হযরত মু‘আয ইবনে যুহরা (রাযি) নবী কারীম (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি ইফতারের সময় এই দু‘আ পড়তেন। (সুনানে আবূ দাউদ, হাদীস নং: ২৩৫৮; আল-ফাতহুর রাব্বানি, ৪: ৩৩৯)
হাদিসের ব্যাখ্যাঃ ইফতারের সময় হওয়ার পর দ্রুত ইফতার করা ছিল নবীগণের বৈশিষ্ট্য। সাহাবায়ে কেরামও দ্রুত ইফতার করতেন। নবী কারীম (ﷺ) বলেন,
মানুষ ততদিন খায়র ও কল্যাণের মাঝে থাকবে যতদিন তারা সময় হওয়ার সাথে সাথে দ্রুত ইফতার করবে। (সহীহ বুখারী, হাদীস নং: ১৯৫৭; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং: ১০৯৮)
অন্য বর্ণনায় পাওয়া যায়,
ততদিন দ্বীন প্রতিষ্ঠিত থাকবে যতদিন মানুষ দ্রুত ইফতার করবে। কেননা ইহুদী-নাসারারা এক্ষেত্রে বিলম্ব করে। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস নং: ৮৯৪৪)
হাদীসে কুদসীতে এসেছে, আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
সময় হওয়ার সাথে সাথে দ্রুত ইফতারকারী আমার নিকট সবচেয়ে প্রিয়। (সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং: ৭০০; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং: ৭২৪১, ৮৩৬০)
একবার হযরত মাসরূক রাহ. হযরত আয়িশা (রাযি)-কে জিজ্ঞাসা করলেন, হে উম্মুল মু'মিনীন! মুহাম্মাদ (ﷺ) এর সাহাবীদের দুই ব্যক্তির মধ্যে এক ব্যক্তি ইফতার ও নামাযে ত্বরান্বিত করে এবং অন্য এক ব্যক্তি ইফতার ও নামায বিলম্ব করে। আম্মাজান জিজ্ঞাসা করলেন, তবে দ্রুত করেন কে? বললেন, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাযি)। হযরত আয়িশা (রাযি) বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ও এমনটিই করতেন। (সহীহ মুসলিম, হাদীস নং: ১০৯৯; সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং: ৭০২)