে নিশ্চিতকারী আমলসমূহের তাওফীক চাই, আপনার নাজাতদানকারী নির্দেশাবলীর অনুসরণ চাই, সকল গুনাহ থেকে সুরক্ষা ও নিরাপত্তা চাই, প্রতিটি নেক কাজ অর্জনের সৌভাগ্য চাই, জান্নাত লাভ করার সফলতা চাই এবং জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি চাই।

মুসতাদরাকে হাকিম, ১/ ৫২৫; আল-আযকার, ৩৪০পৃ.
৪৬

দু‘আ-৪৬

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْلِيْ ذُنُوْبِيْ . خَطَئِـيْ وَعَمْدِيْ.
উচ্চারণ

আল্লাহুম্মাগফির লী যুনূবী, খাতাঈ ওয়া ‘আমদী

অর্থ

হে আল্লাহ! আমার গুনাহসমূহ, আমার ভুলত্রুটি এবং ইচ্ছাকৃত অপরাধসমূহ ক্ষমা করে দিন।

সহীহু মাওয়ারিদিয-যাম‘আন ইলা যাওয়াইদি ইব্‌নি হিব্বান, ২/৪৫০, হাদীস নং ২০৫৯
৪৭

দু‘আ-৪৭

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ خَطِيْٓئَتِيْ وَجَهْلِيْ وَإِسْرَافِيْ فِيْۤ أَمْرِيْ وَمَاۤ أَنْتَ أَعْلَمُ بِه مِنِّيْ .
উচ্চারণ

আল্লাহুম্মাগফির লী খাতীআতী, ওয়া জাহলী, ওয়া ইসরাফী ফী আমরী, ওয়া মা আনতা আ‘লামু বিহী মিন্নী।

অর্থ

হে আল্লাহ! আপনি আমার গুনাহ, আমার মূর্খতা ও আমার কাজের সীমালংঘন এবং যে বিষয়ে আপনি আমার চাইতে অধিক জানেন তা ক্ষমা করে দিন।

সহীহ বুখারী, হাদীস নং: ৬৩৯৯
৪৮

ইচ্ছাকৃত ও অনিচ্ছাকৃত ভুলের ক্ষমা প্রার্থনার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ جِدِّيْ وَهَزْلِىْ.
উচ্চারণ

আল্লাহুম্মাগফির লী জিদ্দী ওয়া হাযলী।

অর্থ

হে আল্লাহ! আমার গুরুতর ও অনিচ্ছাকৃত বিষয়গুলো ক্ষমা করে দিন।

সুনান আবু দাউদ, হাদীস: ১৫০৮; সুনান ইবনে মাজাহ, হাদীস: ২০৪৩।
৪৯

আল্লাহর আনুগত্যের প্রতি অন্তর পরিচালিত হওয়ার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ مُصَرِّفَ الْقُلُوْبِ! صَرِّفْ قُلُوْبَنَا عَلٰى طَاعَتِكَ.
উচ্চারণ

আল্লাহুম্মা মুসাররিফাল কুলূবি! সাররিফ কুলূবানা ‘আলা ত্বা‘আতিক।

অর্থ

হে অন্তরসমূহের পরিচালক আল্লাহ! আমাদের অন্তরসমূহকে আপনার আনুগত্যের দিকে পরিচালিত করুন।

সহীহ মুসলিম, হাদীস: ২৬৫৪।
৫০

হিদায়াত ও সঠিক পথে অবিচল থাকার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ اهْدِنِيْ وَسَدِّدْنِىْ.
উচ্চারণ

আল্লাহুম্মাহদিনী ওয়া সাদ্দিদনী।

অর্থ

হে আল্লাহ! আমাকে হিদায়াত দান করুন এবং আমাকে সঠিক পথে অবিচল রাখুন।

সহীহ মুসলিম, হাদীস: ২৭২৫।
৫১

হিদায়াত, তাকওয়া, পবিত্রতা ও অমুখাপেক্ষিতা লাভের দুআ

اَللّٰهُمَّ إِنِّىْۤ أَسْأَلُكَ الْهُدٰى وَالتُّقٰى وَالْعَفَافَ وَالْغِنٰى.
উচ্চারণ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল হুদা, ওয়াত তুকা, ওয়াল ‘আফাফা, ওয়াল গিনা।

অর্থ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে হিদায়াত, তাকওয়া, পবিত্রতা এবং অমুখাপেক্ষিতা প্রার্থনা করছি।

সহীহ মুসলিম, হাদীস: ২৭২১।
৫২

দীন, দুনিয়া ও আখিরাতের সংশোধন এবং কল্যাণময় জীবনের দু‘আ

اَللّٰهُمَّ أَصْلِحْ لِيْ دِينِىَ الَّذِيْ هُوَ عِصْمَةُ أَمْرِىْ، وَأَصْلِحْ لِيْ دُنْيَاىَ الَّتِيْ فِيْهَا مَعَاشِىْ، وَأَصْلِحْ لِيْ اٰخِرَتِيَ الَّتِيْ فِيْهَا مَعَادِيْ، وَاجْعَلْ الْحَيٰوةَ زِيَادَةً لِّيْ فِيْ كُلِّ خَيْرٍ، وَاجْعَلِ الْمَوْتَ رَاحَةً لِّيْ مِنْ كُلِّ شَرٍّ.
উচ্চারণ

আল্লাহুম্মা আসলিহ লী দীনিয়াল্লাযী হুয়া ‘ইসমাতু আমরী, ওয়া আসলিহ লী দুনইয়ায়াল্লাতী ফীহা মা‘আশী, ওয়া আসলিহ লী আখিরাতিয়াল্লাতী ফীহা মা‘আদী, ওয়াজ‘আলিল হায়াতা যিয়াদাতাল লী ফী কুল্লি খাইরিন, ওয়াজ‘আলিল মাওতা রাহাতাল লী মিন কুল্লি শাররিন।

অর্থ

হে আল্লাহ! আমার দীনকে সংশোধন করে দিন, যা আমার সকল কাজের সুরক্ষাকবচ। আমার দুনিয়াকে সংশোধন করে দিন, যেখানে আমার জীবিকা রয়েছে। আমার আখিরাতকে সংশোধন করে দিন, যেখানে আমাকে ফিরে যেতে হবে। আমার জীবনকে প্রতিটি কল্যাণ বৃদ্ধির মাধ্যম বানিয়ে দিন এবং মৃত্যুকে আমার জন্য সকল অনিষ্ট থেকে মুক্তির আরামের মাধ্যম বানিয়ে দিন।

সহীহ মুসলিম, হাদীস: ২৭২০।
৫৩

ক্ষমা, রহমত, হিদায়াত ও রিজিক প্রার্থনার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ وَارْحَمْنِيْ، وَاهْدِنِيْ، وَارْزُقْنِىْ.
উচ্চারণ

আল্লাহুম্মাগফির লী, ওয়ারহামনী, ওয়াহদিনী, ওয়ারযুকনী।

অর্থ

হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন, আমার প্রতি রহম করুন, আমাকে হিদায়াত দিন এবং আমাকে রিজিক দান করুন।

সহীহ মুসলিম, হাদীস: ২৬৯৭।
৫৪

দুনিয়া-আখিরাতের যাবতীয় বিপদ, ফিতনা ও অনিষ্ট থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনার দুআ

اَللّٰهُمَّ إِنِّىْۤ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْجُبُنِ وَالْهَرَمِ، وَالْمَغْرَمِ وَالْمَأْثَمِ، وَمِنْ عَذَابِ النَّارِ وَفِتْنَةِ النَّارِ، وَفِتْنَةِ الْقَبْرِ وَعَذَابِ الْقَبْرِ، وَشَرِّ فِتْنَةِ الْغِنٰى وَشَرِّ فِتْنَةِ الْفَقْرِ، وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْمَسِيْحِ الدَّجَّالِ، ومِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ، وَمِنَ الْقَسْوَةِ وَالْغَفْلَةِ، وَالْعَيْلَةِ وَالذِّلَّةِ، وَالْمَسْكَنَةِ وَالْفَقْرِ، وَالْكُفْرِ وَالْفُسُوْقِ وَالشِّقَاقِ، وَالسُّمْعَةِ وَالرِّيَآءِ، وَمِنَ الصَّمَمِ وَالْبَكَمِ، وَالْجُنُوْنِ وَالْجُذَامِ وَسَيِّءِ الْأَسْقَامِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ، وَمِنَ الْـهَمِّ وَالْحُزْنِ، وَالْبُخْلِ وَغَلَـبَةِ الرِّجَالِ، وَمِنْ أَنْ أُرَدَّ إِلٰۤى أَرْذَلِ الْعُمُرِ، وَفِتْنَةِ الدُّنْيَا، وَمِنْ عِلْمٍ لَّا يَنْفَعُ، وَمِنْ نَّفْسٍ لَّا تَشْبَعُ، وَمِنْ قَلْبٍ لَّا يَخْشَعُ، وَمِنْ دَعْوَةٍ لَّا يُسْتَجَابُ لَهَا.
উচ্চারণ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘ঊযু বিকা মিনাল ‘আজযি ওয়াল কাসালি, ওয়াল জুবনি ওয়াল হারামি, ওয়াল মাগরামি ওয়াল মা’ছামি, ওয়া মিন ‘আযাবিন নারি ওয়া ফিতনাতিন নারি, ওয়া ফিতনাতিল কাবরি ওয়া ‘আযাবিল কাবরি, ওয়া শাররি ফিতনাতিল গিনা ওয়া শাররি ফিতনাতিল ফাকরি, ওয়া মিন শাররি ফিতনাতিল মাসীহিদ দাজ্জালি, ওয়া মিন ফিতনাতিল মাহইয়া ওয়াল মামাতি, ওয়া মিনাল কাসওয়াতি ওয়াল গাফলাতি, ওয়াল ‘আইলাতি ওয়ায যিল্লাতি, ওয়াল মাসকানাতি ওয়াল ফাকরি, ওয়াল কুফরি ওয়াল ফুসূকি ওয়াশ শিকাকি, ওয়াস সুম‘আতি ওয়াল রিয়া-ই, ওয়া মিনাস সামামি ওয়াল বাকামি, ওয়াল জুনূনি ওয়াল জুযামি ওয়া সাইয়্যি-ইল আসকামি, ওয়া দালা‘ইদ দাইনি, ওয়া মিনাল হাম্মি ওয়াল হুযনি, ওয়াল বুখলি ওয়া গালাবাতির রিজালি, ওয়া মিন আন উরাদ্দা ইলা আরযালিল ‘উমুরি, ওয়া ফিতনাতিদ দুনইয়া, ওয়া মিন ‘ইলমিল লা ইয়ানফা‘উ, ওয়া মিন নাফসিল লা তাশবা‘উ, ওয়া মিন কালবিল লা ইয়াখশা‘উ, ওয়া মিন দা‘ওয়াতিল লা ইউস্তাজাবু লাহা।

অর্থ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে অক্ষমতা, অলসতা, কাপুরুষতা, বার্ধক্যজনিত দুর্বলতা, ঋণের বোঝা ও পাপ থেকে আশ্রয় চাই। জাহান্নামের শাস্তি ও তার ফিতনা, কবরের ফিতনা ও শাস্তি, প্রাচুর্যের ফিতনা এবং অভাবের ফিতনার অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই। দাজ্জালের ফিতনা, জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা, অন্তরের কঠোরতা, উদাসীনতা, অভাব, লাঞ্ছনা, দারিদ্র্য, কুফর, পাপাচার, বিভেদ, লোক-শোনানো আমল ও রিয়া থেকে আশ্রয় চাই। বধিরতা, বোবা হওয়া, উন্মাদনা, কুষ্ঠরোগ ও যাবতীয় মন্দ রোগ থেকে আশ্রয় চাই। ঋণের বোঝা, দুশ্চিন্তা, দুঃখ, কৃপণতা ও মানুষের প্রাধান্য থেকে আশ্রয় চাই। আমাকে যেন জীবনের নিকৃষ্ট বার্ধক্যে ফিরিয়ে দেওয়া না হয়। দুনিয়ার ফিতনা, অনুপকারী জ্ঞান, অতৃপ্ত আত্মা, আল্লাহর ভয়ে অবনত হয় না এমন অন্তর এবং কবুল হয় না এমন দুআ থেকেও আপনার আশ্রয় চাই।

সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২৮২৩, ৬৩৭১; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৭০৬; সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস নং ৬৭৬০; আল-মুস্তাদরাক ‘আলাস সহীহাইন, হাদীস নং ১৯৬৮; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং ১৯৩০৮; সুনানে নাসাঈ আল-কুবরা, হাদীস নং ৭৮১৫।
ফযীলত

সম্পূর্ণ দুআটি একটিমাত্র হাদীসের হুবহু পাঠ নয়; এর বিভিন্ন অংশ একাধিক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে।